Blog

  • কুমিল্লাস্থ নবীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতির পরিচিতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    কুমিল্লাস্থ নবীনগর উপজেলা কল্যাণ সমিতির পরিচিতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    কুমিল্লা মহানগরীর শিশুপার্ক সংলগ্ন নজরুল ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে আনন্দ মুখর পরিবেশে নবীনগর উপজেলার কল্যাণ সমিতির সদস্য বৃন্দের উপস্থিতিতে শুক্রবার রাতে

    সমিতির সভাপতি ড.আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম চপলের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এডঃ নিশাত সালাউদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী,
    পুরাতন কমিটির সভাপতি বর্তমান কমিটির প্রধান উপদেষ্টা, সাবেক ব্যাংকার শাহজাহান খন্দকার,
    আর্দশ সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান তারেকুর রহমান জুয়েল, অধ্যাপক শ্যামা প্রসাদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তি যোদ্ধা জামিলুর রহমান,মোঃ আবু ইছা কচি,সমিতির
    নির্বাহী সদস্য ও দৈনিক মানবকন্ঠের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,
    মোঃবাছির খন্দকার, নির্বাহী সদস্য মোঃতপন
    সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    অনুষ্ঠানে প্রথমে কোরআন তেলাওয়াত, দ্বিতীয় পর্বে অতিথি বৃন্দ কে ফুল দিয়ে বরন,তৃতীয় পর্বে ফটোসেশান ও প্রামান্য চিত্র বড় পর্দায় প্রচার শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও রাতের খাবার পরিবেশন করা হয় উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে।

  • সুন্দরগঞ্জে বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাঠে নেমেছেন কৃষি অধিদপ্তর

    সুন্দরগঞ্জে বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাঠে নেমেছেন কৃষি অধিদপ্তর

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ফসলের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শনে টানা বৃষ্টি উপেক্ষা করে মাঠে নেমেছেন কৃষি অধিদপ্তর।

    জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় উজান থেকে ধেয়ে আসা ও বৃষ্টির পানিতে বন্যার আশঙ্কায় ক্ষেতের মাঠ পরিদর্শনে নেমেছেন কৃষি অধিদপ্তরের উর্ধতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় কৃষি অফিসারগণ। শুক্রবার সকালে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপজেলার তিস্তা নদী বিধৌত বিভিন্ন এলাকার ফসলের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শনে মাঠে নামেন গাইবান্ধা খামারবাড়ি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ খোরশেদ আলম এবং রংপুর খামারবাড়ি অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ-সময় তাদের সাথে উপস্থিত ছিলেন- সুন্দরগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশিদুল কবির, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মিজানুর, উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার সাদেক হোসেন, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মোখলেসুর রহমান, মুশফিকুর রহমান প্রমূখ। উঠতি আমন ধানের ফসলের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শনের পাশাপাশি কৃষকদেরকেও বন্যাসহ নানা বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন পরিদর্শনকৃত কৃষি অফিসারগণ। এনিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কৃষিবিদ মিজানুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের কয়েকদিনের পরিদর্শনে দেখা গেছে মোটামুটি উপজেলার কোথাও কোন প্রকার ক্ষেতের মাঠে পানি বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হয়নি। গতকাল একটু সম্ভাবনা থাকলেও আজকের অবস্থা অনেকটাই স্বাভাবিক।
    এব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশিদুল কবিরের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা সবসময়ই কৃষকের পাশে আছি এপর্যন্ত কোথাও কোন বন্যাজনিত সমস্যা হয়নি। আশা করছি কোন সমস্যা হবেও না ইনশাআল্লাহ।

  • গোপালগঞ্জে ৩০ সেকেন্ডের টর্নেডোতে দেড়শতাধিক বাড়িঘর ও দোকান বিধ্বস্ত, আহত ১৫

    গোপালগঞ্জে ৩০ সেকেন্ডের টর্নেডোতে দেড়শতাধিক বাড়িঘর ও দোকান বিধ্বস্ত, আহত ১৫

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : মাত্র ৩০ সেকেন্ড। এতে গোপালগঞ্জের দুই উপজেলার অন্তত দেড়শতাধিক বাড়ীঘর ও দোকান বিধ্বস্ত হয়েছে। উপড়ে পড়েছে গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। সব কিছু হারিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছেন ক্ষতিগ্রস্থরা। বিদ্যুতহীন হয়ে পড়েছে দুই উপজেলার ৫টি গ্রাম। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থদের অর্থিক সহায়তা দেয়ার ঘোষনা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

    ঘটনার পর টুলু আজ শুক্রবার (০৬ অক্টোবর) দুপুরে মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ইমাম রাজী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্থ ও অসহায় পরিবারের মধ্যে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে, বৃহস্পতিবার সারা দিনই চলে টানা বর্ষন। সন্ধ্যায় হঠাৎ করে মুকসুদপুর উপজেলার বাসুদেবপুর, মহাটালী, ডিগ্রিকান্দি, টিকারডাঙ্গা ও কাশিয়্নী উপজেলা ভাটিয়াপাড়া গ্রামের উপর দিয়ে বয়ে যায় টর্নেডো। মাত্র ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী এ ঝড়ে বিধ্বন্ত হয় অন্তত দেড়শতাধিক বাড়ীঘর ও দোকান। উপড়ে পড়ে গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি। সহায় সম্বল হারিয়ে এখন নি:স্ব পরিবারগুলো। খোলা আকাশের নিচে বসবাস করতে হচ্ছে তাদের। বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ায় বিদ্যুতহীন হয়ে পড়েছে গ্রামগুলো। আত্মাতী স্বজনদের পাঠানো খাবার খেয়ে জীবন বাচাঁতে হচ্ছে তাদের। টর্নেডোর আঘাতে ঘরের নিচে চাপা পড়ে আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন। এতে প্রায় আনুমানিক দুই কোটি টাকার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এই ঘটনায় প্রায় ৬৫টি পরিবারের পাঁচ শতাধিক লোক বাড়ি ছাড়া হয়ে সাইক্লোন শেল্টারসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

    ক্ষতিগ্রস্থ ডিগ্রীকান্দি গ্রামের তারেক লষ্কার জানান, রাত ৮টা নাগাদ আকষ্মিক ঘূর্নিঝড় টর্নেডো আঘাত হানে। এতে আমার বাড়িঘর ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে যায়। পরবর্তীতে এলাকার সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছি। পরিবারের লোকজন নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছি। সরকারের কাছে আমাদের সাহায্যের আবেদ জানাই।

    মহাটালী গ্রামের কাশেম লস্কর, আজগার অঅলী লস্কর বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে ঝড় ওঠে। এ ঝড় মাত্র ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট স্থায়ী হয়। ঝড়ের তান্ডবে ৪ গ্রামের দেড়শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। অসহায় পরিবারগুলো বসতঘর হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারগুলোকে মানবিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মুকসুদপুর উপজেলার উজানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্যামল কান্তি বোস বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে ১ মিনিটের টর্নেডোতে ৪ গ্রামের ৪০টি পরিবারের ৭০টি বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। এ সময় গাছপালা ভেঙ্গে পড়ে। বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙ্গে বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ রয়েছে। টর্নেডোতে ১৫ জন আহত হয়। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে প্রাণ হানীর ঘটনা ঘটেনি। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তালিকা করা হচ্ছে।

    মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম ইমাম রাজী টুলু বলেন, টর্নেডোতে ৪টি গ্রামের ৪০টি পরিবারের ৭০টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃষ্টির সাথে প্রবল ঝড়ে বাড়ি-ঘর গুলো ভেঙ্গে পড়ে। আমরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরূপনের কাজ শুরু করেছি। ক্ষতিগ্রস্থ গরিব ও অসহায় পরিবার প্রতি ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। তালিকা করে তাদের পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করা হবে। #

  • লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিক এর বড় ভাইকে পিটিয়ে হত্যা

    লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিক এর বড় ভাইকে পিটিয়ে হত্যা

    নাজিম উদ্দিন রানাঃ
    লক্ষ্মীপুর জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে লক্ষ্মীপুর থেকে প্রকাশিত,দৈনিক সবুজ জমিন পত্রিকার সম্পাদক আফজাল হোসেন সবুজ এর বড় ভাই নুর নবী বকুল (৬৫) কে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে জাফর আহমেদ পলাশ গংদের বিরুদ্ধে।

    শুক্রবার (৬ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নের মহাদেবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত বকুল একই এলাকার আলী রাজা পাটওয়ারী বাড়ির মৃত অজি উল্যা মাস্টারের ছেলে।

    নিহতের স্বজনরা জানান, স্থানীয় আব্দুর রউফ গংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল একই এলাকার নুর নবী বকুলদের। সকালে বিরোধীয় জমি থেকে সুপারি পাড়তে যায় প্রতিপক্ষ আব্দুর রউফ মাস্টার, আসরাফ ইসলাম বাবুল, জাফর আহমেদ পলাশ গংরা।

    তারা আরও জানান, বকুল এতে বাধা দেওয়ায় উভয় পক্ষের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বকুলকে ঘুষি দেয় ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে বলে অভিযোগ তার পরিবারের। পরে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক কমলাশীষ রায় বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই ব্যক্তি মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

    লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বাংলাদেশে এসে কর্মচারীর বিয়ে খেলেন সৌদি ব্যবসায়ী বন্দর এনাজি আশসাই

    বাংলাদেশে এসে কর্মচারীর বিয়ে খেলেন সৌদি ব্যবসায়ী বন্দর এনাজি আশসাই

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : এবার সৌদি নয় বাংলাদেশে বিয়ে উপভোগ করলেন মরুভূমির দেশ সৌদি ব্যবসায়ী বন্দর এনাজি আশসাই। কর্মচারীর দাওয়াতে বিয়েতে অংশ নিতে নিতে হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আসেন বাংলাদেশের গোপালগঞ্জে। আর এমন বিয়েতে অংশ নিতে পারায় খুশি তিনি।

    জানাগেছে, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাজুলিয়া গ্রামের লালন শেখ (৪৫) সৌদি আরবের নাদিম শহরে ব্যবসায়ী বন্দর এনাজি আশসাই-এর অধিনে চাকুরী করে। লালন শেখের ভাতিজা রাশেদুল শেখও চাকুরী করেন একই স্থানে। লালন শেখ তার মালিক বন্দর এনাজি আশসাইকে তার ভাতিজার বিয়ের দাওয়াত দিলে তিনি বুধবার (২৭ অক্টোবর) সৌদি আরব থেকে ঢাকা হয়ে হেলিকপ্টারে করে গোপালগঞ্জের কাজুলিয়া আসেন।

    বৃহস্পতিবার (০৫ অক্টোবর) কর্মচারী রাশেদুলের বিয়েতে বরযাত্রী হয়ে বিয়েতে অংশ নেন। ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বরযাত্রী হয়ে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া পৌরসভার রতাইল এলাকায় অবস্থিত কনের বাড়িতে যান সৌদি নাগরিক বন্দর এনাজি আশসাই। কর্মীর বিয়েতে সৌদি মালিক অংশ নেওয়ায় বর ও কনের বাড়িতে ছিল আলাদা আমেজ। সৌদি নাগরিককে সঙ্গে নিয়ে বরযাত্রী কনের বাড়িতে পৌঁছানোর পর শুরু হয় উৎসবের পরিবেশ।

    ভিনদেশীদের এমন ব্যতিক্রম বিয়ের আয়োজন দেখে কিছুটা অবাক সৌদি নাগরিক বন্দর এনাজি আশসাই। বিয়ে বাড়িতে পোলাও, রোস্ট, কয়েক প্রকার মাছ, আস্ত খাশি, গরুর মাংস, পায়েসসহ বেশ কয়েক প্রকার খাবার খান তিনি। খাবার শেষে সৌদির নিয়ম অনুযায়ী কোলাকুলি করে নিজ কর্মীকে অভিনন্দন ও তার নতুন জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।

    আজ শুক্রবার রাশেদুলের বৌভাতের অনুষ্ঠানেও অংশ নেন আবু বন্দর। সৌদি নাগরিককে দেখতে ভীড় করেন বিয়ে বাড়ির সকল অতিথিরা।

    কর্মচারীর বিয়েতে এসে কেমন লাগলো এমন প্রশ্নে সৌদি ব্যবসায়ী বন্দর এনাজি আশসাই বলেন, আমার খুবই ভালো লেগেছে। রাশেদুলের বিয়েতে আসতে পেরে আমি সব চেয়ে খুশি। আমাদের দেশে বিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শুরু রাতে এশার নামাজের পর। শেষ করতে হয় ফজরের আগে। ৫-৬ ঘন্টায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে হয়। কিন্তু বাংলাদেশের বিয়ের চিত্র ভিন্ন। এখানে দুই তিন দিন ধরে বিয়ের অনুষ্ঠান চলে। এরা বিয়েতে অনেক আনন্দ করার সুযোগ পায়, নাচ গান করে। কিন্তু ধর্মীয় বিষয়টির (কাবিন ও মোনাজাত) সাথে অনেকটা মিল আছে। আর খাবারের সাথে কিছুটা মিল রয়েছে।

    বাংলাদেশী বিয়ের খাবার খেতে কেমন লেগেছে এবং সৌদিতে কি কি খাবার পরিবেশন করা হয় জানতে চাইলে তিনি আরো বলেন, আমার কাছে বিয়ের খাবার খেতে খুবই ভালো লেগেছে। আমি খুব তৃপ্তি করে খেয়েছি। আমাদের দেশের চাইতে খাবারে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। আমাদের দেশে বিয়ের খাবারের ম্যানুতে কখনো মাছ থাকে না।এদেশে দেখছি মাছ আছে। এছাড়া বেশিরভাগ বিয়েতে আমাদের ঐতিহ্যবাহী বিরিয়ানি রাখা হয়।

    বর রাশেদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি সৌদি নাগরিক আমার মালিক বন্দর এনাজি আশসাই-এর প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। কিছুদিন আগে দেশে আসার পর পারিবারিকভাবে আমার বিয়ে ঠিক হয়। আমি নিজেই মালিককে দাওয়াত পাঠাই। তিনি দাওয়াত নাকচ না করে দাওয়াত গ্রহন করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এসে আমার বিয়েতে অংশ নিয়েছেন। আমার কফিল (মালিক) আমার বিয়েতে সৌদি থেকে এসেছে এজন্য আমি ধন্য।

    গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে সৌদি আরব থেকে বিমানে করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরন করেন সৌদি ব্যবসায়ী বন্দর এনাজি আশসাই। পরে সেখান থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে গোপালগঞ্জের কাজুলিয়া গ্রামের পল্লী মঙ্গল ইউনাইটেড একাডেমি এন্ড কলেজে মাঠে এসে নামেন। সেখানে সৌদি ব্যবসায়ী বন্দর এনাজি আশসাইকে দেখতে ভীড় করেন উৎসুক জনতা। ফুলের মালা দিয়ে অভিনন্দন জানান গ্রামবাসী। এ কয়দিনে আবু বন্দর ঘুরেছেন সুন্দরবন, কুয়াকাটা সহ দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। #

  • রাঙ্গাবালীতে মাল্টা বাগানের অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

    রাঙ্গাবালীতে মাল্টা বাগানের অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা

    রফিকুল ইসলাম ,
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে রাতের আধারে একটি মাল্টা বাগানের অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সামুদাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামের লিমা বেগম নামের এক নারী উদক্তা বাগানটির মালিক। তিনি জানান, গতবছরের ৩০ জুন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্টের (এসএসিপি) সহযোগিতায় সদর ইউনিয়নের সামুদাবাদ গ্রামে লিমা বেগমের উদ্যোগে তার বাবা হারুন মৃধার ৫০ শতক জমিতে মাল্টা বাগান করা হয়। ওইসময় বারি মাল্টা-১ জাতের ৬০টি মাল্টা গাছ রোপণ করা হয়। বর্তমানে গাছগুলোতে ফলও ধরেছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতের আধারে লিমা বেগমের বাগানের গাছ গুলো কেটে সাবাড় করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, এ বিষয়ে আমারা কেছে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি , অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • মরাগরুর মাংস নদীতে ফেলে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

    মরাগরুর মাংস নদীতে ফেলে দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান

    অমল তালুকদার, পাথরঘাটা(বরগুনা) থেকে:শুক্রবার দুপুরে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন পল্টু জবাইকৃত মরাগরুর মাংস বিষখালী নদীতে ফেলে দিয়েছেন।

    তাৎক্ষনিক খবর পেয়ে পাথরঘাটার সাংবাদিগন ঘটনাস্থল কাকচিড়া বাজারে উপস্থিত হয়ে জবাইকৃত একটি মরাগরুর মাংস নিকটস্থ বিষখালী নদীতে ফেলে দিতে দেখেন। এসময় স্থানীয়রা অভিযোগ করেন,গরুটির পেটে একটি মরা বাচ্চাও পাওয়া যায়। তবে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তা চোখে পরেনি।

    জানাগেছে ওই বাজারের কসাই মোঃ টিপু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মরা ও নানারোগে আক্রান্ত গরু রাতের আধারে জবাই করে বাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। যথারীতি শুক্রবার ভোররাতে নিকস্থ রূপধন এলাকা থেকে একটি মরাগরুর মাংস এনে বাজারে বিক্রিকালে তা রুখে দেয় স্থানীয় জনতাসহ কাকচিড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন পল্টু।

    এবিষয়ে চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন পল্টু বলেন,মরাগরু বিক্রির খবর পেয়ে আমি এসে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করি এবং তা নদীতে ফেলে দেই।

    পাথরঘাটা

  • পটিয়ায় নজির আহমেদ ফাউন্ডেশনের অর্থ বিতরণ মানবতার কাজে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে

    পটিয়ায় নজির আহমেদ ফাউন্ডেশনের অর্থ বিতরণ মানবতার কাজে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার:
    মানবতার কাজে দলমত নির্বিশেষে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী কমিটির উপদেষ্টা ও মানবিক সংগঠন পটিয়া নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী জীবনের পক্ষ থেকে চলমান রয়েছে। ৬ অক্টোবর শুক্রবার বিকেলে পটিয়া উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নের তেকোটা গ্রামে অসহায় ১০ পরিবারকে সহায়তা প্রদান করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তা। তেকোটা প্রতিভা সংগঠনের সভাপতি অপু বড়ুয়ার সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত এক আলোচনায় বক্তব্য রাখেন- পটিয়া নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম, প্রতিভা সংগঠনের সহ সভাপতি জুয়েল বড়ুয়া, আর্শীবাদক তেকোটা সদ্ধর্ম বিকাশ বিহারের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ শরণসেন মহাস্থবির, সাধারণ সম্পাদক চিন্ময় বড়ুয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাাদক কল্যাণ বড়ুয়া,কার্যকরি সদস্য প্রিয়রঞ্জন বড়ুয়া, প্রতাপ বড়ুয়া সাথী,প্রিয় বড়ুয়া প্রবীর বড়ুয়া, জয়মান বড়ুয়া প্রমুখ।

  • বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জবাবদিহিতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জবাবদিহিতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

    এস. এম সাইফুল ইসলাম কবির,বিশেষ প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এক “জবাবদিহিতামূলক সভা’ অনুষ্ঠিত হয়।
    বৃহস্পতিবার বিকালে মোরেলগঞ্জউপজেলার মোরেলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তালুকদার জাকির হোসেনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত জবাবদিহিতামূলক সভায় সভাপতিত্ব করেন মো.সোহরাব হোসেন। সভায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ভোটার, সুধিজন, সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    গাবতলা তালুকদার বাজার নিজস্ব কার্যালয়ে ইউপি সদস্য জাকির হোসেন তার কর্মকালীন দুই বছরের কার্যক্রমের সফলতা ও ব্যর্থতা বিষয়ে ভোটারদের কাছে লিখিতভাবে উপস্থাপন করেন।

  • কুড়িগ্রাম-১ আসনে নৌকার মাঝি হিসেবে শোভনকে দেখতে চায় জনগন

    কুড়িগ্রাম-১ আসনে নৌকার মাঝি হিসেবে শোভনকে দেখতে চায় জনগন

    এম এস সাগর, বিশেষ প্রতিনিধি কুড়িগ্রাম:

    আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসন সমুহের নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সাধারণ জনগন এবং আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা-কর্মীরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন কে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চায়। সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ে সবচেয়ে এগিয়ে শোভন। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনকে তৃণমূল পর্যন্ত সুসংগঠিত করার পাশাপাশি নির্বাচন কেন্দ্রিক কাজগুলো এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকে অন্তহীন ভালোবাসা দিয়ে মন জয়ে জননন্দিত নেতা হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন।

    ফিরে দেখা: বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী পরিবারের সন্তান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের মেধাবী ছাত্র ছিলেন এবং আইন বিভাগ থেকে মাস্টার্স সম্পন্নও করেছেন। শোভনের দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল হক চৌধুরী একজন মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক (৬নং সেক্টরের প্রচার বিভাগের চেয়ারম্যান), কুড়িগ্রাম-১ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ১৯৭৩, ১৯৭৯ ও ১৯৭৫সাল পরবর্তী ১৯৭৭সালে দেশ ও দলের ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কুড়িগ্রাম জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১সালেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে জাতীয় নির্বাচন করেন। শোভনের বাবা নুরুন্নবী চৌধুরী খোকন ১৯৮১সালে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ১৯৯১সালে থানা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ভুরুঙ্গামারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ২০০১সাল থেকে ১০সাল ও ২০১১সালে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে বর্তমান পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। একই সঙ্গে তিনি দুইবারের সফল নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে এখনো দায়িত্ব পালন করছেন। অপরদিকে শোভন ২০১৮সালের ৩১জুলাই দুই বছর মেয়াদি কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সভাপতি নির্বাচিত হন। পদে থাকা অবস্থায় এবং পদ থেকে সরে আসার পরেও তিনি সফল সরকারের নির্দেশে নিজ এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সর্বদা সেবা দিচ্ছেন।

    জনগন-নেতাকর্মী আর শোভন: কুড়িগ্রাম-১ আসন সমুহের নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দরিদ্র-পিড়িত গ্রাম, শহর, চরাঞ্চলের অধিকার বঞ্চিত নদী ভাঙন কবলিত ও সীমান্ত বেষ্টিত অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে নিঃস্বার্থভাবে সমাজ সেবক হিসেবে মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে এবং তাদের দ্বারে-দ্বারে গিয়ে সেবা প্রদান করে আসছেন। এমনকি করোনাকালে বিলিয়েছেন মাস্ক, স্যানিটাইজার। দেশজুড়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিলে ত্রাণ নিয়ে ছুটে গেছেন বন্যা কবলিত মানুষের কাছে এবং পবিত্র ঈদের সময়ে দরিদ্র মানুষের করেন সহায়তা। নাগেশ্বরী ও ভুরুঙ্গামারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতা-কর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে এবং তাদের সন্মনয়ে সাধারণ জন সাধারণের মাঝে তুলে ধরছেন ইতিহাসের এক মহান ইতিহাস জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের সু-যোগ্য কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নের সর্বদা ব্যাপক উন্নয়ন কাজ চলমান ও প্রস্তুতি সফলসহ দেশের মানুষের কল্যাণে নিরবে-নিভৃতে ভূমিকা রেখে চলেছেন। শোভন কুড়িগ্রাম ১ আসনের বিভিন্ন অঞ্চলে গন সংযোগকালে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে মোতাবেক আবারও সফল সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কে ক্ষমতায় আনার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট চান। দেশ গড়ার লক্ষ্যে দলের ও জনগনের সেবক হিসেবে কাজ করার জন্য নিজেকে মনোনিবেশ করেন। তাই দলীয় নেতাকর্মি তৃনমুল পর্যায়ের থেকে উচ্ছপদস্থ সবাই জানান দলের ও এলাকার জনগনের উন্নয়নে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন কে কুড়িগ্রাম ১ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে সবার প্রয়োজন।

    সংসদ নির্বাচন আর শোভন: আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসনের নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সকল মানুষের কাছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের পরীক্ষিত সৈনিক ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে নৌকা মার্কার পক্ষে তিনি জনমত গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন এবং বিভিন্ন এলাকায় গন-সংযোগ চালিয়ে সামাজিক কার্যক্রমে নিবেদিতভাবে যুক্ত থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করে আসছেন। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসনে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে এলাকায় গনসংযোগ করে মানুষের মনে প্রীতি, আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তৃনমূল পর্যায়ের অনেক আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগনের কাছে শোভন এখন চোখের মনি। কুড়িগ্রাম ১ আসনের সাধারন জনগন শোভনকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চায়।

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী পরিবারে আমার জন্ম। দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শামসুল হক চৌধুরী একজন মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক হিসেবে মানুষের সেবা করেছেন। বাবা নুরুন্নবী চৌধুরী খোকন ভুরুঙ্গামারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও দুইবারের নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান এখনো নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে মানুষের সেবা করছেন। দায়বদ্ধতা থেকে আমিও মানুষের সেবা করবো। যতটুকু সম্বল আছে, ততটুকু দিয়েই মানুষের পাশে দাঁড়াব। নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দরিদ্র-পিড়িত অধিকার বঞ্চিত নদী ভাঙন কবলিত মানুষ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোসহ রাস্তাঘাট যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন করার চেষ্টা করবো।
    তিনি আরোও বলেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনের তৃণমূল পর্যায়ের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীর সঙ্গে সব সময় গভীরভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছি। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নৌকার প্রার্থী হিসেবে প্রত্যাশী।