Blog

  • খুলনার কয়রা উপজেলার বেচপাড়া গ্রামে ক্রয়-কৃত জমি উ-দ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    খুলনার কয়রা উপজেলার বেচপাড়া গ্রামে ক্রয়-কৃত জমি উ-দ্ধারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    শেখ তৈয়ব আলী, খুলনা।

    খুলনার কয়রা উপজেলার ভান্ডারপোল মৌজার বেচপাড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা নোমান হোসেন আজ মঙ্গলবার খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ক্রয়কৃত ফসলী জমি অবৈধ দখলদারদের কবল থেকে উদ্ধার এবং ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে মোঃ নোমান হোসেন বলেন, “২০০০ সালে আমাদের মা, তাসলিমা বেগম, শীবনাথ মন্ডল ও কিরনী বালার কাছ থেকে ৫.৮৫ একর জমি ক্রয় করেন। ক্রয়কৃত জমি মিউটেশনসহ আমাদের মায়ের নামে রেকর্ড করা হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে খাজনা দাখিলা প্রদান ও কৃষিকাজের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়েছে।

    ২০২১ সালে প্রদীপ কুমার মন্ডল ও তার স্ত্রী লিপিকা মন্ডল স্থানীয় চরমপন্থী ও সমাজবিরোধী চক্রের সহযোগিতায় জমি দখল শুরু করেন। বর্তমানে ১৭ বিঘা ৫ কাঠার মধ্যে মাত্র চার বিঘা জমি ব্যবহার সম্ভব। আদালত, প্রশাসন এবং নৌবাহিনী ক্যাম্পে বিভিন্ন শালিসে আমরা বিজয়ী হলেও, জমি পুনরায় দখল থেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, “চরমপন্থী ও সমাজবিরোধী চক্রের সহায়তায় প্রদীপ ও লিপিকা প্রকাশ্যভাবে দখলদারিত্ব চালাচ্ছেন। তাদের সহিংসতা এবং অবৈধ প্রভাবের কারণে সাধারণ মানুষও কার্যত অসহায়। সম্প্রতি কয়রা থানার ওসি সাসপেন্ড হলে লিপিকা প্রকাশ্যে জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি তার সঙ্গে বিরোধের কারণে ওসিকে ‘শান্তি’ দিয়েছেন। এছাড়া আমার ভাইয়ের খুলনা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের চাকরিও যে কোন সময় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।”

    সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, প্রদীপের পরিবারে চার পুত্র ছিল। বড় ছেলে বাবু এখনও পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করছেন। দ্বিতীয় ছেলে রণজিতও ভারতে বসবাস করছেন। তৃতীয় পুত্র শংকর মন্ডল নব্বইয়ের দশকে দক্ষিণবঙ্গের সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং পরবর্তীতে নিহত হন। প্রদীপের স্ত্রী লিপিকা চরমপন্থী নেতার কন্যা। এই পরিবারের সহিংস ও উগ্র আচরণের কারণে এলাকার মানুষ ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান, তাঁদের লেখনি ও প্রচারণার মাধ্যমে ক্রয়কৃত জমিতে ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠা ও এলাকার শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

  • মা-দকদ্রব্য নি-য়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে চাকরি করে জাহিদুল পেয়েছে আ-লাদিনের চেরাগ

    মা-দকদ্রব্য নি-য়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে চাকরি করে জাহিদুল পেয়েছে আ-লাদিনের চেরাগ

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
    মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো.জাহিদুল ইসলাম জাহিদ চাকুরি করেই গড়েছেন অঢেল সম্পদ।গ্রামে টিনশেড বাড়ি,পঞ্চগড় পৌরশহরের রওশনাবাগ ভুতের ডাঙ্গা এলাকায় জমি ক্রয় করে বাড়ি, রংপুর শহরে জমি কিনে ১০ তলা ফাউন্ডেশনের ফ্লাট বাড়ি, কিনেছেন গাড়ী, গ্রামে বিঘা বিঘা জমি। ব্যাংকে জমিয়েছেন মোটা অঙ্কের টাকা।দুই ছেলেকে পড়ালেখা করাচ্ছেন বুয়েট ও রুয়েটে।সামান্য চাকুরি করেই কিভাবে এত সম্পদ গড়েছেন।তার অবৈধ এ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

    জানা যায়,মো.জাহিদুল ইসলাম নামের এ কর্মকর্তা পঞ্চগড় সদর উপজেলা চাকলাহাট ইউনিয়নের মালিরডাঙ্গা এলাকার মৃত সামসুল হকের ছেলে। তারা পাঁচ ভাই, তিন বোন।তার বাবা টুনিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের বিনা বেতনের শিক্ষক ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

    কয়েক বিঘা জমি ছিল সামসুল হকের।বলায় যায় নুন আনতে পানতা ফুরাতো সামসুল হকের।প্রায় ১৮ বছর আগে জাহিদুল এইচ এসসি পাশ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কনস্টেবল পদে নিয়োগ পায়।পর্যায়ক্রমে পদন্নোতি পেয়ে হয়েছেন পরিদর্শক।আছেন ঢাকা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসে।তবে চাকুরি জীবনের বেশিরভাগ সময় কেটেছে তার রংপুরে।
    অনুসন্ধানে জানা যায়,তার গ্রামের বাড়ি চাকলাহাট মালিরডাঙ্গা এলাকায়।সেখানে টিনশেডের বাড়ি,আরাজি বেরুবাড়ি,কাজলদিঘী ও কাজলদিঘী পুরানিগ্রাম মৌজা সহ কয়েকটি মৌজায় ৫০-৬০ বিঘা জমি ক্রয় করেছেন।পঞ্চগড় পৌরশহরের রওশনাবাগ ভুতের ডাঙ্গায় ৮ শতক জমি ক্রয় করে গড়েছেন কোটি টাকা দামের বাড়ি। রংপুর মহানগর সর্দারপাড়া রোড, হাজী পাড়া মোড়ে পাঁচ শতক জমি ক্রয় করে ১০ তলা ফাউন্ডেশনের চার ও পাঁচ তলার কাজ চলমান।সেখানকার স্থানীয় আব্দুল মতিন বলেন,জমির দাম এখানে প্রতি শতক ৩০ লাখ টাকা। সে হিসেবে ৫ শতক জমির দাম দেড় কোটি, সাথে বাড়ি নির্মাণ খরচ প্রায় আরো এক কোটি টাকা।জাহিদুল ১৭ তম গ্রেড দিয়ে চাকুরি শুরু করে বর্তমানে পদোন্নতি পেয়ে পর্যায়ক্রমে ৯ ম গ্রেডের বেতন পান।সে হিসেবে তার ১৮ বছরে বেতন পায় ৫০-৬৫ লাখ টাকা।সেখান থেকে তার পাঁচ সদস্যের পরিবার, বাবা-মা সাথে সন্তাদির লেখাপড়ার খরচ, চালিয়ে কিভাবে এতো টাকার সম্পত্তি করেন ভাবনা স্থানীয়দের।

    চাকলা হাট এলাকার স্থানীয় মোজাম্মেল হক বলেন,এলাকায় কেউ জমি বিক্রি করতে চাইলে।বাজার দরের চাইতে বেশি দামে জাহিদুল ক্রয় করেন।অন্য কারো নেওয়ার কোন সুযোগ নাই।কিভাবে এতাে অর্থের মালিক হলেন তিনি। চাকলার হাট মালির ডাঙ্গা এলাকায় জমি ১২/১৫ লাখ টাকা বিঘা কিন্তু মাদকদ্রব্যের এই কর্মকর্তা ওই এলাকার জমির দাম ২০ লাখে পৌঁছে দিয়েছে।

    অভিযুক্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ,এর কাছে মুঠোফোনে সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে, অঢেল সম্পত্তির বিষয়টি জানতে চাইলে কলটি কেটে দেন তিনি।পরে বার বার ফোন দিয়েও আর ধরেননি।

    বিষয়টি সম্পর্কে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক উর্মি দে’র কাছে কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জাহিদের বিষয়ে তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করলেও তিনি তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, অঢেল সম্পত্তির বিষয়টি তার ব্যক্তিগত বিষয়।

  • আশুলিয়ার গাজিরচট এলাকায় অ-ভিযানে ই-য়াবাসহ এক মা-দক কার-বারিকে গ্রে-ফতার করেছে ডিবি

    আশুলিয়ার গাজিরচট এলাকায় অ-ভিযানে ই-য়াবাসহ এক মা-দক কার-বারিকে গ্রে-ফতার করেছে ডিবি

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) কর্তৃক ১৫০ (একশত পঁঞ্চাশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

    সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং) সকালে ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন। ঢাকা জেলা পুলিশের অভিভাবক জনাব মোঃ আনিসুজ্জামান (পিপিএম), পুলিশ সুপার, ঢাকা মহোদয়ের নির্দেশনায় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) এর অফিসার ইনচার্জ মোঃ জালাল উদ্দিন এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মোঃ আঃ মুত্তালিব সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ অদ্য ০৮/০৯/২৫খ্রি. তারিখ ১৬:০৫ ঘটিকায় আশুলিয়া থানাধীন আশুলিয়া দক্ষিন গাজিরচট এলাকা হইতে আসামী ১। মোঃ লিটন সরকার (৩৫), পিতা-মোঃ নাজিম উদ্দিন সরকার, মাতা-মৃত মনোয়ারা বেগম, সাং-কাকনা, থানা দৌলতপুর, জেলা-মানিকগঞ্জ,এ/পি সাং-দক্ষিন গাজিরচট, সোহেল মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া, থানা-আশুলিয়া, জেলা-ঢাকাকে ১৫০ (একশত পঁঞ্চাশ) পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার করেন। উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।

  • তানোরে খাদ্য গুদাম প-রিদর্শনে স-ন্তোষ প্রকাশ

    তানোরে খাদ্য গুদাম প-রিদর্শনে স-ন্তোষ প্রকাশ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় সরকারি খাদ্য গুদামে খারাপ ও খাওয়ার অনুপযোগী চাল পাওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে খাদ্য বিভাগ। তারই ধারাবাহিকতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার খাদ্য গুদাম গুলোতে চলছে সংশ্লিষ্টদের পরিদর্শন, গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। ইতমধ্যে রাজশাহীর দুর্গাপুরের পর বাগমারার ৪টি সরকারি খাদ্য গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।
    এদিকে গত ৮ সেপ্টেম্বর সোমবার খাদ্য অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটির একটি প্রতিনিধি দল তানোর উপজেলা সদরের ৪টি ও কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) ২টি খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করেন। বগুড়া দুপচাঁচিয়া উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ) মনিরুল ইসলাম ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর কারিগরি খাদ্য পরিদর্শক শামসুজ্জোহা তালুকদারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল এদিন সকালে কামারগাঁ ইউপির ২টি ও বিকেলে তানোর উপজেলা সদরের ৪টি খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করেন। তারা খাদ্য গুদামে সংরক্ষিত খাদ্য শস্যর প্রতিটি খামালে বোঙা মেরে বস্তার চাল ধান দেখেন এবং সংরক্ষিত খাদ্য শস্য মানসম্মত বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন তানোর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (টিসিএফ) মলিউজ্জামান সজিব, তানোর সদর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুকুল টুডু ও কামারগাঁ খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) আতাউর রহমানপ্রমুখ।এছাড়াও সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।#

  • সুজানগর মহিলা কলেজের সামনে আ-বর্জনার স্তূ-প, দুর্গ-দ্ধে অতি-ষ্ঠ শিক্ষার্থীরা

    সুজানগর মহিলা কলেজের সামনে আ-বর্জনার স্তূ-প, দুর্গ-দ্ধে অতি-ষ্ঠ শিক্ষার্থীরা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ সুজানগর পৌর শহরের হোটেল ও দোকান-পাটের সকল ময়লা আবর্জনা ফেলানো হয় সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সামনে। ফেলানো নোংরা ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধে চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পথচারীসহ শিক্ষক- শিক্ষার্থীদের। শুধু ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধই নয়, ফঁাকা জায়গা হওয়ায় কলেজের সামনের সড়কের ব্রীজের উপর বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন করার পাশাপাশি দিনে-রাতে প্রায় সবসময় আড্ডা চলে মাদকসেবী ও উচ্ছৃঙ্খল বখাটেদের। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা।
    কলেজের শিক্ষার্থীরা জানান , কলেজ গেটের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের চলাচলের রাস্তাটা ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। এতে চলাচলের সময় দুর্গন্ধে দমবন্ধ হয়ে বমি আসে। নাক চেপে ধরে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। প্রচণ্ড দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ আমরা। এতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও হাজারো পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টিসহ পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। ময়লার দুর্গন্ধে নাপ চেপে রাস্তা পারাপার করতে হচ্ছে আমাদের। তা ছাড়া কলেজের সামনে এ ময়লার স্তূপ হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ।
    সুজানগর মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী দারিন ফারহা প্রিয়ন্তী বলেন, ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধ সহ্য করে নাকে কাপড় দিয়ে প্রতিদিন এ পথ দিয়ে কলেজে চলাচল করতে হচ্ছে। পাশাপাশি ময়লা ফেলানোয় কলেজের সামনে বেড়েছে কুকুরের উপদ্রব। ফলে আমাদের কুকুরের কামড়ের ভয় নিয়েই কলেজে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
    স্থানীয়রা জানান, শুধু হোটেল ব্যবসায়ীই নয়, বাজারের অনেক ব্যবসায়ীই তাদের প্রতিষ্ঠানের ময়লা আবর্জনা কলেজের সামনে এনে প্রতিনিয়ত ফেলে যায়। কোনো ধরনের নিয়ম-নীতিই মানছে না তারা । শুধু ময়লা আবর্জনার দুর্গন্ধই নয়, ফঁাকা জায়গায় হওয়ায় মহিলা কলেজের সামনের এ সড়কে বসে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য সেবন করার পাশাপাশি দিনে-রাতে প্রায় সবসময় আড্ডা চলে মাদকসেবী বখাটেদের আর এগুলো বন্ধের দাবি জানিয়েছে শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

    পৌরসভার কঞ্জারভেন্সি ইন্সপেক্টর হাসান উদ্দিন জানান, পৌরসভার পরিছন্নতাকর্মীরা পৌর বাজারে নিয়মিত ময়লা পরিষ্কার করে থাকে এবং গাড়ি গিয়ে রাস্তার সব স্থান থেকে প্রতিদিন ময়লা আর্বজনা নিয়ে আসে। কিন্তু হোটেল ব্যবসায়ীদের প্রতিদিন নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা আর্বজনা জমা রাখতে বলা হলেও তারা তা মানছে না।
    সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী বলেন, কলেজের ৬ শতাধিক শিক্ষার্থীসহ আমাদের শিক্ষকদের সার্বক্ষণিক এ ভাগাড়ের আর্বজনার দুর্গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে।
    সুজানগর থানার ওসি মজিবর রহমান জানান, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
    সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি কে,এম হেসাব উদ্দিন জানান , কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাসহ পথচারীরা দুর্গন্ধ সহ্য করে এ পথ দিয়ে চলাচল করে থাকে। তাই সবার অসুবিধার কথা চিন্তা করে অতিদ্রুতই এ স্থানটিতে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সুজানগর পৌর প্রশাসক মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ সোমবার জানান, হোটেল মালিকসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীদের কলেজের সামনে ময়লা আবর্জনা না ফেলানোর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। উক্ত স্থানে ময়লা আবর্জনা না ফেলানোর নির্দেশনা কেউ অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় ইউএনও এসিল্যান্ডের নি-র্দেশনা উ-পেক্ষা করে  নদীতে আবারও নেটপাটা দেওয়ার অ-ভিযোগ

    পাইকগাছায় ইউএনও এসিল্যান্ডের নি-র্দেশনা উ-পেক্ষা করে নদীতে আবারও নেটপাটা দেওয়ার অ-ভিযোগ

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছা ইউএনও এসিল্যান্ডের নির্দেশনা উপেক্ষা করে উপজেলার আলোচিত লতা ইউনিয়নের বেতাঙ্গী জলমহালের আবারও নেটপাটা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    রবিবার জলমহালে ইজারাদারের পক্ষের লোকজন কয়েক জায়গায় নেটপাটা দিয়ে জল সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। এনিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানাযায়, লতার এই আলোচিত নদীটি ছয়টি মৌজার পানি সরবরাহের একমাত্র মাধ্যম। সম্প্রতি অতি বৃষ্টিতে গোটা এলকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ফলে বেতাঙ্গী নদীতে একাধিক জায়গায় নেটপাটা থাকায় জল সরবরাহে বাধা পাওয়ায় নেটপাটা অপসারণ সহ নদীটি উন্মুক্তের দাবীতে কাঠামারী বাজারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে নদীটি উন্মুক্তের দাবীতে উপজেলা নির্বাহি অফিসার মাহেরা নাজনীন এর কাছে অভিযোগ হলে তিনি এসিল্যান্ডকে সাথে নিয়ে গত ২৭ আগষ্ট সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে পরিষদে আলোচনায় বসেন। সভায় স্থানীয়দের দাবীর প্রেক্ষিতে তিনি ইজারাদারদের এক সপ্তাহের মধ্যে নেটপাটা অপসারণের নির্দেশ দেন। যার সর্বশেষ সময় ছিলো ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। এদিকে অভিযোগ উঠেছে ইউএনও’র নির্দেশনা উপেক্ষা করে নতুন করে পাঁচটি জায়গায় নেটপাটা বসানোর খবর পেয়ে এলাকার মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। এনিয়ে যেকোন মূহুর্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশংকা করা হচ্ছে।

    প্রেরক,
    ইমদাদুল হক
    পাইকগাছা, খুলনা

  • পাইকগাছায় দুর্নী-তি দম-ন কমিশনের অর্থায়নে সততা স্টোর উদ্বোধন

    পাইকগাছায় দুর্নী-তি দম-ন কমিশনের অর্থায়নে সততা স্টোর উদ্বোধন

    পাইকগাছা ( খুলনা ) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছায় উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের শহীদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের অর্থায়নে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির বাস্তবায়নে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বুধবার সকালে ‘সততা স্টোর’ আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজাহান আলী শেখ। সভাপতিত্ব করেন,

    উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি জিএম এম আজাহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন,

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মীর নূরে আলম সিদ্দিকী,

    ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ জামিলুর রহমান (রানা), প্রধান শিক্ষক অঞ্জলী রাণী শীল। এসময় উপজেলা দুদকের প্রতিরোধ কমিটির সহ সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সদস্য পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, অব. এইচআই নূর আলী মোড়ল, সহকারী শিক্ষক বাবর আলী, কনিকা ঘোষ, জিএম শওকত হোসেন, শংকর প্রসাদ মনি, রীতা রায়, তপন কুমার মন্ডল, মোঃ মাসুম বিল্লাহ, মোঃ মহিবুল্লাহ, সুশান্ত হালদার, অমিতাভ বিশ্বাস, মোস্তাফিজুর রহমান রনি, মোস্তাফিজুর রহমান বুলবুল, রাবেয়া খাতুন, সদস্য শেখ অহিদুজ্জামান, সততা সংঘের সদস্য, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক সহ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • গরু খাওয়ানোর নান্দের ভিতরে ৪৭টি রাসেল ভা-ইপারের বাচ্চা

    গরু খাওয়ানোর নান্দের ভিতরে ৪৭টি রাসেল ভা-ইপারের বাচ্চা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ মানুষের মাঝে যেন সাপ আতঙ্ক কাটছেনা। বন্যার পানি য বাড়ছে রাসেল ভাইপার সাপে আনাগোনা ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাপের কামড়ে মৃত্যু হার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজশাহীর মাঝারদিয়ার ঘাটের পাশে বাথানে ঘটলো ভয়াবহ ঘটনা। এক পরিত্যক্ত গরু খাওয়ানোর পাত্র (নান্দ) থেকে হঠাৎ বেরিয়ে এলো ভয়ঙ্কর দৃশ্য—একটি বড় রাসেল ভাইপার সাপ জন্ম দিল ৪৭ টি বাচ্চা!

    ঘটনাটি মুহূর্তেই গ্রামজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। পদ্মার এপারে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
    জানা যায়, নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় এলাকার খামারিরা গরু-ছাগল সরিয়ে নিলেও, খালি খামার ও খাবারের পাত্রগুলো ফাঁকাই পড়ে ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই আশ্রয় নিয়ে সাপটি বাচ্চাগুলো প্রসব করে।

    খবর পেয়ে শহর থেকে বিশেষ উদ্ধারকারী টিম এসে মা সাপসহ ৪৭টি রাসেল ভাইপারের বাচ্চা নিরাপদে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে দিয়েছেন, এই সময় পদ্মার চর ও আশেপাশে চলাচলে সবাইকে অতিরিক্ত সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। নিজে সর্তক থাকুন অন্যকে সর্তক থাকার পরামার্শ দেন।

  • গোদাগাড়ীতে এক সার ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জ-রিমানা ও ৬০ বস্তা সার উ-দ্ধার

    গোদাগাড়ীতে এক সার ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা জ-রিমানা ও ৬০ বস্তা সার উ-দ্ধার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী: রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের নোন্দাপুর মহালেন এলাকায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

    এ সময় সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ অনুযায়ী বিনির্দেশ বহির্ভূত সার বিক্রির অভিযোগে একজন সার ডিলারকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি জব্দকৃত ৬০ বস্তা সার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কৃষক পর্যায়ে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিক্রির অর্থ পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

    মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশনের দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা। এছাড়া নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদান করে কাঁকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র।

    এ বিষয়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামসুল ইসলাম বলেন, “কৃষকদের অধিকার সংরক্ষণে সরকার কঠোর অবস্থানে আছে। কোনোভাবেই সার নিয়ে কারসাজি বা বিধি বহির্ভূত বাণিজ্য বরদাস্ত করা হবে না। আগামীতে এধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান, এ কর্মকর্তা।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী ।

  • নড়াইলে ব্রাক অফিসের সামনে মোটরসাইকেল ও ট্রলির মু-খোমুখি সং-ঘর্ষ, কিশোর নিহ-ত

    নড়াইলে ব্রাক অফিসের সামনে মোটরসাইকেল ও ট্রলির মু-খোমুখি সং-ঘর্ষ, কিশোর নিহ-ত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে মোটরসাইকেল ও ট্রলি মুখোমুখি সংঘর্ষে জসিম মোল্যা (১৫) নামে এক মোটরসাইকেল চালক কিশোর নিহত হয়েছেন।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার নড়াইল-মাগুরা সড়কের ব্রাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
    জসিম মোল্যা উপজেলার হবখালী ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের জাফর মোল্যার ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিলেন।
    নিহতের স্বজন সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেলে জসিম মোল্যা নামে ওই কিশোর হবখালি ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে নড়াইল শহরের দিকে আসছিলেন। প্রতিমধ্যে নড়াইল-মাগুরা সড়কের ব্রাক অফিসের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা এক ট্রলির সঙ্গে জসিমের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে জসিম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য কর্তব্যরত চিকিৎসক অন্যত্র নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি মারা যান।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, বিকেলে এক্সিডেন্ট হয়। পরে খুলনা নেওয়ার পথে ছেলেটি মারা যায়। এ ঘটনায় যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।