Blog

  • জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হওয়া সহজ না

    জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হওয়া সহজ না

    হেলাল শেখঃ ইতিহাস জানতে হলে বই পড়তে হবে, ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন আর ১৫ আগস্ট মৃত্যু বার্ষিকী পালন করেন জাতি। শক্রমুক্ত হোক দেশ, স্বাধীনতা সে আমার-স্বজন হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন, স্বাধীনতা প্রিয় মানুষের রক্তে কেনা অমূল্য ফসল। একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা। বাংলাদেশের স্থপ্রতি বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ ও দেশের জন্য মরতে পারি প্রয়োজনে মহারণ, তবুও শক্রমুক্ত হোক বাংলাদেশ থেকে, এই কথাগুলো আমরা ভুলতে পারি না, যা শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন তা এখন ইতিহাস।
    বিশেষ করে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে ঐক্যে সেদিন গোটা দেশ, একটি কথা একটি আশা শক্রমুক্ত হবে বাংলাদেশ। লাখো মায়ের আহাজারি, স্বাধীনতা তোমার লাগি ঝড়ছে কত রক্ত, কত অশ্রুবারি হয়েছে মানুষের। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে গড়লো যারা নতুন দেশ, তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের রক্তে আজ এই বাংলাদেশ স্বাধীন। আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা। দেশ ও জাতির স্বার্থে যারা কাজ করেছেন, যারা স্বাধীনতার জন্য জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, আর যারা রাজনৈতিক ফায়দা নিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুর করে এবং অপমান করে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
    বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক হয়ে অনেকেই ফেসবুক নেতা, ফেসবুক সাংবাদিক বনে গেছেন, যা পায় তাই খায়, দলের শীর্ষ নেতা ও পুলিশ অফিসারের সাথে ছবি তুলে সেই ছবি দেখিয়ে দুষ্টুলোকগুলো ফায়দা নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে, আবার বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে বিভিন্ন ফায়দা নিতে যারা চেষ্টা করছে সঠিকভাবে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হোক। সবখানে সিন্ডিকেট জটিলতা সৃষ্টি করছে এক শ্রেণীর প্রতারক চক্রের সদস্যরা। কিছু প্রভাবশালীরা অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করতে কিছু শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে। তাদের মুখে বঙ্গবন্ধুর নাম মানায় না, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হওয়া সহজ বিষয় না। শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের যারা হত্যা করেছে তাদেরকে বাংলার মাটিতে বিচার দাবি করছি। শেখ মুজিবুর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে জাতীয় দিবসগুলো পালন করে আসছে জাতি। সবাইকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানা দরকার।
    বাংলাদেশের চলমান কিছু ঘটনা। বাংলাদেশের নাম লেখা হতো না, লাল সবুজের পতাকা উঁড়তো না, যদি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে এই দেশ স্বাধীন না হইতো। ইতিহাস পড়–ন, জাতির সবকিছু জানুন, শেখ মুজিবুর রহমান কেমন মানুষ ছিলেন। কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে? ইতিহাস বলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২ মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক হিসেবে বলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
    ২৪তম বিসিএস ২০০৩ সালের ১২২ পাতায় কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইডের সুত্র: বাংলাদেশের মোট জমির পরিমাণ ৩ কোটি ৬৬ লক্ষ ৭০ হাজার একর। বাংলাদেশে মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমাণ প্রায় ২৫ একর (২৫শতাংশ)। বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির কতভাগ লোক কৃষি কাজে নিয়োজিত, তা আমরা অনেকেই জানিনা। তথ্যমতে প্রায় ৬৬ভাগ মানুষ কৃষি কাজ করেন। কিন্তু আবাদী জমিতে ইটভাটা ও কল কারখানা হওয়ায় এখন ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে। এরপর ২০০২ সালে ৪র্থ কৃষি শুমারি হয়। কৃষি জমি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য ২০০০ সাল পর্যন্ত মহাপরিকল্পনা নেয়া হয়, কিন্তু দেশের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ বা সেতু নির্মাণ করছে সরকার-এতে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না, এতে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হচ্ছে, শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে। অতথ্যমতে কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে জনসংখ্যা ছিলো মাত্র ৭কোটি, যা বর্তমান ২০২২ইং সালে প্রায় ১৮ কোটির মতো। মানুষের খাদ্য বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে সরকার। বর্তমানে উন্নয়নমুখী সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, এরইজন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার। ধন্যবাদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা দেশরতœ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে চলেছেন। লিখতে গিয়ে থামতে মন চায় না, শেখ মুজিবুর রহমান তোমাকে আমরা ভুলিনি আর কোনদিন ভুলবো না। সারাদেশে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, জাতীয় শ্রমিকলীগ ও শ্রমিক সংগঠনসহ আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীসহ বাঙ্গালি জাতি জাতীয় শোক দিবস পালন করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ।
    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একজন ভালো মানুষ ও মহামানব ছিলেন, তিনি কখনো কোনো মানুষের মনে কষ্ট দেননি, মানুষকে সবসময় ভালোবাসতেন এবং সহযোগিতা করতেন, তিনি একজন আদর্শবান মানুষ হিসেবে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে গেছেন বলেই তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু। আমরা আজ যে স্বাধীনতা পেয়েছি, যারা আমাদের স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছেন, রক্ত দিয়েছেন, তাদেরকে আমরা ভুলতে পারিনা। যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে অপমান করে তারা বেঈমান বিশ্বাস ঘাতক। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে জানেনা তারা আসলেই বড় বেঈমান। আমি আবারও বলছি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হওয়া এতো সহজ না, যারা ত্যাগী নেতা কর্মী তারাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক।

  • কিছু বেঈমান বিশ্বাস ঘাতক ও মিথ্যাবাদীদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা

    কিছু বেঈমান বিশ্বাস ঘাতক ও মিথ্যাবাদীদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা

    হেলাল শেখঃ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রকৃত সাংবাদিকরা কাজ করছেন কিন্তু বিনিময় কি পাচ্ছেন?। সত্যি কথা বললে বা সংবাদ প্রকাশ করলে সেই সাংবাদিকদের নামে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা করা হয়। সাংবাদিকরাতো কোনো চোর ডাকাত নয়, বাব ড় দুর্নীতিবাজ নয় যে, তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে সাজা দিতে হবে।
    সারাদেশেই নিজেদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শক্রতা সুষ্টি করছে কিছু সাংবাদিক ও দুষ্টু প্রকৃতির মানুষ, সেই সাথে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা, আশুলিয়া থানা, মিরপুর থানা, বরিশাল ভোলা জেলার চরফ্যাশন থানাসহ সারাদেশে প্রায় অনেক থানায় সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক,অর্থ ও স্বার্থের জন্য মানুষ যদি অমানুষের পরিচয় দেন এটা খুবই লজ্জাজনক।
    জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে কাজ করা, জনগণের প্রকৃত বন্ধু সাংবাদিকরা। কর্মরত অবস্থায় ডিউটির পর ডিউটি করতে হয় সাংবাদিকদের, কিন্তু তাদের মনের দুঃখ কেউ বুঝতে চায়না। সাংবাদিকদের পেশা যেন ধর্মকর্ম মানুষের সেবা করাই তাদের একমাত্র কাজ। যারা কাজ করেন তাদের ভুল হতেই পারে কিন্তু ছোট একটা ভুল করলেই বড় ধরণের হামলা, মামলার শিকার হতে হয় সাংবাদিকরা, থানায় ডেকে নিয়ে বা রাস্তা থেকে ধরে নিয়েই বিভিন্ন মামলা দেয়া হয় সাংবাদিকদের নামে, এটা জাতির জন্য কতটা লজ্জাজনক?। বাংলাদেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন পুলিশ বাহিনী ও সাংবাদিকরা। সরকার পুলিশকে বেতন ভাতা দিলেও সাংবাদিকরা পাচ্ছেন না সরকারি কোনো ভাতা। ভালো কাজ করলে বলা হয় এটা তাদের দায়িত্ব। সামান্যতম ভুল করলে তাদেরকে বড় গালাগালি দেওয়া হয়। সব পুলিশ খারাপ না, কিছু পুলিশ সদস্য খারাপ তাই পুলিশের বদনাম হয়। মানবিক পুলিশ ও সাংবাদিক তাদের ঘর থেকে বাহিরে বের হলে বা ডিউটিতে গেলে তাদের পরিবারের সদস্যরা অনেক চিন্তায় থাকেন যে, কখন যেন কোন হামলার শিকার হয় তারা। সাংবাদিক ও পুলিশকে বলা হয় ঘুষখোর, চাঁদাবাজ কিন্তু করোনাকালীন সময়ে যখন বাসা বাড়িতে ঘুমিয়েছেন জনগণ-তখন পুলিশ ও সাংবাদিক এবং ডাক্তার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাঠে কাজ করেছেন। যুগ যুগ ধরে সেবা সহযোগিতা করে আসছেন যারা, তারাই জনগণের প্রকৃত বন্ধু। সব পুলিশ বা সাংবাদিক বা ডাক্তার খারাপ না।
    বাংলাদেশের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, র‌্যাব যে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জঙ্গী, খুনী, ধর্ষণকারী, অপহরণকারীদেরকে গ্রেফতার করেন এবং ভিকটিম উদ্ধার করাসহ অনেক কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করেন। বিশেষ করে কিছু লোকজন অভিমত প্রকাশ করেন যে, পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট হলেও সেই অর্থে তুলনামূলক ভাবে সেবার মান বাড়ছে না। সূত্রমতে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা মানয়ীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে পুলিশের জনবল বৃদ্ধি করাসহ পাশাপাশি বেতন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ঢাকা বিভাগের সকল থানায় সিসি টিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে,এতে যেমন প্রশংসা বাড়ছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের। তবে কিছু থানা পুলিশের অনিয়ম দুর্নীতির কারণে পুলিশ বাহিনীর বদনামও হচ্ছে, কিন্তু এই দায় নিবে না মানবিক পুলিশ সদস্যরা। ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা ধুলাবালির মধ্যে প্রতিদিন অনেক কষ্টের মধ্যে ডিউটি করেন, তাদের সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। দেশের থানা পুলিশ কর্তৃক আটক হওয়া ব্যক্তিদের হাজত থেকে কারাগারে থাকা নানারকম সমস্যা হয়ে থাকে, তারপরও মানুষ সঠিক পথে চলে না এটা দুঃখজনক ব্যাপার। ঢাকার আশুলিয়া থানায় জিডি ও অভিযোগের তদন্তই করেন না কিছু পুলিশ অফিসার এমন অনেক ভুক্তভোগীর অভিযোগ রয়েছে। কিছু পুলিশ সদস্যদের দাবি-বেতন বাড়ার সাথে সেবার মান বাড়ছে, আগের চেয়ে অনেকটা উন্নতি হয়েছে পুলিশ বাহিনীর সেবার মান। পুলিশের সেবার মান আরও বাড়বে ও স্বপ্ন একদিন পূর্ণ হবে। তবে পুলিশ ও জনগণের মানুষিকতার পরিবর্তন আনতে হবে। সূত্র জানায়, জরাজীর্ণ থানাগুলোতে অনেক জায়গায় নতুন ভবন করেছে সরকার। এদিকে বাংলাদেশের পুলিশের নতুন প্রায় ১৫টির মতো ইউনিট গঠিত হয়েছে। কিছু পুলিশ সদস্যের ভুলের কারণে পুরো পুলিশ বাহিনীর দোষ দেয়া হয় এটা ঠিক নয়। পুলিশ সদস্যদের দাবি-বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছেন তারা, তবে চট্রগ্রামের মেজর সিনহার মৃত্যু নিশ্চিত করতে গুলি করেন ওসি প্রদীপ এমন একটি সংবাদ শিরোনাম প্রকাশ হয়েছে শীর্ষ জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসহ বিভিন্ন মিডিয়াতে। এরপর থেকে পুলিশ বাহিনীর অনেক বদনাম হয়। তবে তাকে র‌্যাব বাহিনী আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর সিলেটে ডাক্তারের চেম্বারে কর্মচারি রায়হানকে পরিকল্পিতভাবে পুলিশ দিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠে। এই হত্যার ঘটনায় সিলেটের বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ তরুণ (এসআই) আকবর ভুঁইয়াকে আটক করা হয়। গত ৯ নভেম্বর ২০২০ইং সকালে রাজধানীর আদাবর মানসিক রোগ নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে গিয়ে হাসপাতালের কর্মচারিদের গণপিটিুনিতে এ এসপি আনিসুল করিম হত্যার ঘটনা ঘটে। এমন ঘটনা কেউ আশা করেনি বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন।
    রাজধানী ঢাকা ও ঢাকার আশেপাশের থানায় পুলিশের তেমন কোনো সমস্যা না থাকায় মফস্বল এলাকা থেকে বদলি হয়ে ঢাকায় আসার জন্য পুলিশ সদস্যরা চেষ্টা করে থাকেন। এর অনেক কারণও রয়েছে। মফস্বল এলাকায় পুলিশ সদস্যদের নানারকম সমস্যা, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পুলিশের থাকা খাওয়ার সমস্যা। অনেক সময় জরুরি কাজে গাড়ি না পাওয়াসহ নানারকম সমস্যা রয়েছে পুলিশের। বিশেষ করে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যেদের অনেক কষ্ট করে ডিউটি করতে হয়, তাদের অনেকেই সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন এমন অনেক তথ্য রয়েছে। সুত্রে জানা গেছে, অনেক ইউনিটে চাহিদার চেয়ে অর্ধেকেরও কম জনবল দিয়ে দৈনন্দিন কাজ চালানো হচ্ছে পুলিশ বাহিনীতে। বেশিরভাগ ইউনিটি ও থানার নিজস্ব কোনো ভবন নেই, আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। অনেক সময় জরুরি অভিযান পরিচালনার জন্য গাড়ি পাওয়া যায় না। দুঃখজনক বিষয়ঃ সাধারণ মানুষ অনেকেই বলেন, ডাকঢোল পিটিয়ে রং বে-রঙের বেলুন উড়িয়ে পুলিশ বাহিনীতে নতুন নতুন ইউনিটির যাত্রা শুরু হয়, কিন্তু পুলিশের সেবার মান বাড়ছে না কেন? অনেক পুলিশ সদস্য অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ছেন এর কারণও রয়েছে পারিবারিক সমস্যা। সূত্র জানায়, রাজধানী ছাড়াও যেমনঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানা ভাড়া বাড়িতে চলছে পুলিশের কার্যক্রম। এই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ও তদন্ত ওসিসহ ৪০ জনের মত অফিসার রয়েছেন। দেখা যায়, বেশিরভাগ পুলিশ অফিসারগণ ভাড়া গাড়ি দিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। ১০-১২ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান সময়ের পুলিশ একরকম নয়। সরকার যেমন পুলিশের বেতন বৃদ্ধি করেছে,তেমনি পুলিশের কষ্টও বাড়ছে। এদিকে ট্রাফিক পুলিশের কয়েকজন সদস্য জানান, পুলিশ সদস্য ভালো কাজ করলে পাবলিক বলে এটা পুলিশের দায়িত্ব কিন্তু পুলিশ সদস্য ছোট কোনো ভুল করলে তাদেরকে অনেক সময় বড় ধরণের শাস্তি দেয়া হয়, এমন কি চাকরি চলে যায়।
    বাংলাদেশের “প্রশাসনিক কাঠামো” ৬টি থেকে বাড়িয়ে বর্তমানে ৮টি বিভাগ ও ৬৪ জেলা এখন। ৬৪ জেলায় ৮৬,৬০৮টি গ্রাম। ১৯৭১ সালে মাত্র ৭কোটি জনগণ ছিলো, যা বর্তমানে প্রায় ১৮কোটির মত জনগণ হয়েছে। মানুষ বাড়ছে, ঘর বাড়ি বাড়ছে, ইটভাটা বাড়ছে, ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। পুলিশের নতুন নতুন ইউনিট বাড়ছে, পুলিশ সদস্যও বাড়ছে, কিন্তু সেই অর্থে কি সেবার মান বাড়ছে?। পুলিশ বিভাগের জন্য আলাদা মেডিকেল ইউনিটি গঠিত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান খান কামাল গত ৩ অক্টোবর ২০১৯ইং সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে “বিএসআরএফ সংলাপ” অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানিয়েছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে সরকার গত মেয়াদে ৮০ হাজার পুলিশের জনবল বৃদ্ধি পেয়েছে। জরাজীর্ণ থানাগুলোতে নতুন ভবন করা হচ্ছে। পুলিশের নতুন ১৫টি ইউনিট গঠিত হয়েছে। আমরা হেলিকপ্টার সংযোজন করতে যাচ্ছি, তার জন্য প্রক্রিয়া শুরু করেছি। (পিবিআই), এ ছাড়া দেশের শিল্প এলাকার নিরাপত্তা জোরদার ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির জন্য ইন্ডাষ্টিয়াল পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও ট্যুরিষ্ট পুলিশ গঠন করা হয়। এ ছাড়াও কাউন্টার টেরোরিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট নামে নতুন আরও একটি ইউনিট গঠন হয়। পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দাবি-পুলিশি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়ার জন্য ময়মনসিংহ বিভাগ ও রংপুর রেঞ্জে রিজাভ ফোর্স (আর আর এফ) এবং পাবনা জেলার আতাইকুলা ও আমিনপুর থানাসহ প্রায় ২৯টি নতুন থানা এবং প্রায় ৪৭টি তদন্ত কেন্দ্র নতুন হয়েছে। মানুষ মানুষের জন্য জীবন জীবনের জন্য। সাংবাদিকরা কেউ কারো সাথে বিবাদ না করি। সাংবাদিকরা জাতির বিবেক তার প্রমান দিতে হতে সাংবাদিকদেরকেই। সাংবাদিকতা পেশাকে সম্মান করুন, সাংবাদিকতা সহজ পেশা নয়। দুই লাইন লিখলেই সাংবাদিক বলা যায় না।

  • ফুটপাত দখল করে ব্যাপক চাঁদাবাজি: ট্রাফিক আইন মানছে না কেউ-শিশুরাও গাড়ি চালক

    ফুটপাত দখল করে ব্যাপক চাঁদাবাজি: ট্রাফিক আইন মানছে না কেউ-শিশুরাও গাড়ি চালক

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের ফুটপাত দখল করে ব্যাপক চাঁদাবাজি, ট্রাফিক আইন মানছে না কেউ-শিশু কিশোররাও এখন গাড়ি চালক, এতে বাড়ছে বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনা। সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীরাসহ সচেতন মহল। সেই সাথে সড়কের দুইপাশে ক্লিনিকের সামনে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির মোটরসাইকেলসহ অবৈধ গাড়ি পার্কিং করার অভিযোগ, এর কারণে সড়ক ও মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সেই সাথে লাইসেন্সবিহীন অবৈধ মাহিন্দ্রাসহ তিন চাকার বিভিন্ন গাড়ি চলাচল করছে সড়কে।
    শুক্রবার (২১ অক্টোবর ২০২২ইং) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকার আব্দুল্লাহপুর-আশুলিয়ার বাইপাইল সড়কের জামগড়া ল্যাব ওয়ান ডায়াগনোষ্টিক সেন্টারসহ বিভিন্ন ক্লিনিকের সামনে মোটরসাইকেল রাখা হয়, সাথে রিক্সা থামিয়ে রেখেছে চালকরা। শাখা রোডের মুখে তিন চাকা অটোরিক্সাও দেখা যায় চোখে পড়ার মতো। তিন চাকা অটোরিক্সা ও মাহিন্দ্রাগুলো বেশি বেপরোয়া ভাবে চলাচল করায় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন অনেকেই। এসব গাড়ি চালকদের কোনো প্রকার প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে বলে অনেকেই জানান।
    সাভার ট্রাফিক পুলিশের দায়িত্বরত (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, রাস্তায় তেমন কোনো যানজট নেই, আশুলিয়ার নরসিংহপুর সরকার মার্কেট ও জামগড়ার শিমুলতলা আমাদের পুলিশের সদস্য ডিউটি করেন না, তবে মাঝে মধ্যে কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সেখানে পুলিশ গিয়ে কাজ করেন বলে তিনি দাবি করেন, এর বেশি কিছু আমি বলতে পারিনা, সাভার (টিআই: প্রশাসন) স্যারের কাছ থেকে জেনে নিলে ভালো হয়। যানজটের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিছুটা যানজট সৃষ্টি হয় অবৈধ তিন চাকা অটোরিক্সার কারণে তবে আমি থাকা অবস্থায় যানজট হতে দেই না তা আপনারা অনেকেই জানেন। ট্রাফিক আইন মানছেন না বেশিরভাগ মানুষ-এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সচেতনতার অভাবে মানুষ ট্রাফিক আইন অমান্য করে রাস্তা পারাপার হয়ে থাকে, এর কারণে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটে। তিনি আরও বলেন, আশুলিয়ার জামগড়া পুলিশ বক্সের সামনে রাস্তা গর্ত করে রেখেছে সড়ক বিভাগ, গাড়ি পার্কিং করার জায়গাও নেই।
    এ ব্যাপারে ট্রাফিক বিভাগের সাভার জোনের ট্রাফিক পুলিশ অফিসার ইনচার্জ (টিআই) অনেকেই বলেন, সড়কের যানজট পূর্বের তুলনায় অনেকটা কম আর সড়ক দুর্ঘটনাও অনেকটা কমেছে। তারা দাবি করেন যে, সড়ক দুর্ঘটনার মূলত কারণ চালকদের অসাবধানতা। তিন চাকা অটোরিক্সা ও মাহিন্দ্রার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, এসব অবৈধ যানবাহন সড়কে চলতে পারবে না। ঢাকা জেলার সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া ট্রাফিক পুলিশ বক্সের এড়িয়াতে মাত্র ২জন কনস্টেবল ও ১জন (এসআই) ডিউটি করেন, ৩জন ডিউটি করলে অনেক সময় যানজট হতে পারে, ট্রাফিক আইন মেনে চললে দুর্ঘটনা কম হয় কিন্তু চালক ও পথচারীরা ট্রাফিক আইন মানছেন না, মানুষ ট্রাফিক আইন না মেনে উল্টা পথে চলার কারণেও সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকে।

  • সুজানগরে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন,এ কেমন শত্রুতা

    সুজানগরে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন,এ কেমন শত্রুতা

    এম এ আলিম রিপন, সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাতে উপজেলার সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের মোমরাজপুর গ্রামে শ্রী দিপংকর হালদারের পুকুরে এ ঘটনা ঘটে। বিষ প্রয়োগের ফলে বৃহস্পতিবার পুকুরে ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছ মরে ভেসে উঠে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। শ্রী দিপংকরের পিতা শ্রী দিলীপ হালদার অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশি সাবেক ইউপি সদস্য রঘুনাথ হালদারের সঙ্গে জমি ও পুকুরে মাছ চাষ নিয়ে পূর্ব বিরোধ ছিল তাদের। এ বিরোধকে কেন্দ্র করেই রঘুনাথ হালদার বিষ ও গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে আমার এ পুকুরের ১০ লক্ষাধিক টাকার মাছ নিধন করেছে। পুকুরে রুই,কাতলা সহ দেশীয় বিভিন্ন জাতের দেড় শতাধিক মণ মাছ ছিল। অভিযোগ অস্বীকার করে রঘুনাথ হালদার বলেন, ওরা কি অভিযোগ করেছে আমি জানিনা। তবে এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোন ধরণের সম্পৃক্ততা নেই। এ বিষয়ে থানার ওসি আব্দুল হাননান জানান, আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ প্রতিষ্ঠানের জরিমানা

    পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ প্রতিষ্ঠানের জরিমানা

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৬টি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার সকালে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) পৌর বাজার ও সরল জিরোপয়েন্টে বিভিন্ন মিষ্টির দোকান, স্বর্ণ পট্টিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, ওজন ও পরিমাপ মানদন্ড আইন ২০১৮ লঙ্ঘনের অপরাধে মোড়ক নিবন্ধন সনদ ব্যতীত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত,ও অবৈধ নন মেট্রিক পদ্ধতিতে পরিমাপে সহ বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার( ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এম,আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ। আদালত পৌর বাজারে সাতক্ষীরা ঘোষ ডায়েরী, কালীমাতা মিষ্টান্ন ভান্ডার, আপন জুয়েলার্স, সরল জিরোপয়েন্টে যাদব ঘোষ ডায়েরী, পাইকগাছা ঘোষ ডায়েরী ও সাতক্ষীরা ঘোষ ডায়েরী’র প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার করে টাকা জরিমানা আদায়
    করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএসটিআই’র ইন্সপেক্টর রঞ্জিত কুমার মল্লিক, পেশকার মোঃ আরিফুল ইসলাম খান,এ এসআই মিজান

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় জমে উঠেছে সুপারির হাট

    পাইকগাছায় জমে উঠেছে সুপারির হাট

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছার গদাইপুর সুপারির হাট জমে উঠেছে। এখন সুপারির ভরা মৌসুম চলছে। ফলে বাগান মালিক খুচরা ও পাইকারী বিক্রেতারা সুপারি ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। উপজেলার আগড়ঘাটা,বাকা, নতুন বাজার, কপিলমুনিসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণে সুপারি বিক্রি হচ্ছে। এ বছর সুপারির ফলন খুব বেশি ভাল হয়নি।তবে দাম আশানারূপ।
    উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানাগেছে,উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। গাছের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার ৪শতটি। গাছ প্রতি গড়ে ৪শ ৪০টি সুপারির ফলন হয়েছে। প্রায় গাছে ৩ থেকে ৪ কাধি সুপারির ফলন ধরে। কোন কোন গাছে সর্বনিন্মে ৫০ থেকে ১৫০ আবার কোন কোন গাছে ৬ থেকে ৭শ সুপারি ফলন হয়। লবণাক্ত এ উপজেলার ভূমির অবস্থান উচু ও বিলান, নিচু ও বিলান জমির পরিমাণ বেশী। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মধ্যে গদাইপুর,হরিঢালী,কপিলমুনি,রাড়ুলী সুপারি গাছের পরিমাণ বেশী। চাঁদখালী ও পৌরসভার আংশিক এলাকায় সুপারি গাছ রয়েছে।বাকী ইউনিয়ন গুলোতে গাছ নেই বললেই চলে।সুপারির ভরা মৌসুমে হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি বিক্রি হচ্ছে।
    বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের হাটে সুপারি সরবরাহ করছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে পাইকারী সুপারি ক্রয় করে এলাকার বাইরে মোকাম গুলোতে বিক্রি করছে। তাছাড়া স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা সুপারি ক্রয় করে গুদামজাত করছে।যা পরে শুকিয়ে বা পানিতে মজিয়ে পরবর্তীতে বিক্রি করা হবে। গদাইপুর গ্রামের সুপারি বাগান মালিক রফিকুল ইসলাম জানান,এ বছর সুপারির ফলন খুব ভাল হয়েছে এবং বাজার মূল্য ভাল,এতে তিনি খুশি।নতুন করে আরেকটি সুপারি বাগান গড়ে তুলবেন বলে জানান।স্থানীয় সুপারি ব্যবসায়ী মতিউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম সহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান,অন্য বছরের তুলনায় এ বছর বাজারে প্রচুর পরিমাণ সুপারি উঠছে।সুপারির দাম কম- বেশী হয়,এখন ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে কুড়ি বিক্রি হচ্ছে।ব্যবসায়ীরা স্থানীয় হাট-বাজার থেকে পাইকারী সুপারি কিনে বড়দল, সোলাদানা, শান্তাসহ পাশ্ববর্তী হাট-বাজারের আড়ৎ গুলোতে সুপারি বিক্রয় করে। সুপারির হিসাব অ ল হিসাবে ভিন্ন। এ এলাকায় এক কুড়ি (৫৫গোন্ডা) অর্থাৎ ২২০টি সুপারি। মৌসুমের শুরুতে সুপারির দাম বেশী থাকলে বর্তমানে দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় অনেকেই সুপারি ক্রয় করে মজুদ করতে শুরু করেছে। যা পরবর্তীতে উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করবেন বলে মজুদকারীরা জানিয়েছে।
    সুপারি বাংলাদেশের একটি অর্থকারী ফসল। সুপারি স্থানীয় সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাড়িয়েছে। সুপারি কাঁচা, শুকনা, মজানো-ভিজা পান পাতা দিয়ে মুড়িয়ে খিলি বানিয়ে খাওয়া হয়। সুপারি ছাড়া পানের পূর্ণতার কথা ভাবা যায় না। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সুপারি ব্যবহার হয়। অনেকের আবার শুধু সুপারি খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠির এক দশমাংশ সুপারি খান। শিশু, নারী ও পুরুষ সুপারি ব্যবহার করেন। তবে পুরুষের মধ্যে সুপারির ব্যবহার বেশী। উল্লেখ্য সুপারির কারণে মুখে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভবনা থাকে বেশি।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান,সুপারি এ অ লের একটি অর্থকারী গুরুত্বপূর্ণ ফসল। তাছাড়া এ এলাকার সুপারির মানও ভালো। তবে লম্বা সুপারি গাছ গুলো মরে যাওয়ায় অথবা কেঁটে ফেলায় নতুন করে সুপারির বাগান তেমন একটা গড়ে উঠছে না। তাই কৃষি অফিস থেকে নতুন করে সুপারি বাগান তৈরীর জন্য বাগান মালিক ও কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

  • আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে ভারতের ভুমিকা অনস্বীকার্য – খাদ্যমন্ত্রী

    আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে ভারতের ভুমিকা অনস্বীকার্য – খাদ্যমন্ত্রী

    খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেছেন ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা অনস্বীকার্য।

    বিশেষ করে ওপার বাংলা এপার বাংলার সংস্কৃতির যে ঐতিহ্যএকই। কাজেই দুই বাংলার সংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমে আমাদের সম্পর্কের মেইলবন্ধন আরও সমৃদ্ধ এবং বন্ধুর্তপূর্ণ করা সম্ভব।

    খাদ‍্যমন্ত্রী বুধবার রাত ৯টায় নওগাঁ প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ এবং নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের যৌথ আয়োজনে ৫ দিনব‍্যাপী ভরতন‍্যাট্টম ও উদয়শঙ্কর ডান্স ষ্টাইল ওয়ার্কশপ- এর সমাপনী আনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তবে এসব কথা বলেছেন।

    নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো: কায়েস উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাশিদুল হক, ওয়ার্কশপ কন্ডাক্টর সুমি সেন কুন্ডু, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: শরিফুল ইসলাম খান, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নওগাঁ জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার মো: হারুন-অল-রশিদ এবং প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক শফিক ছোটন বক্তব‍্য রাখেন।

    খাদ‍্যমন্ত্রী পাঁচদিনব্যাপী যে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হলো তা নিয়মিত অনুশীলনের উপর গুরুত্ব আরো করে ভবিষ্যতে আরও বেশী বেশী কর্মশালার আয়োজন করার পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি বলেন সুস্থ‍্য ধারার সংস্কৃতি চর্চ্চার মাধ্যমেই যে কোন দেশকেই শান্তিপূর্ণ এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনায় গড়ে তোলা সম্ভব।

    পরে মন্ত্রী কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী ৬৫ জন প্রশিক্ষনার্থীর মধ্যমে সনদপত্র বিতরন করেন। সব শেষে কর্মশালায় সকল অংশগ্রহণকারীদের সমন্বয়ে কম্পোজশিনের একটি নৃত্য পরিবেশিত হয়।#

    রওশন আরা পারভীন শিলা
    নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি।।

  • গোদাগাড়ীতে তরুণীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার

    গোদাগাড়ীতে তরুণীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার গড়গড়িয়া এলাকার একটি ধান ক্ষেত থেকে এক তরুণীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধাররের ঘটনায় তরুনীর স্বামী তুষার আলীকে আটক করেছে পুলিশ।

    গত মঙ্গলবার রাতে মির্জাপুর নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়। সে তানোর উপজেলার সরনজাই মির্জাপুর গ্রামের নজিরউদ্দীন ছেলে। প্রঙ্গগতঃ নিহত তরুণীর নাম সাহেরা খাতুন (২০)। তিনি গোদাগাড়ী উপজেলার চাতরা গ্রামের দানেস আলীর মেয়ে। সাহেরার স্বামীর বাড়ি পার্শ্ববর্তী তানোর উপজেলার সরনজাই মির্জাপুর গ্রামে।

    গত ১৫ অক্টোবর রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানাধীন পাকড়ি ইউনিয়নের গড়গড়ি গ্রামের ধান ক্ষেত থেকে অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। মৃত নারী তার বাবার বাড়ি হতে গত ১২ অক্টোবর বিকাল ৪ টার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। এরপর থেকে তার বাবা মা অনেক খোঁজাখুজি করে তার সন্ধান পাননি।

    পরবর্তীতে গড়গড়ি গ্রামে ধান ক্ষেতে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে লাশটির সন্ধান পায় স্থানীয় জনগণ । পাশের গ্রামে নারীর লাশ উদ্ধারের কথা শুনে সেখানে মৃত তাহেরার পরিবারের লোকজন সেখানে যান। সেখানে গিয়ে তারা মৃত নারীর পরিচয় শনাক্ত করেন। সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে গোদাগাড়ী থানাধীন কাঁকনহাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। রাজশাহীর সম্মানিত পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন, বিপিএম (বার) বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) সনাতন চক্রবর্তীসহ গোদাগাড়ী থানা পুলিশকে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। অবশেষে এই হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন হয়েছে এবং হত্যাকারী উক্ত মৃত নারীর স্বামী মোঃ তুষার আলী (২৩), পিতা-মোঃ নজির উদ্দিন, সাং-মির্জাপুর, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহীকে গত ১৮ অক্টোবর গ্রেফতার করে গোদাগাড়ী থানা পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামি ১৯ অক্টোবর আসামি বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছেন। প্রায় সাত মাস আগে মৃত তাহেরা বেগমের সাথে বিয়ে হয় আসামি মোঃ তুষার আলীর। মৃত তাহেরা বেগম মানসিকভাবে অনেকটা ভারসাম্যহীন ছিলেন। ফলে মাঝে মধ্যে সে পাগলামি আচরণ করতো। এ কারণে মোঃ তুষার আলী তার স্ত্রীর উপর ক্ষিপ্ত ছিলো।

    মৃত তাহেরা বেগম গর্ভবতী হওয়ার পর থেকে বেশিরভাগ সময় তার বাবার বাড়িতেই থাকতো। ঘটনার দিন ১২/১০/২২ তারিখ বিকাল বেলায় মোঃ তুষার আলী তার স্ত্রীকে কাঁকনহাট বাজারে ডেকে নিয়ে এসে কিছু সময় পর সন্ধ্যা অনুমান ৭.০০ টার দিকে তার স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে রাখতে যাওয়ার নাম করে গোদাগাড়ী থানাধীন গড়গড়িয়া নামক গ্রামের ধান ক্ষেতের রাস্তার মধ্য দিয়ে যাওয়ার পথে এক নির্জন জায়গায় বাটন মোবাইল ফোন দিয়ে স্ত্রীর মাথায় সজোরে আঘাত করে।

    এ আঘাতের ফলেই তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়। মৃতদেহ ধান ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে মোঃ তুষার আলী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। উল্লেখ্য , ঘটনার আট দিন আগে ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতে যাচ্ছে বলে আসামি মো: তুষার আলী তার গর্ভবতী স্ত্রী মোসাঃ তাহেরা বেগমকে তার শ্বশুর বাড়িতে রেখে যায়। তুষার আলীর শ্বশুর বাড়ির আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকার লোকজন জানতো যে সে ঢাকায় রয়েছে। কিন্তু লাশ উদ্ধারের সংবাদ প্রাপ্তির মাত্র ঘন্টা দুয়েক সময়ের মধ্যেই সে শ্বশুর বাড়িতে উপস্থিত হয় ও মায়া কান্না শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যে ঢাকা থেকে রাজশাহীতে উপস্থিতি হওয়া ও তার অসংলগ্ন কর্থাবার্তার বিষয়গুলো তদন্তের ক্ষেত্রে বিবেচনায় নিয়ে নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ নিশ্চিত হয় যে, মোঃ তুষার আলীই এই হত্যাকান্ডটি ঘটিয়েছে এবং নিজ স্ত্রীকে হত্যার পর থেকে সে রাজশাহীর মধ্যে পার্শ্ববর্তী এলাকায় পলাতক ছিলো। হত্যাকান্ডের দায় থেকে নিজেকে আড়াল করতে ঢাকায় অবস্থান করার মিথ্যা গল্প সাজিয়েছিল। গ্রেফতারকৃত তুষার আলী বর্তমানে কারাগারে রয়েছে।

    গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, নিহতের স্বামীর আলম পেশায় নির্মাণ শ্রমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়েছে। মৃত্যুর ঘটনায় নিহতের ১৬ অক্টোবর রোববার তরুণীর পিতা দানেস আলী গোদাগাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • নড়াইলের মধুমতী সেতু থেকে ২৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা টোল আদায়

    নড়াইলের মধুমতী সেতু থেকে ২৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা টোল আদায়

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলের মধুমতী সেতু থেকে ২৩ লাখ ৩৪ হাজার টাকা টোল আদায় । নড়াইলের কালনায় মধুমতী সেতু চালুর প্রথম সপ্তাহে ২৫ হাজার ৫৮৭টি যানবাহন চলাচল করেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, এসব যানবাহন থেকে টোল আদায় হয়েছে ২৩ লাখ ৩৪ হাজার ২৫০ টাকা। ১০ অক্টোবর দিবাগত রাত ১২টা থেকে সেতুতে গাড়ি চলাচল শুরু করার পর গত সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত এক সপ্তাহে গাড়ি চলাচল ও টোল আদায়ের এই তথ্য পাওয়া গেছে। প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদ হোসেন।
    গোপালগঞ্জ সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদ হোসেন বলেন, টোল আদায়ের বিষয়টি এখনো ইজারা দেওয়া হয়নি। গোপালগঞ্জ সওজের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টোল আদায় করছেন। টোলের কম্পিউটার রসিদ দেওয়া হচ্ছে।
    গোপালগঞ্জ সওজ সূত্র জানায়, সেতুতে প্রথম দিন গাড়ি চলেছে ৩ হাজার ৫৭৬টি, টোল আদায় হয় ৪ লাখ ১৪ হাজার ১৫৫ টাকা। পরের দিন ১২ অক্টোবর ৩ হাজার ৫৫৪টি গাড়ি চলেছে, টোল আদায় হয় ৩ লাখ ৪৮ হাজার ২২৫ টাকা। ১৩ অক্টোবর গাড়ি চলে ১ হাজার ৯৯১টি, টোল আদায় হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৮২০ টাকা। ১৪ অক্টোবর ৫ হাজার ৪৬৩টি গাড়ি থেকে ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৯০ টাকা আদায় করা হয়েছে। ১৫ অক্টোবর ৪ হাজার ৪০টি গাড়ি থেকে ৩ লাখ ৩ হাজার ৬০০ টাকা টোল আদায় হয়। ১৬ অক্টোবর ৩ হাজার ১০৪টি গাড়ি ২ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা টোল দিয়েছে। ১৭ অক্টোবর সেতু দিয়ে চলে ৩ হাজার ৮৫৯টি গাড়ি, টোল আদায় হয় ৩ লাখ ১৩ হাজার ৪১০ টাকা।
    ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মধুমতী সেতু উদ্বোধন করেন। ওই দিন রাত ১২টা থেকে সেতুতে গাড়ি চলাচল শুরু হয়। মধুমতী সেতুর পূর্ব পাড়ে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা এবং পশ্চিম পাড়ে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা। উদ্বোধনের পর থেকেই ছয় লেনের দৃষ্টিনন্দন এই সেতুতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।
    সেতুর টোল প্লাজা পার হওয়ার সময় কয়েকজন ট্রাকচালক অভিযোগ করেন, পদ্মা সেতুতে মধ্যম ট্রাক হিসেবে টোল নেওয়া হয় যেসব ট্রাকের, সেগুলোর টোল এই সেতুতে ভারী ট্রাক হিসেবে নেওয়া হচ্ছে।
    নেওয়া হচ্ছে।
    এ বিষয়ে টোল আদায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপসহকারী প্রকৌশলী আবদুল হালিম খান প্রথম আলোকে বলেন, ৭ টনের ওপরের ট্রাকগুলোকে ভারী হিসেবে ধরে ৪৫০ টাকা এবং ৭ টনের কম ট্রাকগুলোকে মধ্যম হিসেবে ধরে ২২৫ টাকা আদায় করা হচ্ছে।
    গোপালগঞ্জ সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাহিদ হোসেন বলেন, টোল আদায় পদ্ধতি যখন পুরোপুরি ডিজিটাল হবে, তখন টোল প্লাজার ক্যামেরা গাড়ির ছবি নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল নির্ধারণ করবে। এরপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোলের স্লিপ প্রিন্ট হবে। তখন কোনো অভিযোগ থাকবে না। জাপানি কারিগরি দল কয়েক দিনের মধ্যে আসবে এটি প্রস্তুত করতে।
    সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে টোল হার নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। কনটেইনার বা ভারী মালামাল পরিবহনে সক্ষম যানের টোল ধরা হয়েছে ৫৬৫ টাকা, বড় ট্রাক বা কাভার্ড ভ্যান ৪৫০ টাকা, মধ্যম ট্রাক ২২৫ টাকা, বড় বাস ২০৫ টাকা, ছোট ট্রাক ১৭০ টাকা, পাওয়ার টিলার বা ট্রাক্টর ১৩৫ টাকা, মিনিবাস বা কোস্টার ১১৫ টাকা, মাইক্রোবাস বা পিকআপ ভ্যান ৯০ টাকা, সিডান কার ৫৫ টাকা, টেম্পো বা সিএনজিচালিত অটোরিকশা ২৫ টাকা, মোটরসাইকেল ১০ টাকা এবং ভ্যান, রিকশা বা বাইসাইকেল ৫ টাকা।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৩ ব্যক্তিকে জেল ও জরিমানা

    অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৩ ব্যক্তিকে জেল ও জরিমানা

    রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর পাড় থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ৩ ব্যক্তিকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার বেলা এগারোটায় চরমোন্তাজ ইউনিয়নের লেদিরচর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে কারাদন্ড প্রদান করেণ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ সালেক মুহিদ। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো মোশারেফ দালাল (৪০), নান্না প্যাদা (৩০) ও সেলিম প্যাদা (২৮)। তাদের সবার বাড়ি চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চর মন্ডল গ্রামে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চরমোন্তাজ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সজল কান্তি দাশ। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সালেক মুহিদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা।।