Blog

  • সাভারে মহাসড়কের দুপাশে অ/বৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন

    সাভারে মহাসড়কের দুপাশে অ/বৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন

    হেলাল শেখঃ ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছেন উপজেলা প্রশাসন।

    গতকাল (১৩ জানুয়ারি ২০২৬ইং) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ছোটবলিমেহের এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল আমিন।

    গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সাভার আশুলিয়ায় সড়ক ও মহাসড়কের দুপাশের ফুটপাত হকারদের দখলে এবং সরকারি নদী খাল প্রভাবশালীদের দখলে সংবাদ প্রকাশ করার পর এই অভিযান পরিচালনা করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

  • তারাগঞ্জে সেনাবাহিনীর বিশেষ টিমের সচেতনতামূলক মহ/ড়া

    তারাগঞ্জে সেনাবাহিনীর বিশেষ টিমের সচেতনতামূলক মহ/ড়া

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় সেনাবাহিনীর ৩৪ বেঙ্গল রেজিমেন্টের লেফটেন্যান্ট কাব্যর নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিমের সচেতনতামূলক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় অনুষ্ঠিত হওয়া এই মহড়ার মাধ্যমে সেনা সদস্যরা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে নির্বাচনী পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং ভোটার সচেতনতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।

    মহড়ার সময় সেনা দলটি তারাগঞ্জের হাট-বাজার এলাকায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মিলিত হয়। ক্রেতা-বিক্রেতা, পথচারী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সকলের সঙ্গে তারা নির্বাচনী দায়িত্ব, ভোটার অধিকার এবং সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে কথা বলেন। দলটি উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাচাই করেছে ।

    লেফটেন্যান্ট কাব্য জানান, “আমাদের লক্ষ্য হলো নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও নিরাপদ রাখা। জনগণের সহযোগিতা ছাড়া এটি সম্ভব নয়, তাই এই মহড়ার মাধ্যমে আমরা তাদের সচেতন করছি।

  • কুমিল্লায় প্রবাস ফেরৎ যুবকের বি/রুদ্ধে ৬৭ লাখ টাকার স্বর্ণ আ/ত্মসাতের অ/ভিযোগ

    কুমিল্লায় প্রবাস ফেরৎ যুবকের বি/রুদ্ধে ৬৭ লাখ টাকার স্বর্ণ আ/ত্মসাতের অ/ভিযোগ

    তরিকুল ইসলাম তরুন | কুমিল্লা
    কুমিল্লার প্রবাস ফেরৎ এক যুবকের বিরুদ্ধে প্রায় ৬৭ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণ অলংকার আত্মসাৎ ও একাধিক প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত তৌহিদ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন এবং তিনি কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
    ভুক্তভোগী শাহজাহান তানভীরের অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকার শাহজাহানপুর থানা সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরবে কর্মরত অবস্থায় তানভীর তার ক্রয়কৃত স্বর্ণ অলংকার আত্মীয়তার বিশ্বাসে তৌহিদের কাছে দেন। স্বর্ণগুলো ঢাকার শাহজাহানপুর এলাকায় তানভীরের বাবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও অভিযুক্ত তা হস্তান্তর না করে আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৫ এপ্রিল সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন তৌহিদ। সে সময় তার কাছে আনুমানিক ৬৭ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণ অলংকার ছিল। কিন্তু নির্ধারিত স্থানে স্বর্ণ বুঝিয়ে না দিয়ে তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে শাহজাহানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
    অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ তৌহিদকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এ সময় তিনি দাবি করেন, স্বর্ণ অলংকারগুলো ছিনতাইকারীরা নিয়ে গেছে। তবে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তার বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
    ভুক্তভোগী শাহজাহান তানভীর জানান, ঘটনার পর অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকার ব্ল্যাংক চেক ও ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে দ্রুত টাকা পরিশোধের আশ্বাস দিয়ে তৌহিদকে ছাড়িয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। পরে অভিযুক্ত ও তার পরিবারের সদস্যদের মোবাইল নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
    তিনি আরও অভিযোগ করেন, টাকা চাইতে অভিযুক্তের বাড়িতে গেলে তাকে খারাপ আচরণ ও হুমকি-ধামকি দেওয়া হয় এবং স্বর্ণ বা টাকা ফেরত দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়।
    এরপর শাহজাহান তানভীর কুমিল্লা পুলিশ সুপার বরাবর আরেকটি অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় কুমিল্লা ডিবির সাব-ইন্সপেক্টর সঞ্জয়কে। তিনি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে উভয় পক্ষকে তলব করা হলেও তৌহিদ হাজির হননি। এমনকি তদন্তের সময় তার বাড়িতে গেলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
    স্থানীয় সূত্র ও অন্যান্য ভুক্তভোগীদের অভিযোগ অনুযায়ী, তৌহিদের বিরুদ্ধে এর আগেও বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎসহ একাধিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। কুমিল্লা ইপিজেড এলাকায় চাকরিকালীন সময়ে চারজন যুবকের কাছ থেকে সৌদি আরবে পাঠানোর কথা বলে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও তার চাচাতো ভাই রিফাত ও আরিফের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ কুমিল্লা ইপিজেড ফাঁড়িতে জমা রয়েছে।
    এ বিষয়ে শাহজাহানপুর থানা পুলিশ ও কুমিল্লা পুলিশ সুপার কার্যালয় জানায়, অভিযোগগুলো তদন্তাধীন এবং প্রমাণ সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    ভুক্তভোগী শাহজাহান তানভীর বলেন,
    “তৌহিদ আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আমাকে নিঃস্ব করেছে। আমি আমার স্বর্ণ অলংকার উদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”
    অন্যদিকে অভিযুক্ত তৌহিদের বাবা এরশাদুল জামান বলেন,
    “আমরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিছু টাকা দেওয়া হয়েছে, বাকি টাকা আইন অনুযায়ী পরিশোধ করা হবে।”

  • ঘরের ঢেউটিন পেয়ে কান্নায় ভে/ঙ্গে পরলেন সেই আছিয়া

    ঘরের ঢেউটিন পেয়ে কান্নায় ভে/ঙ্গে পরলেন সেই আছিয়া

    মোঃ সেলিম মিয়া, ফুলবাড়ীয়া প্রতিনিধি : সারা দেশে শীত যখন ঝেকে বসেছে, ঠিক তখনি এক অসহায় বিধবা মহিলার করুণ আর্তনাতের কথা তুলে ধরে ফুলবাড়িয়ার আলোচিত ‘এমপ্যাথি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন’। তারা তাদের ফেসবুক পেইজে আর্তনাদের একটা ছোট ভিডিও পোস্ট করা হয়। সেই পোস্ট নজরে আসে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তা ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুল ইসলামের।

    মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) ফুলবাড়ীয়া উপজেলা রাধাকানাই ইউনিয়ন পলাশতলী গ্রামে বিকালে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)। সাথে নিয়ে যান ঘর করার জন্য ঢেউটিন ও শীতের কম্বল। আর এসব পেয়ে কান্নায ভেঙ্গে পরলেন ঐ বিধবা মহিলা ।

    বিধবা আছিয়া খাতুন বলেন, তিন ছেলে তিন মেয়ে রেখে স্বামী অনেক দিন আগেই মারা গেছে। ছেলেদের সংসার চলে না , আমার ঘর কিভাবে করে দিব, স্যার আমি ঘরের টিন পেয়ে অনেক খুশি, আমি দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে অনেক দিন বাঁচিয়ে রাখুক।

    এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শেখ তাকী তাজওয়ার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল হক, এমপ্যাথি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাইফুল ইসলাম সাইফ, সদস্য হেলাল উদ্দিন, আহম্মদ আলী, মোহাম্মদ আলী প্রমূখ।

  • তারাকান্দায় জমি বি/রোধে মা/রধর ও টাকা ছি/নতাইয়ের অ/ভিযোগ

    তারাকান্দায় জমি বি/রোধে মা/রধর ও টাকা ছি/নতাইয়ের অ/ভিযোগ

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি:
    ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক ব্যক্তিকে মারধর ও তাঁর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যক্তি তারাকান্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

    অভিযোগকারী মো. আ. জলিল (৩৬) উপজেলার ঘিটুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, প্রতিবেশী আতাউল্লাহ (৫০), হবি মিয়া (৫৫), ওবায়দুল্লাহ (৪৫) ও আশরাফুল (৪০)-এর সঙ্গে তাঁদের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

    লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জানুয়ারি দুপুর আনুমানিক দুইটার দিকে জলিল বাড়ি থেকে বের হয়ে তারাকান্দা থানাধীন ঘিটুয়ারী এলাকার চক্ষু হাসপাতালের সামনের মোড়ে পাকা সড়কে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাঁর পথরোধ করেন। এ সময় তাঁকে গালিগালাজ করা হয়। তিনি প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা নাক, মুখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে তাঁকে আহত করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, মারধরের একপর্যায়ে অভিযুক্ত আতাউল্লাহ জোরপূর্বক জলিলের লুঙ্গির কোঁচা থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে যান। ওই টাকা তিনি স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছ থেকে হাওলাত হিসেবে নিয়েছিলেন।
    ঘটনার সময় জলিলের ডাকচিৎকারে স্থানীয় ফারুক ও করিম মিয়াসহ আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন। তাঁদের উপস্থিতিতে অভিযুক্তরা জলিলকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

    পরে আহত জলিল অটোরিকশায় করে তারাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসা নেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি জানানোর পর তিনি থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    ভুক্তভোগী আ. জলিল বলেন, ‘আমি আমার জমিতে গাছ লাগিয়েছিলাম। ওঁরা সেই গাছ তুলে ফেলেছে। ঘটনার দিন রাস্তায় একা পেয়ে আমাকে মারধর করেছে। আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।’

    অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের একজন হাবিবুল্লাহ মারধরের ঘটনা স্বীকার করে বলেন, ‘জলিলের সঙ্গে আমাদের জমি নিয়ে মামলা চলছে। ঘটনার দিন সে আমাদের রাস্তায় আটকিয়ে উল্টাপাল্টা কথা বলে। একপর্যায়ে আমার আরেক ভাই তাকে চড়থাপ্পড় মারে। এর বেশি কিছু হয়নি।’

    এ বিষয়ে তারাকান্দা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেছি। মারধরের সত্যতা পাওয়া গেছে, তবে গুরুতর আহত হওয়ার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। উভয় পক্ষের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলমান রয়েছে।’

  • ময়মনসিংহে মহাসড়ক যেন ইটভাটা মালিকের পৈত্রিক সম্পত্তি! জ/নদুর্ভোগ চ/রমে

    ময়মনসিংহে মহাসড়ক যেন ইটভাটা মালিকের পৈত্রিক সম্পত্তি! জ/নদুর্ভোগ চ/রমে

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদরের ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নে ময়মনসিংহ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কটি যেন সদর উপজেলা ইটভাটা মালিক সমিতির কথিত সভাপতি ও আলম ব্রিকসের মালিক খোরশেদ আলমের পৈত্রিক সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে।যেন আইনের ঊর্ধ্বে আলম ব্রিকস?

    প্রকাশ্যে মহাসড়ক দখল ও পরিবেশ ধ্বংসের এমন দৃশ্য চোখে পড়লেও সংশ্লিষ্ট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার নীরব ভূমিকা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তাহলে কি কর্মকর্তাদের চোখে কাঠের চশমা, নাকি ঘুষের ঘোরে বিভোর দায়িত্বশীলরা?

    সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার সদর উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষীয়া ইউনিয়নে ময়মনসিংহ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়ক ঘেঁষে স্থাপন করা হয়েছে সম্পূর্ণ অনুমোদনহীন ও অবৈধ ইটভাটা ‘আলম ব্রিকস’। ইটভাটার ধুলোবালি ও কয়লার গুড়া দখল করে নিয়েছে মহাসড়কের একাংশ। এতে সড়কটির স্বাভাবিক ব্যবহার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং সৃষ্টি হয়েছে চরম জনদুর্ভোগ।

    প্রতিনিয়ত স্কুলপড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। ধুলোবালিতে ঢেকে যাচ্ছে রাস্তা, বাতাসে উড়ছে কয়লার গুড়া-ফলে শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালাপোড়া ও নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বহুবার প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং প্রভাবশালী ইটভাটা মালিকের কারণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন এবং সড়ক আইন-সবকিছুই প্রকাশ্যে লঙ্ঘিত হলেও নেই দৃশ্যমান কোনো অভিযান।

    এ বিষয়ে দ্রুত অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ, মহাসড়ক দখলমুক্ত করা এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। অন্যথায় জনস্বার্থ উপেক্ষা করে প্রভাবশালীদের এমন দৌরাত্ম্য আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

    এবিষয়ে ইটভাটা মালিক খোরশেদ আলমের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন আমার ইটভাটার পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রসহ সবকিছুই ঠিক আছে কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নবায়ন করে দিচ্ছে না।

    এবিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক শেখ মোঃ নাজমুল হুদা’র মুঠোফোনে বারবার কল করলে তিনি রিসিভ না করায় তাঁর বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, লোকেশন হুয়াট্স এ্যাপে দিয়ে রাখুন আমি খোজ নিয়ে দেখছি।

  • ময়মনসিংহ-১১ আসনে মোর্শেদ আলমের প্রার্থীতার বৈধ ঘোষণায় নেতাকর্মী ও ভোটারদের উল্লাস

    ময়মনসিংহ-১১ আসনে মোর্শেদ আলমের প্রার্থীতার বৈধ ঘোষণায় নেতাকর্মী ও ভোটারদের উল্লাস

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম। এ খবরে তার সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি ভালুকা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ মোর্শেদ আলমকে বৈধ প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেন আপিল বিভাগ।

    খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম এই প্রতিনিধিকে বলেন, নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগের রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এর আগে গত ৩ জানুয়ারি ময়মনসিংহ জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থিতায় এক শতাংশ ভোটে স্বাক্ষর গরমিলের অভিযোগে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে আমি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছি।

    তিনি আরও বলেন, আমি ইউপি চেয়ারম্যান ছিলাম। বিগত সময়ে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৭৫ হাজার ভোট পেয়েছি। আশা করছি সংসদ নির্বাচনেও জনগণের রায় আমার পক্ষে থাকবে।

    প্রসঙ্গত, ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চু। তার সঙ্গে দলীয় মনোনয়নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী বিএনপি নেতা মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম। এ নিয়ে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের এক পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে অস্বস্তি বিরাজ করলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী মোর্শেদ আলম এর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবর ভালুকায় পৌঁছালে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের আরেকটি গ্রুপের নেতাকর্মীসহ সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। মোর্শেদ আলমের মনোনয়ন বৈধতার খরবে নেতাকর্মীরা মিষ্টি বিতরণ করেন এবং আনন্দ মিছিলের প্রস্তুতি নেন।

    স্থানীয় নেতাদের মতে, উপজেলার জামির দিয়া গ্রামের সন্তান মুহাম্মদ মোর্শেদ আলম গত ২০১১-২০১৬ পর্যন্ত হবিরবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান থাকা বস্থায় তিনি ইউনিয়নের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় উন্নয়নের ছোঁয়া পোঁছে দেয়াসহ অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা হিসাবে উপজেলা ব্যাপী সাধারণ মানুষের বিপদে আপদে পাশে থাকার ফলে মোর্শেদ আলম এলাকার জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। তারা আশা প্রকাশ করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জনগণের বিপুল সমর্থনে তিনি এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে জয় নিশ্চিত করতে সক্ষম হবেন।

    এ আসনে অন্য প্রার্থীরা হলেন— ফখর উদ্দিন আহাম্মেদ বাচ্চু (বিএনপি), ছাইফ উল্যাহ পাঠান ফজলু (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), প্রভাষক মো. আনোয়ারুল ইসলাম হোসেন বিদ্যুৎ (গণ অধিকার পরিষদ), ডা. জাহিদুল ইসলাম (এনসিপি) এবং মোস্তফা কামাল কাশেমী (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ)।

  • গণভোটের সচেতনতায়  ময়মনসিংহ সদরের পথে-প্রান্তরে ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী

    গণভোটের সচেতনতায় ময়মনসিংহ সদরের পথে-প্রান্তরে ইউএনও জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ময়মনসিংহ সদরের মাঠপর্যায়ে বিশেষ প্রচারণা চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

    মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, আনসার ও ভিজিল্যান্স টিমের অন্যান্য কর্মকর্তাদের নিয়ে ১৪৭ ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় জনগণকে গণভোট সম্পর্কে অবহিত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

    উপজেলা প্রশাসনের এই কার্যক্রমে সরাসরি নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী । তিনি উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে গিয়ে সাধারণ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে সরাসরি কথা বলেন এবং গণভোটের গুরুত্ব ও ভোট প্রদানের সঠিক নিয়ম নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় সাধারণ মানুষের মাঝে গণভোট সংক্রান্ত সচেতনতামূলক লিফলেটও বিতরণ করা হয়।

    প্রচারণাকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপী বলেন, “গণভোট নাগরিকের একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক অধিকার। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের প্রত্যক্ষ মতামত প্রতিফলিত হয় এই প্রক্রিয়ায়। কোনো প্রকার ভয়-ভীতি বা গুজবে কান না দিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই পরিবেশ নিশ্চিতে উপজেলা প্রশাসন কাজ করছে।” তিনি আসন্ন নির্বাচনে নির্ধারিত দিনে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সবার প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

  • পঞ্চগড়ে গণভোট সম্পর্কে গ্রাম পুলিশের সঙ্গে ম-তবিনিময় সভা

    পঞ্চগড়ে গণভোট সম্পর্কে গ্রাম পুলিশের সঙ্গে ম-তবিনিময় সভা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়প্রতিনিধি :

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের সদস্যদের সঙ্গে গণভোট বিষয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।

    সভায় গণভোটের গুরুত্ব, আইনগত দিক, ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাঠপর্যায়ে গ্রাম পুলিশের দায়িত্ব ও করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে গণভোট সম্পন্ন করতে গ্রাম পুলিশের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।

    সভায় জেলা প্রশাসক ও জেলা বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এখানে জনগণের সরাসরি মতামত প্রতিফলিত হয়। তাই কোনো ধরনের অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে গ্রাম পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে গ্রাম পুলিশই প্রশাসনের প্রথম সারির সহায়ক শক্তি। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা ও আইন মেনে চলাই হবে তাদের প্রধান অঙ্গীকার।

    জেলা নির্বাচন অফিসার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, গণভোট সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা সম্পর্কে গ্রাম পুলিশের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। ভোট গ্রহণ কেন্দ্র ও আশপাশে যেকোনো সন্দেহজনক কার্যক্রম দ্রুত প্রশাসনকে জানাতে হবে।

    উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার (অ.দা.) ও পঞ্চগড় পৌর প্রশাসক সীমা শারমিন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গ্রাম পুলিশ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের অবহেলা গ্রহণযোগ্য নয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাহমিদা সুলতান বলেন, গণভোটকে ঘিরে জনসাধারণের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে গ্রাম পুলিশের আচরণ ও দায়িত্বশীলতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

    মতবিনিময় সভায় গ্রাম পুলিশের সদস্যরা গণভোট সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশ্ন ও বাস্তব সমস্যা তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব প্রশ্নের উত্তর দেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

    সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতিনিধিসহ পঞ্চগড় সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

    মতবিনিময় সভা শেষে গ্রামে গ্রামে গণভোটের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা কার্যক্রম জোরদার করতে গ্রাম পুলিশের সদস্যদের হাতে লিফলেট তুলে দেন জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও লিফলেট বিতরণে অংশ নেন।

  • অবৈধভাবে বালু উত্তোলন  সংবাদ প্রকাশের পর ক/ঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ৫০ হাজার টাকা জ-রিমানা

    অবৈধভাবে বালু উত্তোলন সংবাদ প্রকাশের পর ক/ঠোর অবস্থানে প্রশাসন, ৫০ হাজার টাকা জ-রিমানা

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি;

    পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের ফকিরপাড়া এলাকায় তালমা নদী থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

    স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে তালমা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সড়কের পাশে বালু মজুতের সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় তাৎক্ষণিকভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী জরিমানা আরোপ করা হয়।

    এর আগে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়, প্রকাশ্যে বালু উত্তোলনের ফলে তালমা নদীর পাড় ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে আহ্ছানিয়া মিশন শিশু নগরীসহ আশপাশের জনবসতি। এতে নদীপাড়ের স্থাপনা ও স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এলাকাবাসী জানান, সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের এই তৎপরতায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে তারা আশঙ্কা করছেন, নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর ব্যবস্থা না থাকলে পুনরায় অবৈধ বালু উত্তোলন শুরু হতে পারে।

    একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সংবাদ প্রকাশ না হলে হয়তো এই অবৈধ কাজ বন্ধ হতো না। আমরা চাই শুধু জরিমানা নয়, স্থায়ীভাবে যেন নদী রক্ষা করা হয়। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে তালমা নদীসহ জেলার বিভিন্ন নদী ও বালু মহলে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। সচেতন মহলের মতে, এই অভিযান একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হলেও নদী ও আহ্ছানিয়া মিশন শিশু নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ধারাবাহিক ও কঠোর পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।