Blog

  • কুমিল্লাতে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে  নতুন উদ্যা-মে মাঠে সাক্কু

    কুমিল্লাতে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে নতুন উদ্যা-মে মাঠে সাক্কু

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
    কুমিল্লাতে নতুন উদ্যামে মাঠে নেমেছে সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু,
    কুমিল্লায় ব্যাপক শোডাউন,বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আনন্দঘন পরিবেশে বাংলাদেশ জাতীয়তবাদী দল বিএনপি র ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও কুমিল্লা দঃ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুল হক সাক্কু ও তার অনুসারী বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    ১ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে কুমিল্লা নগরীর নানুয়ার দীঘির পাড় এলাকায় মনিরুল হক সাক্কুর বাসভবনের সামনে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ড ৬টি ইউনিয়ন থেকে হাজার হাজার নারীপুরুষ মিছিল করে সমবেত হয়।

    দুপুর সাড়ে ১১টায় পবিত্র কোরান তেলোয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
    এরপর জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। রঙ্গিন বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন মনিরুল হক সাক্কু।এসময়
    তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও বিএনপি চেয়ারপার্স ন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেযারপার্সন তারেক রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উপস্থিত হাজার হাজার নেতাকর্মীর সামনে বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস তুলে ধরে বলেন বিএনপি হলো সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের রাজনৈতিক দল।

    শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের দুঃসময়ে দেশের দ্বায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশকে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। শহীদ জিয়া দেশে খাদ্যউৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন।   বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কখনো কোন অন্যায় বা প্রলোভনের কাছে আপোষ করেননি।
    তাই তিনি আপোষহীন নেত্রী। আগামী সংসদ নির্বাচনে তিনি অংশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুতির লক্ষ্যে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড সমূহে গণ সংযোগ করে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করবেন এবং সমাবেশ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরে প্রায় ২০ হজার নারী পুরুষের একটি আনন্দ র‌্যালী বের করে নগরীর ছাতিপট্টি, রাজগঞ্জ, মনোহরপুর, কান্দিরপাড়,জিলা স্কুল রোড,সার্কিট হাউজরোড মোগলটুলি,রাজগঞ্জ বজ্রপুর ,নানুয়ার দিঘীরপাড় হয়ে পুনরায় মেয়র সাক্কুর বাড়ীর সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়।

  • কুমিল্লাতে ৩ পরিবারের সকলকে বেহু-শ করে ডা-কাতি

    কুমিল্লাতে ৩ পরিবারের সকলকে বেহু-শ করে ডা-কাতি

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্প্রে ছিটিয়ে তিন পরিবারের অন্তত ১২জন সদস্যকে অচেতন করে তাদের ঘরে থাকা নগদ চার লাখ টাকা সহ স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা।
    ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের জিনিদকরা গ্রামে।

    এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের সেখানে ভর্তি করা হয়। সংবাদ পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

    ভুক্তভোগি পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, চিওড়া বাজারের একতা ট্রেডার্সের মালিক মো. আব্দুস সাত্তার প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার রাত ১০টায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়িতে যান। ঘরে পৌঁছার কিছুক্ষণ পরই তার ছেলে আব্দুল্লাহ আল কায়েস বলেন, তার মাথা ঘুরাচ্ছে।
    পরে কায়েস সহ ঘরে থাকা সকলে অচেতন হয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পাশের দুটি ঘরে থাকা লোকজনও একই সময় অচেতন হয়ে যায়।
    পরদিন রবিবার সকালে তাদের ঘরের কেউ ঘুম থেকে উঠছে না দেখে আশেপাশের লোকজন তাদের ডাকাডাকি করেন।
    এতে ঘর থেকে কোনো প্রকার সাড়া-শব্দ না পেয়ে এলাকার লোকজন জড়ো হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ঘর থেকে ব্যবসায়ী মো. আব্দুস সাত্তার, তার পিতা মো. শাহজাহান, ছেলে আব্দুল্লাহ আল কায়েস, আব্দুল্লাহ আল শুভ, পাশের ঘরের মো. সোলেমান, তার স্ত্রী রাশেদা বেগম, ছেলে মো. সাজ্জাদ হোসেন, মেয়ে ঝুমুর আক্তার, নুফুর আক্তার ও নিহা আক্তার, অপর ঘরের মো. মিলন ও তার মেয়ে মিশু আক্তারকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
    হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সকলকে ভর্তি দেন। আজ তিন দিন পার হলেও সুস্থ্য হয়নি তারা এখনো তাদের চিকিৎসা চলছে।

    স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে, এলাকার সংঘবদ্ধ একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে চেতনানাশক স্প্রে ব্যবহার করে তিন পরিবারের সকল সদস্যকে অচেতন করে।
    পরে অজ্ঞাতনামা এ চক্রটি রাতের আঁধারে একটি ঘরে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙে বিদেশ যাওয়ার জন্য রাখা নগদ ৪ লাখ টাকা ও ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে উধাও হয়ে যায়।

    হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চিওড়া বাজারের ব্যবসায়ী ভুক্তভোগি মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘কিভাবে এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটলো কিছুই বুঝতে পারিনি।
    নতুন ঘটনার ভিকটিম হলাম। আমার পরিবারের সকলে অচেতন হয়ে গিয়েছিলো। সকলের জ্ঞান ফিরলেও এখনো সবাই হাসপাতালে চিকিৎসাধিন আছে।

    ভুক্তভোগি ঝুমুর আক্তার বলেন, প্রতিদিনের মতই ছোট ভাইকে নিয়ে পড়তে বসি। খাবার খাওয়ার পর ঘুমাতে যাওয়ার আগে রাত অনুমান ১১টায় মাথা ঘুরাচ্ছে বুঝতে পেরে ঘুমিয়ে পড়ি। পরদিন সকাল ৯টার পরে প্রতিবেশীদের ডাকে ঘুম ভাঙ্গে। মা তখনও অজ্ঞান ছিলো। এ সময় আমরা কেউই ঠিকভাবে দাঁড়াতে পারছিলাম না। সকলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। ঘরে থাকা আলমারির সামনে ৫শ’ টাকার একটি নোট পড়ে থাকতে দেখি। নগদ টাকা সহ ঘরে থাকা স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে দুর্বত্তরা। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।

    এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বলেন, অজ্ঞান অবস্থায় একই বাড়ীর তিন পরিবারের প্রায় ১২জন সদস্যকে নিয়ে আসে স্থানীয়রা। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় এবং উন্নত চিকিৎসা চলমান রয়েছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগিরা কিছুই বলতে পারছে না। ধারনা করা হচ্ছে, কোনো চেতনানাশক ব্যবহার করে তাদের অজ্ঞান করা হয়েছিলো। ভুক্তভোগিদের অন্তত ৪৮ ঘন্টা পর্যবেক্ষণ করার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

    এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবুল কালাম জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগিদের সাথে কথা বলেছি। কিভাবে কি ঘটেছে কেউই কিছু বলতে পারছে না। তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।

  • আশুলিয়ায় এসআই মাসুদ রানা ক্লো-জড

    আশুলিয়ায় এসআই মাসুদ রানা ক্লো-জড

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় জোনায়েদ (০৫) নামের এক শিশু অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানাকে ক্লোজড করা হয়েছে।

    সোমবার (১ সেপ্টেম্বর২০২৫ইং) আশুলিয়া থানা পুলিশ সূত্র জানা গেছে, ক্লোজ হওয়া (এসআই) মাসুদ রানা ১৫দিন আগে মানিকগঞ্জ থেকে আশুলিয়া থানায় যোগদান করেন। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) আব্দুল হান্নান। তিনি আজ স্বাক্ষী সংক্রান্ত ছুটিতে আছেন। এসআই মাসুদ রানাকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নিরপরাধ ব্যাক্তিকে চুরির মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন অপর ভুক্তভোগী। মাত্র ১৫দিন আগে আশুলিয়া থানায় যোগদান করে তিনি ধান্ধাবাজি শুরু করে ধরা পড়ে ক্লোজ হলেন।

    জানা যায়, নিখোঁজ ডায়েরির তদন্তের জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের কাছ থেকে টাকা দাবি ও আদায় করেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. মাসুদ রানা। টাকা আদায় করার পরেও তিনি কোন ধরনের তদন্ত করেননি। এমনকি ভুক্তভোগী পরিবার তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি বিরক্ত হয়ে বলতেন, এই থানায় আরও ২০/২৫ জন নিখোঁজ রয়েছে। তাদের কেউ এতোটা বিরক্ত করে না, যতোটা তারা করছেন। পুলিশি সেবা না পেয়ে হতাশা নিয়ে র‍্যাবের সাথে যোগাযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবার। পরে নিখোঁজের ১৩দিন পর শিশু জোনায়েদের হাড়গোড় উদ্ধার করে খুনি মোরসালীনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৪।

    পরবর্তীতে টাকা দাবি-দায়িত্বে অবহেলা ও টাকা আদায়ের বিষয়গুলো নিয়ে বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে গত ৩০-৩১ আগস্ট সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের ২৪ ঘন্টার মধ্যে (এসআই) মাসুদ রানাকে ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছেন ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার এসপি মহোদয়।

    আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, (এসআই) মাসুদ রানা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছুটিতে ছিলেন। তাকে ছুটি অবস্থায় ক্লোজড করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। জানা গেছে, এর আগে গত বছর ৫ আগষ্টের পর গত ১০ মাসে ৫জন ওসি ও একজন তদন্ত ওসিকে ক্লোজ বা বদলি করা হয়, আবারও আশুলিয়া থানার (এসআই) মাসুদ রানাকে ক্লোজ করা হলো। আশুলিয়া থানায় অর্ধশতাধিক (এসআই) ও (এ এসআই) থাকেন তাদের মধ্যে এক দুইজনের দায়িত্বে অবহেলা স্বাভাবিক বিষয় বলে দাবি করেন পুলিশ কিছু সদস্য।

  • বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গৌরনদীতে  র‌্যা-লী ও স-মাবেশ অনুষ্টিত

    বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে গৌরনদীতে র‌্যা-লী ও স-মাবেশ অনুষ্টিত

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    গৌরনদী প্রতিনিধি।
    বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপলক্ষে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় সোমবাল সকালে বর্নাঢ্য র‌্যালী ও সমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া উপজেলা) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী আকন কুদ্দুস বলেছেন, আগামী ফেব্রয়াারি মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের বিষয়ে রাজনৈতিক দল ও সরকারে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। অথচ নির্বাচন অনুষ্ঠান নষ্যাত করতে কোন কোন ফ্যাসিবাদি দালালরা ষরযন্ত্র করছে। যে কোন ষরযন্ত্র মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে। জাতীয় সংকট সমাধান ও দেশে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নির্বাচনের কোনো বিকল্প সমাধান নেই। কিন্তু একটি চিহ্নিত মহল এই ঐকমত্যের বিপরীতে দাঁড়িয়ে নির্বাচন তথা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বানচালের অপচেষ্টা করছে।
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে গৌরনদী উপজেলা-পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে সোমবাল সকালে বর্নাঢ্য র‌্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন সংলগ্ন ফিসারিয়া অফিস থেকে র‌্যালীটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে গৌরনদী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য নির্ভীক কলম সৈনিক জহুরুল ইসলাম জহির। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বিএনপির নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আরো বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের অনুকরণে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে দখল চাদাবাজি করতে করতে গিয়ে অনেক দাপটি নেতা দল থেকে বহিস্কার হয়েছেন। বিএনপির কেউ যদি গডফাদার সংস্কৃতির প্রবর্তন করতে চায় তাদের চিহ্নিত করে দল এবং আইনের মুখোমুখি করার জন্য আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ ধরনের দুর্বৃত্তায়নকে আমরা মোকাবিলা করবই।’
    অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এস, এম, মনিরুজ্জামান মনির। বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এস, এম, আফজাল হোসেন, আবুল হোসেন লাল্টু, মোঃ মঞ্জুর হোসেন মিলন, মোঃ তাইফুর রহমান কচি, হোসনেআরা বেবী, টরকী বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক ও বিএনপি নেতা মোঃ বদিউজ্জামান চঞ্চল, বাটাজোর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও বিএনপি নেতা আকতার হোসেন বাবুল, জেলা যুবদল নেতা মাসুদ হাসান মিঠু, এম, এ গফুর, মোঃ মাসুম হাওলাদার, সাবেক পৌর কাউন্সিলর ও বিএনপি নেতা মোঃ আলাউদ্দিন, মোঃ নাসির সরদার, মোঃ আবু বকর, দুলাল আকন, আমজাদ হোসেন ঝিন্টু, মশিউর রহমান লিটন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জাফর খান, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক আবুল কালাম হাওলাদার, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ রাসেল হাওলাদার, কলেজ ছাত্রদল নেতা মোঃ আলী প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ মোল্লা মাহফুজ, আগৈলঝাড়া যুবদল নেতা মোঃ হেমায়েত হোসেন, গৌরনদী উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ রুবেল গোমস্তা।

  • মাগুরায় না-নাবিধ সম-স্যায় জ-র্জরিত রেড ক্রিসেন্ট মা ও শিশু হাসপাতাল

    মাগুরায় না-নাবিধ সম-স্যায় জ-র্জরিত রেড ক্রিসেন্ট মা ও শিশু হাসপাতাল

    জিল্লুর রহমান,
    মাগুরা প্রতিনিধি।

    মাগুরার শ্রীপুরে গত ২০২২ সালের ১৭ মার্চ তৎকালীন মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অবঃ) এটিএম আবদুল ওয়াহহাব শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী মা ও শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেন। উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় হাসপাতালটি হওয়ায় এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষগুলো এ হাসপাতাল থেকে স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসা সেবা গ্রহন করছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠার তিন বছর পেরিয়ে গেলেও পূর্ণতা পায়নি হাসপাতালটি। বরং দীর্ঘদিন যাবত হাসপাতালটি নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হয়ে পড়েছে। শুধু তাই নই, একটি কুচক্রী মহল হাসপাতালটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পায়তারা চালিয়ে আসছে। এলাকার নেতৃত্ব স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সেবা নিতে যাওয়া রোগী ও রোগীর স্বজনেরা এবং এলাকাবাসী হাসপাতালটি অন্যত্র সরিয়ে না নিয়ে পরিপূর্ণ একটি হাসপাতাল গড়ে তোলার জোর দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে হাসপাতালটির নাম পরিবর্তন করে শ্রীপুর মডেল রেড ক্রিসেন্ট মা ও শিশু হাসপাতাল নামকরণের জোর দাবি তাদের। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী মাগুরা জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপিও প্রদান করেছেন।

    রবিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার মাগুরা-শ্রীপুর সড়কের টুপিপাড়া গ্রামে অত্যন্ত নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে হাসপাতালটি স্ব-গর্বে দাড়িয়ে আছে। অনেক নারী-পুরুষ ও শিশু রোগী ডাক্তার দেখানোর জন্য অপেক্ষা করছে। এমবিবিএস ডাক্তার মাত্র ৫০ টাকা ফিস নিয়ে রোগী দেখছেন। প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা ৫০% ছাড়ে করা হলেও ল্যাবের দায়িত্বে থাকা একজন মাত্র ল্যাব টেকনোলজিস্টকে গত ২০২৫ সালের ১৪ আগস্ট অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। যার ফলে ল্যাবের সকল পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। রোগীদের মাগুরা এবং শ্রীপুরের বিভিন্ন ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাড়তি টাকা খরচের পাশাপাশি চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। হাসপাতালটি চালানোর জন্য কমপক্ষে ১০ জন জনবল থাকার কথা থাকলেও রয়েছে মাত্র ৫ জন। গত ২০২৫ সালের ২০ জুলাই দুইজন সিকিউরিটি গার্ডের মধ্যে একজনকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। শুরু থেকেই অফিস সহকারী ও একাউন্টিং পদটি শূণ্য রয়েছে। হাসপাতালটিতে নেই কোন ডিপ্লোমা নার্স। এছাড়া হাসপাতালটি পরিচালনার জন্য একটি কমিটি থাকার কথা থাকলেও কোন কমিটি গঠন করা হয়নি।

    হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগী ও রোগীর স্বজনেরা জানান, হাসপাতালটি আমাদের কাছে হওয়ায় আমরা গ্রামের মানুষ স্বল্প খরচে উন্নত সেবা পাচ্ছি। কয়েকদিন ধরে ল্যাব বন্ধ থাকায় দূরদূরান্তে গিয়ে পরীক্ষা করাতে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। এমনকি আমরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। শুনছি হাসপাতালটি এখান থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার পায়তারা চলছে। আমরা এই নেক্কারজনক কর্মকাণ্ড ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    এ বিষয়ে সমাজের বেশ কয়েকজন নেতৃত্ব স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সাথে কথা বললে তারা জানান, হাসপাতালটি আমাদের এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে হাসপাতালটি হওয়ায় প্রত্যন্ত এলাকার মানুষগুলো উন্নত স্বাস্থ্য সেবা পেয়ে আসছে। হাসপাতালটি দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন সমস্যা জর্জরিত। আমরা দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে এই হাসপাতালটিকে একটি পরিপূর্ণ হাসপাতাল হিসেবে দেখতে চাই। শুনছি একটি কুচক্রী মহল হাসপাতালটি এখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার পায়তারা করছে। যদি তাই হয়, আমরা হাসপাতালটিকে এখান থেকে নিয়ে যেতে দিবো না। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যানের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন হাসপাতালটি এখান থেকে সরিয়ে না নিয়ে হাসপাতালটিকে একটি পরিপূর্ণ হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে আশা করছি।

    হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার লিংকু কুমার বিশ্বাস জানান, হাসপাতালে আড়াই বছর ভালই চলছিল। গত ছয় মাস ধরে হাসপাতালটি বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। এখানে শুধু জনবল সংকট নয়। এখান থেকে কয়েকদিনের ব্যবধানে সিকিউরিটি গার্ড ও ল্যাব টেকনোলজিস্টকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। গত ৪ মাস যাবত আমার বেতন বন্ধ। কর্তৃপক্ষ ৪ মাস হাসপাতালের কোন বিল ভাউচারে সই করছেন না। হাসপাতালটি পরিপূর্ণতা না পেলেও অন্তত আগের পরিবেশে চললে প্রত্যন্ত এলাকার অসহায় মানুষগুলোর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত হবে।

  • রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার সাথে সেনাবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার সাথে সেনাবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।
    ঢাকা, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ (সোমবার): বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সাথে এবং পরবর্তীতে বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

    সাক্ষাৎকালে, সেনাবাহিনী প্রধান সম্প্রতি তাঁর চীন সফরকালীন অনুষ্ঠিত বিভিন্ন বৈঠকের অভিজ্ঞতা ও আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ দিকসমূহ তুলে ধরেন। পাশাপাশি, দেশের সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং তা উন্নয়নে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়। আলোচনায় সেনাবাহিনী প্রধান আশ্বস্ত করেন যে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। এছাড়াও, সেনাবাহিনী প্রধান সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ চলমান উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাকে অবহিত করেন।

  • খুলনায়  সাংবাদিক ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু’র লা-শ উ-দ্ধার

    খুলনায় সাংবাদিক ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু’র লা-শ উ-দ্ধার

    তৈয়ব আলী পর্বত।।
    খুলনায় পীর খানজাহান আলী (র:) সেতুর ২ নম্বর পিলারের বেজমেন্ট থেকে সাংবাদিক ওয়াহেদ-উজ-জামান বুলু (৪০) এর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত বুলু খুলনা মহানগরীর শিববাড়ি এলাকার আকবর আলীর ছেলে। সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    রোববার (৩১ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান লবণচরা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রহিম। তিনি জানান, লাশটি নদীর ভেতরে ভাসমান অবস্থায় থাকায় নৌপুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে রূপসা নৌপুলিশ ফাঁড়ির এসআই বেল্লাহ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করেন।

    নিহতের পরনে ছিল নীল রঙের গ্যাবাডিন প্যান্ট ও আকাশি রঙের টি-শার্ট। তবে তার ডান হাত ও মুখমণ্ডল ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, যা ঘটনাটিকে রহস্যজনক করে তুলেছে।

    এদিকে পিবিআই ও সিআইডি ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    স্থানীয়দের দাবি, নদীর বেজমেন্টে এভাবে সাংবাদিকের লাশ ভেসে ওঠা এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করেছে। অনেকে এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছেন।

    এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের পর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

  • গোপালগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভি-যানে ট্রাফিক আ-ইনে ২১ মাম-লা দা-য়ের 

    গোপালগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভি-যানে ট্রাফিক আ-ইনে ২১ মাম-লা দা-য়ের 

    কে এম সাইফুর রহমান, 
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ট্রাফিক আইনে ২১ মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

    গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমানের নির্দেশে  আজ রোববার (৩১ আগস্ট) শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) মুহাম্মদ সরোয়ার হোসেন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু বিশেষ এ অভিযানে অংশগ্রহণ করেন। বিকাল ৩ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত শহরের লঞ্চঘাট এলাকার ট্রাফিক চেকপোস্টে অভিযান পরিচালনা করেন তারা। অভিযানে আরও অংশগ্রহণ করেন গোপালগঞ্জ সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যগণ। উক্ত অভিযান পরিচালনা করে সর্বমোট ২১ টি মামলা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণ ও ট্রাফিক আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

  • ময়মনসিংহে তিনদফা দা-বীতে বাকৃবি শিক্ষার্থীদের রেলপথ অব-রোধ, ভো-গান্তিতে যাত্রীরা

    ময়মনসিংহে তিনদফা দা-বীতে বাকৃবি শিক্ষার্থীদের রেলপথ অব-রোধ, ভো-গান্তিতে যাত্রীরা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি এবং অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দশম গ্রেডের পদগুলো শুধুমাত্র কৃষিবিদদের জন্য উন্মুক্ত রাখাসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) শিক্ষার্থীরা।

    রবিবার (৩১আগস্ট)সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাকৃবি জব্বারের মোড়ে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

    এ আন্দোলনের ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে। পরে হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনটি এক ঘণ্টা আটকে রাখাসহ দুপুর একটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনটিও আটকে রাখেন শিক্ষার্থীরা।

    ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে বিভিন্ন স্টেশনে বেশ কয়েকটি ট্রেন আটকা পড়েছে। এতে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

    শিক্ষার্থীরা জানায়, এই আন্দোলন ’কৃষিবিদ ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে পরিচালিত হচ্ছে। তারা বলছেন, তাদের মূল দাবিগুলো হলো—কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিএডিসি এবং অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দশম গ্রেডের পদগুলো শুধুমাত্র কৃষিবিদদের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে।

    ময়মনসিংহের জব্বারের মোড়ে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে বিক্ষোভ করেন বাকৃবির শিক্ষার্থীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা
    ময়মনসিংহের জব্বারের মোড়ে ঢাকাগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে বিক্ষোভ করেন বাকৃবির শিক্ষার্থীরা। ছবি: আজকের পত্রিকা
    এছাড়াও, কোনো ডিপ্লোমাধারীরা যেন নামের পাশে ’কৃষিবিদ’ পদবি ব্যবহার করতে না পারেন, সে বিষয়েও তারা সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

    আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানায়- তারা তাদের পেশাগত সম্মান এবং অধিকার রক্ষা করতে চান।

    রুবেল আহমেদ নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, “আমরা দীর্ঘ পাঁচ বছর পড়াশোনা করে এই ডিগ্রি অর্জন করি। অথচ ডিপ্লোমাধারীরা যদি আমাদের মতোই পদবি ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে আমাদের এই ডিগ্রির গুরুত্ব কোথায়? আমরা চাই সরকার দ্রুত আমাদের দাবিগুলো মেনে নিক।”

    সুমাইয়া আক্তার নামের শিক্ষার্থী জানান, “আমরা চাই না সাধারণ মানুষের কোনো দুর্ভোগ হোক। কিন্তু আমাদের দাবিগুলো আদায়ের জন্য এর চেয়ে ভালো কোনো উপায় আমাদের কাছে নেই। যদি সরকার আমাদের দাবিগুলো না মানে, তাহলে আমরা আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাব।”

    শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-১. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই), বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) ও অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ১০ম গ্রেডের পদ (উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা/উপ-সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা/সমমান) কেবল কৃষিবিদদের জন্য উন্মুক্ত করা।

    ২. নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হয়ে ৯ম গ্রেডে পদোন্নতির কোনো সুযোগ রাখা যাবে না (বিএডিসির কোটা বাতিল করতে হবে)।

    ৩. কৃষি বা কৃষি-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি না থাকলে নামের সঙ্গে ‘কৃষিবিদ’ পদবি ব্যবহার না করার বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা।

    অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

    এদিকে ৩ দফা দা’বি নিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ঢাকা- ময়মনসিংহ রেলপথে চলাচল ব’ন্ধ থাকার খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মফিদুল আলম ও জেলা পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম। জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম এর সাথে আলোচনার পর শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন।

    তবে আন্দোলনে অংশ নেওয়া কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী মো. সানাউল্লাহ বলেন, আমরা বারবার শান্তিপূর্ণভাবে দাবি জানিয়েছি। কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। বাধ্য হয়ে আজ রেল অবরোধ করেছি। আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

  • পটুয়াখালীতে যুব অধিকারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ভিপি নুর সহ সকল আহ-তদের সুস্থতার জন্য দো-য়া ও মিলাদ

    পটুয়াখালীতে যুব অধিকারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে ভিপি নুর সহ সকল আহ-তদের সুস্থতার জন্য দো-য়া ও মিলাদ

    পটুয়াখালী প্রতিনিধি। 

    বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের ৫’ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পটুয়াখালী জেলা যুব অধিকার পরিষদের আয়োজনে গন-অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর সহ সকল আহতদের সুস্থতা কামনায় দোয়া, মিলাদ ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রবিবার ৩১’আগস্ট সন্ধ্যা ৭ টার সময় নতুন বাজার এলাকায় জেলা কার্যালয়ে দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

    জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম (রুম্মান) এর সভাপতিত্বে এবং জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান এর সঞ্চালনায় উক্ত দোয়া মিলাদ ও আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব শাহ-আলম সিকদার, এম,সোহেল রানা যুগ্ন-আহব্বায়ক গনঅধিকার পরিষদ পটুয়াখালী জেলা, মশিউর রহমান সাদ্দাম মৃধা যুগ্ন-আহবায়ক গন-অধিকার পরিষদ পটুয়াখালী জেলা, এ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ ইউসুফ (পাশা) ১ নং সদস্য পটুয়াখালী জেলা গন-অধিকার পরিষদ। এছাড়াও বাউফল উপজেলা গন-অধিকার পরিষদের আহব্বায়ক হাবিবুর রহমান, পটুয়াখালী জেলা যুব অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুর রহমান, জেলা যুব-অধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, মনির মোল্লা সিনিয়র যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক পটুয়াখালী জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ সোহাগ হোসেন সহ জেলা উপজেলার গন অধিকার, যুব অধিকার, ছাত্র অধিকার, শ্রমিক অধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

    এসময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাদের বক্তব্যে বলেন, ঢাকায় গন অধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ন সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশ ও সেনাবাহিনী বাংলাদেশ গন-অধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুর সহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের উপর উদ্দেশ্য প্রনোদিত ন্যাক্কারজনক হামলা চালায়।হামলায় ভিপি নুর গুরুত্বর আহত হন। এসময় দলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ও আহত হয়েছেন। জুলাই আগস্ট বিপ্লবদের হত্যার ষড়যন্ত্র চলছে এটাই তার নমুনা। অমানবিক এ হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে হামলাকারী ও তাদের ইন্দোনদাতাদের বিচারের আওতায় আনা এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগি জাতীয় পার্টির নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানান। 

    আলোচনা শেষে দলের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুর সহ আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে মহান রাব্বুল আলামীনের দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন মাওলানা সাইফুল ইসলাম।