Blog

  • প্রাথমিক শিক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন ইউএনও

    প্রাথমিক শিক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন ইউএনও

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
    তিনি একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা। প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সুযোগ পেলেই বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শনে ছুটে যান। আর পর্যবেক্ষণ করেন পাঠদান কার্যক্রম। মতবিনিময় করেন শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে।

    এ সময় আলোচনায় উঠে আসা বিদ্যালয়ের সমস্যা ও তা থেকে উত্তরণের পরামর্শও দেন তিনি। শুধু পরামর্শই নয় বরং বাস্তবে সমাধান করেও দেখান। বিভিন্ন স্কুলের সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার, মাঠ সংস্কার, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ এর সাক্ষ্য বহন করা। প্রায়ই আবার শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময়ের সময় শুরু করেন বিশেষ পাঠদান। এ সময় তার চমৎকার উপস্থাপনা আর আনন্দময় পাঠদানের ফলে শিক্ষার্থীদের মাঝেও থাকে সুনসান নীরবতা। শিক্ষক না হয়েও প্রায়ই শিক্ষার্থীদের পাঠাদানে এভাবেই শিক্ষকের ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছেন তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত ।

    তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মিজাবে রহমত গত ২০২১ সালের ২৬ এপ্রিল যোগদান করে অদ্যাবধি ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি তারাকান্দায় যোগদানের পর থেকে এখন পর্যন্ত শতাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে তার পরিদর্শন ইতিবাচক ফল বয়ে এনেছে। অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখন নির্ধারিত সময়ে শিক্ষকদের আগমন-প্রস্থান নিশ্চিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে, ঝরে পড়া রোধ ও বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার বৃদ্ধিকরণে শিক্ষক, অভিভাবকদের সাথে পরামর্শক্রমে নিয়েছেন বিশেষ পরিকল্পনা। ইউএনওর উদ্ভাবনী ধারনা ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কল্যান তহবিল’ গঠন উপজেলায় আলোড়ন তুলেছে। এ তহবিল থেকে মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রণোদনা দেয়া হবে, চিকিৎসা সহায়তা দেয়া হবে এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরন সহায়তা দেয়া হবে। উঠান বৈঠক, মা সমাবেশ, অভিভাবক সমাবেশ আর শিক্ষক সমাবেশ শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধিসহ প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমূল পরিবর্তন এনে দিয়েছে।

    বিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনার পাশাপাশি কো-কারিকুলার (সহ-পাঠ্যক্রম) কার্যক্রম চালুর ব্যাপারে শিক্ষকদের পরামর্শ প্রদান, শিক্ষার্থীদের জন্য ক্রীড়া ও আইসিটি সামগ্রী বিতরণ, মিড-ডে মিল কার্যক্রমের জন্য টিফিন বক্স বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। মেছেড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মতো প্রতিটি বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষা শিক্ষা ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব ও সংগীত ক্লাব গঠন এবং আর্ট গ্যালারী করার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করে চলেছেন।যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে অনেক বিদ্যালয়ে।

    এছাড়াও বিদ্যালয়ের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধির জন্য ২০টিরও অধিক বিদ্যালয়ে ফুলের টব বিতরণ করার পাশাপাশি বাগান ও করার নির্দেশনা দিয়েছেন। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশের সৌন্দর্য্য বর্ধনের জন্য রোপন করেছেন গাছের চারা। বিদ্যালয় ও শ্রেণিকক্ষগুলো রঙিন করে তুলতে দিয়েছেন নির্দেশনা। তার নির্দেশনা মেনে ইতোমধ্যে অনেক বিদ্যালয় রং তুলির আচড়ে রঙিন হয়ে উঠেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুশাসন এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি না রাখার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে স্কুলের আঙ্গিনায় থাকা অনাবাদী জমিতে সবজীর চাষাবাদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করে চলেছেন নিজের উদ্ভাবনী উদ্যোগ ‘সবুজ পাঠশালা’।
    ফলে শিক্ষার্থীদের চাষাবাদের অভ্যাস গড়ে উঠছে। সবুজ পরিবেশের পাশাপাশি পুষ্টিহীনতার অভাব পুরণ করতেও সক্ষম হচ্ছে শিক্ষার্থীরা।

    খিচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক বিতরণকৃত ক্রীড়া সামগ্রী একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে অন্যদিকে আইসিটি সামগ্রী কম্পিউটার শিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

    উপজেলার দাদরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এখানে যোগদানের পর থেকে প্রাথমিক শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। একজন শিক্ষাবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে তিনি প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি নিজে পাঠদান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য শিক্ষকদের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

    উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জীবন আরা বেগম বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয় দৃষ্টিনন্দন ও পাঠদান কার্যক্রম গতানুগতিক ধারার বাইরে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যে ভূমিকা রেখে চলেছেন তা অভূতপূর্ব।

    উপজেলার রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান (বুলে ডাঃ) বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি শিক্ষা ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যে বিশেষ ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন তা আমাদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত বলেন, আজকের শিশুরাই আগামীর ভবিষ্যত ও চালিকা শক্তি। ইউএনও হিসেবে প্রতিটি সেক্টরে আমাকে দেখতে হয়। সে হিসেবে শিক্ষার মানন্নোয়নে কাজ করা আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। আমার প্রচেষ্টার ফলে যদি শিক্ষার পরিবেশ উন্নত হয় তাহলে সেটিও আমার সন্তুষ্টির জায়গা। মূলত মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।

  • বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বৃষ্টি হলেই শ্রেণি কক্ষে হাঁটু পানি, ব্যাহত পাঠদান

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বৃষ্টি হলেই শ্রেণি কক্ষে হাঁটু পানি, ব্যাহত পাঠদান

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির : বাগেরহাটের বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে একটি মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৈন্যদশা। পূর্ণিমার অতিরিক্ত জোয়ারের পানি বৃদ্ধি ও সামান্য বৃষ্টি হলেই শ্রেণি কক্ষে হাঁটু পানি জমে যায়। এতে পাঠদান বন্ধ হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেই কোন নজরদারি। শিক্ষার্থী অভিভাবকদের দাবি- একটি নতুন ভবনের।সরেজমিনে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ১২৩নং মোরেলগঞ্জে মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭২ সালে পৌর শহরের প্রাণ কেন্দ্রে স্থাপিত হলেও বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন হয়নি। এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ৪৩৫ জন। শিক্ষকন্ডলী র ১৭টি পদ থাকলেও কর্মরত রয়েছে ১৫ জন। ২০১৮ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য ও ১ জন সহকারী শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন শিরিন আক্তার। কর্মরত ১৫ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ জন মাত্র পুরুষ শিক্ষক। বিদ্যালয়ে ১টি মাত্র সাইক্লোন শেল্টার ভবন সেখানে শিক্ষার্থীদের দেয়া হয় পাঠদান।

    এর পাশেই ১৯৯১-৯২ ও ২০০১ সালে নির্মিত ছোট দুটি ভবনের একটি টিনসেডের ৫ কক্ষ বিশিষ্ট জরাজীর্ণ নাজুক টিন সেড ঘরে শিক্ষার্থীদের প্রাক প্রাথমিক, ৩য় শ্রেণির ২টি শাখা ও ৪র্থ শ্রেণির ১টি শাখার পাঠদান। বাকি ভবনটিতে শিক্ষকমন্ডলীর অফিস কক্ষ ও ৪র্থ শ্রেণির অন্য একটি শাখার ক্লাস নিয়ে আসছেন শিক্ষকরা। ভবন দুটির ফ্লোর অত্যন্ত নিচু, অতিরিক্ত লবনাক্ততার কারণে ফ্লোর, ওয়ালে ফাটল। ২০১৬ সালে এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো প্রায় ৬’শ এখন এখানে দাঁড়িয়েছে ৪৩৫ জন। দিন দিন অন্যত্র চলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। অভিভাবকদের ক্ষোভ রয়েছে এভাবে হাটু পানির মধ্যে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান হতে পারে না। কর্মকর্তাদের নজরে কি শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চোখে পড়ে না। পৌর সদরের প্রাণ কেন্দ্রে এ বিদ্যালয়ে চাকরির জন্য অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে তদবির করে আসছেন শিক্ষকরা। কর্মকর্তারা তদবির ও বদলি নিয়ে ব্যস্ত থাকেন অন্যদিকে নজর দেবার সময় নেই।

    ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী তানভীর আলম, প্রান্তিক সাহা, অরিন্দম সাহা, ৩য় শেণীর হাবিবা, জান্নাতিসহ একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই টিন থেকে পানি পড়ে এবং জোয়ারে আমাদের ক্লাস রুমে পানি জমে যায় এর মধ্যেই কষ্ট করে ক্লাস করতে হয়। কবে হবে আমাদের নতুন ভবন।#

  • গৌরনদীতে ৬৩ বছরের বৃদ্ধা নিহতের ঘটনায় স্বামী-পুত্র আদালতে,দুই পুত্রবধু পুলিশ হেফাজতে

    গৌরনদীতে ৬৩ বছরের বৃদ্ধা নিহতের ঘটনায় স্বামী-পুত্র আদালতে,দুই পুত্রবধু পুলিশ হেফাজতে

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের গৌরনদী উপজেলার চর দিয়াশুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরধরে বৃদ্ধা হেরোনা বেগম হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা থানা পুলিশের কাছে স্বীকার করায় ছেলে সুমন প্যাদা ও স্বামী হায়দার আলী প্যাদাকে ৪ অক্টোবর বুধবার দুপুরে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে। মামলার বাদী নিহতের ভাই মনির হোসেন সিকদার অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক কলহের জেরধরে হেরোনা বেগমকে তার ছোটছেলে সুমন প্যাদা ও পুত্রবুধু রাখি বেগম, তুলি বেগম প্রায়ই শারীরিক নির্যাতন করতো সোমবার রাতে বাকবিতান্ডার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বোন বৃদ্ধা হেরোনা বেগমের মাথায় সীল পাটার পূতা দিয়ে আঘাত করে। মাথায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরনের ফলে হেরোনা বেগম মারা যায়। পরে হত্যা মামলা থেকে বাঁচতে বাড়ির পাশে একটি টয়লেটের ভিতরে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হাটু ভাজ করে হেরোনার লাশ ঝুলিয়ে রাখে এবং আত্মহত্যার কথা বলে ছেলে সুমন প্যাদা গৌরনদী মডেল থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাথায় রক্তাক্ত জখম দেখে সন্দেহ হয়। পরবর্তীতে পুলিশ নিহতের স্বামী হায়দার আলী প্যাদা, ছেলে সুমন প্যাদা, পুত্রবধু রাখি বেগম ও তুলি বেগমকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় ৬/৭ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরমধ্যে নিহতের স্বামী হায়দার আলী প্যাদা ও ছোট ছেলে পুত্র সুমন প্যাদা প্রাথমিক ভাবে হত্যার কথা স্বীকার করায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়াও দুই পুত্রবধুু রাখি বেগম ও তুলি বেগম জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।

  • মধুপুরে চাঞ্চল্যকর  ৪ খুনের পর আশুলিয়ায় ৩ জনকে খুন

    মধুপুরে চাঞ্চল্যকর ৪ খুনের পর আশুলিয়ায় ৩ জনকে খুন

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌরসভাধীন মাস্টারপাড়া এলাকায় মাত্র ২০০ টাকার জন্য ২০২০সালে একই পরিবারের ৪জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে মধুপুরের সাগর মিয়া।
    তিন বছর পর জামিনে মুক্তি পেয়ে মাত্র চার মাসের মাথায় ঠিক একই কায়দায় তার স্ত্রী কে সাথে নিয়ে সাভার আশুলিয়া এলাকার একই পরিবারের তিনজনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে সাগর দম্পতি।
    গতকাল দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, গাজীপুরের সফিপুর এলাকা থেকে ইশিতাসহ সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা এই খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
    সাগর দম্পতির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে র‌্যাব বলছে, কবিরাজ সেজে ওই বাসায় যান সাগর-ঈশিতা দম্পতি। চিকিৎসার নামে পরিবারের সবাইকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করার পর লুটপাট চালান তাঁরা।
    কিন্তু মাত্র পাঁচ হাজার টাকা পেয়ে তাঁরা ক্ষিপ্ত হন। এই আক্রোশ থেকে তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন।
    র‌্যাবের তথ্য মতে, বাবুল ও শাহিদা পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। তাঁদের ছেলে মেহেদী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত।
    বাবুলের গ্রামের বাড়ি ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার গরুড়া (ফুলবাড়ী) গ্রামে। তাঁর বাবার নাম সইর উদ্দিন।
    র‌্যাব জানায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর সাভারের বারইপাড়া এলাকায় একটি কবিরাজি ও ভেষজ ওষুধের দোকানে গিয়ে শারীরিক সমস্যা নিয়ে কথা বলেন বাবুল। এ সময় পাশের দোকানে চা খেতে থাকা সাগর কবিরাজ ও বাবুলের কথোপকথনে বাবুলের সমস্যার কথা জানতে পারেন।
    পরে কৌশলে বাবুলকে ডেকে নিয়ে কথা বলে সাগর বুঝতে পারেন, ভেষজ চিকিৎসায় বিশ্বাস আছে বাবুলের।
    সাগর তাঁর স্ত্রীকে একজন ভালো কবিরাজ হিসেবে তুলে ধরেন। বলেন, বাবুলের সমস্যার সমাধান তিনি করে দিতে পারবেন। চিকিৎসার জন্য বাবুলের সঙ্গে সাগরের ৯০ হাজার টাকার মৌখিক চুক্তি হয়। ওই দিন রাতেই স্ত্রীকে নিয়ে বাবুলের বাসায় যান সাগর।
    র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক বলেন, সাগর তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে ওই বাসায় ডাকাতির ফন্দি আঁটেন। পরিকল্পনামতো সাগর গাজীপুরের মৌচাক এলাকার এক ওষুধের দোকান থেকে এক বাক্স (৫০টি) ঘুমের ওষুধ কেনেন।
    খন্দকার আল মঈন বলেন, ঘুমের ওষুধ শরবতের সঙ্গে মিশিয়ে ভেষজ ওষুধ বলে বাবুলের পরিবারের সবাইকে খাইয়ে দেন তাঁরা। এতে তিনজনই অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর সাগর ও তাঁর স্ত্রী মিলে সবার হাত-পা বেঁধে লুটপাট শুরু করেন। এক পর্যায়ে ওই হত্যাকাণ্ড ঘটান।
    এর আগে ২০২০ সালে মধুপুরে একই কৌশলে একই পরিবারের চারজনকে খুন করা হয়। ওই ঘটনায়ও সাগর জড়িত ছিলেন। সে সময় র‌্যাব-১২-এর সদস্যরা সাগরকে গ্রেপ্তার করেন।
    মাত্র ২০০ টাকার জন্য সাগর ওই খুন করেছিলেন জানিয়ে র‌্যাব কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, এরপর সাড়ে তিন বছর কারাগারে থাকার পর চলতি বছরের জুনে জামিনে মুক্তি পান সাগর। এর চার মাসের মাথায় একই পরিবারের তিনজনকে খুনের ঘটনায় তাঁর জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেল।

  • সাতক্ষীরা শহরে নিখোঁজের দুদিন পর গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

    সাতক্ষীরা শহরে নিখোঁজের দুদিন পর গৃহবধূর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

    মোঃ আজিজুল ইসলাম(ইমরান)
    সাতক্ষীরায় নিখোজের ২ দিনপর গৃহবধূর গলাকাটা অর্গধলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার বিকাল ৪টায় শহরের কামালনগর এলাকায় একটি বাঁশবাগানে গলিত এই মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা।
    নিহত ওই গৃহবধূর নাম তাসলিমা খাতুন(২৫)। সে শহরের কামালনগর এলাকার আদম আলী সরকারের কন্যা।
    নিহতের মাতা আয়েশা খাতুন জানান, তাসলিমার স্বামী মাকসুদুল হক সোহানের সাথে গত ১১ দিন আগে ডিভোর্স হয়। এর পর থেকে সোহান তাসলিমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিতো। গত ২ অক্টোবর সন্ধ্যার পর থেকে তাসলিমা নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই সদর থানায় একটি নিখোজ ডায়েরী করা হয়। এরপর আজ বুধবার বিকালে পাশ্ববর্তী একটি বাঁশবাগানে তাসলিমার গলিত মরদেহ দেখেন স্থানীয়রা। ধারনা করা হচ্ছে তাসলিমাকে সোহান হত্যার পর লাশটি বাশবাগানে রেখে দিয়েছে।
    সাতক্ষীরা সদর সার্কেলের এসপি মীর আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, প্রাথমিকভাবে বিষয়টিকে হত্যাকান্ড ধরে নিয়েই পুলিশ কাজ করছে। মরদেহটি সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

  • হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি

    হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।

    লালমনিরহাট জেলায় হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কায় তিস্তা অববাহিকায় সর্তকতা জারি করে মাইকিং করা হয়েছে। ভারতের উত্তর সিকিমে তিস্তা অংশে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ভারী ঢল ধেয়ে আসছে। তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভয়াবহ বন্যার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এতে আতঙ্কিত তিস্তাপাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে ও সার্বিক প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানিয়েছে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন। নদীপাড়ে রেডএলার্ট জারি করে মাইকিং করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্লাহ জানিয়েছেন, ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কায় তিস্তা অববাহিকায় সর্তকতা জারি করে মাইকিং করা হয়েছে। সেই সাথে চর ও নদীপাড়ের লোকজনকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

    বুধবার (৪ অক্টোবর) রাতে তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম প্রবাহিত হতে পারে। ফলে ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে হু হু করে বাড়ছে তিস্তার পানি । পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারেজের ৪৪টি জল কপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে তিস্তা চরের নিম্নাঞ্চলের মানুষ আরেকবার বন্যার আশঙ্কা করছেন।

    হাতীবান্ধা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)লোকমান হোসেন বলেন, আমরা নদী এলাকার জনপ্রতিনিধিদের মাইকিং করে ও বিভিন্নভাবে নদী এলাকার মানুষকে সচেতন করতে বলেছি। আমি সার্বিক খোঁজখবর নিচ্ছ। চরাঞ্চলসহ নিম্নাঞ্চলের লোকজনদের পশুপাখিসহ প্রস্তুতি নিয়ে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলা হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, উজানের ভারী ঢলে তিস্তায় আবারও বন্যা দেখা দেবে। আমরা সার্বিক খোঁজখবর রাখছি।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • কালীগঞ্জে ওসির জন্য অপরাধ করতে ভয় পায় অপরাধীরা

    কালীগঞ্জে ওসির জন্য অপরাধ করতে ভয় পায় অপরাধীরা

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানার (ওসি) ইমতিয়াজ কবির যোগদানের পর থেকে অপরাধ করতে ভয় পায় অপরাধীরা বিধায় খুবই শান্তিতে আছে কালীগঞ্জের সাধারন মানুষ। ওসি ইমতিয়াজ কবির, এর চৌকস বুদ্ধিতে কালীগঞ্জ উপজেলার মানুষ খুবই শান্তিতে আছে। মাঝে মাঝে কিছু অপ্রিতীকর ঘটনা ঘটলেও তার উপস্থিত বুদ্ধিতে সমাধান হচ্ছে।তার কারনে অপরাধিরাও অপরাধ করতে ভয় পায়। কালীগঞ্জ থানার একঝাঁক তরুন পুলিশ সদস্য দিনরাত পরিশ্রম করছে।ডিউটি তাদের দ্বায়িত্ব আর দ্বায়িত্ব পালোন করতে গিয়ে ডিউটি করে ১৮ ঘন্টার উপরে মোটা কাপড় ও ভারি বুট পড়ে। কালীগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে পুলিশ সদস্যরা টহল দিয়ে সকল ধরনের অপরাধ মাদকাসক্ত, জুয়া, চুরি, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী সহ অপরাধ দমনে পেশাদ্বারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে থানার (ওসি) ইমতিয়াজ কবির, পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) হাবিবুর রহমান, এস আই সৈকত কুমার রায়,এস আই আবুবকর সিদ্দিক,মীর শহিদুল ইসলাম, মাহফুজার রহমান, ইদ্রিস আলী, মফিজুল হক, এ এস আই হারুন অর রশিদ, আব্দুল হালিম, মনতাজ উদ্দিন,সহ থানার সকল পুলিশ সদস্য বৃন্দ।

    কালীগঞ্জ থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির,এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি পেশাদ্বারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছি। তবে আমার থানার পুলিশ সদস্য দের নিয়ে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টায় সফলতা অর্জন করেছি, পাশাপাশি রাষ্ট্রের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।আমার এই সাফল্যর জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি পুলিশ সুপার সহ যারা আমার কাজে সহযোগীতা করেছেন। তিনি পরিশেষে আরো বলেন কালীগঞ্জ উপজেলাকে মাদক মুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ইমতিয়াজ কবির, গত ১৯ জুলাই / ২৩ ইং যোগদান করেন। তিনি ছাত্রজীবনেও ফুটবল, ক্রিকেট এর ক্যাপ্টেন পদে থেকে দল পরিচালনা করেছেন।

    মো.হাসমত উল্ল্যাহ।

  • আগৈলঝাড়ায় ঘাটলা দখলে নিতে বালু ভরাট,ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বালু ভরাট বন্ধ

    আগৈলঝাড়ায় ঘাটলা দখলে নিতে বালু ভরাট,ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বালু ভরাট বন্ধ

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় উপজেলা সদর বাজারের পাকা ঘাটলার পথ ব্যক্তিগতভাবে দখল করে বালু ভরাট করার অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। জানা গেছে, সরকারী জায়গায় বাজারের জনসাধারণের জন্য নির্মিত ঘাটলার পথে বালু ভরাট করছিল স্থানীয় ব্যবসায়ি মোল্লা মোঃ হান্নান। অভিযোগ পেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে ইমামা বানিন ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধভাবে দখলে নিতে চাওয়া ব্যবসায়ির বালু ভরাটের কাজ বন্ধ করে দেন। এসময় আংশিক ভরাটকৃত বালু ওই ব্যবসায়িকে নিতে নির্দেশ দেন অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও শর্তকরে দেন। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন এসআই আবু সালেহ, সার্ভেয়ার মাসুদ হোসেন, গৈলা তহসিলদার রেজাউল কবির, ভুমি অফিসের নাজির সোহেল আমিনসহ প্রমুখ। ভ্রাম্যমান আদালত বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উম্মে ইমামা বানিন বলেন, সার্ভেয়ার ও তহশিলদারকে জায়গা মেপে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে দ্রুত ঘাটলা পরিস্কার করে দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই ব্যবসায়ীকে।

  • রাঙ্গাবালীতে  নিখোঁজের দুইদিন পর ডোবা থেকে মৃতদেহ উদ্ধার

    রাঙ্গাবালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ডোবা থেকে মৃতদেহ উদ্ধার

    রফিকুল ইসলাম ঃ
    নিখোঁজের দুইদিন পর পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে ডোবা থেকে এক তংণের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম বাহেরচর গ্রাম থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ওই তরুণের নাম রিয়ান প্যাদা (১৮)। সে সদর ইউনিয়নের উত্তর কাজির হাওলা গ্রামের শহীদুল প্যদার ছেলে। পুলিশ ও পরিবার জানায়, সোমবার দুপুরে বাড়ি থেকে বাজারের উদ্দেশ্য গিয়ে নিখোঁজ হয় রিয়ান। পরিবারের লোক অনেক খোজাখুজি করেও তাকে পায়নি। পরে বুধবার পশ্চিম বাহেরচর গ্রামের একটি ধানক্ষেত সংলগ্ন ডোবায় ভাসমান অবস্থায় একটি মৃতদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। এ খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে রিয়ানকে শনাক্ত করে। পরে পুলিশ গিয়ে সেখান থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, লাশটি ফুলে উঠেছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে পচণও ধরেছে। পরিবারের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মৃগীরোগ ছিল রিয়ানের। রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, পরিবারের দাবি রিয়ান মৃগীরোগে আক্রান্ত ছিলেন। তবুও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হবে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • বয়ড়া ছালাকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন  নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করলেন উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার- টিও

    বয়ড়া ছালাকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করলেন উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার- টিও

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকার আওতাধীন বয়ড়া ছালাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন নতুন ভবনের নির্মাণ কাজের সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন ও উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন। পরিদর্শন কালে উক্ত ভবনের নির্মাণ কাজের স্বচ্ছতা ও অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তারা।

    মঙ্গলবার ৩রা অক্টোবর দুপুর ২টায় ভবনটির নির্মাণ কার্যক্রমটি দিন ব্যাপী পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন
    করেন এই দুই সরকারি কর্মকর্তা। ইতিমধ্যেই
    বিদ্যালয়ের নতুন ভবনের বেইজ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে।

    ভবনটি নির্মাণ কাজের পরিদর্শন কালে উপজেলা প্রকৌশলী ও শিক্ষা অফিসার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন-সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাহিদা পারভীন,দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ সহকারী প্রকৌশলী শামসুল হুদা,বিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র, সাবেক সভাপতি এবং এলাকার কৃতি সন্তান কৃষিবিদ ড. মোঃ হেলাল উদ্দিন, সাবেক সভাপতি মোঃ আব্দুল কদ্দুস, জমিদাতা সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফাতেমা জোহরা এবং সহকারী শিক্ষকগণ সহ অন্যান্যরা।

    প্রসঙ্গত, ময়মনসিংহ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নে উপজেলার স্কুল গুলো নিয়মিত পরিদর্শন জরে যেখানে যে সমস্যা আছে সেগুলো নিরসনে তার দেওয়া চাহিদা পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন স্কুলে নতুন ভবন,বাউন্ডারী ওয়ালসহ স্কুলোর বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের অংশ হিসাবে বয়ড়া ছালাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর।সেই চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে
    বয়ড়া ছালাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩শতাংশ জমির উপর নির্মাণাধীন ৫রুম বিশিষ্ট ৩ তলা নতুন ভবনের জন্য ১কোটি ১৮ লাখ ৮৩ হাজা টাকা ব্যয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে মাধ্যমে উক্ত ভবনটি নির্মিত হচ্ছে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রকল্পে শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে উপজেলার ঝাপারকান্দা, সানকিপাড়া, চৌয়ানিয়া,রাঘবপুরসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের জন্য বরাদ্দের আবেদন পক্রিয়াধীন রয়েছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন জানান- সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাংলাদেশের মধ্যে আধুনিক শিক্ষায় রূপান্তরিত করার সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। অপরদিকে শত ব্যস্ততার মধ্যে ও উপস্থিত থেকে বয়ড়া ছালাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ কাজের স্বচ্ছতা যাচাই করতে স্কুলটি পরিদর্শক করায় বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সকলকে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান বিদ্যালয়ের শিক্ষক, এসএমসি কমিট ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা।