Blog

  • সড়ক অ-বরোধ করে মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদে ভূমি অফিস স্থানান্তরের দাবিতে বিক্ষো-ভ ও মা-নববন্ধন

    সড়ক অ-বরোধ করে মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদে ভূমি অফিস স্থানান্তরের দাবিতে বিক্ষো-ভ ও মা-নববন্ধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়ন ভূমি অফিস ইউনিয়ন পরিষদে স্থানান্তরের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয়রা।
    রবিবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সুজানগর-কাজিরহাট আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে মানিকহাট ইউনিয়নের রাইপুরে মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ, থানার ওসি মজিবর রহমানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের দাবির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়ে সুষ্ঠ সমাধানের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেন।পরে এ সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। মানিকহাট ইউনিয়নের সর্বস্তরের সচেতন মহলের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে ইউনিয়নের সহস্রাধিক নারী পুরুষ অংশগ্রহন করেন। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে আমিনুর রহমান, হাফিজ, হাবিবুর রহমান, সাকিবুল, রনাই প্রাং, রিপন শেখ, কালাম মোল্লা, আব্দুল মজিদ , মকছেদ শেখ, দবির শেখ, আলমগীর হোসেন, নাজিম প্রামানিক, নজরুল ইসলাম, সুমন ও ঝন্টু প্রমুখ। বক্তারা জানান, উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন হচ্ছে মানিকহাট ইউনিয়ন,এই ইউনিয়নের জনসংখ্যা ৩৩ হাজারের অধিক এবং ১৭টি গ্রাম ও ১৮টি মৌজা নিয়ে গঠিত এ ইউনিয়নের কোন ভূমি অফিস নেই। সাতবাড়িয়া নামক অন্য ইউনিয়নে গিয়ে মানিকহাট ইউনিয়নের বাসিন্দাদের ভূমি সংক্রান্ত সকল সেবা নিতে যেতে হয়। এতে সময়ের অপচয়সহ সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। তাই মানিকহাট ইউনিয়নের মাঝ বরাবর অবস্থিত পরিষদ কার্যালয়টিতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস স্থানান্তরের দাবি জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট। তারা আরো বলেন, ইতিমধ্যে তারা অবগত হয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের উর্ধতন কয়েকজন কর্মকর্তাকে অনৈতিক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে মানিকহাট ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ গাজনার বিলের এক পাশের প্রত্যন্ত একটি গ্রাম উলাটে স্থানান্তরের চেষ্টা করছে বিতর্কিত প্রভাবশালী এক ব্যক্তি তার নিজের সুবিধা আদায়ের জন্য। যেখানে যাতায়েত ব্যবস্থা ভাল না এবং একটি অরক্ষিত জায়গা। আমরা এটার প্রতিবাদ জানাই। আমরা জীবন দিব, তবু ইউনিয়ন ভূমি অফিস উলাটে স্থানান্তর করতে দিবনা বলে হুশিয়ারী দেন মানববন্ধনকারীরা। মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বলেন, মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়টি ইউনিয়নের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত, তাই ইউনিয়ন ভূমি অফিসটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে স্থানান্তর করতে হবে। সর্বোপরি কথা হচ্ছে এই পরিষদটিতে ইউনিয়নের যেকোন স্থান থেকে সহজেই আসা যায়। এরপরও একটি কুচক্রী মহল ইউনিয়নের একপাশের একটি গ্রাম উলাটে নেওয়ার চেষ্টা করছে। উলাট গ্রামটি ইউনিয়নের এক পাশে অবস্থিত, সেখানে কোন যুক্তিতে ভূমি অফিস নেওয়ার সুযোগ নেই। এরপরও যদি কোন কুচক্রী মহল উলাটে স্থানান্তর করতে চায়, তাহলে দলমত নির্বিশেষে ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা প্রতিবাদ করব। যারা উলাটে স্থানান্তরের চেষ্টা করছে, তারা সুযোগ সন্ধানী বলেও উল্লেখ করেন তিনি । আমিনুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, মানববন্ধনে নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ সবাই এসেছে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভূমি অফিস স্থানান্তরের দাবিতে । আমরা আশাকরি ইউনিয়ন ভূমি অফিস উলাটে স্থানান্তর না করে মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে করা হয় সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আর তাদের দাবি মানা না হলে পরবর্তীতে আরো কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন ।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন, সরকারের ঊর্ধ্বতনকর্তৃপক্ষ স্থানীয় ইউনিয়নবাসীর দাবির যৌক্তিকতা নিরুপনে যাচাই-বাছাই করতে নির্দেশনা দিলে উপজেলা প্রশাসন সেটি করতে প্রস্তুত রয়েছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • আশুলিয়ায় কিশোর গ্যা-ং মা-দক স-ন্ত্রাসীদের অ-ত্যাচারে অতি-ষ্ঠ পোশাক শ্রমিক এলাকাবাসী

    আশুলিয়ায় কিশোর গ্যা-ং মা-দক স-ন্ত্রাসীদের অ-ত্যাচারে অতি-ষ্ঠ পোশাক শ্রমিক এলাকাবাসী

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশের মধ্যে ঢাকার আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের সবচেয়ে বেশি নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে, এর কারণে মানুষের বাসা বাড়ি, ব্যবসা ও রাস্থা দখলের চেষ্টা করছে সন্ত্রাসীরা। এলাকায় বাড়ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, হত্যা চেষ্টা ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), র‍্যাব সেনাবাহিনীর অভিযানে কিছু কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী, ছিনতাইকারী ডাকাতসহ অপরাধীদের আটক করা হলেও তারা আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও সেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করছে। মাদক সন্ত্রাসী ও হত্যা মামলার আসামিদের খোঁজে পায় না বেশিরভাগ পুলিশ অফিসার।
    রবিবার (৩১ আগষ্ট ২০২৫ইং) জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থান থেকে পৃথক ব্যক্তির একাধিক লাশ উদ্ধার করেন আশুলিয়া থানা পুলিশ, কিন্তু বেশিরভাগ বড় ধরণের আসামীকে থানা পুলিশ খোঁজে পায় না। আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানা। স্থানীয়রা জানায়, কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনীর ১৫-২০ জনের পৃথক পৃথক দল পিস্তল ও চাকু ছুরিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল ও বাড়ি ঘর ও রাস্তা দখল করাসহ বিভিন্ন শ্রমিক সাধারণ মানুষের উপর হামলা করে, অপহরণ করে মুক্তিপণ ও চাঁদাবাজি করে। দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত ভেবে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায় সন্ত্রাসীরা। অনেকেই জানান, ভিকটিমের উপর হামলা করে কুপানোর সময় তার ডাক চিৎকারে লোকজন ছুঁটে আসলে তাকে মৃত ভেবে ফেলে চলে যায় সন্ত্রাসীরা। এরপর প্রতিবেশীসহ লোকজন ভিকটিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয় এরপর আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
    উক্ত আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ন মাঠের আশপাশে ১৫-২০ জন করে পৃথক ১০-১২টি কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনী দেশীয় অস্ত্র চাকু ছুরি ও দা নিয়ে প্রায়ই মহড়া দিতে দেখা যায় বলে অনেকেই জানান, এই কিশোর গ্যাং আতঙ্ক পুরো এলাকাজুড়ে। সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জিরাবো, জামগড়া দি-রোজ পোশাক কারখানার ঝুট নিয়ে চলছে বিরোদ। উক্ত এলাকায় প্রায় শতাধিক কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী সক্রিয় ভাবে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজি অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে বলে অভিযোগ। কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাদের উপর হামলা ও মারপিট করা হয়।
    উক্ত আশুলিয়ায় এখন কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। তারা প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ করছে, এতে আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটছে। এ ব্যাপারে কারো কোনো ছাড় দেওয়া যাবেনা, সাংবাদিক, পুলিশ প্রশাসন ও র‍্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী।
    আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৬ ওয়ার্ডের বাসিন্দা শোভন মাহমুদ বলেন, মাদক সন্ত্রাসী আলফাজ, বাহিনীর অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর হাজীপাড়া এলাকার মোঃ সাইফুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ আলফাজ (২৫), পিতা মৃত- রাজ্জাক মিয়া, মাতা-শান্তনা বেগম ভাড়া বাড়িতে বসেই দীর্ঘদিন ধরে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকের ব্যবসা ও অসামাজিক কার্যকলাপ করছে। শুধু তাই নয় এলাকার মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে নানাভাবে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। আমি বাদী হয়ে এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছি, জিডি নং ৩১৯৬। তারিখঃ ২৮/০৮/২০২৫ইং।
    পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনী জানান, অপরাধী যেইহোক না কেন তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে, কোনো অপরাধীই ছাড় পাবে না। উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, আশুলিয়া থানা এলাকায় অপরাধ করে কেউ পালিয়ে থাকতে পারবে না। অপরাধী সে যেইহোক না কেন কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

  • সুনামগঞ্জ-৫ আসনে জ-মজমাট ল-ড়াইয়ে বিএনপি জামায়াত ও উদীয়মান ইসলামি নেতৃত্ব

    সুনামগঞ্জ-৫ আসনে জ-মজমাট ল-ড়াইয়ে বিএনপি জামায়াত ও উদীয়মান ইসলামি নেতৃত্ব

    হারুন অর রশিদ দোয়ারাবাজার থেকেঃ
    সুনামগঞ্জ-৫ আসনে নির্বাচনী মাঠে জমজমাট লড়াই, আলোচনায় বিএনপি-জামায়াত ও উদীয়মান ইসলামি নেতৃত্ব।

    সুনামগঞ্জ-৫ আসন—শিল্পনগরী ছাতক ও সীমান্তবর্তী দোয়ারাবাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত—বাংলাদেশের রাজনীতিতে বরাবরই গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা হিসেবে বিবেচিত। স্বাধীনতার পর থেকে এ আসনে পালাবদল হয়েছে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন, কারণ রাজপথে সক্রিয় ও মাঠে জনপ্রিয় কয়েকজন প্রার্থীর উপস্থিতিতে ভোটযুদ্ধ জমে উঠেছে।
    বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এবং একই কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী। উভয়েই ছাতকের বাসিন্দা। কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এর আগেও তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, আর মিজানুর রহমান চৌধুরী ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং একবার ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। এবার এই দুই নেতার একজনকে মনোনয়ন দিলে অন্যজন স্বতন্ত্র হয়ে মাঠে থাকতে পারেন বলেও আলোচনা রয়েছে।

    এদিকে, বিএনপির ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটিতে অবস্থান নিতে মরিয়া জামায়াতে ইসলামি। ৫ আগস্টের পর থেকে সংগঠন গোছানো, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগসহ সবধরনের তৎপরতা ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে তারা। ছাতকের বাসিন্দা মাওলানা আবদুস সালাম আল মাদানী জামায়াতের একক প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন।
    অন্যদিকে, তরুণদের মধ্যে ব্যতিক্রমী জনপ্রিয়তা পাওয়া এক নেতা মাওলানা সাদিক সালীমও আলোচনার কেন্দ্রে।

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত রিকশা মার্কার প্রার্থী হিসেবে গণসংযোগ করছেন মাওলানা সাদিক সালীম। তিনি ইসলামী অঙ্গনে সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে তার রয়েছে দেশব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা। ধারণা করা হচ্ছে, আগামীতে ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলোর একটি সমন্বিত নেতৃত্বে তিনিই এগিয়ে থাকতে পারেন।
    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে প্রার্থী হয়েছেন ছাতক উপজেলা শাখার সহ-সেক্রেটারি মাওলানা আলী আকবর। ইসলামি আলোচক হিসেবে স্থানীয়ভাবে তিনি পরিচিত এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডে তাঁর তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
    এ ছাড়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে লন্ডনপ্রবাসী কমিউনিটি নেতা মাওলানা লুৎফর রহমান বিননুরী এবং খেলাফত মজলিস থেকে প্রবাসী নেতা মাওলানা আব্দুল কাদির প্রার্থী হবেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম, যিনি ছাতকের জাবা মেডিকেল সেন্টারের চেয়ারম্যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সমাজসেবামূলক কাজ ও গণসংযোগের মাধ্যমে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন।
    তবে এখনও পর্যন্ত মাঠে দেখা যাচ্ছে না গণ-অধিকার পরিষদ, এবি পার্টি কিংবা এনসিপির কোনো নেতাকে। ভোটারদের ভাষ্যমতে, এই দলগুলো সাংগঠনিকভাবে ছাতক ও দোয়ারাবাজারে একেবারেই নিষ্ক্রিয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে জনগণ প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এবার তারা মুক্ত পরিবেশে সৎ, সাহসী ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে ভোট দিতে চান। বিশেষ করে তরুণ ভোটাররা দুর্নীতিগ্রস্ত, দখলদার বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত কোনো প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার ব্যাপারে বেশ সচেতন।
    সামনের নির্বাচনকে ঘিরে ভোটারদের মধ্যে যেমন প্রত্যাশা, তেমনি প্রার্থীদের ভেতরে দেখা যাচ্ছে নতুন করে জনসম্পৃক্ততা তৈরির প্রতিযোগিতা—যা সুনামগঞ্জ-৫ আসন এখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে, নেতৃত্ব রদবদলের পালা।

  • ধামইরহাটে অ-গ্নিকান্ডে ক্ষ-তিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, টাকার চেক ও খা-দ্যদ্রব্য বি-তরণ

    ধামইরহাটে অ-গ্নিকান্ডে ক্ষ-তিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, টাকার চেক ও খা-দ্যদ্রব্য বি-তরণ

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ

    ধামইরহাটে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে ঢেউটিন, টাকার চেক ও খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হয়েছে।

    ৩১ আগষ্ট বিকেল ৫টায় ইসবপুর ইউনিয়নের ধুরইল গ্রামের ছয়ফর আলীর ছেলে জাহিদুল ইসলামকে ২ বান্ডিল টিন, ৬ হাজার টাকার চেক, চাল, তেল সহ অন্যান্য শুকনা খাবার প্রদান করেন ইউএনও ভারপ্রাপ্ত জেসমিন আক্তার। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনছুর আলী, উপজেলা বিএনপি’র সাঃ সম্পাদক মোঃ হানজালা, নওগাঁ জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম লিটন ও গন্যমান্য ব্যাক্তিগণ। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ত্রান শাখা সূত্রে জানা যায়, গত ৩০ জুলাই শনিবার বৈদুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ডে জাহিদুল ইসলামের ঘর-বাড়ির টিনের চালা সহ ১১ বান্ডিল টিন, কাঠ, বাঁশ, খাট, ২টি ডেক্সটপ কম্পিউটার, ১টি ল্যাপটপ ও অন্যান্য মালামাল সহ প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়।

  • পাইকগাছায় পোদা নদী ও গয়সা খাল উন্মুক্তের দা-বীতে মা-নববন্ধন অ-নুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় পোদা নদী ও গয়সা খাল উন্মুক্তের দা-বীতে মা-নববন্ধন অ-নুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ।।

    খুলনার পাইকগাছায় পোদা নদী ও গয়সা খাল উন্মুক্তের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার সকালে লতা ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে ধলাই ব্রীজ চত্বরে লতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি অসিম রায়ের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল। লতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক আবু মুছা সরদারের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউপি সদস্য সুষমা রানী রায়, সুশান্ত সরকার, সুশান্ত দফাদার, মনিরুল খলিফা, দিপক রায়, জলিল শেখ, মনিরুল সানা, মাইকেল মন্ডল, শাহিন সানা, শহিদুল খলিফা, মিজান হাওলাদার, রাজু মন্ডল, ইসহাক সরদার, শাহাদাৎ গাইন, ফারুক হোসেন, হোসেন আলী, আমিরুল ইসলাম, আল্লাদ দফাদার, সনজিত মুনি ও আনিচ সানা।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন ৫৫ একরের পোদানদী ও ১৯ একরের গয়সা খালে ইজারদার ১৮ টি জায়গায় নেটপাটা ও ৩ টি স্থানে মাটি দিয়ে বাঁধ দিয়ে এলাকা প্লাবিত করছে। অবিলম্বে অবৈধ বাঁধ ও নেটপাটা অপসারণ করে জনসাধারণের জন্য নদী উন্মুক্তের জোর দাবী জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা

  • গোদাগাড়ীর পালপুর মালিগাছায় দু-র্বৃত্তরা নিজ বাড়িতে খু-ন করছে এক বৃদ্ধাকে

    গোদাগাড়ীর পালপুর মালিগাছায় দু-র্বৃত্তরা নিজ বাড়িতে খু-ন করছে এক বৃদ্ধাকে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পালপুর মালিগাছায় নিজ বাড়িতে এক বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতের দিকে উপজেলার পালপুর মালিগাছা গ্রাম থেকে নিহত মারেজান বেগমের (৬২) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের স্বামীর নাম নজরুল ইসলাম।

    প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মাকসুদুর রহমান জানান, মারেজান বেগম একাই বাড়িতে থাকতেন। তার স্বামী অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভারতে অবস্থান করছেন। সন্ধ্যায় এক প্রতিবেশী নারী ঘরে ঢুকে গলাকাটা অবস্থায় লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং সিআইডি আলামত সংগ্রহ করে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। রোববার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, শনিবার সকাল ১০টার দিকে প্রতিবেশীরা শেষবারের মতো মারেজান বেগমকে বাড়ির বাইরে দেখেছেন। এরপর বিকেল ৪টার মধ্যে যে কোনো সময় হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

    নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী ।

  • নলছিটিতে জা-মায়াতের এমপি প্রার্থীর গ-ণসংযোগ

    নলছিটিতে জা-মায়াতের এমপি প্রার্থীর গ-ণসংযোগ

    ঝালকাঠি প্রতিনিধি মোঃ নাঈম মল্লিক

    জাতীয় নির্বাচনের জন্য মাঠ গোছাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ঝালকাঠি -২ (ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি) আসনে এমপি

    প্রার্থী হিসেবে ঢাকা মহানগর জামায়াত নেতা শেখ নেয়ামুল করিমের নাম ঘোষণা করেন দলটি।ইতিমধ্যে তিনি গণসংযোগ শুরু করেছেন।

    রোববার (৩১ আগস্ট) সকালে নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করেন তিনি।এসময় উপজেলা জামায়েত ও ছাত্র শিবিরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

    এমপি প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করিম বলেন,ঝালকাঠি একটি নদী বন্দর প্রাচীন বানিজ্যিক এলাকা। এই ঐতিহ্যের আলোকে এখানে উন্নয়ন তেমন একটা হয়নি। ঝালকাঠিতে অনেক রাস্তাঘাট ভাঙাচোরা রয়েছে, এখানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাব রয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নদী ভাঙন। এ এলাকায় নদী ভাঙন রোধে কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।প্রথম কথা হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিটি পয়সার হিসাব জনগণের কাছে পৌছাবো যাতে করে কোন রকম অন্যায় দুর্নীতি বিন্দুমাত্র হওয়ার কোন আশংকা না থাকে। আমাদের সমাজে যে চাঁদাবাজ রয়েছে তাদের চাঁদাবাজী বন্ধ করা হবে। এছাড়া আমাদের ছাত্র সমাজ নেশার সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে আমাদের তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে হবে। তাছাড়া অনেক বেকার যুবক রয়েছে এদের জন্য কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই। আমরা বেকার যুবকদের কর্মের হাতে রুপান্তরিত করতে চাই।আমি ভোটারদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি আশাকরি তারা আমাদের পাশে থাকবেন।

  • অ-ভিযোগের পাহাড়ে বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ নেতা প্রবীর দাশ গ্রে-প্তার

    অ-ভিযোগের পাহাড়ে বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগ নেতা প্রবীর দাশ গ্রে-প্তার

    শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম: নানা অপরাধ আর দুর্নীতির অভিযোগের জালে অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন জাতীয় শ্রমিক লীগ ইপিজেড থানা কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর দাশ (৪৮)।

    শনিবার রাতে ইপিজেড থানার এসআই মোঃ শাহাদাত হোসেনের নেতৃত্বে বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ জামির হোসেন জিয়া। অভিযানটি পরিচালিত হয় সিএমপি বন্দর বিভাগের উপ–পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মোঃ আমিরুল ইসলামের সার্বিক নির্দেশনা, অতিরিক্ত উপ–কমিশনার সোহেল পারভেজ ও সহকারী কমিশনার মাহমুদুল হাসানের তত্ত্বাবধানে।

    ইপিজেড থানার মামলা নং–২৪, তারিখ–২৮/০৪/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা–সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ (সংশোধনী ২০১৩) এর বিভিন্ন ধারায় আসামি হিসেবে নাম থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    প্রবীর দাশের বিরুদ্ধে ইপিজেড ও পতেঙ্গা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালে থানা ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। রাজনৈতিক তৎপরতা ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত এড়িয়ে চলছিলেন।

    অন্যদিকে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সঙ্গে আঁতাত করে গ্রাহকের টাকা আত্মসাৎ, ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি, মিটার রেটিং চুরি এবং শত শত পরিবারকে প্রতারণার শিকার করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    নিউমুরিং এলাকার বাসিন্দা মামুন জানান, প্রবীর দাশ তার কাছ থেকে দেড় থেকে দুই লাখ টাকা নিলেও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করেননি, বরং সরাসরি প্রতারণা করেছেন।

    বর্তমানে পতেঙ্গা স্টিল মিলস বিদ্যুৎকেন্দ্রে লাইনম্যান হিসেবে কর্মরত প্রবীর দাশের বিরুদ্ধে সেখানেও দুর্নীতি ও অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঐ প্রতিষ্ঠানের একাউন্টস ম্যানেজার বলেন, “তার আর্থিক অনিয়ম ধরা পড়ায় কয়েক মাস ধরে বেতন বন্ধ রাখা হয়েছিল।”

    বিদ্যুৎ বিভাগের সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন কর্মে অনুপস্থিত থাকার কারণে তাকে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তা উপেক্ষা করেন। বরং বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের অফিসকে ব্যক্তিগত ও অনৈতিক কাজে ব্যবহার করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    প্রবীর দাশের গ্রেপ্তারের খবরে এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বলেন, “বিদ্যুতের নামে মানুষকে হয়রানি করে তিনি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অবশেষে তার গ্রেপ্তারে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচারের কিছুটা আশা দেখতে পাচ্ছে।”

  • ডাসারে শ্রী রাধা রানীর জন্ম অষ্টমী  উপলক্ষে প্রা-র্থনা সভা অ-নুষ্ঠিত

    ডাসারে শ্রী রাধা রানীর জন্ম অষ্টমী উপলক্ষে প্রা-র্থনা সভা অ-নুষ্ঠিত

    মোঃমিজানুর রহমান , কালকিনি,ডাসার প্রতিনিধিঃ মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার আড়ুয়া কান্দী ভৈরবী গবিন্দ মন্দিরে আজ রবিবার দুপুরে হিন্দু ধর্মের মতে শ্রী শ্রী রাধা রানীর জন্ম তিথি, রাধা অষ্টমী উপলক্ষে ভৈরবী গোবিন্দ মন্দিরে একটি বিশাল প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় শতাধিক মহিলা রাধা রানীর বেশে ভৈরবী গোবিন্দ মন্দির থেকে পদ যাত্রা শুরু করে আশ্রামের ইসকন মন্দিরে গিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছি‌লেন রমা বাড়ৈ বলেন,রবিবার শ্রী রাধিকার জন্ম তিথি। এই উপলক্ষে অত্র অঞ্চলের সকল সখিরা প্রানবন্ত হয়ে একত্রিত হয়েছেন, রাধা রানীর করুনা লাভের প্রত্যাশায়।। অত্র এলাকার সকল ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।অনুষ্ঠান শেষে প্রসাদ বিতারন করা হয়ে‌ছে।

  • কালীগঞ্জে শি-য়াল খোওয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজে বর্ণাঢ্য সূধী স-মাবেশ

    কালীগঞ্জে শি-য়াল খোওয়া স্কুল এ্যান্ড কলেজে বর্ণাঢ্য সূধী স-মাবেশ

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট কালীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিয়ালখোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এক বর্ণাঢ্য সূধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষা অনুরাগীসহ-এলাকার বিশিষ্টজনেরা অংশগ্রহণ করেন।

    উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন নিউজ ২৪ এর রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি ও শিযালখোয়া এস,সি উচ্চ বিদ্যালযের নবনির্বাচিত সভাপতি রেজাউল করিম মানিক।

    তিনি বলেন, আমি নতুন,আপনাদের সাথে থেকে এ স্কুলের শিক্ষার মান উন্নয়ন,বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ-সকল কাজে আপনাদের সাথে নিয়ে করতে চাই। বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন, অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও মানসিক বিকাশ নিয়ে আমাদের কে কাজ করতে হবে তাহলে এ স্কুল উপজেলার একটি আদর্শ ও মডেল স্কুলে পরিণত হবে।

    উক্ত সূধী সমাবেশে অন্যন্য বক্তারা বলেন, শিয়ালখোয়া স্কুল দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। একে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে সবার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষাবিদগণ বলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। এসময় বক্তারা নতুন প্রজন্মকে সুশিক্ষায় গড়ে তুলতে সমাজের সকল স্তরের সহযোগিতা কামনা করেন।

    অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিতদের মধ্যে আনন্দ ও স্মৃতিচারণার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

    হাসমত উল্লাহ ।