Blog

  • পুলিশ সুপার পঞ্চগড়  সদর পুলিশ কোর্ট পরিদর্শন

    পুলিশ সুপার পঞ্চগড় সদর পুলিশ কোর্ট পরিদর্শন

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়।।
    জেলার পুলিশ সুপার এস,এম, সিরাজুল হুদা, পিপিএম সদর পুলিশ কোর্ট, পঞ্চগড় পরিদর্শন করেন। পুলিশ সুপার সদর পুলিশ কোর্ট, পঞ্চগড় পৌছালে তাঁকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান কোর্ট ইন্সপেক্টর মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন।

    এরপর তিনি কোর্ট পুলিশ হাজত খানা পরিদর্শন করেন। তিনি বিভিন্ন রেজিস্টার তদারকি করেন এবং কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি পরিদর্শন বহিতে মতামত লিপিবদ্ধ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) কনক কুমার দাস, কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক মোঃমিজানুর রহমান, সকল সিএসআই ও সকল জিআরও সহ অন্যান্য অফিসার ফোর্সবৃন্দ।

  • ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে ২দিন ব্যাপী জমজমাট কালীপুজা অনুষ্ঠিত

    ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে ২দিন ব্যাপী জমজমাট কালীপুজা অনুষ্ঠিত

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি।।স্টাফ রিপোর্টার।।ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে ২ দিন ধরে ধুমধামে জমজমাট কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।

    সরেজমিনে দেখা যায়,রানীশংকৈল উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের মালিভিটা গ্রামের ডুমুর কালী বাজারের কালী মন্দিরে কালীপূজো করা হয়।গত ২৭শে অক্টোবর থেকে ২৮শে অক্টোবর ২০২২ বৃহস্পতিবার হতে শুক্রবার ২ দিন ব্যাপী কালীপুজার আয়োজন করে পুজা কমিটি।

    উক্ত পুজো অনুষ্ঠানে বিভিন্ন এলাকার ভক্তবৃন্দ,দর্শনার্থী,হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন দলে দলে আসিয়া পুজায় অংশ গ্রহণ করেন এবং পুজোর মেলা ঘুরাঘুরি করেন।এ মেলায় বিভিন্ন রকম দোকান পাট দেখতে পাওয়া যায়।

    গীতি গমন চন্দ্র রায় গীতি
    স্টাফ রিপোর্টর।

  • গোদাগাড়ী পৌরসভার দোকান ও মালিক সমিতির সভাপতি আলম ও সম্পাদক শাহীন

    গোদাগাড়ী পৌরসভার দোকান ও মালিক সমিতির সভাপতি আলম ও সম্পাদক শাহীন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌর দোকান ও মার্কেট মালিক সমিতি” গঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার বিকালে গোদাগাড়ীর বাজারে অনুষ্ঠিত সভায় সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন গোদাগাড়ী পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, রাজশাহী জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ রবিউল আলম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন গোদাগাড়ী আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, বিআরডিপির চেয়ারম্যান এম.এ শাহীন।
    নির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পূনাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন। দোকান ও বাজার মালিকদের সুবিধা, সমস্যার বিভিন্ন দিক নিয়ে সহযৌগিতা করবেন বলে জানা গেছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • জনতার মনে জায়গা করে নিয়েছেন ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    জনতার মনে জায়গা করে নিয়েছেন ময়মনসিংহের কোতোয়ালী থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার একজন পরিশ্রমী,মেধাবী ও জনবান্ধব অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ। থানায় যোগদানের পর থেকেই জনতার কাতারে গিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন একজন মানবিক পুলিশ অফিসার হিসেবে। তার নৈতিকতা ও সত্যতার সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করে চলেছেন থানার অন্যান্য অফিসার ওপুলিশ সদস্যরা। অফিসার ইনর্চাজ ওসি শাহ কামাল আকন্দ কোতোয়ালি মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে পুলিশ সদস্যদের সাথে বন্ধুত্বের মত মনোভাব পকাশ করে তিনি রাতদিন নিরলস ভাবে উপজেলার অসহায় সাধারণ জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। থানা এলাকার চুরি, ডাকাতি,ছিনতাই,সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার,জুয়া,
    সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ ও মাদক নির্মূলে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে ইতিমধ্যে কয়েকবার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসাবে পুরস্কৃত হয়েছেন। তিনি নানা ধরনের প্রতিকূলতায় পরিবার এবং নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে কাজ করে চলেছেন অবিরাম। কখনো তিনি পিছপা হননি । তার ভালোবাসায় মুগ্ধ হন সর্বশ্রেণীর মানুষ।

    কোতোয়ালি থানায় সেবা নিতে আসা কয়েকজন সেবাগ্রহীতার সাথে কথা হলে তারা জানান, প্রত্যেকে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। তবে তাদের সমস্যা সমাধানে ওসির আন্তরিকতার কোন অংশে কমতি ছিল না। তারা জানায়-আমাদের দেখা পুলিশ অফিসারের মধ্যে সেরা এই ওসি। যদি বলি একজন মানবিক অফিসার, যদি বলি একজন নিষ্ঠাবান অফিসার, যদি বলি একজন অসাধারণ ভালো মানুষ, সব বিশেষণ উনার সঙ্গে মিশে আছে। জানতাম না এতো মানবিক অনুভূতির পুলিশও আছে। কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন ওয়াজেদ আলী জানান, উপজেলায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি করে মূল্যবান অলংকার অপরাধীরা বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানে বিক্রি করে অল্প দামে। অপরাধীরা যেন এই কাজটা না করতে পারে তাই স্যারের নির্দেশে বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানের মালিকদেরকে সচেতন করা হয়।মাদক নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা চেয়ে নগরীর ওষুধ ব্যাবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়মিত বৈঠক, যোগাযোগ ও মতবিনিময় করেন।

    তিনি আরও বলেন, কামাল স্যারের এমন অসংখ্য সৃজনশীল নির্দেশনা তৈরি করে অধীনস্থ অফিসারদের নিয়ে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে উপজেলাবাসীর কল্যাণে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া সুপার হিরো আমাদের অভিভাবক শাহ কামাল আকন্দ স্যার। স্যারের নির্দেশনা পালনে সব সময়ই প্রস্তুত।
    ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, আমি একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান, সমাজের গরীব অসহায় মানুষের সেবা দেওয়া আমাদের পরিবারের আদর্শ । মানুষের সেবা দেওয়ার লক্ষেই পুলিশ বাহীনীতে যোগদান করে আজ আমি ওসি হয়েছি। তাই গরীবের কষ্ট বুঝে আইনের সেবক হয়ে জনতার সারিতে থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবো, প্রতিটি মানুষ আমাকে খুব কাছ থেকে পাবে এবং তাদের সমস্যার কথা গুলি বলতে পারবে ঠিক তেমন ভাবে আমি কোতোয়ালীবাসীর জন্য কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।

    একজন সাধারণ মানুষ যখন আইনের সেবকদের কাছে ন্যায় বিচার পাবে ঠিক তখনি মানুষের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস জেগে উঠবে। আমি মনে করি সাধারণ মানুষ যখন আমাদের কাছে আসতে পারবে ঠিক তখনি তারা অন্ধকার জীবন থেকে আলোর পথে ফিরে আসবে, একজন পুলিশের কাছে সেটাও সম্ভব একজন অপরাধি কে ঘৃণার দৃষ্টিতে না দেখে আইনের মাধ্যমে তাকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে দেখে আলোর পথে নিয়ে আসা।
    এসময় তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ২০৪১ সালে আমরা যে উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি সে উন্নত বাংলাদেশের আমরাই হবো উন্নত পুলিশ।

    ওসি শাহ কামাল আকন্দ ইতিপূর্বে ময়মনসিংহের জেলা গোয়েন্দা শাখায় ওসি হিসাবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর আগেও যেখানে কাজ করেছেন সেই পূর্ববর্তী কর্মস্থলের লোকজন এখনো তাকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় দেখতে আসেন। ওসি শাহ কামাল আকন্দ মানবিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও পুলিশ এমন মানবিক আচরণ করবে সাধারণ মানুষের সাথে।

  • মাদক ও জুয়া,লুডুর বিরুদ্ধে তারাকান্দার ওসি আবুল খায়ের এর যুদ্ধ ঘোষনা

    মাদক ও জুয়া,লুডুর বিরুদ্ধে তারাকান্দার ওসি আবুল খায়ের এর যুদ্ধ ঘোষনা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    মাদক ও জুয়া,লুডুর বিরুদ্ধে যুন্ধ ঘোষনা করেছেন ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানার ওসি মোঃ আবুল খাঁয়ের সোহেল। থানা এলাকাকে অপরাধ মুক্ত করে সাধারণ মানুষের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আবুল খাঁয়ের সোহেল এর নেতৃত্বে মাদক ও জুয়া মুক্ত সুন্দর একটি উপজেলা গড়ে তুলতে টিম ওয়ার্ক করে থানা পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে বলেও সুত্র জানিয়েছে।

    ওসি মো. আবুল খাঁয়ের সোহেল কঠোর নজরদারীতে কমছে সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকান্ড। তিনি এই থানায় যোগদান করেই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। তিনি মাদক, ছিনতাই ও সন্ত্রাসীদের দিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। মাদক ব্যবসায়ী,জুয়াড়ী ও মাদক সেবনকারীদের এ থানায় আর ঠাঁই নেই। এ ধরনের অপরাধীদের রুখতে তিনি একাধিকবার সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছেন। প্রায় সকল ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিগণ বলছেন বর্তমান ওসি আবুল খাঁয়ের এই থানায় যোগদানের পর থানার সব দিক ঘুরে দাঁড়িয়েছে। থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মাঝে গতি ফিরিয়ে আনতে তিনি প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তার দায়িত্ব পালন করছেন সততা ও দক্ষতার সাথে।

    রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান বলেন, অতিতের যে কোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে থানা পুলিশের সদস্যরা মাদক, জুয়া নির্মূলসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে অনেক বেশী তৎপর ভাবে কাজ করছে। তিনি আরো বলেন, যে কোন সময়ে পুলিশের সহযোগিতা চাইলে আন্তরিকতার সাথে জনগণকে সহযোগিতা করছেন বর্তমান ওসি আবুল খাঁয়ের । তিনি পুলিশের কাজে জনগনকে আরও আন্তরিকতার সাথে সকলকে সহযোগিতা করার আহবান জানান ।

    থানায় সেবা নিতে আসা কয়েকজন সেবাগ্রহীতা বলেন, ওসি আবুল খাঁয়ের বর্তমান দায়িত্ব ও ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, মাদক ও জুয়া নির্মুলে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

    অফিসার ইনচার্জ মো.আবুল খাঁয়ের বলেন, আমার উপজেলায় মোট ১০টি ইউনিয়নে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে পুলিশ সদা তৎপর রয়েছে। তিনি আরো বলেন, মাদক ও জুয়া এবং লুডুর সঙ্গে জড়িত থাকলে কউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি আগামীর সুন্দর সমাজ গঠনে মাদক ও জুয়ামুক্ত তারাকান্দা উপজেলা গঠনে সকলকে আন্তরিক ভাবে সহযোগিতার আহবান জানান।

    অপরাধীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তারাকান্দা থানার ওসি মোঃ আবুল খায়ের সোহেল বলেন-সন্ধ্যার পরে চায়ের দোকানে হাটে বাজারে মোবাইলে লুডু অথবা ক্যারাম বোর্ডের মাধ্যমে জুয়া খেলা হলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বুধবার রাতে Oc Tarakanda Thana ফেইসবুক আইডি থেকে বিষয়টি উপজেলার সর্বস্তরপর জনগণকে অবগত করে এবিষয়ে তিনি সকলের কাছে সহযোগিতাও প্রত্যাশা করেন। এদিকে ওসির এমন সিদ্ধান্ত কে সাধুবাদ জানিয়েছেন তারাকান্দা উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।

  • তারাকান্দায় শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষায়  ইউএনও”র অভিযান

    তারাকান্দায় শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষায় ইউএনও”র অভিযান

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষায় অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মিজাবে রহমত। রহমত । বৃহস্পতিবার বিকালের দিকে তারাকান্দা শহরের শহীদ মিনারের পিছনের দিকে রাস্তা অবৈধভাবে দখল করে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করে পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি করা এবং শহীদ মিনারকে ময়লা আবর্জনায় নোংরা করে গণ উপদ্রব তৈরি করায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ জন ব্যবসায়ীকে ৫০০০০৳ (পঞ্চাশ হাজার টাকা) জরিমানা করা হয়।

    মোবাইল কোর্ট সূত্রে জানা গেছে, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে বৃহস্পতিবার আচমকা বাজার এলাকায় পুলিশ বাহিনী নিয়ে অভিযানে নামেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মিজাবে রহমত ।

    এ সময় তারাকান্দা শহরের শহীদ মিনারের পিছনের দিকে রাস্তায় বসে ব্যবসা করে পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি করে ব্যবসা পরিচালনা করায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৯১ ধারা মোতাবেক বাবুল আকন্দ কে ২০ হাজার, নজরুল ইসলাম কে ১৫ হাজার,ও রাজিমুল ইসলাম কে ১৫ হাজার টাকা সর্বমোট ৫০হাজার জরিমানা করা হয়।

    শহীদ মিনারের পিছনের দিকে রাস্তায় বসে ব্যবসা করে আসছে কিছু ফল ব্যবসায়ী। চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় পথচারীদের।ইতোপূর্বে বেশ কয়েকবার ব্যাবসায়ীদের কে সর্তক করার পাশাপাশি জায়গা নির্ধারণ করা ও জরিমানা করা হলেও তারা পুনরায় আবার ব্যবসা শুরু করে। এ নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় জনসাধারণসহ সাংবাদিকবৃন্দ বারবারই উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন এবং শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষা ও জনদুর্ভোগ লাঘবে আশু পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
    মূলতঃ শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষা ও জন দুর্ভোগ লাঘবে গত বৃহস্পতিবার এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
    এ সময় থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহের প্রশাসনকে দুর্ণিতিমুক্ত-স্বচ্ছ, জনবান্ধব করতে কাজ করছেন ডিসি এনামুল

    ময়মনসিংহের প্রশাসনকে দুর্ণিতিমুক্ত-স্বচ্ছ, জনবান্ধব করতে কাজ করছেন ডিসি এনামুল

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসনকে একটি দুর্ণীতিমুক্ত,স্বচ্ছ ও জনবান্ধব প্রশাসন হিসাবে গড়ার মাধ্যমে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসন কে একটি জনকল্যাণকর প্রশাসন হিসাবে জনগণকে উপহার দিতে কাজ করে যাচ্ছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক ।জেলায় যোগদানের পর থেকেই অবহেলিত ময়মনসিংহের উন্নয়নে নিরলস কাজ করাসহ দালাল, ঘুষ, দূর্নীতি, মাদকমুক্ত মডেল জেলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে চলেছেন তিনি। অসহায়, দারিদ্র, নিপিড়িত তথা সুবিধা বঞ্চিত লোকজন ময়মনসিংহে এনামুল হক এর যোগদানে তাদের আস্থার জায়গা খুঁজে পেয়েছেন।

    সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়, ডিসি এনামুল হক এ জেলায় যোগদানের দেড় বছরে দক্ষতা ও সততার মাধ্যমে সর্বস্তরে সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়েছেন। এলাকার যে কোন সমস্যা বা সম্ভাবনার তথ্য পাওয়ার সাথে সাথেই তিনি সেখানে ছুটে যান খোঁজ নিতে।

    বিসিএস ব্যাচ ২১ এ উত্তীর্ণ প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা ডিসি এনামুল হক এর আগে জামালপুর জেলার ডিসি হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করে গত ২০২১ সালের ৭মার্চ তারিখে ময়মনসিংহ জেলায় ডিসি হিসাবে যোগদান করেন।তিনি জামালপুর জেলায় থাকাকালীন যথাযথ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত জনপ্রশাসনকে জনকল্যাণে পৌছে দিতে কাজ করে সুনাম অর্জন করেছিলেন।

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে উদ্যেশ্য নিয়ে ময়মনসিংহ কে বিভাগ বাস্তবায়ন করেছেন সে লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন ডিসি এনামুল হক।

    ময়মনসিংহে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি নিজেকে মানবসেবায় সর্বদা নিয়োজিত রেখেছেন জেলা প্রশাসক এনামুল হক। জেলার যে কোনো সমস্যার সমাধানে বিদ্যুতের গতিতে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। প্রতিটি এলাকায় শুরু করেছেন উন্নয়নের ছোয়া ও দুস্থ অসহায়দের সহযোগিতা। অনিয়ম দেখলেই সেটাকে শক্ত হাতে দমন করছেন। নিরপেক্ষ জায়গা হিসাবে সকলে খুজে নিয়েছেন ডিসি এনামুল হককে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন জেলা গড়তে নিয়েছেন জরুরী পদক্ষেপ। জলাবদ্ধতা নিরসনে ও বিভিন্ন বাজারের পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় তিনি সরেজমিনে তদন্ত করে চেম্বার কমার্স ও ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ব্যবস্থা করেছেন। পরিবেশ সংরক্ষনের জন্যও সকলকে সচেতন করছেন। মাদক নির্মূলে মাদক বিরোধী অভিযান করার পাশাপাশি নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন। ডিজিটাল পদ্ধতিতে মনিটরিং জোরদার করতে সমগ্র সিসি টিভির আওতায় আনার চেষ্টাসহ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য ময়মনসিংহ বিভাগে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রশাসক হিসাবে মোহাম্মদ এনামুল হককে ভূমি অফিসার্স ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। ময়মনসিংহের ভূমি অফিসের বিভিন্ন সমস্যা ও জটিলতা শক্ত হাতে দমন করার পাশাপাশি শিক্ষা,স্বাস্থ্য- ভূমি অফিসের দূর্ণিতির বিরুদ্ধে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছেন ডিসি এনামুল হক । ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্তাবধানে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে সরকারি সস্পত্তি উদ্ধার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ময়মনসিংহের জনবান্ধব ডিসি এনামুল হক। তিনি যোগদানের পর সরকারের খাঁস জমি অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে দখলমুক্ত করে সরকারি জিম্মায় এনেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এসব জমি প্রভাবশালী ব্যক্তি ও ভূমিদস্যুদের ভোগ দখলে ছিলো। ডিসির নির্দেশে সার্টিফিকেট মামলার কেস নথিগুলো রেগুলার করা হয়েছে। ভিপি আদায় বৃদ্ধির জন্য অচল নথির পুরাতন ইজারাদারকে নোটিশ প্রদান করা হচ্ছে। বিভিন্ন আইনে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কারণে একদিকে স্বভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন সাধারন জনগন।অপরদিকে জরিমানা আদায়ের ফলে সরকারী কোষাগারে অর্থ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকারের বরাদ্দকৃত ঘর সহ বিভিন্ন কাজ সঠিক ভাবে মনিটরিং করায় কাজের মান নিয়ে জটিলতা দুর হয়েছে বলে জনসাধারন মনে করছেন। জেলা প্রশাসক এনামুল হক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক ময়মনসিংহ জেলাকে শতভাগ দুর্ণীতিমুক্ত করতে কাজ করে যাচ্ছি। ভূমি দস্যু,দূর্ণীতিবাজ,মাদক,সন্ত্রাস দালালদের কোন অবস্থাতেই ছাড় দেওয়া হবেনা। তিনি বলেন, সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করে একটি জনকল্যাণমুখী গতিশীল প্রশাসন গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি। সকলের সহযোগিতায় মময়মনসিংহ জেলা থেকে অনিয়ম, দূর্ণীতি,মাদকমুক্ত করে জেলাকে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের মডেল জেলায় রূপান্তিত করবো ইনশাল্লাহ।

    এদিকে গত ১৬ জুলাই ত্রিশাল পৌর শহরের খান ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে ট্রাকচাপায় ত্রিশালের রাইমনি গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (৪০), তার স্ত্রী রত্না আক্তার রহিমা (৩০) এবং মেয়ে সানজিদা খাতুন (৬) মারা যায়। এসময় জাহাঙ্গীরের স্ত্রী রত্নার পেট ফেটে বের হয়ে আলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া শিশুসহ অপর ভাই বোনের ভবিষ্যতের বিষয়টি চিন্তা করে ৫লক্ষ টাকা তাদের অভিভাবকের একাউন্টে জমা রেখেছেন জেলা প্রশাসক । এই বিষয়টি নিয়ে একটি মহল না বুঝে তাকে নিয়ে বিভ্রান্তি মূলক কথা প্রচার করায় তাদের এমন মানসিকতায় হতাশ হয়েছেন ময়মনসিংহের সর্বস্তরের মানুষ। তবে এই শিশুর টাকা কোথায় আছে, তা মানুষককে জানানোর জন্য ফেইসবুকে পোস্ট করার মাধ্যমে জেলা প্রশাসক এনামুল হক জানান- ট্রাস্টি বোর্ড, বিআরটিএ তহবিল হতে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত পিতা মাতার নবজাতক শিশুর অভিভাবককে ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রাপ্ত ০৫ (পাচ লক্ষ) টাকার ক্রস চেক সোনালী ব্যাংক, ত্রিশাল শাখায় “রত্না আক্তার রহিমার নবজাতক শিশু ও অপর দুই সন্তানের সহায়তা হিসাব”-এ জমা আছে। এই টাকার পাশাপাশি অন্যান্য ব্যাক্তিবর্গের প্রদত্ত টাকাও ঐ একাউন্টে জমা হচ্ছে। একাউন্ট নম্বর ৩৩২৪১০১০২৮৭২৮, সোনালী ব্যাংক, ত্রিশাল শাখা। এই একাউন্ট পরিচালনা করছেন শিশুর অভিভাবক দাদা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ত্রিশাল। এখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই। যৌক্তিক প্রয়োজনে শিশু ও তার পরিবারের কল্যানের জন্য এই একাউন্ট হতে খরচ করা হবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক এনামুল হক।

  • গৌরনদীতে আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র পিতা মাতা সহ সকলের জন্য দোয়ার আয়োজন

    গৌরনদীতে আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র পিতা মাতা সহ সকলের জন্য দোয়ার আয়োজন

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    শুক্রবার বরিশালের গৌরনদী উপজেলার লাখেরাস কসবা হযরত মল্লিক দুধকুমার পীর সাহেব এর মাজার জিয়ারত ও মাজার জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন এবং পিতা মাতা সহ সকলের জন্য দোয়ার আয়োজন করেন পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি।
    মাজার জিয়ারত জুমার নামাজ আদায় মিলাদ ও দোয়ায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ তালুকদার মোঃ ইউনুস, গৌরনদী পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ হারিছুর রহমান হারিছ,
    গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন,
    উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এইচ এম জয়নাল আবেদীন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি আবু সাঈদ নান্টু, পৌর যুবলীগ সাধারন সম্পাদক ও কমিশনার মোঃ আল-আমীন হাওলাদার, সাংবাদিক মোঃ মিজানুর রহমান, আগৈলঝাড়া উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক বি এম মনির হোসেন, সাংবাদিক মোঃ বেলাল হোসেনসহ এলাকার অনেকে। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মোঃ শরফুদ্দিন আলিমাবাদী ইমাম ও খতিব লাখেরাজ কসবা মাজার মসজিদ।

  • মাওলাদ হোসেন সানার দক্ষতায় বানারীপাড়া আ.লীগের সন্মেলন ঘিরে সাজসাজ রব

    মাওলাদ হোসেন সানার দক্ষতায় বানারীপাড়া আ.লীগের সন্মেলন ঘিরে সাজসাজ রব

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:
    বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সন্মেলন ঘিরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাওলাদ হোসেন সানার দক্ষতায় জমে উঠেছে বানারিপাড়া উপজেলা। সন্মেলন কেন্দ্র করে আওয়ামী পরিবারে যেন উৎসবের আমেজ লেগেছে। বানারীপাড়া ব্যাতীত বরিশাল সংযোগ সড়কে সাজসাজ রব বিরাজ করছে। বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ জুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মান করা হয়েছে। যেখানে সকল কাউন্সিলর ডেলিগেটদের বসার পরেও অতিথি ও সুধিজনের বসার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ যাবৎ পর্যন্ত প্রায় ২৮ টি দৃষ্টি নন্দন তোরন নির্মান করা হয়েছে । সম্মেলনের তারিখ ঘোষনার পর থেকে উপজেলা কার্যালয় সার্বক্ষনিক কর্মীদের পদচারনায় মুখরিত থাকে। বিভিন্ন ইউনিয়নে সভা করে নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত করা হয়েছে। কাউন্সিলর ডেলিগেটদের জন্য আলাদা আলাদা কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন দক্ষিন বঙ্গের রাজনৈতিক অভিভাবক, মন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি। বিশেষ অতিথি প্রেসিডিয়াম সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বরিশাল -২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহে আলম, সাবেক সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অ্যডভোকেট বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার মো. ইউনুচ কেন্দ্রীয় কমিটির বেশ কয়েকজন সম্মানীত সদস্য উপস্থিত থাকবেন। সভাপতিত্ব করবেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা। সঞ্চালনা করবেন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা। সম্মেলনের প্রস্তুতির বিষয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা বলেন, সম্মেলনের জন্য সকল ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। ইনশাল্লাহ একটি সুন্দর ও সফল সম্মেলন উপহার দিতে পারব। সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা বলেন বানারীপাড়া আওয়ামীলীগে কোন গ্রুপিং বা দলীয় কোন্দল নেই। সকলেই আমরা এক পতাকা তলে সমবেত রয়েছি। কমিটি গঠনের বিষয়ে বলেন, আমাদের দক্ষিনাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহর প্রতি বানারীপাড়া আওয়ামীলীগ সম্পূর্ন আস্থাশীল। তিনি যে ভাবে নির্দেশনা দিবেন সেভাবেই কমিটি গঠিত হবে।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে নির্যাতনের পর হত্যা

    লক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর স্ত্রীকে নির্যাতনের পর হত্যা

    নাজিম উদ্দিন রানাঃলক্ষ্মীপুরে প্রবাসীর স্ত্রী কুসুম আক্তারকে (২৭) নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার শ্বশুর খোকন ও শাশুড়ি ছলমা বেগমের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শ্বশুর-শাশুড়ি পলাতক রয়েছে।

    খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) রাত ৮টায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে।

    নিহত কুসুম লক্ষ্মীপুর পৌরসভার (১২নং ওয়ার্ড) আবিরনগর এলাকার গনু মিয়ার সর্দার বাড়ীর (সৌদী প্রবাসী) ইয়াছিনের স্ত্রী ও পাশ্ববর্তী নূড়িগাছ তলা এলাকার দিনমজুর আনোয়ারুল হকের মেয়ে,নিহত কুসুম দুই কন্যা সন্তানের জননী।

    নিহতদের স্বজনরা জানান, ১১ বছর পূর্বে ইয়াছিনের সঙ্গে কুসুমের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। বিয়ের পর থেকে কারণে-অকারণে নির্যাতনের শিকার হতো কুসুম। এনিয়ে এলাকায় পারিবারিক ভাবে একাধিকবার বৈঠক হয়েছে। তবুও থেমেনি শ্বশুর বাড়ির লোকজনের নির্যাতন। সর্বশেষ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে বিকেল ৩টার দিকে শাশুড়ি সালমার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান কুসুম। একপর্যায়ে বৌ-শাশুড়ি মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। তখন (গৃহবধূ) কুসুমের ছোট বোন স্বপনা দুইজনকে থামাতে আসলে, কুসুমের শাশুড়ি স্বপনাকে লাথি ও মারধর করে। একসময় স্বপনা কান্নাকাটি করে বোনের বাড়ি থেকে চলে যায় নিজ বাড়িতে। যাওয়ার সময় স্বপনা তার বোনের ৭ বছর মেয়ে সাদিয়া আক্তার জান্নাতকে সঙ্গে করে নিয়ে যান। পরে বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে খবর পান কুসুম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মাহত্যা করছে।

    লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোসলেহ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে গৃহবধূ লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।