Blog

  • মাদার তেরেসা শান্তি পুরস্কার পেলেন সাংবাদিক এম শিমুল খান

    মাদার তেরেসা শান্তি পুরস্কার পেলেন সাংবাদিক এম শিমুল খান

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির :বাংলাদেশ ব্লাড ফেয়ার ফাউন্ডেশন এর বর্ষপুর্তি উপলক্ষে মাদার তেরেসা শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন আজকের বাংলাদেশ টুয়েন্টিফোর ডটকম পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক এম শিমুল খান।

    বাংলাদেশ ব্লাড ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রথম বর্ষপুর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও গুনীজন সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান রাজধানীর তোপখানা রোডস্থ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের ভিআইপি অডিটোরিয়াম কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়।

    বিশিষ্ট সাংবাদিক এম শিমুল খানের সঞ্চালনায় ও বাংলাদেশ ব্লাড ফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আমিনুল ইসলাম ফাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শারফুদ্দিন আহমেদ।

    অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য নুর আফরোজ আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অনলাইন জার্নালিষ্ট ফোরামের মহাসচিব মোঃ রেজাউল ইসলাম রাজু।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ডাঃ আব্দুস সালাম খান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য ড. শহিদুল ইসলাম, মোরেলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল হক রিপন, দুঃস্থ অসহায় নারী ও শিশু কল্যান সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সোনিয়া দেওয়ান প্রীতি।

    এ অনুষ্ঠানে দেশের ১৬ জন গুনী মানুষকে বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষ অবদান রাখায় মাদার তেরেসা শান্তি পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    উল্লেখ্য বাংলাদেশ ব্লাড ফেয়ার ফাউন্ডেশন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। উক্ত সংগঠনের মাধ্যমে দেশের অসহায় মানুষকে রক্তদান করা হয়ে থাকে।

  • ডেঙ্গুর কাছে হেরে গেলেন পাথরঘাটার স্বর্নশিল্পি গৌতম কর্মকার

    ডেঙ্গুর কাছে হেরে গেলেন পাথরঘাটার স্বর্নশিল্পি গৌতম কর্মকার

    পাথরঘাটা (বরগুনা)প্রতিনিধি :
    বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা বলরাম কর্মকারের ছেলে গৌতম কর্মকার(৪৫) আজ সোমবার ২ অক্টোবর খুলনায় চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা গেছেন।

    তার বড়ভাই উত্তম কর্মকার জানান,ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধিন ছিলেন। সেখানে তার স্বাস্থ্যর অবনতি ঘটলে রবিবার রাতে গৌতম কর্মকারকে লাইফসাপোর্টে রাখা হয়। এরপর সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টারদিকে তার মৃত্যু ঘটে।

    বিকাল ৫ টায় পাথরঘাটা কেন্দ্রীয় মহাশ্মশানে তার শেষকৃত্যানুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

    গৌতম কর্মকারের মৃত্যুতে পাথরঘাটা পৌরমেয়র আনোয়ার হোসেন আকন, পাথরঘাটা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ও জুয়েলার্স সমিতির সভাপতি অরুন কর্মকার, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায় ও সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব চন্দ্র শীল বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ পাথরঘাটা উপজেলা শাখার সভাপতি দীপঙ্কর কীর্ত্তনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক অমল তালুকদার এবং বনিক সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষথেকে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করা হয়েছে #

    অমল তালুকদার ।

  • গৌরনদী ডাকাতের হাতে নিহত ব্যক্তির নাম শহীদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাতিলের দাবী

    গৌরনদী ডাকাতের হাতে নিহত ব্যক্তির নাম শহীদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাতিলের দাবী

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    ডাকাতের হাতে নিহত হয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার খেতাব পাওয়া ব্যক্তির নাম বাতিলের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন এক বীর বিক্রম। শহীদের খেতাব পাওয়া ব্যক্তি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর গ্রামের বাসিন্দা। বিষয়টি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আমলে নিয়ে বরিশালের জেলা প্রশাসককে সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদনকারী একই উপজেলার সাহাজিরা গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ হক (বীর বিক্রম) আবেদন উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের ২৬ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বরিশাল আক্রমন করার পূর্বে বাটাজোরের তৎকালীণ চেয়ারম্যান সোনামদ্দিনের বাড়িতে ডাকাতরা আক্রমন করে সবকিছু লুটপাট করে এবং ডাকাতের বল্লমের আঘাতে সোনামদ্দিন নিহত হয়। ওই সময়ে আমি (এমএ হক) ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াদুদ বরিশালের উত্তর বাবুগঞ্জ ও গৌরনদীর দায়িত্বে ছিলাম। ওই চেয়ারম্যান ডাকাতদের হাতে নিহত হওয়ার বিষয়টি আমরা তৎকালীণ সময়ে সরেজমিন পরিদর্শন করি। বর্তমানে তাহার প্রতারক মুক্তিযোদ্ধা সন্তানগন শহিদ সোনামদ্দিন চেয়ারম্যানকে পাক হানদার হত্যা করেছেন মর্মে বিভিন্ন অপকৌশলে শহিদ মুক্তিযোদ্ধা বানিয়েছে। যাহার গেজেট নং- ৪৮। আবেদনে সোনামদ্দিনের শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সনদসহ সকল সুবিদা বাতিলের দাবী জানানো হয়। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার সত্যতা স্বীকার করে সোমবার দুপুরে বীর বিক্রম এমএ হক বলেন, যুদ্ধের সময়ে ডাকাতদের হাতে নিহত সোনামদ্দিন কোন যুদ্ধ করেননি। শহীদ মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় তার নাম থাকায় শুনেছি রাষ্ট্রীয় অর্থে তার কবর সংরক্ষণ করা হয়েছে। যা আমরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার মেনে নিতে পারিনা। এজন্য তার গেজেট ও মুক্তিযুদ্ধের সকল সুবিধা বাতিলের জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানাই।
    এবিষয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার খেতাব পাওয়া সোনামদ্দিনের ছেলে ইসমাত হোসেন রাসু বলেন, ১৯৭১ সালের ২৯ এপ্রিল আমাদের বাড়ির পাশের কর্মকার বাড়িতে স্বাধীনতা বিরোধীরা হানা দেয় এবং হামলা করে। ওই বাড়ির লোকজনদের ডাকচিৎকার শুনে আমার বাবা বের হলে এসময় তাকে (সোনামদ্দিন) হত্যা করে স্বাধীনতা বিরোধীরা। তিনি আরও বলেন, আমার বাবাকে যারা হত্যা করেছে তারা সবাই এই দেশেরই নাগরিক এবং রাজাকার-লুটার। তারা এখনো স্বাধীনতা বিরোধী এবং সরকার বিরোধী। এবিষয়ে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবু আবদুল্লাহ খান জানান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলে জন্য একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

  • মধুপুরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায়, অবরুদ্ধ ৬০টি পরিবার

    মধুপুরে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায়, অবরুদ্ধ ৬০টি পরিবার

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় যাতায়াত করতে পারছেন না প্রায় ৬০ টি পরিবার।
    কোনো প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বাড়ি নির্মাণ ও রাস্তায় গাছ লাগানোর ফলে যাতায়াতের অসুবিধা হচ্ছে প্রায় ৬০টি পরিবারের এমনটাই অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়াগাছা ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের শিমলা পাড়া গ্রামের বাসিন্দাদের।
    শিমলাপাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এমন অভিযোগ তোলেন একই এলাকার ছোবহান আলীর ছেলে নজরুল, নুহু, ছালাম ও ওয়াজ আলীদের বিরুদ্ধে।
    জানা যায় ছোবহান আলীর ছেলে নজরুল, নুহু, ছালাম, ওয়াজ আলীগন রাস্তায় গাছ লাগিয়ে এবং ঘর উত্তোলন করে দীর্ঘ দিনের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে ওই পরিবারগুলোর। আজ সোমবার পুনরায় ঘর তুলতে গেলে স্হানীয়রা নিষেধ করলে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করতে আসলে তখন তাড়া নিরুপায় হয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ কল করলে মধুপুর থানার এস আই মো. ফরহাদ তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনা স্থলে গেলে বিবাদীগন পালিয়ে যায়। এসময় ঘটনা স্হলে চেয়ারম্যান ফজলুল হক সহ ইউপি সদস্যগন উপস্থিত হয়ে রাস্থার বেড়া তুলে দেয়ার জন্য বলে। তিনি আরও জানান এর আগেও বিবাদীগনকে রাস্তায় বেড়া দিতে নিষেধ করি কিন্তু তারা আমার কথা অমান্য করে পুনরায় আজকে তারা রাস্তায় বেড়া দিয়ে চলাচলের বিঘ্ন ঘটায়।
    ভুক্তভোগীরা আরও জানান, বর্তমানে বাড়িতে প্রবেশের পথ একেবারেই বন্ধ করে দেওয়ায় কোনো প্রকার দুর্যোগ কিংবা দুর্ঘটনা ঘটলে, কেউ অসুস্থ হলে কোন প্রকার অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি অথবা কোন চিকিৎসক, উদ্ধারকর্মী যাতায়াত করতে পারবেন না।
    এমনকি কেউ মারা গেলে খাটিয়ায় মরদেহ বের করাও সম্ভব হবে না। এ জন্য ভুক্তভোগীগন উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট যাতায়াতের রাস্তার সুব্যবস্থার জন্য জোর দাবী জানান।

  • বাবুগঞ্জে আশা মনিকে খুঁজে পেতে ব্যকুল অসহায়রা

    বাবুগঞ্জে আশা মনিকে খুঁজে পেতে ব্যকুল অসহায়রা

    কে এম সোহেব জুয়েল,

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধি ::বাবুগঞ্জে অসহায়ত্বরা আশা মনিকে খুঁজে পেতে ব্যকুল হযে পরেছেন তাদের অসহায়ত্ব জীবনের সুখ দু:খ ভাগাভাগির মধ্য দিয়ে জীবনের বাকি দিন গুলো ভাল ভাবে কাটানোর জন্যে।

    আর তাদের সাড়ায উজ্জীবিত হয়ে গতকাল রবিবার ২ অক্টোবর সকাল ১০ টায় ব্রাম্মনদিয়া গ্রামের বিভিন্ন জায়গা থেকে ধোঁপা বাড়িতে আগত অসহায়ত্ব অর্ধ শত্ধিক নাড়ি পুরুষের মাঝে ছুটেযান বাবুগঞ্জ উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক মৌরিন আক্তার আশা মনি।

    ওই অনুষ্টানে আগত অসহায় মানুষের সুখদুখের কথা শুনে সর্ব বিষয় সার্বিক সহযোগিতা করার কথা বলেন, মহিলা লীগের নোত্রী আশা মনি।

    আশা আরো বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনার ধারাকে অব্যহত রেখে যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাবো। তাই এই ধারাকে স্মরন রেখে তার সাধ্য অনুযায়ী নিরালশ ভাবে দীর্ঘ সময় ধরে গ্রামের নিপিড়ীত অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছেন আশা।

    আশা বাবুগঞ্জের বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের রমজানকাঠি গ্রামের কামরুজ্জামান সজলের সহধর্মিনী। তিনি পরউপকারে মধ্য দিয়ে বাকি জীবনের দিন গুলো কাটিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিবে এমনটাই ভাবছেন তিনি।।

  • অ্যাডিশনাল আইজি  আবু হাসান মুহাম্মদ তারিক’কে ফুলেল শুভেচ্ছা

    অ্যাডিশনাল আইজি আবু হাসান মুহাম্মদ তারিক’কে ফুলেল শুভেচ্ছা

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ
    ২ অক্টোবর রোজ সোমবার আবু হাসান মুহাম্মদ তারিক, বিপিএম, অ্যাডিশনাল আইজি (ফিন্যান্স), বাংলাদেশ পুলিশ কুড়িগ্রাম জেলা সফরের উদ্দেশ্যে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উপস্থিত হলে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নীলফামারী জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার গোলাম সবুর, পিপিএম-সেবা।

  • বাংলাদেশ পুলিশ বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি কে ফুলেল শুভেচছা

    বাংলাদেশ পুলিশ বিশেষ শাখার (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি কে ফুলেল শুভেচছা

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ
    ১ অক্টোবর রোজ রোববার বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুল ইসলাম, বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) রংপুর বিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশ গ্রহনের জন্য রংপুর জেলা গমনের উদ্দেশ্যে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উপস্থিত হলে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ আব্দুল বাতেন, বিপিএম, পিপিএম ও পুলিশ সুপার নীলফামারী গোলাম সবুর, পিপিএম-সেবা।

  • সুন্দরবনের বাঘের আক্রমণে জেলে নিহত

    সুন্দরবনের বাঘের আক্রমণে জেলে নিহত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির.বাগেরহাট: প্রকৃতির এক অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি বিশ্ব ঐতিহ্য পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ হিসেবে সুখ্যাত সুন্দরবন থেকে শিপার হাওলাদার (২২) নামে এক জেলে বাঘের আক্রমণে নিহত হয়েছেন। পূর্ব সুন্দরবনের ধানসাগর স্টেশনের তুলাতলা বন থেকে ওই জেলের মাথা ও পরনের প্যান্ট উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (১ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে তল্লাশি করে এসব উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গত বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বনে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন শিপার। ঘটনার পাঁচদিন পর তার মাথা উদ্ধার করা হয়।

    নিহত জেলে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের পশ্চিম রাজাপুর গ্রামের জেলে ফারুক হাওলাদারের ছেলে।স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. কামাল হোসেন তালুকদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত বুধবার সকালে শিপার একাই বনে মাছ ধরতে যান। দিনের মধ্যেই ফিরে আসার কথা। কিন্তু সারাদিনেও ফিরে না উৎকণ্ঠায় পড়ে তার পরিবার। প্রথমে তারা নিজেরা বনে তল্লাশি করে। কিন্তু না পেয়ে সর্বশেষ আজ রোববার সকালে পরিবারের লোকজনসহ অর্ধশতাধিক গ্রামবাসী লাঠিসোটা নিয়ে বনে তল্লাশি শুরু করেন। সকাল ৮টার দিকে গহীন বনের তুলাতলা নামক স্থান থেকে শিপারের মাথা ও রক্তমাখা ক্ষতবিক্ষত পরনের প্যান্টটি পাওয়া যায়।

    তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল এবং আশপাশে বাঘের পায়ের অসংখ্য ছাপ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। মাথাটি বাড়িতে নিয়ে আসার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। মাথাটি দাফনের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনা শোনার পর স্থানীয় লোকজন ও জেলেদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।পূর্ব সুন্দরবনের ধানসাগর স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, আমার স্টেশনের তুলাতলা বন থেকে শিপার নামে এক যুবকের মাথা উদ্ধারের খবর শুনেছি। ধারণা করা হচ্ছে বাঘের আক্রমণে তার মৃত্যু হয়েছে। ওই যুবক অবৈধভাবে বনে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন।

    তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে বনসংলগ্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন বা কোনো জেলে যাতে অবৈধভাবে বনে প্রবেশ না করে সে ব্যাপারে বনবিভাগ থেকে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

  • বাগেরহাটের ফকিরহাটে ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জরিমানা

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জরিমানা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির.বাগেরহাট: বাগেরহাটের ফকিরহাটে অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য পন্য তৈরী ও বিক্রির অভিযোগে মা বেকারীকে ৫হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    রোববার (১ অক্টোবর) অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এই জরিমানা করেন।
    এছাড়াও এদিন দোকানে মূল্য তালিকা না থাকায় মুদিদোকান মালিক মো. হুমায়ুর কবীরকে ৫’শ টাকা ও সরকারি জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করায় খাবারের দোকান মালিক জাহিদুর ইসলামকে ২’শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
    অপরদিকে শনিবার বিকেলে অভিযানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন আইনে ৯টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭হাজার ৮’শ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
    অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী। এসময় থানার পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
    ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা বেগম নেলী বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে গত দুইদিনে ১২টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ অভিযানঅভ্যাহত থাকবে।

  • সাংবাদিকদের মহান পেশাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই

    সাংবাদিকদের মহান পেশাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই

    হেলাল শেখঃ সাংবাদিকরা কারো বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশ করলে সেই সাংবাদিকদেরকে ঘায়েল করতে তারা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়, সাংবাদিকদের মহান পেশাকে অসম্মান করার অধিকার কারো নেই। জাতি জানতে চায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা কতটুকু আর প্রকৃত সাংবাদিকতায় এতো বাঁধা কেন? যারা কোনো সংবাদ লিখতে পারেনা, সংবাদের মানে কি বুঝতে পারেনা তারা কিভাবে সাংবাদিক দাবী করে? আর তারা জাতির বিবেক হয় কি করে।
    গত (১৫/০৯/২০২৩ইং) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত গরমের মধ্যে ঢাকার আশুলিয়া প্রেসক্লাব চত্বরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে ভিন্ন রকম এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করেন আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ধামসোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সেখানে সাংবাদিকদের বসার জন্য ১০টি লাইন চেয়ার রেখে বাকি প্রায় ৪ থেকে ৫শতাধিক চেয়ারে নেতা কর্মীসহ পাবলিককে বসার ব্যবস্থা করা হয়। সামনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যদের মধ্যে মেম্বার চেয়ারম্যান ও ধামসোনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীসহ মেহমানদের বসতে দেয়া হয়, তার চিত্র সংরক্ষণ রয়েছে। অথচ সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন পেশাদার সাংবাদিক সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকের নাম, পদবী, মিডিয়ার নাম, মোবাইল নাম্বার ও সাক্ষর তালিকাভুক্ত করে রেখে সংবাদ সম্মেলন শেষ করে চলে যান সাইফুল ইসলাম। তিনি কি সাংবাদিকদের বেতন ভাতা ও সম্মানি ভাতা দিবেন ?, না অন্য কোনো সমস্যা? তা জাতি জানতে চায়। সাংবাদিকদের সাথে এমন আচরণ বাংলাদেশে এই প্রথম দেখা গেছে, একজন ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতার এমন আচরণ প্রত্যাশা করেননি সাংবাদিকরা। এর সাথে আরো কিছু ব্যক্তি উক্ত সাইফুল ইসলাম চেয়ারম্যানের পক্ষে পেশাদার সাংবাদিককে উল্টাপাল্টা কথা বলার অভিযোগ রয়েছে। ওপেন সিক্রেট সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের ডেকে নিয়ে অপমান করার বিরুদ্ধে আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, সাংবাদিকদের এই প্রতিবাদ চলমান থাকবে। উক্ত সাইফুল ইসলাম ঢাকা-১৯ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ঘোষণা দিয়ে এই সংবাদ সম্মেলন করেন। এরপর শুরু করেছেন গণসংযোগ।
    সাংবাদিকদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করলে তা জাতির জন্য ভালো হবে না। বিশেষ করে প্রিন্ট প্রত্রিকা-সংবাদপত্র ছাপা ও সাংবাদিকতায় চরম বাধা সৃষ্টি করছে যারা তাদের অপকর্ম, অনিয়ম, দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। অনলাইন পোর্টাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ব্যবহার ও সাংবাদিকতায় এক পর্যায়ে কাজ করছে কিছু অসাধু লোকজন? কাগজপত্র প্লেটের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় প্রিন্ট পত্রিকা ছাপানো কঠিন হচ্ছে। চোর বাটপার ও খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তির কারণে প্রকৃত সাংবাদিকতায় চরম বাঁধা সৃষ্টি করছে, যা প্রকৃত সাংবাদিকদের জন্য লজ্জাজনক। কিছু অসাধু ব্যক্তির অত্যাচারের কারণে অনেকেই মহান পেশা সাংবাদিকতা ছেড়ে অন্য পেশায় যাচ্ছেন অনেক সাংবাদিক। কিছু ফিটিংবাজ দালালরা সাংবাদিকতায় আসছে, কিছু খারাপ প্রকৃতির ব্যক্তি সাংবাদিকের পরিচয়পত্র নিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে, মাদক সেবন ও বিক্রি করছে, সুদের ব্যবসা করছে, এটাই বড় সমস্যা। নিজে সংবাদ সংগ্রহ করে তা লিখে সংবাদ তৈরি করে প্রকাশ করা এতো সহজ নয়। মানুষ হিসেবে প্রতিদিন একটি করে ভালো কাজ করা যায়, তা মনের ব্যাপার। দেশের প্রকৃত সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করে কিন্তু তার বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? প্রকৃত সাংবাদিকরা কি জনগণের প্রয়োজনে প্রিয়োজন? কারো পক্ষে বা বিপক্ষে সংবাদ প্রকাশ করলেই কোনো সাংবাদিক কারো গোলাম বা চাকর হয়ে যায়না, যেসকল রাজনৈতিক নেতা বা লিডার মনে করেন যে, সাংবাদিক ওরা আমার লোক, এটা ভুল ধারণা, সাংবাদিকতা পেশা এতো সহজ নয়।
    কলম সৈনিক সাংবাদিক দাবিদার নিজেদের মধ্যে যারা শক্রতা সৃষ্টি করছেন তারা বেশিরভাগই সংবাদ লিখতে পারেন না, তারা জাতির বিবেক হয় কি করে? সাংবাদিকতা একটা মহান পেশা, এই পেশাকে যারা ছোট করে দেখেন, সাংবাদিকদেরকে অপমান করছেন তাদেরকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক। প্রকৃত সাংবাদিক ও লেখক কখনো কোনো হামলা মামলার ভয় করে না। নেতা বা মেম্বার চেয়ারম্যান, এমপি মন্ত্রী আপনারা যে পেশা থেকেই আসেন না কেন দয়া করে কেউ সাংবাদিকদের অপমান করবেন না, আপনাদের ইতিহাস প্রকৃত সাংবাদিকরাই প্রকাশ করতে পারে। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা অনেকেরই আপনাদের অনেকের প্রকৃত চরিত্র ইতিহাস জানেন যে, আপনারা কে কেমন প্রকৃতির মানুষ বা কেমন অপরাধ করেছেন? কে কেমন অপরাধী? কে কেমন চরিত্রবান। রাজধানী ঢাকা, ধামরাই ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার ঘটনা ঘটেছে, এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতাসহ সচেতন মহল। সাংবাদিক নেতারা বলেন, সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণে বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হয়ে থাকেন। প্রকৃত সাংবাদিকদেরকে কেউ ভয় দেখাবেন না, কলমের শক্তি দিয়েই তার জবাব দেয়া হবে। আমরা সাংবাদিকরা কোনো কচু পাতার পানি নয় যে, বাতাসে পড়ে যাবো। অনেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে হামলা-মামলায় শিকার হয়ে থাকেন, ভয় করবেন না “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”। সাংবাদিককে অপমান করার অধিকার কারো নেই। সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি আমরা। বিশেষ করে নিউজ লেখতে হবে সকল সাংবাদিকদেরকে সবার সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায় তা নিয়মিত ভাবে প্রকাশ করতে হবে। আমরা বলতে চাই ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। নতুনদেরকে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়া জরুরি, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সাংবাদিকতার মূলধারায় এগিয়ে যেতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরকেও সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। কলম সৈনিকরা কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়, অপপ্রচারকারী মানুষগুলো দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে দাবী জানান সাংবাদিক নেতারা। প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে একটি মহল গভীর ষড়যন্ত্র করছে। গণমাধ্যমে কাজ করতে হলে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক রাখতে হয় তা অনেকেই জানেন না। নতুন সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়া প্রয়োজন, প্রকৃত সাংবাদিকতা করলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল হয়, মিথ্যাচার সবার জন্য বিপদজনক। সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণেই আজ তারা বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হচ্ছেন। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, সাংবাদিক শব্দ সহজ হলেও এই পেশা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, আবার সম্মানজনক। তবে অপসাংবাদিকতার কারণে বর্তমানে অনেক মানুষ সাংবাদিকদের ভালো চোখে দেখেন না।
    প্রকৃত সাংবাদিকরা না খেয়ে থাকলেও লজ্জায় কারো কাছে হাত পেতে সাহায্য নিতে পারেন না। ৩৬৫ দিনে এক বছর, জীবনে কোনদিন ছুটি নেই সাংবাদিকদের। ৩৬৪ দিন ভালো কাজ করেন আর একদিন একজনের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করবেন এতে একটু ভুল হলেই সেই সাংবাদিক খারাপ হয়ে যায়। অপরাধীরা অপরাধ করবে তাদের বিরুদ্ধে কোনকিছু লেখা যাবেনা, ১দিন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো সংবাদ প্রকাশ করছেনতো সাংঘাতিক হবেন সাংবাদিক। সাংবাদিক জাতির বিঊেশ, সেই বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ, এটা কোন ধর্ম আর কোন বিচার ?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা আমাদের ভুল হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে, “বৃহত্তর ঐক্যই আমাদের লক্ষ্য”।
    আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন, বিশেষ সম্মান অর্জন করার লক্ষ্যে কাজ করতে গিয়ে সম্মান অর্জন না হয়ে উল্টো বদনাম হচ্ছে আমাদের। সাংবাদিকতা করতে শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে। সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মনজয় করতে পারেন না কেন? ছোট একটি ভুল করলেই সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করা হয়, এমনকি হত্যার শিকার হতে হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না ?। অনেক সাংবাদিক আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, যার কোনো হিসাব নেই। দেশে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম, তবুও আমরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছি। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। “পুলিশ, সাংবাদিক” আইনজীবি ও জনপ্রতিধিগণ, এই চারটি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিকতা”। বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি’র বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা অতি জরুরি-যেমনঃ সংবাদের উৎসহের মত সংবাদের উপাদান কি? মানুষ এবং প্রকৃতি, মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য। এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের উপাদান। যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়, আর মানুষ যদি কুকুরকে কামড়ায় বা অপ্রত্যাশিত কিছু অপকর্ম করে তা সংবাদ হয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা, অন্যায় অবিচার, যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে, এরকম অনেক বিষয়কে সংবাদ বলা যেতে পারে।
    সাংবাদিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করা সহজ হবে বলে অনেকেরই অভিমত। সাংবাদিককে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে, সেই সাথে সর্বশেষ সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হবে। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। ভয়কে জয় করে সাংবাদিকতা করার মধ্যে দেশপ্রেম আছে। সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন বলেই মানুষের ঘরের সুন্দরী নারী ও অর্থ সম্পদ নিরাপদে থাকে, স্বাধীনতা ও সম্মান অর্জন করা অনেক কঠিন। সাংবাদিকরা অনেকেই জানান, বর্তমানে সাংবাদিকতা করা অনেক কঠিন কাজ। বাকিটা ইতিহাস, টাকা দিয়ে পরিচয়পত্র নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সুবিধা নেওয়ার নাম সাংবাদিকতা নয়, সাংবাদিকতা করতে হলে নিজ হাতে নিউজ লিখে তা প্রকাশ করাই সাংবাদিকের কাজ। যাচাই বাছাই করলে শতকরা ২০-৩০ জন প্রকৃত সাংবাদিক পাওয়া যাবে এবং দেশে বঙ্গবন্ধুর সৈনিক যাচাই-বাছাই করলে ১০০% এর মধ্যে ৫জন পাওয়া কঠিন। ডিম বিক্রেতা, বাদাম বিক্রেতা, হকার, চাঁদাবাজদের মধ্যে অনেকেই শিক্ষিত হয়ে রাজনীতি করে জমি দখল, ব্যবসা দখল করে অনেকেই কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন, তাদেরকে তালিকা করে জনগণের সামনে তা তুলে ধরা হবে।