Blog

  • নড়াইলে স্মার্ট পুলিশিং ব্যবস্থা বিনির্মাণে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    নড়াইলে স্মার্ট পুলিশিং ব্যবস্থা বিনির্মাণে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে স্মার্ট পুলিশিং ব্যবস্থা বিনির্মাণে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। স্মার্ট পুলিশিং ব্যবস্থা বিনির্মাণের লক্ষ্যে নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশের নায়েক ও কনস্টেবল পদমর্যাদার ৩০ জন পুলিশ সদস্যদের সপ্তাহব্যাপী ১৪ তম ব্যাচের “দক্ষতা উন্নয়ন কোর্স”এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার (৭ অক্টোবর) পুলিশ লাইনসে্ উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন নির্দেশনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), নড়াইল। প্রধান অতিথি বলেন, প্রশিক্ষণ কর্মীদের কর্মদক্ষতার উন্নতি ঘটায়, কাজের প্রতি অনুপ্রেরণা যোগায়। ফলে তারা অর্জিত বাস্তব জ্ঞানকে যেকোন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সফলভাবে প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়। প্রশিক্ষণের মধ্যে দিয়ে পুলিশ সদস্যদের পেশাগত দক্ষতার বিকাশ ঘটে এবং তারা আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণের বাস্তব জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে নড়াইল জেলা পুলিশকে আরো সমৃদ্ধ করতে নির্দেশ প্রদান করেন। অত:পর তিনি প্রশিণার্থীদের মাঝে প্রশিক্ষণ সামগ্রী বিতরণ করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষকগণ, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যগণ ও প্রশিক্ষণার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে কিশোরের হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু আহত

    নড়াইলে কিশোরের হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু আহত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের লোহাগড়ায় আজিম শেখ (১৮) নামে এক কিশোরের হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা দুই বন্ধু আহত হয়েছেন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (৬ অক্টোবর) সন্ধায় লোহাগড়া উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গন্ডব ব্রিজের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
    কিশোর আজিম শেখ উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের ধোপাধাহ গ্রামের শাহজাহান শেখের ছেলে।

    আহত অপর দুজন হলেন- ওই গ্রামের ইমরান শেখের ছেলে শুভ শেখ ও খোকন শেখের ছেলে তুফান শেখ।
    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার সন্ধায় উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নের গন্ডব ব্রিজে ঘুরতে যায় আজিম শেখ ও তার দুই বন্ধু শুভ ও তুফান। পরে ব্রিজের ওপর ওৎ পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এসময় আজিমের হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ হামলার ঘটনায় আজিমের দুই বন্ধু ও আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আজিমকে ঢাকা মেডিকেলে পাঠান। বাকি দু’জন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    ওসি নাসির উদ্দিন বলেন, ঘটানাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • গোদাগাড়ীতে বৃষ্টির পানিতে ভেসে যাওয়া নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার

    গোদাগাড়ীতে বৃষ্টির পানিতে ভেসে যাওয়া নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ভারী বৃষ্টির পানিতে ভেসে যাওয়া পুকুরের মাছ আটকাতে গিয়ে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মাছ ধরা জালে আটকা পড়ে তার মরদেহ।

    শনিবার সকালে গিয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। গতকাল শুক্রবার রাতে তার মরদেহ আটকা পড়ে। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিলেন তিনি।

    নিহত জেলের নাম মোকসেদ আলীর (৫৫) মরদেহ পাওয়া গেছে। তিনি দুর্গাপুর উপজেলার ঝালুকা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ বলছে, গত বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সারা দিনের বৃষ্টিতে গোদাগাড়ীর বিল পাতিকোলা ও কমলাপুর বিলের শত শত পুকুর ভেসে যেতে শুরু করে। কমলাপুর বিলে এক মালিকের পুকুর রক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার ২৫ জন শ্রমিক দুর্গাপুর থেকে কমলাপুর বিলে গিয়েছিলেন। তারা মালিকের অপেক্ষাকৃত নিচু পুকুরগুলো থেকে ওপরের পুকুরে মাছ তুলে আনার কাজ করছিলেন। এসময় উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বৃষ্টির পানি প্রবল বেগে কমলাপুর বিলে নামতে থাকে। পুকুরের মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত ২৫ জন শ্রমিক ওই স্রোতে ভেসে যান।

    এসময় স্থানীয়রা পুলিশের জরুরি সেবার ৯৯৯ এ ফোন করেন। পরে পুলিশ এসে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় এই ২৫ জন শ্রমিকের মধ্যে ২৪ জনকে উদ্ধার করে। নিখোঁজ ছিলেন মোকসেদ আলী।

    মোকসেদ আলীর নিকট আত্মীয় মজিবুর রহমান শুক্রবার দিবাগত রাতে জানিয়েছিলেন, কমলাপুর বিল থেকে পানি স্রোত বারণই নদীতে গিয়ে পড়েছে। পানির স্রোত যেদিকে গেছে তারা সেই দিক দিয়ে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস নিয়ে খোঁজাখুঁজি করেও মোকসেদ আলীর সন্ধান পাননি।

    স্থানীয়রা বলছেন, কমলাপুর বিলে দুই থেকে আড়াই হাজার বিঘা জমিতে পুকুর ছিল। ভারী বর্ষণে সব পুকুর ভেসে গেছে। এই মাছ সারা বিলে ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সারা দিন বিভিন্ন এলাকার শত শত মানুষ এই বিলে মাছ ধরতে নামেন। তারা জাল দিয়ে সারা বিল ঘিরে ফেলেন।

    শুক্রবার রাতে মাছ ধরার জালে মোকসেদ আলীর মরদেহ আটকা পড়েছিল। দূরে যাতে ভেসে যেতে না পারে এ কারণে মরদেহ আটকে রেখেছিলেন মাছ ধরতে যাওয়া লোকজন। সকালে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে।

    এ বিষয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘মোকসেদ আলীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    পরিবারের লোকজন এসেছেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একটি অপমৃত্যুর মামলা করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পাইকগাছায় ১৫৫ টি পূজামন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে দূর্গাউৎসব : নিরাপত্তা বিষয়ক মত বিনিময় সভা

    পাইকগাছায় ১৫৫ টি পূজামন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে দূর্গাউৎসব : নিরাপত্তা বিষয়ক মত বিনিময় সভা

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    পাইকগাছায় আগামী ২০ অক্টোবর শারদীয় দূর্গউৎসব উপলক্ষে মন্দিরের সভাপতি সম্পাদকদের নিয়ে নিরাপত্তা বিষয়ক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার সকাল ১০ টায় পাইকগাছা থানা চত্বরে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে নিরাপত্তা বিষয়ক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, সহকারী পুলিশ সুপার (ডি সার্কেল) সাইফুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন পূজা উৎযাপন কমিটির সভাপতি সমিরন সাধু, সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ্বাস, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তৃপ্তি রজ্ঞন সেন, প্রান কৃষ্ণ দাশ।

    বক্তব্য রাখেন, শিক্ষক মোরয়ারী মোহন সরকার, বাবুরাম মন্ডল, জগদীশ রায়, মৃত্যুঞ্জয় সরকার, শংকর দেব নাথ, উত্তম সাধু, সুনিল মন্ডল,সাংবাদিক বি সরকার, সুরঞ্জন চক্রবর্তী, উজ্জ্বল মন্ডল, পলাশ বাছাড়, বিদ্যুৎ বিশ্বাস, রামপ্রসাদ সাধু,কালিপদ বিশ্বাস, তরুণ কান্তি সরকার, অধীর কৃষ্ণ মন্ডল,কনক চন্দ্র তরফদার,বিপ্লব কান্তি মন্ডল সহ ১৫৫ টি পূজা মন্দিরের সভাপতি সম্পাদক।

    এবছর পাইকগাছা পৌরসভা ও উপজেলায় ১৫৫ টি পূজা মন্দিরে দূর্গাপূজা হচ্ছে। পৌর সভায় ৬টি, হরিঢালী ইউনিয়নে ১৯ টি কপিলমুনি ইউনিয়নে ১৯ টি, লতা ১৪ টি সোলাদানা ইউনিয়নে ১২ টি, গদাইপুর ইউনিয়নে ৫ টি, রাড়ুলী ইউনিয়নে ২২ টি, চাঁদখালী ইউনিয়নে ১৩ টি, গড়ুইখালী ইউনিয়নে ১৩ টিসহ মোট ১৫৫ টি মন্দিরে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

    ইমদাদুল হোক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • কালীগঞ্জে পলিথিনে করে হিমাহিত মাংস বিক্রি

    কালীগঞ্জে পলিথিনে করে হিমাহিত মাংস বিক্রি

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা বাজারে মাছের দোকানের পাশে হিমায়িত মাংস বা মাংস পলিথিনে করে বিক্রি করছে মাংস বিক্রেতা আব্বাস আলীর। কোলা বাজারে প্রতি সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবার হাটের দিন। হাটের এই দুই দিন আব্বাস আলী গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করলেও অন্য দিন গুলোতে তিনি ১ কেজি, ২ কেজি ও ৫ কেজি ওজনের পলিথিনে রাখা হিমায়িত মাংস বিক্রি করে থাকেন। এই মাংস তিনি কোথায় পান এমন টা অনেকের প্রশ্ন। খাবার উপযোগী কিনা এসব প্রশ্ন সাধারন ক্রেতাদের মনে ঘুরপাক খাই সব সময়। প্রতি কেজি হিমায়িত মাংস তিনি বাজারদর থেকেও ৫০ থেকে ১০০ টাকা কম মূল্যে বিক্রি করেন। দিন রাত ২৪ ঘন্টা তার নিকট হিমায়িত মাংস পাওয়া যায়। অনেকের অভিযোগ আব্বাস আলী স্বাস্থ্যসম্মত নয় আবার অনেক ক্ষেত্রে রোগা গরু রাতের আঁধারের জবাই করে সেই মাংস হিমায়িত করে বিক্রি করে। অনেক ক্রেতা বলছেন হিমায়িক মাংস কিনে বাড়িতে যেয়ে দেখেন দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মাংস বিক্রির সার্বিক বিষয় গুলো দেখভাল করার তায়িত্ব থাকলেও তা সঠিকভাবে করা হচ্ছে না বলেও তারা অভিযোগ করেন। অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশ ও হিমায়িত মাংস বিক্রির জন্য যেসব নিয়ম নীতি মানা প্রয়োজন আব্বাস আলী তার কিছুই মানেন না। যে কারণে ভোক্তা সাধারণের মনে এখন তার বিক্রিত মাংসের গুনমান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আব্বাস আলীর মাংসের দোকানে দেখা যায় ফ্রিজের মধ্যে পলিথিনে করে অনেক গোশত হিমায়িত করে রাখা আছে। মাংস কিনতে আসা কালীগঞ্জ উপজেলার খালকুলা গ্রামের আহাদ আলী বলেন এখান থেকে ২ কেজি মাংস কিনলাম। সব সময় তো আর কালীগঞ্জ থেকে যেয়ে গোশত কিনে আনা সম্ভব হয় না। হাতের কাছে যেমন পাঁচ্ছি তেমন কিনছি। তবে কিসের গোশত কিনছি তা তো আর নিজের চোখে দেখতে পাঁচ্ছি না।
    কালীগঞ্জ উপজেলা পশু চিকিৎসক হাবিবুর রহমান জানান, পূর্বের চেয়ারম্যান সাহেবের আমলে নিয়ম মেনেই গরু জবাই করা হতো এবং টাটকা মাংস বিক্রি হতো। এখন কেউ জানে না, দেখে না কি গরু জবাই হচ্ছে। কোলা বাজারের মাংস বিক্রেতা আব্বাস আলী বলেন, এক গরু জবাই করে চার-পাঁচজন ভাগ করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করা হয়। অবিক্রিত মাংস থাকে না বললেই চলে, যতটুকু থাকে তা ফ্রিজে রেখে বিক্রি করি। অনেক সময় জবাই করার আগের দিন গরু দোকানের সামনে বেঁধে রাখা হয়। আগে গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হলেও এখন তা করা হয় না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার নামে নানা অভিযোগ দিতে পারে, যা সত্য নয়।কোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন,পূর্বে কিছু সমস্যা থাকলেও বর্তমানে আমি নিজে মৌলভী ঠিক করে দিয়েছি গরু জবাইয়ের জন্য। তবে পলিথিনে যে মাংস বিক্রি করে তা কি ধরনের পশুর এবং খাবার উপযোগী কিনা তা খতিয়ে দেখব। কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হাবিবুল্লাহ হাবিব জানান, মাংস বিক্রির সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। খোঁজ খবর নিয়ে আব্বাস আলীর ক্ষেত্রে যদি নিয়মের কোনো ব্যত্তয় লক্ষ করা যায়, তবে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • ঝিনাইদহে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতার

    ঝিনাইদহে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতার

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী নবির মন্ডল (৫০)কে গ্রেফতার করেছে ঝিনাইদহ র‍্যাব-৬। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে র‍্যাব-৬ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে যে, ঝিনাইদহ সদর থানার সিআর নং- ৪৭৯/২২ এর ৩৮০ দন্ডবিধির ০৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ডপ্রাপ্ত এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ডপ্রাপ্ত অনাদায়ে আরো ০১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডপ্রাপ্ত এবং ৩২৩ দন্ডবিধির ০৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামী নবির মন্ডলকে ভাটই বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত আসামী সদর উপজেলার রাউতাইল গ্রামের তোয়াজ মন্ডলের ছেলে নবির মন্ডল।
    উক্ত সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে অভিযানিক দলটি ঘটনার সত্যতা যাচাই ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের উদ্দেশ্যে শৈলকুপা উপজেলার ভাটই বাজার এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা কর সাজাপ্রাপ্ত ও অর্থদন্ডপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামী মোঃ নবির মন্ডলকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামীকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • হাতীবান্ধা উপজেলা শাখার বর্ধিত সভা-২০২৩

    হাতীবান্ধা উপজেলা শাখার বর্ধিত সভা-২০২৩

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার মহিলা ডিগ্রী কলেজে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হাতীবান্ধা উপজেলা শাখার বর্ধিত সভা-২০২৩
    দিন ব্যাপী সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিন ব্যাপী বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হাতীবান্ধা উপজেলা শাখা সভাপতি লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর, সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার, বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট (অব.) মো: মোতাহার হোসেন এম পি, অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখার, চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদ লালমনিরহাট,
    এ্যাড. মো: মতিয়ার রহমান।

    সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আবারো শেখ হাসিনা সরকার কে প্রয়োজন মনে করে আগামীতে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহবান জানালেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট (অব.) মো: মোতাহার হোসেন এম পি সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ লালমনিরহাট জেলা শাখা। এসময় সরকারের বহুমুখী উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড সাধারণ মানুষের মাঝে তুলে ধরে ও নৌকার ভোট প্রার্থনায় লালমনিরহাট এক আসন হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম উপজেলার সকল মানুষের কাছে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ, সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড. সফুরা বেগম রুমি, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হাতীবান্ধা উপজেলা শাখা মোঃ মাহমুদুল হাসান সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল, ও মজিবুল আলম শাহাদাত, হাতীবান্ধা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ওয়ার্ড সভাপতি সাধারণ সম্পাদক সহ সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    হাসমত উল্লাহ

  • কালীগঞ্জে একই পরিবারের ২ গৃহবধূর বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

    কালীগঞ্জে একই পরিবারের ২ গৃহবধূর বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় তুষভান্ডার ইউনিয়নের টেপাটারি গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের দুই গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু ব্যক্তিরা হলেন- টেপাটারি গ্রামের বাবলু মিয়ার স্ত্রী ফিরোজা বেগম ও বাবলুর ছোট ভাই একাব্বর আলীর স্ত্রী নিলুফা বেগম।

    নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাবুল মিয়ার স্ত্রী ফিরোজা গোসল করতে গোসলখানায় প্রবেশ করেন। গোসলখানার টিনের বেঁড়া স্পশ করতেই তিনি বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে পড়ে যান। ফিরোজার চিৎকার শুনে নিলুফা উদ্ধারে এগিয়ে যান। এসময় তিনিও বিদ্যুৎস্পষ্ট হন। খবর পেয়ে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে দুই গৃহবধূকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনকেই মৃত ঘোষণা করেন। পরে দুজনের লাশ বাড়িতে আনা হয়। সেখানে হৃদয় বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ কবির জানান, দুই গৃহবধূ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন। পুলিশ মৃত্যু ব্যক্তিদের বাড়িতে রয়েছে। তাদের পরিবারের লোকজন ঢাকায় থাকেন। ঢাকা থেকে আসলে পরিবারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • গোপালগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ৭৭টি পরিবারের মাঝে সহায়তা প্রদান

    গোপালগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ৭৭টি পরিবারের মাঝে সহায়তা প্রদান

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে মুকসুদপুরে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ ৭৭টি পরিবারের মাঝে সহায়তা প্রদান করেছে জেলা প্রশাসন।

    আজ শনিবার (০৭ অক্টোবর) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম।

    পরে ৭৭টি পরিবারের মধ্যে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্থ ৪৪টি পরিবারকে ৩ বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ ১৬ হাজার টাকা এবং আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ ৩৩টি পরিবারকে ২ বান্ডিল ঢেউটিন ও নগদ ১৩ হাজার টাকা তুলে দেয়া হয়। এছাড়া চাউল, শুকনো খাবারসহ অন্যান্য খাবার তুলে দেয়া হয়।

    এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ জোবায়ের আহমেদ, উজানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শ্যামল কান্তি বোস, কাশালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামসহ জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকবৃন্দ ও ক্ষতিগ্রস্থরা উপস্থিত ছিলেন।

    বৃহস্পতিবার রাতে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ঘূর্ণিঝড়ে মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলার চারটি গ্রামের দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এরপর থেকে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে আসছে পরিবারগুলো।

    উজানী ইউপি চেয়ারম্যান শ্যামল কান্তি বোস বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার এক মিনিটের টর্নেডোতে মুকসুদপুর উপজেলার উজানী, গোহালা ও কাশালিয়া ইউনিয়নের ৭৭ পরিবারের শতাধিক বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়।

    গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো প্রতি ৩০ কেজি চাল ও নগদ ২ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়। আজ শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত ৭৭ টি পরিবারের মধ্যে ঢেউটিন, নতুন ঘর নির্মাণ ও মেরামত বাবদ নগদ টাকা ও শুকনা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। টর্নেডোতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সব সময় জেলা প্রশাসন আছে বলে জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের আশ্বস্ত করেন। #

  • ত্রিশালে টানা বর্ষণে পানিবন্ধী ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ইউএনও’র কন্ট্রোল রুম

    ত্রিশালে টানা বর্ষণে পানিবন্ধী ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ইউএনও’র কন্ট্রোল রুম

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    আকস্মিক ভারী বর্ষণে ময়মনসিংহের ত্রিশালের বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্ধী হয়ে পড়েছে।
    শতশত বসত ঘরে পানি প্রবেশের ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে।একই সাথে হাজার হাজার একর জমির ফসল বিনষ্ট হওয়াসহ ত্রিশালের বিস্তীর্ণ এলাকায় ফিসারীগুলো পানিতে ডুবে মৎস্য শিল্পের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে টানা বর্ষণের ফলে এমন ক্ষয়ক্ষতির কথা শুনে শুক্রবার সারাদিন পানিবন্ধী এসব এলাকার মানুষগুলোী খোজ নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জুয়েল আহমেদ।

    টানা বর্ষণে উপজেলার দুর্গত এলাকা পরিদর্শন করে বানভাসি মানুষের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিতে গিয়ে কোথাও গাড়ি নিয়ে আবার পায়ে হেঁটে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে পানিবন্ধী মানুষের দুঃখ, দুর্দশার কথা শুনছেন তিনি।

    ত্রিশালের কাঁঠাল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন কামাল জানান- তার এলাকা দড়ি কাঁঠালে বেশীর আবাদী জমি পানির নিচে
    তলিয়ে পড়ে। এতে ধান ক্ষেত ও মাছের ফিসারির ডুবে লক্ষলক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    একই সাথে তিনি দুর্গত এলাকা সমূহ পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোজ খবর নিয়ে তাদের সহযোগিতার লক্ষে ইতিমধ্যে প্রাকৃতিক দূর্যোগে জরুরী যোগাযোগের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে( ত্রান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ) কন্ট্রোল রুম খোলেছেন ইউএনও জুয়েল আহমেদ। দুর্গত এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি এসব এলাকায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরে আশ্রয় নেয়া শত শত পরিবারের খোজ খবরও নিয়েছেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য, ত্রিশালের প্রবীণ রাজনীতিবিধ ফজলে রাব্বি,কাঁঠাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরে আলম ছিদ্দিকী ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়ার লক্ষে
    উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের ত্রান ও দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগে কন্ট্রোল রুম খোলেছেন যেন ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতির পরিমাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে সরকারি সহযোগিতা দেওয়া যায়।