Blog

  • স্ত্রী হত্যার অভিযোগে কালীগঞ্জের পৌর  কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    স্ত্রী হত্যার অভিযোগে কালীগঞ্জের পৌর কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    স্ত্রী সীমা হত্যার বিচারের দাবীতে ঝিনাইদহে সংবাদ সম্মলেন ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। রবিবার (১৬ অক্টোবর) দুুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহামায়া গ্রামে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন নিহতের পরিবার ও গ্রামবাসী। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের পিতা সাহজুল ইসলাম, মা আম্বিয়া খাতুন, দাদী সামিরোন নেছা, বোন রিতা খাতুন, চাচী রাবিয়া খাতুন, প্রতিবেশী নেকবার আলী, রোকেয়া খাতুন ও চম্পা খাতুন প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, মধুহাটি ইউনিয়নের মহামায়া গ্রামের সাহাজুল ইসলামের মেয়ে সিমা খাতুনের সাথে কালীগঞ্জ পৌর এলাকার কাশিপুর পূর্বপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান সজলের বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর সজল কালীগঞ্জ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে অংশ গ্রহণ করেন। এরপর নির্বাচনী খরচ বাবদ স্ত্রী সীমাকে তার পিতার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা আনতে বলে স্বামী। পিতা টাকা দিতে না পারায় স্ত্রীকে বাপের বাড়ি ফেলে রাখে সজল। নির্বাচনে জয়লাভ করে সজল স্ত্রী সীমাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে সীমাকে বেধড়ক মারপিট করে ঘরের সিলিং ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে রাখে। প্রচার করে সীমা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছে সিমা খাতুনের মরদেহ বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করে। সীমার স্বজনদের দাবী পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হলেও পুলিশ মামলা গ্রহন করেনি। ফলে ঝিনাইদহের একটি আদালতে কাউন্সিলর সজলকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুর রহীম মোল্লা জানান, প্রাথমিক ভাবে থানায় অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলে বোঝা যাবে এটা হত্যা না আত্ম হত্যা।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মীর ইকবাল জয়ী

    রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী মীর ইকবাল জয়ী

    মোঃ হায়দার আলী, রাজশাহী : রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল ৩২ ভোট বেশী পেয়ে বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। মীর ইকবাল কাপ-পিরিচ প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯৮ ভোট ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আক্তারুজ্জামান আক্তার পেয়েছেন ৫৬৬ ভোট।

    নয়টি উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোট অনুযায়ী জানা যায়, গোদাগাড়ী উপজেলায় আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল ভোট পেয়েছেন ৬৮ টি ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আখতারুজ্জামান আখতার পেয়েছেন ৭৪ ভোট, দুর্গাপুরে মীর ইকাবল পেয়েছেণ ৫৫ ভোট, আখতার পেয়েছেন ৫১ ভোট, পুঠিয়ায় মীর ইকবাল পেয়েছেন ৪৫ ভোট, আখতার পেয়েছেন ৪৯ ভোট, তানোরে মীর ইকবাল পেয়েছেন ৭৩ ভোট, আখতার পেয়েছেন ৪৪ ভোট, চারঘাটে মীর ইকবাল পেয়েছেন ৪৮ ভোট, আখতার পেয়েছেন ৪২ ভোট, পবায় মীর ইকবাল পেয়েছেন ৮১ ভোট, আখতার পেয়েছেন ৮৮ ভোট, বাঘায় মীর ইকবাল পেয়েছেন ৭১ ভোট, আখতার পেয়েছেন ৪৯ ভোট, মোহনপুরে মীর ইকবাল পেয়েছেন ৪৮ ভোট, আখতার পেয়েছেন ৪৫ ভোট এবং বাগমারায় মীর ইকবাল পেয়েছেন ১১২ ভোট ,আখতার পেয়েছেন ১২১ ভোট।

    আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জয়ী হওয়ায় মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    মোঃ হাযদার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • পিরোজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন ২নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে মো. জাকারিয়া খান স্বপন এবং সংরক্ষিত নারী আসন ১ জেসমিন আক্তার সদস্য নির্বাচিত

    পিরোজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন ২নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে মো. জাকারিয়া খান স্বপন এবং সংরক্ষিত নারী আসন ১ জেসমিন আক্তার সদস্য নির্বাচিত

    স্ব^রূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
    পিরোজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মত ২নং ওয়ার্ডে (স্বরূপকাঠি উপজেলা) সাধারণ সদস্য পদে বেসরকারিভাবে মো. জাকারিয়া খান স্বপন নির্বাচিত হয়েছেন । গতকাল সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মো. জাকারিয়া খান স্বপন (তালা) ১১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী মো. সেলিম হোসেন(টিউবওয়েল) পেয়েছেন ৩০ ভোট। সকাল ৯ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত বিরতীহীন ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলায় ১৪৬ জন ভোটারের মধ্যে ১৪৬ জন ভোটারাই তাদেও ভোটারিধিকার প্রদান করেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন পরিবেশে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন(ইভিএম) ভোট গ্রহন সম্পন্ন হয়েছে। স্বরূপকাঠিতে এই প্রথম ইভিএম এ ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে জেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসন ১ (স্বরূপকাঠি-নাজিরপুর) এ জেসমিন আক্তার (হরিন) ১৩৪ ভোট পেয়ে বেসকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদন্ধি তুলি মন্ডল (টেবিল ঘড়ি) ১০৮ ভোট পেয়েছেন। উল্লেখ্য,সাধারণ সদস্য পদে ৩ জন এবং সংরক্ষিত নারী আসনে ৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করেন।

  • ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীর ভরাডুবি

    ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীর ভরাডুবি

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    পৌরসভার পর এবার জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয় ঘটেছে। সোমবার অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহ জেলা পরিষদে তীব্র প্রতিদ্বন্দিতাপুর্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুন অর রশিদ। তিনি আওয়ামীলীগের প্রার্থী কনক কান্তি দাসকে মাত্র ১৫ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশন থেকে ঘোষিত বেসরকারী ফলাফলে আনারস প্রতিক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হারুন অর রশিদ পেয়েছেন ৪৭৮। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দি আওয়ামীলীগের প্রার্থী ও বর্তমান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস চশমা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৪৬৩ ভোট। বেসরকারী প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় আওয়ামীলীগের প্রার্থী চশমা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৯৭ ভোট। অন্যদিকে আনারস প্রতিক নিয়ে হারুন অর রশিদ পেয়েছেন ১২২ ভোট। শৈলকুপায় চশমা প্রতিক পেয়েছে ৮৭ ভোট, আনারস প্রতিক পেয়েছে ১০৯ ভোট। কালীগঞ্জে চশমা প্রতিক পেয়েছে ৭০ ভোট, আনারস প্রতিক পেয়েছে ৮৭ ভোট, মহেশপুরে চশমা প্রতিক পেয়েছে ৯২ ভোট, আনারস প্রতিক পেয়েছে ৮০ ভোট, হরিণাকুন্ডু উপজেলায় চশমা পেয়েছে ৭৬ ভোট, আনারস পেয়েছে ৪০ ভোট এবং কোটচাঁদপুরে চশমা প্রতিক পেয়েছে ৪১ ভোট আনারস পেয়েছে ৪০ ভোট। এছাড়া ৬ টি উপজেলায় সাধারণ সদস্য পদে ঝিনাইদহ সদরে মোরিদ মোস্তাকিম মুনীর, হরিণাকুন্ডুতে আলাউদ্দীন, শৈলকুপায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মুক্তার মৃধা, কোটচাঁদপুরে রাজিবুল কবীর ও মহেশপুরে লিটন মিয়া নির্বাচিত হন। কালীগঞ্জ উপজেলায় সদস্য পদে দুই প্রার্থী জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল ও সেলিম মিয়া সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় ফলাফল ড্র হয়েছে। সোমবার সুষ্ঠ ও শান্তিপুর্ন পরিবেশে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস ও এনজিও সৃজনীর নির্বাহী পরিচালক হারুন অর রশিদ প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এ ছাড়া সংরক্ষিত দুইটি সদস্য পদের বিপরীতে ১৩ জন ও সাধারণ ৬টি সদস্য পদের বিপরীতে ২২ জন প্রতিদ্বন্দিতা করেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুস ছালেক জানান, জেলার ৬ উপজেলার ৬টি ভোট কেন্দ্রে ১২টি কক্ষ স্থাপন করা হয়। জেলায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৯৫৪ জন। তিনি আরো জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের অধীনে এক প্লাটুন বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ করা ছিল। এছাড়া ৬টি কেন্দ্রে একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। ঝিনাইদহে নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানা গেছে জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ড.হারুন অর রশিদ (আনারস) প্রতিকে ৪৭৮ ভোট পেয়ে বে- সরকারীভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আওয়ামী লীগের কনক কান্তি দাস (চশমা) প্রতিকে পেয়েছেন ৪৬৩ ভোট। ১৫ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছে জনাব হারুন-অর রশিদ।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ধামইরহাটে নুরুজ্জামান হোসেন পুনরায় জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত

    ধামইরহাটে নুরুজ্জামান হোসেন পুনরায় জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোট যুদ্ধে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। মাত্র ৪ ভোট বেশি পেয়ে পুনরায় জেলা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে মো. নুরুজ্জামান হোসেন। ১৭ অক্টোবর ধামইরহাট সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত একটানা ভোট ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম)এ গ্রহণে ১১৯ জন ভোটারের মধ্যে ১১৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। দুপুর আড়াইটায় ভোট গনণা শেষে ফলাফলে ৬১ ভোট (হাতি মার্কা) পেয়ে জেলা পরিষদের ৫নং ওয়ার্ডে (ধামইরহাট) সদস্য নির্বাচিত হন সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. নুরুজ্জামান হোসেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী প্রাক্তন অধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম (তালা মার্কা) পেয়েছেন ৫৭ ভোট। অপরদিকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে আনজুয়ারা বেগম (হরিন মার্কা) পেয়েছেন, ৪৭ ভোট, মোছাঃ নিলু আকতার (বই মার্কা) পেয়েছেন ৩৭ ভোট, মোছাঃ ফাতেমা জিন্নাহ (টেবিলঘড়ি) পেয়েছেন ২৭ ভোট, মোছাঃ ছালেমা খাতুন (মাইক মার্কা) পেয়েছেন ০৬ ও সাবিনা বেগম (ফুটবল মার্কা) পেয়েছেন ১ ভোট। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণে দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো. নিলয় রহমান, ওসি মোজাম্মেল হক কাজীসহ পুলিশ ও আনসার বাহিনী। প্রিজাইডিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রামানন্দ সরকার।

    আবুল বয়ান,
    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি।

  • সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বিপুল পরিমান জাল টাকাসহ ০১ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-১২

    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বিপুল পরিমান জাল টাকাসহ ০১ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-১২

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় ১৬/১০/২০২২ ইং তারিখ রাত ১৯.৩০ ঘটিকায় গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন ফুড ভিলেজ হোটেলের সামনে অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশী ৪৭০ টি ১০০/- টাকার জাল নোট মোট ৪৭,০০০/-(সাতচল্লিশ হাজার) জাল টাকাসহ ০১ জন গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ তাওহিদুল ইসলাম ফয়সাল, পিতা- মোঃ ওসমান মোল্যা, সাং- চালিনগর, থানা- বোয়ালমারী, জেলা-ফরিদপুর।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই জাল নোট ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় জাল টাকা ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের উদ্ধার অভিযান সচল রেখে সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিতঃ

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট

    স্কোয়াড কমান্ডার

    র‌্যাব- ১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ।

    মোবা-০১৭৬৯-৭৬৩০৬৬

  • সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটের মাঠে বিশেষ ভূমিকায় ছিলো  র‌্যাব-১২

    সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটের মাঠে বিশেষ ভূমিকায় ছিলো র‌্যাব-১২

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটের মাঠে বিশেষ ভূমিকায় রয়েছে র‌্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১২। ১৭ অক্টোবর ২০২২ তারিখ সোমবার বিরতিহীনভাবে ইভিএমের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জ বিভিন্ন উপজেলায় ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহীনীর পাশাপাশি র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জের এর সদস্যরা ভোটারদের সার্বিক নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।

    ভোট শুরু হওয়ার সময় থেকে র‌্যাব-১২ এর অফিসারগণ প্রতিটি উপজেলার সকল ভোটকেন্দ্র সমুহ পরিদর্শন করেন এবং টহলে নিয়োজিত সকল সদস্যদের সঠিক দিক নিদের্শনা পালন করার নির্দেশ দেন। নির্বাচনে র‌্যাবের সরব উপস্থিতি সাধারন জনগনের মনের মধ্যে আস্থা বাড়িয়েছে।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিতঃ

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট

    স্কোয়াড কমান্ডার

    র‌্যাব- ১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ।

    মোবা-০১৭৬৯-৭৬৩০৬৬

  • জেলা পরিষদ নির্বাচনে  বানারীপাড়া উপজেলা ৫নং ওয়ার্ডের নির্বাচনে স্বপনকে বিজয়ী ঘোষনা

    জেলা পরিষদ নির্বাচনে বানারীপাড়া উপজেলা ৫নং ওয়ার্ডের নির্বাচনে স্বপনকে বিজয়ী ঘোষনা

    এস মিজানুল ইসলাম,
    বিশেষ সংবাদদাতা: টান টান উত্তেজনার মধ্যে এবং উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ন পরিবেশে বরিশাল জেলা পরিষদর নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে ৫ নং বানারীপাড়া উপজেলায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থী মামুন- উর- রশিদকে বেসরকারি ভাবে বিজয় ঘোষনা।বানারীপাড়া সরকারি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন (পাইলট) স্কুল ভোটকেন্দ্রে ১৭ অক্টোবর সকাল ৯ টা থেকে একটানা ২ টা পর্যন্ত ভোট নেয়া শেষ হয়। ইভিএম এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গননা শেষে প্রজাইডিং অফিসার উপজেলা সমাজবসবা কর্মকর্তা পার্থ সারথী দেউড়ি জানান, এখানে ১১৬ টি ভোটের মধ্যে ১১৪ জন ভোট দেন এবং ২ টি ভোট বাতিল হয়। প্রাপ্ত বৈধ ভোটের মধ্যে দু’জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা প্রার্থীর মধ্যে মোঃ মামুন-উর- রশিদ স্বপন (ঘুড়ি প্রতীক ) পেয়েছেন ৬৪ এবং তালা প্রতিকের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোঃ জিয়াউল হক মিন্টু পেয়েছেন ৫০ ভোট।

    এছাড়া সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে (ওয়ার্ড নম্বর-২ বানারীপাড়া,বাবুগঞ্জ ও মুলাদী উপজেলা) ৬ জন প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। এদের মধ্যে বানারীপাড়ার শিউলী রহমান পুতুল ফুটবল প্রতীক পেয়েছে ৭৫ ভোট, নাজমিন জাহান পলি দোয়াত-কলম- ২৫, সারা বুলু বিশ্বাস হরিণ ১, বাবুগঞ্জ উপজেলার নাজমুন নাহার টেবিল ঘড়ি ৭, মুলাদী উপজেলার আয়শা রহমান বই ৭ এবং সালমা রহমান মাইক শূন্য ভোট পেয়েছেন।
    নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে বানারীপাড়া সরকারি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন (পাইলট) হাই স্কুলের ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস এবং বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারি কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট আরাফাত হোসেন ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন।
    সকাল ১০ টায় জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে সহকারি রিটার্নিং অফিসার মোঃ নুরুল আলম, জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শাহজাহান হোসেন, সদ্য পদোন্নতী প্রাপ্ত জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু জাফর মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ্, ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। এসময় বানারীপাড়া থানার ওসি এসএম মাসুদ আলম চৌধুরী ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জাফর আহম্মেদ সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংরক্ষিত নারী সদস্যদের বিজয়ীর নিম জেলা রিটার্নিং অফিস ঘোষনা করেন।

  • দিক নির্ভর কবি  –আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন

    দিক নির্ভর কবি –আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন

    দিক নির্ভর কবি

    –আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন

    দখিনা বাতায়নে কবি কুল হাটছে
    কাশফুল,ঘাস ফুল, হাতরিয়ে ফেরে,নাইটকুইন
    একঝাক শালিকের চিৎকার,গুন্জনে
    কানপেতে উত্তরে হিমালয়ের শব্দঋণ।

    পূর্ব দক্ষিনে আতংকিত জনপদ, সেই থেকে
    মংডুর বুকচেরা রক্তাভ মৃত্তিকাগর্ভ,কষ্ট পায়
    সান্নিধ্য পেতে একান্তকোণে রোহিঙ্গা,রোহিঙ্গা
    আর মানুষ রুপময়তায় নির্লিপ্ত চরণ আঙ্গিনায়।

    আরাকানবাসী সমুদ্রঝড় কতটা সয়েছে
    কিংকর্তব্য বিমুর ভালবাসা আর নোনাঢেউ
    পূর্ব -পশ্চিম সমুদ্র পাড়ে বিহঙ্গমা আলিঙ্গন করে
    আর ইতিহাসের পাতা ছিড়ে বেড়িয়ে আসতে চায়।

    পশ্চিমদেশ বিদগ্ধসমাজে মাথা উচুকরে সর খোজে
    উন্নয়নের নামে চারিদিক ডোনেট দিয়ে যায়
    গতানুগতিক এনজিও দালালেরা ততোক্ষণে
    ব্যবসার হাড়ি বসিয়ে ফেলে দেশে শেষভূমি সমুদ্রপাড়ে

    পাহাড় ঘেড়া পূর্ব জনপদে আজ রাজপূণ্যা
    একদল মানুষ বসবাস করে অনেককাল
    অহিংসক মানবিকতা মিলনের মেলবন্ধন
    দেশ জুড়ে শান্তিধাম, বলিষ্ঠ নেত্রপাত একুন্জে।।

  • প্রতিবাদী ও অমিতাচারী কবি রুদ্রের জন্মবার্ষিকীতে পিডিএম ফাউন্ডেশনের শ্রদ্ধা

    প্রতিবাদী ও অমিতাচারী কবি রুদ্রের জন্মবার্ষিকীতে পিডিএম ফাউন্ডেশনের শ্রদ্ধা

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা:
    ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো’ গানের স্রষ্টা তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’র ৬৬ তম জন্মবার্ষিকীতে রবিবার
    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পিডিএম ফাউন্ডেশন’র পক্ষ থেকে কবির সমাধীতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। সকাল ১০ টায় সংগঠনের সদস্য তুহিন মন্ডল, সজীব মন্ডল সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যের উপস্থিতিতে এ শ্রদ্ধা জানানো হয়। পিডিএম ফাউন্ডেশের প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান দিপংকর মৃধা ‘দৈনিক নতুন বাজার’ কে বলেন, কৈশোরবেলা থেকেই সাহিত্যমনা ছিলেন রুদ্র। কবিতা পড়তে ও আবৃত্তি করতে ভালোবাসতেন; কবিতা ছিলো তার মজ্জাগত। তার জীবনের প্রধান একটা অংশ জুড়ে দখল করেছিল কবিতা। অন্যদিকে পরিণত বয়সে এসে জীবনের জন্য কবিতা নয় বরং কবিতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। দিপংকর মৃধা বলেন আমার জানা মতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়ার আগেই সাহিত্যে প্রচণ্ড অনুরাগ ছিলো তার; আর অনুরাগ থেকেই কবিতা লেখায় হাতে-খড়ি। সময়ের চিলেকোঠায় ‘কবিতা’নাম্নি বর্গক্ষেত্রের মধ্যেই রুদ্র মানুষের একাকিত্বতা, নিমগ্নতা, লৌকিক সভ্যতার মানচিত্র এঁকেছেন দক্ষ হাতে। রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ কবি, কবি এবং কবি। কবির ঊর্ধ্বে আর কিছুই নন তিনি। তার কবিতা স্বপ্ন দেখায় কবিতার আড়ালে এক বিশুদ্ধ সময়ের। দিপু মৃধা বলেন, রুদ্র তার কবিতায় অপ্রতিরোধ্য গতি সৃষ্টি করে সহজেই পৌঁছে গেছেন কালোত্তীর্ণের কাতারে। ‘চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়- বিচ্ছেদ নয়, চলে যাওয়া মানে নয় বন্ধন ছিন্ন-করা আর্দ্র রজনী। চলে গেলে আমারও অধিক কিছু থেকে যাবে, আমার না-থাকা জুড়ে’মোংলার মিঠেখালির বুকে শুয়ে আছেন কবিতার এই খেয়ালী চাষা। সব বাঁধা ছিঁড়ে যে কবি বেরিয়ে এসেছেন, তাঁর কাঁধে এখন বাংলা কবিতার জোয়াল!
    ভালোবাসার তীব্রতাকে প্রতিবাদের রূপ দিয়ে আশির দশকে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন প্রয়াত কবি রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। তিনি আমাদের বাংলা সাহিত্যের দ্রোহ এবং প্রেমের কবি। কবি মহলে ‘প্রতিবাদী রোমান্টিক’ শিরোনামেও পরিচিত এই কবি। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের একজন সফল গীতিকার। তার লেখা গান শুধু বাংলাদেশে নয়, ওপার বাংলাতেও বেশ জনপ্রিয়। কবিতাপ্রেমী ও দ্রোহ অনুরাগীদের কাছে রুদ্রের কবিতা নিঃসঙ্গ রাতের এক অপার স্বস্তি। কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ’র ৬৬ তম জন্মবার্ষিকীতে পিডিএম ফাউন্ডেশন পক্ষথেকে তারুণ্যের তেজোদীপ্ত কবি রুদ্রকে
    জানাই গভীর শ্রদ্ধা।