Blog

  • ময়মনসিংহে জাতীয় দু-র্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন সং-ক্রান্ত ক-র্মশালা

    ময়মনসিংহে জাতীয় দু-র্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন সং-ক্রান্ত ক-র্মশালা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত পরামর্শক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং ইউএনডিপি এর আয়োজনে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবু দাউদ মোঃ গোলাম মোস্তফা। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবু দাউদ মোঃ গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভিত্তিক এই ধরনের কর্মশালা ও সভার আয়োজন করছি। যাতে করে আমরা অঞ্চলভিত্তিক দুর্যোগের ধারণা এবং দুর্যোগে আগাম,চলাকালীন ও পরবর্তীতে করণীয় সম্পর্কে ধারণা পেতে পারি। এছাড়াও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সাথে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং সংগঠন থেকে আমরা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বিষয়ে তথ্য ও উপাত্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে করে আমরা আমাদের কাজটি আরো সঠিকভাবে করতে পারি।

    সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম বলেন, আমরা এই কর্মশালার মাধ্যমে দুর্যোগ চলাকালীন ও পরবর্তীতে করণীয় বিভিন্ন দিকনির্দেশনা ও ধারণা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে জেলা দুর্যোগ কমিটির সদস্যবৃন্দ যারা উপস্থিত রয়েছেন তারা এ বিষয়ে অনেক দিকনির্দেশনা ও ধারণা পেতে সক্ষম হয়েছেন। যা আপনাদের দুর্যোগ চলাকালীন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    এছাড়াও বক্তারা বলেন-বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগ প্রবণ দেশ। দেশের মানুষ প্রায়শই অসংখ্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্মুখীন হয়। বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে দুর্যোগঝুঁকি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ।

    তারই ধারাবাহিকতায় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ প্রণয়নে পরামর্শ ও করণীয় বিষয়ে কর্মশালায় আলোচনা করা হয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম, চলাকালীন এবং পরবর্তীতে কি কি কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে সে বিষয়েও বিভিন্ন মতামত তুলে ধরা হয়।

    কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা দুর্যোগ কমিটির সদস্যবৃন্দ , এনজিও কর্মীসহ গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বুড়িচংয়ে প্রশাসন কর্তৃক অবৈ-ধ ড্রেজার মেশিন বিক-ল ও জরি-মানা আদায়

    বুড়িচংয়ে প্রশাসন কর্তৃক অবৈ-ধ ড্রেজার মেশিন বিক-ল ও জরি-মানা আদায়

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন
    কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে মাটি উত্তোলনের দায়ে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে ড্রেজার মেশিনটি বিকল করে দেওয়া হয়।
    ২ রা সেম্টম্বর মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ তানভীর হোসেন। এ সময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোনিয়া হক এবং বুড়িচং থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
     অভিযানে দক্ষিণ শ্যামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমানকে অবৈধ ড্রেজার পরিচালনার অপরাধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে মেশিনটি অকেজো করে দেওয়া হয়, যাতে ভবিষ্যতে আর ব্যবহার করা না যায়।
    ইউএনও মোঃ তানভীর হোসেন বলেন, অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলন পরিবেশ, কৃষিজমি ও নদী-নালার জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ধরনের কার্যক্রম রোধে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।
    স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গোপনে এভাবে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছিল। এতে কৃষিজমি ও বসতভিটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল, পাশাপাশি গ্রামের সড়ক ও ভেঙে যাচ্ছিল। প্রশাসনের এ উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন।
    সরকার বারবার সতর্ক করলেও অবৈধ ড্রেজার ব্যবহার করে মাটি উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়, কৃষি জমি নষ্ট হয় এবং ভাঙন বৃদ্ধি পায়। তাই ড্রেজার ব্যবহার করে অবৈধ মাটি কাটায় আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • কালকিনিতে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অ-বমুক্তকরণ

    কালকিনিতে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অ-বমুক্তকরণ

    মোঃমিজানুর রহমান,কালকিনি।
    মাদারীপুরের কালকিনিতে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন উপজেলা প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার( ২‌ সে‌ক্টেম্বর)সকালে কালকিনি উপজেলার মৎস্য অধিদপ্তরের দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে ১৩ টি জলাশয়ে(৩২০ কে‌‌জি)কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সাইফ উল আরেফীন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাদিউজ্জামান ও কালকিনি সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রণব কুমার দত্তসহ অন‌্যান‌্য সরকা‌রি কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

  • গোপালগঞ্জ রোড লাইট নষ্ট বেওয়া-রিশ কুকুরের উৎ-পাত মাদ-কাসক্ত ও চো-রের উপ-দ্রব

    গোপালগঞ্জ রোড লাইট নষ্ট বেওয়া-রিশ কুকুরের উৎ-পাত মাদ-কাসক্ত ও চো-রের উপ-দ্রব

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জ শহরের অলিগলিতে এখন মানুষের চেয়ে বেশি দেখা মিলছে বেওয়ারিশ কুকুরের। দলবেঁধে ঘুরে বেড়ানো এসব বেওয়ারিশ কুকুরের দৌরাত্ম্যে জনজীবন অতিষ্ঠ ও দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। রাতে বাড়ি ফেরা, ভোরে নামাজ আদায় কিংবা সকালে হাঁটতে বের হওয়া—যেকোনো সময়ই সাধারণ মানুষ কুকুরের আক্রমণের শিকার হচ্ছেন।

    গত বুধবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ড মৌলভীপাড়ায় বেওয়ারিশ কুকুরের তাড়া খেয়ে ভয়ে স্ট্রোক করে সোহাগী (১২) নামের ৫ম শ্রেণির এক ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু স্থানীয়দের ক্ষোভ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পৌর এলাকার উপজেলা চত্বরে, নবীনবাগ, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, পাঁচুড়িয়া পৌর মার্কেটের পিছনে, বড়বাজার, মাংসের দোকানসমূহে, পোষ্ট অফিস মোড়, মিয়াপাড়া, মোহাম্মদপাড়া, মৌলভীপাড়া লঞ্চঘাটসহ প্রায় প্রতিটি মহল্লায় ৫ থেকে ১০টির বেশি কুকুর একসঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে। দিনের বেলায় মানুষ এড়িয়ে চললেও রাতে একা পেলেই তারা আক্রমণ করছে। গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে ১০ থেকে ১৫ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন নিচ্ছেন । গত ১০ মাসে সেখানে ১,৫০০-র বেশি মানুষ এ টিকা নিতে বাধ্য হয়েছেন।

    স্থানীয়রা জানান, একসময় পৌরসভা বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের ব্যবস্থা নিত। কিন্তু ২০১৪ সালে উচ্চ আদালতের রায়ে কুকুর নিধনে নিষেধাজ্ঞা জারির পর থেকে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিয়েছে। জন্মনিরোধ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হলেও তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন না হওয়ায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে কুকুরের সংখ্যা।

    এদিকে পৌরসভার বিভিন্ন মহল্লায় লাইটপোস্ট বিকল হয়ে পড়ায় অন্ধকারে কুকুরের দৌরাত্ম্য আরও বেড়েছে। এ যেন “মরার ওপর খারার ঘা” আলোহীন রাস্তাগুলোতে শুধু কুকুরই নয়, চোর-ডাকাতের উপদ্রব ও মাদকাসক্তদের বিচরণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সন্ধ্যার পরপরই এসব এলাকায় বের হওয়া মানুষদের জন্য হয়ে উঠছে ঝুঁকিপূর্ণ।

    স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ মিয়া বলেন, “বাজার থেকে দোকান বন্ধ করে রাতে বাসায় ফিরতে ভয় লাগে। অন্ধকার রাস্তায় কখন কুকুর আক্রমণ করবে, কখন চোর-ডাকাতের কবলে পড়ব সেই আতঙ্কে থাকতে হয়।”

    মোহাম্মদপাড়ার গৃহিণী নাজমা বেগম বলেন, “আমাদের এলাকায় অনেকদিন ধরে রোড লাইট নষ্ট। রাতে মেয়েদের একা বাইরে বের হতে দেই না। বাচ্চারা খেলতে গেলেও কুকুরের ভয় থাকে।”

    গোপালগঞ্জ পৌরবাসীর অভিযোগ, পৌর কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোন পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রতিদিনই সাধারণ মানুষকে আতঙ্কের মধ্যে চলাফেরা করতে হচ্ছে। পৌরবাসী দ্রুত বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণ, অলিগলি সহ রাস্তার লাইট মেরামত এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।

    পৌর প্রকৌশলী সজীব বাবু  জানান পৌর স্টোরে বৈদ্যুতিক বাতি (ভাল্ব) দীর্ঘদিন যাবৎ না থাকায় এই সেবাটি দিতে সমস্যা হচ্ছে। কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। সেনাকল্যাণ সংস্থা কর্তৃপক্ষকে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

  • সহজ যোগা-যোগের লক্ষ্যে গোবিপ্রবিতে মোবাইল অ্যা-প চালু

    সহজ যোগা-যোগের লক্ষ্যে গোবিপ্রবিতে মোবাইল অ্যা-প চালু

    কে এম সাইফুর রহমান, 
    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

    গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) সকল তথ্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সহজলভ্যতা আনার লক্ষ্যে নিজস্ব মোবাইল অ্যাপ (জিএসটিইউ অ্যাপ) উদ্বোধন করা হয়েছে। অ্যাপটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাবতীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা অভ্যন্তরীণ যোগাযোগকে আরো সহজ করে তুলবে।

    আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরে আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর। 

    এসময় তিনি অ্যাপটি তৈরি করার জন্য আইসিটি সেলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

    আইসিটি সেল আয়োজিত এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজমুল আহসান। 

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইসিটি সেলের পরিচালক ড. সালেহ আহমেদ ও সঞ্চালনা করেন সহকারী প্রোগ্রামার মো. মাহমুদুল ইসলাম।

    অ্যাপটি ব্যবহারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক- কর্মকর্তাদের মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল আইডি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার, ই-লাইব্রেরি সুবিধা, বাসের সিডিউল সংক্রান্ত তথ্য এবং বিভিন্ন জরুরি সেবার তথ্য পাওয়া যাবে।

    প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (লিঙ্ক: https://www.gstu.edu.bd/dev/gstuapps/) থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে। পর্যায়ক্রমে অ্যাপের তথ্য হালনাগাদ করা হবে।

  • WHRAPC’র আন্তর্জাতিক মেম্বা-রশিপ সার্টিফিকেট পেলেন সাং-বাদিক ও না-রী উদ্যোক্তা

    WHRAPC’র আন্তর্জাতিক মেম্বা-রশিপ সার্টিফিকেট পেলেন সাং-বাদিক ও না-রী উদ্যোক্তা

    শহিদুল ইসলাম,

    বিশেষ প্রতিনিধি:

    মানবাধিকার ও শান্তির পক্ষে কাজ করা বিশ্বব্যাপী সংগঠন World Human Rights and Peace Commission (WHRAPC)–এর ইন্টারন্যাশনাল মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট চট্টগ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয়েছে। এ আয়োজনকে ঘিরে মানবাধিকার কর্মী ও সাংবাদিকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যায়।

    সার্টিফিকেট প্রদান করেন-
    WHRAPC–এর বাংলাদেশ এম্বাসেডর ও ডিরেক্টর জেনারেল, বিশিষ্ট মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব ড. সাজ্জাদ হোসেন। তিনি বলেন, “মানবাধিকার রক্ষা শুধু সংগঠন বা রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়, প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। যারা সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের পক্ষে কাজ করছেন, তারাই প্রকৃত মানবাধিকার রক্ষক।”

    সার্টিফিকেট গ্রহণ করেন দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগের ব্যুরো প্রধান ও সাংবাদিক নেতা আসাদুজ্জামান, সিনিয়র সাংবাদিক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী আমিনুল হক রিপন, নারী উদ্যোক্তা ও মানবাধিকার কর্মী রিনা আক্তার।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মনিরুজ্জামান টিটু, সাংবাদিক ফজলুল হক মাসুদ, ক্রীড়া সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন ভোলা, সাংবাদিক কামরুজ্জামান, সাংবাদিক মোঃ শামীম, সাংবাদিক মোক্তার হোসেন প্রমুখ।

    বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও শান্তি সংকটের সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের এ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করেন আয়োজকরা। তারা বলেন, সাংবাদিকদের কলমের শক্তি এবং নারী উদ্যোক্তাদের অবদান মানবাধিকারের ভিত্তিকে আরও শক্ত করবে।

    অনুষ্ঠান শেষে দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ–এর চট্টগ্রাম বিভাগের ব্যুরো প্রধানের উদ্যোগে এক মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করা হয়।

  • দা-য় এড়ানো নয়, কাজের মানে জ-বাবদিহি চাই: মেয়রের স্প-ষ্ট বার্তা ওয়াসাকে

    দা-য় এড়ানো নয়, কাজের মানে জ-বাবদিহি চাই: মেয়রের স্প-ষ্ট বার্তা ওয়াসাকে

    শহিদুল ইসলাম,

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম নগরীতে নিরবিচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম ওয়াসাকে দ্রুত, কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, “ওয়াসার মূল দায়িত্ব হলো নগরবাসীকে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা। এখন পানি পাওয়া যেন ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দেরি না করে কাজের গতি বাড়াতে হবে। জনগণের কষ্ট কোনোভাবেই সহনীয় নয়।”

    নগরীর টাইগারপাসস্থ সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে ওয়াসার সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় মেয়র এ মন্তব্য করেন।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন,চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, তাসমিয়া তাহসিন, মাহমুদ শাফকাত আমিনসহ অন্যান্য প্রকৌশলী। ওয়াসার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, ডি.পি.ডি আব্দুর রউফসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    চসিক প্রকৌশলীরা জানান, ওয়াসার সুয়ারেজ প্রকল্পের কারণে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি করা হচ্ছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে, পথচারীরাও পড়ছেন চরম দুর্ভোগে। তারা মনে করেন, ওয়াসা ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে নিয়মিত সমন্বয় থাকলে এই দুর্ভোগ অনেকটাই কমানো সম্ভব।

    ওয়াসার কর্মকর্তারা বলেন, চলমান সুয়ারেজ প্রকল্পটি নগরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্প শেষ হলে পানির সংকট অনেকাংশে কমে আসবে। তবে সাময়িক অসুবিধার পর নগরবাসী দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল পাবেন।

    মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “ওয়াসা ও সিটি কর্পোরেশন উভয় প্রতিষ্ঠানই জনসেবামুখী। তাই দ্বন্দ্ব নয়, সমন্বয় দরকার। রাস্তা খননের আগে সিটি কর্পোরেশনকে জানাতে হবে। অন্যথায় আগে করা রাস্তা পরে আবার খোঁড়াখুঁড়ি করলে জনরোষ বাড়বে।”

    তিনি আরও বলেন, “ঠিকাদারদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। কাজের মান খারাপ হলে শুধু অর্থ নয়, জনবিশ্বাসও নষ্ট হয়। পরিকল্পিত কাজ হলে নগরবাসীও স্বস্তি পাবে।”

    সভায় মেয়র ওয়াসা ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে ৭–৮ সদস্যের একটি সমন্বয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। তিনি জানান, মাসিক ভিত্তিতে এই কমিটি সভা করে কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে।

    মেয়র আরও দাবি করেন, সিটি কর্পোরেশনের চলমান উদ্যোগে নগরের জলাবদ্ধতা ৫০ শতাংশ হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও ওয়াসা-চসিক একসাথে কাজ করলে নাগরিক সমস্যার বড় একটি অংশ সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

  • ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঈশ্বরগঞ্জে  ইঞ্জিনিয়ার এম এ মজিদের নেতৃত্বে বিএনপির বি-শাল শো-ডাউন

    ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঈশ্বরগঞ্জে ইঞ্জিনিয়ার এম এ মজিদের নেতৃত্বে বিএনপির বি-শাল শো-ডাউন

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে উপজেলা বিএনপির সদস্য ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
    ময়মনসিংহ-৮ ঈশ্বরগঞ্জ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মজিদ এর নেতৃত্বে বিশাল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে শোডাউন পুর্ববর্তী সময়ে দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনে নেতা কর্মীরা এসে জমায়েত হলে বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার এম এ মজিদ নেতাকর্মীদের উদ্দ্যেশে বলেন- আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলার গণমানুষের অধিকার বাস্তবায়নের স্বপ্ন নিয়ে দলটির প্রতিষ্ঠা করেন সাবেক সফল রাষ্ট্রনায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। আগামী নির্বাচনে জনগনের সমর্থন নিয়ে আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় যাবে বিএনপি, এমনটাই আশা দলের নেতা-কর্মীদের। বিএনপি যেমন অতীতে মানুষের কাছে সমাদৃত হয়েছে, সেভাবেই সমাদৃত হওয়ার জন্য কাজ করতে হবে। বিশাল শোডাউন নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্য ময়মনসিংহ দক্ষিণ ও উত্তর জেলা এবং ময়মনসিংহ মহানগর আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। আনন্দ র‌্যালির প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি‘র জাতীয় স্থায়ী কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. এ. জেড. এম জাহিদ হোসেন। র‌্যালিটি উৎস মুখর পরিবেশ নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক পরিদর্শন করে, এই সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি যুগ্ম আহবায়ক এমরান সালেহ প্রিন্স, ময়মনসিংহ বিভাগ বিএনপি‘র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপি‘র জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-আহবায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপি আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন বাবলু ও সদস্য সচিব রোকনুজ্জামান সরকার রোকন, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপি আহ্বায়ক একেএম এনায়েত উল্লাহ কালাম ও যুগ্ম-আহবায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ বিভিন্ন উপজেলা বিএনপির নেতাবৃন্দ।

  • আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও যুবলীগ নে-তা রাজন ভূঁইয়া গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও যুবলীগ নে-তা রাজন ভূঁইয়া গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার একাধিক ছাত্র-জনতার হত্যা মামলার আসামি যুবলীগ নেতা জলিল উদ্দিন ওরফে (রাজন) ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৪ এর একটি আভিযানিক দল। এর পরে র‍্যাব তাকে আশুলিয়া থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন।

    সোমবার (০১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং) দুপুরে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে র‍্যাব জানায়।

    গ্রেফতারকৃত জলিল উদ্দীন ভূঁইয়া ওরফে (রাজন) ভূঁইয়া ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে স্থানীয়রা জানান।

    র‍্যাব জানায়, সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি যুবলীগ নেতা রাজন ভূঁইয়া আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদে অবস্থান করছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‍্যাব আরও জানায়, প্রাথমিকভাবে তথ্য যাচাই করে জানতে পারি, তার নামে একাধিক ছাত্র-জনতা হত্যা মামলাসহ অন্তত ২০টির মতো মামলা রয়েছে। যার মধ্যে ৪/৫ টি মামলা এখনো চলমান।

    গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে র‍্যাব-৪ সিপিসি-২ এর স্কোয়াড্রন লিডার মোঃ নাজমুল ইসলাম। তিনি বলেন, লাশ পোড়ানোসহ একাধিক ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার আসামি রাজন ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আশুলিয়া থানা পুলিশ জানায় গ্রেফতারকৃত রাজন ভুঁইয়াকে থানায় হস্তান্তর করেছেন র‍্যাব-৪।

  • সলঙ্গায় ইয়া-বাসহ ৩ মাদক ব্য-বসায়ী গ্রে-ফতার

    সলঙ্গায় ইয়া-বাসহ ৩ মাদক ব্য-বসায়ী গ্রে-ফতার

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : 
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় র্যাব-১২ এর চৌকষ দল অভিযান চালিয়ে ১৯৭৭ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলো -পাবনা সদর রাধানগর গ্রামের আব্দুল জলিলের পুত্র আমিনুল ইসলাম রনি (৪৫),আরেকজন পাবনা সদর দোহারপাড়া গ্রামের জহুরুলের পুত্র রাশেদ রানা (৪২)এবং পাবনার সুজানগর থানার ভবানিপুর গ্রামের সেকেন্দার আলীর পুত্র আ: মজিদ মন্ডল (৪৮)। 

    ঘটনাটি ঘটেছে,গত রবিবার সকাল সোয়া ১০ টায়।রেব-১২ এর একটি টিম মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছিল।গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে,যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে ইয়াবার একটি বড় চালান পাচার হচ্ছে।এ কারনে সলঙ্গা থানার হাটিকুমরুল রোড ন্যাশনাল ফুড ভিলেজের পাশে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসায়। উল্লেখিত সময়ে কক্সবাজার হতে পাবনাগামী এসি স্লিপার কোচ (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭১৩) থামিয়ে ৩ যাত্রীর দেহ তল্লাসী করে মোট ১৯৭৭ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট,৪ টি মোবাইল ফোন,নগদ ২০,২২০ টাকাসহ তাদেরকে গ্রেফতার করে। 

    জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা জানায়,তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা করে আসছে। 

    গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সলঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।