Blog

  • নড়াইলের মধুমতী নদীতে তীব্র ভাঙন শত শত একর ফসলি জমি সর্বনাশ

    নড়াইলের মধুমতী নদীতে তীব্র ভাঙন শত শত একর ফসলি জমি সর্বনাশ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের মধুমতী নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের পার আমডাঙ্গা ও লোহাগড়া ইউনিয়নের ছাগলছিড়া গ্রামের প্রায় ৩শ পরিবারের ঘরবাড়ি মধুমতী নদীর কবলে বিলীন হয়ে গেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (১ অক্টোবর) পার আমমডাঙ্গা ও ছাগলছিড়ার মধুমতি নদী এলাকা ঘুরে দেখা যায় ভাঙনের এই দৃশ্যপট।
    এলাকাবাসী জানান, তারা দীর্ঘ ৩ থেকে ৪ বছর মধুমতী নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে আছেন। জয়পুর ইউনিয়নের পার আমডাঙ্গা ও লোহাগড়া ইউনিয়নের ছাগলছিড়া গ্রামের প্রায় ৬শ পরিবার নদী ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে আছে। এই ভাঙন পায় ২ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এর আগে ক্ষতিগ্রস্তদের সরকার থেকে সাহায্য সহযোগিতা খুবই নগন্য দেওয়া হয়। এ বছর কোনো সরকারি সাহায্য সহযোগিতা দেওয়া হয়নি। এই এলাকার বাসিন্দারা এখন সর্বশান্ত। তাদের মাথা গোজার ঠাঁইও নেই।
    পার আমডাঙ্গা গ্রামের আ. সবুর খান, নুর আলম মাস্টার, সোহাগ মাস্টারসহ কয়েকজন বলেন, আমাদের গ্রামের শতবর্ষের মসজিদ-মাদরাসা, কবরস্থানসহ অসংখ্য ঘর-বাড়ি ও শত শত একর ফসলি জমি সর্বনাশা মধুমতি নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সহায় সম্বল হারিয়ে আমরা এখন পথে বসেছি। বর্তমান সংসদ সদস্য প্রায় দুই বছর আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, নদী ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু তা হয়নি। দ্রুত নদী ভাঙন রোধ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসনের দাবি জানাচ্ছি।
    এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার জয়পুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম সুমন বলেন, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ৮২ জনকে ১০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী ভাঙন রোধে ৭০ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। এছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্যকে নিয়ে আমরা কয়েকবার ভাঙন কবলিত এলাকায় পরিদর্শন করেছি।
    নড়াইলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন বলেন, ২০২০/২১ অর্থ বছরে নদী ভাঙন রোধে ৭০ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়। কিন্তু সেটিও এখন নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ওই এলাকার ভাঙনের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে পুনরায় নদী ভাঙন রোধে কাজ করা হবে।
    এ ব্যাপারে নড়াইলের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসফাকুল হক চৌধুরী জানান, নদী ভাঙনে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদেরকে পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৭৬ পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব  প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ৭৬ পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির.বাগেরহাট: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে সর্বত্রই সাজ সাজ রব, এবারে ৭৬ টি পূজা মন্ডপে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুর্গোৎসব। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে প্রস্তুতি। প্রতিটি মন্ডে ে থাকছে সিসি ক্যামেরা। প্রতিমা তৈরিতে মাটির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন ভাষ্ককরা।
    জানাগেছে, এ বারে এ উপজেলায় ১৬টি ইউনিয়ন সহ ১টি পৌরসভায় ৭৬টি পূর্জা মন্ডপে শারর্দীয় দূগা পূজায় ইতোমধ্যে মন্ডপে মন্ডপে প্রতিমা তৈরর মাটির কাজ করছেন ভাষ্ককরা। মূলত হিন্দু ধম্বাবলম্বীদের এ বড় উৎসব ২০ সেপ্টেম্বর দেবি দুর্গার ষষ্ঠী পূজার মধ্যে দিয়ে শুরু ৫দিন ব্যাপী দশমী পূজার মধ্যে দিয়ে শেষ হবে। এবারে দুর্গা দেবি আগামন ঘটকে গমন ও ঘটকে।
    মোরেলগঞ্জ পৌর সদরে ৪টি সার্বজনীন শ্রী শ্রী হরিসভা মন্দির, সাদক রামপ্রসাদ কালি মন্দির, সেরেস্তাদারবাড়ি নবারুন সংর্ঘ দূর্গা মন্দির, সোলমবাড়িয়া সার্বজনীন শ্রী শ্রী শারর্দীয় দূর্গা মন্দিরসহ তেলিগাতি ইউনিয়নে ৩টি, পঞ্চকরণে ৪টি, পুটিখালী ১টি, দৈবজ্ঞহাটী ৩টি, রামচন্দ্রপুর ৫টি, চিংড়াখালী ৮টি, হোগলাপাশা ৭টি, বনগ্রাম ১৫টি, বলইবুনিয়া ৪টি, হোগলাবুনিয়া ১টি, বহরবুনিয়া ৫টি, জিউধরা ৬টি, নিশানবাড়িয়ায় ২টি, বারইখালী ৩টি, মোরেলগঞ্জ সদর ২টি ও খাউলিয়া ইউনিয়নে ৪টি পূজা মন্ডপে উৎসব মূখর পরিবেশে শারদীয় দূগা পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সবচেয়ে বনগ্রাম ইউনিয়নে ১৫টি দূর্গা মন্দিরে পূজা অণুষ্ঠিত হবে।
    সরেজমিনে সোমবার সাদক রামপ্রসাদ কালি মন্দিরে দূর্গা প্রতিমা তৈরি মাটির কাজ করছেন ভাষ্কর সোমনাথ বৈদ্য তিনি জানান, এবারে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যবহৃত রং, জরী, ভারতীয় পেইন্ড, প্রতিমা তৈরির চুলসহ নানা সামগ্রী গত বছরের চেয়ে বাজার দর দাম বেড়েছে দ্বিগুন। ৩ জন শ্রমীক নিয়ে কাজ করে যে টাকা পাই তাতে পেুষিয়ে উঠতে কষ্ট হয়্। তারপরেও দীঘদিন ধরে প্রতিমা তৈরি এ ভাষ্করের কাজ করে নিজেকে আত্মতৃপ্তি মনে করি।

    এদিকে উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপাতি কাউন্সিল শাংকর কুমার রায় জানিয়েছেন, এ উপজেলায় ৭৬টি মন্ডপে সারম্বরে শারদীয় পূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্চে। ইতোমধ্যে সমকল প্রস্তুতি শেষের পথে। প্রতিটি মন্ডপে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবেক টিমসহ আগেভাগেই ভলানটিযার টিম কাজ করছেন। প্রশাসনেসর পক্ষ থেকেও কঠোর নিরাপপ্তা ব্যবস্থা করেছেন।

    থানা অফিসার ইনচাজৃ ওসি মো. সাইদুর রহমান বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সোমবার বিকেলে ৪ টায় জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় মন্দিরের সভাপতি সম্পাদকরে সাথে মতবিনিময় সভা করবেন। পূজা উদযাপন ও মন্ডপগুলোর নিরাপত্তার প্রস্তুতির বিষয় আলাচনা করা হবে।

    এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম তারেক সুলতান বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবে ঘিরে কল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ৯ তারিখে প্রতিটি পূজা ম,ন্ডপের সভাপতি সম্পাদককের সাথে প্রস্তুতি সভারও সিদ্ধান্ত গ্রহন হয়েছে। মন্ডপগুলো নিরাপত্তারজন্য ইতোমধ্যে প্রতিটি দূর্গা মন্ডপে সিসি ক্যামেরা, বসানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পূজার পূর্ব মুর্হুত থেকেই স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকটিম দল গঠন করে পাহারার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। #

  • বাগেরহাটে ফকিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা

    বাগেরহাটে ফকিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির :বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জরিমানা করা হয়েছে।
    সোমবার (২রা অক্টোবর) বিকেলে অভিযানে এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী। এসময় পেশকার মো. মিজানুর রহমান সহ থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
    যেসব প্রতিষ্ঠানে জরিমানা করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে লাইসেন্স নবায়ন না করায় নিউ চায়না ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে ৩হাজার, লাইসেন্স না থাকায় এএইচ ভেটেরিনারি ওষুধের দোকানে ১হাজার বিসমিল্লাহ ভেটেরিনারিতে ওষুধের দোকানে ৫’শ এবং পেট্রোল-ডিজেল বিক্রেতা রফিকুল ইসলামকে ৫’শ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
    ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফা বেগম নেলী বলেন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ৪টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান অভ্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

  • সুন্দরগঞ্জে দৈনিক ডেল্টা টাইমসের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    সুন্দরগঞ্জে দৈনিক ডেল্টা টাইমসের ৪র্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে দৈ‌নিক ডেল্টা টাইমস্ পত্রিকার ৪তম প্রতিষ্ঠা বা‌র্ষিকী পা‌লন করা হয়েছে।

    রবিবার সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবে উপজেলা প্রতিনিধি জাহিদ হাসান জীবন এই অনুষ্ঠানের আ‌য়োজ‌ন করেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে সুন্দরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম অবুঝের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহীন প্রামানিক, জাপা নেতা রুবেল মিয়া, সাংবাদিক এম এ মাসুদ, শামসুল হক, জয়ন্ত সাহা যতন, এনামুল হক, ওমর ফারুক, সুদীপ্ত শামীম, আ: রহমান শিপন, মিজানুর রহমান, রাজ্জাক মিয়া এবং মোর্শেদ মিয়া প্রমুখ।

    পরে আলোচনা সভার শেষে কেক কাটার মধ্য দিয়ে পাঠক নন্দিত দৈনিক ডেল্টা টাইমস্ পত্রিকার ৫ম বর্ষে পদার্পণ ও ৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়।

  • ত্রিশালেের উন্নয়ন ও পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তৃর্ণমুলের আস্থা নাফিজ মাহবুব

    ত্রিশালেের উন্নয়ন ও পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে তৃর্ণমুলের আস্থা নাফিজ মাহবুব

    নিজস্ব প্রতিনিধি
    আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসন এলাকার উন্নয়নের মাধ্যমে পল্লীবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হওয়ার পর ত্রিশালবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন বিশিষ্ঠ জাপার তরুণ মেধাবী রাজনীতিবিধ, নাফিজ মাহবুব।
    সে লক্ষে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তার নিজ এলাকা ময়মনসিংহ -৭ আসনে ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম বেগবান করতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন জাপার কেন্দ্রীয় নেতা, জাতীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সমন্বয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য নাফিজ মাহবুব।

    একই সাথে পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ত্রিশালসহ সারাদেশে জাপা সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদের নেতৃত্বে দল কে সুসংগঠিত করতেও কাজ করে যাচ্ছেন নাফিজ মাহবুব।

    ময়মনসিংহ -৭ (ত্রিশাল) এলাকা ঘুরে জানা যায়, এই আসনে জাতীয় পার্টির কার্যক্রম জোরদার ও গতিশীল রেখেছেন নাফিজ মাহবুব। এই নেতার বাহিরে অন্য কোন নেতাকে লাঙ্গলের কান্ডারী হিসেবে দেখতে চাই না স্থানীয় নেতাকর্মীরা। একজন সৎ,দক্ষ,পরিশ্রমী মেধাবী তরুণ জনবান্ধব নেতা হিসাবে ত্রিশালের আসনটি জাপার দখলে রাখতে জনপ্রিয় এই নেতার জনপ্রিয়তাকেই ভরসা করছেন তৃর্ণমুলের নেতাকর্মীসহ উপজেলার সর্বস্তরের ভোটাররা।

    ত্রিশাল জাতীয় পার্টির স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, ত্রিশালে জাতীয় পার্টি কে এক নতুন মেরুকরণ করে বীজ রোপন করে চলছেন এই নেতার রাজনৈতিক কর্মদক্ষতার আলোকে, জাতীয় পার্টির রাজপথের কর্মী,রওশন এরশাদের অন্যতম সিপাহসালা নাফিজ মাহবুব। কেন্দ্রীয় রাজনীতি থেকে দিক নির্দেশনার মাধ্যমে ত্রিশাল জাতীয় পার্টি কে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করে চলছেন এই নেতা, যার ফলশ্রুতিতে এখন পর্যন্ত চাঙ্গা রয়েছে ত্রিশাল জাতীয় পার্টি। সুতরাং এবার এ আসনে নাফিজ মাহবুব কে মনোনয়ন দিলে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয় নিয়ে আসনটি জাতীয় পার্টিকে উপহার দিতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা মত পোষণ করেছেন।

    সম্প্রতি, জাতীয় পার্টির প্রধানপৃষ্টপোষক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠকে আগামী নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা হস্তান্তর করেছেন বলে সুত্র জানিয়েছে। সেই তালিকায় ও দলের চেয়ারম্যানের অগ্রিম মনোনয়নের তালিকায় নতুন করে ত্রিশালের তৃণমূলের পরিক্ষীত নেতা নাফিজ মাহবুবকে দেখতে চান স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

    সুত্রটি আরো জানিয়েছে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানপৃষ্টপোষক (দেবর-ভাবী) দুজনেরই গুডবুকে ময়মনসিংহ -৭ (ত্রিশাল) আসনে রয়েছেন নাফিজ মাহবুব। এমন সংবাদে জাতীয় পার্টির স্থানীয় ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে। এরই মধ্যে প্রথম সারির বিভিন্ন পত্রিকায় সেই তালিকাও প্রকাশ হয়েছে। সর্বশেষ ফাইনাল তালিকায় যেন নাফিজ মাহবুব এর নাম যুক্ত থাকে সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

    নাফিজ মাহবুব বলেন, এমপি হতে নয় জাতীয় পার্টি করি পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে। পল্লীবন্ধু আমাদের আদর্শ। আমি হলফ করে বলতে পারি জাতি এমন সহজ সরল উদার মনের নেতা আর পাবেন না।

    তিনি আরও বলেন, ময়মনসিংহ -৭(ত্রিশাল) এলাকার জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা আমাকে এবার এ আসনে দেখতে চান। এ চাওয়া আমার একার না, এ চাওয়া ত্রিশালবাসীর।

    জাতীয় পার্টির এই নেতা বলেন, পার্টির হাইকমান্ড যদি আমাকে এ আসনে মনোনীত করেন ত্রিশাল বাসীকে সাথে নিয়ে আমি জাতীয়পার্টিকে এ আসন উপহার দিতে চাই।সেই সাথে পল্লীবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চাই। সব শেষ দল যে সিদ্ধান্ত নিবেন এবং যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকেই দিবেন সেটা মেনে নিয়েই লাঙ্গলের জয়ের লক্ষ্যে কাজ করে যাবো।

    তিনি বলেন, ‘মানুষ আমাকে ভালোভাবে নিয়েছে, তারা আমাকে বিশ্বাস করেছে। আশা করছি এই বিশ্বাসের প্রতিফলন আমার বিজয়ের মাধ্যমে ঘটবে। নাফিজ মাহবুব জানান-আমি কাউকেই বাদ দিতে চাই না,দ্বিধাবিভক্তি চাই না, আর এটা কখনোই ভালো কাজ না। দল-মতনির্বিশেষ সাধারণ নাগরিকদের নিয়ে আমি ত্রিশালের উন্নয়ন করতে চাই, তাদের সেবা দিয়ে যেতে চাই ইনশাআল্লাহ।

    নাফিজ মাহবুব ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের উজানদাসপাড়া গ্রামের ১৯৭৭ সালের ২৬শে অক্টোবর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবার নাম কছিম উদ্দিন,মাতার নাম মাজেদা বেগম,দুজনেই পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ভক্ত ও জাতীয় পার্টির নিবেদিত প্রাণ।

    নাফিজ মাহবুব জাতীয় পার্টির জাতীয় প্রস্তুতি কমিটির সদস্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, উত্তরা মিডিয়া ক্লাব, ঢাকা, মুখপাত্র বাংলাদেশ ভারত সাংস্কৃতিক মৈত্রী, প্রেসিডিয়াম মেম্বার শিকড় বাংলাদেশ, আজীবন সদস্য ময়মনসিংহ বিভাগ যুব সমিতি ঢাকা ও অটিজম সার্পোট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সদস্য।

    তিনি তার নির্বাচনী এলাকা ত্রিশালের সার্বিক উন্নয়নের আধুনিকতায় রূপ দিতে স্থানীয় বেকারত্ব দূর করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার লক্ষ্যে যুবসমাজ কে খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টিতে মাঠ স্থাপন এবং রাস্তাঘাটের উন্নয়নসহ পুরোনো ঈদগাহ মাঠগুলোকে আধুনিকরণ করন, নিরক্ষরতা দূর করার জন্য গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু, আধুনিক চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনসহ যা যা করণীয় তাই করার পরিকল্পনা নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন।

    নাফিজ মাহবুব আরো বলেন আমি এই ত্রিশাল এলাকার ছেলে, এলাকার মানুষের আস্থা এবং সমর্থন পেয়েছি বলেই আগামী দ্বাদশ জীতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি থেকেই নির্বাচন করবো। ময়মনসিংহ -৭ ত্রিশাল আসনের জনগণের কাছে তিনি দোয়া, সমর্থন এবং ভালোবাসা ও সহযেগীতা প্রত্যাশা করেন।

  • সুন্দরগঞ্জে পিতার সাথে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ছেলে নিখোঁজ

    সুন্দরগঞ্জে পিতার সাথে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ছেলে নিখোঁজ

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন,গাইবান্ধা থেকেঃ

    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় পিতার সাথে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে ছেলে নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে।

    পারিবারি সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা গ্রামের তিস্তার শাখা নদীতে নওশা মিয়া তার ৬ বছরের ছেলে মহসিন মিয়াকে সাথে নিয়ে মাছ ধরতে যায়। নওশা মিয়া মুঠোজাল দিয়ে মাছ ধরতে থাকে। এর একপর্যায়ে মহসিন তার পিতার অজান্তে নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করার জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিশুটির কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্যাহ বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেন।

    এব্যাপারে তদন্ত ওসি মিলন কুমার চ্যাটার্জীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, কেউ স্ব চোখে শিশুটিকে পানিতে ডুবতে দেখেনি এলাকাবাসীর সন্দেহ সে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়েছে। এনিয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথ ভাবে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

  • কুমিল্লা জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ইমাম পরিষদের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সীরাতুন্নবী সা. মাহফিল অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লা জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ইমাম পরিষদের উদ্যোগে ঐতিহাসিক সীরাতুন্নবী সা. মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
    গতকাল সোমবার রাতে ঐতিহাসিক কুমিল্লা টাউন হল ময়দানে কুমিলা জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ইমাম পরিষদের উদ্যোগে সীরাতুন্নবী সা. মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিপুল সংখ্যক মুসল্লীদের উপস্থিতিতে সীরাতুন্নবী সা. মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি হাফেজ মাওলানা মিজানুর রহমান এর সভাপতিত্বে মাওলানা বক্তব্য রাখেন সৈয়দ আব্দুল কাদের জামাল, মুফতী আবুল বাশার ও আব্দুল্লাহ আল মামুন মোস্তফীর যৌথ পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পীরে কামেল শাইখুল হাদীস আল্লামা নুরুল হক দা. বা.। আলোচনা পেশ করেন, দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী চট্রগ্রাম বিভাগের মহাপরিচালক আল্লামা মুফতী খলীল আহমদ কাসেমী কুরাইশী, মুফতী মুশতাকুন্নবী কাসেমী, মুফতী আমজাদ হুসাইন, মুফতী আরিফ বিন হাবিব, মুফতী আনিসুর রহমান আশরাফি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক কাসেমী, হাফেজ মাওলানা মুনীর হুসাইন, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা কবীর আহমাদ,মুফতী শামসুল ইসলাম জিলানী, মুফতী নাঈমুল ইসলাম, মাওলানা আমীনুল্লাহ, মাওলানা আব্দুস সালাম শরাফতী, মাওলানা খলীলুর রহমান, হাফেজ মাওলানা সুলাইমান, মাওলনা জামীল আহমদ আশরাফী, মুফতী ইমাম হুসাইন, মাওলানা সফিউল্লাহ,মাওলানা নোমান আলমগীর, মাওলানা মুনীর হুসাইন, মাওলানা নোমান আহমদ, মাওলানা মাহফুজ, মাওলানা মারুফ বিল্লাহ মাওলানা কামরুল হাসান বিন নক্সবন্দী সহ প্রমুখ উলামায়ে কেরাম। মাহফিলে আলোচকগন নবী সা.এর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আদর্শ ও সুষ্ঠ সমাজ বিনির্মানে সীরাতের চর্চার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
    , আব্দুল্লাহ আল মামুন মোস্তফী
    অফিস ও প্রকাশনা সম্পাদক, কুমিল্লা জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ইমাম পরিষদ।

  • নেছারাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    নেছারাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)সংবাদদাতা:

    নেছারাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে নয়টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সোমবার ভোররাতে স্বরূপকাঠি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে কাছেম সরদার বাড়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আগুনে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সুত্রপাত বলে ধারনা করা হচ্ছে। স্থানীয়রা বলেন, জলিল মিয়ার ঘর প্রথমে ফ্রীজ বিস্ফোরণ হয় এবং সেখান থেকে আগুনের সুত্রপাত হয় ।

    প্রতিবেশি বৃদ্ধ মালেক মিয়া বলেন, আমারা ঘুমানো ছিলাম। আনুমানিক ৪.১৫ মিনিটের সময় চিৎকার এনং আগুনে পোড়ার শব্দ শুনে বাইরে বেড়িয়ে দেখি আগুনের লেলিহান শিখা। কোন কিছু আচ করার মধ্যে আগুনে সব কিছু পুড়ে ছাই। আগুনে নয়টি ঘর পুড়ে গেছে।

    স্থানীয় রফিকুল ইসলাম বলেন, আগুন নয়টি ঘর পুড়েছে। এরমধ্যে কাঠের আড়ৎদার জলিল মিয়া, করাতকল মিস্ত্রী কালাম, শ্রমিক মিন্টু, রাজমিস্ত্রী জাকির, তরকারি বিক্রেতা নজরুল, পাপস বিক্রেতা খাইরুল বেশি ক্ষতিগ্রস্থ। এদের ঘরে নগদ টাকা, আসবাবপত্র,স্বর্না অলঙ্কার ছিল। এছাড়া আংশিকভাবে হানিফ, জাহিদ,টিটুদের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    নেছারাবাদ ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ আব্দুস সালাম জানান, আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা আগুন নিভানোর কাজ শুরু করি। পরে আগুনের তিব্রতা আরো বাড়লে বানারীপাড়া ফায়ারসার্ভিসের আরো একটি ইউনিট এসে কাজ শুরু করে। আগুনে নয়টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে। বিদ্যুৎতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। এতে ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন পুরোপুরি নিভানো সম্ভব হয়েছে।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ,পিরোজপুর

  • র‌্যার-১২’র অভিযানে ২৬৮ গ্রাম হেরোইনসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার

    র‌্যার-১২’র অভিযানে ২৬৮ গ্রাম হেরোইনসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। এরই ধারাবাহিকতায় মোঃ মারুফ হোসেন পিপিএম, অধিনায়ক র‌্যাব-১২, সিরাজগঞ্জ এর দিক নির্দেশনায় ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ খ্রিঃ রাত ০৩.৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১২’র সদর কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল “সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানাধীন টোল প্লাজা হতে বাম পাশে ১০০ গজ পূর্বে পাকা রাস্তার উপর” একটি মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২৬৮ গ্রাম হেরোইনসহ ০১ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও তার সাথে থাকা মাদক দ্রব্য হেরোইন ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০১ টি মোবাইল ও নগদ ১,৫২০ টাকাসহ একটি বাসের টিকিট জব্দ করা হয়।

    ২। গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ তালাশ (২৬), পিতা-লাল মোহাম্মদ, মাতা-মোছাঃ শাহার বানু, সাং-ভাটোপাড়া, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহী।

    ৩। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামী দীর্ঘদিন যাবৎ লোক চক্ষুর আড়ালে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে মাদক দ্রব্য হেরোইন ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিলো।

    ৪। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ উপরোক্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিটি ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়াতে প্রদর্শনের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা হলো।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ আবুল হাশেম সবুজ

    লেঃ কমান্ডার বিএন

    কোম্পানী কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সদর কোম্পানী

    ফোন-০১৭৭৭৭১১২৫৮

  • আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসীদের একাধিক গ্রুপের সাথে বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা

    আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসীদের একাধিক গ্রুপের সাথে বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া, ঘোষবাগ, নরসিংহপুর ও ধামসোনা ইউনিয়নের ভাদাইলসহ এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বিভিন্ন গ্রুপের সাথে বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
    রবিবার ( ২ অক্টোবর ২০২৩ইং) সকাল ১০ টার দিকে ঢাকার আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া ও ভাদাইল এলাকার সবচেয়ে বড় (ক্রাইম জোন এলাকা রূপায়ন আবাসন-১ এর ভেতরে ২০-২৫ জনের কিশোর গ্যাং) দেশীয় অস্ত্র চাকু ছুরি ও দা নিয়ে মহরা দিতে দেখে লোকজন, এই কিশোর গ্যাং আতংকে পুরো এলাকাজুড়ে। গত শুক্রবার দুপুরে জুম্মার নামাজের সময় জামগড়া মোল্লাবাড়ি মসজিদে নামাজে আসা স্কুল ছাত্র শরিফুল ইসলামকে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা মারপিট করে তার মাথায় চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়েছে। এ বিষয়ে ভিকটিম শরিফুলের বাবা গোলাম মোস্তফা কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের ৬ জনের নাম উল্লেখ করে আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেন, অথচ দুইদিন না যেতেই তার অভিযোগ তুলে নিতে বাহিনীর লিডার কর্তৃক হুমকি প্রদান করার অভিযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে যেকোনো সময় দুই গ্রুপের বড় ধরণের সংঘর্ষ হতে পারে বলে অনেকেই জানান।
    অন্যদিকে কিশোর গ্যাং বাহিনীর আরো একটি হামলার ঘটনায় গত (১৩ আগস্ট ২০২৩ইং) তারিখ রাতে একটি গ্রুপের পক্ষে মামলা করার জন্য আশুলিয়া থানায় অভিযোগ করেছেন লুৎফর সরকারের ছেলে রবিন সরকার (২১)। ওইদিন রবিবার (১৪ আগস্ট ২০২৩ইং) সকালে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জিরাবো আনন্দ বাজার, কুন্ডলবাগ এলাকার স্থানীয় বিপ্লব এর ছেলে রাকিব (২২) ও রবিন (২১) এই দুই গ্রুপের সাথে মাদক সেবন, মাদক ব্যবসা এবং ক্ষমতা বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটে তার দুইদিন আগে। এই ঘটনা নিয়ে ৩য় পক্ষ অনৈতিক সুবিধা নিয়ে গণমাধ্যম কর্মীসহ পুলিশ ও র‌্যাবকে নিয়ে গালিগালাজ করার অভিযোগ রয়েছে। সেই সাথে কিছু সংবাদকর্মীদের ভিডিও করে রেখে তারা বিভিন্ন হুমকি প্রদান করছে। উক্ত এলাকায় প্রায় শতাধিক কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী সক্রিয় ভাবে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলেই তাদের উপর হামলা ও মারপিট করা হয়।
    উক্ত ব্যাপারে আশুলিয়া থানার ইয়ারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান শাহেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে আওয়ামীলীগ সরকার জঙ্গি দমন করেছে। আশুলিয়ায় এখন কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে। তারা প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় মাদক সেবন ও মাদক ব্যবসা এবং ক্ষমতা বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ সংঘটিত করছে, এতে আহত ও নিহতের ঘটনা ঘটছে। তিনি আরো বলেন, এ ব্যাপারে কারো কোনো ছাড় দেয়া যাবেনা, সাংবাদিক, পুলিশ প্রশাসন ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এই আওয়ামীলীগ নেতা।
    এর আগে আশুলিয়ার নরসিংহপুর ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার আবু সামার মার্কেটে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের হামলাসহ ধারাবাহিক ভাবে বেড়েই চলেছে কিশোর অপরাধ। চাঁদাবাজ, অপহরণকারী কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীদের সাথে জড়িত কারা? পুলিশ কেন তাদেরকে গ্রেফতার করছেন না বলে সচেতন মহলের প্রশ্ন। কিশোর গ্যাং এর ধারাবাহিক হামলা ও চুরি ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে, এতে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে বলে অভিমত প্রকাশ করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মহল।
    গত (৫ আগস্ট ২০২৩ইং) আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং, ৫নং ও ৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক ভাবে অপরাধমূলক কর্মকান্ড করেছে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা। এর আগে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া হেয়ন গার্মেন্টস রোডে বকুল ভুঁইয়ার বাড়ি এবং ভুঁইয়া পাড়া, ফকিরবাড়ি ও ভাদাইলের আশপাশের এলাকায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাস বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী-ধারাবাহিক ভাবে হামলায় ভাংচুর ও অপহরণ খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে শতাধিক কিশোর গ্যাং সদস্যরা, তারা প্রায়ই অপহরণ-খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে। এইসব অপরাধীদেরকে আশ্রয় প্রশ্রয় দাতা কারা? পুলিশ প্রশাসন ও র‌্যাবকে জানানো হলেও তেমন কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে এসব অপরাধীরা প্রকাশ্যে অপরাধ করছে বলে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানান।
    র‌্যাব-৪ জানায়, গত (১৮ মে ২০২৩ইং) তারিখে বিকেল ৪টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন শ্রীপুর মোজারমিল এলাকার একটি পুকুর থেকে এক যুবকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত ভিকটিম মোঃ ফারাবী আহমেদ হৃদয় (২১) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র, সে স্থানীয় মোঃ ফজলুল হক মিয়ার বড় ছেলে। গত ৮মে ২০২৩ইং জামগড়া নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে ভিকটিম হৃদয় নিখোঁজ ছিলেন। জানা যায়, কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী মোঃ ময়েজ হোসেন পরাণ (২২)সহ ৪-৫ জন তাকে অপহরণ করে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে না পেয়ে তাকে হত্যা করে, পরে জানা যায়, ভিকটিমের পরিবারের কাছে টাকা চাওয়ার আগেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। অপহরণের দিনই বিকালে হৃদয়কে হত্যা করে লাশ গুম করার জন্য বস্তাবন্দি করে শ্রীপুর এলাকায় নিয়ে একটি পুকুরে ফেলে দেয় তারা, দুইদিন পর লাশ ভেসে উঠলে আবার তারা ৮টি ইট বস্তার ভেতরে দিয়ে পানিতে ফেলে দেয়, যাতে লাশ না দেখা যায়।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অমিতাভ চৌধুরী অমিত বলেন, কিশোর গ্যাং সবখানে আছে, তবে আশুলিয়ার জামগড়া ও রূপায়নে অনেক বেশি, মোল্লাবাড়ি জামে মসজিদের সামনে গত শুক্রবার শরিফুল ইসলামের উপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করছি, ভুক্তভোগী পরিবার গরীব, ছেলেটার মাথায় কুপিয়েছে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। একই এলাকায় মা বাবা ও ছেলেসহ একই পরিবারের ৩জনকে জবাই করে হত্যা ও ভাদাইলে আজিজুল নামের এক যুবককে ৪ রাউন্ড গুলি করেছে শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ বাপ্পি রাজ। এসব ঘটনায় আশুলিলয়ায় আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে বলে পুলিশ স্বীকার করে। পুলিশ ও র‌্যাব বলছেন, আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা করছি যাতে আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হয় সেই ভাবে কাজ করছি, অপরাধীদেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে বলেও তারা জানান।
    আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ আল মামুন ও র‌্যাব-৪ এর সদস্যরা জানান, অপরাধী দেরকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে, অপরাধী সে যেইহোক না কেন কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না বলে পুলিশ ও র‌্যাব জানায়।