Blog

  • ধামইরহাটে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন উদ্বোধন

    ধামইরহাটে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন উদ্বোধন

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করা হয়েছে।
    ২০ অক্টোবর বেলা ১১ টায় ১ কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে উর্ধমূখী ২য় তলা ভবনের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শহীদুজ্জামান সরকার এমপি। এ সময় বিদ্যালয়ের সভাপতি পৌর মেয়র আমিনুর রহমান ও প্রধান শিক্ষক মোছাঃ ছাবিহা ইয়াছমিন প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে দুপুর ১২ টায় ২ কোটি ৮৮ লাখ পোড়ানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪ তলা ও দুপুর ২ টায় ২ কোটি ৯৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ধামইরহাট ফাজিল মাদরাসার ৪ তলা ভবনের উদ্বোধনও করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে মাদরাসা মাঠে ইউএনও আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকার, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দেলদার হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম, মাদরাসার সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম বদিউল আলম, অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান, জেলা পরিষদ সদস্য নুরুজ্জামান হোসেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহ, একাডেমিক সুপারভাইজার কাজল কুমার সরকার, সিনিয়র আওয়ামীলীগ নেতা আবু হানিফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহিরুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মালেক, উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি আবু মুছা স্বপন, সাংবাদিক সুফল চন্দ্র বর্মন, তাওসিফ ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • ধামইরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাার্ট আইডি কার্ড বিতরণ

    ধামইরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাার্ট আইডি কার্ড বিতরণ

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা পর্যায়ের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে ডিজিটাল সার্টিফিকেট ও স্মাার্ট আইডি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
    ২০ অক্টোবর সকাল ১০ টায় উপজেলা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে এমআইএস এর অন্তর্ভুক্ত ভাতা প্রাপ্ত ৭৮ জন ও প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৫ জনের পরিবারের সদস্যদের নিকট ডিজিটাল সনদ ও আইডি কার্ড তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. শহীদুজ্জামান সরকার এমপি। এ সময় তিনি বলেন, ‘জাতির সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারাই দেশের জীবন্ত কিংবদন্তি।’
    সমাজসেবা অফিসার সোহেল রানার সঞ্চালনায় এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আজাহার আলী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দেলদার হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম, পৌর মেয়র আমিনুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহেল রানা, ওসি মোজাম্মেল হক কাজী, জেলা পরিষদ সদস্য নুরুজ্জামান, সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার বুলবুল আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মন্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবীন সাংবাদিক মোজাম্মেল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • আগৈলঝাড়ায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    আগৈলঝাড়ায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্তর থেকে র‌্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
    উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মলিনা রানী রায়,উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, উপজেলা জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ইমরান খান, সদর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানসহ প্রমুখ।

  • আগৈলঝাড়ায় ৪০০ পিচ ইয়াবাসহ বাউফলের ওবায়দুল গ্রেফতার

    আগৈলঝাড়ায় ৪০০ পিচ ইয়াবাসহ বাউফলের ওবায়দুল গ্রেফতার

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ইয়াবাসহ বাউফলের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে আগৈলঝাড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত মোঃ মাজহারুল ইসলাম জানান, ইয়াবা কেনা বেচার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে এসআই মিল্টন মন্ডল সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে আগৈলঝাড়া-গৌরনদী আঞ্চলিক মহাসড়কের নীমতলা বাসষ্ট্যান্ডে হালিমা মেডিকেল হলের সামনে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর সময় ৪০০ পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়িকে আটক করে। আটককৃত ব্যবসায়ি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার বট কাজল গ্রামের ৩নং ওয়ার্ডের মৃত আওয়াল তালুকদারের ছেলে মোঃ ওবায়দুল(৩৮)।
    মাদক উদ্ধারের ঘটনায় বুধবার রাতেই এসআই মিল্টন মন্ডল বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মাদক ব্যবসায়ি ওবায়দুলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে, নং-৪ (১৯.১০.২২)। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যসায়ি ওবায়দুলকে বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • কালাইয়ে পল্লী হিমাগারে আলু পঁচে যাচ্ছে কৃষক ও ব্যবসায়ীকরা হতাশ

    কালাইয়ে পল্লী হিমাগারে আলু পঁচে যাচ্ছে কৃষক ও ব্যবসায়ীকরা হতাশ

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    কৃষিসমৃদ্ধ জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা। এই উপজেলার আলুর সুনাম দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও। এ বছর কৃষকেরা ব্যবসায়ীদের আলু না দিয়ে উপজেলার পল্লী হিমাগারে একটি হিমাগারে রাখেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের নানা
    অবহেলায় শত শত বস্তা আলু পঁচে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    কৃষক ও ব্যবসায়িকরা অভিযোগ করেন, এক লক্ষ বিশ হাজার বস্তা ধারণক্ষমতাসম্পন্ন পল্লী হিমাগারে চলতি মৌসুমে এক লাখ ২০ হাজার বস্তা প্রায় আলু সংরক্ষণ করা হয়। কিন্তু আলু সংরক্ষণের জন্য হিমাগারে নির্দিষ্ট মানের তাপমাত্রা না রাখা ও খরচ বাঁচানোর জন্য অনেক সময় বিদ্যুতের সুইচ বন্ধ করে দেওয়াসহ হিমাগার কর্তৃপক্ষের নানা অবহেলার কারণে আলু নষ্ট হয়েছে।

    বুধবার দুপুরে পল্লী হিমাগারে গিয়ে দেখা গেছে, হিমাগারের সামনের মাটিতে প্রচুর পরিমাণে পচা আলু ফেলে রাখা হয়েছে। এবং হিমাগারের ভিতরে একটি ডোবায় ষ্টোরে কাজের মহিলারা পঁচা আলু ফালাচ্ছে। এবং আশেপাশের মহিলারা আলু বাছাই করে নিয়ে যাচ্ছে।

    স্থানীয় কিছু লোকজন নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক বলেন। এই ষ্টোরে চলাচল করাই মুশকিল স্টোর যেগুলো আলু পঁচা বের হয় সবগুলো পঁচা আলু স্টোরে ফালা হয়। এমন দূর গন্ধ ছড়াচ্ছে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে কিন্তু কেউ কিছু বলছে না, বিষয়টি কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা

    কালাই উপজেলার রইচ উদ্দীন আলুচাষি ব্যবসায়ি মাহবুব হোসেন (৩৬) জানান, তিনি ওই হিমাগারে দুই হাজার বস্তা গ্রানুলা জাতের আলুবীজ সংরক্ষণের জন্য জমা রাখেন। কিন্তু ১৯ অক্টোবর হিমাগার থেকে ওই আলু বের করার পর দেখা যায়, প্রতি বস্তায় চার থেকে পাচঁ কেজি আলু পঁচা বের হয়।এবং নিশ্চিন্তা গ্রামের ওয়াজেদ আলী বলেন আমি এই স্টোরে প্রতিদিন ব্যবসা করি। আলু কিনাবেচা করি যেগুলো আলু কিনি প্রতি বস্তায় তিন থেকে চার কেজি পঁচা বের হয়। এমনইতে আলুর দাম কম তার উপর আবার পঁচা আলু বের হয়। আমরা খুব কষ্টে আছি।

    পল্লী হিমাগারের ফোরম্যান আজিজুল হাকিম বলেন, পাঁচ শত বস্তায় যদি আলু কিছু পঁচে তাহলে এমনইতে আলুর সেটে পঁচা আলু বেশি দেখা যাবে।

    পল্লী হিমাগারের ব্যবস্থাপক রাহুল ইমাম সাব্বির বলেন, আলু পঁচার জিনিস পঁচে যাবেই। কখনোই হিমাগারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হয়নি। আমাদের হিমাগারে বেশির ভাগ আলু ঠাকুরগাঁও জেলার আলু তাই পরিমানে একটু বেশি পঁচে যাচ্ছে। শুধু আমাদের হিমাগার না কালাই উপজেলার সবগুলো স্টোরে আলু পঁচে যাচ্ছে, এখানে দূরদূরান্ত থেকে কৃষক ও ব্যবসায়িক আসেন। আলুর কোয়ালিটি ভালো হলে আলু ভালো থাকবে। দুই চার কেজি আলু পঁচতেই পারে।

  • মাদ্রাসার মাঠে পিচ গলানো হচ্ছে জুতা,প্লাস্টিক সহ নানা রকমের বর্জ্য দিয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ

    মাদ্রাসার মাঠে পিচ গলানো হচ্ছে জুতা,প্লাস্টিক সহ নানা রকমের বর্জ্য দিয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ

    এস এম মিলন জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাটে রাস্তা সংকারের কাজে নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে মাদ্রাসার মাঠে পিচ গলানোর হচ্ছে
    কাঠ ও তুষের পরিবর্তে ব্যবহৃত পুরাতন জুতা, স্যান্ডেল, প্লাস্টিক সহ নানা রকমের ভাঙ্গাড়ি নষ্ট বর্জ্য
    দিয়ে। বর্জ্যরে দূষিত কালো ধোঁয়া ও গন্ধে শিক্ষার্থী সহ বিষিয়ে উঠেছে জনজীবন। স্থানীয়রা
    পড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে, বিপর্যয় হচ্ছে আশপাশের গাছপালা ও পরিবেশ। আর এসব বর্জ্য দিয়ে
    পোড়ানো যাবে বলছেন প্রভাবশালী ঠিকাদার। মেডিকেল অফিসার বলছেন, শ্বাসকষ্ট সহ নানা স্বাস্থ্য
    ঝুঁকি রয়েছে। এলইজিডির প্রকৌশলীরা সব জেনেও আমলে নিচ্ছেন না তারা।
    জয়পুরহাট ক্ষেতলালের শিবপুর ও গোপিনাপুর সাড়ে ৫ কিলোমিটার রোডে রাস্তা সংস্কারে পিচ
    গলানোর কাজে কাঠ ও তুষের পরিবর্তে পুরাতন জুতা, স্যান্ডেল, প্লাস্টিক সহ নানা রকমের ভাঙ্গাড়ি নষ্ট
    বর্জ্য পোড়ানো হচ্ছে ফুলদীঘিহাট চশমায়ে উলুম দ্বি-মূখী সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার মাঠে।
    ঠিকাদারদের অনত্র ফাকা ভাড়া করা জায়গাতে এসব না পোড়ানোর কারণে মাদরাসা ও আশপাশে বিষাক্ত
    কালো ধোয়ার গন্ধে পরিবেশ-গাছপালা ও জনজীবন বিষিয়ে উঠেছে। স্বাস্থ্য ঝুঁকি সহ নানা
    ভোগান্তি পোহাচ্ছেন স্থানীয়রা। দ্রুত অন্যত্র ফাঁকা জায়গায় স্থানান্তরের দাবী জানিয়েছেন
    এলাকাবাসীরা। এসব চিত্র জেলার বিভিন্ন্ স্থানে দেখা যায়, ঠিকাদাররা কোনো কিছুই তোয়াক্কা
    করেন না। সব কিছু জেনেও আমলে নেন না এলইজিডি কর্তৃপক্ষ। দ্রুত বন্ধ করে অনত্র সরিয়ে নেওয়ার ও
    শাস্থির দাবি জানিছেন স্থানীয়রা।
    ঐ মাদরাসার ছাত্র মিনহাজুল ইসলাম, তুহিন ও এলাকাবাসী আলম সওদাগর, ফরহাদ সহ অনেকে দৈনিক আমাদের নতুন সময় কে বলেন সরকারী রাস্তার কাজ অব্যশই হোক এটা আমরা চাই। কিন্তু মাদরাসার মাঠে এসব
    পুরাতন জুতা, স্যান্ডেল, প্লাস্টিক সহ নানা রকমের ভাঙ্গাড়ি নষ্ট বর্জ্য পোড়ানোর ফলে বিশাক্ত কালো
    ধোয়া ও দূগর্ন্ধে ছাত্র ছাত্রী সহ জন জীবন অতিষ্ট। এসব বিষাক্ত ধোয়ায় বাচ্চাদের বিভিন্ন
    সমস্যা ও মাদরাসার গাছপালা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এগুলো ফাকা যায়গায় তুষ বা কাঠ দিয়ে পুড়ানো
    দরকার এবং দ্রুত মাদরাসার মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া দরকার। তারা অন্যায় করছে তাদের শাস্থি ও হওয়া দরকার।
    ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজল এন্টার প্রাইজের ছেলে পিয়াস আহম্মেদ বলেন, কাজের স্বার্থে এসব বর্জ্য জ্বালানী হিসাবে পোড়ানো যাবে। এসব পুরাতন জুতা, স্যান্ডেল,
    প্লাস্টিক জ্বালানী সচারচর এগুলো দিয়ে পিচ গলানো হয়। এগুলো ভিডিও করেন না এমনি কথা বলেন
    ফুলদীঘিহাট চশমায়ে উলুম দ্বি-মূখী সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার অফিস সহকারি ওমর হায়দার বলেন, এসব পোড়ানোর কারনে মাদরাসার গাছগুলো নষ্ঠ হচ্ছে, ছাত্র ছাত্রী ও আমাদের নানা
    সমস্যার হচ্ছে ও ঠিকাদার কে নিষেধ করলেও শোনেন না। বেশি কিছু বললে সরকারী কাজে বাধা দিলে
    পুলিশ দিয়ে ধরে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। কিসের প্রভাবে ঠিকাদার এসব করছে। আমরা এখন কী করব।
    ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আরিফুল ইসলাম
    বলেন, এসব দিয়ে পোড়ানোর ফলে পরিবেশ গাছপালা ফসল ও মানুষের শ্বাসকষ্ট, এ্যাজমা
    সহ নানা রকম স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে।
    ক্ষেতলাল এলজিইডি উপজেলা প্রকৌশলী প্রদিপ কুমার উর্দ্ধোতনের নির্দেশ ছাড়া আনুষ্ঠানিক
    কথা বলতে রাজি হননি। তবে মৌখিক ভাবে জানান এসব নষ্ঠ জুতা, স্যান্ডেল, প্লাস্টিক দিয়ে পিচ
    গলানো যাবে না। সেটা জ¦ালানী হিসাবে পোড়া হয় সেগুলো দিয়ে পিচ গলাতে হবে।
    জয়পুরহাট এলজিইডির সিনিয়র সহকারী প্রকোশলী আব্দুল মতিন সাথে উপজেলা প্রকৌশলী
    অফিস থেকে মুঠোফোনে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দিতে বললে তিনি বলেন কোনো কিছুই করতে হবে
    না, ঠিকাদারকে বলে দিয়েছি তারা আপনার সাথে যোগাযোগ করতেছে, কোনো বক্তব্য নিতে হবে না।

  • সুন্দরবনের থেকে হরিণ শিকারের ৩৩৭ টি ফাঁদ জব্দ

    সুন্দরবনের থেকে হরিণ শিকারের ৩৩৭ টি ফাঁদ জব্দ

    মোংলা প্রতিনিধি।
    সুন্দরবনের কঞ্চির খাল এলাকা থেকে ৩৩৭ টি হরিণ শিকারের ফাঁদ জব্দ করেছে বনবিভাগ। এ সময় চোরা হরিণ শিকারী চক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়, তাদেরকে সনাক্তের চেষ্টা করছেন বনবিভাগ। পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের মরা পশুর টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মোল্লা জানান, নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে বেরিয়ে পড়েন তারা। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনিসহ সঙ্গীয় বনপ্রহরীরা মরাপশুর ও জোংড়া টহল ফাঁড়ির বর্ডার এলাকার কঞ্চির খাল এলাকার বনের মধ্যে লোকজনের আনাগোনা টের পান। তখন তারা পায়ে হেটে বনের গহীনে প্রবেশ করলে চোরা শিকারীরা দৌঁড়ে খাল সাতরিয়ে বনের গহীনে পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে চোরা শিকারীদের ফেলে যাওয়া একটি বস্তায় থাকা ৩৩৭টি লাইলনের দঁড়ির ফাঁদ জব্দ করেন তারা। বন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মোল্লা বলেন, দুইজন চোরা শিকারী কঞ্চির খাল সংলগ্ন বনের ভিতরে হরিণ শিকারের ফাঁদ পাতার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আমাদের টহল দল দেখে তারা সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে তাদের ফেলা যাওয়া ৩৩৭টি ফাঁদ ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। তাদেরকে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে, চিহ্নিত করা গেলেই তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে পিওআর (প্রসিকিউশন ওপেনস রিপোর্ট) মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান তিনি।

  • মোংলায় আওয়ামীলীগের জরুরী বিশেষ কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

    মোংলায় আওয়ামীলীগের জরুরী বিশেষ কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

    মোংলা প্রতিনিধি
    মোংলা উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ সহ সহল সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে বিশেষ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেল ৫ টায় মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ বাবু সুনীল কুমার বিশ্বাস। কর্মী সভায় বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলীয় তৎপরতা বৃদ্ধির লক্ষ্য কর্মী সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী ইজারাদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন লিটন, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বাবু অম্বরিশ রায়, মোংলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহীম হোসেন, মোংলা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার মোংলা পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. ইস্রাফিল হাওলাদার, বাগেরহাট জেলা পরিষদের নব নির্বাচিত সদস্য আব্দুল জলিল শিকদার, প্রমূখ। এ সময় সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বৃন্দ, সকল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সম্পাদক, মোংলা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি, সম্পাদক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোংলা পৌর ছাত্র লীগের সাধারণ সম্পাদক, সকল সংগঠনের সভাপতি, সম্পাদক মোংলা পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, সম্পাদক সকল ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি, সম্পাদকসহ পাঁচ শতাধিক নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সকল সংগঠনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা ও জামাত বিএনপির নৈরাজ্যের প্রতিবাদ করার জন্য সবসময়ই প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, বিএনপি-জামায়াত গোষ্ঠী আন্দোলনের নামে বাংলাদেশে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চায়। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দেশবিরোধী সব ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে। লন্ডন থেকে দুর্নীতির বরপুত্র তারেক জিয়া ‘টেকব্যাক বাংলাদেশের’ নামে আবারো বাংলাদেশকে পাকিস্তানে ফিরিয়ে নিতে চায়! বিএনপি-জামায়াত চক্র যেখানেই নৈরাজ্য সৃষ্টি করবে, রাজপথেই তাদেরকে প্রতিহত করা হবে। বিএনপি-জামায়াত কোনো আঘাত হানার চেষ্টা করলে দলের প্রত্যেকটি নেতাকর্মী রাজপথেই তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে হিন্দুসম্প্রদায়ের বাপদাদার আদি শ্মশানঘাট দখলের চেষ্টা

    ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে হিন্দুসম্প্রদায়ের বাপদাদার আদি শ্মশানঘাট দখলের চেষ্টা

    স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে ৬নং ইউনিয়নের গড়গাও গ্রামের একটি সরকারী পুকুর পাড়ে শ্মশান দখলের চেষ্টা একটি মহলের।

    জানা যায়,উক্ত পুকুরপাড়ে শ্মশান কালি পূজা করা নিয়ে এলাকার হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।বুধবার সকালে মুসলমান সম্প্রদায়ের স্থানীয় কিছু লোক ঐ পুকুর পাড়ের আংশিক জমি বাঁশ দিয়ে ঘিড়ে নিয়ে দখলের চেষ্টা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উপজেলা চেয়ারম্যান সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাময়িক ভাবে পরিস্থিতি শান্ত করলেও উভয় সম্প্রদায়ের লোক জনের মধ্যে চাপা উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।এ নিয়ে যে কোন সময় বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আশংকা প্রকাশ করেছেন হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।

    স্থানীয় ঐ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জানান,পীরগঞ্জ উপজেলার গড়গাও,দুর্গাপুর, নারায়নপুর ও ক্ষিদ্রগড়গাও গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন যুগযুগ ধরে ধরে বড় গড়গাঁও গ্রামের ঠাকুর হাল পুকুর পাড়ের উত্তর-পশ্চিম কোনের অংশ শ্মশান ঘাট হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন।বাকি অংশ স্থানীয় মুসলমান সম্প্রদায়ের কিছু লোক নিজেদের দাবী করেন।বিগত মার্চ মাসে মুসলমান সম্প্রদায়ের স্থানীয় কিছু লোক ঐ শ্মশানের পূর্বে পুকুরপাড়ে হঠাৎ করেই একটি মসজিদ স্থাপনের উদ্যোগ নেয় এবং রাতারাতি মসজিদের ভিত্তি নির্মান কাজ সম্পন্ন করেন।এ নিয়ে হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে কন্দোল দেখা দেয়।এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ঐ নির্মান কাজ বন্ধ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেন।আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল করিম তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নির্মান কাজ বন্ধ করে দিয়ে তা ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেন।পরে নির্মানাধীন ঐ সমজিদ ঘড়ের ভিত্তি ভেঙ্গে ফেলা হয়।সেখানেই থেমে যায় ঊভয় সম্প্রদায়ের কন্দোল।

    তবে এরই মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্মশানের জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করে দেয়া হয়।হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন শ্মশানের জমিতে প্রাচীর করার জন্য সীমানা পিলার স্থাপনও করেন। সম্প্রতি সেখানে শ্মশান কালি পুজা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন।তাতে এবার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় মুসলমান সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে।এ নিয়ে উভয় সম্প্রদায়ের লোকজনের মধ্যে চাপা উত্তেজনা চলছিল।গত মঙ্গলবার শ্মশান কমিটি সেখানে কালি পুজা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেন।বিষয়টি জানতে পেরে বুধবার সকালে ঐ পুকুরের উত্তর-পূর্ব অংশ এবং আংশিক পশ্চিম ও দক্ষিন অংশ বাঁশ দিয়ে ঘিড়ে নিজেদের দখলে রাখার চেষ্টা করেন মুসলমান সম্প্রদায়ের স্থানীয় কিছু লোক।বিষয়টি জানাজানি হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়।খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আখতারুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী আফিসার শাহরিয়ার নজির, থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম,স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন ও মকলেসুর রহমান চৌধুরী সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান।তারা উভয় সম্প্রদায়ের লোকজনকে বুঝিয়ে শান্ত করেন এবং বাঁশের বেড়া খুলে ফেলেন।যে যে অবস্থানে আছে,সে অবস্থানে থাকার নির্দেশনা দেন প্রশাসন।এতে উত্তেজনা সাময়িক নিরশন হয়।
    শ্মশান কমিটির সভাপতি অমল চন্দ্র রায় জানান, তাদের বাপ দাদার আমলের শ্মশান দখল করার জন্য একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে এবং আগামী ২৪ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া শ্মশান কালি পুজায় নানা ভাবে বাধার সৃষ্টি করে আসছেন এবং ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। এতে তারা চরম শংকিত ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

    এদিকে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক জন তারা বাপদাদার আদি শ্মশানে শ্মশান কালী পুজা করতে গিয়ে যেন অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এজন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান সাংবাদিক কে।থানার অফিসার ইনচার্জ জাহাঙ্গীর আলম জানান,সেখানে যেন কোন সমস্যা না হয় সেজন্য উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে এবং পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ নজর রয়েছে।

  • শিক্ষার্থীদের সততা শেখাতে সুজানগরে সততা স্টোর উদ্বোধন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

    শিক্ষার্থীদের সততা শেখাতে সুজানগরে সততা স্টোর উদ্বোধন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সততা শেখাতে পাবনার সুজানগরে সততা স্টোর উদ্বোধন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার(১৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বোনকোলা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে দুর্নীতি দমন কমিশন সমম্বিত জেলা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এ সততা স্টোর উদ্বোধন করা হয়। সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ও অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী অধ্যাপক ইশানুর রহমানের স ালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমম্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ খায়রুল হক। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমম্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ- সহকারী পরিচালক মুক্তার হোসেন ও ফেরদৌস রায়হান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান মিয়া,অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্বাস আলী মল্লিক, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ সভাপতি জালাল উদ্দিন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য জাফরুল ইসলাম এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বোনকোলা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল হুদা। প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্নীতি দমন কমিশন সমম্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ খায়রুল হক বলেন, শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকে সৎ পথে চলার অভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারের এ প্রচেষ্টা। সভাপতির বক্তব্যে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ে স্থাপিত সততা স্টোরে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণসহ নানা পণ্যে দাম লেখা থাকবে। তবে এখানে কোন বিক্রেতা থাকবে না। যে যার প্রয়োজনমতো পণ্যটি নিয়ে নিজ দায়িত্বে নির্ধারিত বক্সে দাম দিয়ে যাবে। এসব শিশুই ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের নেতৃত্ব দেবে। এভাবে ছোট থেকে সততার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিশুরা বড় হয়ে ও সুনাগরিক হয়ে ভবিষ্যতে দুর্নীতিমুক্ত দেশ উপহার দেবে বলে আশা প্রকাশ করেন। পরে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সততার উপরে রচনা ও কবিতা আবৃত্তিতে বিজয়ীদের মাঝে দুদুকের দেয়া স্কুল ব্যাগ,স্কেল,খাতা, ছাতা ও জ্যামিতি বক্স প্রদান করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।