Blog

  • গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে জাতীয় সমাজসেবা দিবস- ২০২৬ পালিত

    গোপালগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে জাতীয় সমাজসেবা দিবস- ২০২৬ পালিত

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস- ২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
    র‍্যালিটি গোপালগঞ্জ সমাজসেবা ভবন থেকে শুরু হয়ে এনএসআই ভবন মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণ অংশগ্রহণ করেন।

    দিবসটির প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে উপপরিচালক অসিত কুমার সাহা বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় গরিব ও দুঃখী মানুষের সেবার মাধ্যমে সমাজে একটি অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে। তিনি সমাজসেবার কার্যক্রম আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এ সময় সহকারী পরিচালক মোঃ জুলফিকার আলী বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজেই পৌঁছানো যায় এবং কার্যকরভাবে সেবা দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তিনি আরও বলেন, জনগণের সেবা করতে পেরে তিনি নিজেকে গর্বিত মনে করেন।

    অনুষ্ঠানে অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এবং দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে সমাজসেবার গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পায়।

  • সভাপতি জহির সম্পাদক জুলফিকার গৌরনদী প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারন ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    সভাপতি জহির সম্পাদক জুলফিকার গৌরনদী প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারন ও নির্বাচন অনুষ্ঠিত

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    গৌরনদী প্রতিনিধি।।
    গৌরনদী প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারন সভা ও নির্বাচন শনিবার সকালে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন গৌরনদী প্রেসক্লাবের আহবায়ক জহুরুল ইসলাম জহির। বক্তব্য রাখেন প্যানেল আহবায়ক মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, এস. এম, জুলফিকার, মোঃ হানিফ সরদার, খোকন আহম্মেদ হীরা, আমিনা আকতার সোমা, মোঃ খায়রুল ইসলাম, এস. এম. মোশারফ হোসেন, আমিন মোল্লা, বদরুজ্জামান খান সবুজ, কাজী আল আমিন। সভার দ্বিতীয়ার্ধে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, সাবেক সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি ২০২৬ সালের জন্য ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নাম ঘোষনা করেন। কমিটির কর্মকর্তারা হলেন, সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহির (দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ), সহসভাপতি এ. আলম দৈনিক মানবজমিন), সাধারন সম্পাদক এস.এম. জুলফিকার (দৈনিক ডিসটিনি), সহসাধারন সম্পাদক আমিনা আকতার সোমা (দৈনিক আমার দেশ), কোষাধ্যক্ষ জামিল মাহমুদ (দৈনিক ভোরেরপাতা), দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ আালী বাবু (দৈনিক সংবাদ)ও প্রচার সম্পাদক মোঃ হাসান মাহমুদ (দৈনিক কালেরকন্ঠ)।

  • সুজানগরে জাতীয় সমাজসেবা দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আ-লোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে জাতীয় সমাজসেবা দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আ-লোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর: প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যাণ ও সমতায়’ -এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পাবনার সুজানগরে জাতীয় সমাজসেবা দিবস পালিত হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সুজানগর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এদিন সকালে বর্ণাঢ্য র‍্যালিটি বের হয়ে স্থানীয় বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সমাজসেবা দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাগর আহমেদ। অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, সমাজসেবাকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা সমাজসেবার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার ও মানবিক মূল্যবোধ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস পা-লিত

    পাইকগাছায় জাতীয় সমাজসেবা দিবস পা-লিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যাণ ও সমতায় আস্থা সমাজসেবায় প্রতিপাদ্য উপজেলা চত্বর থেকে শুরু করে বর্ণাঢ্য র‍্যালি শেষে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    শনিবার সকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার ঘোষ এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা একরামুল হোসেন, সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, সাবেক অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, মুক্তিযোদ্ধা রনজিৎ কুমার সরকার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জণ সাহা, সাংবাদিক আবুল হাশেম, জালালউদ্দিন।
    উপস্থিত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দিন আহমেদ, এস এম আলাউদ্দিন সোহাগ, খোরশেদ আলম, রাজু আহমেদ, সমাজসেবা ইউনিয়ন সমাজ কর্মী মোঃ মিজানুর রহমান, তরিকুল ইসলাম,মেহেদী হাসান , আবুল ফাতাহ,জহুরুল হক, শেখ আব্দুর রশিদ, সবুজ আহমেদ সহ এতিমখানা ছাত্রগণ।

    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা

  • পাইকগাছায় বিশেষ অভিযানে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ নারী মা-দক কা-রবারি গ্রেফ-তার

    পাইকগাছায় বিশেষ অভিযানে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ নারী মা-দক কা-রবারি গ্রেফ-তার

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনা জেলার পাইকগাছা থানায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৬৭ পিস ইয়াবাসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ অভিযানে স্থানীয়ভাবে সক্রিয় একটি মাদক চক্রের কার্যক্রমে আঘাত এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত (২ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে পাইকগাছা থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে থানাধীন হরিঢালী ইউনিয়নের নগরশ্রীরামপুর গ্রাম এলাকা থেকে মোছাঃ হামিদা বেগম (৩৭) নামে এক নারীকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৬৭ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত হামিদা বেগম মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পুলিশ জানায়, সে বিভিন্ন উৎস থেকে ইয়াবাসহ মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে নিজের কাছে মজুত রাখত এবং সুবিধাজনক সময়ে তা স্থানীয় ও আশপাশের এলাকায় বিক্রি করত। দীর্ঘদিন ধরে সে এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল বলে তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদক বিস্তারের পেছনে একাধিক চক্র সক্রিয় রয়েছে। এ ধরনের অভিযানে মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
    এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পাইকগাছা থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
    পাইকগাছা থানা পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার দুই মাসের নি-ষেধাজ্ঞা

    প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার দুই মাসের নি-ষেধাজ্ঞা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা ) ।।

    শিলাসহ ১৪ প্রজাতির কাঁকড়ার প্রজনন হয় সুন্দরবনে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম। এ সময়ে সুন্দরবনে জলজ এ প্রাণীটি শিকার নিষিদ্ধ করেছে বন বিভগ।
    সুন্দরবনের নদী-খালে কাঁকড়ার প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে ১ জানুয়ারি থেকে দুই মাসের জন্য কাঁকড়া ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন বিভাগ। নিষেধাজ্ঞা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
    প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া রক্ষা করতেই এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক ইমরান আহমেদ।
    তিনি বলেন, প্রতিবছর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এ দুই মাস কাঁকড়া সুন্দরবনের নদী-খালে ডিম পাড়ে। সেই ডিম থেকে বাচ্চা ফুটে বের হয়। এ সময়ে কাঁকড়া অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থায় থাকে। কাঁকড়ার প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
    বন সংরক্ষক বলেন, যদি এ সময় কাঁকড়া ধরা হয়, পুরো বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তাই প্রতিবছরের মতো এবারও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এ সময় কাঁকড়া ধরার অনুমতিপত্র ইস্যু বন্ধ থাকায় গভীর বনাঞ্চলে অবস্থান করা জেলেরা লোকালয়ে ফিরে এসেছেন।
    তবে সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, প্রজনন মৌসুমে কয়েকটি চক্র নানা কৌশলে সুন্দরবনে ঢুকে কাঁকড়া ধরে। বন বিভাগের একশ্রেণীর অসাধু বনরক্ষী ও কর্মকর্তাদের সহায়তায় ওই সব চক্র কাঁকড়া ধরা অব্যাহত রাখে। এতে সাধারণ জেলেরা যেমন আর্থিক সঙ্কটে পড়েন তেমনি কাঁকড়া ধরা বন্ধ রাখার আসল উদ্দেশ্যে ব্যাহত হয়। পাশাপাশি কাঁকড়ার বংশবিস্তার এবং সুন্দরবনের জলজ জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা পরিবেশবাদীদের।
    পরিবেশবাদীরা বলছেন, সুন্দরবনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। তবে সেটি সুন্দরবনের ক্ষতি করে নয়। সাম্প্রতিক সময়ে বন কর্মকর্তা-রক্ষীদের ঘুস আদায়ে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে সুন্দরবন।
    পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন-জলবায়ু সচেতনতা এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক সাংবাদিক শুভ্র শচীন বলেন, প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া রক্ষা করা না গেলে এর এর বংশবিস্তার লোপ পাবে এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়বে পুরো সুন্দরবনের জীববৈচিত্রের উপর। পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক এ সম্পদ রপ্তানিতেও এর প্রভাব পড়বে।
    বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশ অংশে জলভাগের পরিমাণ ১ হাজার ৮৭৪ দশমিক ১ বর্গকিলোমিটার, যা পুরো সুন্দরবনের আয়তনের ৩১ দশমিক ১৫ শতাংশ। সুন্দরবনের জলভাগে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া আছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এ দুই মাস কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুম হওয়ায় ৫৯ দিনের জন্য জেলেদের সুন্দরবনে প্রবেশ করে কাঁকড়া ধরার অনুমতি বন্ধ রাখে বন বিভাগ।
    উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, অবস্থানগত কারণে খুলনার নয়টি উপজেলার মধ্যে সর্বদক্ষিণের সুন্দরবনঘেরা সমুদ্র উপকূলবর্তী উপজেলা কয়রার বেশিরভাগ মানুষই সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল। এ জেলার সুন্দরবন প্রভাবিত অন্য উপজেলাটি হলো দাকোপ। এ উপজেলা দুটির সুন্দরবন-লাগোয়া গ্রামগুলোর মানুষরা মাছ-কাঁকড়া ধরা, গোলপাতা কাটা ও মধু আহরণের কাজ করেন।
    উপজেলা দুটির কয়েকজন বনজীবী জেলে জানান, কাঁকড়ার ব্যবসা বেশ লাভজনক। যে কারণে প্রজনন মৌসুমেও কাঁকড়া ধরা বন্ধ হচ্ছে না সুন্দরবনে। অধিক লাভের আশায় একশ্রেণীর প্রতি বছরই জেলে বন বিভাগের কাছ থেকে মাছ ধরার অনুমতি নিয়ে বনে ঢুকে ডিমওয়ালা কাঁকড়া শিকার করেন।
    সুন্দরবনের ভেতর থেকে কাঁকড়া ধরে নৌকায় করে লোকালয়ে নিয়ে আসা হয়। তারপর তা সুন্দরবনসংলগ্ন খুলনার কয়রা উপজেলার ঘড়িলাল, গোলখালি, আংটিহারা, কাটাকাট, দেউলিয়া এবং দাকোপ উপজেলার নলিয়ান, কালিনগর, কৈলাশগঞ্জ, রামনগর, বাজুয়া, চালনা ও পাইকগাছা বাজারে ডিপোতে বিক্রি করা হয়।
    কয়রার এক কাঁকড়া ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বন্ধ আসলে কাগজে-কলমেই থাকে। ঘাটে ঘাটে কিছু টাকা দিয়ে সব পক্ষ সামলাতে হয়।
    পশ্চিম সুন্দরবন বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে কাঁকড়া ডিম পাড়ে। ডিমওয়ালা কাঁকড়ারা ক্ষুধার্ত থাকে, তাই সহজে ধরা যায়। এ সময় শিকার না করলে পরের বছর বেশি কাঁকড়া উৎপাদন সম্ভব। আমরা টহল জোরদার করেছি। কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে বন আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    হাছানুর রহমান বলেন, কাঁকড়া শুধু অর্থনৈতিক নয়, সুন্দরবনের খাদ্যশৃঙ্খল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় জনগণ, জেলে ও ব্যবসায়ীদের নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
    বন বিভাগের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে সুন্দরবনের ৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় জলভাগ প্রায় ৩১ শতাংশ। এখানে ২১০ প্রজাতির সাদা মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি ও ১৪ প্রজাতির উভচর প্রাণী আছে। সুন্দরবনের সম্পদ আহরণের জন্য ১২ হাজার নৌকার অনুমতিপত্র দেওয়া হয়, যার এক-তৃতীয়াংশ কাঁকড়া ধরার জন্য বরাদ্দ। প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া ধরার অনুমতি বন্ধ থাকলেও মাছ ধরার অনুমতি বহাল থাকে।

  • পিরোজপুর-২ আসনে নাটকীয় মোড় মাহমুদ হোসেনসহ দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বা-তিল

    পিরোজপুর-২ আসনে নাটকীয় মোড় মাহমুদ হোসেনসহ দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বা-তিল

    নেছারাবাদ সংবাদদাতা,(পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

    পিরোজপুর-২ (কাউখালি, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের নির্বাচনী মাঠে নাটকীয় মোড় নিয়েছে পরিস্থিতি। ঋণখেলাপি ও ভোটার সমর্থনসংক্রান্ত জটিলতার কারণে দুইজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
    বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন—ঋণখেলাপির অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সংগ্রহে ব্যর্থ হওয়ায় মোস্তাফিজুর রহমান।
    শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পিরোজপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন।
    রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত তথ্যে মাহমুদ হোসেনকে ঋণখেলাপি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। অপরদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান নির্ধারিত ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন যথাযথভাবে সংগ্রহ করতে না পারায় তার মনোনয়নও বাতিল করা হয়েছে।
    রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে মাহমুদ হোসেনকে Aegis Textile ও Aegis Spinning Mills Ltd.-এর পরিচালক হিসেবে এবি ব্যাংক লিমিটেড এবং দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেডের মতিঝিল শাখায় ঋণখেলাপি দেখানো হয়েছে।

    তবে মাহমুদ হোসেনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তিনি ২০১৪ সালে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে পরিচালকের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এ কারণে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থিতা বৈধতা ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী তার সমর্থকরা।

    উল্লেখ্য, বাতিল হওয়া দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে মাহমুদ হোসেন এই আসনে একজন উল্লেখযোগ্য প্রার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন এবং পরে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে আলোচনায় আসেন। তিনি একজন শিল্পপতি এবং ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি।

    রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় আরও জানায়, এ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এবি পার্টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে মোট সাতজন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দিয়েছিলেন।
    এদিকে পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর সুমন।

    মনোনয়ন বাতিলের বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানতে মাহমুদ হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    আনোয়ার হোসেন ।।

  • গাইবান্ধা ৫টি আসনে বৈধ ২৯ প্রার্থী,বাতিল ১৬ প্রার্থী

    গাইবান্ধা ৫টি আসনে বৈধ ২৯ প্রার্থী,বাতিল ১৬ প্রার্থী

    আমিরুল ইসলাম কবির,
    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে বলে নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে। দুইদিনব্যাপী যাচাই-বাছাই শেষে ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে রির্টানিং অফিসার ও গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা ।

    নির্বাচন অফিস সূত্রে আরো জানা যায়,ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধার ৫টি সংসদীয় আসনে মোট ৪৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে শুক্রবার প্রথম দিনের যাচাই-বাছাইয়ে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে ৫ জন এবং গাইবান্ধা-২ (গাইবান্ধা সদর) আসনে ৩ জনসহ মোট ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। শনিবার দ্বিতীয় দিনের শেষ যাচাই-বাছাইয়ে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর~পলাশবাড়ী) আসনে ৩ জন,গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ১ জন এবং গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা~ফুলছড়ি) আসনে ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে। দ্বিতীয় দিনে জেলার ৩, ৪ ও ৫ আসনের মোট ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।

    বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর~পলাশবাড়ী) আসনে জনতার দলের প্রার্থী মঞ্জুরুল হক, স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজার রহমান ও এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি। এছাড়া বৈধ ঘোষণা করা ৭ জন প্রার্থীরা হলেন,বিএনপির অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম লেবু,জাতীয় পার্টির মইনুর রাব্বি চৌধুরী,গণ অধিকার পরিষদের সুরুজ মিয়া, সিপিবির আব্দুল্লাহ আদিল নান্নু, ইনসানিয়াত বিপ্লবী বাংলাদেশের মোছাদ্দিকুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের এটিএম আওলাদ হোসাইন।

    গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রউফ আকন্দের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন, জামায়াতের ডা. আব্দুর রহিম সরকার,জাতীয় পার্টির কাজী মো. মশিউর রহমান,বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির আতিয়ারুল রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন।

    গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা~ফুলছড়ি) আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী শ্রী নিরমল, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী সামিউল ইসলাম,স্বতন্ত্র প্রার্থী সুজাউদ্দৌলা সাজু ও হাসান মেহেদী বিদ্যুৎসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। আসনটিতে বৈধ ৭ প্রার্থীরা হলেন বিএনপির আলহাজ্ব ফারুক আলম সরকার,জাতীয় পার্টির ব্যরিস্টার শামিম হায়দার পাটোয়ারী,জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল ওয়ারেছ আলী,ইসলামী আন্দোলনের আজিজুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক মার্কসবাদী দলের রাহেলা খাতুন,স্বতন্ত্র আলহাজ্ব নাহিদুজ্জামান নিশাদ এবং এ্যাড. এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু।

    রিটার্নিং কর্মকর্তা ও গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মনোনয়নপত্রে ত্রুটি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অসঙ্গতির কারণেই এসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের জন্য আপিলের সুযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং সে অনুযায়ী নির্বাচনের পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হবে।

    এর আগে যাচাই বাছাইয়ের প্রথম দিন গাইবান্ধা ১ ও ২ আসনের মনোনয়ন যাচাই বাছাই করা হয়। আসনের বৈধ প্রার্থীরা হলেন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) বিএনপির অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল হক জিয়া,জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী,এলডিপির শরিফুল ইসলাম,বাসদের পরমানন্দ দাস,আমজনতার কাওছর আজম হান্নু।

    এ আসনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে থাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাজেদুর রহমান,সমর্থনকারী ভোটার সঠিক না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোছা. সালমা আক্তার, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোস্তফা মহসিন, দলের মনোনয়ন সঠিক না হওয়ায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী রমজান আলী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহফুজুল হক সরদার।

    গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে ৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু, জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ সরকার,জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল করিম,বাসদের আহসানুল হক,জনতার দলের শাহেদুর রহমান। এ আসনে মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা হলেন দলের মনোনয়নপত্র সঠিক না হওয়ায় বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী মিহির কুমার ঘোষ,ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল মাজেদ, হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় খেলাফত মজলিসের প্রার্থী একেএম গোলাম আযম।

    উল্লেখ্য,গাইবান্ধা জেলার সাতটি উপজেলা ও চারটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত পাঁচটি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২১ লাখ ৯০ হাজার ৪’শ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ লাখ ৮২ হাজার ৪’শ ১ জন,নারী ভোটার ১১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার ৩৬ জন। জেলায় মোট ভোটকেন্দ্র ৬’শ ৭৫টি এবং ভোটকক্ষ রয়েছে ৪ হাজার ১’শ ১টি।।

  • বরিশাল-২ আসনে মনোনয়ন বাছাই: ৫ স্থগিত, ১ বাতিল,বৈধ ৪ জন।

    বরিশাল-২ আসনে মনোনয়ন বাছাই: ৫ স্থগিত, ১ বাতিল,বৈধ ৪ জন।

    উজিরপুর প্রতিনিধি :
    বরিশাল-২ (উজিরপুর–বানারীপাড়া) আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হয়েছে।

    বরিশাল জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে শনিবার (৩ জানুয়ারি ২০২৬) অনুষ্ঠিত যাচাই-বাছাইয়ে দাখিলকৃত মোট ১০টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৪টি বৈধ, ৫টি স্থগিত এবং ১টি বাতিল ঘোষণা করা হয়।

    ত্রুটির কারণে যাদের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে তারা হলেন— জামায়াতে ইসলামীর মাস্টার আব্দুল মান্নান, বিএনপির সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ, এনপিপির মোঃ সাহেব আলী হাওলাদার (রনি), বাংলাদেশ কংগ্রেসের আব্দুল হক এবং জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) এর এম. এ. জলিল।

    এছাড়া দলীয় মনোনয়ন তালিকায় নাম না থাকায় বাংলাদেশ জাসদ মনোনীত প্রার্থী মোঃ আবুল কালাম আজাদ-এর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

    যাচাই শেষে যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে তারা হলেন— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মোঃ নেছার উদ্দিন, বাসদের তারিকুল ইসলাম (তারিক), খেলাফত মজলিসের মুন্সি মুস্তাফিজুর রহমান এবং গণধিকার পরিষদের রঞ্জিত কুমার বাড়ৈ।

  • চারঘাটে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উ-দযাপিত

    চারঘাটে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উ-দযাপিত

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    “প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যাণ ও সমতায়, আস্থা আজ সমাজসেবায়”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহী চারঘাটে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপিত হয়েছে।

    শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০ টায় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের যৌথ আয়োজনে এবং নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সমুহের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে চারঘাট বাজারের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে ‘আত্মা-অনুসন্ধান’ শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান স্বাগত বক্তব্যে বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের  জন্য পরিচালিত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তর মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রযুক্তিনির্ভর সেবা কার্যক্রমের ফলে সমাজসেবার আওতাভুক্ত মানুষ এখন দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে সেবা পাচ্ছেন। এতে সেবাগ্রহীতাদের আস্থা বেড়েছে ও অনিয়ম কমেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সমাজসেবা ফিল্ড সুপারভাইজার সাইদুজ্জামান, চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হক, চারঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাচ্চু সহ উপজেলার বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রধানগন, শিক্ষক ও সাংবাদিকবৃন্দ।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী ।