Blog

  • বিয়ের দাবি-তে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অ-নশন

    বিয়ের দাবি-তে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অ-নশন

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিক আকাশের বাড়িতে অনশন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন এক কলেজপড়ুয়া তরুণী। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের আমিনারের ছেলে আকাশের বাড়িতে উপস্থিত হয়ে ওই তরুণী এ কর্মসূচি শুরু করেন।

     

    তরুণী জানান, স্থানীয় এক মাদরাসায় পড়ালেখার পাশাপাশি দুইজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এরপর মোবাইল ফোনে তাদের প্রেমের সম্পর্ক হয়ে আসছে। সাত বছর আট মাস ধরে প্রেমিক আকাশের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক। একপর্যায়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আকাশ তাকে বিভিন্ন জায়গায় থেকে দেখতে আসা পাত্রের পিঁড়িতে বসতে নিষেধ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে আকাশ যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

     

    তবে আকাশ বাড়িতে না থাকায় বক্তব্য না মিললেও তার বাবা আমিনার রহমান বলেন, ‘আমার ছেলে বাড়িতে নেই। আমার ছেলে কট(বন্ধকনামা) নেওয়া জমির টাকা দিতে গেলে বাড়িতে ফিরে আসেনি সে নাকি বাংলাবান্ধায় গেছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ যোগাযোগ করতে পারছিনা।’

     

    তরুণীর মা আছমা বেগম বলেন, ‘আমার মেয়ে যে বাড়িতে গেছে তার সঙ্গেই বিয়ে দিতে চাচ্ছি।’

     

    সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য আনোয়ারা পারভীন বলেন, সন্ধ্যার দিকে ওই তরুণী যখন ছেলের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তরুণীকে হেফাজতে রাখতে ছেলের ওখান থেকে তার বাড়িতে নিয়ে যান তিনি। এরপর সেখানেও ওই তরুণী থাকতে না চাওয়ায় পড়ে ছেলের বাড়িতেই অবস্থান নেয়।

     

    ইউপি সদস্য আইবুল হক বলেন, বিকেলের দিকে যখন ওই মেয়ে ছেলের বাড়িতে অবস্থান নেয় তখন মিমাংসা করার উদ্দেশ্যে মেয়েকে বুঝিয়ে তার বাবার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। পরে মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার জন্য শিলাইকুঠি বাজারে চা খাওয়ার সময় জানতে পারি আবারো ওই মেয়ে ছেলের বাড়িতে চলে গেছে। রাতে বিষয়টির কোনো সুরাহা না হওয়ায় তিনি থানায় অবগত করেন।

     

    ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. তারেক হোসেন বলেন, ‘তিনি এ বিষয়ে অবগত নন। কেউ তাকে এ বিষয়ে অবগত করেননি। তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন জানিয়েছেন।’

     

    তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুসা মিয়া বলেন, বিষয়টি শুনেছি। এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জানা যায়, ‘ইউপি সদস্য আইবুল হক মিমাংসা হওয়ার কথা জানালেও ওই তরুণীর দাদা জয়নাল আবেদীন ও স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ছেলের বাবা মেনে নিচ্ছেননা এখনো মিমাংসা হয়নি।’

  • খালি চো-খে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড় কখন আসবেন

    খালি চো-খে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড় কখন আসবেন

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    বিশ্বের তৃতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে যেন আকাশের বুকে প্রকাণ্ড পাহাড়ের ওপর একগুচ্ছ রঙিন প্রতিচ্ছবি। কখনো দেখতে শ্বেত-শুভ্র আবার কখনো দেখতে সূর্য ও কমলা রঙের। ২৮ হাজার ১৬৯ ফুট উচু এই চূড়া মাথায় নিয়ে মহান হিমালয়ের অবস্থান নেপাল ও ভারতের সিকিম রাজ্যের মাঝামাঝি সীমান্তরেখায়। আর বাংলাদেশ থেকে এই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে যেতে হবে পঞ্চগড়ে।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পঞ্চগড় ভ্রমণের পদ্ধতি

    দেশের উত্তরাঞ্চলের শেষ বিভাগ রংপুরের জেলা পঞ্চগড়। এর পূর্বে ফাঁমাগড় প্রশাসন, পশ্চিমে ও উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ ও দক্ষিণে ঠাকুরগাও ও দিনাজপুর জেলা।

    পঞ্চগড়ের কোন জায়গা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়

    পঞ্চগড়ের অন্তর্গত তেঁতুলিয়া দেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা। এই সদরের প্রাণকেন্দ্রে একটি ঐতিহাসিক ডাকবাংলো রয়েছে। কথিত আছে– এটি নির্মাণ করেছিলেন কুচবিহারের রাজা। জেলা পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত ডাকবাংলোটির পাশে তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদের তত্ত্বাবধানে গড়ে তোলা হয়েছে সুন্দর একটি পিকনিক স্পট।

    দুটি স্থাপনা একসাথে দারুণ এক দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। সৌন্দর্যমণ্ডিত এ জায়গাটি দেখার জন্য ভূমি থেকে প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিটার উচুতে উঠতে হবে। এর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে স্রোতস্বিনী মহানন্দা। নদীর ওপারে ভারত আর এপারে সুউচ্চ গড়ের ওপর এই ডাকবাংলো ও পিকনিক স্পটটি। এই ডাকবাংলোর বারান্দা থেকেই দেখা যায় দূরের দিগন্তরেখায় ভেসে আছে কাঞ্চনজঙ্ঘা। এ ছাড়া তেঁতুলিয়ার অন্যান্য জায়গার মধ্যে বাংলাবান্ধা, বাইপাস, ভজনপুর করতোয়া সেতু, ভিতরগড় থেকেও দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘাকে।

    পঞ্চগড় থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সেরা সময়

    সাধারণত শীতকালে দূরের মেঘমুক্ত আকাশে যেন ভেসে থাকতে দেখা যায় তুষারশুভ্র পাহাড়ের চূড়া। রোদের আলোয় চিকচিক করতে থাকে কাঞ্চনজঙ্ঘার সেই মোহনীয় শোভা উপভোগ করার জন্য শীতই সবচেয়ে সেরা সময়। পাহাড় চূড়ার প্রাকৃতিক দৃশ্যটি সারা দিনের ভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রুপ ধারণ করে। তাই বছরের যে কোন সময় না গিয়ে অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়টাতে যাওয়া উত্তম। এই সময়টাতে আকাশ একদম পরিষ্কার থাকে। মেঘের সঙ্গে বরফে ঢাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার লুকোচুরি খেলার কোন উপায় থাকে না। এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানের ফাঁকা জায়গায় দাড়ালে খুব ভোরে মেঘ ও কুয়াশামুক্ত নীল আকাশ জুড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্য পর্যটকদের খালি চোখেই এঁকে দেয় বিস্ময়ের চিহ্ন।

    ঢাকা থেকে পঞ্চগড় যাওয়ার সহজ পদ্ধতি

    বাস এবং ট্রেনের মাধ্যমে ঢাকা থেকে পঞ্চগড় জেলায় পৌঁছানো যায়। ঢাকার গাবতলী বাস টার্মিনাল, শ্যামলী ও মিরপুর থেকে পঞ্চগড়ের বাস পাওয়া যায়। পঞ্চগড় নেমে লোকাল বাসে করে যেতে হবে তেঁতুলিয়ায়। এ পথে সারাদিন এই বাসগুলো চলাচল করে। পঞ্চগড় থেকে তেঁতুলিয়া যাওয়ার পথে এশিয়ান হাইওয়ে পড়ে। ঢাকা থেকে সরাসরি তেঁতুলিয়ারও বাস আছে। ট্রেনে যেতে হলে ঢাকার কমলাপুর থেকে সরাসরি পঞ্চগড় ট্রেন রয়েছে। পঞ্চগড় নেমে এখানকার কেন্দ্রীয় বাসস্টেশন ও চৌরঙ্গী মোড়ে পাওয়া যাবে প্রাইভেটকার ও মাইক্রো। এগুলোতে করে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা যাবে।

    পঞ্চগড় ভ্রমণে থাকা–খাওয়ার ব্যবস্থা

    তেতুলিয়া উপজেলায় আবাসিক হোটেল রয়েছে। মহানন্দা নদীর তীরের ডাকবাংলোতে থাকা যেতে পারে। তবে তার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট থেকে অনুমতি নিয়ে নিতে হবে। এ ছাড়া বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের জেলা পরিষদের ডাকবাংলো এবং বন বিভাগের ও সওজ রেস্টহাউস আছে এগুলোতেও থাকার জন্য অনুমতির প্রয়োজন হবে। আর পঞ্চগড়ে এসে থাকতে চাইলে এখানে সাধারণ মানের আবাসিক হোটেল রয়েছে।

    পঞ্চগড়ের বেশ কিছু ঐতিহ্যবাহী খাবার রয়েছে, যেগুলো এখনো গ্রামগুলোতে রান্না হয়ে থাকে। অবশ্য এগুলোর অধিকাংশই এখন বিলুপ্তির পথে। খাবারগুলোর মধ্যে ডিম ভূনা, তেঁতুলিয়া উপজেলায় হালকা, শীদলের ভর্তা, পাটা শাকের খাটা, কাউনের ভাত, সজির মুড়ার ছ্যাকা ও মোড়ত লাভা শাকের পেলকা অন্যতম।

    পঞ্চগড়ের অন্যান্য দর্শনীয় স্থানসমূহ

    কাঞ্চনজঙ্ঘার মোহনীয় দৃশ্য ছাড়াও পঞ্চগড় ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক নিদর্শনের অপূর্ব উপচার সাজিয়ে রেখেছে। এগুলোর মধ্যে মহারাজার দিঘী, চা বাগান, ভিতরগড়, শাহী মসজিদ, মিরগড়, জিরো পয়েন্ট, রক্স মিউজিয়াম, এবং বারো আউলিয়া মাজার অন্যতম।

    বাংলাদেশ থেকে সুদূর কাঞ্চনজঙ্ঘার অপরূপ সৌন্দর্য দর্শনে পঞ্চগড় ভ্রমণে পাওয়া যাবে এক অপার সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পের অভিজ্ঞতা। ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর নানা শ্রেণীর পর্যটকদের আসা–যাওয়ার ফলে এ অঞ্চলটিতে তৈরি হয়েছে পর্যটন শিল্পের সমৃদ্ধির সুযোগ। হাজার বছরের চমকপ্রদ ইতিহাস-ঐতিহ্য, পাথর ও চা শিল্প; সব মিলিয়ে ভ্রমণের জন্য এক পরিপূর্ণ এলাকা। শুধু প্রয়োজন অবকাঠামোগত উন্নয়নের। বিশেষ করে সরকারি উদ্যোগে এখানে পর্যটকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হলে, এই ছোট্ট উপজেলাই পরিণত হতে পারে রাজস্ব আয়ের একটি কার্যকর উৎস।

  • মাছের সাথে শ-ত্রুতা, দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষ-তি

    মাছের সাথে শ-ত্রুতা, দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষ-তি

    জিল্লুর রহমান,
    মাগুরা প্রতিনিধি।।

    মাগুরার শ্রীপুরে একটি পুকুরে গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দিনগত রাতের কোন এক সময় সদর ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া বিলের মাঠের একটি পুকুরের এই ঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, কে বা কারা রাতের আধারে শত্রুতা বসত পুকুরের পানিতে গ্যাস ট্যাবলেট প্রয়োগ করে। পরে শুক্রবার সকালে পুকুরের মালিক মিলন মুন্সি পুকুরে গিয়ে পুকুরে মরা মাছ ভেসে থাকতে দেখে। এতে পুকুরের মালিক মিলন এ ঘটনায় প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে হবে দাবি করেন। এ ব্যাপারে শ্রীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

    মাছ চাষী মিলন মুন্সি বলেন, ‘ ৭০ শতাংশ পুকুর ও ফসলি জমিতে রুই, কাতলা, মৃগেল, ও সিলভার কার্পসহ বিভিন্ন দেশীয় জাতের মাছ চাষ শুরু করেছিলাম। গত রাতে প্রতিহিংসা করে কে বা কারা আমার পুকুরে গ্যাস ল্যাবলেট প্রয়োগ করে মাছ মেরে ফেলেছে। এতে আমার প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এর আগেও আমার এ পুকুরপাড় থেকে বরশি ও গ্যাস ট্যাবলেটসহ কয়েকজনকে হাতেনাতে ধরেছি। আমার তাদেরকে সন্দেহ হয়। যারাই এ কাজ করুক আমি এ ঘটনার সঠিক বিচার চাই।

    এ ব্যাপারে শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ইদ্রিস আলী বলেন, ‘এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত থানায় কেও কোন অভিযোগ করেনি, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

  • বাবুগঞ্জের কর্মসংস্থান ব্যাংকের স্টাফের উপর হাম-লা- থানায় অভি-যোগ

    বাবুগঞ্জের কর্মসংস্থান ব্যাংকের স্টাফের উপর হাম-লা- থানায় অভি-যোগ

    কে এম সোয়েব জুয়েল,
    বাবুগঞ্জে কর্ম সংস্হান ব্যাংক স্টাফের হামলার স্বীকার হয়ে রক্তাক্ত যখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও থানায় অভিযোগ করেছেন চায়ের দোকানদার সাগর।

    ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং সন্ধায় বাবুগঞ্জ উপজেলার পাশ্ববর্তী গৌরনদীর থানার সরিকল ইউনিয়নের সাকোকাঠি বাস- স্টান্ডে।

    চায়ের দোকানদার সাগর- ৩৩ গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের শাহাজিরা গ্রামের আলী হোসেন সরদারের পুত্র ।

    সাগর জানায় ২০১৯ সালে করনা কালীন ভয়াবহ দুর্যোগের সময় তার ব্যাবসা টিকিয়ে রাখার জন্য ৪ লক্ষ টাকা লোন গ্রহন করেন বাবুগঞ্জ শাখার আগরপুর কর্ম সংস্হান ব্যাংক থেকে। এবং তার হিসাব মতে এ যাবৎ কাল পর্যন্ত তিনি (সাগর) ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

    অপরদিকে আগরপুর কর্ম- সংস্থান ব্যাংক কর্তৃপক্ষের হিসাব মতে সাগর দিয়েছেন ২ লক্ষ ষাট হাজার টাকা। এ নিয়ে ভুল বুঝাবুঝির এক পর্যায় সাগরের একই ইউনিয়নের পাশ্ববর্তী গ্রামের তার সম্পর্কের চাচা সাংবাদিক জুয়েলকে নিয়ে হিসাব বুঝে নিতে ২৫ আগষ্ট ২০২৫ ইং কর্মসংস্হান ব্যাংকে যান চায়ের দোকানদার সাগর।

    তারি ধারাবাহিকতায় সাংবাদিক নিয়ে যাওয়ার প্রশ্ন তুলে ৫ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাকোকাঠি মিশুক স্টান্ডে ক্ষিপ্ত হয়ে তর্ক জড়িয়ে পরেন কর্ম সংস্থান ব্যাংকের ম্যানেজার মোসাম্মৎ মমতাজ বেগম ও তার সহ – কর্মী শুভ্রত। সাংবাদিক নিয়ে অফিসে যাওয়া অপরাধ হয়েছে নাকি এমন প্রশ্ন তুলতে ম্যানেজার মমতাজের উপস্থিতিতে সাগরকে মেরে রক্তাক্ত যখম করেন ম্যানেজারের সহকর্মি শুভ্রত।

    এ ঘটনায় সাগরকে রক্তাক্ত অবস্থায় স্হানীয়রা উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় গৌরনদী থানায় লেখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন দোকান মালিক সাগর এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এ ঘটনা জানতে পেরে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরি সাংবাদিকদের বলেন, লোনের টাকা আদায়ের জন্য সরকারের প্রচালিত আইনি ব্যাবস্হা রয়েছে মারধর ও রক্তাক্ত যখম করে টাকা উত্তোলন সুযোগ নাই এটা যদি হয়ে থাকে তা দুঃখ জনক ব্যাপার বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন। অপরদিকে গৌরনদী থানার ভার প্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যাবস্হ্যা নিবেন এমনটি জানিয়েছেন তিনি।

    ভিন্ন দিকে সগরের হাসপাতালে ভর্তির কথা শুনে ঘটনাটি ভিন্নদিকে প্রভাবিত করতে ও নিজদের দায় এড়াতে কর্মসংস্হান ব্যাংকের ম্যানেজার মমতাজ বেগম তার সহকর্মি শুভ্রতকে বরিশাল শেরই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দিয়েছেন বলে বিশ্বস্ত সুত্র জানিয়েছেন।

  • গ্রাফিতি মু-ছে ফেলা নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক

    গ্রাফিতি মু-ছে ফেলা নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জুলাই অভ্যুত্থান ঘিরে ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন দেয়ালের মতো জেলা প্রশাসকের সরকারি বাসভবনের সীমানা প্রাচীরেও আঁকা হয়েছিল গ্রাফিতি। তবে সীমানা প্রাচীর সংস্কার কাজের সময় সেসব গ্রাফিতি মুছে ফেলা হলে সমালোচনা শুরু হয় এবং অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিষয়টি নিয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. মুফিদুল আলম।

    বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, গত ৫ আগস্ট জেলা প্রশাসকের বাংলো, সীমানা প্রাচীর, বাসভবন, ভবনের গেইট এবং পাঁচটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়া যায়। ওই বরাদ্দের অর্থ দিয়ে ভবন ও দেয়াল মেরামত, চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া বসানোসহ নানা সংস্কার কার্যক্রম চলছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘এই জীর্ণশীর্ণ দেয়ালের মধ্যে কিছু গ্রাফিতি ছিল। এগুলো রেখে সংস্কার কাজ করা সম্ভব ছিল না। গণপূর্ত অধিদফতর জানিয়েছে, কাজের সময় দেয়ালে সিমেন্টের আঁচড় পড়ায় গ্রাফিতির কিছু অংশ নষ্ট হয়েছে। এতে কিছুটা বেমানান লাগছিল। বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই জানিয়ে তিনি পোস্টে আরও বলা হয়, ভবনের নিরাপত্তার স্বার্থে দেয়াল উঁচু করা হয়েছে এবং কাঁটাতারের বেড়া লাগানো হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার পর পূর্বের চেয়েও সুন্দরভাবে নতুন গ্রাফিতি আঁকানো হবে বলেও আশ্বস্ত করেন জেলা প্রশাসক।

    তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘এই নির্মাণ ও সংস্কার কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে পরিচালনা করছে গণপূর্ত অধিদফতর, ময়মনসিংহ। ঠিকাদার নিয়োগও করেছে তারা। এতে জেলা প্রশাসকের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’

    জেলা প্রশাসক আরও বলেন, ‘আমি নিজেও ২৪’কে ধারণ করি ও লালন করি। ২৪-এর আদর্শকে সমুন্নত রাখতে চাই। এর পরিপন্থি কোনো কাজ আমার দ্বারা হবে না এ ব্যাপারে সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই।’

    জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায়- জেলা প্রশাসনের বাংলোর নিরাপত্তা, সৌন্দর্য, এবং কাঠামোগত অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে বাংলোর চারপাশের সীমানা প্রাচীর বা দেয়াল মেরামত করা হয় যেখানে ভাঙা অংশ মেরামত করা, ফুটো ভরাট করা, এবং প্রয়োজন হলে পুনরায় প্লাস্টার বা রঙ করার মতো কাজ অন্তর্ভুক্ত থাকে।সংস্কারের প্রক্রিয়া হিসাবে ১. মূল্যায়ন: প্রাচীরের অবস্থা পরীক্ষা করে দেখতে হয় কোথায় কোথায় ফাটল ধরেছে, ভাঙা অংশ আছে, নাকি প্লাস্টার খসে পড়েছে।২. পরিষ্কার করা: দেয়ালের ভাঙা অংশ বা আলগা প্লাস্টার সরিয়ে একটি পরিষ্কার পৃষ্ঠ তৈরি করা হয়।৩. ফাটল ভরাট: ফাটলগুলো সিমেন্টের মর্টার বা উপযুক্ত ফিলার দিয়ে ভরাট করা হয়।৪. প্লাস্টার ও ফিনিশিং: প্রয়োজন হলে নতুন প্লাস্টার করা হয় এবং দেয়াল মসৃণ করার জন্য ফিনিশিং করা হয়। ৫. রঙ করা: সব কাজ শেষে দেয়ালের সৌন্দর্য বাড়াতে এবং সুরক্ষার জন্য রঙ করা হয়।
    এই সংস্কার বাংলোকে আরও মজবুত এবং আকর্ষণীয় করে তোলে। সেই আকর্ষণ বৃদ্ধির লক্ষেই ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের বাংলোর প্রাচীরে সংস্কারের কাজ চলমান রয়েছে যা নিয়ে জেলা প্রশাসককে নিয়ে অপপ্রচার করা হচ্ছে।

    তবে জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম বলেন, ‘২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের শহীদরা আমাদের প্রেরণার বাতিঘর। তাদের চেতনা আমরা লালন করি। তারা আমাদের জাতীয় সম্পদ। তারা যে উদ্দেশ্যে জীবন দিয়েছেন আমরা যেন তাদের সম্মান সমুন্নত রাখতে পারি সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি আগামীতে করে যাবো।

  • ভালুকায় এসিল্যান্ডের নেতৃ-ত্বে অভি-যানে ব্যাটারি কারখানাকে নয় লাখ টাকা জরি-মানা

    ভালুকায় এসিল্যান্ডের নেতৃ-ত্বে অভি-যানে ব্যাটারি কারখানাকে নয় লাখ টাকা জরি-মানা

    আরিফ রববানী,ময়মনসিংহ:

    ময়মনসিংহের ভালুকায় ওয়াংশিয়াং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড(এক্সটেনশন)” নামক ব্যাটারি তৈরির কারখানাকে পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকা এবং ইটিপি ছাড়া কারখানা পরিচালনার দায়ে নগদ ৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে কারখানা থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৫সেপ্টেম্বর) দুপুরে পরিবেশ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ জেলা ও ভালুকা উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের ডোবালিয়াপাড়া সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত কারখানায়
    এই অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) ইকবাল হোসেন।এ সময় পরিবেশ অধিদফতর ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের ইন্সপেক্টর মাহবুবুল ইসলাম সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হোসেন জানান,দীর্ঘ দিন ধরে কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারী আ’গু’নে জ্বা’লি’য়ে অ’বৈ’ধ সিসা তৈরি আসছিলো। সংবাদ পেয়ে অভিযান চালিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫(সংশোধিত ২০১০)’ এবং কঠিন ব্যর্জ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ এর সংশ্লিষ্ট ধারা ও বিধি মোতাবেক সর্বমোট ০৯,০০,০০০/-(নয় লক্ষ টাকা) অর্থদন্ড প্রদান ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। একই সাথে পরিবেশগত ছাড়পত্রের সকল শর্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে কারখানা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগেও কারখানাটিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে সাত লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এবারেও অভিযানে ওই কারখানাকে ইটিপি এবং পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র দেখতে চাইলে তারা দেখাতে পারেনি।

    তিনি আরো জানান- কারখাটিকে অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযান চলবে বলেও জানান সহকারী কমিশনার ভূমি ইকবাল হোসেন।

  • সুজানগরে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভা-যাত্রা ও সমা-বেশ অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভা-যাত্রা ও সমা-বেশ অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সুজানগরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে । সুজানগর উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় অসংখ্য নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে বের হওয়া মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলো প্রদক্ষিণ করে পৌর ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
    পরে সুজানগর পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক রাশেদুল ইসলাম বাবু মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সুজানগর উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব আজম আলী বিশ্বাস। প্রধান ও বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুজানগর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এবিএম তৌফিক হাসান ও সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মন্ডল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মোল্লা ও বর্তমান পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম বিশ্বাস । অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইউসুব আলী মোল্লা,উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক ওবায়দুল্লাহ। সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক গোলাম মোর্তজা, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জু শেখ, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক শাহজাহান আলী শেখ, বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম,খন্দকার গোলাম আযম, ইয়াকুব আলী, আলাউদ্দিন আলাল, সাফা, আলী আকবর, পৌর বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক হাবিবুর রহমান রব, দপ্তর সম্পাদক হযরত আলী, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক রইজ বিশ্বাস, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক জাহিদ বিশ্বাস, যুবনেতা সেলিম, সিদ্দিকুর রহমান, কৃষকদল নেতা বঁাশি, যুবনেতা বাবু খান, রেজা, রবিউল ইসলাম রবি, মালেক, জেলা ছাত্রদল নেতা এস এম পাপ্পু, ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান, শেখ রুবেল, সৈকত হাসান ফিরোজ ও সিয়াম সরদার প্রমুখ।
    সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনগণ বিএনপির আহ্বানে সাড়া দিয়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছিল। কারণ তারা বিশ্বাস করতো একমাত্র বিএনপি পারে নতুন বাংলাদেশ গড়তে এবং তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে।

    সেই কারণে ১৬ বছর ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে একমাত্র বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রতিদিন প্রতি মুহূর্ত লড়াই করেছে। আর কোনো রাজনৈতিক শক্তি নেই, যারা এ দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিদিন প্রতি মুহূর্ত লড়াই করেছে।

    ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে এবং পুলিশের বুলেটকে আলিঙ্গণ করে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের নিবেদন এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা কতটুকু দৃঢ়। সেই দীর্ঘ লড়াই, সংগ্রামে আমাদের আত্মত্যাগের একটি লক্ষ্য ছিল জনগণের কাঙিক্ষত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বির্নিমাণ করা।

  • ঝিনাইদহে ব্যবসায়ীর অ-র্ধগলিত লা-শ উ-দ্ধার

    ঝিনাইদহে ব্যবসায়ীর অ-র্ধগলিত লা-শ উ-দ্ধার

    ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
    বুধবার রাতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার তোয়াজ উদ্দীন (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত তোয়াজ উদ্দিন শেখ কেশবপুর গ্রামের হারিস আলী শেখের ছেলে। ঝিনাইদহের থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, বুধবার বিকালে তোয়াজ উদ্দিনের ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হলে স্থানীয়রা তার স্বজনদের খবর দেন। পরে স্বজনরা জানালা দিয়ে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের তালা ভেঙে হাত-পা বাধা মরদেহ উদ্ধার করে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই ঘটনাকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডে কে বা কারা জড়িত তা জানা যায়নি। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বুধবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, তোয়াজ নামে এক ব্যক্তির হাত পা বাধা অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে হত্যাকাণ্ড হিসেবে আমরা ধারণা করছি। সুরতহাল শেষে মরদেহ মর্গে পাঠানো হবে। তদন্তের পরে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • তানোরে জাতীয়-তাবাদী স্বেচ্ছা-সেবক দলের কর্মীসভা

    তানোরে জাতীয়-তাবাদী স্বেচ্ছা-সেবক দলের কর্মীসভা

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীসভা আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে ও তানোর পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মাহাবুর মোল্লার সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক হাবিবুর রহমান ও সদস্য সচিব মোাহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র সঞ্চালনায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক
    মাসুদুর রহমান লিটন, প্রধান বক্তা সদস্য উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহরিয়ার আমিন বিপুল ও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক আরিফিন কনক।অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সাফায়েত হোসেন মাবুদ,
    জালাল উদ্দীন, সেলিম উদ্দিন,
    রাফিকুল ইসলাম,আব্দুর রাজ্জাক ও আব্দুল গাফফারপ্রমুখ।এছাড়াও উপজেলা,পৌরসভা ও ইউনিয়ন কমিটির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।এদিন গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপজেলা চত্ত্বরে নেতাকর্মীর ঢল নামে। দুপুরের পর থেকেই নেতাকর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল উপজেলা চত্ত্বরে সমবেত হয়।#

  • আশুলিয়ায় এক নারী ও দুই পুরুষ মাদ-ক কা-রবারিকে ২৫ কেজি গাঁ-জাসহ গ্রে-ফতার

    আশুলিয়ায় এক নারী ও দুই পুরুষ মাদ-ক কা-রবারিকে ২৫ কেজি গাঁ-জাসহ গ্রে-ফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইল-জিরাবো সড়কের সামাজিক কনভেনশন সেন্টার সংলগ্ন এলাকায় একটি যৌথ অভিযানে একজন নারী ও দুইজন পুরুষ কুখ্যাত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথ বাহিনী জানায়, গত রাত আড়াই টার দিকে সামাজিক কনভেনশন সেন্টার সংলগ্ন বাইপাইল-জিরাবো সড়কে পরিচালিত একটি যৌথ চেকপোস্ট অভিযানে সন্দেহভাজন একটি মাইক্রোবাস তল্লাশির সময় ২৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। সেনাবাহিনী নেতৃত্বাধীন এই যৌথ অভিযানে পুলিশ ও বিজিবিও ছিল।

    মাইক্রোবাসটি থেকে ১ জন নারী -নাজমা (স্থানীয় ডিস্ট্রিবিউটর, আশুলিয়া) এবং ২ জন পুরুষ – রাজন ও ইমান (সরবরাহকারী, সিলেট) কে আটক করা হয়। তারা সকলেই মাদক কারবারীর সাথে জড়িত থাকার ব্যাপারে সীকারোক্তি দিয়েছেন। রাজন ও ইমাম সিলেট থেকে মাদক এনে দিতেন, এবং নাজমা তা জামগড়া এলাকায় নিজে ও অন্যান্য খুচরা বিক্রেতাদের মাধ্যমে বিক্রি করতেন।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান জানান, তিনজন মাদক কারবারি কাছ থেকে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য এবং আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য যৌথ বাহিনী তাদেরকে থানায় হস্তান্তর করেছেন।