Blog

  • মাদকের সাথে সম্পৃক্তদের কোনো ছাড় দেয়া হবেনা-(ওসি) ওমর ফারুক

    মাদকের সাথে সম্পৃক্তদের কোনো ছাড় দেয়া হবেনা-(ওসি) ওমর ফারুক

    মো.হাসমত উল্ল্যাহ, লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাট জেলা পাটগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)ওমর ফারুক,
    মাদক ব্যবসায়ী মাদক সেবীদের উদ্দেশ্যে কড়া হুশিয়ারি দিয়ে বলেন পাটগ্রাম উপজেলায় হয় মাদক থাকবে আর নাহলে আমি ওমর ফারুক, থাকব দুুইটা একটা মাদক ব্যবসায়ী,মাদক সেবীসহ মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিযতই শক্তি শালী হোক তাকে কোনভাবেই ছাড় দেয়া হবে না।

    লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার মাদক,জঙ্গীবাদ,সন্ত্রাস,ইভটিজিং জুয়া ও বাল্য বিবাহ সহসামাজিক অবক্ষয় রোধে পাটগ্রাম থানার পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে।তিনি আরো বলেন আমার উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছি কিন্তু মাদক আমাদের সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে মাদক সুস্থ্য সমাজ বিনির্মানে বড় অন্তরায়।বাংলাদেশ পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন।মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এ কার্যক্রমকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।এ কার্যক্রমে এগিয়ে আসতে হবে যুব সমাজকে।সকলের সহযোগিতা নিয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    পাটগ্রাম কে মাদক মুক্ত,জঙ্গীবাদ,সন্ত্রাস,জুয়া,ইভটিজিং ও বাল্য বিবাহ,নির্মুল করতে কাজ করে যাচ্ছে, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ওমর ফারুক , পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত আব্দুল মোতালেব সরকার, এস আই মিন্টু চন্দ্র রায়, এস আই রেজাউল আলম, এস আই মিজানুর রহমান, এস আই ওয়াদুদ হোসেন সরকার, এ এস আই ডিজু মিয়া, এ এস আই সুজা মিয়া, এ এস আই রাশেদ মিয়া,সহ থানার সকল পুলিশ কর্মকর্তা কর্মচারী।

    হাসমত উল্ল্যাহ।।

  • সারাদেশের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করলে ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা

    সারাদেশের সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করলে ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা

    হেলাল শেখঃ সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করলে ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পুলিশ ও কলম সৈনিক সাংবাদিকরা কখনো মৃত্যুর ভয় করেন না। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা অনেকেরই ইতিহাস জানেন যে, কে কেমন প্রকৃতির নেতা বা কেমন অপরাধী। রাজধানী ঢাকা ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক পুলিশ ও প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার ঘটনা ঘটছে, এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতাসহ সচেতন মহল।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ আছে, কেউ আমাদের ভয় দেখাবেন না। আমরা কোনো কচু পাতার পানি নয় যে, বাতাসে পড়ে যাবো। অনেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে হামলা-মামলায় জড়িত হয়ে থাকেন, তবে ভয় করবেন না আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি। সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিউজ লেখতে হবে আমাদের সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায়, সেই সংবাদ প্রকাশ করলেই সাংবাদিক দাবি করতে পারেন, ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। নতুনদেরকে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হয়, লিখতে হবে, জানতে হবে এবং নিজে সচেতন হতে হবে। অন্যদেরকে সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, হকার বা সোর্স হয়ে কাজ করা আর সাংবাদিকতা একরকম না।
    দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায় এমন দুষ্টু ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তথ্যপ্রমানবিহীন মানুষের বদনাম ছড়ায়-সেই ষড়যন্ত্রকারীদের ধ্বংস নিশ্চিত। কলম সৈনিকরা কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়। এই প্রকৃতির অমানুষগুলো দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে অভিমত প্রকাশ করেন অনেকেই। প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে একটি মহল গভীর ষড়যন্ত্র করছে। গণমাধ্যমে কাজ করতে হলে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক রাখতে হবে। নতুন সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়া প্রয়োজন, প্রকৃত সাংবাদিকতা করলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল। সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণেই আজ তারা বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হচ্ছেন। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, সাংবাদিক শব্দ সহজ হলেও এই পেশা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, আবার সম্মানজনক বলা হয়। দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করলেও কেউ সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করেন না, এটা জাতির জন্য লজ্জাজনক।
    সাংবাদিকরা ৩৬৫ দিনে এক বছর, জীবনে কোনদিন ছুটি নেই। ৩৬৪ দিন একজনের পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করবে এতে তার লোক বলা হয়, আর ১দিন যদি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো সংবাবাদ প্রকাশ হয় তখন সাংবাদিক জাতির বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ, এটা কোন ধর্ম আর কোন বিচার?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা আমাদের ভুল হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে। আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন,বিশেষ সম্মান অর্জন করার জন্য কিন্তু সম্মান অর্জন না হয়ে আরও বদনাম হচ্ছে। শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে।
    সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মনজয় করতে পারেন না কেন? ছোট একটি ভুল করলেই সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করা হয়, এমনকি হত্যার শিকার হতে হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন, কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না?। সাংবাদিকরাই আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, যার কোনো হিসাব নেই।
    বাংলাদেশে প্রায় ১৮কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। “পুলিশ, সাংবাদিক” আইনজীবি ও জনপ্রতিধিগণ, এই চারটি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক”। বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি’র বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা অতি জরুরি-যেমনঃ সংবাদের উৎসহের মত সংবাদের উপাদান কি? মানুষ এবং প্রকৃতি, মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য। এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের উপাদান। যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়, আর মানুষ যদি কুকুরকে কামড়ায় বা অপ্রত্যাশিত কিছু অপকর্ম করে তা সংবাদ হয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা, অন্যায় অবিচার, যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে, এরকম অনেক বিষয়কে সংবাদ বলা যেতে পারে। সাংবাদিক সবাইকে তথ্য জানার অধিকার আছে, তবে কারো সাথে বিবাদ বা শক্রতা করে সাংবাদিকতায় সাফল্য আসতে পারে না। সাংবাদিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করা সহজ হবে বলে অনেকেরই অভিমত। সাংবাদিককে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে, সেই সাথে সর্বশেষ সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হবে। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। ভয়কে জয় করে সাংবাদিকতা করার মধ্যে দেশপ্রেম আছে। সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন বলেই মানুষের ঘরের সুন্দরী নারী ও অর্থ সম্পদ নিরাপদে থাকে, বাকিটা ইতিহাস। বাংলাদেশে ১০ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান পুলিশ অনেক পরিবর্তন হয়েছে।

  • তেলের দাম বৃদ্ধি: বাড়ছে দরিদ্রতার সংখ্যা-স্থান পরিবর্তন করেও বেশিরভাগ মানুষ দিশেহারা

    তেলের দাম বৃদ্ধি: বাড়ছে দরিদ্রতার সংখ্যা-স্থান পরিবর্তন করেও বেশিরভাগ মানুষ দিশেহারা

    হেলাল শেখঃ চলতি বছরে তেল ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে, বিভিন্ন কারণে দেশে বাড়ছে দরিদ্রতার সংখ্যা। গত এপ্রিল মাস থেকে প্রায় ৭৯ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছেন। সূত্র জানায়, চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে এই সংখ্যা বেড়েই চলেছে, এখন অক্টোবর মাসে মানুষের আয়ের চেয়ে ব্যয় বাড়ছে। সেই সাথে দীর্ঘদিন করোনার কারণে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ৭ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী কিশোরী তরুণীদের বিয়ে দেওয়ায় বাল্যবিবাহ বেড়েছে। তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে পরিবহনের ভাড়া বেড়েছে, যানবাহনে ভাড়া বৃদ্ধি করে মানছে না কেউ আইন।
    তথ্য সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের মার্চ মাসে নতুন দরিদ্রের সংখ্যা ছিলো ২কোটি ৪৫ লাখ। অর্থাৎ গত ৮ মাসে প্রায় ৭৯ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছে। দেশে করোনাকালে ৩কোটি ২৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) এবং পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) যৌথ জরিপে এ তথ্য পাওয়া গেছে। সূত্রমতে ‘জীবিকা, খাপ খাইয়ে নেওয়া ও উত্তরণে কোভিড-১৯ এর প্রভাব’ শীর্ষক জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
    বিআইজিডি ও পিপিআরসি করোনাকালে মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর প্রভাব নিয়ে চার দফায় জরিপ করে। প্রথম দফায় জরিপ হয় গত বছরের এপ্রিল মাসে। এরপর সে বছরের জুন মাসে দ্বিতীয় দফায় ও তৃতীয় দফায় চলতি বছরের জুন মাসে এবং গত বছরের সর্বশেষ জরিপ হয় ২১আগষ্ট থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই জরিপে অংশ নেয় ৪৮৭২টি পরিবার। এর মধ্যে শহরের ৫৪ শতাংশ এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম এলাকায় এক শতাংশ পরিবার ছিলেন। গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সূত্রমতে, জরিপ প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাকালে দারিদ্রের কারণে দেশের ২৮শতাংশ মানুষ শহর থেকে গ্রামে চলে যায়। বিশেষ করে শিল্পা লের পোশাক শ্রমিকসহ সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, এদের মধ্যে ১৮ শতাংশ মানুষ শহরে আবার ফিরে এসেছে। অর্থাৎ ১০ শতাংশ মানুষ এখনো শহরে ফিরতে পারেনি।
    দেশে ২০২০ইং সালের ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্তের খবর জানায় রোতত্ত: রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। প্রথম মৃত্যুর খবর জানানো হয় ১৮ মার্চ। এর আগের দিন ১৭ মার্চ থেকে দেশের স্কুল-কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়, এরপর থেকে বাল্যবিবাহ বেড়েছে অনেক। ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে শুরু হয় সাধারণ ছুটি। অবশ্য এর আগেই বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজধানী ও শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যায়। সাধারণ ছুটির আদলে লকডাউন চলে মে মাস পর্যন্ত। মার্চ মাসের শেষের দিকে করোনা সংক্রমণ আবার বাড়তে শুরু করলে লকডাউন শুরু হয় এপ্রিল মাস থেকে। এটি চলে আগস্ট মাস পর্যন্ত।
    পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, ‘গত বছর করোনার কারণে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন দারিদ্র পরিস্থিতিকে আরও লাজুক করে তুলেছে।’ নতুন দরিদ্র মানুষদের মধ্যে এই শহর থেকে গ্রামে চলে যাওয়া মানুষই বেশি। এসব মানুষের জন্য প্রচলিত ধারার দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি নেওয়া যাবে না। নতুন দরিদ্র এসব মানুষ হয়তো কারও কারও কাছে সহায়তাও চাইতে পারবেন না। তারা নতুন কাজের সন্ধান চাইবে। নীতি নির্ধারণী স্তরে এসব মানুষের বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে।
    জরিপ প্রতিবেদনটির বড় অংশ তুলে ধরেন বিআইজিডির নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন। তিনি বলেন, আয়-বেকারত্ব-খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি নানা খাতে গ্রামের চেয়ে শহরের মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সর্বশেষ জরিপে দেখা গেছে, শহর অ লের মানুষের আয় কোভিড-পূর্ব সময়ের তুলনায় ৩০ শতাংশ কমে গেছে। যেমন: কাগজ ও প্লেটের দাম বৃদ্ধির কারণে অনেক দৈনিক পত্রিকা নিয়মিত ছাপা হচ্ছে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মানুষ প্রচারণা চালানোর কারণে গণমাধ্যম কর্মী অর্থাৎ সাংবাদিকদের আয় কমেছে কিন্তু খরচ বাড়ছে। দেশের অনলাইন সংবাদ প্রচার প্রচারণা চলছে।
    বিশেষ করে গ্রাম লে এ আয় কমেছে ১২ শতাংশ। কোভিডের আগে শহরা লের দরিদ্র মানুষের মধ্যে বেকারত্বের হার ছিলো ৭ শতাংশ, এটি সর্বশেষ জরিপে বেড়ে দাঁড়ায় ১৫শতাংশে। গ্রামে বেকারত্ব কোভিডকালে বেড়েছে মাত্র ৪ শতাংশ। তেল গ্যাসের দাম বৃদ্ধিসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়েই চলেছে। শুধু খাদ্য নয়, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসার ব্যয় শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে দরিদ্র মানুষের ব্যয়ও বেড়েছে। বাড়তি এসব ব্যয় মেটাতে শহরের দরিদ্র এবং গ্রামের মানুষের ধার করতে হয়, অনেক সময় ধারের অর্থ পাওয়া যায় না বলে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুদের টাকা নেওয়া হলে আরও বেশি সমস্যার সৃষ্টি হয়। দোকানিদের কাছ থেকে বাকিতে খরচ করা, গ্রামে এই হার ৬২ শতাংশ, শহরে এখন ৬০ শতাংশ তবে শিল্পা লে ৯০% বাকি, দৈনন্দিন চলার জন্যই সবচেয়ে বেশি ধার করতে হয়।
    সাবেক তত্ত¦াবধয়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর গণমাধ্যমকে বলেন, সবচেয়ে বেশি বিপর্যয়ে শহরের মানুষ। দারিদ্রবিমোচনের প্রচলিত প্রচেষ্ঠায় বা সামাজিক সুরক্ষার চলমান ধারায় এ দারিদ্র্য থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে এ নিয়ে নতুন চিন্তা করা দরকার। বর্তমানে যে, তেলের দাম বাড়ছে, বাস ও গণপরিবহনের ভাড়া বাড়াতে বিভিন্নভাবে ধর্মঘট কর্মসূচি ঘোষণা করা হচ্ছে। দরিদ্র দেশে কথিত ডিজিটাল সিন্ডিকেটে সকল জিনিসপত্রের দাম বাড়ানো হচ্ছে। দেশ ও জনগণের স্বার্থে সরকারি ভাবে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া জরুরি হয়ে পড়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করেন সচেতন মহল।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান সরকার পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছে এটা সত্য কিন্তু তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ডিমসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধির কারণে ভেতরে বাইরে সবখানে বেশিরভাগ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। মানুষের আয় কমেছে কিন্তু খরচ বাড়ছে। বর্তমান চলমান এই পরিস্থিতি নিয়ে কারো কোনো চিন্তা ভাবনা নেই কেন?। এই সমস্যার সমাধান হবে কি?।

  • পাইকগাছার উলুবুনিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত

    পাইকগাছার উলুবুনিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছার লতা ইউনিয়নের উলুবুনিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে অভ্যন্তরীণ জলাভূমি এবং বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত, প্লাবন ও প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা করা হয়। উলুবুনিয়া নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন,
    সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ টিপু সুলতান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শহিদুল্লাহ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মদন মোহন মন্ডল, ইউপি সদস্য কুমারেশ মন্ডল, বিনতা বিশ্বাস, আজিজুল বিশ্বাস, শিক্ষক প্রশান্ত মন্ডল, যুবলীগ নেতা মোঃ জাহাঙ্গীর, পলাশ বাছাড়, মহিম মন্ডল, ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা অমৃত লাল সরকার সহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

  • পাইকগাছা উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে দুর্গাপূজার পূনর্মিলনী ও মাসিক সমন্বয় সভা

    পাইকগাছা উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে দুর্গাপূজার পূনর্মিলনী ও মাসিক সমন্বয় সভা

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে শারদীয় দুর্গাপূজার পুনমিলনী ও মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা। সহকারী শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর হোসেনের উপস্থাপনায় সভায় বক্তৃতা করেন, ইন্সট্রাক্টর রিসোর্সসেন্টার মোঃ ঈমান উদ্দিন, সহকারী শিক্ষা অফিসার মির্জা মিজানুর আলম, মোঃ ফারুক হোসেন, দেবাশীষ দাশ, মোঃ আসাদুজ্জামান ও ঝংকার ঢালী, সরকারি প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ রায়, সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জানান, ডিএম শফিকুল ইসলাম, এসএম শফিকুল ইসলাম, আশুতোষ কুমার মন্ডল, সৌরভ রায়, মোঃ হাফিজুল ইসলাম, অলোক মৃধা, মোঃ লুৎফর রহমান, সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি বিএম আক্তার হোসেন, সম্পাদক এসএম আসাদুল্লাহ মিঠু, মোঃ রফিকুল ইসলাম, রতেœশ্বর সরকার সহ ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক সহযোগিতা করেন, পাইকগাছা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক পরিবার।

  • সুজানগরে নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে ছাত্রী ধর্ষণের মামলা

    সুজানগরে নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে ছাত্রী ধর্ষণের মামলা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে নৈশপ্রহরী কাম দপ্তরী কর্তৃক ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এক ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত মো.ইউসুব খাঁ(৫৫) উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের মানিকহাট গ্রামের বাসিন্দা। সে স্থানীয় মানিকহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে নৈশপ্রহরী হিসেবে কর্মরত। এ ঘটনায় মানিকহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ওই ছাত্রীর মা মোছা.কোমেলা খাতুন বাদী হয়ে পাবনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-৩০৩/২২। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.রমজান আলী যুগান্তরকে জানান, মামলা সংক্রান্ত একটি পত্র মঙ্গলবার আমরা বিদ্যালয়ে পেয়েছি। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,গত ২ অক্টোবর বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পরও এদিন সকালে বিদ্যালয়ে স্যার দেখা করতে যেতে বলেছে জানিয়ে ওই ছাত্রীকে নিজ বাড়ি থেকে ডেকে বিদ্যালয়ে নিয়ে গিয়ে ওই বিদ্যালয়েরই একটি কক্ষে ধর্ষণ করে নৈশপ্রহরী মো.ইউসুব খাঁ । এ সময় ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেয়া হয়। পরে বিষয়টি ছাত্রী বাড়ীতে গিয়ে তার মাকে জানালে এবং স্থানীয় ব্যক্তিদের মাঝে জানাজানি হলে শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। মামলার বাদী স্কুলছাত্রীর মা কোমেলা খাতুন জানান, আমার মেয়েকে ধর্ষণ করায় গত ৪ অক্টোবর আমি মামলার আবেদন করেছি। এবং আদালতের বিচারক মামলার আবেদনটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান ও অত্র বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শফিউল ইসলাম জানান, বুধবার(১২ অক্টোবর) বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সকল সদস্য ও শিক্ষকমন্ডলী মিটিং করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হবে। তবে অভিযুক্ত ইউসুব খাঁ তার বিরুদ্ধে ধর্ষষের অভিযোগটি সত্য নয় বলে দাবী করেছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডুর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬

    ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডুর চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    হাফিজুর রহমান (৪২) গত ০৫ অক্টোবর নিজ বাড়ী থেকে দূর্গাপুজার উৎসব দেখার উদ্দেশ্যে বের হয়। রাতে বাড়ি ফিরে না আসলে তার ছোট ভাই ফোনদিলে ফোন বন্ধ পায় এবং বিভিন্ন জায়গায় অনেক খোজাখুজি করে না পেয়ে গত ০৭ অক্টোবর ২০২২ তারিখ হরিনাকুন্ডু থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করে। পরবর্তীতে গত ০৯ অক্টোবর ২০২২ তারিখ হরিণাকুন্ডু থানাধীন কেষ্টপুর গ্রামের দুবলাকুড়ির কাটাখালের পাশে একটি ফাকা জমিতে এলাকার কিছু লোকজন রক্তের দাগ দেখতে পায়। স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে মাটি কেটে পায়ের কিছু অংশ দেখতে পায়। বিষয়টি র‌্যাব-৬ জানতে পেরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশ এবং র‌্যাব জনসাধারনের সহায়তায় মাটি খুড়ে পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় অর্ধগলিত, দুই হাত-পা বৈদ্যুতিক ক্যাবল দিয়ে বাধা অবস্থায় উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত লাশের পলিথিন খোলার পর মাথার পেছনের অংশে ধারালো অস্ত্রের কোপের চিহ্ন দেখা যায় এবং পেটে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পেটের নাড়িভুড়ি বের হওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। ভিকটিমের ছোট ভাই জাফিরুল ইসলাম (৩৬) উক্ত লাশটি দেখে সনাক্ত করেন এবং বাদী হয়ে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।উক্ত চাঞ্চল্যকর নৃশংস হত্যাকান্ডের পর হতেই র‌্যাব-৬ এর একটি আভিযানিক দল ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রাখে।এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-৬, ঝিনাইদহ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারে যে, উক্ত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী এবং অন্যতম সহযোগী আসামী ঝিনাইদহ জেলার সদর থানার সাধুহাটি বাস টার্মিনাল এলাকায় পালানোর উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। তথ্যের ভিত্তিতে ১১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ০৫ টার সময় আভিযানিক দলটি সাধুহাটি বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী এবং অন্যতম সহযোগী আসামী ১। মোঃ সেকেন্দার আলী (৪০), উভয় থানা-হরিণাকুন্ডু, জেলা-ঝিনাইদহদ্বয়কে গ্রেফতার করে।করে।গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। উক্ত হত্যা মামলার অন্যান্য সহযোগী আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‌্যাবের অভিযান অব্যহত রয়েছে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • স্বরূপকাঠিতে কুপিয়ে ৪ জনকে গুরুতর জখম

    স্বরূপকাঠিতে কুপিয়ে ৪ জনকে গুরুতর জখম

    স্বরূপকাঠি(পিরোজপুর) প্রতিনিধি,
    স্বরূপকাঠিতে পূর্ব বিরোধের জের ধরে কুপিয়ে ও পিটিয়ে ৪ জনকে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষ। সোমবার রাতে উপজেলার সোগদল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আক্রামুল ইসলাম বাবুলের বাড়ীর সামনে সড়কের ওপর ওই ঘটনা ঘটেছে। সোহাগের নেতৃত্বে ১০/১১ জনের সন্ত্রাসী দল ওই ঘটনা ঘটিয়েছে। তারা রামদাও দিয়ে কুপিয়ে জাহারুল ইসলামকে(৪৭) রামদাও দিয়ে কুপিয়ে এবং জাহীদুল (৪০), জাহারুল (৪৩) এবং সাগরকে (৩৬) পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এলাকাবাসী এগিয়ে গেলে সোহাগ ও তার দলবল হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়। এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহারুল ইসলামের অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে দ্রুত বরিশাল শের এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। অন্যান্য আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এব্যাপারে জাহারুল ইসলামের ভাই জামাল মিয়া বাদী হয়ে ৮ জনকে নামীয় ও ২/৩ জনকে বেনামিয় আসামী করে নেছারাবাদ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অপর দিকে ঘটনার মূল হোতো সোহাগ থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে ও ৪ নম্বর আসামী আকাশকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাদীর দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানাগেছে সোহাগের সাথে ওই এলাকার বিভিন্ন পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে দন্দ চলে আসছিল। একই ভাবে সাগরদের পরিবারের সাথে দন্দ চলে আসছিল। ঘটনার সময় সাগর বাড়ী থেকে দোকানে যাচ্ছিল। বাবুল চেয়ারম্যানের বাড়ী সামনের সড়কে সোহাগ ও তার সহযোগীরা অটোতে করে এসে সাগরকে মারধর শুরু করে। এতে সাগরের হাত ভেঙ্গে যায়। সাগরের ডাক চিৎকারে বাদীসহ অন্যান্যরা ছুটে আসে। এসময় সোহাগ তার হাতে থাকা রামদাও দিয়ে বাদীর ভাই জাহারুল ইসলামকে কোপ দিলে তা লক্ষভ্রষ্ট হয়ে হাতে লাগে। এসময় অন্যান্যরা যাকে যে ভাবে পেরেছে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করেছে। তিনি বলেন, সোহাগ দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার মানুষের সাথে হয়রানী মুলক কর্মকান্ড করে আসছে। তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।
    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি আবীর মোহাম্মদ হোসেন বলেন, সোহাগ নিজে ঘটনা ঘটিয়ে উল্টো থানায় এসে মামলা দেওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু গোপন সূত্রে তথ্য পেয়ে তাকে থানায় বসিয়ে রেখে পুলিশ পাঠিয়ে ঘটনার রহস্য উৎ্ঘাটনের পর মামলা হলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    আনোয়ার হোসেন
    স্বরূপকাঠি(পিরোজপুর) প্রতিনিধি

  • ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৫৯৭ শিশুকে ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে নওগাঁয় ৫ থেকে ১১ বছর বয়সের শিশুদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু

    ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৫৯৭ শিশুকে ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্য নিয়ে নওগাঁয় ৫ থেকে ১১ বছর বয়সের শিশুদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু

    নওগাঁ প্রতিনিধি : সারাদেশের মত নওগাঁ জেলাতেও ৫ থেকে ১১ বছর বয়সের শিশুদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জেলায় ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৫শ ৯৭ জন শিশুকে ভ্যাকসিন প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শহরের চক এনায়েত সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
    নওগাঁ’র জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। নওগাঁ’র সিভিলসার্জন ডাক্তার আবু হেনা মোঃ রাইহানুজ্জহামান সরকারের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনী এ অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এ মামুন খান চিশতি, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাক্তার মুনির আলী আকন্দ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার আবুল কালাম আজাদ, নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কায়েস উদ্দিনসহ স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
    সিভিল সার্জন জানিয়েছেন জেলার ১৩৭৫টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মাদ্রাসাগুলোতে ১১ অক্টোবর থেকে শুরু করে ১৩ দিনব্যপী উল্লেখিত পরিমাণ শিশুদের ফাইজার টিকা প্রদান করা হবে।

    রওশণ আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

  • সমস্যার শেষ নেই আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশানটির

    সমস্যার শেষ নেই আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশানটির

    নওগাঁ জেলার একমাত্র আহসানগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশানটির সমস্যার শেষ নেই। বতমানে অভ্যন্তরীন এবং বাহ্যিক রুটে লোকাল ট্রেন ছয়টি এবং ঢাকাগামী দুটি ট্রেন আহসানগঞ্জ রেলস্টেশনে পাঁচ মিনিটের বিরতি নেয়।কৃষি প্রধান অঞ্চল হওয়ার কারনে পন্য পরিবহনের নিরাপদ যাত্রা রেল সেবার মান আরও বৃদ্ধির জন্য উন্নয়ন দরকার বলে মনে করেন স্থানীয়রা।আর ব্রিটিশ শাসনের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের অনেক বড় বড় মানুষের পা পড়েছে স্টেশনটিতে।উনিশ শত সাতাশ সালে আহসানগঞাজ স্টেশন স্থাপিতহয়। বঙ্গবন্ধুশেখ মুজিবুর রহমান, মহাত্না গান্ধী, বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ অনেক মনীষীদের পদাচারন পরেছিল স্টেশনটিতে। অবহেলা আর অযত্নে ছারিয়ে গিয়েছে স্টেশনটির প্রাণ। স্টেশনটিকে কাজে লাগাতে পারলে এই অঞ্চলের অর্থনিতি বৃদ্ধিসহ নিরাপদ যাত্রা পাবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।আত্রাই উপজেলার প্রায় একশত কিলোমিটার রেলসীমা অবস্থিত। এর মধ্যে আহসানগঞ্জ শাহাগোলা স্টেশনে তিনটি মাত্র লোকাল ট্রেন বিরতি নেয় আর আত্রাই আহসান গঞ্জ স্টেশনের দূরত্ব মাত্র পাঁচ শত মিটার হওয়ায় আত্রাই স্টেশনে কোনও ট্রেন বিরতিনেয় না বলে জানিয়েছেন স্টেশন মাষ্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম। যাত্রীদের অভিযোগ কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করলেও ট্রেনে উঠে তারা সিট পার না েএবং টিকিট চেকারকে অভিযোগ করলেও কোন সমাধান তারা পান না। অপরদিকে প্লাটফম নীচু হওয়ার কারনে যাত্রীদের ট্রেন থেকে উঠানামা করতে অনেক কষ্ট হয় অভিযোগ করেন যাত্রীরা। পরিস্কার-পরিচ্লন্নতা একদম নেই বলে স্টেশনটি অনেক পুরোনো এবং ঐতিহ্যহী হলেও পরিবেশ এবং পরিস্থিতি ভালো না বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা আহসানগঞ স্টেশনে পারাপারেরজন্য ওভারব্রিজ না থাকায় রেল লাউনের মধ্যদিয়ে পারাপার ানেক ঝঁকিপূন এবং বিপদজনক বলে মনে করেন তারা।আর অবৈধ দখলদারদের কবলে রেলওয়ে অনেক সম্পত্তি চলে যাওয়ার কারনে দিনে দিনে চোট হয়ে আসছে স্টেশনটি।আর টিকিট কাউন্টারে থাকা কমকতা বললেন এখনও ব্রডব্যান্ড সংযোগ না থাকায় তাদের থ্রিজি(তৃতীয় প্রজন্ম ব্যাবহার করে যাত্রীদের টিকিট সেবা দিতে হচ্ছে।তাই টিকিট সংগ্রহ এবং যাত্রীদের কাছে তা পৌঁছাতে দেরির কথা স্বীকার করেছেন কমকতারা।সিংড়া,রানীনগর,ভবানীগঞ্জ এবং আত্রাই উপজেলার মানুষদের পরিবহন এবং যাতায়াত ব্যবস্থার সুবিধাথে আত্রাই স্টেশনটি চালু হয়েছিল উনিশ শত সাতাশ সালে।চালু হবার দুই বছর পর আত্রাই স্টেশানটি পাঁচ শত মিটার দূরে আহসানগঞ্জ স্টেশনটি চালু হয়।আত্রাইয়ে পতিসর বিশ্বকবি রবীন্দ্র ঠাকুরের কুঠি বাড়ি বা কাচারী বাড়ি থাকায় তিনি ট্রেনে করে আহসানগঞ্জ স্টেশনে নেমে তারপর নৌকায় করে কুঠিবাড়ি যেতেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।আহসানগঞ্জ স্টেশন মাষ্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, প্লাটফমটি নীচু হওয়ার কারনে যাত্রীদের ট্রেন থেকে উঠা নামা করতে কষ্ট হয়।প্লাটফরমটি দ্রুত সংস্কার করে যথাসময়ে যাত্রীদের সুবিধা দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি। আর নষ্ট হওয়া রেওলাইণের কথায় তিনি বলেন, রেল ইন্জিনিয়ারা মাঝে মাঝে মেরামতের কাজ করে করে যায়।এটাও খুব দ্রুত মেরামত করা হবে।কৃষিপণ্য পরিবহনের জন্য লোকাল ট্রেন বৃধ্ধির কথা জানান এই রেল কমকতা। ঐতিহ্য আর নানাবিধ সমস্যা নিয়ে চলছে নওগাঁর আত্রাইয়ে আহসানগঞ্জ স্টেশন। সাধারণ মানুষেরদাবী খুব তারাতাড়ি স্টেশন টি সংস্কার না করলে রেল হারাবে তার ঐতিহ্য। অবহেলা আর অনিয়মের হত থেকে মুক্তি পেতে দ্রুত এর সংস্কার, পরিচ্ছন্নসহ সকল প্রকার উন্নয়ন অতি জরুরী বলে মনে করেন স্থানীয় জনগন।#

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।