Blog

  • সুজানগর মহিলা কলেজের সামনে আ-বর্জনার স্তূ-প, দুর্গ-দ্ধে অতি-ষ্ঠ শিক্ষার্থীরা

    সুজানগর মহিলা কলেজের সামনে আ-বর্জনার স্তূ-প, দুর্গ-দ্ধে অতি-ষ্ঠ শিক্ষার্থীরা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ সুজানগর পৌর শহরের হোটেল ও দোকান-পাটের সকল ময়লা আবর্জনা ফেলানো হয় সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সামনে। ফেলানো নোংরা ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পথচারীসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের। শুধু ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধই নয়, ফঁাকা জায়গা হওয়ায় কলেজের সামনের সড়কের ব্রীজের উপর বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন করার পাশাপাশি দিনে-রাতে প্রায় সবসময় আড্ডা চলে মাদকসেবী ও উচ্ছৃঙ্খল বখাটেদের। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা।
    কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান , কলেজ গেটের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চলাচলের রাস্তাটা ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এতে চলাচলের সময় দুর্গন্ধে দমবন্ধ হয়ে বমি আসে। নাক চেপে ধরে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। প্রচণ্ড দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ আমরা। এতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও হাজারো পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টিসহ পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। ময়লার দুর্গন্ধে নাপ চেপে রাস্তা পারাপার করতে হচ্ছে আমাদের। তা ছাড়া কলেজের সামনে এ ময়লার স্তূপ হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ।
    সুজানগর মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী দারিন ফারহা প্রিয়ন্তী বলেন, ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধ সহ্য করে নাকে কাপড় দিয়ে প্রতিদিন এ পথ দিয়ে কলেজে চলাচল করতে হচ্ছে। পাশাপাশি ময়লা ফেলানোয় কলেজের সামনে বেড়েছে কুকুরের উপদ্রব। ফলে আমাদের কুকুরের কামড়ের ভয় নিয়েই কলেজে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
    স্থানীয়রা জানান, শুধু হোটেল ব্যবসায়ীই নয়, বাজারের অনেক ব্যবসায়ীই তাদের প্রতিষ্ঠানের ময়লা আবর্জনা কলেজের সামনে এনে প্রতিনিয়ত ফেলে যায়। কোনো ধরনের নিয়ম-নীতিই মানছে না তারা । শুধু ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধই নয়, ফঁাকা জায়গায় হওয়ায় মহিলা কলেজের সামনের এ সড়কে বসে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন করার পাশাপাশি দিনে-রাতে প্রায় সবসময় আড্ডা চলে মাদকসেবী বখাটেদের আর এগুলো বন্ধের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

    পৌরসভার কঞ্জারভেন্সি ইন্সপেক্টর হাসান উদ্দিন জানান, পৌরসভার পরিছন্নতাকর্মীরা পৌর বাজারে নিয়মিত ময়লা পরিষ্কার করে থাকে এবং গাড়ি গিয়ে রাস্তার সব স্থান থেকে প্রতিদিন ময়লা আর্বজনা নিয়ে আসে। কিন্তু হোটেল ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আর্বজনা জমা রাখতে বলা হলেও তারা তা মানছে না।
    সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী বলেন, কলেজের ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীসহ আমাদের শিক্ষকদের সার্বক্ষণিক এ ভাগাড়ের আর্বজনার দুর্গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে।
    সুজানগর থানার ওসি মজিবর রহমান জানান, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
    সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি কে,এম হেসাব উদ্দিন জানান , কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাসহ পথচারীরা দুর্গন্ধ সহ্য করে এ পথ দিয়ে চলাচল করে থাকে। তাই সবার অসুবিধার কথা চিন্তা করে অতিদ্রুতই এ স্থানটিতে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সুজানগর পৌর প্রশাসক মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ সোমবার জানান, হোটেল মালিকসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কলেজের সামনে ময়লা আবর্জনা না ফেলানোর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। উক্ত স্থানে ময়লা আবর্জনা না ফেলানোর নির্দেশনা কেউ অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় ইউএনও এসিল্যান্ডের নি-র্দেশনা উ-পেক্ষা করে  নদীতে আবারও নেটপাটা দেওয়ার অ-ভিযোগ

    পাইকগাছায় ইউএনও এসিল্যান্ডের নি-র্দেশনা উ-পেক্ষা করে নদীতে আবারও নেটপাটা দেওয়ার অ-ভিযোগ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছা ইউএনও এসিল্যান্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে উপজেলার আলোচিত লতা ইউনিয়নের বেতাঙ্গী জলমহালের আবারও নেটপাটা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    রবিবার জলমহালে ইজারাদারের পক্ষের লোকজন কয়েক জায়গায় নেটপাটা দিয়ে জল সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। এনিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানাযায়, লতার এই আলোচিত নদীটি ছয়টি মৌজার পানি সরবরাহের একমাত্র মাধ্যম। সম্প্রতি অতি বৃষ্টিতে গোটা এলকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ফলে বেতাঙ্গী নদীতে একাধিক জায়গায় নেটপাটা থাকায় জল সরবরাহে বাধা পাওয়ায় নেটপাটা অপসারণ সহ নদীটি উন্মুক্তের দাবীতে কাঠামারী বাজারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে নদীটি উন্মুক্তের দাবীতে উপজেলা নির্বাহি অফিসার মাহেরা নাজনীন এর কাছে অভিযোগ হলে তিনি এসিল্যান্ডকে সাথে নিয়ে গত ২৭ আগষ্ট সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পরিষদে আলোচনায় বসেন। সভায় স্থানীয়দের দাবীর প্রেক্ষিতে তিনি ইজারাদারদের এক সপ্তাহের মধ্যে নেটপাটা অপসারণের নির্দেশ দেন। যার সর্বশেষ সময় ছিলো ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এদিকে অভিযোগ উঠেছে ইউএনও’র নির্দেশনা উপেক্ষা করে নতুন করে পাঁচটি জায়গায় নেটপাটা বসানোর খবর পেয়ে এলাকার মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এনিয়ে যেকোন মূহুর্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা

  • পাইকগাছায় দুর্নী-তি দম-ন কমিশনের অর্থায়নে সততা স্টোর উদ্বোধন

    পাইকগাছায় দুর্নী-তি দম-ন কমিশনের অর্থায়নে সততা স্টোর উদ্বোধন

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছায় উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের শহীদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অর্থায়নে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির বাস্তবায়নে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বুধবার সকালে ‘সততা স্টোর’ আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী শেখ। সভাপতিত্ব করেন,

    উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি জিএম এম আজাহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন,

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী,

    ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ জামিলুর রহমান (রানা), প্রধান শিক্ষক অঞ্জলী রাণী শীল। এসময় উপজেলা দুদকের প্রতিরোধ কমিটির সহ সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সদস্য পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, অব. এইচআই নূর আলী মোড়ল, সহকারী শিক্ষক বাবর আলী, কনিকা ঘোষ, জিএম শওকত হোসেন, শংকর প্রসাদ মনি, রীতা রায়, তপন কুমার মন্ডল, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, মোঃ মহিবুল্লাহ, সুশান্ত হালদার, অমিতাভ বিশ্বাস, মোস্তাফিজুর রহমান রনি, মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল, রাবেয়া খাতুন, সদস্য শেখ অহিদুজ্জামান, সততা সংঘের সদস্য, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক সহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • গরু খাওয়ানোর নান্দের ভিতরে ৪৭টি রাসেল ভা-ইপারের বাচ্চা

    গরু খাওয়ানোর নান্দের ভিতরে ৪৭টি রাসেল ভা-ইপারের বাচ্চা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ মানুষের মাঝে যেন সাপ আতঙ্ক কাটছেনা। বন্যার পানি য বাড়ছে রাসেল ভাইপার সাপে আনাগোনা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাপের কামড়ে মৃত্যু হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজশাহীর মাঝারদিয়ার ঘাটের পাশে বাথানে ঘটলো ভয়াবহ ঘটনা। এক পরিত্যক্ত গরু খাওয়ানোর পাত্র (নান্দ) থেকে হঠাৎ বেরিয়ে এলো ভয়ঙ্কর দৃশ্য—একটি বড় রাসেল ভাইপার সাপ জন্ম দিল ৪৭ টি বাচ্চা!

    ঘটনাটি মুহূর্তেই গ্রামজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। পদ্মার এপারে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
    জানা যায়, নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় এলাকার খামারিরা গরু-ছাগল সরিয়ে নিলেও, খালি খামার ও খাবারের পাত্রগুলো ফাঁকাই পড়ে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই আশ্রয় নিয়ে সাপটি বাচ্চাগুলো প্রসব করে।

    খবর পেয়ে শহর থেকে বিশেষ উদ্ধারকারী টিম এসে মা সাপসহ ৪৭টি রাসেল ভাইপারের বাচ্চা নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন, এই সময় পদ্মার চর ও আশেপাশে চলাচলে সবাইকে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। নিজে সর্তক থাকুন অন্যকে সর্তক থাকার পরামার্শ দেন।

  • গোদাগাড়ীতে এক সার ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জ-রিমানা ও ৬০ বস্তা সার উ-দ্ধার

    গোদাগাড়ীতে এক সার ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জ-রিমানা ও ৬০ বস্তা সার উ-দ্ধার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের নোন্দাপুর মহালেন এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

    এ সময় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ অনুযায়ী বিনির্দেশ বহির্ভূত সার বিক্রির অভিযোগে একজন সার ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি জব্দকৃত ৬০ বস্তা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কৃষক পর্যায়ে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিক্রির অর্থ পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

    মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশনের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা। এছাড়া নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদান করে কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র।

    এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল ইসলাম বলেন, “কৃষকদের অধিকার সংরক্ষণে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে। কোনোভাবেই সার নিয়ে কারসাজি বা বিধি বহির্ভূত বাণিজ্য বরদাস্ত করা হবে না। আগামীতে এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান, এ কর্মকর্তা।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী ।

  • নড়াইলে ব্রাক অফিসের সামনে মোটরসাইকেল ও ট্রলির মু-খোমুখি সং-ঘর্ষ, কিশোর নিহ-ত

    নড়াইলে ব্রাক অফিসের সামনে মোটরসাইকেল ও ট্রলির মু-খোমুখি সং-ঘর্ষ, কিশোর নিহ-ত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে মোটরসাইকেল ও ট্রলি মুখোমুখি সংঘর্ষে জসিম মোল্যা (১৫) নামে এক মোটরসাইকেল চালক কিশোর নিহত হয়েছেন।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার নড়াইল-মাগুরা সড়কের ব্রাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    জসিম মোল্যা উপজেলার হবখালী ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের জাফর মোল্যার ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।
    নিহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে জসিম মোল্যা নামে ওই কিশোর হবখালি ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে নড়াইল শহরের দিকে আসছিলেন। প্রতিমধ্যে নড়াইল-মাগুরা সড়কের ব্রাক অফিসের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা এক ট্রলির সঙ্গে জসিমের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে জসিম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক অন্যত্র নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি মারা যান।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, বিকেলে এক্সিডেন্ট হয়। পরে খুলনা নেওয়ার পথে ছেলেটি মারা যায়। এ ঘটনায় যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১২ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১২ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    গত ০৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় র‌্যাবের গোয়েন্দা ইউনিটের মাঠকর্মীরা তথ্য সংগ্রহের জন্য কামারখন্দ থানা এলাকায় যান। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ভেবে জনৈক ব্যাক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে । এক পর্যায়ে তিনি বাড়ির পাশে বিলে ঝাঁপ দিলে ডুবে যান। পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় অনুসন্ধানে জানা যায় যে, উক্ত ব্যাক্তির নাম মোঃ শাওন রেজা, পিতা- মোঃ নূরুল মন্ডল, গ্রামঃ শাহবাজপুর, থানাঃ কামারখন্দ, জেলাঃ সিরাজগঞ্জ। তার নামে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ থানায় মাদক মামলা রয়েছে এবং এলাকায় তিনি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। উক্ত বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় র‌্যাবের গোয়েন্দা ইউনিটের মাঠকর্মীদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনায় র‌্যাব সদস্যদের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদকমুক্ত, বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

  • তারাগঞ্জে পুরাতন কষ্টিপাথরের মূর্তির’ ফাঁ-দে ফেলে প্র-তারণা: প্রতা-রক চক্রের ৪ সদস্য গ্রে-প্তার

    তারাগঞ্জে পুরাতন কষ্টিপাথরের মূর্তির’ ফাঁ-দে ফেলে প্র-তারণা: প্রতা-রক চক্রের ৪ সদস্য গ্রে-প্তার

    খলিলুর রহমান খলিল , নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    অমূল্য পুরাতত্ত্বের লোভ দেখিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চক্রান্ত ফাঁস হয়েছে রংপুরের তারাগঞ্জে। পুলিশের অভিযানে একটি কালো ধাতব মূর্তি, যাকে প্রতারকরা ৪২০ কোটি টাকা মূল্যের ‘কষ্টি পাথর সদৃশ নারায়ণ মূর্তি’ বলে দাবি করেছিল-মূর্তিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই যুবক প্রতারণা এবং বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তারাগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

    স্থানীয় সূত্র জানা যায় রবিবার বিকেলে তারাগঞ্জ থানাধীন শিয়ালডাঙ্গা ব্রিজের পাশে অভিযান চালিয়ে পুলিশ এই চক্রকে ধরতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মোঃ খলিল ফকির (৭৫), শ্রী সুবাস শীল (৩০), মোছাঃ মমতা বেগম (৩৬) এবং শ্রীমতি জোসনা রানী (৬০)—সবাই নীলফামারীর সৈয়দপুর থানার হাজারীহাট এলাকার বাসিন্দা।

    পুলিশ জানিয়েছে, মূর্তিটির ওজন প্রায় ৩ কেজি, লম্বায় ১০ ইঞ্চি, এবং এটি একটি সাধারণ ধাতব বস্তু, যার অনুমানিক মূল্য মাত্র ৫ লক্ষ টাকা। তবে প্রতারকরা এটিকে অতি মূল্যবান পুরাতন ধাতব মূর্তি বলে প্রচার করে ভুক্তভোগীকে ফাঁদে ফেলেছিল।

    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার বগুলাগাড়ী মুন্সিপাড়ার বাসিন্দা ভুক্তভোগী মোঃ পারভেজ হোসেনের দায়ের করা মামলা সূত্রে জানা যায়, ৪ মাস আগে তার প্রতিবেশী চাচা মোঃ আলেফ হোসেন (৩২) খলিল ফকিরের কাছে চিকিৎসা নিতে গিয়ে মূর্তির কথা জানতে পারেন। খলিল কবিরাজ পারভেজকে মূর্তিটি দেখিয়ে লোভ দেখান। প্রথমে পূজার নামে ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়, পরে ১০ লক্ষ টাকায় বিক্রির লোভ দেখিয়ে অগ্রিম ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

    পারভেজ জানান, “আসামিরা আমাকে বিশ্বাস করিয়ে টাকা নিয়েছে, কিন্তু মূর্তিটি দেখে সন্দেহ হলে স্থানীয়দের কাছে খোঁজ নিই। খলিলের চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে এই প্রতারণা করে আসছে বলে জানতে পারি। তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যও একই কাজে জড়িত। গ্রেপ্তারও হয়েছেন কেউ কেউ। রবিবার বিকেলে শিয়ালডাঙ্গা ব্রিজের কাছে লেনদেনের কথা বলে খলিলকে ডাকি। কৌশলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চক্রের বাকি সদস্যদেরও ডেকে আনি। এরপর মূর্তিসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যদের আটক করে পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মূর্তিটি জব্দ করে এবং আসামিদের গ্রেপ্তার করে।”

    তারাগঞ্জ থানার ওসি এম এ ফারুক জানান, “এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্রের কাজ। আসামিরা পুরাতন মূর্তির লোভ দেখিয়ে অনেককে ঠকিয়েছে। কিন্তু ভুক্তভোগীর সতর্কতায় এই চক্রটি ফেঁসে গেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগের সম্ভাবনা রয়েছে, সে দিকেও তদন্ত চলছে।”

  • আশুলিয়ায় ফে-নসিডিলসহ দুই মা-দক কার-বারিকে আট-ক

    আশুলিয়ায় ফে-নসিডিলসহ দুই মা-দক কার-বারিকে আট-ক

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে নগদ টাকা, মোটরসাইকেল ও মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

    গত রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে আশুলিয়ার বাগবাড়ী মিছারবাগ চায়না বিল্ডিং এর সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।

    আটককৃতরা হলো-আশুলিয়ার বাগবাড়ি এলাকার আশরাফুল (৩০) ও আশুলিয়ার পূর্ব ধোনাই এলাকার মাসুদ (৫৫)।

    যৌথ বাহিনী জানায়, রবিবার রাত ৮টার দিকে আশুলিয়ার বাগবাড়ি এলাকায় সেনা টহল চলাকালে হেয়ার ফ্যাক্টরির সামনে থেকে ফেনসিডিল সেবনরত অবস্থায় ১ জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের সহযোগিতায় মাদক ব্যবসায়ী আশরাফুলকে আটক করা হয় এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেক মাদক ব্যবসায়ী মাসুদকে আটক করা হয়। আটককৃত মাসুদের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা, ৪ বোতল ফেনসিডিল, ৩টি মোবাইল ফোন ও ২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

    যৌথ বাহিনী আরও জানায়, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও আটক ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমাদের নিয়মিত অভিযান চলমান রয়েছে বলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা জানান।

  • শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন রিন্তির অ-কাল মৃ-ত্যুতে কুবির শিক্ষক,শিক্ষার্থীদের মাঝে শো-কের মা-তম

    শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিন রিন্তির অ-কাল মৃ-ত্যুতে কুবির শিক্ষক,শিক্ষার্থীদের মাঝে শো-কের মা-তম

    তরিকুল ইসলাম তরুন, 

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী এবং তার মায়ের মর্মস্পর্শী বিদায় পুরো কুমিল্লা শহরকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। 

    বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী সুমাইয়া আফরিনের  আগামীকালই ছিল তার সেমিস্টার ফাইনাল পরিক্ষা,  কিন্তু সেই স্বপ্নভরা সকালে তাকে আর দেখা গেল না বইখাতা হাতে—তার পাশে নেই মমতাময়ী মা তাহমিনা বেগম (৪৫)কে।

    তাদের নিথর দেহ পাওয়া গেছে শহরের কালিয়াজুরী পাক্কার মাথা সংলগ্ন ভাড়া বাসা হাতেখড়ি পাঠশালা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ভিন্ন ভিন্ন কক্ষে। 

    মা মেয়ে একসঙ্গে থাকলেও শেষ বিদায়ে তারা রয়ে গেলেন দুই কক্ষে—কিন্তু একই শোকের আবরণে।

    হারিয়ে গেল একটি স্বপ্নময় জীবন। রিন্তির 

    বন্ধুদের ভাষ্য অনুযায়ী, সুমাইয়া ছিলেন সবার প্রাণের মানুষ। পড়াশোনায় মনোযোগী, হাসিখুশি আর স্বপ্নে ভরা। পরীক্ষার আগের রাতেও তিনি বই নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন—কেউ ভাবতেও পারেনি, সেটিই হবে তার জীবনের শেষ প্রস্তুতি।

    চিরশান্তিতে থাকুন সুমাইয়া আফরিন ও তাহমিনা বেগম এমন মনোভাব জানিয়েন একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।এদিকে দিনভর চলছে প্রশাসনের তদন্ত, কেউ কেউ বলছে কথিত কবিরাজ বা তার কোন বন্ধুর সাথে তর্কবির্তকের এক পর্যায ঘটতে পারে মা মেয়ের মৃত্যু। স্থানীয় দের ও রিন্তির বড় ভাই আল আমিন দাবি করেন ঘাতকরা কুমিল্লা শহরেই আছে, প্রশাসন চেষ্টা করলে দ্রুত ধরা সম্ভব। এবিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ইনচার্জ মহিনুল ইসলাম বলেন পুলিশ, ডিবি, সিআইডি যৌথ ভাবে কাজ করছে অপরাধী দের শনাক্ত করতে।মামলা প্রক্রিয়াধিন আসামি ধরা পড়বে আশাবাদ।