মোঃজুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালী থেকে চুরি হয়ে যাওয়া আলফা গাড়ী সহ জাকির হাওলাদার (৩৫) সুজন হাওলাদার (৩২) নামক চোরচক্রের দুই সদস্যকে আটক করেছে উজিরপুর মডেল থানার পুলিশ। ৭ অক্টোবার শনিবার মধ্যরাতে উজিরপুর মডেল থানার উপ পরিদর্শক তরুন কুমার ইচলাদী চেক পোষ্টে ওই দুই চোর সদস্যের কাছ থেকে আলফা গাড়ীটি আটক করেন। এ সময় আন্তজেলা গাড়ী চুরি চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় বলে ওই কর্মকর্তা জানান। পুলিশ আরো জানায়, পটুয়াখালীর সবুজ বাগ এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমানের আলফা গাড়ী গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে চুরি হয়ে যায়। বরগুনা জেলার আমতলী থানার ঘটখালী এলাকার দুলাল হাওলাদারের পুত্র জাকির হাওলাদার ও তার সহযোগী একই উপজেলার আঙ্গুলকাটা গ্রামের জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পুত্র সুজন হাওলাদার গাড়টি চুরি করে উজিরপুর উপজেলার জয়শ্রী গ্রামে নিয়ে আসার পথে পুলিশের হাতে আটক হয়। চুরির ঘটনায় পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা হওয়ার কারণে উজিরপুর থানায় আটককৃত জাকির হোসেন ও সুজনকে পটুয়াখালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন। উজিরপুর মডেল থানার ওসি আবু জাফর আহম্মেদ জানিয়েছেন তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে দুই আলফা চোরকে আটক করে চুরিয়ে যাওয়া আলফাটি উদ্ধার করা হয়েছে।
Blog
-

উজিরপুরে চোরাই আলফা সহ ২ চোর আটক
-

শিবরাম আলহাজ্ব মোঃ হোসেন স্মৃতি স্কুল এণ্ড কলেজে নবীন বরণ ও ওরিয়েন্টেশন ক্লাস
মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ সারা দেশের ন্যায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় শিবরাম আলহাজ্ব মোঃ হোসেন স্মৃতি স্কুল এণ্ড কলেজের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও ওরিয়েন্টেশন ক্লাস উদযাপন করা হয়েছে।
রবিবার সকালে ঐতিহ্যবাহী শিবরাম আলহাজ্ব মোঃ হোসেন স্মৃতি স্কুল এণ্ড কলেজের আয়োজনে কলেজ মিলনায়তনে এ-উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্ট কলেজ অধ্যক্ষ গোলাম আজম খাঁ’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সহকারী অধ্যাপক মোছাঃ ফরিদা পারভীন, সিনিয়র প্রভাষক তাজুল ইসলাম, প্রভাষক আবু তাহের প্রমূখ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,কলেজের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ। এর আগে ২০২৩-২০২৪ শিক্ষা বর্ষের একাদ্বশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। এখন থেকে নিয়মিত কলেজে পাঠদান কর্মসূচি চলবে।
-

আশুলিয়ায় নয়নজুলি খালসহ ৮টি খাল দখলদার জলাবদ্ধতা সৃষ্টিকারীদের কি হবে
হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় সরকারি নয়নজুলি খালসহ সরকারি ৮টি খাল দখল করে যারা এলাকাজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া হবে জাতি জানতে চায়? সরকারি রাস্তা-ঘাট ও খাল বিল যারা দখল করে রেখে জনগণের সমস্যা তৈরি করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান সচেতন মহল। সরকারি নয়নজুলি খালসহ ৮টি খাল প্রভাবশালীদের দখলে থাকলেও তা ৫০ বছরেও উদ্ধার করা হয়নি, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভুমিকায় থাকার কারণে এই খালগুলো উদ্ধার করতে পারেনি বলে এলাকাবাসী দাবি করে মানববন্ধন করেছেন।
গত দুইদিন সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে জামগড়া বেরুন এলাকায় জলাবদ্ধতায় জনগণের চরম ভোগান্তি, এর প্রতিবাদে গতকাল শনিবার আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনের (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মোঃ সারোয়ার হোসেনসহ শ্রমিক নেতারা পানির মধ্যে রাস্তায় দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেছেন। বিশেষ করে নয়নজুলি খালটি প্রভাবশালীদের দখলে থাকা ও অপরিকল্পিত বাড়ি ঘর নির্মাণ করার কারণে এই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের দাবি। এ বিষয়ে মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, ঢাকা-১৯ আসনের এমপি ডাঃ এনামুর রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।
তথ্যমতে, ১। নয়নজুলি খাল আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড জামগড়া হইতে আশুলিয়া তুরাগ নদী পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার, ২। নলীর খাল, ক্যান্টনমেন্ট হইতে বংশাই নদী পর্যন্ত ৬ কিঃ মিঃ, ৩। ডগরতলী খাল, ডগরতলী হইতে বারল খাল পর্যন্ত ৪ কিঃ মিঃ, ৪। বারল খাল, চক্রবর্তী হইতে বংশাইনদী পর্যন্ত ৬ কিঃ মিঃ, ৫। কন্ডার খাল, কন্ডা হইতে সুবন্দী পর্যন্ত ৩ কিঃ মিঃ, ৬। গাজীবাড়ী খাল, নন্দনপার্ক হইতে সুবন্দী পর্যন্ত ৫ কিঃ মিঃ, ৭। ভারারিয়ার খাল, শিমুলিয়া হইতে নলাম পর্যন্ত ৪ কিঃ মিঃ, ৮। গাজারিয়ার খাল, ইয়ারপুর হইতে মনসন্তোষ তুরাগ পর্যন্ত ৫ কিঃ মিঃ। মোট প্রায় ৪০ কিলোমিটার ৮টি খাল প্রভাবশালীদের দখলে থাকলেও রহস্যজনক কারণে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভুমিকায় রয়েছেন।
জানা গেছে, শুধু আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নে সামান্য বৃষ্টি হলে প্রায় পাঁচ শতাধিক বাসা বাড়ির ঘরের ভেতরে দূষিত পানি প্রবেশ করে, জামগড়াসহ বিভিন্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা। একদিকে ড্রেন ভেঙে পড়েছে, অন্যদিকে অপরিকল্পিত বাড়ি ঘর ও কল কারখানা নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় প্রতিদিন বাসা বাড়ির ময়লা পানি রাস্তায় ছেড়ে দেওয়ায় সেই পানিতে রাস্তার বেহাল অবস্থা সৃষ্টি হয়, এর কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিকসহ জনগণের চরম ভোগান্তি হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীরা জানায়। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে একাধিকবার মানববন্ধন করেন স্থানীয়রা তবুও কোনো ফায়দা হয়নি বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ঢাকার আশুলিয়ার নরসিংহপুর ও ঘোষবাগ এলাকার স্থানীয় মানুষজন একাধিকবার মানববন্ধন করেন, মানববন্ধনে নরসিংহপুর ঢাকা থাই লিমিটেডের দূষিত পানি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয়রা। অন্যদিকে আশুলিয়ার জামগড়া, ইউনিকসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়কের দুইপাশে ড্রেনের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেই, অন্যদিকে ফুটপাত হকারদের দখলে রয়েছে আর খোলা ড্রেন ভেঙ্গে পড়েছে, পাশে শত বছরের সরকারি নয়নজুলি খালটি প্রায় ৫০ বছরে ধরে প্রভাবশালিদের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে নয়নজুলি খালটি উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও এলাকার জনপ্রতিনিধিগণ। অন্যদিকে চোরে চোরে খালাতো ভাই, নয়নজুলি খালটির দুই পাশের জায়গা দখলের নতুন নতুন কৌশল করছে একটি মহল। খালের সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করে রেখেছে কোন খুঁটির জোরে তা জাতি জানতে চায়।
দেখা যায়, আশুলিয়ার জামগড়াসহ বেশিরভাগ রাস্তার পাশে বাঁশের মাচাল দিয়ে রেখেছে ড্রেনের উপর। মহাসড়ক ও শাখা রোডগুলোর বেশ কয়েকটি রাস্তায় মানুষের চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রায় বেশিরভাগ রাস্তার বেহাল অবস্থা। অন্যদিকে সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে অপরিকল্পিত ভাবে বাড়ি ঘর নির্মাণ করাসহ সরকারি রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে রেখেছে প্রভাবশালীরা, কিছু মার্কেটের মালিকরাও হকারদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে থাকেন দালাল চক্রের মাধ্যমে, সূত্র জানায়, জামগড়া পল্লীবিদ্যুৎ জোনাল অফিসের আওতায় অবৈধ স্থাপনায় অবৈধ ভাবে বিদ্যুৎ লাইন দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যান, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন নিরব ভুমিকায় থাকার কারণে এলাকাবাসী নাগরিক সুবিধা থেকে বি ত হচ্ছেন বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেছেন। আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার যুবলীগ নেতা আব্দুল জলিল (রাজন ভুঁইয়া) বলেন, আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখছি, এলাকায় অপরিকল্পিত বাসা বাড়ি নির্মাণ করা হয়েছে, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই, সেই সাথে পানি যাওয়ার যায়গা না থাকায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, নয়নজুলি খালটি উদ্ধার করা না হলে আশুলিয়ার নরসিংহপুরসহ পুরো আশুলিয়ার বাড়ি ঘর ও রাস্তায় পানি জমে থাকবে সবসময়। ঢাকা থাই লিমিটেডের এডমিন জিএম ফিরোজ সাহেব বলেন, আমাদের কোনো সমস্যা নেই, একাধিক পোশাক কারখানার দূষিত পানি গিয়ে এলাকার বাসা বাড়িতে ডুকে পড়ে এই অবস্থা হয়েছে, তিনি বলেন, রাজন মেম্বার এই এলাকায় এসে পরিদর্শন করেছেন, আমাদের করার কিছু নেই।
ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার হাজী হালিম মৃধা বলেন, আশুলিয়ার বাইপাইল থেকে জিরাবো সড়ক, জামগড়া-বাগবাড়ি রোড, জামগড়া-মধ্যপাড়া থেকে শাহজাহান মার্কেট পর্যন্ত এবং জামগড়া হেয়ন মোড় থেকে মনির মার্কেটের রাস্তার মুখ পর্যন্ত, জামগড়া-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রোড ও মোল্লাবাড়ি রোডসহ বিভিন্ন রোডের পাশে অনেকেই অপরিকল্পিত ভাবে বাড়ি ঘর উঁচু করে নির্মাণ করায় রাস্তা নিচু হয়েছে, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়ার বাসা পর্যন্ত পাকা রাস্তায় সবসময় পানি জমে থাকে। সেই সাথে এলাকার কিছু বাড়ি ও পোশাক কারখানার ময়লা পানি রাস্তায় ছাড়ার কারণে প্রায় সময় নিচু রাস্তায় সেই পানি জমে থাকে। রাস্তা দেখে মনে হয় ড্রেনের মতো, জমে থাকা ময়লা পানি গাড়ির চাকায় ঢেউ খেলে রাস্তায়। বৃষ্টি না হলেও রাস্তায় পানি জমে থাকে আর বৃষ্টি হলেতো ভিন্ন চিত্র, রাস্তায় হাটু পানি হয়।
আশুলিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম খাঁন (লিটন) বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান ও উপজেলা প্রশাসনকে এলাকার সমস্যার বিষয়ে জানানো হয়েছে, তারা নয়নজুলি খাল ও রাস্তা পরিদর্শন করলেও কোনো কাজ হয়নি। তিনি আরও বলেন, রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে যারা নামাজের সময় মসজিদে আসা যাওয়া করেন তাদের নানারকম সমস্যা হয়। তিনি আরও বলেন, এলাকার মসজিদের সাথে সংযুক্ত রাস্তা নির্মাণ কাজ করাসহ ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা হোক এবং নয়নজুলি খালটি উদ্ধার করা হলে এই সমস্যার সমাধান হবে।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র চেয়ারম্যান এস. এম নজরুল ইসলাম বলেন, আমি নিজে আশুলিয়া এলাকায় পরিদর্শন করেছি, বর্তমান সরকার পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন এর জন্য বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ কিন্তু আশুলিয়া ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়াসহ বিভিন্ন রাস্তার বেহাল অবস্থা, ড্রেনেজ ব্যবস্থাও ভেঙ্গে পড়েছে। শত বছরের সরকারি নয়নজুলি খালটি প্রায় ৫০ বছরেও উদ্ধার হয়নি। বিশেষ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান, ঢাকা-১৯ আসনের এমপি’র এলাকা এটি, এই এলাকায় রাস্তার বেহাল অবস্থা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। বৃষ্টি না থাকলেও রাস্তায় নোংরা পানি জমে থাকে সবসময়, এই সমস্যা দেখবে কে? এ ব্যাপারে এলাকার কয়েক লক্ষ শ্রমিক ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রতিমন্ত্রী’র হস্তক্ষেপ কামনা করছি, দ্রুত যেন এই নাগরিক সমস্যার সমাধান করেন প্রতিমন্ত্রী সাহেব। -

ঝিকরগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু
আজিজুল ইসলামঃ মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে সাগর হোসেন নামে ২৪ বছরের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
শনিবার সকালে সাড়ে সাতটার দিকে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাগর মনিরামপুর উপজেলার দোলনগর গ্রামের আরসাদ আলীর ছেলে। ঘটনার পর পরই নাভারন হাইওয়ে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করে।নিহত সাগর ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চড়ে যশোর যাওয়ার পথে ঝিকরগাছা উপজেলার মোড়ে আসার পর অজ্ঞাতনামা একটি মোটরসাইকেলকে পাশ দিতে যেয়ে পিছন থেকে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তার এন আই ডি কার্ডে ঢাকা যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ কুতুবখালীর ঠিকানা দেয়া রয়েছে।
নাভারন হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান – মরদেহ ঝিকরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। তার আত্মীয়-স্বজন আসলেই লাশ হস্তান্তর করা হবে।
-

সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে লিফলেট বিতরন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন লায়ন মানিক
রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
নোয়াখালী ২ আসনে বর্তমান
আওয়ামীলীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড নিয়ে লিফলেট বিতরন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করলেন, পরিচ্ছন্ন রাজনীতির ধারক ও বাহক,শহীদ তরিক উল্যা বীর বিক্রমের জৈষ্ঠপুত্র, সানজি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সেনবাগ উপজেলা আওয়ামীলীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক (সিআইপি)। ৭ অক্টোর শনিবার বিকেলে উপজেলার ছমিরমুন্সীর হাটে প্রায় ৩ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে উক্ত লিফলেট বিতরন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন লায়ন জাহাঙ্গীর আলম মানিক( সিআইপি)। এসময় তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে পুরো বাজার প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে উক্ত লিফলেট বিতরন করেন। -

দুর্গাপুজা উপলক্ষে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
ময়মনসিংহে শারদীয় দুর্গাপুজা উপলক্ষে সিটি করপোরেশন (মসিক) আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (৭অক্টোবর) বিকেল ০৪ টায় সিটি করপোরেশনের শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন (মসিক) এর উদ্যোগে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন মসিক মেয়র মোঃ ইকরামুল হক টিটু।
সভাপতির স্বাগত বক্তব্যে মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাস্তবায়ন ঘটেছে। প্রত্যেক ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করতে পারছেন।
তিনি আরও বলেন, আসন্ন দুর্গাপূর্জা উৎসবমূখর ও সুষ্ঠু উদযাপনে ইতোমধ্যে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। বিভিন্ন সড়কের আলোকিতকরণ সহ বিভিন্ন সড়কে চলমান উন্নয়নকাজ পূজার পূর্বে শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক রেকর্ড
বৃষ্টিতে এ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হলেও পূজার পূর্বে এসব কাজ সমাপ্ত করা হবে।মেয়র তার বক্তব্যে সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৮৮ টি পূজা মণ্ডপের প্রতিটিতে আর্থিক সহযোগিতা এবং সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপনে সহযোগিতার ঘোষণা দেন। এছাড়াও তিনি তার বক্তব্যে পূজা সুষ্ঠু উদযাপনে নারী পুরুষের আলাদা লাইন করা, নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য ফেলা, ওয়ান টাইম প্লেট গ্লাস ড্রেনে না ফেলা, সড়কের কোন বৈদ্যতিক লাইন থেকে সরাসরি বিদ্যুৎ না নেওয়া, প্যান্ডেল বানানোর জন্য সিটির কোন সড়কে খোঁড়াখুড়ি না করার জন্য অনুরোধ করেন।
সাজসজ্জা, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়কে বিবেচনা করে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন সিটির ৫ টি মণ্ডপকে পুরস্কৃত করবে বলেও তিনি ঘোষণা দেন। এছাড়াও তিনি জানান, এ বছরও কাচারি ঘাটে বিসর্জন ঘাট করা হবে। এ জন্য ইতোমধ্যে প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
আসন্ন দুর্গোৎসব সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখরভাবে উদযাপনের জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সুষ্ঠু ও উৎসবমূখর উদযাপনে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন সবসময়ের মত এ বছরও পাশে থাকবে।
মতবিনিময় সভায় মসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইউসুফ আলী, প্যানেল মেয়র ০১ মোঃ আসিফ আলী ডন সহ অন্যান্য কাউন্সিলরবৃন্দ, মসিক সচিব মোঃ আরিফুর রহমান সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ, কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ কামাল আকন্দ, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ময়মনসিংহ রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী সন্ততানন্দ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এড. রাখাল চন্দ্র সরকার, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট তপন চন্দ্র দে, মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রশান্ত কুমার রায় চন্দন, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শংকর সাহা, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উত্তম চক্রবর্তী রকেট, মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পবিত্র রঞ্জন রায় সহ পূজা মণ্ডপের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
-

অভিভাবকহীন সুজানগর ছাত্রলীগ
এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা) ঃ কমিটি ছাড়াই চলছে পাবনার সুজানগর উপজেলা, পৌর,উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কার্যক্রম । ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভাতৃপ্রতিম এই সংগঠনটির উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও কলেজ শাখার কমিটি নেই তিন মাসের অধিক সময় ধরে। কবে নাগাদ কমিটি গঠন হবে সেটিও পরিষ্কার নয়। মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই প্রায় ৬ বছর ধরে চলছিল উপজেলা ও পৌর কমিটি। গত জুলাই মাসের ৮ তারিখে কোনো আহ্বায়ক কমিটি না করে ওই কমিটিও বিলুপ্ত করা হয়। বর্তমানে উপজেলা ছাত্রলীগ হয়ে পড়েছে অভিভাবকহীন। এতে স্থানীয় পর্যায়ে ছাত্রলীগের স্বাভাবিক কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে এবং সকলের মাঝে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা সংগঠনটিকে গতিশীল করতে অবিলম্বে সুজানগরে ছাত্রলীগের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত করার দাবি জানিয়েছেন। দলীয় সূত্রে জানাযায়, ২০১৭ সালের ৯ ডিসেম্বর সর্বশেষ সুজানগর উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। তখন এক বছর মেয়াদের জন্য সুজানগর উপজেলা ছাত্রলীগের জাহিদুল ইসলাম তমাল সভাপতি ও শেখ তুষার সাধারণ সম্পাদক এবং পৌর ছাত্রলীগের এস এম সোহাগ সভাপতি ও শাহরিয়ার সুমন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর দীর্ঘ ৬ বছর তারা উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দেন। জেলা ছাত্রলীগ সূত্র জানায়, কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এবং সংগঠনের নেতা-কর্মীদের কর্মতৎপরতা কমে যাওয়ায় গত জুলাই মাসে উপজেলা, পৌর, উপজেলার সকল ইউনিয়ন ও কলেজ শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। কমিটি বিলুপ্ত করার পর ওই সময় সংগঠন পরিচালনায় কোনো আহ্বায়ক কমিটি গঠন না করায় নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়ে উপজেলা ছাত্রলীগ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিলুপ্ত হওয়া কমিটির এক ছাত্রলীগ নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আমাদের না জানিয়ে কমিটি বিলুপ্ত করা করা হয়েছে। অথচ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচলনা করতে একটি আহ্বায়ক কমিটি করা যেত। সেটিও করা হয়নি। এখানে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক অবস্থা শক্তিশালী তবুও সংগঠন পরিচালনায় নেতৃত্বের বিকল্প নেই। উপজেলা ছাত্রলীগ কবে নতুন নেতৃত্ব পাবে আমরা বুঝে উঠতে পারছিনা। অপর এক ছাত্রলীগ নেতা বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আমরা বেশি কিছু চাই না। অন্তত নিজের যোগ্যতা অনুযায়ী দলের পদ প্রত্যাশা করি। তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই নতুন কমিটি হবে এমন আশায় বুক বাঁধছেন স্থানীয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক মীর রাব্বিউল ইসলাম সীমান্ত শনিবার বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এবং সংগঠনের গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শীঘ্রই কর্মীসভার মাধ্যমে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি । -

ঢাকা-১৯ আসনের এমপি-ডাঃ এনামুর রহমানের সাথে আলেম-ওলামাদের মতবিনিময় সভা
হেলাল শেখঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের মনোনয় প্রত্যাশী আবারও ঢাকা-১৯ আসনের এমপি আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান সাভার আশুলিয়ায় সম্মানিত আলেম-ওলামা ও মসজিদের ইমাম’সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন। তিনি ধারাবাহিক ভাবে নৌকা মার্কার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ঢাকা-১৯ আসনের এমপি এবং ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান এনাম আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী, তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছেন বলে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ ও আওয়ামী লীগসহ দলীয় নেতা কর্মীদের অভিমত প্রকাশ।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ আসনের সাভার আশুলিয়ায় নির্বাচনী এলাকায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান ধারাবাহিক ভাবে গত এক বছর আগে থেকেই নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র আস্থাভাজন আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান এমপি ঢাকা-১৯, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নৌকা মার্কায় ভোট চাইতে দেখা যাচ্ছে। সেই সাথে ঢাকা-১৯ আসনের নির্বাচনী এলাকাগুলোতে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে ডাঃ এনামুর রহমান গণসংযোগ করছেন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের সাথে, দিনে রাতে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, ঢাকা-১৯ আসনের এমপি, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি জনাব আলহাজ্ব ডাঃ এনামুর রহমান গণমাধ্যকে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দিবেন বলে তিনি আমাকে নৌকা মার্কায় ভোট চাইতে বলেছেন, তাই নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট চাচ্ছি, তিনি আরো বলেন, আমাদের নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই। তিনি আরো বলেন, সকলের প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি যে, সবাই হিংসা বিবাদ ভুলে গিয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কার বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন, তিনি আরো বলেন, আমি আশাবাদী আল্লাহ চাইলে জনগণের ভোটে আবারও নৌকা মার্কার বিজয় নিশ্চিত হবে ইনশাআল্লাহ।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ডাঃ এনামুর রহমান এমপি’কে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী করার পর থেকে এলাকাবাসী তাকে আবারও ভোট দিয়ে বিজয়ী করে এমপি হওয়ার পর সরাসরি মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। অনেকেই বলেন, আমাদের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত ১০ বছরে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নাই। পোশাক কারখানার মালিকসহ ব্যবসায়ীদের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী ও দলীয় নেতা কর্মীদেরও তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নাই। তবে কিছু এলাকার রাস্তা-ঘাটের বেহাল অবস্থা, সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তায় হাটু পানি হয় এমন অভিযোগ রয়েছে। সাভার আশুলিয়ার জামগড়া ও ভাদাইলসহ বিভিন্ন এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য আবারও নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে বলে দাবী করেন দলীয় নেতা কর্মীসহ ডাঃ এনামুর রহমান এমপি সাহেব।
সাভার উপজেলা আওয়ামীলীগ ও আশুলিয়া থানা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ গত ৭ দিন ধরে ঢাকা-১৯ আসনের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন সাভার ও আশুলিয়ার গণমানুষের নেতা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান এমপি’র পক্ষে। এই মানুষটিকে দিন রাত নৌকা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করে সবার কাছে দোয়া চাইতে দেখা যায়। এই আসনটিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আরো একাধিক ব্যক্তি রয়েছে, (স্বতন্ত্র) বিএনপি’সহ বিরোধী দলগুলোর তেমন মাঠে দেখা যাচ্ছে না বলে এলাকাবাসী জানায়। অনেকেই বলেন, ডাঃ এনামুর রহমান ভালো মানুষ, তাই তাঁকে আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দিলে ভালো হবে, এলাকার সকল জনগণ রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারবে। অনেকেই বলেন, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ডাঃ এনামুর রহমান এমপি সাহেব জনগণের কাছে ভালো মানুষ ও একজন সেবক হিসেবে পরিচিত, তিনি জনপ্রিয়তায় শীর্ষে আছেন, তাই আবারও তাকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছেন মানবতার ফেরিওয়ালা ডাঃ এনামুর রহমান সাহেব। -

আশুলিয়ায় মান্নান ভুঁইয়া গং ও ফারুক খান গংদের জমি নিয়ে বিরোধে বড় ধরণের সংঘর্ষের আশঙ্কা
হেলাল শেখ ঃ ঢাকা জেলার আশুলিয়ার নরসিংহপুরের আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া গং ও ফারুক খান গংদের সাথে জমি নিয়ে বিরোধে আদালতে মামলা চলমান থাকলেও দুই পক্ষ আদালতের আদেশ অমান্য করে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পূর্ব নরসিংহপুরে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এ ঘটনায় যেকোনো সময় দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরণের সংঘর্ষ হতে পারে বলে এলাকাবাসী জানায়।
জানা গেছে, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন ইয়ারপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের পূর্ব নরসিংহপুরের মৃত হাজী ফৈজদ্দিন ভুঁইয়া’র ছেলে আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া গংদের জমি খতিয়ান নং ২২১৩, জোত নং ২২১২, দাগ নং ২৭/৩০, জমির পরিমাণ ১৬০০, ৫৩০০=৬৯০০। এই জমির ভেতর ৯৯ শতক (৩ বিঘা জমি) দখল করে স্থাপনা তৈরি করেছেন স্থানীয় ফারুক খান গংরা এমনটি অভিযোগ করেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ১। ইয়াকুব আলী খান গং, ২। মোহাম্মদ ফারুক খান গং, ৩। মোঃ সিদ্দিক খান গং একটি সাইনবোর্ড দিয়েছেন, তারা লিখেছেন যে, পৈত্রিক সুত্রে এই মার্কেট ও বাড়ির মালিক, অথচ বর্তমানে বি. এস দাগ নং ১৭০৫ এবং ১৭০৬। প্রকৃতপক্ষে এই জমির মালিক কে বা কারা জানতে চাইলে মোহাম্মদ ফারুক খান গং শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই মার্কেট ও বাড়ির দখলদার হিসেবে মালিক আমরা। আমাদের এই মার্কেট ও বাড়ি নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। উক্ত মার্কেট ও বাড়ির জমির এস. এ,/আর. এস জোত এর কাগজপত্র দেখাতে বললে তিনি তা দেখাতে পারেননি। তবে তার মাথার উপর দেখা যায়, তিনি একজন এমপি প্রার্থী।
এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজন অনেকেই বলেন, ঢাকা-১৯ এর সাভার ও আশুলিয়া আসনে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা জেলা সভাপতি, সম্ভাব্য এমপি প্রার্থী হাত পাখা মার্কার মোহাম্মদ ফারুক খান। জমি দখল ও আদালতে মামলার বিষয়ে এমপি প্রার্থী ফারুক খান শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন যে, আমি দখলদার এই জমির মালিক আর আমাদের এই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। আমার বাড়িতে ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ জলিল উদ্দিন (রাজন ) ভুঁইয়া তাদের লোকজন নিয়ে এসে বাড়ি ঘর দখল করার চেষ্টা করেন, এসময় আমাদের বাড়ির ১৫-২০ জন ভাড়াটিয়াকে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছেন তারা। আমি আশুলিয়া থানায় এ বিষয়ে জিডি করেছি, পুলিশ এসে তদন্ত করেছে, আমি এখন নিরাপত্তাহিনতায় রয়েছি। যেকোনো সময় আবারও আমাদের উপর হামলা করতে পারে তারা।
আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের (জিরাবো) পূর্ব নরসিংহপুরের মৃত হাজী ফৈজদ্দিন ভুঁইয়ার ছেলে ১। ছায়েদ আলী ভুঁইয়া, ২। আব্দুল বারেক ভুঁইয়া, ৩। আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া, ৪। আপেল মাহমুদ ভুঁইয়া, ৫। আব্দুল কুদ্দুস ভুঁইয়া, ৬। মোঃ জামাল ভুঁইয়া গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকে বলেন, ৯৯ শতক জমির উপর মার্কেট ও বাড়ি ঘর ও জমি আমাদের। আমরা কোনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ নয়, এই জমির সকল কাগজপত্র আছে আমাদের কাছে। ফারুক খান গংদের সাথে আমাদের মামলা চলছে প্রায় ১৯ বছর ধরে, সেই মামলার রায় পেয়েছি আমরা, সূত্র পিটিশন মামলা নং ১৬৯/২০০৬। এই মামলার ১ম পক্ষ হাজী আঃ মান্নান বনাম মোঃ সিদ্দিক খা গং। আব্দুল মান্নান ভুঁইয়া গং জানান, এই মার্কেট ও বাড়ির জমির মামলার রায় আমাদের পক্ষে আসছে ১৪/০৮/২০২৩ইং তারিখ। আমাদের সকল কাগজপত্র আছে তবুও ফারুক খান গং কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহযোগিতায় আমাদের জমি জবরদখল করে রাখছে।
আশুলিয়ার ৪নং ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৬নং ওয়ার্ডের মেম্বার ও ইয়ারপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জলিল উদ্দিন (রাজন) ভুঁইয়া গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি জনপ্রতিনিধি হয়েও ফারুক খান গংদের কাছ থেকে আমাদের মার্কেট ও বাড়ির জমি উদ্ধার করতে পারছি না, তাহলে সাধারণ মানুষের সাথে এমন কিছু করলে ফারুক খান গংদের সাথে পারবে কি করে। আমি যুবলীগ করি এবং ইউপি সদস্য হয়েছি, জনগণ আমাকে ভালোবাসে বলেই আমাকে তারা ভোট দিয়ে মেম্বার নির্বাচিত করেছেন। তাই অনেকেই আমাকে নিয়ে হিংসা করেন। তিনি আরও বলেন, আমার নাম জড়িয়ে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, আমি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ যানাচ্ছি, তিনি আরো বলেন, এরপর যদি আমার বিরুদ্ধে কেউ অপপ্রচার চালায়, আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।
এ ব্যাপারে পুলিশ ও র্যাব জানায়, আদালতের আদেশ অমান্যকারী অপরাধী আর অপরাধী সে যেইহোক না কেন, কোনো অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না। উক্ত ব্যাপারে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ করা হবে। -

স্বরূপকাঠিতে নিখোঁজের চার দিন পর যুবকের মাটিচাপা লাশ উদ্ধার
আনোয়ার হোসেন,
স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে নিখোঁজের চার দিনের মাথায় মোঃ হাসানুর রহমান অপু (৩৫) নামে এক যুবকের মাটিচাপা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে দক্ষিন সেহাংগল (সুন্দর) গ্রামের রুমান শেখ এর বাড়ির খড়ের গাদার পাশ থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা রুমানের মা লিপি বেগম বোন সুমনা আকতার ও ভাইয়ের মেয়ে সাদিয়া আক্তারকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।সরেজমিনে জানা যায় সমেদয়কাঠি ইউনিয়নের সেহাংগল গ্রামের সাবেক ব্যাংক কর্মচারী খুলনা প্রবাসী আঃ জব্বারের ছেলে মোঃ হাসানুর রহমান অপুকে গত বুধবার একই গ্রামের সাবেক মেম্বর মকবুল হোসেন শেখের ছেলে রুমান ডেকে নেয় বলে জানান নিহতের মামাতো ভাই আজাদ। সেই থেকে অপু নিখোঁজ রয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে ওই গ্রামের জহির নামের এক ছেলে রুমানের বাড়ির পাশের বাগানে সুপারি পাড়তে গেলে দুর্গন্ধ পায়। পরে জহির বিষয়টি পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসার সামনে থাকা লোকজনকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে লাশ দেখতে পেয়ে ডাক চিৎকার দেয়। এ সময় ডাক চিৎকার শুনে শত শত মানুষ ঘটনাস্থলে ছুটে এসে অপুর লাশ দেখে বিক্ষুব্ধ হয়ে রুমানের ঘর ঘেরাও করে এবং দুইটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয় । পরে স্থানীয়রা রুমানের মা লিপি বেগম, বোন সুমনা আকতার ও ভাতিজি সাদিয়া আক্তারকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অপুর লাশ উদ্ধার করে ও আটককৃতদের থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকে রুমান পালাতক রয়েছে। লাশ উদ্ধারের খবর পেয়ে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মো. শফিউর রহমান ও সহকারী পুলিশ সুপার (নেছারাবাদ- কাউখালী সার্কেল) সাবরিনা মেহেবুব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ রিপোর্ট লেখার সময় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয় নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) থানার ওসি মো. ছরোয়ার হোসেন জানান লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রসঙ্গত দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী রুমান এরপূর্বে সেহাংগলের মা-মেয়ে জোড়া খুনের প্রধান আসামী ছিলেন। ওই মামলায় জামিনে থেকে এলাকায় নানা প্রকার অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে।