Blog

  • খুলনায় ডেঙ্গু প্র-তিরোধে টিডিপির প্র-শংসনীয় উদ্যোগ: স্বেচ্ছাশ্রমে সুই-জগেট খাল প-রিষ্কার

    খুলনায় ডেঙ্গু প্র-তিরোধে টিডিপির প্র-শংসনীয় উদ্যোগ: স্বেচ্ছাশ্রমে সুই-জগেট খাল প-রিষ্কার

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা:

    ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলা এবং শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে খুলনা টাউন ডিফেন্স পার্টি (টিডিপি)। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সামাজিক উন্নয়ন মূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, টিডিপি সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে লবনচরা সুইজগেট খালের জমে থাকা কচুরিপনা অপসারণ করেছেন। দীর্ঘ দিন ধরে অপরিষ্কার থাকা এই খালটি ডেঙ্গু মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল, যা স্থানীয়দের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করছিল।

    বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর খুলনা জেলা কমান্ড্যান্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের স্বেচ্ছাসেবী টিডিপি এবং আনসার টিডিপি ক্লাবের সদস্যরা। শুক্রবার ১২ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমের নেতৃত্ব দেন খুলনা সদর থানা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ তারিকুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষিকা হামিদা খাতুন। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড টিডিপি দলনেতা মোঃ শফিকুজ্জামান বলেন, দেশের মোট ডেঙ্গু রোগীর প্রায় ৫২ শতাংশ উপকূলীয় ১৩টি জেলায়, যার মধ্যে খুলনা অন্যতম। শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ডেঙ্গুর ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা টিডিপি সদস্যরা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে এই পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। স্থানীয়রা টিডিপি সদস্যদের এই মহৎ উদ্যোগকে সাধারণ মানুষজন সাধুবাদ জানিয়েছেন। এলাকাবাসীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপনায় ভরে থাকা এই খালটি শুধুমাত্র জলাবদ্ধতাই নয়, বরং ডেঙ্গু মশার অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ হটস্পট হয়ে উঠেছিল। টিডিপির এই স্বতঃস্ফূর্ত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এলাকার স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে এবং পরিবেশের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন। এ সময় আনসার ভিডিপি ও টিডিপি সদস্য ও সদস্যা প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

  • আনসার ভিডিপি’র মহাপরিচালকের শফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমি পরি-দর্শনে

    আনসার ভিডিপি’র মহাপরিচালকের শফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমি পরি-দর্শনে

    এ কে খান ও গোলাম মোস্তফা রাঙ্গা:

    বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ, এসজিপি, বিএএম, এনডিইউ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, গাজীপুরের সফিপুরে অবস্থিত আনসার ভিডিপি একাডেমি পরিদর্শন করেছেন। তিনি ১৩ সেপ্টেম্বর গাজিপুর জেলার সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমী পরিদর্শন করেন। ঐ দিন তিনি একাডেমিতে পৌঁছালে একাডেমির কমকর্তারা তাঁকে স্বাগতম জানান। এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল একাডেমির চলমান প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, নতুন অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণার্থীদের আবাসন ব্যবস্থার সামগ্রিক অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা।

    পরিদর্শনের শুরুতে মহাপরিচালক এলাহি বক্স অডিটোরিয়ামে চলমান মনিটরিং মাঠকর্মী প্রশিক্ষণ-২০২৫ (২য় ধাপ) এর প্রশিক্ষণার্থীদের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশনে অংশ নেন। সেখানে তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের পেশাগত দক্ষতা বাড়ানোর জন্য দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন। এরপর তিনি নবনিযুক্ত প্রশিক্ষকদের সাথে একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন এবং তাদের আসন্ন প্রশিক্ষণগুলো সততা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে পরিচালনা করার নির্দেশ দেন। মহাপরিচালক একাডেমি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখেন। এর মধ্যে ছিল নবনির্মিত প্রশিক্ষণার্থী ব্যারাক, টিটিসি (টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার), এসল্ট গ্রাউন্ড, হরিণ খামার এবং পিকনিক স্পটের কটেজ প্রমূখ। তিনি বিশেষ ভাবে ১০ তলা নির্মাণাধীন ভবন, ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার আনসার ভিডিপি স্কুল এন্ড কলেজ, এবং ২ নম্বর গেটের কাছে অবস্থিত আনসার মার্কেট পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শন শেষে মহাপরিচালক একাডেমির প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। এ সময় মহাপরিচালকের সাথে ছিলেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফিদা মাহমুদ, এএফডব্লিউসি, পিএসসি; উপমহাপরিচালক (প্রশাসন) কর্নেল মোঃ ফয়সাল আহাম্মদ ভুঁইয়া, পিএসসি; এবং উপমহাপরিচালক মুহাম্মদ নুরুল আবছার ডেপুটি কমান্ড্যান্ট, আনসার ভিডিপি একাডেমি সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

  • বাবুবাবুগঞ্জের (আগরপুরে) গন অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের সু-স্থতায় দোয়া মোনা-জাত

    বাবুবাবুগঞ্জের (আগরপুরে) গন অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের সু-স্থতায় দোয়া মোনা-জাত

    কে এম সোয়েব জুয়েল।
    বাবুুগঞ্জ উপজেলার ১নং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে, গনঅধিকার পরিষদের সভাপতি সাবেক ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুরের সুস্হতা কামনা করে দোয়া মিলাদ মাহফিল ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪ টায় বাবুবাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর বন্দরে এ অনুষ্টানের আয়োজন করা হয়েছে।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন,বারিশাল জেল গনঅধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল আমিন,জেলা যুবঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদর রাজন মৃধা,বাবুুগঞ্জ উপজেলা গনঅধিকার পরিষদের রানা আহম্মদ, জুয়েল আকন, মাসুম বিল্লাহ, রেজাউল করিম খান।উপজেলা যুবঅধিকার পরিষদের সভাপতি শহিদুল ইসলাম আকাশ,জহিরুল ইসলাম। জাহাঙ্গীরনগর ইউয়ন গনঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক কবির হোসেন। ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কাজি আলামিন
    সহসভাপতি মুমিনুল।ইউনিয়ন ছাত্র নাহিদ ইসলাম, সজল,রোমান এবং সাধারণ জনতা,উপস্থিত সবাই গনঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের সুস্হতা ও দেশবাসির শান্তি কামনা করে দোয়া মোনাজাত করেন। যুবঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক মাহাবুবুর রাহমান, জেলা গনঅধিককার পরিষদের সভাপতি শামিম রেজা,সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হাসান,প্রবাসী অধিকার পরিসষদ ইটালি শাখার সভাপতি এইচ এম ফারদিন ইয়ামিন, কুয়েত শাখার শহিদ পাহলান,উপজেলার যুব সহসভাপতি বি এম ইব্রাহীম জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে এত সুন্দর আয়োজন করায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান ড়

  • জামায়াতের নমীনি পরিবর্তনের দা-বীতে ঐক্যবদ্ধ জনতার বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    জামায়াতের নমীনি পরিবর্তনের দা-বীতে ঐক্যবদ্ধ জনতার বিক্ষো-ভ মিছিল ও স-মাবেশ

    মো: সেলিম মিয়া ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি : ১৫০ ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনিত প্রার্থী কামরুল হাসান মিলন কে পরিবর্তনের দাবীতে ‘ফুলবাড়িয়া উপজেলা ঐক্যবদ্ধ জনতা’ ব্যানারে অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন এর সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার বিকালে উপজেলা সদরের চত্বরে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সাবেক শিবির নেতা মাওলানা ইউছুফ আলী নূরী, সাবেক শিবির নেতা জাকির হোসেন, মোফাজ্জল হোসেন তারা,
    বক্তারা বলেন, এক সময়কার জেলা আমীর অধ্যাপক জসিম উদ্দিন শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ। অথচ উর্ধ্বতন নেতাদের বুঝানো হয়েছে তিনি (অধ্যাপক জসিম উদ্দিন) শারীরিকভাবে অক্ষম। এ আসনে জামায়াতের কার্যক্রম সম্প্রসারণের ব্যাপারে তার অবদান অপরিসীম। আমাদের রক্ত মাংসে জামায়াত শিবির মিশে আছে অথচ গতকাল শুক্রবার আমাদের বিরুদ্ধে ময়মনসিংহে জিডি করে ফুলবাড়িয়া থানার পাঠানো হয়েছে। রাতে আমাদের বাসায় পুলিশ গিয়েছিল। আমরা বলেছি, আমাদের শরীরে শিবিরের রক্ত আমরা ফ্যাস্টিট না। বক্তারা হুঙ্কার দিয়ে বলেন, যদি এ আসনে জামায়াতের এমপি হতে চান, তাহলে আমাদের সাথে সমন্বয় করে যেতে হবে, তা না হলে এমপি হওয়ার স্বপ্নই দু:স্বপ্নই থেকে যাবে। উপস্থিতিতে দেখে বলেন, আমাদের প্রথম বিজয় হয়ে গেছে। এখন দ্বিতীয় বিজয় (ঘোষনার বাকী) হবে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের ফুলবাড়িয়ার আসন নিয়ে পুন: বিবেচনার আহ্বান জানান।

  • শিক্ষার্থীদের ঝ-রে প-ড়া রো-ধ ও পড়াশোনায় আগ্র-হী করে তুলতে অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ – এম,মাইমুনুল ইসলাম মামুন

    শিক্ষার্থীদের ঝ-রে প-ড়া রো-ধ ও পড়াশোনায় আগ্র-হী করে তুলতে অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ – এম,মাইমুনুল ইসলাম মামুন

    মহিউদ্দিন চৌধুরী।

    পটিয়া প্রতিনিধি।। পটিয়া উপজেলার
    হাইদগাঁও কবিরাজ শ্যামাচরণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে শিক্ষা কর্মকর্তা বাবু বিশু দের সভাপতিত্বে
    মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ, জে,ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম,মাইমুনুল ইসলাম মামুন, প্রধান বক্তা হাইদগাঁও ইউনিয়নের গ্রাম আদালতের বিচারিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোঃ হেলাল উদ্দিন, বিশেষ অতিথি ভূমি দাতা বাবু দয়ানন্দ দেবব্রম্মন, সমাজ সেবক মুক্তার হোসাইন, শহীদ আব্দুস সবুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক আবু সিদ্দিক, রাজনীতিবিদ মহিউদ্দিন, ছাত্রনেতা সাকিব ও রাকিব, সুলিন দেব বিশু বিশ্বাস, অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা লাভলী চৌধুরী,সহকারি শিক্ষিকা বাবলি চৌধুরী, বাবলা চৌধুরীর পরিচালনায় অভিভাবিকাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রোজিনা দাস, শিমু বিশ্বাস, হালিমা বেগম।
    এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এজে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম মাইমুনুল ইসলাম মামুন বলেন,

    শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ ও পড়াশোনায় আগ্রহী করে তুলতে অভিভাবকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে একজন সচেতন মা সন্তানের সুশিক্ষা ও চারিত্রিক গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারেন।

    শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। সন্তানের জীবনের প্রথম শিক্ষার হাতেখড়ি মায়ের কাছ থেকেই শুরু হয়। মা একটি ছোট শব্দ হলেও মায়ের কাছে একজন সন্তান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ, তেমনি একজন সন্তানের কাছে মা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, মা গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, মা একটি জীবন, মা একটি পৃথিবী, মা তার সন্তানের জন্য ইহকাল, পরকাল। একজন সুশিক্ষিত মা পারেন একটি শিক্ষিত জাতির জন্ম দিতে। মা একটু সচেতন হলেই সন্তানকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারেন।
    তিনি সন্তানের পড়ালেখায় মায়েদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    ছবির ক্যাপশন,- হাইদগাঁও কবিরাজ শ্যামাচরণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন এজে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম মাইমুনুল ইসলাম মামুন।

  • সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতার অভিযোগ  বিএনপি ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান আওয়ামী দোসর শ্যামল মাস্টারের

    সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতার অভিযোগ বিএনপি ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান আওয়ামী দোসর শ্যামল মাস্টারের

    মহিউদ্দিন চৌধুরী।
    পটিয়া প্রতিনিধি।।
    চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব খোরশেদুল আলম বলেন, ” কাল্পনিক মামলা দিয়ে বিএনপি ধ্বংসের মাস্টারপ্ল্যান হাতে নিয়েছে আওয়ামী দোসর ও ইস্কন সদস্য শ্যামল মাস্টার। তিনি বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আওয়ামী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। গায়েবী ও মিথ্যা মামলা দেওয়া আওয়ামী খাসলত। ফ্যাসিবাদের দোসর শ্যামল মাষ্টার এখনো তার আওয়ামী খাসলত ছাড়তে পারেননি।”
    পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হাইদগাঁও ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণে’র ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

    তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে যারা আমার সাথে কারাভোগ করেছিলেন এমন অনেক দলীয় কর্মীকে মিথ্যা মামলায় আসামী করা হয়েছে। হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের বিতর্কিত প্রধান শিক্ষক শ্যামল মাষ্টারের সাথে বিগত ২১/০৮/২৫ ইং তারিখে সংঘটিত ঘটনার পর তিনি হামলাকারীদের চিনতে না পারার কথা উল্লেখ পরবর্তীতে ১৯ জন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। এতে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য, পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, দাতা সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীদেরও মামলার আসামী করা হয়।
    তিনি বলেন, একজন শিক্ষকের উপর হামলার ঘটনা অবশ্যই নিন্দনীয়। তবে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপিকে ফাঁসানোর চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না। এই মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার না হলে আমরা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।

    উল্লেখ্য, উপজেলার হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক শ্যামল কান্তি দে’র উপর বিগত ২১/৮/২৫ তারিখে দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ২৭/৮/২৫ জনের নাম উল্লেখপূর্বক মামলা দায়ের করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা নাছির উদ্দিন, ওবায়দুল হক রিকু, মীর সাইফুর রহমান, ফোরকান বাবু, জাহেদ, আব্দুল কাদের, ওসমান ফারুক সানি, নাজিম উদ্দীন, মোহাম্মদ আইয়ুব আলী হিরো, মোহাম্মদ ইব্রাহীম, মহিউদ্দিন রানা, মোরশেদ আলম ইমন, মোহাম্মদ জামাল উদ্দীনসহ প্রমুখ।

  • কোটালীপাড়া থানা পুলিশের অ-ভিযানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপ-হৃত শিশু উ-দ্ধার, মূল হোতা গ্রে-প্তার

    কোটালীপাড়া থানা পুলিশের অ-ভিযানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপ-হৃত শিশু উ-দ্ধার, মূল হোতা গ্রে-প্তার

    কে এম সাইফুর রহমান নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    অপহরণের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৩ বছরের শিশু আইয়ানকে উদ্ধার ও অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ।

    আইয়ান গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার পিঞ্জুরী ইউনিয়নের পিঞ্জুরী গ্রামের হাইয়ুল ও পাকিজা দম্পতির একমাত্র পুত্র সন্তান।
    আত্মীয় পরিচয়ে বেড়াতে এসে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে দোকান থেকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে আইয়ানকে অপহরণ করে ৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে আমিরুল হোসেন বাপ্পি নামের এক যুবক।

    এ ঘটনায় গতকাল রাতে শিশু আইয়ানের মা বাদী হয়ে কোটালীপাড়া থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর শিশু আইয়ানকে উদ্ধারে রাতেই কোটালীপাড়া থানার এস আই সাদ্দাম হোসেন খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম মাঠে নামে।

    এসআই সাদ্দাম হোসেন খান বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় টানা ১২ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার ধুপইল এলাকা থেকে অপহরণকারী আমিরুল হোসেন বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করে শিশু আইয়ানকে উদ্ধার করি। অপহরণকারী আমিরুল ইসলাম ধুপইল গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
    এদিকে শিশু আইয়ানকে উদ্ধারের খবরে কোটালীপাড়া থানা পুলিশ ভূয়সি প্রশংসায় ভাসছে। সকলেই অক্ষত অবস্থায় এবং কোন ধরনের ক্ষতি ছাড়াই আইয়ানকে উদ্ধার করায় কোটালীপাড়া থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানান। শিশু আইয়ানের মা পাকিজা বেগম বলেন, আমিরুল ইসলাম আমার স্বামীর খালাতো ভাইয়ের বন্ধু। কিছুদিন আগে আমাদের বাড়িতে এসে ১ দিন থেকে চলে যায়।
    গত মঙ্গলবার রাতে সে আবার আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টার দিকে চিপস, চকলেট কিনে দেওয়ার নাম করে আইয়ানকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। বেল ১১ টার দিকে আমার মোবাইলে ফোন দিয়ে ৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। টাকা দিলে ছেলেকে ফিরিয়ে দিবে বলে জানায় আমিরুল। থানা পুলিশকে জানাতে নিষেধ করে। পরে কোন কূলকিনারা না পেয়ে কোটালীপাড়া থানায় মামলা করি।
    কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ হাফিজুর রহমান খন্দকার বলেন, অপহরনের ঘটনায় মামলা হওয়ার পরই আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিতে অভিযানে নামি। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাতেই ঢাকাসহ বিভিন্নস্থানে অভিযান চালানো হয়। পরবর্তীতে আজ শুক্রবার দুপরে নাটোরের লালপুর থেকে অপহৃত শিশু আইয়ানকে উদ্ধার ও আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

  • বরগুনার খা-নাখন্দে ভরা তালতলী-আমতলী আ-ঞ্চলিক সড়ক

    বরগুনার খা-নাখন্দে ভরা তালতলী-আমতলী আ-ঞ্চলিক সড়ক

    মংচিন থান তালতলী বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার আমতলী-তালতলী উপজেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী একমাত্র আঞ্চলিক সড়কটির দৈর্ঘ্য ৩৮ কিলোমিটার। এর মধ্যে ২৪ কিলোমিটারে পিচঢালাই উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানাখন্দের। বৃষ্টিতে পানি-কাদায় একাকার। দিন দিন এসব খানাখন্দ বড় আকার ধারণ করছে। এতে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এমন অবস্থায় ভোগান্তিতে পড়েছে দুই উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ।

    জানা যায়, বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলীর মানিকঝুড়ি থেকে শুরু করে তালতলীর ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পর্যন্ত ৩৮ কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়কটির অন্তত ২৪ কিলোমিটার জুড়ে অসংখ্য ডোবা ও বড় বড় খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। পাশাপাশি ‘শুভ সন্ধ্যা সমুদ্রসৈকত, নিদ্রারচর সমুদ্রসৈকত, সোনাকাটা ইকোপার্ক, এসব পর্যটন স্পটগুলোতে যাতায়াতের একমাত্র সড়ক এটি। কিন্তু সড়কের বেহাল দশায় পর্যটকদের যাতায়াত কমেছে। এতে সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে। এছাড়াও তালতলী থেকে প্রতিদিন ঢাকার উদ্দেশ্যে বাস, ট্রাক, মাহিন্দ্রাসহ অন্যান্য তিন চাকার যানবাহন চলাচল করে। এসব যানবাহনে প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেন। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মানিকঝুড়ি থেকে কচুপাত্রা সেতু পর্যন্ত ৮ কিলোমিটার। কড়ইবাড়িয়া বাজার থেকে হরিণবাড়িয়া সেতু পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার। তালতলীর ব্রিজগাট সেতু থেকে ফকিরহাট পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার। এসব এলাকায় প্রতি একটু পর পর ছোট-বড় গর্ত, ইট-পাথর সুরকি উঠে মাটি বের হয়ে গেছে। এখন বৃষ্টির কারণে কাদা-পানিতে বেহাল অবস্থা। এতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। এতে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। তাই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    তালতলী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রাব্বি বলেন, ‘সড়কের বেহাল দশার কারণে আমাদের যাতায়াতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। পরীক্ষা চলাকালে নির্ধারিত সময়ে আমরা পরীক্ষা কক্ষে উপস্থিত হতে পারি না। এতে নানা সমস্যায় পড়তে হয়।’

    অ্যাম্বুলেন্সে চালক মো. কাওছার মিয়া বলেন, ‘রাস্তা এমনই বেহাল যে, ঝাঁকুনিতে রোগী আরও অসুস্থ পড়ে। বড় বড় গর্ত বৃষ্টির কারণে চোখে পড়ে না। রাতের বেলা গাড়ি চালাতে ভয় লাগে। তাই দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানাই।

    তালতলী ডিলার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু-বকর সিদ্দিক বলেন, ‘সড়কটি সংস্কারের অভাবে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। এতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিভিন্ন বাজারে পরিবেশন করতে বিলম্ব হচ্ছে একই পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

    এ বিষয়ে বরগুনা কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমতলী-তালতলী সড়কটির যে অংশে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত তা জরুরি মেরামতের জন্য অর্থ বরাদ্দ পেয়েছি। আমরা শীঘ্রই ট্রেন্ডার প্রক্রিয়ায় চলে যাব। ২-৩ সপ্তাহের ভিতরে সংস্কার কাজ শুরু হবে‌। সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি।

  • জরুরি বিভাগে ডাক্তার অ-নুপস্থিত, সেলাই করলেন ও-য়ার্ড বয়

    জরুরি বিভাগে ডাক্তার অ-নুপস্থিত, সেলাই করলেন ও-য়ার্ড বয়

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
    পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবার চরম অব্যবস্থাপনা প্রকাশ পেয়েছে। জরুরি বিভাগে চিকিৎসক না পেয়ে রোগীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তিতে পড়ছেন। এমনকি গুরুতর আহত এক শিশুর হাতে সেলাই দিয়েছেন হাসপাতালের ওয়ার্ড বয়!

    ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে। আটোয়ারী উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের জুগিকাটা গ্রামের ফরহাদ হোসেন স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বেড়াতে যান বোদা উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের লতাপাড়া গ্রামে। এসময় তার ছেলে মেহেদি হাসান খেলতে গিয়ে কার্তি দিয়ে হাত কেটে ফেলেন। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে জরুরি বিভাগে কোনো চিকিৎসক না থাকায় কর্তব্যরত ওয়ার্ড বয় শহিদুল ইসলাম শিশুর আঙুলে দুইটি সেলাই দেন। প্রায় বিশ মিনিট পর স্বজনদের অভিযোগে সিভিল সার্জনকে জানানো হলে তড়িঘড়ি করে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রোমেনা বেগম জনি হাসপাতালে পৌঁছান।

    এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও স্বজনরা।
    কালিবাড়ি এলাকার রোগী রঞ্জন বলেন, “গলা ব্যথা নিয়ে জরুরি বিভাগে এসেছি। প্রায় এক ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ডাক্তার পেলাম না। জরুরি বিভাগে যদি চিকিৎসকই না থাকেন, তবে এখানে এসে লাভ কী?”

    অন্যদিকে সানজানা ইসলাম নামে এক অভিভাবক জানান, তার ছেলে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসেন। কিন্তু ৪০ মিনিট অপেক্ষার পরও কোনো চিকিৎসক পাননি। মমতা নামে আরেক রোগী বলেন, “২০ মিনিট ধরে বসে আছি। ডাক্তার নেই। রোগীরা চিকিৎসা না পেয়ে একের পর এক ফিরে যাচ্ছে। এটা কেমন স্বাস্থ্যসেবা?”

    অভিযোগের বিষয়ে চিকিৎসক ডা. রোমেনা বেগম জনি বলেন, “আমরা সেবা দিচ্ছি না তা নয়। আমার ছোট বাচ্চা থাকায় আধা ঘণ্টা দেরি হতে পারে। সাধারণত জরুরি রোগী এলে আমাকে জানানো হয়। কিন্তু সেদিন আমাকে কেউ ইনফর্ম করেনি।”

    এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফুল কবীর বলেন, “জরুরি বিভাগে ডাক্তার অনুপস্থিত ছিল—এটা আমার জানা নেই। কোন চিকিৎসক ডিউটিতে ছিলেন তা খোঁজখবর নিয়ে দেখা হবে। তবে ২৪ ঘণ্টা ডাক্তার থাকার কথা।”

  • শার্শার সেতাই গ্রামে বিদ্যুৎের টানা লাইনে প্রান গেলো কিশোরের, ময়-না তদ-ন্ত ছাড়াই লা-শ দা-ফন

    শার্শার সেতাই গ্রামে বিদ্যুৎের টানা লাইনে প্রান গেলো কিশোরের, ময়-না তদ-ন্ত ছাড়াই লা-শ দা-ফন

    আজিজুল ইসলাম : যশোরের শার্শা উপজেলার সেতাই গ্রামে বিদ্যুৎের টানা লাইনে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে রাসেল হোসেন (১৪) নামে এক কিশোর প্রান হারিয়েছে। মৃত রাসেল সেতাই গ্রামের আনারুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সেতাই গ্রামের যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান টুটুল ফকির তার বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার দুরে তারই আমবাগানের ভিতর দিয়ে মাছের ঘেরে টানা লাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়। সে দীর্ঘদিন ধরে টানা লাইনে বিদ্যুৎ চালালেও বিদ্যুৎ কর্মীরা আজ অবদী কোনো পদক্ষেপ নেন নি। কামরুজ্জামান টুটুল তার আমবাগান একই গ্রামের জালাল শেখের কাছে লিজ দেন। জালাল শেখ গত বৃহস্পতিবার বিকালে গাছের শুকনো ডাল গুলি কেটে এলাকার গৃহ শিক্ষক ইয়ার আলীর ছেলে জুয়েল রানার কাছে বিক্রী করে দেন। গাছের শুকনো ডাল কাটার সময় বিদ্যুৎের টানা লাইনের তার কেটে বাগানের ভেতর পড়ে থাকে।

    গত শুক্রবার সকালে প্রতিদিনের ন্যায় সেতাই গ্রামের নুর মুহাম্মাদের ছেলে শিহাব উদ্দিন (১৪) ফারুক হোসেনের ছেলে ইজতেহাদ আহমেদ (১৪), সাহেব আলীর ছেলে নুরনবী (১৪) ও আনারুল ইসলামের ছেলে রাসেল হোসেন (১৪) জুয়েল রানার বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। পড়া শেষে জুয়েল রানা ঐদিন সকাল ১০ টার দিকে তাদের সকলকে টুটুলের আমবাগান থেকে জ্বালানি কাঠ আনতে পাঠায়। তারা বাগান থেকে কাঠগুলো সংগ্রহ করার সময় বিদ্যুৎের কাটা তার রাসেলের পায়ে জড়িয়ে গেলে ঘটনা স্থলেই তার মৃত্যু হয়। আকস্মিক এই দুর্ঘটনায় কিশোররা ভয় পেয়ে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এবং একঘন্টা পর বাগান থেকে রাসেলের মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে আনা হয়। অনেক দেন দরবারের পর সন্ধ্যার দিকে হতভাগা রাসেলের লাশ দাফন করা হয়। ঘটনার পরপরই বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবং সেখান থেকে অবৈধ সংযোগ নেয়া বিদ্যুৎের তার দ্রুত অপসারণ করেন। তবে অনুরূপ আরেকটি বিদ্যুৎ সংযোগ টুটুলের অন্য আরেকটি ঘেরে এখনো চলমান আছে অথচ এখনো উক্ত লাইনটির বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।
    স্থানীয়রা জানিয়েছেন মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে রাসেলের বিদ্যুৎপৃষ্ট হওয়ার ঘটনাটি যুবলীগ নেতা কামরুজ্জামান টুটুল স্থানীয়দের মাধ্যমে মিমাংসা করে নিয়েছেন।

    শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানিয়েছেন এব্যাপারে থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।