Blog

  • বাগেরহাটের ফকিরহাটে স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির.বাগেরহাট: বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে ইমন শেখ (১২) নামে এক স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    রোববার (১লা অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে ওই ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবী মায়ের উপর অভিমান করে সে ঘরের আড়ার সাথে গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

    ইমন শেখ মূলঘর গ্রামের ইব্রাহিম শেখের ছেলে। সে মূলঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

    পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ইমন শেখকে ঘরের আড়ার সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার পরিবারের লোকজন। এসময় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। সেখানে উপস্থিত কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমনকে মৃত বলে ঘোষরা করেন।

    খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে এসে প্রাথমিক সুরোতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করেন।

    নিহতের বাবা ইব্রাহিম শেখ জানান, এদিন সকালে ইমন শেখ স্কুলে না যাওয়ার জন্য তার মা রেশমা বেগম তাকে বকুনি দেয়। এতে সে ক্ষোভে দু:খে মায়ের উপর অভিমান করে আত্মহত্যা করে।

    ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল আলম, স্কুল ছাত্রের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিতট হস্তান্তর করা হবে।

  • খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৩৬ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন  ৩২৭ নেতা

    খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ৩৬ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন ৩২৭ নেতা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির.বাগেরহাট: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ভোটের মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। এই বিভাগে মোট ৩৬ আসন রয়েছে। এসব আসনে বড় দুই দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেক। আওয়ামী লীগের ১৫২, বিএনপির ১শ, জাতীয় পার্টির ৪২ এবং অন্যান্য দলের ৩৩ জন প্রার্থী হতে চান। প্রত্যেকেই নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ করছেন।

    ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে গিয়ে উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরছেন। আর বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সরকারের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরে পরিবর্তনের কথা বলছেন। বড় দুই দল ছাড়াও জাতীয় পার্টি, ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীরাও নানা আশ্বাস দিচ্ছেন। তবে দলগুলোর নীতি নির্ধারকরা কাদের বাছাই করবেন তা নিয়েও রয়েছে নানা মত।বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট-মোল্লাহাট-চিতলমারী) আসনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ হেলাল উদ্দীন। আর বিএনপি থেকে প্রার্থী হতে চান সাবেক এমপি শেখ মুজিবর রহমান, শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু এবং শেখ মো. মাসুদ রানা। জাতীয় পার্টি থেকে প্রাথী হতে চান মাওলানা এসএম আল জুবায়ের। ইসলামী আন্দোলন থেকে প্রার্থী হতে চান মাওলানা আবুল বাশার ও মো. ইউছুপ আলী।

    বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) আসনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী শেখ হেলাল উদ্দীনের ছেলে শেখ সারহান নাসের তন্ময়। বিএনপির প্রাথী হতে চান এমএ সালাম, প্রকৌশলী এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, ফকির তরিকুল ইসলাম, ব্যারিস্টার জাকির হোসেন ও মো. সুজাউদ্দিন মোল্লা সুজন। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে চান হাজরা জাহিদুল ইসলাম বাবলু। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে চান মো. সাইফুল্লাহ।

    বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান বর্তমান এমপি হাবিবুন নাহার, লায়ন ইকবাল লতিফ সোহেল, ব্যারিস্টার শেখ ওবায়দুর রহমান ও চিত্রনায়ক শাকিল খান। বিএনপির প্রার্থী হতে চান লায়ন শেখ ফরিদুল ইসলাম ও কৃষিবিদ শামিমুর রহমান। জামায়াতের প্রার্থী হতে চান অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে চান এমএ সবুর। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে চান মাওলানা আব্দুল আজিজ।

    বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট মো. আমিরুল আলম মিলন, এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ। বিএনপির প্রার্থী হতে চান অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম, ড. কাজী মো. মনিরুজ্জামান, কাজী খায়রুজ্জামান শিপন, মনিরুল হক ফরাজী। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে চান শরণখোলা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান। জামায়াতের প্রার্থী হতে চান অধ্যক্ষ আব্দুল আলিম। আর ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে চান মাওলানা আব্দুল আজিজ হাওলাদার ও সাইফুল ইসলাম।

    খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি ও দলীয় হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস, সাবেক এমপি ননী গোপাল মন্ডল, সংরক্ষিত আসনের এমপি অ্যাডভোকেট গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার ও শ্রীমন্ত অধিকারী রাহুল, শেখ আবুল হোসেন, বটিয়াঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান। এ আসনে বিএনপির একক প্রার্থী আমীর এজাজ খান। জাতীয় পার্টির সুনীল শুভ রায়, সিপিবির অশোক কুমার সরকার এবং ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আবু সাঈদ প্রার্থী হতে চান।

    খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুষ্পুত্র শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। এই আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাবেক এমপি আলী আজগর লবী ও নগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা। আর জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন- অ্যাডভোকেট মহানন্দ সরকার ও অ্যাডভোকেট অচিন্ত কুমার দাস।

    খুলনা-৩ (খালিশপুর-দৌলতপুর-খানজাহান আলী) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, এসএম কামাল হোসেন, বর্তমান সেনাপ্রধানের বোন ও প্রয়াত যুবলীগ নেতা শহীদ ইকবাল বিথারের স্ত্রী অধ্যাপক রুনু রেজা, ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি ফারুক হোসেন হিটলু। এছাড়া বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল, জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ আব্দুল গফফার বিশ্বাস এবং ইসলামী আন্দোলনের শেখ হাসান ওবায়দুল করিম প্রার্থী হতে চান।

    খুলনা-৪ (রূপসা-দিঘলিয়া ও তেরখাদা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি আব্দুস সালাম মুর্শেদী, অ্যাডভোকেট সুজিৎ অধিকারী, শরফুদ্দিন বিশ্বাস বাচ্চু, কামরুজ্জামান জামাল, এসএম শফিকুর রহমান পলাশ, এসএম খালেদীন রশিদী সুকর্ণ। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-আজিজুল বারী হেলাল ও এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী। এখানে জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা কবিরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ প্রার্থী হতে চান। এই আসনে জাতীয় পার্টির দুজন নির্বাচন করতে চান। তারা হলেন-এস হাদিউজ্জামান ও ডা. সৈয়দ আবুল কালাম।

    খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম, গুটুদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা সরোয়ার, ফুলতলা উপজেলা চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন, ড. এম মাহাবুব উল ইসলাম, আজগর বিশ্বাস তারা। আর বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা হলেন-অধ্যাপক ডা. গাজী আবদুল হক ও মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ। এখানে জামায়াতের একক প্রার্থী সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার। জাতীয় পার্টির প্রাথী হতে চান সাইদ মোড়ল ও ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা আব্দুল জব্বার।

    খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি আকতারুজ্জামান বাবু, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট সোহরাব আলী সানা, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিকবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান, মো. কামরুজ্জামান জামাল, ইঞ্জিনিয়ার জিএম মাহবুবুল আলম, ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, শেখ রাশেদুল ইসলাম রাসেল, ডা. মোহা. শেখ শহীদ উল্লাহ। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-এসএম শফিকুল আলম মনা, মনিরুজ্জামান মন্টু, শেখ শামসুল আলম পিন্টু, অ্যাডভোকেট মোমরেজুল ইসলাম। এখানে জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম মধু ও ইসলামী আন্দোলনের আসাদুল্লাহ আল গালীব প্রার্থী হতে চান।

    যশোর-১ (শার্শা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি শেখ আফিল উদ্দিন, বেনাপোলের সাবেক পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন ও নাজমুল হাসান। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-মফিকুল হাসান তৃপ্তি, খায়রুজ্জামান মধু ও আবুল হাসান জহির।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন, সাবেক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, সাবেক এমপি অ্যাড. মনিরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট আলী রায়হান, অ্যাডভোকেট এবিএম আহসানুল হক আহসান, হারুন অর রশিদ, চৌগাছা উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান এসএম হাবিবুর রহমান, মোস্তফা আশীষ ইসলাম (দেবু), ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন ও গিলবার্ট নির্মল বিশ্বাস। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-ঝিকরগাছার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরা নাজমুল মুন্নি, মিজানুর রহমান খান, জহুরুল ইসলাম ও মোর্তজা এলাহী টিপু এবং জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসহাক। এখানে জামায়াতের মাওলানা আরশাদুল আলম, জাতীয় পার্টির মুফতি ফিরোজ শাহ প্রার্থী হতে চান। এই আসনে বিভিন্ন দল থেকে শক্ত প্রার্থী না থাকলে সেক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারেন।

    যশোর-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, শহিদুল ইসলাম মিলন ও শাহীন চাকলাদার, সাবেক পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু ও মোহিত কুমার নাথ। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। জাতীয় পার্টি থেকে প্রার্থী হতে চান মুফতি নুরুল আমিন।

    যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-আওয়ামী লীগের তিনবারের সংসদ সদস্য রণজিৎ কুমার রায়, অধ্যাপক ডা. নিকুঞ্জ বিহারি গোলদার, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল কবির বিপুল ফারাজী, এনামুল হক বাবুল, সরদার অলিয়ার রহমান, মোহিত কুমার নাথ, অভয়নগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর, ইঞ্জিনিয়ার আরশাদ পারভেজ, রবিন অধিকারী ব্যাচা। বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুব, ফারাজী মতিয়ার রহমান, অ্যাডভোকেট সৈয়দ নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ ও জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট জহুরুল হক জহির।

    যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, এসএম ইয়াকুব আলী, শহিদুল ইসলাম মিলন, আব্দুল মজিদ, যশোর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা ফরিদ আহম্মেদ চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলু, হুমায়ন সুলতান সাদাব, কামরুল হাসান বারী; বিএনপির সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন, ইফতেখার সেলিম অগ্নি, মোহাম্মদ মুছা ও জাতীয় পার্টির এমএ হালিম।

    যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-আওয়ামী লীগের বর্তমান এমপি শাহীন চাকলাদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এইচএম আমীর হোসেন, বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম। বিএনপির অমলেন্দু দাস অপু, আবুল হোসেন আজাদ, কেশবপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাস, জামায়াতের আমির মোক্তার আলী ও জাতীয় পার্টির হাবিবুর রহমান হাবিব।

    সাতক্ষীরা-১ (তালা ও কলারোয়া) আসনে প্রার্থী হতে চান বর্তমান এমপি ওয়ার্কার্স পার্টির অ্যাডভোকেট মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-সাবেক এমপি প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ হোসেন, কলারোয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, শেখ নুরুল হক, সরদার মুজিব, লায়লা পারভিন সেঁজুতি, রফিকুল ইসলাম ও সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র। আর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জাতীয় পার্টির সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ দিদার বখত, জাসদের ওবায়দুস সুলতান বাবলু ও জামায়াতের অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্যাহ প্রার্থী হতে চান।

    সাতক্ষীরা-২ (সাতক্ষীরা সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-রহমাতউল্লাহ পলাশ, তারিকুল হাসান, সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহম্মেদ চিশতি ও আলিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ। জাতীয় পার্টির মনোনয়ন চান শেখ আজহার হোসেন ও আশরাফুজ্জামান আশু। এখানে জামায়াতের প্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক।

    সাতক্ষীরা-৩ (দেবহাটা, আশাশুনি ও কালীগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান বর্তমান এমপি প্রফেসর ডা. আ ফ ম রুহুল হক, ড. আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহ। আর এই আসনে বিএনপির ডা. শহিদুল আলম, জামায়াতের মাওলানা রবিউল বাসার, জাতীয় পার্টির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফজল হক প্রার্থী হতে চান।

    সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর ও কালীগঞ্জ) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি স ম জগলুল হায়দার, সাঈদ মেহেদী, আতাউল হক দোলন ও মাসুদা খানম মেধা। এখানে বিএনপির সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিন ও জামায়াতের সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম প্রার্থী হতে চান।

    নড়াইল-১ (সদর আংশিক-কালিয়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি বিএম কবিরুল হক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন খান নিলু, খাজা মিয়া, মো. শাহীদুল ইসলাম, কালিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ ঘোষ, কাজী সরোয়ার হোসেন। এখানে বিএনপির বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, জাসদের শরীফ নুরুল আম্বিয়া ও অ্যাডভোকেট অশোক কুমার ঘোষ, জামায়াতের অধ্যক্ষ এমএইচ বাহাউদ্দীন ও ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ মো. খবির উদ্দিন প্রার্থী হতে চান।

    নড়াইল-২ (সদর আংশিক-লোহাগড়া) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি মাশরাফি বিন মর্তুজা, আসিফুর রহমান বাপ্পী, লে. কর্নেল হাসান ইকবাল, লায়ন নুর ইসলাম ও হাবিবুর রহমান তাপস। বিএনপির মনোনয়ান প্রত্যাশীরা হলেন-নড়াইল সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ও শরীফ কাসাফুদ্দোজা কাফী। এখানে জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, সাবেক এমপি ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা অ্যাড. শেখ হাফিজুর রহমান প্রার্থী হতে চান।

    ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা উপজেলা) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান বর্তমান এমপি আব্দুল হাই, শিল্পপতি নজরুল ইসলাম দুলাল বিশ্বাস, শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নায়েব আলী জোয়ারদার। বিএনপির প্রার্থী হতে চান অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ ও জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু। এখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হলেন মনিকা আলম। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী রায়হান উদ্দিন।

    ঝিনাইদহ-২ (ঝিনাইদহ সদর ও হরিণাকুণ্ডু) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান বর্তমান এমপি তাহজীব আলম সিদ্দিকী, সাবেক মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু, সাবেক এমপি শফিকুল ইসলাম অপু, শিল্পপতি নাসের শাহারিয়ার জাহিদী মহুল। বিএনপির প্রার্থী হতে চান অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ, আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট এসএম মশিউর রহমান, ডা. ইব্রাহীম রহমান বাবু ও মীর রবিউল ইসলাম লাবলু। এখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মেজর মাহফুজুর রহমান। আর ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ডা. এইচএম মোমতাজুল করীম।

    ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান বর্তমান এমপি শফিকুল আজম খান চঞ্চল, সাবেক এমপি অধ্যক্ষ নবী নেওয়াজ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সালাহ উদ্দিন মিয়াজী, সাজ্জাদ হোসেন, মহেশপুর উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ময়জুদ্দিন হামিদ, কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শরিফুননেছা মিকি। বিএনপির প্রার্থী হতে চান আমিরুজ্জামান খান শিমুল, মেহেদী হাসান রনি, ইঞ্জিনিয়ার মোহা. মমিনুর রহমান। এখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আব্দুর রহমান। জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন।

    ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদর উপজেলা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান বর্তমান এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার, সাবেক মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান বিজু, ইসরাইল হোসেন, কাজী নাসিম আল মোমিন রূপক, ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার পারভেজ সাগর, ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব হোসেন। বিএনপির মনোনয়ন চান সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, সাবেক এমপি শহীদুজ্জামান বেল্টু, একেএম হারুনুর রশিদ মোল্ল্যা ও হামিদুল ইসলাম। এখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে চান এনামুল হক বাচ্চু। জামায়াতের প্রার্থী হতে চান মওলানা আবু তালিব এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে চান মুফতী আব্দুল জলিল।

    কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান বর্তমান এমপি আ ক ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ, সাবেক এমপি রেজাউল হক চৌধুরী, বুলবুল আহমেদ টোকেন চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদ মামুন, শরীফ উদ্দিন রিমন, হাসানুল আসকর হাসু, ড. মোফাজ্জেল হক। বিএনপির মনোনয়ন চান সাবেক এমপি রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা, আলতাফ হোসেন ও অ্যাডভোকেট রমজান আলী। জাতীয় পার্টির মনোনয়ন চান শাহরিয়ার জামিল জুয়েল। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের প্রার্থী হতে চান শরিফুল কবির স্বপন।

    কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে প্রার্থী হতে চান বর্তমান এমপি জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু। আর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান উপজেলা চেয়ারম্যান কামারুল আরেফিন, ডা. ইফতেখার মাহমুদ ও প্রফেসর ডা. এসএম মুসতানজীদ। বিএনপির মনোনয়ন চান সাবেক এমপি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম, ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী ও ফরিদা ইয়াসমিন। এই আসনে জাতীয় পার্টির (এরশাদ) প্রার্থী হতে চান ডা. শহিদুল ইসলাম ফারুকী। আর জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) প্রার্থী হতে চান দলটির কেন্দ্রীয় মহাসচিব আহসান হাবিব লিংকন। জামায়াতের প্রার্থী হতে চান আব্দুল গফুর।

    কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান বর্তমান এমপি মাহবুবউল আলম হানিফ, আজগর আলী ও ডা. এএফএম আমিনুল হক রতন। বিএনপির মনোনয়ন চান সাবেক এমপি সোহরাব উদ্দিন, জাকির হোসেন সরকার। জাতীয় পার্টির প্রার্থী হতে চান নাফিজ আহম্মেদ খান টিটু। জামায়াতের আমির ফরহাদ হুসাইন। জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন।

    কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন বর্তমান এমপি ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ, সাবেক এমপি আবদুর রউফ, সাবেক এমপি সুলতানা তরুণ, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দিন খান, কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাহিদ হোসেন জাফর ও কুমারখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান খান। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, কুমারখালী পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক। জামায়াতের মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আফজাল হুসাইন। জাতীয় পার্টির আরিফুল ইসলাম ও আইন উদ্দিন, জাসদের রোকনুজ্জামান রোকন।

    মাগুরা-১ (সদর-শ্রীপুর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর, সাবেক সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আবদুল ওয়াহ্হাব, শফিকুল ইসলাম, কুতুবুল্লাহ হোসেন মিঞা কুটি। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-মনোয়ার হোসেন খান, সাবেক পৌর মেয়র ইকবাল আকতার খান কাফুর, আলি আহমেদ বিশ্বাস, আহসান হাবিব কিশোর। আর জাতীয় পার্টির মনোনয়ন চান সেলিনা হাসান, সিরাজুস সায়েফিন সাইফ। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে চান মাওলানা নাজিরুল ইসলাম ও মুন্সী আমান উল্লাহ। জাসদের মনোনয়ন চান জাহিদুল আলম।

    মাগুরা-২ (শালিখা-মহম্মদপুর-সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন বর্তমান এমপি ডক্টর বীরেন শিকদার, নির্মল কুমার চ্যাটার্জ্জি, অ্যাডভোকেট শফিকুজ্জামান বাচ্চু, ডক্টর অহিদুর রহমান টিপু, কর্নেল (অব.) কাজী শরীফ উদ্দিন। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন- সাবেক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, জাতীয় পার্টির খসরুল আলম। আর ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে চান মুফতি মোস্তফা কামাল।

    চুয়াডাঙ্গা-১ (আলমডাঙ্গা-চুয়াডাঙ্গা সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দার ছেলুন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ শামসুল আবেদীন খোকন, ডা. মাহবুব হোসেন মেহেদী, দিলীপ কুমার আগরওয়ালা, এমএ রাজ্জাক খান রাজ, নঈম হাসান জোয়ার্দ্দার, আফরোজা পারভীন। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-সাবেক এমপি শামসুজ্জামান দুদু, শরীফুজ্জামান শরীফ, (অব.) লে. কর্নেল সৈয়দ কামরুজ্জামান। আর জামায়াতের আনোয়ারুল হক মালিক, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন, জাসদের এম সবেদ আলী, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা জহুরুল ইসলাম, এনপিপি ইদ্রিস চৌধুরী ও জাকের পার্টির মজিবর রহমান প্রার্থী হতে চান।

    চুয়াডাঙ্গা-২ (চুয়াডাঙ্গা সদর-দামুড়হুদা-জীবননগর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীলা হলেন-বর্তমান এমপি হাজি আলী আজগার টগর, আজাদুল ইসলাম আজাদ, চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান মনজু, মো. হাশেম রেজা, মো. নূর হাকিম, সাদিকুর রহমান বকুল, অ্যাডভোকেট শাহরিয়ার কবির ও মো. আবু বকর। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-মাহমুদ হাসান খান বাবু, মাহমুদুর রহমান শাওন তরফদার, ইঞ্জিনিয়ার মোখলেসুর রহমান টিপু তরফদার। আর জামায়াতের অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন ও জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম প্রার্থী হতে চান।

    মেহেরপুর-১ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান বর্তমান এমপি ফরহাদ হোসেন, সাবেক এমপি আবদুল মান্নান, জয়নাল আবেদীন, জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রসুল, অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম ও এমএএস ইমন। এখানে বিএনপির সাবেক এমপি মাসুদ অরু, জাতীয় পার্টির আবদুল হামিদ, জামায়াতের তাহাজ উদ্দীন খান প্রার্থী হতে চান।

    মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-বর্তমান এমপি সাহিদুজ্জামান খোকন, গাংনী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ খালেক, সাবেক সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন, গাংনী পৌরসভার বর্তমান মেয়র আহমেদ আলী ও মোখলেসুর রহমান মুকুল। বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন-সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন, জাভেদ মাসুদ মিল্টন, আসাদুজ্জামান বাবলু। এখানে ওয়ার্কার্স পার্টির নুর আহমেদ বকুল, এলডিপির সাবেক এমপি আবদুল গণি, জাতীয় পার্টি আবদুল হালিম ও ইসলামী আন্দোলনের আলিমুজ্জামান হোসেন প্রার্থী হতে চান।

  • শিক্ষার মানোন্নয়নে ময়মনসিংহ জেলায় শ্রেষ্ঠ ইউএনও শফিকুল ইসলাম

    শিক্ষার মানোন্নয়নে ময়মনসিংহ জেলায় শ্রেষ্ঠ ইউএনও শফিকুল ইসলাম

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নির্বাচিত ও জেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নিবাহী কমকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

    একই সঙ্গে শ্রেষ্ঠ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ভালুকা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম। শ্রেষ্ট শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন তারাকান্দা উপজেলা শিক্ষা অফিসার জীবন আরা বেগম। শ্রেষ্ট সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলার শিক্ষা অফিসার নাহিদা পারভীন, নিজ অর্থায়নে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা করাসহ শিক্ষার নানা দিক দিয়ে অবদান রাখায় শ্রেষ্ঠ এসএমসি (বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি) ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছেন জেলার ভালুকা উপজেলার পুর্বভালুকা পৌর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল ম্যানেজমেন্ট কমিটির সভাপতি আব্দুল কাদির।

    গত ১৯শে সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহীদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শ্রেষ্ট শিক্ষক/শিক্ষিকা/ কর্মকর্তা/কর্মচারী ও ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বাছাই কমিটি।

    জেলা শিক্ষা অফিসার শহীদুল ইসলাম বলেন, এই বাছাই কমিটিতে ডিসি স্যার সভাপতি। তিনি একটি উপ কমিটি করে দেন, সেই কমিটি বাছাই করে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন। প্রতি বছর জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক দেওয়া হয়ে থাকে। মাঝে দু-বছর করোনার কারণে করা হয়নি।

    ময়মনসিংহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি ময়মনসিংহ সদর উপজেলায় গত ২০২২ সালের ২৭এপ্রিল যোগদান করার পর জানতে পেরেছি শিক্ষা নগরী হিসাবে পরিচিত জেলার সদরে বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার তেমন কোন পরিবেশ নাই,প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে উপস্থিতিও কম। তাই যোগদান করেই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুনগত মান বাড়াতে কাজ শুরু করছি। আসলে আমি চেষ্টা করেছি। পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষারমান উন্নয়নের জন্য কাজ করেছি। শিক্ষায় ময়মনসিংহ সদর এগিয়ে যাক এটাই আমার প্রত্যাশা।

    বাছাই কমিটির সভাপতি ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোস্তাফিজার রহমান ও সদস্য সচিব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত পত্রে স্বাক্ষর করেছেন বলে জানান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

    এদিকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে ভূমিকা রেখে জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় ময়মনসিংহ সদরের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ইউএনও শফিকুল ইসলামকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন তাদের স্ব-স্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

  • কোতোয়ালির অভিযানে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার আসামীসহ গ্রেফতার-২৯

    কোতোয়ালির অভিযানে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার আসামীসহ গ্রেফতার-২৯

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন মামলায় ২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় পৃথক অভিযানে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, চুরি ছিনতাই ডাকাতি ও মাদক প্রতিরোধ এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতার করে বিচার কাজ করার লক্ষে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে কোতোয়ালি পুলিশ। এরই অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ২৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
    এর মাঝে এসআই মনিতোষ মজুমদারের নেতৃত্বে একটি টীম ছোট বাজার এলাকা থেকে নাশকতা মামলার ঘটনার সহিত জড়িত আসামী আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরন, মাহমুদুর রহমান মামুন, কামরুল, মাজহারুর ইসলাম প্রত্যয়, অন্তর সরকার, এসআই মাসুদ জামালীর নেতৃত্বে একটি টীম রঘুরামপুর এলাকা থেকে একটি রেজিঃ বিহীন চোরাই মোটরসাইকেল সহ চোর শাওন, পাপ্পু মিয়া ও মোকছেদকে গ্রেফতাট করে। এসআই আলী আকবরের নেতৃত্বে একটি টীম চুরখাই বাজার এলাকা থেকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার আসামী আঃ হান্নান, এসআই কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টীম চুরখাই বাজার এলাকা থেকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার আসামী আবু বক্কর সিদ্দিক, এসআই শামছুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি টীম চায়নার মোড় এলাকা থেকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার আসামী ইনাম আহম্মেদ মুনতাসীর ওরফে মুনতাসীর মনি, মোঃ ওমর ফারুক, এসআই মোঃ সাইদুর রহমান, ২নং ফাঁড়ির নেতৃত্বে একটি টীম নওমহল এলাকা থেকে মাদক মামলার আসামী মোঃ স্বপন মিয়াকে ২৪০ গ্রাম গাঁজা সহ, এসআই মোঃ রুবেল মিয়া, ১নং ফাঁড়ির নেতৃত্বে একটি টীম বড় বাজার এলাকা থেকে মাদক মামলার আসামী মোঃ আজাহার হোসেন মুলতানকে হেরোইন সহ,
    এসআই আশরাফুল আলম, এএসআই নূরে আলম দ্বয়ের নেতৃত্বে একটি টীম সিটিকর্পোরেশন এলাকায় জনসাধারনের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির অপরাধে আসামী মোঃ আক্কাস আলী, মামুন, রাজিব, ইব্রাহিম, মোঃ সাব্বির, মোঃ মোস্তফা, মোঃ জাহিদ, মোঃ সোহেল মিয়াকে গ্রেফতার করে।
    এছাড়া এসআই সাজ্জাদ হোসেন, এএসআই হুমায়ুন কবির, কাজল মিয়া, মিজানুর রহমান পরোয়ানাভুক্ত আরো চার পলাতককে গ্রেফতার করে। তারা হলো, আরশাদ আলী, মোঃ মঞ্জরুল হক, কামরুল, মোঃ পটল মিয়া। তাদেরকে রবিবার আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওসি জানায় উপজেলার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে ও অপরাধুক্ত ময়মনসিংহ উপহার দিতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • পটিয়ায় নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের উদ্যাগে ১৫০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা বিতরন

    পটিয়ায় নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের উদ্যাগে ১৫০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা বিতরন

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার:
    মানবিক সংগঠন পটিয়া নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নেতা ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী জীবনের পক্ষ থেকে অসহায় ১৫০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা বিতরন করা হয়েছে। ১ অক্টোবর রবিবার বিকেলে পটিয়া উপজেলার শোভনদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে অসহায় মানুষের মাঝে এ খাদ্য সহায়তা বিতরন করা হয়। এতে বক্তব্য রাখছেন, পটিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মোঃ মোরশেদ, সাবেক ইউপি মেম্বার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, ফাউন্ডেশনের অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম, শোভনদন্ডী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মো: সায়েম, মেম্বার আইয়ুব আলী, মেম্বার খোরশেদ আলম, মেম্বার মাহাবুবুল আলম, মহিলা মেম্বার নাছিমা আকতার, মেম্বার লিংকন মহাজন, মেম্বার আবু তাহের ও মেম্বার মনজুরা বেগম প্রমুখ।

    পটিয়া নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী জীবন পটিয়ার দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড় ছিলেন। আগামী নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে যাকে মনোনয়ন দিবেন তার পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অনুরোধ জানান।

  • উজিরপুরে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়েছে

    উজিরপুরে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়েছে

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ ” শেখ হাসিনার বারতা , নারী পুরুষ সমতা ” বিনিয়োগে অগ্রাধিকার , কন্যা শিশুর অধিকার। এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে বরিশালের উজিরপুরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার উদ্যোগে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত হয়েছে। ১ অক্টোবর সকাল ১০ টায় উপজেলা সভাকক্ষে এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আঃ মজিদ সিকদার বাচ্চু। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কাজী ইশরাত জাহান এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন , সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারি , ভাইস চেয়ারম্যান অপুর্ব কুমার বাইন রন্টু, সীমা রানী শীল। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মৎস কর্মকর্তা মোঃ সাইদুজ্জামান, সমাজ সেবা কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ সহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

  • ময়মনসিংহ সদরে কুষ্টিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির কর্মীর সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    ময়মনসিংহ সদরে কুষ্টিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির কর্মীর সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ :
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলার কুষ্টিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (৩০সেপ্টেম্বর) বিকেলে ইউনিয়নের বিদ্যাগঞ্জ রাণী রাজবালা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

    কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত আস্থাভাজন আব্দুল আউয়াল সেলিম।

    সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি ইদ্রিস আলী। প্রধান বক্তা হিসবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন দুলাল।

    সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপি।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেগম রওশন এরশাদ এমপির প্রতিনিধি আব্দুল আউয়াল সেলিম দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিতে হলে জাতীয় পার্টির প্রধানপৃষ্টপোষক ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি কে আবারও বিজয়ী করে রাষ্টীয় ক্ষমতায় বসাতে কুষ্টিয়া ইউনিয়ন জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।

    সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা লতিফ সরকারের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব হাসান মাহমুদ এর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক নুর মোহাম্মদ নুরু, আব্বাস আলী তালুকদার,লাল মিয়া লাল্টু, মোঃ শাহজাহান,সাব্বির হোসেন বিল্লাল,মহানগর জাপা নেতা এবি ছিদ্দিক,
    সদর উপজেলা জাতীয় পার্টি নেতা,তফাজ্জল হোসেন (অবঃ) দারুগা,জাতীয় তরুণ পার্টি সভাপতি কাউসার আহমেদ,জাতীয় যুব সংহতি জেলা শাখার আহবায়ক শরীফ খান মিল্টন পাঠান,ইউনিয়ন জাপা নেত্রী ইসমত আরা মেম্বার,সদর উপজেলা জাতীয় সমাজের আহবায়ক তুষার আহমেদ, সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সম্রাট প্রমুখ।

  • জনপ্রিয় টিভি” চ্যানেল আই ২৫ বছরে পদার্পণ  হবিগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত

    জনপ্রিয় টিভি” চ্যানেল আই ২৫ বছরে পদার্পণ হবিগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত

    মশিউর রহমান,

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।। চ্যানেল আই এবার পড়ছে ২৫ বছরে। আমরা বলছি পঁচিশ উচ্ছ্বাস, লাল সবুজে বিশ্বাস, বাংলার গণ্যমাধ্যম ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে এই অধ্যায়টি দারুণ ভাবে বর্ণময়, যার সঙ্গে নিবিরভাবে বিশ্বজুড়েই বাংলা ভাষাভাষী মানুষ উদযাপন করলো চ্যানেল আইয়ের জন্মদিন। এই স্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জে চ্যানেল আইয়ের ২৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

    ১লা অক্টোবর রবিবার দুপুরে হবিগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স মিলায়তনে সুধী সমাবেশ ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়। হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও চ্যানেল আইয়ের জেলা প্রতিনিধি চৌধুরী মোহাম্মদ ফরিয়াদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এমপি এ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহির। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক দেবী চন্দ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হবিগঞ্জ সদর সার্কেল) মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মঈন খান এলিস, একাত্তরে স্বাধীন বাংলাদেশের হবিগঞ্জে প্রথম পতাকা উত্তোলনকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা মিয়া মোঃ শাহজাহান, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুন্সি আব্দুর রহিম জুয়েল, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার গৌর প্রসাদ রায়, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি মোহাম্মদ নাহিজ, হবিগঞ্জ চেম্বার প্রেসিডেন্ট মিজানুর রহমান শামীম, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান, সাবেক সভাপতি সফিকুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সভাপতি রাসেল চৌধুরী, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক রোটারিয়ান বাদল কুমার রায়, জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অ্যাডভোকেট হুমায়ূন কবির সৈকত, বান্দরবনের সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল জলিল, বীরমুক্তিযোদ্ধা গিরেন্দ্র সরকার, মর্তুজ আলী, হবিগঞ্জ টিভি জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম সুরুজ আলী, সাংবাদিক ফয়সল চৌধুরী, আজহারুল ইসলাম চৌধুরী, নায়েব আলী, সৈয়দ মশিউর রহমান, খান রাহাত চপল, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সহ-সভাপতি শেখ মোঃ শাহ আলম, পৌর কমান্ডের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রেনেসা ইনস্টিটিউটের পরিচালক আবু নাছের শাহীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ইজাজুর রহমান চৌধুরী পলাশ প্রমুখ। এছাড়াও অনুষ্ঠানের বিভিন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দৈনিক ভোরের সময়ের ব্যোরো প্রধান শাহ জালাল উদ্দিন জুয়েল।

  • কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গনে ভাসছে পাইকগাছার বোয়ালিয়া জেলে পল্লী

    কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গনে ভাসছে পাইকগাছার বোয়ালিয়া জেলে পল্লী

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা(খুলনা)।।কপোতাক্ষ নদের ভয়াবহ ভাঙ্গনে পাইকগাছার হিতামপুর মালোপাড়ার ঘরবাড়ী, গাছপালা ও জমি নদগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। শনিবার দুপুরে নদের বেড়ীবাধ ভেঙ্গে প্রায় অর্ধশত ঘর বাড়ি, ফসলের ক্ষেত ও পুকুর তলিয়ে যায়।কপোতাক্ষ নদের ভয়াবহ ভাঙ্গন এলাকা ও প্লাবিত মালোপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল-আমিন পরিদর্শন করেছেন। এসময় পাইকগাছা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াব উদ্দীন বুলু, গদাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জিয়াদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল-আমিন বলেন, ভাঙ্গন এলাকায় কাজের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ হয়েছে। আপদকালীন জরুরি ব্যবস্থা হিসাবে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে নদের ভাঙ্গন রোধ করতে বাশ,বালি,বস্তাসহ প্রয়োজনিয় জিনিসপত্র দিয়ে রাতের জোয়ারের আগে প্রতিরোধ করার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। নদের তীব্র স্রোতের টানে ভয়াবহ ভাঙ্গনের কবলে পড়ে মালোপাড়া এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছে। ভাঙ্গন এলাকার কিছু কিছু ঘরে নিচের অর্ধেক মাটি নদে ধ্বসে পড়েছে। ঘরগুলি নদের উপর ঝুলছে। যে কোন সময় নদ গর্ভে ভেঙ্গে পড়তে পারে। এসব পরিবারের বসবাসরত মানুষগুলো নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে। অতিসত্বর ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে রাস্তাসহ বাকী পরিবারের ঘরবাড়ী এবং ফসলী জমি নদেগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।মালোপাড়া গিয়ে দেখা যায়, একটি মন্দির ও প্রায় ৫০টি পরিবার ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে। বিগত কয়েক বছর ভাঙ্গনের তীব্রতা না থাকলেও গত বছর থেকে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে। ভাঙ্গন কবলিত মালোপাড়ার রঞ্জিত বিশ্বাস, নিমাই বিশ্বাস, প্রভাষ বিশ্বাস, রবিন বিশ্বাস, সুভাষ বিশ্বাস, সাধন বিশ্বাস, বাসুদেব বিশ্বাস, লালু বিশ্বাস, নলিনা বিশ্বাস, ভাদু বিশ্বাস, বিরেন্দ্র বিশ্বাস, সুরঞ্জন বিশ্বাস, সুশান্ত বিশ্বাস বিশ্বাসদের পরিবার গুলি চরম আতঙ্কে রয়েছে। জোয়ারের পানি বাড়ীর ভিতরে প্রবেশ করছে। আর ভাটার টানে নদের তীর ভেঙ্গে ভাঙ্গনের তীব্রতা বাড়ছে। এ ব্যাপারে বোয়ালিয়া মালোপাড়ার দূর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি লালু বিশ্বাস জানান, বিগত কয়েক বছর নদের টুকিটাকি ভাঙ্গন ছিল। তবে গত বছর থেকে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়েছে। অতি সত্বর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আমাদের মন্দির, বাড়ী ঘর নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাবে। তাছাড়া কপোতাক্ষ তীরবর্তী রাড়ুলী মালোপাড়া, স্টিমার ঘাট, আগড়ঘাটা, সোনাতনকাটি, কপিলমুনি, কাশিমনগরসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ভাঙন চলমান রয়েছে। ভাঙন ও ফাটল শুরু হওয়ায় বসতবাড়ি ও বিভিন্ন স্থাপনার পাশাপাশি সর্বস্ব হারানোর শঙ্কা নিয়ে দিন কাটছে তীরবাসীর। এতে যেকোনো সময় বেড়িবাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। বেড়িবাঁধ ভাঙলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হবে।বোয়ালিয়া মালোপাড়ার ভাঙ্গন এলাকায় গত বছর কিছু অংশে বালির বস্তা দেওয়া হয়েছে। ভাঙ্গনে বালির বস্তাগুলি নদে ধসে পড়েছে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড পাইকগাছার সাব-এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার রাজু হাওলাদার বলেন, ভাঙ্গন রোধ করতে আমরা বালির বস্তা দিয়েছে। হিতামপুর মালোপাড়ার কপোতাক্ষ নদের ভাঙ্গন এলাকার কাজ শুরু হবে। ঠিকাদার নিয়োগ হয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • সুজানগরের বরেণ্য রাজনীতিবিদ আবুল কাশেমের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    সুজানগরের বরেণ্য রাজনীতিবিদ আবুল কাশেমের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    এম এ আলিম রিপন ঃ যথাযোগ্য মর্যাদায় সুজানগর উপজেলার বরেণ্য রাজনীতিবিদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম আবুল কাশেম এর সপ্তম মৃতুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে রবিবার উপজেলা অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়। পৌর আ.লীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজের স ালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির, মরহুম আবুল কাশেম এর কনিষ্ঠ পুত্র সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, নাজিরগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান খান, জেলা আওয়ামীলীগের উপ দপ্তর সম্পাদক সাবিত ফয়সাল রিজভী শাওন, আমিনপুর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি ইউসুব আলী, জেলা পরিষদের সদস্য আহমেদ ফররুখ কবির বাবু,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন, হাটখালী ইউপি চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ, মানিকহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রয়াত আবুল কাশেমের নাম চির ভাস্বর হয়ে থাকবে। তিনি সব ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে দল এবং এলাকার উন্নয়নে যে অবদান রেখে গেছেন তা সুজানগরবাসী চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। এ সময় বক্তারা আরও বলেন,মরহুম আবুল কাশেম এর আদর্শ ও ত্যাগকে বুকে ধারণ করে সকলকে দলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে। এবং তিনি যে ভাবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার প্রাণের ও ভালবাসার সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জন্য একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসাবে কাজ করে গেছেন তার এই অবদান বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ পাবনা জেলা ও সুজানগর আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ শ্রদ্ধার সাথে যুগ যুগ ধরে মনে রাখবে । এছাড়া জীবিত থাকাকালীন মরহুম আবুল কাশেমের নেতৃত্বে এই উপজেলা আওয়ামীলীগ যেভাবে সুসংগঠিতভাবে কাজ করেছে আগামীতেও যেন এই ধারা অব্যাহত থাকে এর জন্য উপস্থিত নেতাকর্মীদেরকে সকল ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে বলেও জানান। আলোচনা সভায় সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী, এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি একিউএম শামছুজ্জোহা বুলবুল, সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক রবিউল হক টুটুল, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান, সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক রাজা হাসান,উপ-দপ্তর সম্পাদক রেজা মন্ডল, সুজানগর উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুস ছাত্তার, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন, পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক, চর দুলাই বজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইকবাল বাহার, নাজিরগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ রাজু, মানিকহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারেক, পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এস এম সোহাগ,উপজেলা আওয়ামীলীগ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন মসজিদের ইমামগন সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাক্তিবর্গ অংশগ্রহন করেন। শেষে মরহুম আবুল কাশেমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে এক শোক র‌্যালি, মরহুমের প্রতিকৃতিতে ও স্থানীয় সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতাকর্মীরা। উল্লেখ্য সফল রাজনীতিক মরহুম আবুল কাশেম ২০১৬ সালের এ দিনে পৌরসভার চরসুজানগর গ্রামে তার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন। তিনি জিবীত থাকাকালীন ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর পর তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয়ভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কিছু দিনের মধ্যে সাংগঠনিক যোগ্যতার কারণে প্রথমে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। এর পর ১৯৭৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৪ সাল থেকে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি দুইবার সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান এবং ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি