Blog

  • নড়াইলের এসপি সাদিরা খাতুন নির্দেশনায়  আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

    নড়াইলের এসপি সাদিরা খাতুন নির্দেশনায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত।
    নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন নির্দেশনায় পৃথক পৃথকভাবে নড়াইল সদর থানা, লোহাগড়া থানা ও নড়াগাতী থানা এলাকায় পূজা উদযাপন পরিষদের জেলা, উপজেলা, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শনিবার নড়াইল সদর থানা প্রাঙ্গনে উক্ত আইন শৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), নড়াইল; বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মীর শরিফুল হক, ডিআইও-১, নড়াইল; নড়াইল জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক কুমার কুন্ডু, সহসভাপতি মলয় কুমার কুন্ডুসহ নড়াইল পূজা উদযাপন পরিষদের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। সভাপতিত্ব করেন মোঃ ওবাইদুর রহমান, অফিসার ইনচার্জ, সদর থানা, নড়াইল।
    লোহাগড়া থানার হলরুমে থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মো: নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা পূজা উদযাপন পর্ষদের আহবায়ক পরীক্ষিত সিকদারের সঞ্চালনায় উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। এসময় উপজেলা পূজা উদযাপন পর্ষদের সহসভাপতি গৌতম দেওয়ানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
    নড়াগাতী থানা প্রাঙ্গনে শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে পূজা মন্ডপসমূহের আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার। নড়াগাতী থানা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি আশুতোষ বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক গৌর চন্দ্র দাস বক্তব্য রাখেন। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন নড়াগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত সাহা।
    জেলা পুলিশের আয়োজনে এই সকল সভায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আসন্ন সার্বজনীন দুর্গোৎসব-২০২৩ শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নড়াইল জেলা পুলিশের গৃহিত পদক্ষেপ ও দিক নিদের্শনা মূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের অথিতিবৃন্দ বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নড়াইল জেলা পুলিশ ইতোমধ্যেই নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি ছক তৈরি করেছে। পূজা মন্ডপের নিরাপত্তার স্বার্থে মন্ডপগুলোকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে সেই অনুপাতে পূজার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মন্ডপে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে বলা হয়। এছাড়া পূজা উদযাপনকালে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ও গুজব ঠেকাতে জেলা পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করবে। এসময় পূজা উদযাপন বিষয়ে জেলা, উপজেলা এবং পৌর পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দগণ শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে বক্তব্য রাখেন। পরিশেষে উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি বৃন্দ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ববোধ বজায় রেখে সরকারি সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন করতে সকলকে আহবান জানান।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে  আন্ডারওয়ার্ল্ড সক্রিয় হচ্ছে

    দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্ডারওয়ার্ল্ড সক্রিয় হচ্ছে

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির:দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেআন্ডারওয়ার্ল্ড আবার অশান্ত হয়ে উঠেছে। আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই আন্ডারওয়ার্ল্ড সক্রিয় হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ বছরের শেষ বা আগামী বছরের প্রথম সপ্তাহে হতে পারে নির্বাচন। শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ইতোমধ্যে নিজেদের জাহির করতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অলিগলিতে কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণকারীদের একত্রিত করছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, বিদেশে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসীরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার চিহ্নিত অপরাধীদের নিয়ে অরাজকতা তৈরি করার নীলনকশা কষছে। কারাগারে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীরাও সহযোগীদের নানা বিষয়ে নির্দেশনা দিচ্ছে। এদের অনেকে রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে। এসব তথ্য পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থীদের টার্গেট হচ্ছেন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনপ্রতিনিধিরা এ অবস্থায় নির্বাচনের আগে কারাগারে বসেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে অশান্ত করার চেষ্টায় আন্ডারওয়ার্ল্ড।দীর্ঘদিন জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে নতুন গ্রুপ তৈরির চেষ্টা করছে কেউ কেউ। নির্বাচনের আগে রাজনীতিতে এই আন্ডারওয়ার্ল্ড এর সক্রিয় তৎপরতা সবসময় বাড়ে। এবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ একাধিক গোপন সূত্র বলছে, নির্বাচনকেন্দ্রিক উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির ফায়দা লুটতে পেশাদার অপরাধী বা অবৈধ অস্ত্রের চক্রগুলো নড়াচড়া শুরু করেছে। ভারত সীমান্তের অরক্ষিত কিছু এলাকাসহ যশোর,কুষ্টিয়া,সাতক্ষীরা বিভিন্ন কৌশলে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র প্রবেশ করানো হচ্ছে। জানা গেছে, র‌্যাব-পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে চরমপন্থী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা নিহত হলেও তাদের অস্ত্রভান্ডার রয়ে গেছে সুরক্ষিত। ফলে মাঠ পর্যায়ে ক্যাডাররা ওই অস্ত্র ব্যবহার করে ইউপি নির্বাচনে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চাইছে। এ কারণে নির্বাচনের সময় বা এর আগে খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে প্রার্থী কিংবা তাদের কর্মীরা গণহারে খুন হতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।
    এ অঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে মেহেরপুরের অবস্থা সবচেয়ে নাজুক। যে কোনো মুহূর্তে মেহেরপুরে অঘটন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে জেলার গাংনী থানার একাধিক প্রার্থীকে পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি লাল পতাকার নাম ব্যবহার করে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতাসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের বাড়ির সামনে বোমা রেখে যাচ্ছে চরমপন্থীরা। এরপর চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। চাঁদা না পেলে বোমা ফাটিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। গত ২১ মার্চ চরমপন্থীদের বোমার আঘাতে মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে ব্যানা খা নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা চরমপন্থী ভাড়া করে বোমা ফাটিয়ে তাকে হত্যা করেছে বলে তার বন্ধুরা দাবি করেছেন।
    অপরদিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার টাকিমারা গ্রামে গত ২৩ মার্চ রাতে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী এনাম মেম্বারের সমর্থক রাহাত আলী সর্দার ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। এনাম মেম্বার অভিযোগ করেছেন, তার প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান শাহীনের লোকজন তাকে হত্যা করেছে। এদিকে বটতৈল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন সালাউদ্দিনের দাবি, এনাম মেম্বার এবার চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে চান। নির্বাচনে তিনি জিততে পারবেন না বুঝতে পেরে নিজের দলের লোক হত্যা করে তার ঘাড়ে দোষ চাপিয়েছেন। চেয়ারম্যান শাহীন ও এনাম মেম্বার এক সময় অতি ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া অঞ্চলে চরমপন্থীদের মদদ দেয়ার অভিযোগও রয়েছে। এ ইউনিয়নে এবারের নির্বাচনে বেপরোয়া সহিংস ঘটনা ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সাধারণ মানুষ।
    এদিকে মেহেরপুরের একাধিক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেছেন, তাদের পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি লাল পতাকার নামে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। মেহেরপুর জেলার গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল আওয়াল, ষোলটাকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আগামী নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সাবদাল হোসেন কালু, মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়া উদ্দিন বিশ্বাস, ধানখোলা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান এবং আগামী নির্বাচনে প্রার্থী মশিউর রহমান সাবান ও সাহারবাটি ইউপির বাবলু চেয়ারম্যান হুমকি আতঙ্কে রয়েছেন।
    জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে এ পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোয় প্রায় ৬৬ জন চেয়ারম্যান চরমপন্থীদের হাতে খুন হয়েছেন। চরমপন্থীদের ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বহু চেয়ারম্যান। এর মধ্যে কুষ্টিয়া সদরের কয়েকটি ইউনিয়ন চরমপন্থীদের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। এগুলো হচ্ছে সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়ন, গোসামী দুর্গাপুর ইউনিয়ন, ঝাউদিয়া ইউনিয়ন ও আবদালপুর ইউনিয়ন। এবারো এখানে চরমপন্থীরা আধিপত্য বিস্তার করতে পারে বলে মনে করেন সাধারণ ভোটাররা।
    সূত্র জানিয়েছে, ঝাউদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে পরপর চারজন চেয়ারম্যান চরমপন্থীদের হাতে নিহত হয়েছেন। অবশ্য এ চার চেয়ারম্যানও চরমপন্থী সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন। ঝাউদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আজিবর বিশ্বাস সম্প্রতি ভারতে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত জাসদ গণবাহিনীর সম্পাদক ছিলেন। তার পূর্ববর্তী তিনজন চেয়ারম্যানের ভাগ্যেও একই পরিণতি হয়েছে।
    এছাড়া খুলনা জেলার ডুমুরিয়া, তেরখাদা, রূপসা, দীঘলিয়া, ফুলতলা, পাইকগাছা যশোরের চৌগাছা, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, কুষ্টিয়া সদরের দৌলতপুর, মিরপুর, মেহেরপুরের গাংনী, মেহেরপুর সদর, চুয়াডাঙ্গা সদর এবং আলমডাঙ্গায় চরমপন্থীদের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। তবে গত কয়েক বছরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শীর্ষ চরমপন্থী নেতারা ক্রসফায়ারে বা প্রতিপক্ষের হাতে নিহত হওয়ার পর থেকে এসব এলাকায় কিছুদিন চরমপন্থীদের তৎপরতা কম ছিল। এখন আবার তারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে গেছে বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বারবার দাবি করলেও প্রত্যন্ত গ্রাম ও ইউনিয়নে এখনো মূর্তিমান আতঙ্ক হিসেবে রয়ে গেছে নিষিদ্ধ সংগঠনের ক্যাডার ও তাদের মদদদাতারা।
    জানা গেছে, এখানকার নিষিদ্ধ ঘোষিত বিপ্লবী কমিউনিস্ট পাট্রির প্রধান খুলনার মৃণাল ভারতে খুন হয়েছেন। তার সেকেন্ড ইন কমান্ড শৈলেন ভারতের জেলে রয়েছেন। পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি জনযুদ্ধের সম্পাদক দাদা তপন, তার ভাই আকাশ কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। জনযুদ্ধের শীর্ষ নেতা সুমন, শোয়েব, আবির হাসানসহ নেতৃত্ব পর্যায়ের সবাই বন্দুকযুদ্ধে মারা গেছেন। পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পাট্রির প্রধান মোফাক্কর চৌধুরী, পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি লাল পতাকার প্রধান ডা. মিজানুর রহমান টুটুল এবং গণমুক্তিফৌজের শীর্ষ কিলাররা র‌্যাবের ক্রসফায়ারে মারা গেছেন। গণমুক্তিফৌজের প্রধান আমিনুল ইসলাম মুকুল ও সামরিক শাখার প্রধান শাহীন রুমী ভারতের জেলে আটক রয়েছেন। জাসদ গণবাহিনীর প্রধান আজিবর চেয়ারম্যান এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড ওবাইদুল ওরফে লালও ভারতে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয়েছেন। সবশেষ গত ১৫ মার্চ গণবাহিনীর নেতা আনোয়ার হোসেন আনু ভারতে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হন। তবে গণবাহিনীর বেশ কয়েকজন নেতৃত্ব পর্যায়ের ক্যাডার ভারত থেকে কুষ্টিয়ায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকেন বলে জানা গেছে। পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পাট্রির নেতা মান্নান মোল্লাও ভারতে অবস্থান করে কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকায় তার সংগঠনের মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করেন।
    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৯০ সাল থেকে এ পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬৬ জন জনপ্রতিনিধি খুন হয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন বাগেরহাটের তেলিগাতির সাদু খাঁ,রামচাঁদপুরের রশিদ খান, বুড়িডাঙ্গার চেয়ারম্যান পিন্টু, ডেমা ইউপির আক্তার হোসেন, কালুবাড়িয়ার আতিয়ার রহমান, মানসা বাহিরদিয়া ইউপির আতর আলী, বাইনতলির হাবিবুর রহমান,মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার মহাজনপুর ইউপি চেয়ারম্যান বাগবুল ইসলাম বাবলু, গাংনী পৌর চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, গাংনী উপজেলার কাজীপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল বাকী, সাহারবাটি ইউপি চেয়ারম্যান বজলুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা জেলার কালিদাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান মেহের আলী, জেহালা ইউপি চেয়ারম্যান কচি, হারদী ইউপি চেয়ারম্যান মানু, আন্দুলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল ইসলাম, জামিল ও আলী হোসেন, খাদিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান, চুয়াডাঙ্গার সরোজগঞ্জের চেয়ারম্যান নূর আলী, কুষ্টিয়া জেলার ঝাউদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল আজিজ, আলী আকবার, খয়বার হোসেন, আজিবর বিশ্বাস, কয়া ইউপি চেয়ারম্যান আমু হোসেন আমু, জামিল হোসেন বাচ্চু, কুমারখালীর হেলাল উদ্দীন, হাটশ হরিশপুর ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদ হোসেন সাচ্চু, নড়াইল জেলার বিচালী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, লোহাগড়া উপজেলার মল্লিকপুর ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, ঝিনাইদহের মহেশপুরের ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরার গহর আলী ও মিজানুর রহমান।
    এছাড়া খুলনার তেরখাদা উপজেলার সাটিয়দহ ইউনিয়নের চান মিয়া সিকদার, ডুমুরিয়া সদরের আবদুল মজিদ ও কবিরুল, মাগুরখালী ইউপির অতুল সাহা, দামোদরের সরদার আবুল কাশেম, আটরার শেখ সিরাজুল ইসলাম, শেখ আবদুর রউফ, কয়লাঘাট ইউপির ইন্তাজ আলী, ফুলবাড়ির রুহুল আমীন, নৈহাটির গোলাম ফারুক ও আবুল হোসেন, সুরখালীর মোস্তফা জাহান আলী, দৌলতপুরের আবু গাজী, হাবিবুর রহমান, দীঘলিয়ার আবদুল গফুর, ফুলবাড়িয়ার ইমরান গাজী, দেলুটির রবীন্দ্রনাথ, ও দামোদর ইউপির চেয়ারম্যান বাদল হোসেন খুন হয়েছেন। অপরদিকে যশোরের চৌগাছার সিংঝুলি ইউপির আশরাফ হোসেন, রাইপুর ইউপির ওয়াজেদ হোসেন, কাওসার হোসেন, নারকেলবাড়িয়ার জামিল মাস্টার, বিদ্যানন্দ কাঠির আনছার আলী, জামদিয়ার শেখ সফিউদ্দীন, বাসুন্দিয়া ইউপির মাজেদ শেখ, গঙ্গানন্দ ইউপির আবদুল জলিল, শার্শার পুটিয়খালীর নূরুদ্দীন, বেনাপোলের আবদুল করিম প্রমুখ চরমপন্থীদের হাতে নিহত হন। ডিবি প্রতিটি টিম প্রতিটি এলাকায় খোঁজ খবর নিচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে কোনো অরাজকতা করছে কী না, চাঁদাবাজি করছে কী না, মানুষকে হুমকি দিচ্ছে কী না- সেটা আমাদের ডিবি টিম তদন্ত করছে। পুলিশের তথ্যানুযায়ী, পলাতক ৫০ শীর্ষ সন্ত্রাসীর নিয়ন্ত্রণে আছে অপরাধজগৎ। তাদের ধরতে আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল ‘রেড নোটিস’ জারি করলেও গোয়েন্দারা বলছেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ আসাম, মেঘালয়, মিজোরাম ও নাগাল্যান্ডেও অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানা চালু করেছেন। এসব কারখানায় তৈরি হওয়া অস্ত্রের একটি অংশ বাংলাদেশে পাচার হয়ে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, দেশে অবৈধভাবে আসা ৮০ ভাগ বিদেশি অস্ত্র সীমান্ত দিয়ে আসছে। বাকি বিদেশি অস্ত্রগুলো অসাধু ব্যবসায়ীরা বৈধপথে দেশে এনে অবৈধভাবে বিক্রি করে দিচ্ছে।দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বাগেরহাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহযোগীদের মাধ্যমে বিদেশ থেকে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি নিয়ন্ত্রণ করছে তারা।দেশে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বড় অংশই সীমান্ত দিয়ে আসে। সীমান্ত পার করে আনা অত্যাধুনিক এসব ছোট আগ্নেয়াস্ত্র টাকার বিনিময়ে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সারা দেশে। সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, গুপ্ত খুনি এমনকি কতিপয় রাজনীতিবিদদের হাতেও পৌঁছে গেছে এই অস্ত্র। যা দিয়ে করা হচ্ছে নানা ধরনের অপরাধ। সম্প্রতি যশোর সীমান্ত এলাকায় এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোয়েন্দা পুলিশ কর্মকর্তারা বলেছেন, এই তরুণ একাই বিক্রি করেছেন দুই শতাধিক অস্ত্র। তাঁর মত এমন আরও ডজনখানেক অস্ত্র কারবারি খোঁজ মিলেছে।

    প্রশ্ন উঠছে, সীমান্তে কঠোর নজরদারির ফাঁকি দিয়ে এত অস্ত্র আসছে কীভাবে? এর জবাবও মিলেছে সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে থেকে। তাঁরা বলেছেন, অবৈধ অস্ত্রের পেছনে আন্তর্জাতিক চোরাচালানিদের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। তাঁরাই সীমান্ত পার করে দেশে অস্ত্র চোরাচালান করছেন। আন্তদেশীয় এই অস্ত্র কারবারিদের নেটওয়ার্ক ভাঙা অসম্ভব না হলেও বেশ কঠিন।গত বুধবার ১সেপ্টেম্বর ২০২১. ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ভারত থেকে আনা অস্ত্র বিক্রির একটি নেটওয়ার্কের মূল হোতা আকুল হোসেনসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর পরিচয় মিলেছে, আকুল যশোরের শার্শা উপজেলার ছাত্রলীগ নেতা। ২০১৪ সাল থেকে তিনি অস্ত্র ব্যবসা করেন। গত ছয় বছরে ২০০ টির বেশি অস্ত্র বিক্রি করেছেন তিনি। পুলিশ বলছে, রাজধানী ঢাকা, সীমান্তবর্তী যশোর, সাতক্ষীরা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় সক্রিয় রয়েছেন এই চক্রের অর্ধশতাধিক সদস্য।

    সীমান্ত দিয়ে পার হওয়া ২০০ অস্ত্রে তদন্ত নেমে শুরুতেই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, গত এপ্রিলে রাজধানীর ভাষানটেকে মুছা ওরফে চিকনা জামাল নামের এক ঠিকাদারকে গুলি করার হয়। ওই ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র আকুলের দেওয়া। এমন আরও কয়েকটি ঘটনার বিষয়ে তারা তথ্য গেছেন।

    অস্ত্র নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্ট পদস্থ এক কর্মকর্তা বলেছেন, আকুলের এই অস্ত্র রাজধানীসহ জেলায় জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। সহজে হাতে পাওয়ায় তাঁর অনেক পরিচিতরা অস্ত্র কিনেছেন। অস্ত্র গেছে ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ডেও। সেই অস্ত্র পেয়ে আন্ডারওয়ার্ল্ডের সদস্যরা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। চলতি বছরেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে একে প্রায় একশ’ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পরিচালক (অপারেশন) লেঃ কর্ণেল এ এম জাহিদ পারভেজ বলেন, প্রতি মুহূর্তে সীমান্তে বিজিবির ৬ হাজার টহল থাকে। এর মধ্যেও অস্ত্র আসছে। আমরা অস্ত্র কারবারিদের নেটওয়ার্ক ভাঙার চেষ্টা করছি। এ নিয়ে সীমন্তবর্তী দেশগুলো সঙ্গে আলোচনা চলছে।ইন্টারপোলের কর্মকর্তারা বলছেন, ভারত ও থাইল্যান্ড ছাড়া আর কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অপরাধী প্রত্যর্পণ চুক্তি নেই।

  • আশুলিয়ায় পৃথক ঘটনায় ৩ জনার লাশ উদ্ধার

    আশুলিয়ায় পৃথক ঘটনায় ৩ জনার লাশ উদ্ধার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় পৃথক ঘটনায় ৪রাউন্ড গুলি করে ও কুপিয়ে আহত দুইজন, পৃথক ঘটনায় এক ফ্লাট থেকে একই পরিবারের তিন জনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছেন আশুলিয়া থানা পুলিশ।
    গত শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ইং) দিবাগত রাত ১১টার দিকে ঢাকার আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ফকির বাড়ি (উত্তর গাজিরচট) এর স্থানীয় মোঃ মেহেদী হাসানের ৫ম তলা ভবনের ৪র্থ তলার ২টি রুমে গলাকাটা অবস্থায় তিন জনের লাশ পাওয়া যায়। উক্ত বাড়ির ভাড়াটিয়া মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন, বাসায় হঠাৎ করে পঁচা দুর্গন্ধ বের হয়ে আসায় আশপাশের বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে তারা দরজায় ধাক্কা দিয়ে ফ্লাটের দরজা খোলা দেখতে পান, এরপর রুমের ভেতরে খাঁটের বিছানার উপর প্রথমে মা ও ছেলের রক্তমাখা গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান তারা। বিষয়টি আশুলিয়া থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ এসে ওই ফ্লাটের রুমে আরেকজন পুরুষের মরদেহ খোঁজে পায়, ধারণা করা হয় এই নারীর স্বামীর মরদেহ এটি।
    আশুলিয়ায় ঘটনাস্থলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিহত ভিকটিম মোঃ মোক্তারুল ইসলাম ওরফে বাবুল হোসেন (৫০), তার নিহত স্ত্রী মোছাঃ সাহিদা (৪০) তাদের ছেলে মেহেদী হাসান জয় (১২)। নিহত সাহিদা’র গ্রামের বাড়ি রাজশাহী, নিহত বাবুল হোসেনের পরিচয়পত্রের সূত্রমতে, তাদের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার কোষারানীগঞ্জ গরুরা। তারা দম্পতি আশুলিয়ায় ভাড়া বাসায় থেকে পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তাদের পরিবারের লোকজনের সাথে কথা বলে এবং পুলিশ নিশ্চিত করেন তারা ৬-৭ বছর আগে আশুলিয়ায় আসছেন, প্রায় এক বছরের বেশি সময় উক্ত বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন, সাথে স্কুল পড়ুয়া ১২ বছরের ছেলেটিও থাকতো। পুলিশ ধারণা করছেন হয়তো ৩দিন আগে ভিকটিম দম্পতি ও শিশু ছেলেটিকে হত্যা করা হতে পারে। এ বিষয়ে জানতে ঘটনাস্থল বাড়িওয়ালাকে পাওয়া যায়নি। সেই সাথে ওইএলাকার ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার মইনুল ভুঁইয়া’র সাথে যোগাযোগ করে তাকেও পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাস্থলে ধামসোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলামকেও দেখা যায়নি।
    রবিবার এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জোহাব আলী গণমাধ্যমকে বলেন, গতকাল দিবাগত রাতেই আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ফকির বাড়ি এলাকার মেহেদী হাসানের ৫ম তলা বাড়ির একটি ফ্ল্যাটের দুটি কক্ষ থেকে একই পরিবারের স্বামী স্ত্রী ও ছেলেসহ ৩জনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত বাবুল হোসেনের ভাই আয়নাল হক বাদি হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ৩টি মরদেহ উদ্ধার করে রাতেই ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানী ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এসপি স্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি, তবে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে তিনি জানান।
    র‌্যাব-৪ সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট রাকিব মাহমুদ খান গণমাধ্যমকে বলেন, আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ফকিরবাড়ি ৫তলা ভবনের ৪র্থ তলায় এক ফ্লাটে দুই কক্ষে দম্পতি ও তাদের ছেলেসহ একই পরিবারের ৩জনকে দুর্বৃত্তরা নির্মমভাবে জবাই করে হত্যা করেছে, এটা খুবই দুঃখজনক। তিনি আরো বলেন, চেষ্টা করছি অতি দ্রুত হত্যাকারীদেরকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করতে পারবো আমরা।
    আশুলিয়ার জামগড়া মধ্যপাড়া (মোল্লাবাড়ি) মসজিদ সংলগ্ন মোঃ জাকির এর বাড়ির ভাড়াটিয়া, নওগাঁ জেলার রানীনগর থানার ডাকার পাড়া এলাকার মোঃ গোলাম মোস্তফা (৪২) এর ছেলে মোঃ শরিফুল ইসলাম (১২) গত শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে জুম্মার নামাজ পড়তে আসার সময় তাকে তুলে নিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে স্থানীয় কিশোর গ্যাং বাহিনী। ভিকটিম শরিফুল ইসলামের চিৎকারে তার বাবাসহ নামাজ পড়তে আসা লোকজন শরিফুলকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ধামরাই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন, এ ঘটনার দিন জুম্মার নামাজের সময় শত শত মানুষের ভেতর থেকে তাকে তুলে নিয়ে মারপিট করে এবং মাথায় কুপিয়েছে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য ৬ জনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভিকটিম শরিফুল ইসলামের বাবা গোলাম মোস্তফা। বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন অনেকেই। এই অভিযোগের তদন্তকারী (এসআই) অমিতাভ চৌধুরী অমিত বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, তদন্ত চলমান রয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।
    গত শনিবার রাত ১০টার দিকে আশুলিয়ার ধামসোনা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ভাদাইল এলাকায় মাদক সন্ত্রাসীদের মাদক বিক্রি করার সময় মোঃ আজিজুল (২৩), তা দেখে ফেলার অপরাধে এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ বাপ্পি (৩২) আজিজুলের পায়ে পিস্তল ঠেকিয়ে ৫ রাউন্ড গুলি করে, এ সময় ৪রাউন্ড গুলি ভিকটিমের পায়ে লাগে, এতে সে গুরুতর আহত হোন, লোকজন তাকে উদ্ধার করে আশুলিয়া নারী ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা করার পর তার শরীরের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত রাজধানী ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

  • খাগড়াছড়িতে চ্যানেল আই ২৫ বছরে পদার্পণ উদযাপন

    খাগড়াছড়িতে চ্যানেল আই ২৫ বছরে পদার্পণ উদযাপন

    জেলা সংবাদদাতাঃ
    খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে কেক কেটে চ্যানেল আইয়ের ২৫ বছর পদার্পণ অনুষ্ঠান পালন করা হয়।

    নানা আয়োজনে সবার প্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল আই’ এবার পঁচিশ বছরে পদার্পণ করেছে । আমরা বলছি ‘পঁচিশ উচ্ছ্বাস, লাল সবুজে বিশ্বাস’-এই পতিপাদ্য সামনে রেখে খাগড়াছড়ি চ্যানেল আইয়ের ২৫ বছরে পদার্পণ অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ রবিবার (১ অক্টোবর) সকালে খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাবে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও শহরে শোভাযাত্রা বের করা হয়।

    খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোর নির্বাহী পরিচালক তরুণ কান্তি চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুজ্জামান। তিনি চ্যানেল আইয়ের সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক অরুনা বার্তা সম্পাদক ও সাবেক প্রেসক্লাবের সভাপতি চৌধুরী আতাউর রহমান রানা,খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব সভাপতি জীতেন বড়ুয়ার,খাগড়াছড়ি টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক এইচ এম প্রফুল্ল,সমাজকর্মী জানে আলম,নতুন কুড়ি ক্যান্টমেন্ট হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রুশদীনা আখতার জাহান।

    অনুষ্ঠান স্বাগত বক্তব্যদেন চ্যানেল আই’য়ের খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি মো: আজহার হীরা।

    আলোচনা সভায় বক্তাগণ বলেন, নিরপেক্ষতা বজায় রেখে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ,হৃদয় মাটি ও মানুষের
    মত মানসস্মত অনুষ্ঠান আর বিনোদন দিয়ে দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে চ্যানেল আই।
    চ্যানেল আই এগিয়ে যাক ২৫ তম বর্ষে এ কামনা করেন তারা।

    এতে খাগড়াছড়ি চ্যানেল আই দর্শক ফোরামের নেতৃবৃন্দ ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

  • সকালের সূর্যের আলো ছড়িয়ে দেয় এক ধরনের মুগ্ধতা

    সকালের সূর্যের আলো ছড়িয়ে দেয় এক ধরনের মুগ্ধতা

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।লালমনিরহাটে সবুজে ভরে উঠেছে। কৃষি প্রধান এই জনপদে এখন চোখ মেললেই সবুজ আর সবুজ। উপরে নীল সাদা মেঘের ভেলা। নিচে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সবুজ ধানক্ষেতসহ নানা ধরনের ফলের বাগান। সবকিছুই নতুন পাতায় সবুজাভ। সবকিছু সবুজে একাকার। যেন সবুজ চাদর বিছানো সমতল। বর্তমানে আমন ধানের চারাগুলো কিছু কিছু শিষ দেওয়া শুরু করেছে। আর কিছুদিন পরেই ধানক্ষেতগুলো ভরে যাবে শিষ দিয়ে। কৃষকরা বলছেন, এবছর আবহাওয়া অনেক ভালো । সময়মতো বৃষ্টি হয়েছে। রোদও পাওয়া গেছে। তাই ধানের ফলন ভালো হবে।

    সকালের সূর্যের আলো ছড়িয়ে দেয় এক ধরনের মুগ্ধতা, দুপুরে অন্যরকম, বিকেলের গোধুলীর রং ছড়িয়ে পড়ে সবুজ ঘেরা মাঠে। এবার আমনের ফলন ভালো হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করছেন কেউ কেউ । বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, মৃদু বাতাসে দুলছে ধানক্ষেত। কেউ কেউ ব্যস্ত সময় পার করছেন আমন পরিচর্যায়। ধানের শিষে তাই নতুন স্বপ্ন বুনছেন তারা। কৃষকরা জানান, কীট-পতঙ্গ পোকা মাকড়ের আক্রমণ বেড়েছে। সার কীটনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আমন আবাদে খরচের পরিমাণ বেড়েছে। তবে, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কালীগঞ্জ তৎপরতায় রোপা আমন ধানে একদিকে রোগ-পোকামাকড় যেমন করা যাচ্ছে দমণ অন্যদিকে জমিতে বেড়েছে সুষম মাত্রায় সারের ব্যবহার।

    ফলশ্রুতিতে আশা করা যাচ্ছে এ বছর আমন ধানের উৎপাদন বেড়ে যাবে, পাশাপাশি উৎপাদন খরচ থাকবে সহনীয় পর্যায়ে । কালীগঞ্জ উপজেলার চন্দপুর ইউনিয়নের সতীরপাড় এলাকার কৃষক ইব্রাহিম আলী, জানান, প্রতি ২৭সতাংস জমিতে আমন আবাদ করতে ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়। ফলন ভালো হলে এখন বিঘা প্রতি হাইব্রিড ১৬ থেকে ১৮ মণ, উফশী ১২থেকে ১৪ মণ ধান পাওয়া যাবে। এবারে ধানের দাম ভালো পাবো বলে আশা করছি। আমরা কৃষক মানুষ ।খাবারের জন্য কিছু ধান জমা রাখতে হয়। কিছু ধান বিক্রি করে সারা বছরের কেনা কাটা, বাচ্চাদের লেখাপড়ার খরচ মেটাতে হয়। গৃহস্থালি কাজ কাম তো আছেই। সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। তাই উৎপাদিত ধানের ন্যায্য দাম না পেলে খুব অসুবিধা হবে।

    কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মাহমুদা বেগম বলছেন, উপজেলায় এ বছর ১৭, ২৮৩ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। তিনি আরো জানান, সবুজে ভরে গেছে কালীগঞ্জ এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে। আমনের আবাদ ভালো হয়েছে। ফলনও ভালো হবে আশা করছি। ধানের ভালো দাম পাওয়ার আশা করছেন চাষিরা।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • পটিয়ায় বায়তুশ শরফ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    পটিয়ায় বায়তুশ শরফ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার: পটিয়ার আলমদার পাড়া বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটি ও শাহ্ জব্বারিয়া তরুণ সংঘের যৌথ উদ্যোগে বায়তুশ শরফ আনজুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত ৩৯তম তামাদ্দুনিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ছাত্রদের সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল শনিবার ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে মাদ্রাসা হলরুম প্রাঙ্গণে আলমদার পাড়া বায়তুশ শরফ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুর রহিমের সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মোহাম্মদ নছিম উদ্দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলমদার পাড়া বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের সাধারণ সম্পাদক ও আঞ্জুমানে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব মাকসুদ আলম আলমদার।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক রহমতউল্লাহ চৌধুরী,শওকত আলমদার,রফিক চৌধুরী।
    আলমদার পাড়া শাহ জব্বারিয়া তরুণ সংঘের সহ সভাপতি আলমগীর বাবু ও সহ সম্পাদক সায়েম মাহমুদ।
    সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিলে শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মোহাম্মদ ইসা,মাওলানা মোহাম্মদ মাহবুব আলম,মাস্টার মোহাম্মদ আবুল হাসেম,দ্বীন ইসলাম,হাফেজ হারুন,হাফেজ কলিমউল্লাহ,হাফেজ আবদুল্লাহ,মামুন উর রশীদ,হুরে জান্নাত,আকলিমা আকতার প্রমুখ।
    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মাকসুদ আলম আলমদার বলেন,আলমদার পাড়া বায়তুশ শরফ শাহ্ জব্বারিয়া হেফজখানা ও এতিমখানার ছাত্রদের মধ্যে কেন্দ্রীয় বায়তুশ শরফ পাঁচ দিন ব্যাপী তামাদ্দুনিক প্রতিযোগিতায় মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম চল্লিশ হাদিস থেকে ১ম স্থান, মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন ১০ পারা গ্রুপে ২য় স্থান এবং মোহাম্মদ রিদুয়ানুল করিম ৩০ পারা গ্রুপে ৪র্থ স্থান অর্জন করেছে। আমি তাদের সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।
    অনুষ্ঠান শেষে মাওলানা আব্দুর রহিম এর মোনাজাতের মাধ্যমে সাফল্য অর্জনকারী সকল শিক্ষার্থীদের মঙ্গল এবং সবার সু-স্বাস্থ্য কামনা করে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করা হয়।

  • বরিশালে শ্রেষ্ঠ সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিজানুর রহমান মিজান

    বরিশালে শ্রেষ্ঠ সভাপতি নির্বাচিত হলেন মিজানুর রহমান মিজান

    কে এম সোহেব জুয়েল :-বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার ২৩ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ সভাপতির নির্বাচিত হয়েও তার ( মিজান) পথচলা থেমে থাকেনি। জেলা পর্যায়েও বিদ্যালয়ের ব্যবস্হাপনা কমিটির সদস্য সভাপতি হিসেবে ভাগ্য নির্ধারনে শ্রেষ্টত্বের রাজটিকা পরেছেন তিনি। (মিজানুর রহমান মিজান।) ।

    সম্প্রতি শ্রেষ্ট সভাপতির ভাগ্য নির্ধারনের ক্ষেত্রে সকল যাচাই বাচাই করন প্রকৃয়ার কার্যক্রম চুরান্ত করে মিজানুর রহমান মিজানের বিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে জেলা পর্যায়েও তার বিকল্প ছারা অন্য কাউকে শ্রেষ্ট সভাপতি নির্ধারন করা সম্ভব না হওয়ায় তার বিদ্যালয় পরিচালনা ক্ষেত্রে সকল গুনে গুণান্বিত হয়ে অন্য কাউকে চিন্তা না করে সার্বিক দিক বিবেচনা করে জেলা পর্যায়েও মিজানকেই প্রাধন্য দিয়ে শ্রেষ্ট সভাপতির স্হানে বসিয়ে তার নামের ফলাফল ঘোষণা করেছেন বরিশাল জেলা পরিষদের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।।

    বরিশালের দশটি উপজেলার ১২৫০ টি বিদ্যালেয়ের মধ্যে ব্যবস্হাপনা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে প্রতিযোগিতা মুলক সর্ব প্রথম স্হানে নামের তালিকা দখল করে নেন পূর্ব ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গির নগর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের বিশিষ্ট সমাজ সেবক শিক্ষানুরাগী ও দানবীয় আলহাজ্ব মো: মিজানুর রহমান মিজান। এতে ওই ইউনিয়ন মানুষের মধ্যে ব্যাপক আনন্দের সারা যুগিয়েছে বলে লক্ষ করা গেছে।

    বিদ্যালয়ের সভাপতি মো: মিজান বলেন, যতদিন বেঁচে আছি ততদিন যেন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সন্তষ্টি লাভের জন্য মানব সেবার মধ্য দিয়েই বাকি জীবন গুলি উৎসর্গ করে ইজ্জতের সাথে বেঁচে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে পারি। এবং মানুষের সেবায় নিজের জীবনকে উৎসর্গিত করতে পারি এমনটই প্রত্যাশা করেন এই মহত ব্যাক্তি মিজান।।

  • বরগুনা জেলা পর্যায় শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট  নির্বাচিত হওয়ায় খাইরুল ইসলাম মুন্নাকে কলেজ থেকে সংবর্ধনা

    বরগুনা জেলা পর্যায় শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট নির্বাচিত হওয়ায় খাইরুল ইসলাম মুন্নাকে কলেজ থেকে সংবর্ধনা

    বেতাগী বরগুনা (প্রতিনিধি)

    জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে-২০২৩ এ বরগুনা জেলা পর্যায় বেতাগী সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ এর সিনিয়র রোভার মেট মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট নির্বাচিত হয়।

    আজ ১ লা অক্টোবর রবিবার সকাল ১১ ঘটিকায় কলেজ মিলনায়তনে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে-২০২৩ এ বরগুনা জেলা পর্যায় বেতাগী সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট এর সিনিয়র রোভার মেট মোঃ খাইরুল ইসলাম মুন্না শ্রেষ্ঠ রোভার স্কাউট নির্বাচিত হয়ওয়ায় রেভার স্কাউট গ্রুপ এর পক্ষে থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বেতাগী সরকারি কলেজ এর (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ আব্দুল ওয়ালিদ, প্রাণীর বিদ্যা বিভাগীয় প্রধান প্রভাষক ও রোভার স্কাউট লিডার কমল কৃষ্ণ রায়, প্রভাষক শক্তি পদ বিশ্বাস, সহকারী সিনিয়র রোভার মেট ইশতিয়াক মাহমুদ ইমাম,মোঃ সাগর মিয়া,রেভার রাহাত, মোঃ ইসমাইল, মোঃ শাহীন হাওলাদার, ক্যাডেট মাইনুল ইসলাম তন্ময় প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, বেতাগী সরকারি কলেজ থেকে এই প্রথম বার রোভার স্কাউট এ জেলা পর্যায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছে মুন্না। রোভার স্কাউট বিভিন্ন জাতীয় দিবসে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে আমরা তোমাদের সফলতা কামনা করছি। ভবিষ্যতে আরো ভালো কিছু করবে।

  • বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নবনিযুক্ত ডিএমপির নবনিযুক্ত কমিশনার হাবিবুর রহমানের শ্রদ্ধা

    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে নবনিযুক্ত ডিএমপির নবনিযুক্ত কমিশনার হাবিবুর রহমানের শ্রদ্ধা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বিশেষ-প্রতিনিধি: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার হাবিবুর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। গতকাল শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে তিনি এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
    বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ধানমণ্ডি ৩২-এর বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন এবং পরিদর্শন শেষে জাদুঘরে পরিদর্শন বইয়ে সই করেন কমিশনার। এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, উপপুলিশ কমিশনারসহ অন্য পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
    এর আগে দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৩৬তম কমিশনার হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমান।
    গত ২০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব সিরাজাম মুনিরা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি হাবিবুর রহমানকে ৩৬তম ডিএমপি কমিশনার হিসেবে পদায়ন দেওয়া হয়।

    (এস এম সাইফুল ইসলাম কবির)

  • চাটমোহরে ৩৩ তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত

    চাটমোহরে ৩৩ তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত

    চাটমোহর প্রতিনিধিঃ

    সারা দেশের মতো পাবনার চাটমোহরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে ৩৩ তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপিত হয়েছে।

    রবিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১১ টায় প্রায় শতাধিক প্রবীণদের আংশগ্রহনে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে পৌর সদরের সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

    আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেদুয়ানুল হালিমের সভাপতিত্বে ও সমাজসেবা কর্মকর্তা রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ।

    আরোও বক্তব্য দেন, চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ইসাহাক আলী মানিক, চাটমোহর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হেলালুর রহমান জুয়েল প্রমূখ।

    এসময় বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুধিজন উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদদাতা
    মোঃ শাহ আলম
    চাটমোহর পাবনা প্রতিনিধি