Blog

  • লাঙ্গল নিয়ে স্মার্ট ত্রিশাল উপজেলা গড়তে চান নাফিজ মাহবুব

    লাঙ্গল নিয়ে স্মার্ট ত্রিশাল উপজেলা গড়তে চান নাফিজ মাহবুব

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

    ময়মনসিংহ -৭ আসনের (ত্রিশাল) সংসদ সদস্য হতে চান জাতীয় পার্টির জাতীয় প্রস্তুতি কমিটির সদস্য,জাপা -চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য তরুণ রাজনীতিবিধ,পল্লীবন্ধুর আদর্শের রাজপথ যোদ্ধা, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বস্ত সৈনিক নাফিজ মাহবুব।

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি এ আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন চাচ্ছেন। পল্লীবন্ধুর দুঃসময়ের সময় তিনি সাবেক ফাস্ট লেডি ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ এমপির সাথে থেকে সাবেক রাষ্ট্র নায়ক আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগীতা করেছেন নাফিজ মাহবুব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পার্টি প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাকে ঘিরে উজ্জীবিত স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

    ত্রিশাল উপজেলা জাতীয় পার্টির কয়েকজন শীর্ষ নেতারা বলেন, বিনয়ী ও ভদ্র রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিত নাফিজ মাহবুব বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে সাড়া ফেলেছেন। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তেও কাজ করে যাচ্ছেন।নিরবে নিবৃত্তে সহযোগিতা করেছেন অসহায় জনগণকেও। দেশ ব্যাপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আপদে-বিপদে পাশে দাঁড়াচ্ছেন।

    মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে নাফিজ মাহবুব বলেন, করোনাকালে নিজ অর্থে মানুষের জন্য কাজ করেছি। এখন স্মার্ট ত্রিশাল গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। আমি মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী। জাডীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি যদি ত্যাগীদের মূল্যায়ন করেন তাহলে আমি মনোনয়ন পাবো। আমি অবহেলিত ত্রিশাল উপজেলাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই উপজেলার বেকারদের। তরুণদের সাথে নিয়েই গড়তে চাই স্মার্ট ত্রিশাল।

    ত্রিশালের জাতীয় পার্টির জনপ্রিয় রাজনৈতিক
    নাফিজ মাহবুব জাতীয় পার্টির জাতীয় প্রস্তুতি কমিটির সদস্য,জাপা -চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয় কমিটি সদস্য, ভাওয়াল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির ও বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব,
    উত্তরা মিডিয়া ক্লাব, ঢাকা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক,
    বাংলাদেশ ভারত সাংস্কৃতিক মৈত্রী এর মুখপাত্র ও যুগ্মসাধারণ সম্পাদক, শিকড় বাংলাদেশ এর
    প্রেসিডিয়াম মেম্বার, ময়মনসিংহ বিভাগ যুব সমিতি ঢাকার আজীবন সদস্য, নবজাগরণ কালচারল পরিষদ এর সহসভাপতি ছাড়াও আরো অনেক সামাজিক সংগঠনের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করে দেশ মাতৃকায় নিজেকে নিয়োজিত রেখে নীরবে মানবিক কাজ করে যাচ্ছেন।

  • সুজানগরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের উদ্বোধন

    সুজানগরে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ সুজানগরে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সুজানগর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সেলিম মোরশেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক রকিবুল হক, সহকারী শিক্ষক রইচ উদ্দিন খান বাবু,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর আমিরুল ইসলাম ও কঞ্জারভেন্সী ইন্সপেক্টর হাসান উদ্দিনসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি।

  • ভারশোঁ ইউপিকে পৌরসভায় উন্নীত করণের দাবি

    ভারশোঁ ইউপিকে পৌরসভায় উন্নীত করণের দাবি

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী মান্দার ভারশোঁ ইউনিয়নের(ইউপি)আমজনতার প্রাণের দাবি তাদের ইউনিয়নকে পৌরসভায় উন্নীত করা হোক। ইউপিবাসী তাদের এই স্বপ্ন পুরুণে স্থানীয় সাংসদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তাদের ভাষ্য, তানোর প্রায় ৬০ লাখ টাকা ইজারা মুল্যের ৩টি হাট নিয়ে এবং মুন্ডুমালা প্রায় দেড় কোটি টাকা ইজারা মুল্যের একটি হাট নিয়ে পৌরসভা হয়েছে। তাহলে ভারশোঁ ইউপি প্রায় ১৪ কোটি টাকা মুল্যর ঐতিহ্যবাহী চৌবাড়িয়া হাট নিয়ে কেনো পৌরসভা হবে না। এদিকে ভারশোঁ ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও একটানা পর পর দুইবার নির্বাচিত একমাত্র ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন অবহেলিত ভারশোঁ ইউপির উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এছাড়াও আগামিতে ভারশোঁ ইউপিকে পৌরসভায় রুপান্তরিত করার প্রত্যাশা করে সকলের কাছে সহযোগিতা কামনা করেছেন। এদিকে মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে দৃশ্যমান বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ শুরু করায় নাগরিক সেবার মান বেড়েছে। ইউপি ভবনের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। রাতে চুরি-ডাকাতি-ছিনতাই প্রতিরোধে ইউপির প্রধান সড়কে পাহারা বসানো হয়েছে।আবার প্রতিটি উন্নয়ন কাজের তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচারের পাশাপাশি পরিষদের নোটিশ বোর্ডে ঝোলানো হচ্ছে। একজন জনপ্রতিনিধির কতটা স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সৎ সাহস থাকলে এমনটা করতে পারেন ইউপি চেয়ারম্যান সুমন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ইতমধ্যে স্থানীয় সাংসদ ও সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ এমাজ উদ্দিন প্রামানিকের সার্বিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনায়
    ভারশোঁ ইউপির চৌবাড়িয়া হাটের উন্নয়নসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেক দৃশ্যমান উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং অনেক কাজ দ্রুত গতিয়ে এগিয়ে চলেছে। ফলে নাগরিকগণ দীর্ঘদিন পর ইউপি ভবন থেকে তাদের কাঙ্খিত সেবা পেতে শুরু করেছে। এদিকে ইউপির বিভিন্ন প্রত্যন্ত পল্লী এলাকায় সাবমার্শিবুল পাম্প স্থাপন, প্রটেকশান ওয়াল ও ড্রেন নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হওয়ায় এসব এলাকার নাগরিকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। বিগত কুড়ি বছরে যতটুকু উন্নয়ন হয়নি ইউপি চেয়ারম্যান সুমন তার সময়ে সেই উন্নয়ন কাজ ছাড়িয়ে গেছে বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।
    সম্প্রতি ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কালিসফা গ্রামের হঠাৎপাড়া (আশ্রয়ণ প্রকল্প) যাতায়াতের রাস্তা এইচবিবিকরণ কাজের উদ্বোধন করেছেন চেয়ারম্যান সুমন। এ সময় তিনি বলেন, আপনাদের দোয়ায় পর পর দুবার ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। আগামি দিনেও আমি আপনাদের পাশে থেকে আপনাদের সঙ্গে নিয়ে পথ চলতে চাই। তিনি বলেন, আগামিতে ভারশোঁ ইউপিকে পৌরসভায় উন্নীত করে এই জনপদের মানুষের জীবন মানোন্নয়নে আরো বেশি কাজ করতে চাই।
    জানা গেছে, ভারশোঁ ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন ইউপির সর্বস্থরের নাগরিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও তাদের সহযোগীতায় এলাকার উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা ঘোষণা দিয়ে বাস্তবায়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসুচি গ্রহণ করেছেন। সূত্র জানায়, টিআর-কাবিখা, জিআর-কাবিটা, কর্মসুজন কর্মসূচি, এলজিএসপি ও ডাসকোর সহায়তায় এলাকায় মজা পুকুর পুনঃখনন, সাবমার্শিবুল পাম্প স্থাপন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উচ-নিচু বেঞ্চ, টিফিনবক্স, বৈদ্যুতিক পাখা, খেলা-ধূলার সামগ্রী বিতরণ করেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় পুকুর পাড়ে প্রটেকশান ওয়াল নির্মাণ ও এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ, ড্রেন-কালভ্রাট নির্মাণ, পাকা পুকুর ঘাট
    এবং নতুন মাটির রাস্তা নির্মাণসহ দৃশ্যমান বহু উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন করেছেন। ওদিকে ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে ইউপির সাধারণ মানুষ নূন্যতম খরচে আধূনিক সেবা পাচ্ছেন। অপরদিকে ইউপির বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা আলোকরণ কাজ শুরু করেছেন যা চলমান রয়েছে। ইউপির বিভিন্ন এলাকায় জনবহুল মোড়ে মোড়ে দৃষ্টিনন্দন স্ট্রিষ্ট ল্যাম্প পোস্ট (সৌরবিদ্যুৎ) স্থাপন করা হচ্ছে। এসব ল্যাম্প পোস্ট স্থাপন সম্পন্ন হলে প্রত্যন্ত পল্লীর জনসাধারণগণ শহরের সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়াও মাতৃত্বকালীন ভাতা, বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ইত্যাদি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি প্রায় দ্বিগুন করা হয়েছে। এসব কর্মকান্ড সফল ভাবে সম্পন্ন করা হলে
    ভারশোঁ ইউপি মডেল ইউপিতে রুপান্তরিত হবে। এব্যাপারে ভারশোঁ ইউপি আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান সুমন বলেন, স্থানীয় সাংসদ ও সাবেক মন্ত্রী জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ এমাজ উদ্দিন প্রামানিক মহোদয়ের সার্বিক সহযোগীতায় ভারশোঁ ইউনিয়ন পরিষদ ইউপিকে আধূনিক ইউপিতে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন,আগামিতে ভারশোঁ ইউপিকে পৌরসভায় উন্নীত করা হবে ইনশাল্লাহ্।তিনি বলেন, পৌরসভায় উন্নীত হলে ভারশোঁর জনগণের ট্যাক্স ব্যতিত শুধুমাত্র হাট-ঘাট-পুকুর ইত্যাদি থেকে আদায়কৃত রাজস্বের টাকার উন্নয়নে ভারশোঁকে দেশের মডেল পৌরসভায় উন্নীত করা সম্ভব। তিনি বলেন, উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে চলমান উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তিনি সকলকে নৌকা প্রতিকের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে আগামিতে আবারো নৌকার নিরঙ্কুশ বিজয় ঘটাতে সকলকে প্রস্তুত থাকার আহবান জানান।#

  • স্বরূপকাঠিতে হাসানুর রহমান অপু হত্যার বিচার ও খুনীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

    স্বরূপকাঠিতে হাসানুর রহমান অপু হত্যার বিচার ও খুনীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি //

    পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে মোঃ হাসানুর রহমান অপু হত্যার বিচার ও খুনীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। রবিবার বেলা ১০টার দিকে স্বারূপকাঠি উপজেলা সড়কে স্বরূপকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে সমুদয়কাঠি ইউনিয়নের সাধারণ জনগন ও নিহতের স্বজনরা মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। এর পরে হাসানুর রহমান অপু হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

    মানববন্ধনে নিহতহ হাসানুর রহমান অপুর মামাতো ভগ্নিপতি সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম মনির এবং চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম রিপন তাদের বক্তব্যে হত্যাকারীদের অবিলম্বে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারের দাবি জানান।

    এসময় সমুদয়কাঠি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বলেন, হাসানুর রহমান অপু হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।খুনিদের শাস্তি হাওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরে যাব না।সুমুদায়কাঠি ইউনিয়নে কোন সন্ত্রাসীর স্থান হবে না কোন মাদক কারবারীর স্থান হবে ন। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন। শাহজাহান বেপারী, মনিরুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য সোহেল, শাহ আলম প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, গত বুধবার দক্ষিণ সেহাংগল সুন্দর গ্রামে সাবেক ব্যাংক কর্মচারী খুলনা প্রবাসী আঃ জব্বারের ছেলে মোঃ হাসানুর রহমান অপু নিখোঁজ ছিলো। গতকাল শনিবার সকালে ওই গ্রামের জহির নামের এক ছেলে রুমানের বাড়ির পাশের বাগানে সুপারি পাড়তে গেলে দুর্গন্ধ পায়। পরে জহির বিষয়টি পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসার সামনে থাকা লোকজনকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রুমানের বাড়ির পেছনে খড়ের গাদায় মাটি খুঁড়ে অপুর লাশ দেখতে পায়।

    স্বরূপকাঠি কাউখালি সার্কেল সহকারি পুলিশ সুপার সাবিহা মেহবুবা জানান, হাসানুর রহমান অপু হত্যাকান্ডে পাচজনকে আসামী করে নেছারাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। প্রথমদিকে হত্যার মুল অভিযুক্ত রুম্মান শেখ পলাতক ছিল। পরে ওই দিনই বিকেলে চট্টগ্রামের পাহাড়তলি থেকে রুম্মান সহ তার এক সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপূর্বে রুম্মানের এলাকা থেকে তার মা,বোন এবং ভাইয়ের মেয়েকে গ্রেফতার করা হয়। চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতারকৃত রুম্মান সহ তার সহযোগীকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

  • পাইকগাছার দুটি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস উদ্বোধন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান

    পাইকগাছার দুটি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস উদ্বোধন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের ক্লাস উদ্বোধন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠান রোববার সকালে পাইকগাছা সরকারি কলেজের গণিরাম মিলনায়তন ও ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ মিলনায়তনে পৃথক পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু’র সভাপতিত্বে ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শফিয়ার রহমান। সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) সাইফুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন, এসএম মোজাম্মেল হক, সহকারী অধ্যাপক এসএম হাফিজুর রহমান, প্রভাষক ইতি বৈরাগী ও শিক্ষার্থী তিশা। অপরদিক অধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডলের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক আছাবুর রহমান শিমুলের সঞ্চালনায় পাইকগাছা সরকারি কলেজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী অধ্যাপক আমান উল্লাহ আমান, আ জ ম আব্দুল হাকিম, সত্য প্রিয় মিস্ত্রী, শহিদুল ইসলাম, ইলিয়াস হেসেন, প্রভাষক স্বপন ঘোষ, আব্দুর রাজ্জাক বুলি, মোমিন উদ্দীন, লিলিমা খাতুন, লুৎফা ইসলাম, মাধুরী রানী মন্ডল, মাহবুবা নাজনীন ইরানী, আমেনা খাতুন, আসমা খাতুন, রহমত আলী, নাজমীন নাহার, রনজিতা অধিকারী, আবু রাসেল কাগুজী, জামাল উদ্দীন, সুফল মন্ডল, আবু সাঈদ, বৈশাখী চক্রবর্তী, সোমা রায়, স্বপন দেবনাথ, তরুণ কান্তি মন্ডল, মিজানুর রহমান, শামীম হোসেন, তাজুল ইসলাম, সঞ্জয় কুমার, বিকাশ চন্দ্র সরকার, সাদেকুজ্জামান, পলাশ মন্ডল, মল্লিকা অধিকারী, মহরা বানু, সুষ্মিতা সরকার, রুবাইয়া শারমিন হায়াত, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, ছাত্রলীগনেতা রায়হান পারভেজ রনি, রমজান সরদার, শিক্ষার্থী নয়ন মনি, উর্মি খাতুন, মহিবুল্লাহ ও সুজা ঘেষ। অনুষ্ঠানে ফুল ও শিক্ষা উপকরণ দিয়ে নবাগত শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • পাইকগাছার গড়ইখালী খুদখালীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণ; ঝুঁকিমুক্ত এলাকাবাসী

    পাইকগাছার গড়ইখালী খুদখালীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণ; ঝুঁকিমুক্ত এলাকাবাসী

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা)।। পাইকগাছার গড়ইখালী ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত খুদখালী এলাকার বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ প্রায় শতভাগ শেষ হয়েছে। দুই এক দিনের মধ্য নির্মাণ কাজ শেষ হলে ঝুঁকিমুক্ত হবে এলাকার মানুষ। এদিকে এলাকার একটি মহল অপপ্রচার করার মাধ্যমে নির্মাণ কাজে বাঁধাগ্রস্থ করছে বলে অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহান জানিয়েছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
    উল্লেখ্য, উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন গড়ইখালী ইউনিয়নের পূর্ব কুমখালীর খুদখালী এলাকায় দীর্ঘদিনের ভাঙ্গন রয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে টেকসই কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এবং ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় ইতোমধ্য বিপুল পরিমাণ ফসলী জমি ও ঘর-বাড়ি শিবসা নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। প্রতিবছর দুর্যোগ আসলেই নির্ঘুম রাত কাটাতে হয় গড়ইখালী ইউনিয়নবাসীর। এদিকে দীর্ঘ প্রতিক্ষারপর খুদখালী এলাকার ভাঙ্গন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে টেকসই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। উপজেলার লস্কর ইউনিয়নের বাইনতলা স্লুইস গেট, আলমতলা ভাঙ্গন প্রতিরোধ এবং গড়ইখালীর খুদখালী এলাকার ভাঙ্গন প্রতিরোধে ৫০ কোটি টাকার টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন হয়েছে। এ বছরের মে মাসের দিকে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আররাদ কর্পোরেশন পল্টুন নিয়ে খুদখালী এলাকায় প্রাথমিক কাজ শুরু করলেও চড়ান্ত কাজ শুরু করতে বিলম্ব হওয়ায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকার ঝুঁকি এড়াতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ভাঙ্গন কবলিত এলাকার পাশে ১৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যের বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মান কাজ শুরু করা হয়। পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের তদারকি ও ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক তত্ত¡াবধায়নে চলতি বছরের জুন মাসের দিকে বিকল্প বেড়িবাঁধের প্রায় ৯০ ভাগ কাজ শেষ করা হয়। বাঁধ এরিয়ার মধ্য দুটি পুকুর থাকায় এবং বর্ষা মৌসুম চলে আসায় বাঁধের দক্ষিণ মাথার ১০ ভাগ কাজ সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। এ নিয়ে এলাকার একটি মহল অপপ্রচার করে একদিকে যেমন নির্মাণ কাজে বাঁধাগ্রস্থ করছে, অপরদিকে ওই মহলটি ঘোলা পানিত মাছ শিকারের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে এলাকার অনেকেই অভিযোগ করেছেন। এদিকে বর্ষার প্রভাব কমে যাওয়ায় গত শুক্রবার থেকে বাঁধের অবশিষ্ট কাজ পুনরায় শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী আরাফাত হোসেন। নির্মাণ কাজ প্রসঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, প্রথম পর্যায়ে বিকল্প বেড়িবাঁধের ৯০ ভাগ কাজ শেষ করা হয়। বর্ষার কারণে ১০ ভাগ কাজ ওই সময় সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। বৈরী আবহাওয়া কেটে যাওয়ায় পুনরায় কাজ শুরু করা হয়েছ। এনিয়ে অপপ্রচারের কোন সুযোগ নাই। ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু জানান, খুদখালীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা অত্যান্ত ঝুকিপূর্ণ ছিল। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মূল কাজ শুরু করতে দেরী হওয়ায় ঝুঁকি এড়াতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ১৭৫ মিটার দৈর্ঘ্যর বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। অতিরিক্ত বর্ষার কারণে ১০ ভাগ কাজ সাময়িক বন্ধ রাখা হয়। ইতোমধ্য ভাঙ্গনর স্থানে ২ হাজার জিও ব্যাগ দেওয়ায় এবং ভাঙ্গনের সামনে পল্টুন রেখে দেওয়ায় ভাঙ্গন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজও দুই একদিনের মধ্য শতভাগ শেষ হয়ে যাবে। এর ফলে খুদখালী এলাকার ভাঙ্গন নিয় কোন ধরণের ঝুঁকি থাকবে না। এরপর টেন্ডারের কাজ শুরু হলে শতভাগ ঝুঁকিমুক্ত হয়ে যাবে গড়ইখালী ইউনিয়ন। এনিয়ে যারা অপপ্রচার করছে তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার জন্য ইউনিয়নবাসীর প্রতি আহান জানান ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম কেরু।

  • তানোরে এমপি ফারুক চৌধুরীর আর্থিক সহায়তা প্রদান

    তানোরে এমপি ফারুক চৌধুরীর আর্থিক সহায়তা প্রদান

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে শিক্ষার্থীদের মাঝে
    প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ৮ অক্টোবর রোববার স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষ থেকে তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও বিদ্যালয়ের সভাপতি
    আবুল বাসার সুজন তানোর পৌরসভা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে এসব অর্থ বিতরণ করেছেন। এবিষয়ে আবুল বাসার সুজন বলেন, আগামিতে এমপি মহোদয়ের পক্ষ থেকে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝেও আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।#

  • নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ নিধনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন অসাধু জেলেরা

    নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ নিধনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন অসাধু জেলেরা

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নিষেধাজ্ঞা আসার খবর পেয়ে মা ইলিশ নিধনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিছু অসাধু জেলে। ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অসাধু জেলেরা নতুন নতুন একাধিক নৌকা ও কারেন্ট জাল সংগ্রহ করা শুরু করেছেন। কেউ কেউ আবার পুরনো জাল ও নৌকা মেরামত করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। গত বুধবার(৪অক্টোবর) নলছিটি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মা ইলিশ সংরক্ষন টাস্কফোর্সের মতবিনিময় সভায় বক্তারা বিষয়টি তুলে ধরেছেন। এসময় তারা বলেণ, মৌসুমি জেলেদের কারনে নিষেধাজ্ঞা শতভাগ কার্যকর করা হয় না। তারা অন্যান্য পেশায় থাকলেও নিষেধাজ্ঞার মৌসুমে তারা ইলিশ মাছ শিকারে তাৎপর হন।
    মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে,আগামী অক্টোবরের ১২তারিখ থেকে ২নভেম্বর মা ইলিশ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা আসছে। মূলত বছরের এই সময়ে সাগরের ডিমওয়ালা ইলিশ সাধু পানিতে ডিম ছাড়ার জন্য বিভিন্ন নদ নদীতে ঝাঁকে ঝাঁকে প্রবেশ করতে থাকে। ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এই সময়ে সরকার ইলিশ মাছ শিকারের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে থাকে।
    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার হদুয়া,খোজাখালি,অনুরাগ,মগড় ও চর বহরমপুর এলাকার কিছু অসাধু জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ নিধনের সকল আয়োজন সম্পন্ন করে রেখেছেন। তারা একাধিক কারেন্ট জাল ও দুই/তিনটি করে নৌকা সংগ্রহ করেছেন। এদের মধ্যে বিশাল একটা অংশ আছে যারা মৌসুমি জেলে। যারা সারাবছর অন্য পেশায় নিয়োজিত থাকলেও মা ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে দাপিয়ে বেড়ান। যার কারনে প্রশাসনকেও নিষেধাজ্ঞা সফল করতে বেগ পেতে হয়।
    হান্নান চৌধুুরি নামের এক মৌসুমি জেলে বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময় এক ঘন্টা ঠিকমত নদীতে জাল ফেলতে পারলে ৮-১০হাজার টাকা আয় করা যায়। কারন নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে প্রচুর ইলিশ মাছ পাওয়া যায় আর ডিমওয়ালা হওয়ার কারনে ভালো দামে বিক্রি করা যায়। তাই অনেকেই এই লোভে পরে মা ইলিশ শিকারে নেমে পরে । যদি প্রশাসন জাল ও নৌকা নিয়েও যায় তাতে তেমন সমস্যা হয় না। আবার অনেকে মাছ বিক্রি না করে ককশিট ক্রয় করে তার ভিতর বরফ দিয়ে মজুদ করে রাখেন। নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হলে তা বাজারে বিক্রি করা হয়। একটা বিষয় খেয়াল করে দেখবেন প্রতিবছরই নিষেধাজ্ঞার পরেরদিনই বাজারে ইলিশ মাছে সয়লাব হয়ে যায়। এগুলো আসে মূলত মজুদ করা মাছ থেকেই কারন নিষেধাজ্ঞা শেষেই এত মাছতো আর একদিনে জেলেরা ধরতে পারে না।
    নিবন্ধিত জেলে মো. হেলাল হাওলাদার জানান, মা ইলিশ শিকারে যে সকল অসাধু জেলে নদীতে নামেন তাদের মধ্যে বড় একটা অংশ থাকে মৌসুমি জেলে যারা মূলত জেলে পেশায় নিয়োজিত না। যারা নিবন্ধিত জেলে তারা বেশিরভাগই ঝুঁকি নিয়ে নদীতে নামতে চান না। কারন প্রশাসন ধরে সাজা দিলে জেলে কার্ডটি বাতিল হতে পারে। এছাড়া নিষেধাজ্ঞায় মাছ ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য নিবন্ধিত জেলেদের সরকারের পক্ষ থেকে চাল বিতরণ করা হয়। তাই আমাদের উচিত নিষেধাজ্ঞায় মা ইলিশ নিধন না করে ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করা।
    স্থানীয় বাসিন্দা রেজাউল ইসলাম বলেন,প্রতি বছর ইলিশ রক্ষার অভিযানের সময় মৌসুমী জেলেরা দলে দলে নদীতে জাল নিয়ে নেমে পড়েন। এরা প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে নদীতে মা ইলিশ শিকার করেন। অনেক সময় দেখা যায় প্রশাসনের লোকজন নদীতে ধাওয়া দিয়ে একবাক থেকে অন্য বাকে যেতে না যেতেই তারা আবার নদীতে নেমে পড়েন। এদের প্রতিহত করতে না পারলে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানও সফল হবে না আর ইলিশ সম্পদেরও উৎপাদন বাড়বে না।
    উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রমনি কুমার মিস্ত্রি জানান, মা ইলিশ রক্ষায় সরকার বদ্ধ পরিকর। নিবন্ধিত জেলেদের ইলিশ ধরা থেকে বিরত থাকার জন্য নানান ভাবে সহায়তা করা হচ্ছে। তারপরও যারা ইলিশ শিকারে নদীতে নামবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • মুকসুদপুরে এইচপিভি ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

    মুকসুদপুরে এইচপিভি ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা পর্যায়ে এইচপিভি ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ‘এক ডোজ এইচপিভি টিকা নিন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রুখে দিন’ এই স্লোগান নিয়ে আজ রবিবার (০৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউএইচএফপিও ডা. রায়হান ইসলাম শোভনের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান তাপসী বিশ্বাস দুর্গা, রবিউল ইসলাম মোল্যা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, মুকসুদপুর সংবাদ সম্পাদক হায়দার হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. দ্বীপ সাহা বক্তব্য রাখেন।

    সভায়, ১৫ অক্টোবর থেকে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত মুকসুদপুর উপজেলা পর্যায়ে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণী এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এই টিকা দেয়া হবে বলে জানানো হয়। #

  • গোপালগঞ্জের কলেজে কলেজে গোলাপ দিয়ে নতুনদের বরণ

    গোপালগঞ্জের কলেজে কলেজে গোলাপ দিয়ে নতুনদের বরণ

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের বিভিন্ন কলেজে কলেজে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের গোলাপ ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছে বিভিন্ন কলেজ কর্তৃপক্ষ। এসময় ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।

    আজ রবিবার (০৮ অক্টোবর) দুপুরে শেখ ফজিলাতুন্নেছা সরকারি মহিলা কলেজে অনুষ্ঠিত বরণ ও ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচীতে প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সেখ বেনজীর আহমেদ। ওরিয়েন্টেশন কমিটির আহবায়ক কাজী আরাফাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পিনাকী রঞ্জন দাস, সাংবাদিক মোজাম্মেল হোসেন মুন্না বক্তব্য রাখেন। এর আগে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া নবাগত সাত’শ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গোলাপ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় কলেজ কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিক বরণস্থলে এক উৎসব মুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। #