Blog

  • আয়েশা মনিকে হ/ত্যার ঘটনায় দুইজন গ্রে/প্তার

    আয়েশা মনিকে হ/ত্যার ঘটনায় দুইজন গ্রে/প্তার

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় স্কুলছাত্রী আয়েশা মনি (১১) হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধর্ষনের পরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার কথা গ্রেপ্তারদের একজন
    স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম রুবেল প্যাদা (৩২)। তিনি নিহত আয়েশা মনির প্রতিবেশী চাচা। রুবেল প্যাদা সদর ইউনিয়নের মাঝ নেতা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম কুট্টি প্যাদা। গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে নিজ এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রুবেল প্যাদা হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনায় জড়িত আরও একজনের নাম বলেন। পরে ওই ব্যক্তিকেও পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে রুবেল প্যাদাকে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট চৌকি আদালতে পাঠানো হয়।

    রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেরাজুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজের ঘটনায় আয়েশার বাবা শনিবার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডির ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে রোববার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে আরেক সহযোগীর নাম উল্লেখ করেছেন। তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    ওসি আরও বলেন, আয়েশা মনিকে ধর্ষণের পরে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকার করেছে রুবেল প্যাদা।

    এর আগে রোববার দুপুরে নিখোঁজের প্রায় ৪৩ ঘণ্টা পর রাঙ্গাবালী উপজেলার মাঝ নেতা গ্রামে আয়েশা মনির নিজ বাড়ির রান্নাঘর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

  • শীতার্তদের পাশে মা/নবিক এ্যাসিল্যান্ড শিবু দাস

    শীতার্তদের পাশে মা/নবিক এ্যাসিল্যান্ড শিবু দাস

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত জনজীবনে অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার মানবিক সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পুঠিয়া পৌর প্রশাসক শিবু দাশ। শীতের সকালে নিজ উদ্যোগে কম্বল নিয়ে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন তিনি। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৬টা থেকে পুঠিয়া আড়ানী, রাজবাড়ী বাজার, কাঠালবাড়িয়াসহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঘন কুয়াশার মধ্যেই শীতার্তদের খোঁজখবর নেন এসিল্যান্ড শিবু দাশ। যাদের শীতবস্ত্রের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমন গরিব, দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষদের বাছাই করে তাদের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন তিনি। এসব শীতবস্ত্র সহায়তা পেয়ে শীতার্ত মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কম্বল পেয়ে খুশি ভানু সরদার বলেন, এই শীতে কেউ খোঁজ নেয়নি। আজ এসিল্যান্ড স্যার নিজে এসে আমাদের হাতে কম্বল তুলে দিয়েছেন। এতে আমাদের খুব উপকার হয়েছে। রেহেনা বেওয়া বলেন, এই শীতের মধ্যে তিনি যেভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন,আল্লাহ যেনো তার ভালো করেন।
    এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক শিবু দাশ সুমিত বলেন, তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে অসহায় দরিদ্র মানুষজন চরম কষ্টে আছে। সেই কষ্ট অনুভব করেই শীতের সকালে নিজে তাদের কাছে ছুটে গিয়েছি। রাস্তার পাশে ও গ্রামে থাকা প্রকৃত শীতার্ত মানুষদের খুঁজে খুঁজে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি শীতার্তদের সহায়তায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আশার আহবান জানান। সকলে যদি আমরা এসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই তাহলে কষ্টে থাকা মানুষেরা উপকৃত হবেন। তাদের পাশে থাকা সকলে নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব বলেও জানান তিনি।#

  • পথে পথে শীতবস্ত্র নিয়ে ঘুরছেন মানবিক ইউএনও

    পথে পথে শীতবস্ত্র নিয়ে ঘুরছেন মানবিক ইউএনও

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    সারা দেশের ন্যায় রাজশাহী অঞ্চলেও জেঁকে বসেছে শীত। সমাজের হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের শীত নিবারণের জন্য বিকেল থেকে রাতের আঁধারে, পথে-ঘাটে ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ছিন্নমূল, হতদরিদ্র গরিব মানুষদের মাঝে শীতের কম্বল (শীতবস্ত্র) বিতরণ করেছেন মানবিক
    পুঠিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান। তার একাজে, সঙ্গে থেকে সহায়তা করছেন পুঠিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাহবুবা আক্তার। রোববার ও সোমবার বিকেল হতে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে বহু মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন তিনি। শীতার্ত
    মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে দারুণ ভাবে প্রশংসিত ও তার এ কাজে দু-হাত ভরে দোয়াও কুড়ালেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান বলেন, অনেক শীত পড়েছে, গরিব মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে। সেই কষ্ট অনুভব করেই শীতের সকালে নিজে তাদের কাছে ছুটে গিয়েছি। রাস্তার পাশে ও গ্রামে থাকা প্রকৃত শীতার্ত মানুষদের খুঁজে খুঁজে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি শীতার্তদের সহায়তায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আশার আহবান জানান। সকলে যদি আমরা এসব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই তাহলে কষ্টে থাকা মানুষেরা উপকৃত হবেন। তাদের পাশে থাকা সকলে নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব বলেও জানান তিনি।#

  • খালেদা জিয়ার রুহের মা/গফিরাত কামনায় দুলাই ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    খালেদা জিয়ার রুহের মা/গফিরাত কামনায় দুলাই ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর : দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সুজানগর উপজেলার দুলাই ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে সোমবার এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন পাবনা-২ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব।

    সুজানগর উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহবায়ক আব্দুল মান্নান( বিএসসি) এর সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ সম্পাদক মো: মাসুম বিল্লাহ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান মাস্টার, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আবুল কালাম ফকির , উপজেলা শ্রমিকদলের সভাপতি আব্দুল মান্নান মোল্লা , বিএনপি নেতা বাদশা , সাহেব মাস্টার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক এস এম রাসেল শেখ , ওয়ার্ড বিএনপি নেতা নজরুল শেখ, বিএনপি নেতা প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা , ছাত্রনেতা মো: রহমত উল্লাহ সহ স্থানীয় বিএনপি এবং সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ শরীক হন।

    দোয়া মাহফিল পূর্ববর্তীতে প্রধান অতিথি পাবনা-২ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা হাবিব বলেন, দেশ ও গণতন্ত্রের জন্য বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    দোয়া মাহফিলে মরহুমা নেত্রীর আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে অংশ নিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার জন্য অশ্রু ঝরান দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ মানুষ।

  • সংগ্রা-ম, সাফল্য ও গৌরবের ইতিহাস—সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    সংগ্রা-ম, সাফল্য ও গৌরবের ইতিহাস—সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়

    স্বরূপকাঠী সংবাদদাতা, (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

    একটি জনপদের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মানবিক চেতনার বিকাশে যে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় এক শতাব্দী ধরে আলোকবর্তিকা হয়ে জ্বলে আছে, তা হলো সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। নানা ঘাত-প্রতিঘাত, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজনৈতিক আন্দোলন ও অর্থনৈতিক সংকট পেরিয়ে বিদ্যালয়টি আজও স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে—এটাই এর সবচেয়ে বড় সাফল্য।
    ১৯২৭ সালের ৪ জানুয়ারি স্বরূপকাঠীর বড় দত্ত বাড়িতে দত্ত মহাশয়দের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় এই বিদ্যাপীঠ।

    প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যালয়টি সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হলেও ১৯৪৬ সালের হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা ও ১৯৪৭ সালের দেশভাগের প্রভাবে শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। তৎকালীন পরিচালকদের অধিকাংশই ভারতে চলে গেলে ১৯৫২ সালে বিদ্যালয়টি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ লুটপাট হলেও দুটি ঘর কালের সাক্ষী হয়ে টিকে ছিল।

    এই সংকটময় সময়ে স্বরূপকাঠীর বাবু সুরেন্দ্রনাথ কর্মকার স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে অন্তত একটি ঘর রক্ষা করেন এবং সেখানে প্রাথমিকভাবে শিক্ষাকার্যক্রম চালু রাখেন। তবে প্রকৃত অর্থে বিদ্যালয়ের পুনর্জন্ম ঘটে ১৯৫৮-৫৯ সালে। গাভা হাই স্কুলের শিক্ষক জগন্নাথকাঠীর আব্দুল ওয়াহাব ও সুটিয়াকাঠীর আব্দুর রউফ বিদ্যালয়টি পুনঃপ্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। তাঁদের আহ্বানে সাড়া দেন শ্রদ্ধেয় ডা. আব্দুল লতিফসহ এলাকার বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি। শিক্ষক, যুবক, সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১৯৫৯ সালের ৪ জানুয়ারি মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে পুনরায় বিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়।

    প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান শিক্ষক ছিলেন মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ। বেঞ্চ-চেয়ার না থাকায় গাছতলায়, মাঠে, মণ্ডপে পাঠদান চলত—রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতনের আদলে। ছাত্রদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হতো স্থানীয় মানুষের বাড়িতে; ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। বিদ্যালয়ের ভিটা ভরাট, রাস্তা নির্মাণ, মাঠ উন্নয়ন—সবকিছুই হয়েছে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে।
    শিক্ষার মানে বিদ্যালয়টি শুরু থেকেই এগিয়ে ছিল। ১৯৬১ সালে বিশেষ অনুমোদনে প্রথমবার ৯ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ১৯৬২ সালে ২৪ জনের মধ্যে ২২ জন এবং ১৯৬৩ সালে ১৬ জনের মধ্যে ১৪ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়ে বিদ্যালয়ের সুনাম ছড়িয়ে দেয়।

    একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও ছিল উজ্জ্বল উপস্থিতি—বিতর্ক, নাটক, সংগীত, নৃত্য ও কবিতায় বিদ্যালয়টি ছিল থানার মধ্যে অগ্রগণ্য।
    তবে সাফল্যের পথ মসৃণ ছিল না। পাশ্ববর্তী একটি বিদ্যালয়ের আপত্তি ও ধারাবাহিক তদন্তের কারণে দীর্ঘদিন সরকারি স্বীকৃতি পেতে বিলম্ব হয়। অবশেষে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর লে. জেনারেল আজম খানের নির্দেশে বিদ্যালয়টি স্বীকৃতি লাভ করে। এই তদবিরে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন আব্দুল গণি সাহেবসহ একাধিক শুভানুধ্যায়ী।

    ১৯৬১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্যালয়ের ঘর বিধ্বস্ত হলেও স্বেচ্ছাশ্রমে তা পুনর্নির্মাণ করা হয়। ষাট ও সত্তরের দশকে ছয় দফা আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল গৌরবের অধ্যায়। বহু শিক্ষার্থী মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশের স্বাধীনতায় অবদান রাখেন।
    পরবর্তীকালে বিদ্যালয়টি মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখা চালু করে। ১৯৭৭ সালে এটি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ২০১০ সালে পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিতি পায়। অবশেষে ২০১৮ সালের ১১ অক্টোবর জাতীয়করণের মাধ্যমে “সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়” নামে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে।

    ফলাফলের দিক থেকেও বিদ্যালয়টি ধারাবাহিক সাফল্য ধরে রেখেছে। বোর্ড মেধাতালিকায় স্থান, বুয়েট, মেডিকেল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ভর্তি—সবই এই বিদ্যালয়ের গৌরবময় অর্জন। ক্রীড়া, স্কাউটিং ও সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমে জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে অসংখ্য পুরস্কার অর্জিত হয়েছে।
    ২০২২ সালে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নে দেশের ৬২টি পাইলট স্কুলের মধ্যে এই বিদ্যালয় স্থান পায়। একাধিক শিক্ষক জেলা পর্যায়ে মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আধুনিক শিক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমে বিদ্যালয়টি এখনো অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।

    বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি অমিত দত্তের তত্ত্বাবধানে শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান। নতুন গেট, শহীদ মিনার, অসমাপ্ত একাডেমিক ভবন ও মাঠ সম্প্রসারণসহ নানা উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রত্যাশা রয়েছে।
    প্রায় এক শতাব্দীর পথচলায় সরকারি স্বরূপকাঠী পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি স্বরূপকাঠীর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানুষের সম্মিলিত স্বপ্নের প্রতীক বিদ্যালয়টি,
    আগামি বছর ২০২৭ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করবে সে উপলক্ষে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, প্রতিষ্ঠাতা পরিবার শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে ঝাঁকজমকপূর্ণ ভাবে শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

    আনোয়ার হোসেন।।

  • পাইকগাছায় জাতীয় পাখি দিবস পালিত

    পাইকগাছায় জাতীয় পাখি দিবস পালিত

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় জাতীয় পাখি দিবস পালিত হয়েছে। ৫ জানুয়ারি জাতিয় পাখি দিবস উপলক্ষে সোমবার ১২ টায় পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবির উদ্যেগে নতুন বাজারস্থ কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রকাশ ঘোষ বিধান।
    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম কচি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, প্রেসক্লাব পাইকগাছা এর সাধারণ সম্পাদক এম এ জালাল উদ্দিন, সমাজ সেবক সাফিয়া আক্তার। বক্তৃতা করেন, সুমাইয়া ফারহানা, মেরিন জান্নাত, মাহি জান্নাত, অশিয়া জান্নাত, পরিবেশ কর্মী গনেশ দাস, শাহিনুর রহমান প্রমুখ।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বের জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তনের ফলে পাখিদের আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া ব্যাপকভাবে বৃক্ষ নিধন ও শিল্প-কলকারখানা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাখিদের খাবার সংকট বাড়ছে। পাখির আবাসস্থলকে নিরাপদ রাখা ও বিচরণস্থল সংরক্ষণের জন্য পাখি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। পরিবেশ সুরক্ষায় পাখির গুরুত্ব অপরিসিম। পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষায় পাখি সংরক্ষণ করা একান্ত প্রয়োজন। অনুষ্ঠান শেষে পাখির বাসার জন্য এলাকার বিভিন্ন গাছে মাটির পাত্র- কাঠ ও টিনের তৈরি বাসা গাছে বেধে দেওয়া হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পাইকগাছায় বোরো আবাদ স্থ/বির হয়ে পড়েছে

    তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় পাইকগাছায় বোরো আবাদ স্থ/বির হয়ে পড়েছে

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা (খুলনা)।।
    পাইকগাছায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়েছে বোরোর আবাদ। শীতে বোরোর বীজতলার চারা লাল হয়ে যাচ্ছে। বোরো ধানের চারা রোপণ ও বেড়ে ওঠায় বাধাগ্রস্থ হচ্ছে ফলে আবাদও ব্যাহত হচ্ছে। বীজতলা টিকিয়ে রাখতে কৃষকরা রীতিমত হিমশিম খাচ্ছে। বিকাল থেকে পরের দিন সকাল ৯টা পর্যন্ত পলেথিন বা ট্রিফল দিয়ে ঢেকে রেখে এবং পানি বদল করে বীজতলা বাঁচিয়ে রাখতে নানা চেষ্টা করছে।
    উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার ৬ হাজার ১৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর ২৯৫ হেক্টর জমিতে বোরোর বীজতলা তৈরী হয়েছে। তীব্র শীতের মধ্যে কৃষকরা বোরো আবাদ শুরু করেছে।
    জলবায়ু ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে উপকূল অঞ্চলের কৃষি কাজ এক থেকে দেড়মাস পরে শুরু হচ্ছে। এর ফলে অন্য এলাকার সাথে উপকূলীয় এলাকার চাষাবাদ ব্যবধান তৈরী হচ্ছে। সব মৌসুমেই দেরিতে শুরু হচ্ছে। এখনো আমন ধান কর্তন চলছে। ধান কাটার পর এসব ক্ষেত বোরো আবাদের জন্য প্রস্তুত করা হবে। তাছাড়া বৈরী আবহাওয়ার সাথে মোকাবেলা করে ফসল লাগাতে হয়।
    উপজেলার পুরাইকাটী ব্লাকের কৃষক ফারুক হোসেন বালেন, তীব্র শীত ও কুয়াশায় ধানের চারা লাল হয়ে মরে যাচ্ছে। পলিথিন দিয়ে ঢেকে, পানি বদলসহ নানা রকম পরিচর্যা করে বীজতলা টিকিয়ে রাখতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ একরামুল হোসেন জানান, আমন ধান কাটতে দেরি হওয়ায় বীজ তলা তৈরি দেরি হয়েছে। আগাম তৈরি বীজ তলার কোন ক্ষতি হয়নি তবে তীব্র শীতের ১০-১৫ দিনের মধ্যে যে সকল কৃষক বীজ তলা তৈরি করছে তাদের বীজ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে কৃষকদের বীজতলা ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া প্রতিদিন সকাল বিকাল পানি বদল করার জন্য বলা হয়েছে। তীব্র শীত কমলে বোরোর চারা রোপন করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি কৃষি অফিস থেকে সব রকম সহযোগিতা করা হচ্ছে।

  • কুড়িগ্রামে ভিডিপি দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শুভ উদ্বোধন ও র‌্যালি অ/নুষ্ঠিত

    কুড়িগ্রামে ভিডিপি দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শুভ উদ্বোধন ও র‌্যালি অ/নুষ্ঠিত

    গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা।।

    ৫ জানুয়ারি সোমবার সকাল ১০টায় দেশের প্রতিটি জেলায় ন্যায় কুড়িগ্রাম জেলা আনসার ও ভিডিপি’র আয়োজনে ভিডিপি প্রতিষ্ঠার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব ও ভিডিপি দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শুভ উদ্বোধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কুড়িগ্রামের জেলা কমান্ড্যান্ট এ. এস. এম. সাখাওয়াৎ হোসাইনের নেতৃত্বে র‌্যালিটি জেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের শেষ হয়। উক্ত র‌্যালিতে কুড়িগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার ১৫০ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যা অংশগ্রহণ করেন। অন্যদের মধ্যে র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন নাগেশ্বরীর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ রেজকেকুজ্জামান, উলিপুরের উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া, ফুলবাড়ীর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা শামিমা নাছরিন, চিলমারীর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মঞ্জুরা বেগম, কুড়িগ্রাম সদরের উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ বাবু মিয়া, উপজেলা প্রশিক্ষক মাসুদুর রহমান, চিলমারীর উপজেলা প্রশিক্ষক মোঃ নুরুজ্জামান শাহীন, উলিপুরের উপজেলা প্রশিক্ষক মোঃ রফিক আহমেদ, রাজারহাটের উপজেলা প্রশিক্ষক মোঃ উজ্জ্বল হোসেন, ফুলবাড়ীর উপজেলা প্রশিক্ষিকা নুরুন্নাহার, নাগেশ্বরীর উপজেলা প্রশিক্ষিকা সান্তনা রায়, ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ ভিডিপি দলনেতা দলনেত্রীগণ।

  • ৪ কোটি ৪২ লাখ ২০হাজার ৮২৯ টাকা সরকারি বরাদ্দে খনন হচ্ছে তিস্তার সিল্ট ট্র্যাপ

    ৪ কোটি ৪২ লাখ ২০হাজার ৮২৯ টাকা সরকারি বরাদ্দে খনন হচ্ছে তিস্তার সিল্ট ট্র্যাপ

    মোঃ হামিদার রহমান, নীলফামারীঃ

    পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এবং ডালিয়া বাপাউবো ডিভিশনের প্রস্তাবিত ধারা অনুযায়ী আবারও শুরু হয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্পের তিস্তা সংলগ্ন বাইশপুকুর সিল্ট ট্র্যাপ খননের কাজ।

    পূর্বের ন্যায় তিস্তা সংলগ্ন সিল্ট ট্র্যাপের জলাশয়ের মোট আয়তন প্রায় ৪৫ হেক্টর। এর মধ্যে প্রথম প্যাকেজ—ইউনাইটেড ব্রাদার্স, রংপুর; নির্ধারিত পরিমাণ -১ লাখ ৭০ হাজার ঘনমিটার এবং দ্বিতীয় প্যাকেজ—এম. ডি.শামীমুর রহমান, সিরাজগঞ্জ সদর; নির্ধারিত পরিমাণ -১ লাখ ১৫ হাজার ঘনমিটার দূরত্বে  বাইশপুকুর সিল্ট ট্র্যাপ  সিক্স  সেকেন্ডের  মেশিন দ্বারা খনন কার্যক্রম চলমান  রয়েছে। 

    দুটি প্যাকেজে মোট বরাদ্দ ৪ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ৮২৯ টাকা।

    প্রথম প্যাকেজ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ব্রাদার্স, রংপুর—চুক্তিমূল্য ২ কোটি ৬২ লাখ ২২ হাজার ২৮২ টাকা।

    দ্বিতীয় প্যাকেজ  ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এম. ডি. শামীমুর রহমান, সিরাজগঞ্জ সদর—চুক্তিমূল্য ১ কোটি ৭৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৪৭ টাকা।

    দুইটি প্যাকেজে,দুই ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান  কে খনন কার্যক্রম পরিপত্র অনুযায়ী আগামী ১৬ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    ডালিয়া বাপাউবো ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তা সংলগ্ন বাইশপুকুর সিল্ট ট্র্যাপ  সিক্স সেকেন্ডের মেশিন  দ্বারা খনন  কার্যক্রম পরিপত্র অনুযায়ী আগামী বোরো মৌসুমের আগেই সম্পূর্ণ করার চেষ্টা করছি। যদিও কোনো অংশ বাকি থেকে যায়, তাহলে পরবর্তীতে তা সমাধান করা হবে।”

    হামিদার রহমান
    নীলফামারী প্রতিনিধি।

  • গুণীজন সম্মাননা পুরস্কার পেলেন গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক

    গুণীজন সম্মাননা পুরস্কার পেলেন গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক

    গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ 

    সফেন – বাংলাদেশ সমাচার – ২০২৫ গুণীজন সম্মাননা পুরস্কার পেলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) গোপালগঞ্জ -এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক। গোপালগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় এবং সততার জন্য তাকে এ গুণীজন সম্মাননা (ক্রেস্ট) প্রদান করা হয়েছে। 

    শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকালে গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে তার হাতে এ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন দেশের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার এবং দ্য বাংলাদেশ ডায়েরী পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ডঃ খান আসাদুজ্জামান। 

    এ সময় গোপালগঞ্জ এলজিইডি’র সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মাহামুদ হাসান সহ অন্যান্য কর্মকর্তা- কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

    উল্লেখ্য, গোপালগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এহসানুল হক এর আগে ২০২১ সালে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি ও সঠিক সময়ে বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখায়  শুদ্ধাচার পুরস্কার পেয়েছেন, যা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্বীকৃত। এছাড়াও 

    ২০২২ সালে তৎকালীন গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি শাহিদা সুলতানা জেলায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের তদারকি ও সঠিক সময়ে তা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখায় তাকে বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার (ক্রেস্ট) প্রদান করেন‌।