Blog

  • নড়াইল সদর কোর্ট বার্ষিক পরিদর্শনে এসপি সাদিরা খাতুন ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

    নড়াইল সদর কোর্ট বার্ষিক পরিদর্শনে এসপি সাদিরা খাতুন ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল সদর কোর্ট বার্ষিক পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন। শনিবার
    (৩০ সেপ্টেম্বর) পরিদর্শন উপলক্ষে নড়াইল সদর কোর্ট উপস্থিত হলে নড়াইল সদর কোর্ট পুলিশের পক্ষ থেকে পুলিশ সুপারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। এ সময় পুলিশ সুপারকে সশস্ত্র সালাম প্রদর্শন করেন নড়াইল সদর কোর্ট অফিসার এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার পরিদর্শন বহিতে স্বাক্ষর করেন। পরিদর্শনকালে মামলা তদন্ত বিষয়ে যাবতীয় নথি পর্যালোচনা ও যথাযথ সংরক্ষণ, মামলার ব্রিফ তৈরি, প্রশাসনিক কার্যক্রম, সিডিএমএস যাচাই এবং পুলিশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বিষয়ে কোর্ট পুলিশ পরিদর্শকসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া আসামী হেফাজতকালে সর্বদা সতর্কতা ও এ সংক্রান্ত আইনানুগ নিয়মসমূহের প্রতিপালন, আসামী ও ভিকটিমদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, মালখানা রেজিস্ট্রার যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা, মামলার আলামত নিষ্পত্তি করা, যথানিয়মে ইউনিফর্ম পরিধান করা, কোর্ট প্রাঙ্গণ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি কোর্ট পুলিশকে বিজ্ঞ আদালতের রোল মডেল ও আস্থার আশ্রয়স্থল” হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ও বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য কোর্ট পুলিশ পরিদর্শককে নির্দেশ প্রদান করেন। পুলিশ সুপার কোর্ট সংশ্লিষ্ট সকল পুলিশদের সাথে মতবিনিময় করেন ।
    এ সময় পুলিশ পরিদর্শক মোঃ নজরুল ইসলাম, পুলিশ পরিদশর্ক মোঃ শহিদুল ইসলাম, নড়াইলসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • সাংবাদিক নেতা আবু সালেহ আকন জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত

    সাংবাদিক নেতা আবু সালেহ আকন জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:দৈনিক নয়া দিগন্তের সিটি এডিটর , বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশেনের সাবেক দুইবারের সফল সভাপতি, হাজারো সাংবাদিকদের আশ্রয় স্থল, সদা হাস্যজ্বল, অন্যায়ের সাথে আপোষহীন সাংবাদিক নেতা, সৎ নির্ভীক সাংবাদিক আবু সালেহ আকনের জন্মদিন আজ ৩০ সেপ্টেম্বর। জন্মদিন উপলক্ষে তিনি আজ সারাদিন শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন। তার পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী, সাংবাদিক সহযোদ্ধা, ভক্ত, পরিচিত, আত্মীয়-স্বজন তাকে বিভিন্নভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছেন অনেকে। প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও তার দিনটি কেটেছে আনন্দে। ১৯৭৭ সালের এই দিনে ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানার নারিকেল বাড়িয়া গ্রামে আবু সালেহ আকন জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আইউব আলী আকন ও মা আনোয়ারা খানমের তিন সন্তানের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ব্যাক্তিগত জীবনে তার স্ত্রী মাহমুদা ডলি, তিনিও পেশায় একজন সাংবাদিক। এক ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের বাবা। আবু সালেহ আকন ১৯৯২ সালে ইউসুফ আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মানবিক বিভাগে এসএসসি, ১৯৯৪ সালে রাজাপুর সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হয়ে ১৯৯৭ সালে অনার্স এবং ১৯৯৯ সালে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। এরপরে ১৯৯৭ সালের এপ্রিলের ২ তারিখে দৈনিক জনতায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি হিসেবে যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এর পর একই বছরের শেষের দিকে তিনি দৈনিক সংগ্রামে নিজস্ব প্রতিবেদক, ১৯৯৮ সালে দৈনিক ইনকিলাবে নিজস্ব প্রতিবেদক ও ২০০৪ সালের আগস্টে দৈনিক নয়া দিগন্তে নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে তিনি একই পত্রিকায় বিশেষ প্রতিনিধি, চিফ রিপোর্টার এবং বর্তমানের সিটি এডিটর পদে উন্নীত হন। তিনি সাংবাদিকতার স্বীকৃতিস্বরূপ মানবাধিকার বিষয়ক সাংবাদিকতা পুরস্কার, নয়া দিগন্তের সেরা রিপোর্টের পুরস্কারসহ বিভিণ্ন পুরস্কার অর্জন করেন। এ ছাড়া নেতৃত্ব বিকাশের লক্ষ্যে ও সাংবাদিকদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে এই সাংবাদিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এর ফলশ্রুতিতে তিনি বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) এর ২০০৯-২০১০ ও ২০১৩-২০১৪ কার্যবর্ষে সাধারন সম্পাদক ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে তিনি বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি পদে নির্বাচত হন। বর্তমানে ঝালকাঠি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আবু সালেহ আকন জানান, তার পছন্দের রং সবুজ ও ফুল হাসনা হেনা। খেতে ভালোবাসেন গরুর মাংস, সাদা ভাত ও ইলিশ মাছ। আর অবসর সময়ে এই সাংবাদিক বই পড়তে, গান শুনতে ও খেলাধূলা করতেই পছন্দ করেন।

  • দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ূ পরিবর্তন মোকাবেলায় উপকূলের  তিন জেলার জনপ্রতিনিধিরা  এক মঞ্চে

    দক্ষিণাঞ্চলে জলবায়ূ পরিবর্তন মোকাবেলায় উপকূলের তিন জেলার জনপ্রতিনিধিরা এক মঞ্চে

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির :জলবায়ূ পরিবর্তন ও ক্ষতি মোকাবেলায় তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত চান দক্ষিণাঞ্চলে বাগেরহাট খুলনা ও সাতক্ষীরা উপকূলীয় এলাকার জনপ্রতিনিধিরা। একই সাথে জলবায়ূ ফাণ্ডের ন্যায্যতা দাবি করেন তারা।
    শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ূ পবির্তন বিষয়ে জনপ্রতিনিধিদের মতবিনিময় সভায় এ অভিমত তুলে ধরেন। বেসরকারি সংস্থা অ্যাওসেড এ সভার আয়োজন করে। খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা উপকূলীয় এলাকার সংসদ সদস্য, উপজেলা চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা এতে অংশ গ্রহণ করেন।
    অ্যাওসেড নির্বাহী পরিচালক শামীম আরফীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা -২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, বাগেরহাট -৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আমিনুল আলম মিলন, খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান বাবু, মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র আব্দুর রহামান, পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু, দাকোপের লাউডোব ইউপি চেয়ারম্যান মো. যুবরাজ, পাইকগাছার দেলুটি ইউপি চেয়ারম্যান রিপন মন্ডল, বাগেরহাটের শরণখোলার সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান এমরান হোসেন প্রমুখ।
    মতবিনিময় সভায় খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, ষাটের দশকের বেড়িবাঁধ, স্লুইজগেট উপকূলের বড় বিপর্যয় ডেকে এনেছে। নদীর ন্যব্যতা হারিয়ে ভরাট হচ্ছে। সংসদ থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত জনপ্রতিনিধিদের সম্বয়ক করে কাজ করতে হবে। তাহলে এই সমস্যা, জলবায়ূ পরির্তন ও ক্ষতিপূরণের ন্যয্যতা আদায় সম্ভব হবে।
    অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জলবায়ূ পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশী ক্ষতির শিকার উপকুলীয় এলাকা। এ থেকে উত্তরণে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জলবায়ূ পরিবর্তনে উপকূলীয় মানুষের কোন দায় না থাকলেও সবচেয়ে বেশীর ক্ষতির শিকার হচ্ছে। এজন্য সমন্বিত উদ্যোগ জরুরী। আগামী দিনে ভূমি ধস, লবণাক্ততা, নদী ভাঙন বড় বিপদ দেখা দিতে পারে। উপকূলের প্রকৃতির ভিন্নতা রয়েছে। কোথাও নদী ভাঙছে, কোথাও ভরাট হচ্ছে। এজন্য স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিমত ছাড়া বর্তমান প্রাকৃতিক দুযোর্গ মোকাবেলা সম্ভব নয়। লোকায়িত জ্ঞানকে কাজে লাগাতে হবে।

  • নড়াইলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ১

    নড়াইলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ১

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে ডিবি পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার একজন। ইয়াবা ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ রুবায়েদ হোসেন (৫১) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার ডিবি পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ রুবায়েদ হোসেন (৫১) লোহাগড়া থানার লাহুড়িয়া তৈলক্ষণপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান মোল্যা ছেলে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে লোহাগড়া থানাধীন লাহুড়িয়া তৈলক্ষণপাড়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) অপু মিত্র, এএসআই (নিঃ) শরিফুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার নিকট থেকে ১০০ পিস নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • বরেণ্য রাজনীতিবিদ আবুল কাশেমের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    বরেণ্য রাজনীতিবিদ আবুল কাশেমের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

    এম এ আলিম রিপন ,সুজানগর ঃ সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বরেণ্য রাজনীতিবিদ আবুল কাশেমের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ১ অক্টোবর । মরহুম আবুল কাশেম এর কনিষ্ঠ পুত্র সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন জানান মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি পরিবারের পক্ষ থেকে এদিন মরহুমের কবর জিয়ারত ও এতিমখানায় খাবার বিতরণ করা হবে। উল্লেখ্য ২০১৬ সালের এই দিনে পরিবারপরিজন, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সর্বপরি রাজনৈতিক সহযোদ্ধাদের কাঁদিয়ে আবুল কাশেম নাফেরার দেশে চলে যান। মরহুম আবুল কাশেম জীবিত থাকাকালীন ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর পর তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয়ভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। এবং তিনি আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কিছু দিনের মধ্যে সাংগঠনিক যোগ্যতার কারণে প্রথমে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। এর পর ১৯৭৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৪ সাল থেকে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি দুইবার সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান এবং ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া সফল এবং আদর্শ রাজনীতিক হিসাবে সকলের নিকট পরিচিত ছিলেন প্রয়াত আবুল কাশেম। এদিকে সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বরেণ্য রাজনীতিবিদ আবুল কাশেমের সপ্তম মৃত্যু বার্ষিকীতে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় তার পরিবারের সদস্যবৃন্দ সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি।

  • পাবনা-২ আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি আরজুর ব্যাপক গণসংযোগ

    পাবনা-২ আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি আরজুর ব্যাপক গণসংযোগ

    এম এ আলিম রিপন ঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের প্রচারে মুখর হয়ে উঠেছে ৬৯পাবনা-২ সংসদীয় আসনের নির্বাচনী এলাকা। আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা সরকারের উন্নয়ন ও সফলতা সাধারণ ভোটারদের সামনে তুলে ধরে প্রচার চালাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় সংসদীয় এ আসনের নির্বাচনী এলাকায় প্রতিদিন অন্যান্য ইউনিয়নের ন্যায় শনিবার পাবনা-২ আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও পাবনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার আজিজুল হক আরজু ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। এদিন উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম-মহল্লা থেকে নেতাকর্মীরা,সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে আহম্মদপুরে সমবেত হয়। এরপর সেখান থেকে আ.লীগের নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে সুজানগর পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গণসংযোগ করেন তিনি। এ সময় তিনি প্রতিটি গ্রামের মানুষের মাঝে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের চিত্র ও সফলতার কথা তুলে ধরেন এবং লিফলেট বিতরণ করেন। এছাড়াও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামীলীগকে আবারও বিজয়ী করতে উন্নয়নের প্রতীক নৌকায় ভোট দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান । বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে মনোনয়ন প্রত্যাশা রেখে আজিজুল হক আরজু বলেন, পাবনা-২ নির্বাচনী এলাকার গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছি। তাই আমি আশা রাখি প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আবারো আমাকে পাবনা-২ আসনের নৌকার মনোনয়ন দেবেন। আর এবারও আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলে বিজয়ী হবেন এবং তিনি তার সকল যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে নির্বাচনী এলাকার অবহেলিত জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করবেন বলেও জানান খন্দকার আজিজুল হক আরজু। আ.লীগের নেতাকর্মীরা জানান, পাবনা-২ আসনের সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক খন্দকার আজিজুল হক আরজু বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র জীবন থেকেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন, তিনি ১৯৭৬ সালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর মহসিন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২ বছর দায়িত্ব পালন করেন, ১৯৭৯ সালে মহসিন হল ছাত্র সংসদ নির্বাচনে এজিএস নির্বাচিত হন। ১৯৮০ সালে তিনি জিএস পদে নির্বাচন করেন। এ সময়ে তিনি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং এর আগে তিনি ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পূর্বপাকিস্তানে শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেফতার ও কারারুদ্ধ ছিলেন। খন্দকার আজিজুল হক আরজু ১৯৯১ সালে থেকে ২০০৪ পর্যন্ত বেড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হতে শুরু করে বিভিন্ন সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে বেড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এবং বর্তমানে তিনি জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নির্বাচনী এলাকার আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখাসহ নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন,সমাজ সেবা, ও ক্রীড়া ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে দীর্ঘদিন ধরে খন্দকার আজিজুল হক আরজু নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে চলেছেন। ফলে নির্বাচনী এলাকা জুড়ে আ.লীগের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তার একটা পরিচ্ছন্ন ও নিজস্ব ব্যক্তি ইমেজ রয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনা আজিজুল হক আরজুকেই মনোনয়ন দেবেন বলেও প্রত্যাশা রাখেন তারা। গণসংযোগকালে তার সাথে আ.লীগ নেতা এবিএম রফিকুজ্জামান জয়েন, ফখরুল, মোতালেব,আলম, নাজমুল হক,রফিকুল ইসলাম,সজিব হাসান, জিলাল,শাহজাহান জলিলসহ স্থানীয় আ.লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতক সম্মানসহ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা এলাকার মেধাবী কৃতি সন্তান খন্দকার আজিজুল হক আরজুর পিতা মৃত খন্দকার জনাব আলী ছিলেন একজন শিক্ষক। খন্দকার আজিজুল হক আরজুর বড় ভাই মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার ফজলুল হক জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নেতা ছিলেন। এবং বিএডিসি’র শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। তাঁর মেজো ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডক্টর খন্দকার বজলুল হক বর্তমানে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ইমেরিটাস টিচার,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য,কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি ঢাকা বিম্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পরপর দুইবার নির্বাচিত সভাপতিসহ অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড এর দুইবার চেয়ারম্যান ও পিএসসি’র সদস্যও ছিলেন। তার সেজো ভাই খন্দকার মাজেদুল হক বিসিআইিস’র সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। তাঁর ছোট ভাই খন্দকার সিরাজুল হক একজন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার।এবং তাঁর ৩ বোন স্ব-স্ব অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি।

  • স্বরূপকাঠিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    স্বরূপকাঠিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    আনোয়ার হোসেন,

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি //

    পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে এ সভায় সকল শ্রেণী পেশার নারী-পুরুষের সাথে মতবিনিময় করা হয়। সংগঠনের সভানেত্রী বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ স্বরূপকাঠী জেলা শাখার সভাপতি লাইলি জাহান এর সভাপতিত্বে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ স্বরূপকাঠি জেলা শাখার সহ সভাপতি মীরা চৌধুরী, সহ সভাপতি শাহিদা খাতুন, সধারন সম্পাদক রহিমা খাতুন, সাংগঠনিক সম্পাদক নার্গিস জাহান । এছারাও সংগঠনের তরূণী ও সংগঠক সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সাংগঠনিক মাসের সমাপনী উপলক্ষে সাংগঠনিক সম্পাদক নার্গিস জাহান জেলা শাখার সাংগঠনিক মাসের কার্যক্রমের রিপোর্ট তুলে ধরেন। গত বছরের সাথে এ বছরের পালিত তুলনামুলক চিত্র দিয়ে অর্জন, চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন।

    সহ সভাপতি মীরা চৌধুরী তার বক্তৃতায় বলেন, বর্তমানের এই করোনা মহামারির সময় নারী নির্যাতন ও ধর্ষন বেড়ে গেছে। ধর্ষনকারীর দ্রুত গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। নরীর অধিকার রক্ষায় আমাদের নারীদের একত্রিত হতে হবে। ঘোষনাপত্র ও গঠনতন্ত্র নিয়ে আলোচনা করেন সহ সভাপতি শাহিদা খাতুন, সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সংগঠনের ভুমিকা এ সম্পর্কে বলেন বর্নালী কর, এবং সমাপনী বক্তব্যে সহ সভাপতি কানন বালা সুতার বলেন যৌন হয়রানি, ধর্ষনসহ নরী ও কন্যা নির্যাতন এবং সামাজিক অনাচারের বিরূদ্ধে সন্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলতে হবে।
    নেত্রীবৃন্দ সংগঠনকে আরো শক্তি শালী করার লক্ষে নতুন সদস্য ভর্তি করেন এবং সকলকে সংগঠনের গঠনতন্ত্র মেনে একসাথে কাজ করতে বলেন।

  • ঝিনাইদহের মহেশপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে সাবেক সংসদ নবী নেওয়াজের মত বিনিময়

    ঝিনাইদহের মহেশপুরে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে সাবেক সংসদ নবী নেওয়াজের মত বিনিময়

    শহিদুল ইসলাম ঝিনাইদহঃ-
    আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও সফলতা অর্জনের কথা তুলে ধরে ঝিনাইদহ ৮৩ – ৩ আসন ( মহেশপুর – কোটচাদপুর) এর সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমানে আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ- নবী নেওয়াজ ৩০ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে মহেশপুরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু পাঠচক্র কার্যালয়ে ঝিনাইদহ ৩ আসনে নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন প্রত্যাশি নিয়ে মহেশপুরের কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় ও আলোচনা সভা করেন। এসময় তিনি বিগত ৫ বছরে ক্ষমতায় থেকে জনগনের সার্থে কি কি কাজ করেছেন তাহার বর্ননা তুলে ধরে আগামী জাতীয় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আবারও নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন প্রত্যাশা নিয়ে সকলের সামনে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় আওয়ামী দলীয় নেতা-কর্মী সহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠের একাধিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • তানোরে মটর মালিকের দৌরাত্ম্য কৃষকেরা অতিষ্ঠ

    তানোরে মটর মালিকের দৌরাত্ম্য কৃষকেরা অতিষ্ঠ

    আলিফ হোসেন,
    তানোর(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ
    রাজশাহীর তানোরের কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) কুজিশহর মাঠে গভীর নলকুপের কমান্ড এরিয়ায় নীতিমালা লঙ্ঘন করে সেচ মটর (এসটিডাব্লিউ) স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, একটি চক্র বিএমডিএ’র গভীর নলকুপ অকেজো করে রেখে সেচ মটর থেকে উচ্চহারে সেচ বানিজ্য করছে। এ ঘটনায় কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
    জানা গেছে, উপজেলার কলমা ইউপির জেল নম্বর ১৬৭, কুজিশহর মৌজায় ৩৫০ নম্বর দাগে একটি ব্যক্তি মালিকাধীন এবং ২৫২ নম্বর দাগে একটি বিএমডিএ’র গভীর নলকুপ ও ২৪৮ নম্বর দাগে একটি সেচ মটর রয়েছে। ব্যক্তি মারিকানাধীন গভীর নলকুপের মালিক কুজিশহর গ্রামের শামসুদ্দিন ও সেচ মটরের মালিক মুনসুর রহমান।
    স্থানীয় কৃষক গৌতম কুমার, আব্দুর রহমান ও খাইরুল ইসলাম বলেন, একটি চক্র ইচ্ছেকৃতভাবে ২৫২ নম্বর দাগের বিএমডিএ’র গভীর নলকুপ প্রায় ৯ বছর যাবত অকেজো করে রেখেছে। এতে ওই স্কীমের কৃষকদের ব্যক্তিমালিকানাধীন গভীর নলকুপ ও সেচ মটর থেকে সেচ দিয়ে চাষাবাদ করতে হচ্ছে। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে গভীর নলকুপ ও সেচ মটর মালিক কৃষকদের রীতিমতো শোষণ করছে। তারা একবিঘা জমিতে সাড়ে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা সেচ চার্জ আদায় করছেন। এ ঘটনায় প্রায় প্রতি বছর সেচচার্জ আদায় নিয়ে তাদের সঙ্গে কৃষকদের মতবিরোধ এমনকি ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মতো ঘটনা
    ঘটছে।
    এদিকে স্থানীয় কৃষকেরা বিএমডিএ’র অকেজো গভীর নলকুপটি রি-বোরিং এর মাধ্যমে সচল করার জন্য স্থানীয় সাংসদ, বিএমডিএ’র চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। এরই প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ ওই গভীর নলকুপ রি-বোরিং এর উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্ত্ত সেই অশুভ চক্র রি-বোরিং কাজ বাধাগ্রস্ত করতে নানা অপতৎপরতা শুরু করেছে। এদিকে ঘটনা জানাজানি হলে অশুভ চক্রের বিরুদ্ধে এলাকার কৃষকেরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, বিরাজ করছে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। ফলে অকেজো গভীর নলকুপের রি-বোরিং এর কাজ বাধাগ্রস্ত করা হলে, যেকোনো সময় খুন, জখম বা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকার কৃষকেরা শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়
    এক জনপ্রতিনিধি বলেন, যারা রি-বোরিং এর কাজ বাধাগ্রস্ত করে কৃষকদের বিপাকে ফেলে সেচ বাণিজ্যে করতে চাই, তাদের আটক করে আইনের আওতায় নেয়া সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে বিএমডিএ তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান বলেন, কৃষকের জন্য গভীর নলকুপ, তাই কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনা করে রি-বোরিং এর মাধ্যমে অকেজো গভীর নলকুপ সচল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। #

  • রাজধানী মিরপুর প্রেসক্লাব উদ্যোগে ইলিশ উৎসব  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    রাজধানী মিরপুর প্রেসক্লাব উদ্যোগে ইলিশ উৎসব আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    সুমন খান:

    রাজধানীর মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগ ইলিশ উৎসব ২০২৩ ,উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা ও সভা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠিত হয় ৩০ইং সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬.৩০ সময় অনুষ্ঠিত হয় , উক্ত অনুষ্ঠানে ইলিশ রক্ষায় আমাদের করণীয় ইলিশ ভোজ মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক করেন, মাহমুদ আল ফয়সাল হেড অফ নিউজ এস ,এ টিভি ‌। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , সৈয়দ মাগ্বব মোর্শৈদ , সাবেক তথ্য সচিব, প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , এস এম জাকারিয়া সিনিয়র, সহ-সভাপতি মিরপুর প্রেসক্লাব। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর ডক্টর মোহাম্মদ হানিফ খান, চেয়ারম্যান গণ যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ , দ্য কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দীবিকা বঙ্গোপধ্যায় , আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পূর্ণ পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী।
    মোহাম্মদ আলী , উপসচিব কোর্ড অব ওয়ার্ল্ডস , ভূমি মন্ত্রণালয়। হাজী শেখ মোহাম্মদ মামুনুল হক শেখ মামুন , সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ আলী থানা আওয়ামী লীগ। আরো উপস্থিত ছিলেন এইচ, এম জামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মিরপুর প্রেসক্লাব। মোহাম্মদ জিয়াউল রহমান খান সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী। সভাপতিত্বে করেন,মিরপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গোলাম কাদের। আখতারুজ্জামান তারেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মিরপুর প্রেসক্লাব, সহ-সভাপতি মারুফ হায়দার ও মুসা, ক্রীড়া সম্পাদক পপি‌ খানম, কার্য নির্বাহী সদস্য ,সুমন খান, রাজু, সেলিম মোল্লা, রেজাউল শেখ, জুয়েল হোসেন, হাবিবুর রহমান, মানজারুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম প্রমূখ্য।
    আলোচনা বক্তব্য রাখছেন অনেক, তর্ক বিতর্ক মাধ্যমে। ইলিশ বাংলাদেশের—গোটা দুনিয়া আমাদের এ স্বীকৃতি দিয়েছে। কারণ, ওয়ার্লড ফিসের তথ্যমতে বিশ্বের ৮৫ ভাগ ইলিশ উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে। গোটা দুনিয়ায় ইলিশ উৎপাদনের শীর্ষে বাংলাদেশ। এ অর্জন ও সাফল্য সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র সরকারের সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের কারণেই। ইলিশ নিয়ে আমরা বাংলাদেশিরা এখন গর্ব করতেই পারি। বাংলাদেশ যেমন ইলিশের দেশ, তেমনি বাংলাদেশেও
    ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর কিনা, এ নিয়ে আমাদের কোনো বিতর্ক নেই। তবে ইলিশের জেলা কেন যে কেউকের বক্তব্য বলেন বঙ্গোপসাগরে, দাবি করা হয়, আশা করি লেখাটি পড়ার পর কারোই আপত্তি থাকবেনা। আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন, গোটা দুনিয়ার স্বীকৃতি ‘ইলিশ বাংলাদেশের’।