Blog

  • শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে তিনিও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতেনঃ মসিক মেয়র টিটু

    শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে তিনিও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতেনঃ মসিক মেয়র টিটু

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু বলেন, শেখ রাসেল পরিণত হয়ে বেড়ে ওঠার আগেই চরম নির্মমতার স্বীকার হয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরী শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে তিনিও নিজেকে দেশের উন্নয়নে এবং দেশের সেবায় নিবেদন করতেন। ঘাতকেরা সে সুযোগ থেকে আমাদের বঞ্চিত করেছে।

    মঙ্গলবার (১৮অক্টোবর) বেলা ০২ টায় শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস-২০২২ এর উদযাপন উপলক্ষে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত আলোচনাসভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে এ কথা বলেন মেয়র।

    মেয়র আরও বলেন, জাতির পিতা আমাদের পরিচয় দিয়েছেন, স্বাধীনতা দিয়েছেন। জাতির পিতার কন্যা আমাদের উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের মর্যাদা এনে দিয়েছেন, বিশ্ব দরবারে আমাদের মাথা উঁচু করেছেন। বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তব করেছেন।আমরা জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের কাছে কৃতজ্ঞ।

    এ অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, প্যানেল মেয়র ০৩ ও অন্যান্য কাউন্সিলরবৃন্দ, সামীমা আক্তার প্রধান প্রকৌশলী মোঃ রফিকুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সচিব অন্নপূর্ণা দেবনাথ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রাফিকুজ্জামান ও দীপায়ন দাস শুভ সহ মসিকের বিভাগ ও শাখা প্রধানগণ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে সকালে সার্কিট হাউজ মাঠে স্থাপিত শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং এ উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন। এছাড়া, সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়ার ব্যবস্থা ও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

  • শেখ রাসেলের জন্মদিনে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের দোয়া ও আলোচনা সভা

    শেখ রাসেলের জন্মদিনে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের দোয়া ও আলোচনা সভা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ সন্তান ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেলের জন্মদিনে শেখ রাসেল স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ।

    মঙ্গলবার (১৮ই অক্টোবর) টাউন নগরীর টাউন হল প্রাঙ্গণে উক্ত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট জহিরুল হক খোকা এর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন
    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর জনপ্রিয় জননন্দিত মেয়র মো ইকরামুল হক টিটু, জেলা আওয়ামী লীগের
    সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল,সহসভাপতি অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, এডভোকেট ফরিদ আহমেদ, মোমতাজ উদ্দিন মন্তা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত জাহান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মদ আলী আকন্দ, দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু সাইদ দীন ইসলাম ফখরুল, প্রচার সম্পাদক আহসান মোহাম্মদ আজাদ, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মিরন চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল হাসান বাবু, বিঙ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম রাসেল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক,
    সহ-দফতর সম্পাদক মিজানুর রহমান ডেবিট, সম্মানিত সদস্য আলহাজ্ব এম এ ওয়াহেদ, মহিলা আওয়ামী লীগর সহসভাপতি নাহিদা ইকবাল, নুরজাহান মিতু, জেলা যুব লীগের সম্মানিত যুগ্ম আহবায়ক শাহরিয়ার মোহাম্মদ রাহাত খান, এইচ এম ফারুক, মহানগর কৃষক লীগের সহসভাপতি নুর আলী তালুকদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল হক মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ রাজিব, যুব মহিলা লীগের আহবায়ক অধ্যাপক বিলকিস খানম পাপড়ি, যুগ্ম আহবায়ক স্বপ্না খন্দকার, জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি আল আমিন সহ আওয়ামী, যুবলীগ, কৃষকলীগ, তাতীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা, শহীদ শেখ রাসেলসহ ১৫ আগষ্টে ঘাতকদের হাতে নির্মমভাবে নিহত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সকল শহীদদের আত্বার মাগফেরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়। পরে উপস্থিত সকলের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়।

  • শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে নিজেকে দেশের জন্য নিয়োজিত রাখতেন- সোমনাথ সাহা

    শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে নিজেকে দেশের জন্য নিয়োজিত রাখতেন- সোমনাথ সাহা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ছাত্রনেতা সোমনাথ সাহা বলেছেন-শেখ রাসেল আজ বেঁচে থাকলে বয়স হতো ৫৮ বছর। শামিল হতেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণে। ভিশন ২০২১, ২০৩০, ২০৪১, ডেল্টা প্ল্যান, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে তার হাসু আপা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় এখন যেমন দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনিও নিঃসন্দেহে নিজেকে দেশের জন্য নিয়োজিত রাখতেন।

    মঙ্গলবার (১৮ই অক্টোবর) বিকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেল এর ৫৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

    উক্ত আলোচনা সভায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজিমুল ইসলাম শুভ,গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

    সোমনাথ সাহা বলেন, শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু-কিশোর, তরুণ, শুভবোধসম্পন্ন মানুষের কাছে একটি আদর্শ ও ভালোবাসার নাম। শেখ রাসেল অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, অধিকারবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের আলোকিত জীবন গড়ার প্রতীক হয়ে গ্রাম থেকে শহর তথা বাংলাদেশের প্রতিটি লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ুক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ সদস্যের নাম দিয়েছিলেন ব্রিটিশ দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেলের নামে। এই নামটিকে ঘিরে নিশ্চয়ই বঙ্গবন্ধুর মহৎ কোনো স্বপ্ন বা আকাঙ্ক্ষা ছিল। বঙ্গবন্ধু নিজেও ছিলেন বিশ্ব মানবতার উজ্জ্বল দ্যুতি, নিপীড়িত মানুষের বন্ধু, বাঙালি জাতির পিতা, মুক্তিকামী মানুষের মহান নেতা এবং গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও শান্তি আন্দোলনের পুরোধা। সেই ছোট্ট বয়সে শেখ রাসেল যখন টুঙ্গিপাড়ায় বেড়াতে যেতেন, সেখানে বাচ্চাদের জড়ো করতেন, খেলনা বন্দুক তৈরি করে তাদেরকে প্যারেড করাতেন। সোমনাথ সাহা বলেন, ‘পরিবারের সহায়তায় তিনি খুদে ওই বাহিনীর জন্য জামা-কাপড় ঢাকা থেকেই কিনে নিতেন, খাবারের ব্যবস্থাও করতেন। শেখ রাসেলের স্বভাব ও আচরণ ছিল অন্য আর দশজন থেকে ব্যতিক্রম, অনায়াসেই যে কেউ তার একনিষ্ঠ ভক্ত এবং বন্ধু হয়ে যেত।’

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ শাহা ৭৫-এর পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের নিষ্ঠুরতার কথা উল্লেখ করে বলেন, মাত্র ১১ বছর বয়সে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র শেখ রাসেল, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ঘাতকদের হাতে নির্মম হত্যার শিকার হন। পৃথিবীতে যুগে যুগে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কিন্তু এমন নির্মম, নিষ্ঠুর এবং পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড কোথাও ঘটেনি।

    মা, বাবা, দুই ভাই, ভাইয়ের স্ত্রী, চাচা-সবার লাশের পাশ দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে সবার শেষে নিষ্ঠুরভাবে ঘাতকেরা হত্যা করে শেখ রাসেলকে। যাদের সান্নিধ্যে স্নেহ-আদরে হেসে খেলে বড় হয়েছে তাদের নিথর দেহগুলো পড়ে থাকতে দেখে তার মনের কী অবস্থা হয়েছিল। কী কষ্টই না তিনি পেয়েছিলেন। ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের বুলেটের আঘাতে একবারই হত্যা করেছে, কিন্তু শিশু রাসেলকে বুলেটের আঘাতে হত্যা করার আগেই কয়েকবার হত্যা করেছে।

  • তারাকান্দায় শেখ রাসেল এর প্রতিকৃতিতে ইউএনও’র শ্রদ্ধা

    তারাকান্দায় শেখ রাসেল এর প্রতিকৃতিতে ইউএনও’র শ্রদ্ধা

    ষ্টাফ রিপোর্টার
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা, শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উদযাপিত হয়েছে।

    উপজেলা প্রশাসন, তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

    দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষে শেখ রাসেল নির্মলতার প্রতীক-দুরন্ত প্রাণবন্ত নির্ভীক” শ্লোগান নিয়ে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তারাকান্দা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত এর নেতৃত্বে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীরা। পরে উপজেলা প্রশাসন চত্ত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারও পরিষদ চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় মূখ্য আলোচক ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড ফজলুল হক। সভায় সহকারী কমিশনার ভূমি ফাহমিদা সুলতানা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নয়ন,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালমা আক্তার কাকনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিরা।

    উল্লেখ্য-মহান স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সর্বকনিষ্ঠ পুত্র
    শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকাস্থ ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনে, পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমানে বাংলাদেশ) জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বরণকালে শেখ রাসেলও শাহাদাত বরণ করেন।

  • যথাযোগ্য মর্যাদায় জয়পুরহাটে শেখ রাসেল এর ৫৯ তম জন্মবাষির্কী উদযাপন

    যথাযোগ্য মর্যাদায় জয়পুরহাটে শেখ রাসেল এর ৫৯ তম জন্মবাষির্কী উদযাপন

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    শেখ রাসেল নির্মলতার প্রতীক, দুরন্ত প্রাণবন্ত নির্ভীক’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যথাযোগ্য মর্যাদায় হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সর্ব কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেল এর ৫৯ তম জন্মবাষির্কী উদযাপন উপলক্ষে জয়পুরহাট জেলা সদর উপজেলাসহ জেলার পাঁচটি উপজেলায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে।

    দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) সকালে জেলা আ”লীগের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পাতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে শহীদ ডা: আবুল কাশেম ময়দানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেখ রাসেল এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন জেলা প্রশাসক মো.শরীফুল ইসলাম,জেলা পুলিশ সুপার নূরে আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আরিফুর রহমান রকেট, জেলা আ”মীলীগ, মহিলা আ”লীগ, কৃষকলীগ, যুবলীগ ও সহযোগী সংগঠন সহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন সমূহ পুস্পস্তবক অর্পন করেন।

    পরে উপজেলা পরিষদ থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা কালেক্টরেট ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মো.শরীফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তাগণ বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও জেলা আ”লীগের আয়োজনে সন্ধার আগে দলীয় কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জয়পুরহাট সরকারি গণগ্রন্থাগার শেখ রাসেল এর জন্মদিন পালন উপলক্ষে শিশুদের উপস্থিত ছড়া লেখা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। আলোচনা সভা শেষে বিজয়ী শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এমনকি জেলার পাঁচটি উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা আ”লীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ শেখ রাসেল এর ৫৯ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে করেছে।

    উল্লেখ্য,১৯৬৪ সালের আজকের দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল ধানমন্ডির ঐতিহাসিক স্মৃতি-বিজড়িত বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট মানবতার শত্রু ’ঘৃণ্য” ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি বঙ্গবন্ধুর অতি আদরের কনিষ্ঠ পুত্র শিশু শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নরপিচাশরা নিষ্ঠুরভাবে রাসেলকেও হত্যা করে।

  • চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী পেয়ারুল ইসলাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত

    চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী পেয়ারুল ইসলাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এটিএম পেয়ারুল ইসলাম আনারস প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৫৭৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোটরসাইকেল প্রতীকে নারায়ণ রক্ষিত পেয়েছেন ১১৭ ভোট। চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    আজ সোমবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে ভোট শুরু হয়ে চলে বেলা ২টা পর্যন্ত। তবে নির্বাচনে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন ভোট গ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তারা।

    ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ১৫ উপজেলার ১৫টি ভোট কেন্দ্রের ৩০টি বুথে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

    নির্বাচনে ১৫ উপজেলায় ১৫টি সাধারণ সদস্য পদে ৪৬ জন এবং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের পাঁচ পদের বিপরীতে ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুই হাজার ৭৩০ জন ভোটার ১৫ উপজেলায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

    নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলামের পরিচিতি

    চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম ১৯৬০ সালের ১০ আগস্ট ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর ইউনিয়নে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৩০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্র্যাজুয়েশন করা সরকারি কর্মকর্তা মরহুম আবুল ফজল বিএ ও আমেনা বেগমের সন্তান তিনি।

    তার শ্বশুর বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) আবু তাহের সালাহউদ্দীন বীর প্রতীক। পেয়ারুল দুই ছেলে সন্তানের জনক। জ্যেষ্ঠ সন্তান ও পুত্রবধূ সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা। ছোট ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

    ব্যক্তিগত জীবনে পেয়ারুল ইসলাম সফল ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তা। তিনি ২০১৪ সালে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (গাড়ি তৈরির কারখানা) পরিচালকের দায়িত্ব পালনকালে দুর্বল প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তিত করেন।

    বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী এটিএম পেয়ারুল ইসলাম ১৯৭৪ সালে মাইজভান্ডার আহমদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদে জিএস নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে নির্বাচিত হন নাজিরহাট কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি। ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং বাংলাদেশ ‘ল’ স্টুডেন্টস ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচিত সভাপতি। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক, নব্বইয়ের ছাত্র গণ-আন্দোলনের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। ১৯৯০ সালে ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ঢাকাস্থ চট্টগ্রাম সমিতির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং ফটিকছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন।

    বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। এটিএম পেয়ারুল ইসলাম ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফটিকছড়ি সংসদীয় আসন থেকে মহাজোটের প্রার্থী ছিলেন।

  • তারাগঞ্জে জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হলেন আতিয়ার রহমান

    তারাগঞ্জে জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হলেন আতিয়ার রহমান

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৫নং সাধারণ সদস্য পদে তারাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আতিয়ার রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। সোমবার (১৭ অক্টোবর) রংপুরের তারাগঞ্জে ও/এ গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে ইলেক্ট্র ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়।

    উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, জেলার অন্যান্য উপজেলার ন্যায় তারাগঞ্জেও জেলা পরিষদের সাধারণ সদস্য পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।
    জেলা পরিষদ নির্বাচনে তারাগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য এবং সাধারণ সদস্যরা মোট ৬৮ জন ভোটারের মধ্যে ৬৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।‌ নির্বাচনে বে-সরকারিভাবে সাধারণ সদস্য পদে আতিয়ার রহমান টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রুহুল আমিন সর্দার বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩২ ভোট। আর এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলমগীর হোসেন লেবু হাতি প্রতীক নিয়ে শুন্য (০) ভোট পেয়েছেন। এছাড়াও ১টি ভোট নষ্ট হয়েছে। নির্বাচন কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মো. শামসুল আলম নির্বাচনী ওই ফলাফল ঘোষণা করেন।

  • জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোংলায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জলিল শিকদার

    জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোংলায় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জলিল শিকদার

    মোংলা প্রতিনিধি
    বাগেরহাট জেলা পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে (মোংলা) সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোঃ আব্দুল জলিল। টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে তিনি ভোট পেয়েছেন ৩৯টি। আর অপর প্রতিদ্বন্দ্বী মোঃ হাবিবুর রহমান তালা প্রতীকে ৩৩ টি ও আরিফ ফকির হাতি প্রতীকে পেয়েছেন ২১ ভোট। বিকেল ৩টায় ভোটের এ ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা সাবরেজিস্টার মোঃ জুবায়ের হোসেন।
    বিজয়ী ঘোষণার পরই আব্দুল জলিলসহ তার লোকজন শহরে আনন্দ মিছিল করেন। উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে সোমবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে এ ভোট গ্রহণ। তবে দুপুর সোয়া ১২টার মধ্যেই সকল ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এখানকার মোট ৯৪ ভোটের মধ্যে ৯৩ জন তাদের ভোটারাধিকার প্রয়োগ করেন। আর বাকী একজন ইউপি মেম্বর মামলায় জেলহাজতে থাকায় তিনি অনুপস্থিত থাকেন। এদিকে এ নির্বাচনে সকাল ৯টায় সর্ব প্রথম ভোট দেন পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান ও সোয়া ১২টায় সর্বশেষ ভোট দেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার। বাগেরহার জেলা পরিষদের এ নির্বাচনে মোংলার সদস্য পদপ্রার্থী ছিলেন তিনজন। এখানে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। অফিসার্স ক্লাবে পৃথক দুইটি বুথে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেন ভোটার ও প্রার্থীরাও। এ নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার ও উপজেলা সাবরেজিস্টার মোঃ জুবায়ের হোসেন বলেন, ৯৪ জন ভোটারের মধ্যে ৯৩ জন ভোট দেন, আর মাত্র একজন অনুপস্থিত ছিলেন। এ নির্বাচনী ফলাফলে অর্থাৎ বাগেরহাট জেলা পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৩৯ ভোট পেয়ে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন মোংলার মোঃ আব্দুল জলিল।

  • ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের সদস্য পদে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট অনুষ্ঠিত-নব নির্বাচিতদের উল্লাস

    ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদের সদস্য পদে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট অনুষ্ঠিত-নব নির্বাচিতদের উল্লাস

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।গতকাল সোমবার ১৭ই অক্টোবর ২০২২ ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যুন্ত শান্তিপুর্নভাবে ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।

    জানা যায়,ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা পরিষদে সদর উপজেলার ভোট এবং অন্যান্য উপজেলার ভোট সংশ্লিষ্ট উপজেলা পরিষদ সমূহে অনুষ্ঠিত হয়।

    নির্বাচন সূত্রে জানা যায়,ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় সদস্য পদে ১৭৪ ভোট পেয়ে দেবাশীষ দত্ত সমীর (অটো রিক্সা) নির্বাচিত হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মোশারুল ইসলাম সরকার (টিউবওয়েল) ১২৭ ভোট পান বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় সদস্য পদে মো: সফিকুল ইসলাম (তালা) ৮৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি ছিল মো: হাবিবুর রহমান (টিউবওয়েল) ১৯ ভোট পান।
    পীরগঞ্জ উপজেলায় সদস্য পদে মো: মোস্তাফিজুর রহমান (হাতি) ৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মো: গিয়াস উদ্দীন (বৈদ্যুতিক পাখা) পেয়েছেন ৬০ ভোট।রানীশংকৈল উপজেলায় আব্দুল বাতিন স্বপন (তালা) ৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি আনোয়ারুল ইসলাম (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ১৯ ভোট।
    হরিপুর উপজেলায় আনিসুজ্জামান শান্ত (টিউবওয়েল) ৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি মো:হবিবর রহমান (তালা) পেয়েছেন ১৮ ভোট।

    সংরক্ষিত—১ (বালিয়াডাঙ্গী ও ঠাকুরগাঁও সদর) আসনে সদস্য পদে আফসানা আখতার (ফুটবল) ১৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি দ্রৌপদী দেবী আগারওয়ালা (টেবিল ঘড়ি) ১৫৪ ভোট পেয়েছেন।
    সংরক্ষিত—২ (পীরগঞ্জ, রানীশংকৈল ও হরিপুর) আসনে মোছাঃ সাবিনা ইয়াসমীন রিপা (ফুটবল) ১৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি সেতারা হক (টেবিলঘড়ি) পেয়েছেন ১৩৮ ভোট পেয়েছেন।

    উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ নির্বাচনে কোন প্রতিদ্বন্দি না থাকায় ইতিপূর্বে জেলা আ’লীগের সভাপতি মুহ: সাদেক কুরাইশী বিন ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

  • লক্ষ্মীপুরে তালাবদ্ধ একই ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    লক্ষ্মীপুরে তালাবদ্ধ একই ঘর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

    নাজিম উদ্দীন রানাঃ
    লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার শাকচর এলাকায় তালাবদ্ধ একই ঘর থেকে ৮০ বছর বয়স, স্বামী আবু সিদ্দিক মিয়া ও ৬৫ বছর বয়সি স্ত্রী আতারুন্নেছার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে শাকচরের ছৈয়া মিঝি বাড়ী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় সন্দেহজনক কাউকে আটক করা হয়নি।
    স্থানীয়রা জানায়, ইউনিয়নের শালিসদার ভুট্টুু চৌধুরী ও নিহতের ভাতিজা কামাল জমি রেজিষ্ট্রে বিষয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য ওই বাড়ীতে আসে। তারা দরজার মধ্যে তালা দেখে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে দেখার চেষ্টা করে। এসময় ভিতর থেকে মারাত্বক দুর্গন্ধ পাওয়ার খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা ওই বাড়ীতে জড়ো হয় এবং পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তালা ভেঙে প্রবেশ করে এবং নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
    পুলিশ সুপার মোঃ মাহফুজ্জামান আশরাফ জানায়, প্রাথমিক তদন্ত করে জানান যে বাসার চাদের উপরের দরজার লক ভেঙ্গে বিতরে ঢুকে বৃদ্ধ স্বামী স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।