Blog

  • দাপুনিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির কমিটির অনুমোদন, সুরুজ আহবায়ক-আবুল হোসেন সদস্য সচিব

    দাপুনিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির কমিটির অনুমোদন, সুরুজ আহবায়ক-আবুল হোসেন সদস্য সচিব

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা পল্লীমাতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির নির্দেশনা মোতাবেক জাতীয় পার্টির সদর উপজেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম কে আরো তরান্বিত করার মাধ্যমে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষে দলকে শক্তিশালী সংগঠনের পরিণত করার লক্ষে জাতীয় পার্টি ময়মনসিংহের সদর উপজেলার দাপুনিয়া ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় পার্টি ময়মনসিংহ সদর উপজেলা কমিটি। অনুমোদিত কমিটি ৩রা নভেম্বর দুপুরে জাতীয় সংসদের বিরোদী দলীয় নেতা,ময়মনসিংহের মহিয়সী নারী বেগম রওশন এরশাদ এমপির বাসভবনে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভায় নেতৃবৃন্দের হাতে হস্তান্তর করেন জাতীয় পার্টি সদর উপজেলা আহবায়ক কমিটির আহবায়ক ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার ও সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন। জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত আস্থাভাজন ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির আহবায়ক ডাঃ কে আর ইসলাম ও সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক সদর উপজেলা আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক বৃন্দের সুপারিশ ও সর্বসম্মতিক্রমে সিরাজুল ইসলাম সুরুজ কে আহবায়ক ও আবুল হোসেনকে কে সদস্য সচিব করে ৫১ বিশিষ্ট জাতীয় পার্টির দাপুনিয়া ইউনিয়ন কমিটির অনুমোদন দেন সদর উপজেলা কমিটির আহবায়ক আবু হানিফ সরকার ও সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন। কমিটিতে যুগ্ম আহবায়ক পদে যথাক্রমে শহিদুল ইসলাম মাষ্টার,রফিকুল ইসলাম মিশু,জামান মিয়া,আব্দুল মোমেন,কাজল মিয়া,বাক্কা মিয়া,সোলাইমান আকন্দ কবির,নিলু মাষ্টার কে নিযুক্ত করা হয়েছে।

    এসময় ময়মনসিংহ সদর উপজেলার জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন সহ সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সকল যুগ্ম আহবায়ক গণ উপস্থিত ছিলেন ।

    এসময় বক্তব্যে – ময়মনসিংহ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা, ময়মনসিংহের মানবিক নেত্রী,উন্নয়নের রুপকার মহিয়সী নারী বেগম রওশন এরশাদের সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতায় কামনায় দোয়া চেয়ে জাতীয় পার্টিকে ময়মনসিংহ জেলায় একটি শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত করার মধ্য দিয়ে আগামী নির্বাচনে ময়মনসিংহ জাতীয় পার্টি তথা লাঙ্গল প্রতীকের বিজয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ
    পরে তিনি দাপুনিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে অনুমোদিত কমিটি হস্তান্তর করেন।

  • গৌরীপুরে পপি-সোমনাথ এর নেতৃত্বে জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করলেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ

    গৌরীপুরে পপি-সোমনাথ এর নেতৃত্বে জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করলেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের গৌরীপুরে জেল হত্যা দিবসে জাতীয় চার নেতাকে শোক আর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

    দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে সকালে
    দলীয় অফিসে কোরআন খানি মিলাদ, বিশেষ দোয়া, শোক র‌্যালি ও আলোচনা সভাসহ নানা আয়োজন করেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

    দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় থেকে শোক র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হয়। পরে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিলুফার আনজুম পপির সভাপতিত্বে জাতীয় চার নেতার স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ শাহা এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন
    গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারন সম্পাদকবৃন্দ এবং অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

    আলোচনা সভা শেষে ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুসহ নিহত সকলের প্রতি, স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহতদের প্রতি ও ৩ নভেম্বর জেলখানায় নিহত হওয়া সকল শহীদদের আত্নার শান্তি কামনায় দোয়া পড়ানো হয়।

    এসময় বক্তারা জাতীয় চার নেতার আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের এ দেশের মানুষ সারা জীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। যে অপশক্তি জাতির পিতা ও তার পরিবার, জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সেই শক্তি এখনো ওৎ পেতে আছে। তারা বারে বারে দেশের শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিনষ্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তাদের বিষয়ে সজাগ থাকতে সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।

  • ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা ইতিহাসে চিরদিন লেখা থাকবে- এইচ এম ফারুক

    ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা ইতিহাসে চিরদিন লেখা থাকবে- এইচ এম ফারুক

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশে ইসলামের প্রকৃত পরিচর্যাকারী ছিলেন বলে মন্তব্য করে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী যুব লীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু উদার চেতনার অধিকারী একজন খাঁটি ঈমানদার মুসলমান ছিলেন।
    তিনি বলেন- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখনও ইসলামকে রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার করেননি। বাংলাদেশকে সব ধর্মের মানুষের জন্য শান্তির দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি সচেষ্ট ছিলেন।

    বুধবার (২রা নভেম্বর) ময়মনসিংহ সদর উপজেলা চর ঈশ্বরদিয়ার চর বড়বিলা দারুস সুন্নাহ হাফিজিয়া ও মহিলা মাদ্রাসার উদ্যোগে দিস্তারবন্দী উপলক্ষে স্থানীয় এলাকাবাসী ও যুবসমাজের সার্বিক সহযোগীতায়
    ৬ষ্ঠ বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ এর অনুপস্থিতিতে তার পক্ষে বক্তব্যে এসব এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নে যেমন নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তেমনি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ইসলামের প্রচার ও প্রসারেও নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্থপতি ছিলেন, তেমনি বাংলাদেশে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ইসলামের প্রচার-প্রসারের স্থপতিও তিনি।

    যুবলীগ নেতা বলেন, পাকিস্তান আমলে হজযাত্রীদের জন্য কোনো সরকারি অনুদানের ব্যবস্থা ছিল না। বঙ্গবন্ধুই স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে প্রথম হজযাত্রীদের জন্য সরকারি তহবিল থেকে অনুদানের ব্যবস্থা করেন এবং হজ ভ্রমণ কর বাতিল করেন। ফলে হজ পালনকারীদের আর্থিক সাশ্রয় হয়। এইচএম ফারুক বলেন, মানুষকে এ অশান্তি থেকে মুক্তি দিতে পারে ইসলাম। তাই আল কুরআনের আলো প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান। তাদেরকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে ভুমিকা রাখার অনুরোধ করে তিনি আরো বলেন, ইসলামের প্রচার ও প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা ইতিহাসে চিরদিন লেখা থাকবে। বঙ্গবন্ধুর সাড়ে ৩ বছর এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ইসলামের খেদমতে যে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে পৃথিবীতে তার দৃষ্টান্ত বিরল।

    বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথ অনুসরণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ মুজিবুর রহমান ইসলাম ধর্মের প্রসারে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন উল্লেখ করে এইচ এম ফারুক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় কর্মকাণ্ডকে যথাযোগ্য মর্যাদায় আসীন করেছেন। ইসলাম ধর্মের প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য মুসলিম সম্প্রদায়কে উৎসাহী করার কৃতিত্ব সম্পূর্ণ তার।

    তিনি বলেন, ইসলামের প্রচার-প্রসারে বঙ্গবন্ধুর অবদান এবং তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের অবদান অনেক। এ সরকার মসজিদ মন্দিরের যে উন্নয়ন করেছে তা কল্পনাতীত। ১০ হাজার কেটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি নজিরবিহীন।

    তিনি বলেন, করোনাকালীন মসজিদের ঈমাম ও মোয়াজ্জিনদের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। কওমি মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এখন সরকারি অর্থে পরিচালিত অন্যতম একটি বৃহৎ সংস্থা হিসেবে বিশ্বনন্দিত। তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে আরও ত্বরান্বিত করতে আগামী নির্বাচনে আবারও সকলকে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান এবং তার বড় ভাই স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ স্বাচিপ এর মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ এর জন্য সকলের দোয়া প্রত্যাশা করেন।

    এসময় ময়মনসিংহ খাগডহর জামিয়া আশরাফিয়া প্রিন্সিপাল ও শায়খুল হাদিস আল্লামা তাজুল ইসলাম কাসেমী,ভালুকা তালাব কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি শফিক বিন নূরী,ময়মনসিংহ ক্বওমী মহিলা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুঞ্জুরুল ইসলাম জামালী,৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বেপারী, মুফতি জহিরুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা মাসুম বিল্লাহ সোহাগসহ স্থানীয় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • মোংলায় পূজা-অর্চনা ও পদাবলী কীর্তনের মধ্যদিয়ে শ্যামা পূজা উদযাপন

    মোংলায় পূজা-অর্চনা ও পদাবলী কীর্তনের মধ্যদিয়ে শ্যামা পূজা উদযাপন

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা:
    মোংলায় নানা আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে উদযাপিত হচ্ছে শ্যামা পূজা। উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদপাই সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে মঙ্গলবার শুরু হয় শ্যামা পূজার পূজা-অর্চনা। মন্দির কমিটি ও গ্রামবাসীর আয়োজনে এ পূজা উদযাপন হচ্ছে। পূজার অর্থ ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা করেন প্রবাসী দীপু মৃধা। দক্ষিণ চাঁদপাই গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী দীপু মৃধার উদ্যোগে এবারই প্রথম দক্ষিণ চাঁদপাই সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে শ্যামা পূজা উদযাপিত হচ্ছে। আগামীতেও প্রতি বছর এ শ্যামা পূজা করার কথা জানিয়েছেন পূজার ব্যবস্থাপক দীপু মৃধা ও পূজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা শ্রীমতি সুসমা মৃধা। দক্ষিণ চাঁদপাই সার্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শংকর মন্ডল বলেন, গত ২৪ অক্টোবর অমাবশ্যার তিথিতে শ্যামা পূজার দিন ছিলো। কিন্তু ওই সময়ে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কারণে তখন করা সম্ভব হয়নি। তাই মঙ্গলবার থেকে শ্যামা পূজা উদযাপন করা হচ্ছে। শ্যামা পূজার পাশাপাশি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পরিবেশিত হচ্ছে পদাবলী কীর্তন। এতে খুলনার তেরখাদার রাম কৃঞ্চ সম্প্রদায় পরিবেশন করছেন নিমাই সন্নাসী পালা আর বাগেরহাটের কচুয়ার অশোক মিত্র সম্প্রদায় পরিবেশন করছে ভক্ত নরোত্তম পালা। পূজা ও কীর্তন উপভোগে দিন গড়িয়ে গভীর রাত পর্যন্ত মন্দির চত্বরে সহস্রাধিক নারী-পুরুষ ভক্তের সমাগম ঘটে। পূজা ও কীর্তন পালা শেষে শুক্রবার দিনের জোয়ারে শ্যামা পূজার প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হবে বলে জানান মন্দির কমিটির নেতা শংকর মন্তল। এদিকে এ পূজাকে ঘিরে সেখানে বসেছে মেলার আদলে বিভিন্ন দোকানপাটও।

  • বঙ্গবন্ধুর ছবি বাদ দিয়ে দুই ভাইয়ের ছবি দিয়ে সরকারী টাকায় ম্যুরাল নির্মাণ করায় সমালোচনার মুখে এমপি রতন

    বঙ্গবন্ধুর ছবি বাদ দিয়ে দুই ভাইয়ের ছবি দিয়ে সরকারী টাকায় ম্যুরাল নির্মাণ করায় সমালোচনার মুখে এমপি রতন

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

    সুনামগঞ্জের নবগঠিত মধ্যনগর উপজেলা চত্বরে এডিবি’র বরাদ্দ থেকে কোন প্রকার টেন্ডার ছাড়াই কোটেশনের মাধ্যমে ১০ লাখ টাকা ব্যায় দেখিয়ে মাত্র ৩লাখ টাকায় জাতির জনকের ছবি বাদ দিয়ে স্থানীয় এমপি রতন ও তার ভাই ধর্মপাশা উপজেলা চেয়ারম্যান রুকনের ছবি ব্যবহার করায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে।

    মঙ্গলবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাতির জনকের ছবি বাদ দিয়ে সরকারী টাকায় এমপি রতন ও তার ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান রুকন এর ছবি ছড়িয়ে পড়লে নিন্দার ঝড় উঠে। নানান অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত সুনামগঞ্জ-১ আসনের বির্তকিত এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন আবারও আলোচনার শীর্ষে জেলা জুড়ে। সরকারী টাকায় নির্মিত মুর‌্যালে জাতির জনকের ছবি বাদ দিয়ে রতন-রুকনের ছবি সংযুক্ত করায় জাতির জনককে চরম অপমানকারী এমপি ও তার ভাইয়ের দৃষ্টান্তুমুলক শাস্তির দাবি জানিয়ে মধ্যনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্য্য নির্বাহী কমিটির সদস্য সাজেদা আহমেদ স্মারক লিপি দাখিল করেছেন। সাজেদা আহমেদ জানান, বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যাল স্থাপন না করেই এই ত্রয়ী মুর‌্যালটি স্থাপনের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গুরুত্বহীন করার অপচেস্টাকারীদের আইনানুগ শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। সেই সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুর‌্যালকেও বিকৃত করে রতন-রুকন ভ্রাতৃযুগলের প্রতিকৃতি সম্বলিত ত্রয়ী মুর‌্যাল নির্মান করেও প্রধানমন্ত্রীকে হেয় প্রতিপন্ন করার দৃষ্টতা প্রদর্শনকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানাচ্ছি। এ নিয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে চরম উত্তেজনা ও নিন্দার ঝড় বইছে।

    মধ্যনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পরিতোষ জানান, জাতির জনকের ছবি বাদ দিয়ে স্থানীয় এমপি ও তার ভাই অন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রুকনের ছবি ব্যবহারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছি । সেই সাথে বঙ্গবন্ধুকে তিরস্কারকারী এমপি রতন ও তার ভাই রুকনের ছবি সরানোসহ তাদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করছি।

    এ ব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনতাসির হাসান জানান, ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে এডিপি’র বরাদ্দ থেকে মধ্যনগর উপজেলা চত্বরে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত মুর‌্যাল তৈরীর নির্দেশনা ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত মুর‌্যালের ছবি পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। অন্য কাহারো ছবি ব্যবহার করা হলে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে।

    সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো: জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, দুই ভাইয়ের ছবি স্থাপনে কোন পারমিশন নেয়া হয়নি। বঙ্গবন্ধুর সাথে কোন তুলনা হয় না। বঙ্গবন্ধুর মুর‌্যালের সাথে অন্য কাহারো ছবি দেয়া যাবে না। এ বিষয়টি আমার জানা নাই। এখন জানলাম। আমি খোঁজ খবর নিব।

    এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন এর বক্তব্য জানতে চাইলে তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন ০১৭১৫০২০৮৩৩ এর বার বার কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

    ##

  • ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার  অপরাধীদের  আতঙ্কের নাম তদন্ত ওসি ফারুক হোসেন

    ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার অপরাধীদের আতঙ্কের নাম তদন্ত ওসি ফারুক হোসেন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ /

    ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার মাদকসেবী, ছিনতাইকারী সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু ও জুয়ারী,বখাটে এবং কিশোর গ্যাং এর নিকট মূর্তিমান আতঙ্কের হয়ে উঠেছেন থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত (ওসি তদন্ত) ফারুক হোসেন । তিনি কোতোয়ালি মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক একের পর এক চিহ্নিত মাদকসেবী ও তালিকা ভুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতারে এবং স্বচ্ছতা সহিত তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে মিথ্যা ও হয়রানি মোলক মামলা থেকে নিরীহ মানুষদের রক্ষা করে দেখিয়েছেন সাফল্য। আর যার কারণে কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সর্বদাই স্বাভাবিক রয়েছে।

    পুলিশ জনতা জনতাই পুলিশ এই প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নে জনগণের বন্ধু হয়ে স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত পুলিশি সেবাকে জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে কাজ করছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ফারুক হোসেন।

    খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানা এলাকায় কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার ২৪ঘন্টার মধ্যেই সকল আসামিসহ অপরাধের সাথে সংশ্লিষ্ট আলামত উদ্ধারের অনেকগুলো ঘটনা রয়েছে। সম্প্রতি কালে
    ময়মনসিংহে চাঞ্চল্যকর মেঘনা গ্রুপের ডিপোতে ডাকাতির ঘটনায় তার নিখুত তদন্তে ৮ ডাকাত গ্রেফতার এবং একই সাথে ৪ হাজার লিটার সয়াবিন তৈল উদ্ধার করে ব্যাপক আলোচনার স্থান দখল করে নিয়েছেন পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ফারুক হোসেন।
    এছাড়াও আরো অসংখ্য ডাকাতি মামলার আসামী গ্রেফতার ও মালামাল উদ্ধার করে তিনি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। করোনা কালীন মহামারি সময়ে সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত ও সঠিক স্বাস্থ্যবিধি মানাতে উৎসাহিতকরা এবং লক ডাউনে অসহায় মানুষদের জন্য খাদ্য সহায়তার ব্যবস্থা করা সহ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত রোগীর দাফন করা থেকে শুরু করে মানবিক সকল কাজ নিরলস ভাবে পালন করেছেন তিনি।

    উল্লেখ্য, কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি তদন্ত ফারুক হোসেন গত ২০২০সালের ৭নভেম্বর তারিখে যোগদান করেন। এর আগে তিনি কোতোয়ালী মডেল থানা এলাকার ১নং ফাড়ির ইনচার্জ হিসাবে অত্যন্ত নিষ্ঠা এবং সুনামের সাথে তার ওপর অর্পিত দায়িত্বভার পালন করেছেন। যে কারণে কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকার মানুষের কাছে তিনি সৎ সাহসী ও দক্ষ অফিসার হিসাবে পরিচিত। থানায় তদন্ত অফিসার হিসাবে যোগদানের পর তিনি অনেক সময় তো অপরাধীরা অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতির পূর্ব মূহুর্তেই হাতে নাতে আটক করেছেন দূরদর্শিতায়। গত ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদ,সিটি কর্পোরেশন সহ বিভিন্ন নির্বাচনেও আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রেখে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পেছনে ছিল তার ব্যাপক পরিশ্রম। এর আগে কখনো কেউ নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন চুরি হলে বা হারিয়ে গেলে আবার তা ফিরে পাবেন এমনটা আশা একদমই করতেন না। থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক ওসি তদন্ত ফারুক হোসেন বিপরীত ধর্মী সফলতা দেখিয়েছেন এই হারানো বা চুরি হয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারে।

    কোতোয়ালি মডেল থানার থানার অফিসার ইনচার্জ এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক তদন্ত ওসি ফারুক হোসেন তার প্রচেষ্টায় বিগত দিনের কার্যক্রমে থানা পুলিশ বিপুল সংখ্যক মাদক উদ্ধার ও সাজা প্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় এনে মাদক নির্মুলে ভূমিকা রেখেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ । এছাড়াও তিনি যোগদানের পর থেকে যে কোন মামলা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে রুজু হওয়ার কারণে থানা এলাকাতে দালাল-বাটপারদের মাথায় হাত পড়েছে। ফলে পুলিশের প্রতি বিরূপ ধারণা থেকে বেড়িয়ে এখন সাধারণ মানুষ তাদের সকল সমস্যায় নির্ভয়ে থানায় আসেন এবং ওসি তদন্ত ফারুক হোসেন এর সাথে সরাসরি কথা বলেন।

    পুলিশ জনগণের বন্ধু তার প্রমাণ করে দিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় উপজেলাবাসীর কাছে আলোচনার স্থান দখল করে নিয়েছেন তিনি।
    ওসি তদন্ত ফারুক হোসেন এই প্রতিনিধির সাথে একান্ত আলাপচারিতায় বলেন, সন্ত্রাসী, ভুমিদস্যু, ইভটিজার এরা সমাজের শত্রু। অপরাধীদের প্রতি কোনো প্রকার নমনিয়তা আমার নেই। তারা যত শক্তিশালীই হোক না কেন আইনের আওতায় এনে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবেই। পুলিশ হচ্ছে জনগণের সেবক। আমাদের কাজ নিরলস ভাবে জনগণের সেবা প্রদান করা। সাধারণ মানুষের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ এখন আগের চাইতে অনেক বেশি দক্ষতা এবং দ্রুততার সাথে কাজ করছে।

    তিনি আরও বলেন, জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা এর নির্দেশনা মোতাবেক থানার ওসি স্যারের নেতৃত্বে থানা এলাকাকে অপরাধ ও মাদকমুক্ত রাখতে সকলের সম্মিলিত চেষ্টা থাকতে হবে। কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুন্দর রাখতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সমাজকর্মী এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন ওসি তদন্ত ফারুক হোসেন ।

  • হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সাম্প্রতিক সময়ে চোখ ওঠা বিষয়ক সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সাম্প্রতিক সময়ে চোখ ওঠা বিষয়ক সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

    রংপুর থেকে বিভাগীয় প্রধান আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন। —

    হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সাম্প্রতিক সময়ে চোখ ওঠাঃ চিকিৎসা, প্রতিকার ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।
    হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুরের আয়োজনে আজ ২ নভেম্বর বুধবার বিকেলে হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার মিলনায়তনে হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সিইও মোঃ আনোয়ার হোসেনের পরিচালনায সায়েন্টিফিক সেমিনারের উদ্বোধন করেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সাধারণ সম্পাদক ডাঃ শাহ মোহাম্মদ সরোয়ার জাহান ,মূখ্য আলোচক ছিলেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ এস এম মোছাদ্দেকা ইসলাম রুপসা ।বক্তব্য রাখেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোস্তফা আলম বনি, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ প্রবাল সূত্রধর, কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ সুশান্ত কুমার বর্মন, হাইপারটেনশন এ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার রংপুর এর সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ কাওসার আহমেদ ।
    উক্ত সায়েন্টিফিক সেমিনারে শতাধিক অংশগ্রহনকারী অংশ নেন।

  • লালমনিরহাটে শ্রেষ্ঠ ওসি এরশাদুল আলম

    লালমনিরহাটে শ্রেষ্ঠ ওসি এরশাদুল আলম

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটের সদর থানার (ওসি) এরশাদুল আলম,সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রি. মাসের আইন শৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনায় জেলার শ্রেঠ ওসি নির্বাচিত হন।

    গত (৩০ অক্টোবর) ২০২২ইং সকাল ১১.০০ ঘটিকায় লালমনিরহাট জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মহোদয়ের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ ) জনাব মো. রবিউল ইসলাম মহোদয়ের সঞ্চালনায় পুলিশ সুপারের কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে,সেপ্টেম্বর ২০২২ খ্রি. মাসের আইন শৃঙ্খলা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    পুলিশের একজন নিষ্ঠানবান কর্মঠো ও দ্বায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে লালমনিরহাট জেলার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার পর,মো.এরশাদুল আলম, আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, মাদকদ্রব্য উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদেরকে নিরুৎসাহীত করা সহ সামাজিক সব ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রণ করার সুচিন্তিত কর্ম পরিকল্পনা করেন।এরই ধরাবহিকতায় (ওসি)এরশাদুল আলম, গত সেপ্টেম্বর ২০২২ইং এক মাসে সদর থানার ব্যাপক মাদক উদ্ধার সহ, আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং এছাড়া গ্রেফতারী পরোয়ানার আসামীকে আটক, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার, জরুরী সেবা ৯৯৯ এর সংবাদের ভিত্তিতে ভিকটিম উদ্ধার করে, এরই মধ্যে লালমনিরহাট জেলার চৌকস পুলিশ আফিসার হিসেবে, পুলিশ প্রশাসনে সমাদৃত হন।

    উল্লিখিত এক মাসে লালমনিরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে মাসিক সভায় তিনি ভালো কাজের জন্য ও সাহসিকতার সাথে বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য লালমনিরহাট জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে নির্বাচিত করেন এবং জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির সন্মাননা সনদ প্রদান করেন লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মহোদয়। ওসি এরশাদুল আলম, এর বিভিন্ন কর্মকান্ড যেমন বিট পুলিশিং,কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে জনসচেতনা বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ রোধ,চুরি, ছিনতাই,গুজবরটানো,জঙ্গী দমন,জমিজমার নিস্পত্তি, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ,আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি সাধনে ব্যাপক সাড়া জাগিয়ে জনসাধারণের কাছে বন্ধু হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন।

    ওসি এরশাদুল আলম, বলেন, আমরা পুলিশ জনগনকে সাথে নিয়ে শ্রেনী ভেদে সবার সহযোগিতায় সফলতা অর্জন করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।আমি আমার এ সফল্যের জন্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মহোদয় এর কাছে কৃতজ্ঞ। আমাকে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত করায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট হতে পুরস্কার প্রাপ্তি সময় আনন্দের, সেই সাথে দায়িত্ব বোধ ও কাজের স্পৃহা অনেক গুন বেড়ে যায়।সিনিয়র স্যারদের এমন অনুপ্রেরণা মুলক কার্যক্রম সবসময় কাজে প্রেরণা জোগায়। আমাকে সবসময় সার্বিক দিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

    আরো জানা গেছে ওসি এরশাদুল আলম, পুলিশ হিসেবে যোগদানের পর তিনি এ দীর্ঘ সময়ে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পদে সু নামের সাথে কাজ করে প্রশংসা অর্জন করেন।তিনি একজন ক্রীড়াবিদ ও বটে। ক্রীড়ার ক্ষেত্রে ও বিভিন্ন সময় পুরস্কার লাভকরেন।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • ময়মনসিংহে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল সহ গ্রেফতার-৬

    ময়মনসিংহে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে চোরাই মোটরসাইকেল সহ গ্রেফতার-৬

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ ॥ ময়মনসিংহে আন্তঃজেলা মোটরাইকেল চোর চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি চোরাই মোটর সাইকেল ও মোটর সাইকেলের লক ভাংগার ৪টি মাস্টার চাবি উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সফল অভিযানে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর দিঘারকান্দা এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

    জেলা গোয়েন্দা ডিবির ওসি সফিকুল ইসলাম জানান, আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্যরা ময়মনসিংহ বিভাগীয় নগরীর দিঘারকান্দা এলাকায় চোরাই মোটর সাইকেল ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য অবস্থান করছে এমন খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ডিবির এসআই রেজাউল আমীন বর্ষনকে অভিযান পরিচালনায় নির্দেশ দেয়া হলে ঐ কর্মকর্তা সংগীয় অফিসার ফোর্সসহ অভিযান চালায়। অভিযানে দিঘারকান্দা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশ থেকে ২টি চোরাই মোটরাসাইকেল ও মোটরসাইকেলের লক ভাংগার ৪টি মাস্টার চাবিসহ আন্তঃজেলার মোটর সাইকেল চোর চক্রের ৬ জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলো, টাঙ্গাইলের মধুপুরের মাকসুদ হোসেন মানিক ওরফে মাহবুব মানিক, পঞ্চগড়ের বোদা থানার নুর ইসলাম, চাদপুরের মতলব থানার সোহেল মিয়াজী, চাদপুরের দক্ষিণ মতলব থানার রনি মিজি ও কামরুজ্জামান সিটু এবং চাদপুরের মতলব উত্তর থানার সোহান প্রধান। তাদেও বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি সফিকুল ইসলাম জানান- গ্রেফতারকৃত চোরদেরকে আরো জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ বুধবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান- মোটরসাইকেল চোরচক্রের পলাতক সদস্য ও আরো চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়ে তিনি অভিযানকে সফল করতে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করতে সর্বস্তরের জনতার প্রতি আহবান জানান।

  • ধামইরহাটে শান্তিপূর্ণভাবে ইউপি উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত: নির্বাচিত হলেন রাজীব হোসেন

    ধামইরহাটে শান্তিপূর্ণভাবে ইউপি উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত: নির্বাচিত হলেন রাজীব হোসেন

    আবুল বয়ান,ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে ১নং ধামইরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হলেন রাজীব হোসেন।

    ২ নভেম্বর সকাল ৮ টায় কালুপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এ ভোট শুরু হয়ে চলে একটানা বিকেল ৪ টা পর্যন্ত। ১ হাজার ৭৩৭ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৫১৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোটের ফলাফলে ৭৮৮ ভোট পেয়ে রাজিব হোসেন (তালা) বেসরকারী ভাবে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আক্কাস আলী (ফুটবল) পেয়েছেন ৬৯৮ ভোট ও অপর প্রার্থী হায়দার আলী পেয়েছেন ৩২ ভোট। নির্বাচনে প্রিজাইটিং অফিসার ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রামানন্দ সরকার ফলাফল নিশ্চিত করে জানান, অত্যন্ত সুষ্ঠু ও আনন্দঘন পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন থানার সেকেন্ড অফিসার এস.আই শাহজাহান আলী, এ.এস আই মাসুদ রানা, ৬ জন সহ সহকারী প্রিজাইটিং, ১২ জন পোলিং, প্রয়োজনীয় সংখ্যক আনসার সদস্য। নির্বাচনে প্রশাসানিক দায়িত্ব পালন করে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফতাব উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আরিফুল ইসলাম, পত্নীতলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আজিজুল কবির, ওসি মোজাম্মেল হক কাজী, উপজেলাা নির্বাচন অফিসার সাজ্জাদ হোসেন ও যুব উন্নয়ন অফিসার কামরুজ্জামান সরদার।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।