পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় ফারইষ্ট ইসলাম লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানি পাইকগাছা জোনাল অফিসের সাংগঠনিক অফিস ইনচার্জ মাসিক ব্যবসা উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে পাইকগাছা জোনাল অফিসে জোনাল ইনচার্জ এম এ হাশেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা ডিভিশন ইনচার্জ মাওলানা মনীরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সার্ভিসসেন্টার ইনচার্জ (নবগত)হাওলাদার আব্দুল হাকিম।বক্তব্য রাখেন পাইকগাছা সদর সাংগঠনিক ইনচার্জ জি এম গোলাম সরোয়ার, কয়রা অফিস ইনচার্জ হাফেজ গাউসুল আযম,মোস্তাফিজুর রহমান, মাওলানা আবুল হাসান, আনিছুর রহমান, সহ বি এম বৃন্দ।
Blog
-

পাইকগাছায় ফারইষ্ট সাংগঠনিক অফিস ইনচার্জ মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
-

অপাইকগাছায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস-২২ উপলক্ষে বনার্ঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে শোভাযাত্রা সহকারে প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দিবসের তাৎপর্য তুলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, সমাজ সেবা অফিসার সরদার আলী আহসান, উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির উপজেলা কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন রানা। সাংবাদিক আঃ আজিজের পরিচালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সহকারী মোঃ সাইফুর রহমান। উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আরশাদ আলী বিশ্বাস, ষোলআনা সমবায় সমিতি লিঃ এর সাবেক সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন,আফজাল হোসেন,প্রভাষক বজলুর রহমান, উপজেলা সিপিপি’র টিম লিডারদের মধ্যে কবির উদ্দিন, দীপঙ্কর মন্ডল,জুলি শেখ, মুক্ত অধিকারী, রথীন মন্ডল, রাসেদুজ্জামান রাসেল, অনামিকা ঘোষ, নয়ন বিশ্বাস,ত্রান শাখার মোঃ আজিজুল ইসলাম, মারুক বিল্লাহ,সবুর খাঁন,সুজয় মিস্ত্রী,সুমন আল মামুন সহ অনেকে। -

ঝিনাইদহে প্রাইমারি এডুকেশন ডেভালপমেন্ট প্রজেক্টের টাকা নয় ছয়
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকারী ও বিদেশী দাতা সংস্থার টাকা নয় ছয় হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বরাদ্দকৃত এই টাকার ভাগ শিক্ষায় কর্মরত ছাড়াও প্রকৌশলী, প্রধান শিক্ষক ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতির পকেটে উঠছে এমন তথ্য মিলেছে। ঝিনাইদহ জেলায় প্রাইমারি এডুকেশন ডেভালপমেন্ট প্রজেক্টের (পিইডিপি-৪) চার কোটি ৭৬ লাখ টাকার বেশির ভাগ কাজ না করে উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, গত অর্থ বছরে জেলার ৬ উপজেলায় এই প্রজেক্টের আওতায় বরাদ্দ ছিল ৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ৫০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকুলে এক কোটি, হরিণাকুন্ডু উপজেলার ২৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকুলে ৫৪ লাখ, শৈলকুপার ৪৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকুলে ৯০ লাখ, কালীগঞ্জে ৬৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকুলে এক কোটি ৩৪ লাখ, কোটচাঁদপুরে ১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকুলে ২৪ লাখ ও মহেশপুর ৩৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অনুকুলে ৭৪ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়। শৈলকুপা উপজেলার নাকোইল নব জাতীয়করণকৃত প্রাইমারি স্কুলে এডুকেশন ডেভালপমেন্ট প্রজেক্টের দুই লাখ টাকার বরাদ্দ আসে। এই টাকা দিয়ে স্কুলে রং, লেখা ও গ্রিলের কাজ করানো হলেও মোট কত টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন তা বলতে পারেননি প্রধান শিক্ষক সুলতানা সোহেলী সিদ্দিকা। তিনি বলেছেন, সভাপতি শরিফুল ইসলাম তার আপন চাচা, তিনিই টাকার মোট তথ্য বলতে পারবেন। ওই স্কুলে ¯িøপ প্রকল্পের ৫০ হাজার ও শিশুদের মানসিক বিকাশ সাধনে খেলার সামগ্রী কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। তবে স্কুলে কোন খেলার সামগ্রী পাওয়া যায়নি। ¯িøপ প্রকল্পের টাকায় কি করা হয়েছে তাও বলতে পারেননি প্রধান শিক্ষক সুলতানা সোহেলী। একই অবস্থা শৈলকুপার দুধসর প্রাইমারি স্কুলে। স্কুলে প্রবেশ পথে ঘাস জঙ্গলে ভরপুর। প্রধান শিক্ষক সাইফুজ্জামান জানান, তারা দুই লাখ টাকা পেলেও ৩০ হাজার টাকা ভ্যাট বাবদ কেটে নেওয়া হয়। বাকী টাকা দিয়ে সীমানা প্রচির, ভবন রং ও পুরানো ভবনের প্লাস্টার করা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন ¯িøপসহ আরো দুই খাতে তিনি ৬০ হাজার টাকার বরাদ্দ পান। জানা গেছে, প্রাইমারি এডুকেশন ডেভালপমেন্ট প্রজেক্টের টাকা বরাদ্দ হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে প্রাক্কালন তৈরী করবেন। সে মোতাবেক প্রধান শিক্ষক কাজ করে বিল ভাউচার প্রদর্শন পুর্বক উপজেলা প্রকৌশলীর সনদ নিয়ে বিল উত্তোলন করবেন। কিন্তু শৈলকুপা উপজেলায় ৪৫টি স্কুলে এই প্রকল্পের টাকা বরাদ্দ করা হলেও উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে ১৫টি প্রত্যায়ন প্রদান করা হয়েছে বলে উপজেলা প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান। তিনি বলেন, কাজ দেখে আমরা ১৫টির প্রত্যায়ন পত্র দিয়েছি। বাকী ৩০টি স্কুলের বিল প্রত্যায়ন জালিয়াতি করে উত্তোলন করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। জেলার অন্যান্য উপজেলায়ও একই কায়দায় বিল তুলে নেওয়া হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের এক প্রধান শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ভ্যাট কেটে তিনি ১ লাখ ৭০ হাজার টাকার মধ্যে ৫০ হাজার টাকার কাজ করেছেন। এক লাখ টাকা স্কুলের জমি কেনার জন্য সভাপতির কাছে গচ্ছিত আছে। তিনি বলেন, বিল নিতে সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসে ৫ হাজার টাকা ও প্রত্যায়ন নিতে সদর উপজেলা প্রকৌশলী অফিসে ৫ হাজার টাকার ঘুষ দিতে হয়েছে। এই টাকা না দিলে বিল পাওয়া যায় না। তথ্য নিয়ে জানা গেছে জেলার কালীগঞ্জ ও মহেশপুর উপজেলার স্কুলগুলোতে এই প্রজেক্টের টাকা সবচে বেশি লুটপাট হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতাদের পকেটেও এই টাকা ভাগ উঠেছে বলে সাধারণ শিক্ষকরা অভিযোগ করেন। জবাবদিহীতা না থাকায় বছরের পর বছর ধরে সরকারী ও বিদেশী দাতা সংস্থার টাকা লুটপাট করা হলেও কারো কোন শাস্তি হচ্ছে না বলে অভিযোগ। শৈলকুপা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইসরাইল হোসেন জানান, এখন প্রায় সব স্কুলে দলীয় কায়দায় সভাপতি। তারা আমাদের স্বাধীন ভাবে কাজ করতে দেন না। যেটুকু কাজ হয়েছে সেটা আমরা তদারকী করে আদায় করেছি। তিনি বলেন শতভাগ কাজ আদায় করতে গেলে অফিসারদের নাজেহাল বা হয়রানী হতে হবে। জেলা শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলম জানান, সরকারী ও বিদেশী দাতা সংস্থার টাকা নয় ছয় করার কোন সুযোগে নেই। সুনিদ্দিষ্ট অভিযোগ পেলে অবশ্যই আমি কঠোর ব্যবস্থা নেব। তিনি বলেন উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারের সাক্ষর জাল করে প্রত্যায়ন নেওয়ার বিষয়ে তিনি অবগত নন।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান। -

ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ এনে মানববন্ধন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে কুপিয়ে হত্যার সঙ্গে জড়িত ও মদদদাতাদের দ্রæত গ্রেফতারের দাবীতে এবার মানববন্ধন করেছে সরকারী ভেটেরিনারী কলেজে শিক্ষার্থী ও নিহতদের স্বজনরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহ পোস্ট অফিস মোড়ে এই মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়। মানববন্ধন শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নিহত ভিপি সাইদুজ্জামান মুরাদের পিতা বদিউজ্জামান বাদশা, মা শেফালী বেগম, স্ত্রী সুমি খাতুন, মুরাদের ভাই মুক্তার বিশ^াস, সরকারী ভেটেরিনারী কলেজ ছাত্র সংসদের জিএস সজিবুল হাসান, সাধারণ শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম, রবিউল আওয়াল ও নুর ইসলাম প্রমুখ। -

জেলা পরিষদ নির্বাচনে নুরুল হুদা মুকুটের সাথে পরাজয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছেন রুমেন
কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ:
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী নূরল হুদা মুকুটের সাথে প্রতিদ¦ন্ধীতা করতে গিয়ে নিশ্চিত পরাজয় হবে জেনে গেছেন দলীয় মনোনীত প্রার্থী ঘোড়া প্রতীকের এডভোকেট খায়রুল কবির রুমেন। এমটির ইঙ্গিত দিচ্ছেন তিনি নিজেই তার কার্যকলাপের মধ্য দিয়ে। যা বার বার প্রমান হচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভেসে উঠতে শুরু করেছে বরাবরের মতই। আগামী ১৭ই অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছেন দলের দুই ক্ষতাশীন নেতা? তার মধ্যে খায়রুল কবির রুমেন দলীয় প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন নৌকা প্রতীক ছাড়া ঘোড়া প্রতীক নিয়ে? অন্য দিকে একই দলের সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট নৌকা প্রতীক না থাকায় আবারও মোটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন । মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার পর থেকেই মুকুটের জনপ্রিয়তা দেখে নির্বাচনে পরাজয়ের চিন্তায় রুমেন শুরু করেছেন মুকুটের বিরুদ্ধে বিভিন্ন যড়যন্ত্র ? এমটির আলোচনা সমালোচানা এখন সারা জেলাজুরে। নুরুল হুদা মুকুট তিনি নির্বাচনে বিজয় লাভের জন্য প্রতিনিয়ত ভোটারদের ধারে ধারে ভোট প্রার্থনা করে চলেছেন । অন্যদিকে একই দলের দুই প্রার্থী হওয়ায় এবং নুরুল হুদা মুকুটের দলীয় নেতা কর্মীদের জনপ্রিয়তা বেশি থাকায় এবং ভোটারদের সমর্থন বেশি হওয়ায় রুমেনের বিজয় অনিশ্চিত হয়ে পরেছে বলে শুনাযায় সারা জেলা জুরে। দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে খালি মাঠে গোল দিতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পরেছেন রুমেন? তিনি ভেবেছিলেন যেহেতু দল থাকে সমর্থন দিয়েছে এবং মুকুট ছাড়া অন্য কোন দলের কেউ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেনি তাই তিনি বিনা ভোটে জেলা পরিষদের চেয়ার দখল করবেন? কিন্তু তা আর হলনা ? দেখতে দেখতে সময় পেরিয়ে গেল সকল ষড়যন্ত্র পিছে পেলে মুকুট নির্বাচনের হাল ছাড়লেন না ? রুমেনের উদ্দেশ্য ছিল যে কোন ভাবে যদি নুরুল হুদা মুকুটকে দলীয় চাপ প্রয়োগ করে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বাধ্য করাতে পারেন তবেই তিনি বিনা ভোটে জেলা পরিষদের চেয়ারে বসা একদম সুজা হয়ে যাবে?
কিন্তু নুরুল হুদা মুকুট কোন ভাবেই নির্বচন থেকে সরে দাড়াবেন না বলেই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছেন। নুরুল হুদা মুকুটের এক কথা তিনি বলেন আমী সারাজীবন আওয়ামীলীগ করেছি কেউ যদি দলীয় মনোনয়ন নৌকা প্রতীক নিয়ে আসতে পারে আমি তার হয়ে কাজ করব ? কিন্তু রুমেন নৌকা প্রতীক আনতে ব্যর্থ হয়েছে ঘোড়া কোন আওয়ামীলীগের দলীয় প্রতীক হতে পারেনা? ভোট হচ্ছে একজন নাগরিকের অধিকার? নির্বাচন হবে যাকে খুশি ভোটার তার ভোট দিবেন বিনা ভোটে ক্ষমতায় যাওয়ার ইচ্ছা আমার নেই?
অন্য দিকে নুরুল হুদা মুকুটের বিরদ্ধে একের পর এক দলীয় চাপ সৃষ্টি করে সেখানে ব্যর্থ হন রুমেন? প্রথমে নুরুল হুদা মুকুটকে জেলা কমিটির অগঠন তান্ত্রিক ভাবে অব্যহতির ঘোষনা দেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মতিউর ও সাধারণ সম্পাদক রুমেনের বড় ভাই ব্যরিষ্টার এম এনামুল কবির ইমন গত ২৬/৯/২০২২ইং তারিখে একটি পেডে? পর বর্তীতে ২৯/৯/২০২২ইং তারিখে নুরুল হুদা মুকুটকে ঘায়েল করতে তার ছোট ভাই জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খায়রুল হুদা চপলের উপর মিথ্যা অভিযোগ তুলেন মুকুটের পক্ষে কাজ করার জন্য দলীয় পেডে কারন দর্শানোর নোটিশ করা হয় কেন্দ্রীয় যুবলীগের পেডে? সেখানেও ব্যর্থ হয়ে নুরুল হুদা মুকুটের সহদর্মিনী জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হুসনা হুদার উপর স্বামীর পক্ষে দলীয় শৃঙ্কলা অমান্য করে কাজ করছেন এমন অভিযোগ তুলে তাকেও কেন্দ্রীয় পেডে গত ১/১০/২০২২ইং তারিখে কারন দর্শানোর নোটিশ করানো হয়? এতেও মুকুট নির্বাচন থেকে পিছ পা হননি ? অবশেষে রুমেন কোন ভাবেই নুরুল হুদা মুকুটকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দিতে না পেরে হাইকোর্টে মুকুটের হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে প্রার্থীতা বাতিল চেয়ে দায়ের করা একটি রিট আবেদন করেন? সেটিও বাতিল করেছেন আদালত। রিট পিটিশনটি খারিজ হয়ে যায়। পরবর্তীতে আবরও সর্ব শেষ হাইকোর্টে রুমেনের চেষ্টা অকার্যকর হয় গত বৃহস্প্রতিবার। নুরুল হুদা মুকুট কি এমন দোষ করেছেন যে তাকে তার পরিবারকে এভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে ? জেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রুমেনের এসব কান্ড দেখে যেমন সারা জেলাজুরে চলছে আলোচনা সমালোচনা তেমনি জেলা আওয়ামীলীগ খন্ড খন্ড হতে চলেছে ? সাধারণ মানুষের মনে জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর যে আস্তা রয়েছে ভোটের অধিকার নিশ্চিত করা তা এখন প্রশ্ন বৃদ্ধ হতে চলেছে এ জেলায় রুমেনের কার্যকলাপে ? রুমেন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেছেন না দলীয় ক্ষমতা দিয়ে ভোট ছাড়া জয়ের স্বপ্ন দেখছেন? যেখানে স্বাধীন ভাবে নির্বাচন করা যাবেনা সেখানে নির্বাচন দিয়ে লাভ কি? নির্বাচন হবে মাঠে হাইকোর্টে গিয়ে ভোট ছাড়া ক্ষমতায় আসার উদ্দেশ্য কেন এমন প্রশ্ন জেলার মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। রুমেনের এসব কার্যকলাপে মুকুটের সাথে পরাজয়ের ইঙ্গিত বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষেরা? পাশাপাশি তার এসব কার্যক্রম মুকুটের জন্য বিজয়ের নিশানাও হতে পারে ১৭ই অক্টোবর জেলা পরিষদ নির্বাচনে এমনটির আলোচনা সমালোচনাই এখন জেলাজুরে। ## -

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় নব-নির্বাচিত মেম্বার কল্যান এ্যসোসিয়েশনের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
নওগাঁ প্রতিনিধিঃ-বুধবার(১২ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় চত্বরে এই পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেম্বার এ্যসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ আবুল কালাম ফৌজদার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন(আত্রাই- রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ এবাদুর রহমান প্রামানিক।সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শ্রী নৃপেন্দ্র নাথ দত্ত দুলাল, সহ সভাপতি ও আসন্ন নওগাঁ জেলা পরিষদের সরকার দলীয় মনোনিত সদস্য প্রার্থী চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, আসন্ন নওগাঁ জেলা পরিষদের সরকার দলীয় মনোনিত মহিলা প্রার্থী সামছুন নাহার রনি, পাঁচুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খবিরুল ইসলাম, মনিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সম্রাট হোসেন, মেম্বার এ্যসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সামছুর রহমান লিচু, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজির উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক কামরুজ্জান সিপন, ভোঁপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার মেম্বার এ্যসোসিয়েশনের সহ- সভাপতি সাইদুর রহমান, শেখ আব্দুল হাকিম, মহিলা মেম্বার শেফালি বেগম প্রমূখ।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আগামী নওগাঁ জেলা পরিষদের সরকার দলীয় প্রার্থীকে সকলে সম্মলিত ভাবে ভোট প্রয়োগ করে জয়ের মালা ছিনিয়ে আনার জন্য আহ্বান জানান এবং সকলের সম্মতিকে প্রধান অতিথি সাধুবাদ জানান।#
রওশন আরা পারভীন শিলা
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি। -

নওগাঁর আত্রাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা। কিছুটা সময়ের জন্য প্রাচীন গ্রাম বাংলার আবহে ফিরে যেতে পেরে, উচ্ছাসিত হয়ে ওঠেন স্থানীয়রা
নওগাঁ প্রতিনিধিঃ-নওগাঁর আত্রাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মনোমুগ্ধকর লাঠি খেলা। গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার আয়োজনকে ঘিরে স্থানীয়দের মাঝে ছিল উৎসব আনন্দ। বুধবার(12 অক্টোবর) উপজেলার মনিয়ারী ইউনিয়নের মাড়িয়া গ্রামের মাঠে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী এই প্রাচীন খেলা।কালের ক্রমে হারিয়ে যাওয়া লাঠি খেলা দেখতে ভিড় করে নানা বয়সের মানুষ। গ্রামীন এ ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলাকে টিকিয়ে রাখতে দরকার প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা এমনটাই মসে করেন দশনাথীরা। বুধবার বিকাল থেকে পায়ে হেটে আবার কেউবা ব্যান কিম্বা মোটর সাইকেলে বুধবার মাড়িয়া গ্রামের মাঠে আসতে শুরু করেন।সূয পশ্চিম দিগন্তে হেলে পড়তেই শুরু হয় খেলা।ঢাক ঢোল আর কাসার ঘন্টার শব্দে চার পাশে উৎসব মূখর পরিবেশে সৃষ্টি হয়।বাদ্যের তালে তালে নেচে লাঠি খেলে অঙ্গভঙ্গি প্রধশণ করে চলে লাঠির আঘাত থেকে নিজেকে রক্ষা ও তাকে আঘাত করতে ঝাঁপিয়ে পড়েন লাঠিয়ালরা।এসব দৃশ্য দেখতে আগত দর্শকরাও করতালির মাধ্যমে উৎসাহ যোগায় খেলোয়ারদের হারিয়ে যাওয়া এই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে নিয়মিত এই ধরনের আয়োজন করার দাবি করেন আগত দশকরা। এসব দৃশ্য দেখে আগত দর্শকরা ও সমাজ থেকে অন্যায় অপরাধধ দূর করতে আর হারানো ঐতিহ্য ধরে রাখতেই এই আয়োজন বলে জানান, এই অনুষ্ঠানের প্রধান পরিকল্পনাকারী ও আয়োজক স্থানীয় একটি স্বেচ্ছা সেবী সংগঠন পূণিমা পল্লী উন্নয়ন পরিচালক এস এম হাসান (সন্টু) । এ অনূষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলাটি উপভোগ করেন(আত্রাই-রাণীনগর)এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আনোয়ার হোসেন হেলাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আত্রাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ এবাদুর রহমান প্রামানিক, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শ্রী নৃপেন্দ্র নাথ দত্ত দুলাল,সহ সভাপতি ও আসন্ন নওগাঁ জেলা পরিষদের সরকারী দলীয় মনোনিত সদস্য প্রার্থী চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল,সহ-সভাপতি মোঃ গহের আলী, আত্রাই মেম্বার কল্যান এ্যাসোসিয়েশন সভাপতি আবুল কালাম ফৌজদার, আত্রাই উপজেলা প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন টগর, ভোঁপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মোঃ আবুল কাশেম, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সম্রাট হোসেনমহ স্থানীয় গন্যমান্য ক্রিড়া মোদি প্রেমিকগণ।
বুধবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা অবধি চলা লাঠি খেলায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের চারটি লাঠিয়াল বাহিনী দল অংশগ্রহন করে।#রওশন আরা পারভীন শিলা
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি। -

ধামইরহাটে উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির মিটিং : মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি
আবুল বয়ান,ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা পরিষদের অক্টোবর মাসের মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ হলরুমে ইউএনও মো. আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে মিটিংয়ে বাল্যবিবাহ, গ্রাম আদালত ও আইন শৃৃংখলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান আজাহার আলী, সরকারি এম এম কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম, ওসি মোজাম্মেল হক কাজী, নিকাহ রেজিষ্ট্রার কাজী মজিবর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃংখলা কমিটির সভায় ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুল হক জানান, হঠাৎপাড়া, আদিবাসী পাড়া, পৌর সদরের দক্ষিন চকযদু, গ্রামের মাহালিপাড়াসহ আদিবাসী পল্লীগুলো যেন মাদকসেবীদের অভয়াশ্রম, ওসি মোজাম্মেল হক কাজী জানান, দিনরাত থানা পুলিশ মাঠে কাজ করছে, মাদক নিয়ন্ত্রনে, তবে পুলিশি তৎপরতায় মাদক ব্যবসায়ী কমে গেলেেও সেবনকারী দিন দিন বেড়ে যাওয়ার প্রবনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, শুধূ আইন দিয়েই নয়, সামাজিক, পারিবারিক ও ধর্মীয় অনুশাসন প্রয়োগ করে তাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরিয়ে আনতে পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও ভূমিকা পালন করতে হবে।
ইউএনও আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কোন ভাবেই মাদক, বাল্য বিবাহের মত ঘটনায় ছাড় দেয়া হবে না, শিগগিরই চিরুনি অভিযান চালানো হবে।আবূল বয়ান
ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি। -

স্বরূপকাঠিতে খোলা বাজারে চাল বিক্রিতে অনিয়ম বন্ধ হয়নি তদারকি অভাবে বস্তায় বস্তায় চাল পাচার করছে ডিলাররা
আনোয়ার হোসেন।
স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
স্বরূপকাঠিতে ডিলারদের মাধ্যমে খোলা বাজারে চাল বিক্রিতে চলছে নানা ধরনের অনিয়ম। খাদ্য বিভাগ ও ট্যাগ অফিসারদের তদারকির অভাবে বাড়তি দামে বস্তায় বস্তায় চাল পাচার করছে ডিলাররা। চতুর ডিলাররা সকালে দরিদ্রদের কাছে পাঁচ কেজি করে চাল বিক্রি শুরু করেন। দুপুরের পরে সুযোগ মতো হোটেল মালিক ও খুচরা চাল ব্যবসায়ীদের কাছে বস্তায় ভরে চাল পাচার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বাড়তি দামে বাইরের পার্টির কাছে চাল বিক্রি করে ডিলাররা লাভবান হলেও সরকারের মহৎ উদ্যোগ ভেস্তে যাচ্ছে।
জানাগেছে খাদ্য বিভাগ চারজন ডিলারের মাধ্যমে স্বরূপকাঠি পৌর এলাকায় প্রতিদিন ৮ মেঃ টন করে সপ্তাহে ৪০ মেঃ টন চাল খোলা বাজারে বিক্রি করছেন। ৩০ টাকা কেজি দরে প্রতি পরিবার দৈনিক পাঁচ কেজি করে চাল কেনার সুযোগ পাচ্ছেন। খোলা বাজারে চাল বিক্রির শুরু থেকে ডিলাররা উত্তোলন করা চালের একটি অংশ বেশী দামে বাইরে বিক্রি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে চাল বিক্রিতে অনিয়ম প্রতিরোধে স্বরূপকাঠি পৌর পরিষদ কার্ড প্রথা চালু করেন। নির্ধারিত কার্ডের মাধ্যমে পৌর এলাকার দরিদ্র নাগরিকদের জন্য প্রতিদিন ৬ মেঃ টন ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা মানুষের জন্য দুই মেট্রিক টন চাল বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়। কার্ড বিতরনেও রয়েছে অনেক অভিযোগ । কার্ডের বাইরে থাকা ভাসমান লোকদের কাছে বিক্রির জন্য দুই টন চাল নিয়ে কারসাজি করে ডিলাররা। এ ছাড়া কার্ড থাকার পরেও পৌর এলাকার অনেক পরিবার একটু দেরী করে গেলে অনেক সময় চাল কিনতে পারেন না। ২নং ওয়ার্ডের হোসেন আলীর পুত্র আঃ করিম অভিযোগ করেন পৌরসভার সামনে ডিলার ফারুক হোসেনের কাছে দুইদিন দুপুরে গিয়ে চাল পাননি। অথচ তার সামনে থেকে এক হোটেল মালিককে দুই বস্তা চাল দেয়া হয়। সদর ইউপির রাহুতকাঠি গ্রামের সাংবাদিক আজিজুল ইসলাম অভিযোগ করেন তার বাড়ির দুই আত্মীয় ডিলার কাজী সরোয়ারের কাছে দুইদিন গিয়ে চাল কিনতে পারেনি। পরে ওই সাংবাদিক নিজে তার আত্মীয়দের নিয়ে ডিলারের কাছে গেলেও তাদের চাল দেয়া হয়নি। গত বৃহসপতিবার দুপুরে ডিলার ফারুক পৌরসভার সামনে বসেই দুই হোটেল মালিক ও কুদ্দুস নামে দুই ব্যক্তির কাছে ৫০কেজির দুই বস্তা চাল বিক্রি করেন। এ সময় সাংবাদিকরা বিষয়টি জিজ্ঞাসা করলে পৌর মেয়র ও একজন কাউন্সিলরের সুপরিশে দিচ্ছেন বলে দাবী করেন ডিলার ফারুক । এ বিষয় মেয়র গোলাম কবির ফোনে দৃঢ়তার সাথে অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং ডিলারকে তিরস্কার করেন। এসব অনিয়মের বিষয় নিয়ে কথা বললে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মতিউর রহমান জানান খোলা বাজারে চাল বিক্রির জন্য নিয়োজিত চারজন ডিলারের কার্যক্রম তদারকি করতে ৪জন ট্যাগ অফিসার দেয়া হয়েছে। বিষয়টি তাদের দেখার কথা বলে জানান খাদ্য কর্মকর্তা। ট্যাগ অফিসার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গোলেনুর বেগম বলেন গত সপ্তাহে তিনি ঢাকা ছিলেন এবং এ সপ্তাহে বাড়ি আসার পরে একদিন ডিলারের দোকানে গিয়েছিলেন। খাদ্য পরিদর্শক ও ট্যাগ অফিসার এইচ এম আনোয়ার হোসেন বলেন,খোঁজ খবর নিচ্ছি,তবে কখন বস্তায় বিক্রি করে ধরিয়ে দিতে পারলে সাংবাদিককে পুরষ্কৃত করবেন বলে জানান। জানাগেছে এ সব ট্যাগ অফিসাররা সুযোগ পেলে সপ্তাহে ২-১দিন ডিলারদের দোকানে গিয়ে চা-পান খেয়ে চলে আসেন । মাষ্টাররোল অনুমোদনসহ অন্যান্য স্বাক্ষরের কাজ অফিসে গিয়ে সেরে আসেন বলে জানান জনৈক ডিলার। -

কেশবপুরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত
কেশবপুর প্রতিনিধিঃ
কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে ভূমিকম্প ও অগ্নিকান্ড বিষয়ক মহড়া এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
১৩অক্টোবর সকালে উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম এম আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান(পুরুষ) পলাশ মল্লিক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান(মহিলা) নাসিমা সাদেক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলমগীর হোসেন প্রমূখ।