Blog

  • বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ পাথরঘাটা উপজেলা শাখা   সভাপতি দীপঙ্কর কীর্ত্তনিয়া সম্পাদক অমল তালুকদার

    বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ পাথরঘাটা উপজেলা শাখা সভাপতি দীপঙ্কর কীর্ত্তনিয়া সম্পাদক অমল তালুকদার

    পাথরঘাটা(বরগুনা)প্রতিনিধি : বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা শাখার নবগঠিত কমিটির অনুমোদন দিয়েছে বরগুনা জেলা কমিটি।

    মঙ্গলবার ৩ অক্টোবর বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি শ্রী সিপন চন্দ্র শীল ফেলা এবং সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ মিত্র স্বাক্ষরিত আগামী দুই বছরের জন্য অনুমোদিত এ কমিটির সভাপতি হলেন পাথরঘাটা কে.এম মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শ্রী দীপঙ্কর কীর্ত্তনিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজ প্রতিনিধি সাংবাদিক শ্রী অমল তালুকদার-কে।

    অপরদিকে নির্বাহী সভাপতির দায়িত্বে আছেন শ্রী শেখর চন্দ্র ওঝা, সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রী সুকুমার হাওলাদার,আইন বিষয়ক সম্পাদক শ্রী সমর হাওলাদর সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্রী কৃষ্ণকান্ত মজুমদার মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শ্রীমতি মাধবী রানী রায়,ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শ্রী মনোরঞ্জন চক্রবর্তী,যুব বিষয়ক সম্পাদক শ্রী অপূর্ব বালা।

    এছাড়াও উপদেষ্টা পরিষদে রয়েছেন শ্রী নারায়ন চন্দ্র হাওলাদার(সাবেক চেয়ারম্যান কাঠালতলী ইউপি) , শ্রী প্রশান্ত কুমার রায়(প্রাক্তন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অফিসার,বরিশাল), ডাক্তার শ্রী দীপক কীর্ত্তনিয়া (সহকারী অধ্যাপক জেনারেল সার্জারী,পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল),শ্রী সঞ্জীব সমাদ্দার লিটন(শিক্ষক পাথরঘাটা কেএম স: মা: বিদ্যালয়),শ্রী মহানন্দ ঘরামী(শিক্ষক) ,শ্রী রতন সেন(সমাজ সেবক) ও অন্যান্য পদসহ ৫১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটির অনুমোদন করেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ বরগুনা জেলা কমিটির সভাপতি শ্রী সিপন শীল ফেলা এবং সাধারণ সম্পাদক শ্রী প্রদীপ কুমার মিত্র ।

    পাথরঘাটা উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক দেশের সার্বিক কল্যাণ এবং হিন্দু অধিকার রক্ষায় কাজ করবে বলে তাদের মনোভাব প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন।

    আগামী দুবছর এই কমিটি তাদের দায়িত্ব পালন করবে। অনুমোদিত কমিটির সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল সদস্যকে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষে থেকে ইতিমধ্যেই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

    অমল তালুকদার।

  • সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজের ১৬ ঘন্টা পর শিশু মহসিনের লাশ উদ্ধার

    সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজের ১৬ ঘন্টা পর শিশু মহসিনের লাশ উদ্ধার

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বাবার সাথে নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়ার ১৬ ঘন্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে শিশু মহসিন মিয়া(০৬) এর লাশ।
    জানা গেছে, উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের তালুক বেলকা গ্রামের নওশা মিয়া তার ছেলেকে সাথে নিয়ে তিস্তার শাখা নদীতে মাছ ধরতে যায়। পরে মাছ ধরার এক পর্যায়ে নওশার অজান্তে মহসিন নিখোঁজ হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার অভিযা চালিয়ে যায়। রাতভর অনেক খোঁজাখুঁজির পর মঙ্গলবার ভোরে মহসিনের লাশ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে পুলিশ মহসিনের লাশ দাফনের জন্য তার পরিবারকে অনুমতি দেয়।

    এনিয়ে পুলিশ পরিদর্শক মিলন কুমার চ্যাটার্জীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, থানায় মহসিন মিয়ার জ্যাঠা বাদী হয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।

  • গোপালগঞ্জে বিএনপির রোড মার্চের গাড়ী বহরে হামলা অভিযোগ, আহত বেশ কয়েকজন

    গোপালগঞ্জে বিএনপির রোড মার্চের গাড়ী বহরে হামলা অভিযোগ, আহত বেশ কয়েকজন

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে ফরিদপুর বিভাগীয় বিএনপির রোড মার্চের গাড়ী বহরে হামলা অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগ সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এসময় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (০৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মুকসুদপুর উপজেলার বরইতলা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। তবে পুলিশ হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

    কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে রোড মার্চ রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ থেকে গোপালগঞ্জের মুকসদুপর উপজেলার বরইতলায় এসে সমাবেশ করে বিএনপি। এ সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিভাগীয় নেতৃবৃন্দ ও গোপালগঞ্জ জেলা ও উপজেলার বিএনপির নেতাকর্মীরা অংশ নেন। এসময় সমাবেশ শেষ হাবার আগে দিগনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিএনপির গাড়ী বহরে হামলা চালায়। এতে বিএনপির বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন। এসময় সমাবেশে অতংক ছড়িয়ে পড়ে।

    এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রবিউল আলম শিকদার বলেন, এই ধরনের কোন ঘটনার সম্পর্কে আমার জানা নেই। আমি দুই দিন আগে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানিয়ে দিয়েছি আমাদের এমপি মুহাম্মদ ফারুক খান এগুলো পছন্দ করেন না। এমন ঘটনা ঘটার কথা না। তারপরও আমি খোঁজ নিচ্ছি। তবে এটা তাদের নাটক কি না সে বিষয়েও খবর নিচ্ছি।

    মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমি বিছুই জানি না। এমন কোন ঘটানাই ঘটেনি।

  • বাগেরহাটে শরণখোলার পল্লীতে বৃদ্ধের লা’শ উদ্ধার

    বাগেরহাটে শরণখোলার পল্লীতে বৃদ্ধের লা’শ উদ্ধার

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির:বাগেরহাটেরশরণখোলায় মঙ্গলবার দুপুরে থানা পুলিশ উত্তর তাফালবাড়ী গ্রাম থেকে ফুল মিয়া (৬১) নামে এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে ময়না তদন্তে লাশ বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    শরণখোলা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সুব্রত কুমার সরদার বলেন, থানা পুলিশ মৃত্যু লাশের খবর পেয়ে মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে ঘটনাস্থল উত্তর তাফালবাড়ী গ্রামে গিয়ে মৃত্যু ফুল মিয়া হাওলাদারের লাশের সুরতহাল করি।

    মৃতের পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে ওসি তদন্ত জানান, নিহত ফুল মিয়া খালে বিলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো। প্রতিদিনের মতো সোমবার দিবাগত রাতে উত্তর তাফালবাড়ী খালে মাছ ধরে খাল সংলগ্ন টংঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে সে বাড়ীতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন টংঘরে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় পরে থাকতে দেখে লাশ তাদের বাড়ীতে নিয়ে আসে।

    শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকরাম হোসেন বলেন, টংঘরে বৃদ্ধের মৃত লাশ পাওয়ায় থানায় একটি মামলা রেকর্ড করে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে ময়না তদন্তের জন্য উদ্ধার করা লাশ বাগেরহাট মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • আদম্য ফাতেমা ও জোহরার স্বপ্ন কি মাঝ পথেই থেমে যাবে

    আদম্য ফাতেমা ও জোহরার স্বপ্ন কি মাঝ পথেই থেমে যাবে

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির:হতদরিদ্র পরিবারের দুই জমজ বোন এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ (এ-প্লাস) পেয়ে ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া অবস্থিত শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছেন। হতদরিদ্র এ পরিবারটির দিনমজুর বাবা এখন বিছানায় পক্ষাঘাতগ্রস্থ, মা সেলাইয়ের কাজ করেন। একমাত্র ছোট ভাই পাঁচ বছর বয়স থেকেই ডায়াবেটিক্সে আক্রান্ত। টাকার অভাবে নিয়মিত চিকিৎসা করাতে না পারায় এখন শারীরিক সমস্যার সাথে অনেকটা মানসিকভাবে ভারসম্যহীন। জীর্ন কুটিরে বসবাস করা এমন একটা প্রান্তিক পরিবার থেকে উঠে এসেছে ফাতেমা ও জোহরা। স্বপ্ন বড় হয়ে চাটার্ড একাউটেন্ট হবে। সমাজে মাথা উঁচু করে দাড়াবে। কিন্তু সে স্বপ্নে এখন বাঁধ সেধেছে চরম দারিদ্রতা।

    বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার দুরে শুভদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম কচুয়া গ্রামের জিল্লুর রহমান তালুকদারের জমজ মেয়ে ফাতেমা খাতুন ও জোহরা খাতুন। অভাবের কারণে দু’বোন অন্যের বাড়িতে প্রাইভেট পড়িয়ে যে সামান্য উপার্জন করে তার সাথে মায়ের সেলাইয়ের টাকা দিয়ে কোন মতে সংসার চলে। ধারকর্য ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় এসএসসি পরীক্ষায় ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে দু’বোন জিপিএ-৫ পেয়েছে। দু বেলা ঠিকমতো খাবার খরচ চালানো যাদের জন্য দুরুহ, তাদের জন্য উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার খরচ চালানো ও গ্রাম থেকে প্রায় ৪/৫ কিলোমিটার দুরের কলেজে নিয়মিত ক্লাস করার খরচ চালানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে।

    মেয়েদের লেখাপড়া বন্ধের উপক্রম দেখে হতাশ হয়ে পড়েছেন পরিবার। মা-বাবার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে ভোর থেকেই গ্রামে বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রাইভেট পড়ান দু’বোন। বাড়ি ফিরে মাকে সাহায্য, বাবা ও ভাইকে সেবাযত্নের পর গভীর রাত পর্যন্ত জেগে লেখাপড়া করেন তারা। এভাবেই নিজেদের সংগ্রামের কথা বলছিলেন আদম্য ফাতেমা ও জোহরা।

    ফাতেমা ও জোহরার বাবা পক্ষাঘাতগ্রস্থ দিনমজুর জিল্লুর রহমান ভাঙ্গা ভাঙ্গা কন্ঠে বলেন, ‘বাড়ির জায়গাটুকু ছাড়া আমার কিছুই নেই। পুরাতন এই ছোট্ট একটি ঘরে পরিবারের পাঁচ সদস্যের বসবাস। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলাম আমি। দিনমজুরের কাজ করতাম। প্যারালাইসিস হওয়ায় এখন আর কাজ করতে পারি না। মেয়ে দুইটা নিজের চেষ্টায় যতদুর পারছে লেখাপড়া করেছে। এখন কারো সহযোাগীতা না পেলে ওদের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে যাবে। ’

    কান্নাজড়িত কন্ঠে মা মাসুদা বেগম জানান, গরীব হলেও তার মেয়ে দু’টি লেখাপড়া শিখে মানুষ হতে চায়। ধারকর্যকরে কলেজে ভর্তি করিয়েছিলেন। কিন্তু এখন কলেজে পড়ানোর মতো আর্থিক অবস্থা তাদের না থাকায় পড়াশোনা বন্ধের পথে।

    শেখ হেলাল উদ্দীন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বটু গোপাল দাশ বলেন, ফাতেমা ও জোহরা অত্যান্ত মেধাবী শিক্ষার্থী। লেখাপড়ার প্রতি তাদের খুব আগ্রহ। আমি ব্যক্তিগতভাবে যতটুকু পারি সহায়তা করার চেষ্টা করি। পরিবারটির আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। সমাজের বৃত্তবানদের সহযোগিতা পেলে মেয়ে দুটি লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারবে। লেখাপড়ার সুযোগ ও সহযোগিতা পেলে মেয়ে দুটি বড় হয়ে সমাজের মুখ উজ্জ্বল করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

    ফাতেমা ও জোহরা কি সত্যিই তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে, নাকি অভাবের কারণে মাঝ পথেই থেমে যাবে?।

  • ডিসির উদ্ভাবনী উদ্যোগ “বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ি নিজেকে গড়ি” বাস্তবায়নে  ইউএনও’র তৎপরতা

    ডিসির উদ্ভাবনী উদ্যোগ “বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ি নিজেকে গড়ি” বাস্তবায়নে ইউএনও’র তৎপরতা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেতনা জাগ্রত করণের লক্ষে “বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ি নিজেকে গড়ি” বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

    জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান এর উদ্যোগে তারাকান্দা উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে ৩ অক্টোবর মঙ্গলবার এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ইউএনও মিজাবে রহমত।

    ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মোস্তাফিজার রহমানের উদ্ভাবনী এ উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রেণি শিক্ষক নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থটি পাঠ করবেন। যা থেকে কচিকাঁচা শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর সাথে পরিচিত হবে, বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত, পারিবারিক জীবন ও সংগ্রাম, দেশপ্রেম, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা, নেতৃত্বগুণ এবং স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের অবিস্মরণীয় ভূমিকার সাথে পরিচিত হতে পারবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত এ ক্ষুদে শিক্ষার্থীরাই ২০৪১ সালের স্মার্ট ও উন্নত বাংলাদেশের যোগ্য কান্ডারী হয়ে উঠতে পারবে।

    উপজেলার তালদিঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার লক্ষে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠ করার মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মিজাবে রহমত।

    এই উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত এর সভাপতিত্বে উপজেলাার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী বই পড়েন এবং আলোচনা করেন।

    সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবনী পাঠ থেকে আগামী প্রজন্মের জানার আছে, শেখার আছে। বঙ্গবন্ধু তার আদর্শ ও চেতনাকে দীর্ঘ সংগ্রাম, আন্দোলন ও ত্যাগের মাধ্যমে বাস্তবে রূপ দিয়েছিলেন। দেশের ও দেশের মানুষের কল্যাণে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। ইউএনও বলেন, অসমাপ্ত আত্মজীবনী ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর পথরেখা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মানবপ্রেম, দেশপ্রেম ও পরার্থপরতায় উজ্জীবিত হয়ে অসাম্প্রদায়িক, উন্নত- সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হবে।
    অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জীবন আরা বেগম সহ তালদিঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পাবলিক টয়লেট সংকট পথচারীদের চরম ভোগান্তি স্বাস্থ্যঝুঁকি চরমে

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পাবলিক টয়লেট সংকট পথচারীদের চরম ভোগান্তি স্বাস্থ্যঝুঁকি চরমে

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌরসভার পাবলিক টয়লেট সংকট পথচারীদের চরম ভোগান্তি স্বাস্থ্যঝুঁকি চরমে। টয়লেটগুলো রয়েছে সেগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত নয় এবং কাঙ্ক্ষিত স্থানেও নয়। যে কারণে অধিকাংশ মানুষ এসব পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করে না। এছাড়াও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও স্বতন্ত্র প্রবেশপথ না থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নারীরা এসব পাবলিক টয়লেট এড়িয়ে চলেন।

    গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পাবলিক টয়লেট না থাকায় পথযাত্রীরা যত্রতত্র প্রস্রাব করে পরিবেশ নষ্ট করছেন। অনেক এলাকার পথচারীদের নাকে-মুখে রুমাল দিয়ে পথ চলাচল করতে হচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দ্রুত নারী ও প্রতিবন্ধীবান্ধব, আধুনিক, মানসম্মত ও পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেটের দাবি জানিয়েছে পথচারী ও পরিবেশবাদীরা। সরেজমিনে দেখা গেছে,মোরেলগঞ্জ পৌরবাসীর মানুষের স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এখানে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও উপজেলা খাদ্য গুদাম। পৌরবাসীর শিক্ষা ব্যবস্থা প্রদানের জন্য রয়েছে ০৮টি সরকারী প্রথামিক বিদ্যালয়,০৩টি কিন্টার গার্ডেন,০৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ,০৩টি বালিকা বিদ্যালয়,১টি সরকারী বালিকা বিদ্যালয়,০৩টি কলেজ,২টি মাদ্রাসা, ০১টি মহিলা কলেজ এর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী সিরাজ উদ্দিন মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজ, মোরেলগঞ্জ লতিফিয়া ফাযিল ডিগ্রী মাদ্রাসাএবং এসিলাহা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় । ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে পীর কালাচাদ আউলিয়ার মাজার ,কুঠিবাড়ী নীলকুঠি ভবন এবং যার নামের জন্য এই উপজেলার নাম সেই ব্যক্তি রবার্ট মোড়লের স্মৃতিত্মম্ভ ইত্যাদি। মোরেলগঞ্জ ছিল এক সময়ের এ অঞ্চলের ব্যবসা বানিজ্যের প্রাণকেন্দ্র ।হলদে হয়ে যাওয়া কমোড, ভাঙা বেসিন, মেঝেতে জমা পানি ও কাদা, ভাঙা দরজা, অপর্যাপ্ত পানি সরবরাহ ও সংস্কারের অভাবে উৎকট গন্ধ পুরনো পাবলিক টয়লেটগুলোতে। এ ছাড়া নতুনভাবে যে কয়টি পাবলিক টয়লেট স্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোকে স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব বলা হলেও নেই স্যান্ডেল, পানি সরবরাহ, টয়লেট টিস্যু ও হ্যান্ডওয়াশ। মেরামতের অভাবে বিকল হয়ে রয়েছে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহকৃত পানির কলগুলোও।যেসব পাবলিক টয়লেট রয়েছে সেগুলোতে দুর্গন্ধ, ভাঙা দরজা, ছিটকিনি না থাকা, ছাদের পানি চুয়ে পড়া, এমনকি নিরাপত্তার অভাব রয়েছে। ফলে পুরুষরা কোনোমতো প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে পারলেও নারীদের পড়তে হচ্ছে বিড়ম্বনায়। প্রতিবন্ধীদের কথা তো বিবেচনাতেই নেওয়া হয়নি এক্ষেত্রে। বাসা থেকে কাজে বের হয়ে আবার ফিরে না আসা পর্যন্ত প্রস্রাব-পায়খানা চেপে রাখতে হয় নারী-প্রতিবন্ধীদের।

    গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পাবলিক টয়লেট না থাকায় পুরুষরা লাজলজ্জার মাথা খেয়ে অনেকটা বাধ্য হয়েই রাস্তাঘাটের পাশে আশ্রয় নেয়। আবার অনেকে দীর্ঘ সময় প্রস্রাব-পায়খানা আটকে রাখেন। চিকিৎসকরা বলছেন, দীর্ঘ সময় প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে মূত্রনালির সংক্রমণসহ নানা ধরনের সমস্যায় পড়ছেন অনেকেই। প্রস্রাবে ইউরিয়া এবং অ্যামিনো অ্যাসিডের মতো টক্সিন জাতীয় পদার্থ থাকার কারণে বেশিক্ষণ চেপে রাখার ফলে বিষাক্ত পদার্থ কিডনিতে পৌঁছে কিডনিতে স্টোন বা পাথর তৈরি করতে পারে। এছাড়া প্রস্রাব চেপে রাখার কারণে ব্লাডার ফুলে যেতে পারে। পথচারীরা পর্যাপ্ত টয়লেট বা ব্যবহারের উপযোগী টয়লেট না পাওয়ায় টয়লেট ব্যবহার না করে মল-মূত্র আটকে রাখে। যেখানে-সেখানে মল-মূত্র ত্যাগ করা পরিবেশের জন্য যেমন ক্ষতিকর তেমনি মল-মূত্র আটকে রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মল-মূত্র আটকে রাখলে এটি মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায় এবং এর ফলে মূত্রাশয়ে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। সংক্রমিত হয় মূত্রথলি, কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গ। আশা করি, মোরেলগঞ্জে পাবলিক টয়লেট সংকট দূর হবে। সামছুন নাহার জুথি নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, মোরেলগঞ্জে যে কয়টি পাবলিক টয়লেট রয়েছে তার বেশিরভাগ ব্যবহারের অনুপযোগী। একটি মেয়ে বাসা থেকে বের হয়ে জরুরি প্রয়োজনে টয়লেট ব্যবহার করতে হলেও তাকে বাধ্য হয়ে এক থেকে দুই ঘণ্টা অপেক্ষা করে বাসায় ফিরতে হয় যা চরমভাবে মেয়েদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। আর কোনো কারণে মার্কেটের কোনো টয়লেট ব্যবহার করতে হলে পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়। #

  • নড়াইলে শারদীয় দুর্গা পূজা পালিত হবে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় গুজবে কান দিবেন না-জেলা পুলিশ

    নড়াইলে শারদীয় দুর্গা পূজা পালিত হবে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় গুজবে কান দিবেন না-জেলা পুলিশ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইলে থেকে:
    নড়াইলে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় পালিত হবে আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজা, গুজবে কান দিবেন না।উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইলে থেকে জানান, সোমবার (২ আগস্ট) নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন নির্দেশনায় নড়াইল জেলার কালিয়া থানা এলাকার ৮৯ টি পূজা মন্ডপের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আইন শৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), নড়াইল; বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিয়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার, অশোক কুমার ঘোষ, সভাপতি, কালিয়া থানা পূজা উদযাপন কমিটি এবং তাপস কুমার বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক, কালিয়া থানা পূজা উদযাপন কমিটি, নড়াইল। সভাপতিত্ব করেন তাসমীম আলম, অফিসার ইনচার্জ, কালিয়া থানা, নড়াইল।
    পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত), কালিয়া থানা মো: রতনুজ্জামানের সঞ্চালনায় কালিয়া থানা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব তাপস কুমার বিশ্বাস বলেন, “আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজায় সর্বস্তরের জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে পুজা উদযাপন করতে পারে সেজন্য কালিয়া থানা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” কালিয়া থানা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি জনাব অশোক কুমার ঘোষ বলেন, “কালিয়া থানা এলাকায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রয়েছে। আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজায় এ সম্প্রতির বন্ধন আরো অটুট হবে।” সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আসন্ন সার্বজনীন দুর্গোৎসব-২০২৩ শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নড়াইল জেলা পুলিশের গৃহিত পদক্ষেপ ও দিক নিদের্শনামূলক বক্তব্য রাখেন প্রণব কুমার সরকার, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার, কালিয়া সার্কেল, নড়াইল। প্রধান অতিথি তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্), নড়াইল বলেন,” নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় পালিত হবে পূজা উৎসব। আপনাদের পাশে আমরা আছি। কোন ধরনের গুজবে কান দিবেন না। এক ধরনের লোক গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। নড়াইল জেলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চায়, তাদের বিষয়ে আপনারা সজাগ থাকবেন।”
    পরিশেষে উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি তাসমীম আলম, অফিসার ইনচার্জ, কালিয়া থানা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ববোধ বজায় রেখে সরকারি সকল নির্দেশনা যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা উদযাপন করতে সকলকে আহবান জানান।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইলে থেকে।

  • বিদায় হলেন কনস্টেবল আকবর আলী

    বিদায় হলেন কনস্টেবল আকবর আলী

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃ আজ ২ অক্টোবর রোজ সোমবার বিকেলে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ডিমলা থানা কনস্টেবল আকবর আলী তার চাকরি থেকে অবসর জনিত কারণে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
    বিদায় আপদমস্তক বিষাদে ভরা তিন অক্ষরের শব্দ*
    এই তো সে দিন প্রিয় পরিবার, হাজারো সুখ দুঃখের স্মৃতি বিজড়িত প্রিয় শহর, নপ্রিয় মানুষ সব কিছু রেখে এক অজানা জনপদের উদ্দেশ্যে নতুন নতুন কত স্বপ্ন, কত আশংকা, নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন বাংলাদেশ পুলিশে।
    মানব সেবার প্রত্যয় ও বুক ভরা স্বপ্ন নিয়ে, শত প্রতিকুলতা পাড়ি দিয়ে জীবনের সোনালী সময় যৌবনকাল পেরিয়ে পুলিশের
    চাকুরিতে ৩৯ বছর চাকুরি জীবনের অধ্যায় এবং, হাজারো স্মৃতিময় বর্ণাঢ্য চাকুরী জীবন শেষে বাংলাদেশ পুলিশের চাকুরী জিবনের ইতি টেনে অবসর জীবনের উদ্দ্যশে জাঁকজমক পূর্ন্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বিদায় জানানো হয় কনস্টবল আকবর আলী, পিতা- মৃত ওসমান গণি,সাং- গয়াবাড়ী, পোষ্ট- গয়াবাড়ী, থানা- ডিমলা, জেলা- নীলফামারী কে। বিদায় বেলায় বিদায়ি অতিথি চাকুরী জীবনের স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে নিজে কাদঁলেন এবং সকলকে কাদাঁলেন।
    এসময় উপস্হিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ( ডোমার সার্কেল) আলী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, অফিসার ইনচার্জ লাইছুর রহমান, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রহিম সহ ডিমলা থানার সকল এসআই, এ,এসআই, ফোর্স সহ উপস্থিত ছিলেন।

  • সুজানগরে আবুল কাশেম মৃতুবার্ষিকীতে আলোচনা ও  দোয়া মাহফিল

    সুজানগরে আবুল কাশেম মৃতুবার্ষিকীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

    এম এ আলিম রিপন ঃ সুজানগর উপজেলার বরেণ্য রাজনীতিবিদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম আবুল কাশেম এর সপ্তম মৃতুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সুজানগর মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসার উদ্যোগে এ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত হয়। মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও মরহুম আবুল কাশেম এর পুত্র এ কিউ এম শামছুজ্জোহা বুলবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী,অত্র মাদ্রাসা সুপার মাওলানা মাহাতাব উদ্দিন, বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল বাছেত বাচ্চু, শফিকুল ইসলাম বাবু খান,আব্দুস সাত্তার মন্ডল, বিল্লাল হোসেন,উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম, প্রভাষক শামীম প্রমুখ। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রয়াত আবুল কাশেমের নাম চির ভাস্বর হয়ে থাকবে। তিনি সব ঘাত-প্রতিঘাত উপেক্ষা করে দল এবং এলাকার উন্নয়নে যে অবদান রেখে গেছেন তা সুজানগরবাসী চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। উল্লেখ্য সফল রাজনীতিক মরহুম আবুল কাশেম ২০১৬ সালের এ দিনে পৌরসভার চরসুজানগর গ্রামে তার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন। তিনি জিবীত থাকাকালীন ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর পর তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয়ভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, তিনি আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কিছু দিনের মধ্যে সাংগঠনিক যোগ্যতার কারণে প্রথমে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। এর পর ১৯৭৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৪ সাল থেকে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি দুইবার সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান এবং ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি ।