Blog

  • দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী;পাইকগাছায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী;পাইকগাছায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করলেন কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম শফিকুল ইসলাম

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা, খুলনা।।
    কয়রা উপজেলা চেয়ারম্যান ও সাবেক যুবলীগ সভাপতি এমএম শফিকুল ইসলাম খুলনা-৬ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে পাইকগাছার গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন। শনিবার সকালে তিনি মোটর শোভাযাত্রায় পাইকগাছার বিভিন্ন স্থানে গনসংযোগ করে আইনজীবী সমিতিতে মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়ে তিনি সাম্ভব্য প্রার্থীতার কথা জানানদেন।
    মতবিনিময় কালে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসএম শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশে গড়তে পাইকগাছা-কয়রার যোগাযোগ ব্যবস্থা,শিক্ষা ও বেড়িবাঁধ নির্মান এ ৩টি বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দিব এবং সুন্দরবন জেলা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবো । গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করে আগামী দ্বাদশ জাতিয় সংসদ নির্বাচনে আ’লীগের দলীয় প্রার্থী হবার সুযোগ আছে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে এসএম শফিকুল ইসলাম জানান, গত নির্বাচনে স্বতন্ত্র হয়ে যারা ভোটে লড়াই করেছিলাম,প্রধানমন্ত্রী তাদের বহিঃস্কারদেশ প্রত্যাহার করে দলে ফিরিয়ে নিয়েছেন। বিগত ২০০৮ সালে সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি জানান, দু’উপজেলায় সাবেক এমপি প্রয়াত এ্যাডঃ শেখ মোঃ নূরুল হক দলের তৃনমুল ভোটে জেতার পরেও কিন্তু এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা মনোনয়ন পেয়ে বিজয়ী হয়। মনোনয়ন না পেলে কি করবেন? এ জবাবে দল যে নেতার মনোনয়ন দিবেন তিনি তার পক্ষে নির্বাচনী কাজ করার ওয়াদা করেন।
    পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক এসএম মোসলেম উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও আইনজীবী আবুল কালাম আজাদের স ালনায় মতবিনিময় সভায় কয়রার দলীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরোও উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান এসএম বাহারুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আঃ সাত্তার পাড়,নজরুল হক,কাজী আজিজুল হক,মৃনাল কান্তি ( বাবু) ঘোষ,অধ্যাঃ আঃ গনি,সাবেক ইউপি সদস্য প্রশান্ত কুমার বাইনও পাইকগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক নেতা বিজন বিহারী সরকারসহ কর্মী সমর্থকরা।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • স্বরূপকাঠিতে হিন্দু ধর্মালম্বিদের নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় করেছেন মহিউদ্দিন মহারাজ

    স্বরূপকাঠিতে হিন্দু ধর্মালম্বিদের নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় করেছেন মহিউদ্দিন মহারাজ

    স্বরূপকাঠি(পিরোজপুর) প্রতিনিধি,

    স্বরূপকাঠিতে আসন্ন দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মালম্বি নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় করেছেন জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ। গতকাল শনিবার সকালে মহিউদ্দিন মহারাজের নবনির্মিত স্বরূপকাঠিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপজেলার ১২৪ টি মন্দিরের সভাপতি সম্পাদক , পুরহিত সকল ইউপি চেয়ারম্যান (বর্তমান ও সাবেক) উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি শশাঙ্ক রঞ্জন সমদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পরিষদের সম্পাদক ডা. সৌরভ সুতার। এসময় বক্তৃতা করেন স্বরূপকাঠি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক, পৌরসভার মেয়র মো. গোলাম কবির,ভাইস চেযারম্যান নার্গিস জাহান, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখর সিকদার, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, হুমায়ুন কবির বেপারী, পূজাপরিষদের সাবেক সভাপতি বিপুল নারায়ন রায় চৌধূরী, সহ সভাপতি জহর লাল সাহা, সীমা রানী সাহা, তাপস মন্ডল রাধাগবিন্দ সেবাশ্রমের সভাপতি খোকন সাহা,মানিক লাল দত্ত,বিধান চন্দ্র রায়.মানিক হাওলাদার প্রমুখ। সভা শেষে কেন্দ্রীয় মন্দিরে ৬০ হাজার, রাধা গবিন্দ সেবাশ্রম মন্দিরে ও ইন্দুরহাট কালীবাড়ী মন্দিরে ৫০ হাজার করে পৌর এলাকা ও ইউনিয়নের একটি করে বড় মন্দিরে ২৫ হাজার টাকা করে এবং বাকী সব মন্দিরে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান প্রদান করেন।

  • সুজানগরের গাজনার বিলে মাছ ধরতে বাধা ও চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে জেলেদের মানববন্ধন

    সুজানগরের গাজনার বিলে মাছ ধরতে বাধা ও চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে জেলেদের মানববন্ধন

    এম এ আলিম রিপনঃ পাবনার সুজানগরের গাজনার বিলে মাছ ধরতে বাধা ও চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলেরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। শনিবার বেলা ১১ টায় উপজেলার গাজনার বিলের বোনকোলা-হাটখালী রাস্তায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তারা। মানববন্ধনে বক্তব্যদেন, শ্রী প্রদীপ হালদার , পলান হালদার,সুজিৎ হালদার,আসলাম হোসেন ও আরিফ হোসেন জালাল উদ্দিন, করিম উদ্দিন শেখ, মজনু শেখ ও জগন্নাথ সন্ন্যাসী প্রমুখ। বক্তারা বলেন, যুগের পর যুগ গাজনার বিলে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন এ অ লের শতাধিক জেলে পরিবার। মাছ ধরাই যাদের পেশা। কিন্তু বিলের একটি অংশের ক্যানাল ইজারার নেওয়ার অজুহাতে দেখিয়ে মৎস্যজীবী জেলেদের কাছ থেকে জোর করে টাকা নিচ্ছে স্থানীয় বোনকোলা গ্রামের বিএনপির প্রভাবশালী নেতা রতন মাস্টার।চাঁদাবাজির টাকা না দিলে তাদের ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। জেলেদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে মাছ। কিন্তু এই বিলে প্রকৃত জেলে নয় এমন লোকজন মাছ ধরছেন।এ বিষয়ে তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। মানববন্ধন শেষে অভিযুক্ত রতন মাস্টারের কুশপত্তলিকা দাহ করেন জেলেরা। স্থানীয়রা জানান, বোনকোলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক রতন হোসেন মাস্টার বিএনপি করলেও ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় নেতার যোগসাজশে গাজনার বিলের প্রায় অর্ধেক জায়গা দখলে নিয়ে জেলেদের কাছ থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করে থাকেন। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে জেলেদের বিল থেকে বের করে দেন‌। এতে বিলে মাছ ধরতে না পারায় স্থানীয় শতাধিক জেলে পরিবার বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত রতন মাস্টার বলেন আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। আমি বিএনপি করায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার স্বীকার।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা) প্রতিনিধি

  • নড়াইল বিএনপি অনশন কর্মসূচি পালিত

    নড়াইল বিএনপি অনশন কর্মসূচি পালিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরনসহ এক দফা দাবিতে অনশন কর্মসূচি পালন করেছে নড়াইল জেলা বিএনপি। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শনিবার সকাল ১০টা থেকে শহর তলীর মালিবাগে এ কর্মসূচি পালন করছে। জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সাধারন সম্পাদক মনিরুল ইসলাম,সহ-সভাপতি জুলফিকার আলী, যুগ্ম-সম্পাদক আলী হাসান, অ্যাডভোকেট মাহাবুব মোর্শেদ জাপল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহারিয়ার রিজভী জজ,সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান আলেক, যুবদলের সাধারন সম্পাদক সায়দাত কবীর রুবেল, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো: রহিম ফকির, মুন্সী বায়েজীদ বিল্লাহ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ ফসিয়ার রহমান,সদস্য সচিব খন্দকার মন্জুরুল সাইদ বাবু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফরিদ বিশ্বাস,সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সনি
    ,নড়াইল পৌর যুবদলের আহবায়ক রিয়াজুল কামাল পাভেল, যুগ্ন আহবায়ক মো: রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র
    যুগ্ন আহবায়ক জীবন ইসলাম টিপু, কালিয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মো: কামাল সিদ্দিকী, কালিয়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ন-আহবায়ক মো: আমীন বিশ্বাস,নড়াইল পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো: ফিরোজ মোল্যা,জেলা ছাত্রদলের,সহ-সভাপতি মো: রুমেল হোসেন কবির, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক তাহমিদ আল মারিন, রিদানুল ইসলাম নিশান উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা অবিলম্বে শেখ হাসিনা সরকারকে পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নির্বাচন দেয়া এবং বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরন জোর দাবি জানান। এসময় জেলা, উপজেলা বিএনপির ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতৃবন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • অরাধ নিয়ন্ত্রণে বিট -৭৮ পুলিশিং সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা”দায়িত্ব নিতে হবে সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষায় কমিউনিটি লিডারদের

    অরাধ নিয়ন্ত্রণে বিট -৭৮ পুলিশিং সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা”দায়িত্ব নিতে হবে সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষায় কমিউনিটি লিডারদের

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড থানাধীন ৩৯ নং ওয়ার্ডের নারিকেল তলাস্থ বিট-৭৮ পুলিশিং কমিটির সভা গত কাল শনিবার ,বিকেলে কমিউনিটি লিডার মো: হাছি মিয়ার সভাপতিত্বে ও সদস্য মো: রায়হানের সঞ্চালনায়ে আল- আমিন মাদ্রাসা প্রাংগনে অনুষ্ঠিত হয়।

    পুলিশি সেবা আরও গতিশীল ও কার্যকরের লক্ষ্যে জঙ্গি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমসহ কমিউনিটি পুলিশের ন্যায় বিট পুলিশিংয়ের ফলে এলাকার অপরাধী এবং অপরাধের প্রকৃতি সম্পর্কে দ্রুত বিস্তারিত জানা যাবে। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশের বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব সৃষ্টি করতে হবে। পুলিশের জন্য এলাকার বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য জানাসহ অপরাধ দমন ও সহজে রহস্য উৎঘাটন করা যাবে।

    এতে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন বিট-৭৮’র ইনর্চাজ(এস আই)মো: কামাল হোসেন, এএসআই মো:আব্দুর রউফ,এএসআই মো: আবুল হোসেন,কমিউনিটি লিডার এম,এ হাসান,মো:আলমগীর,মো:ছালেহ আহম্মদ, সহ বিভিন্ন বাড়ি-বিল্ডিং ও গলি এলাকার মুরব্বিগণ

    উক্ত বিট-৭৮ পুলিশিং কমিটির সভার নেতৃবৃন্দরা বলেন,পুলিশের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তা,ইভটিজিং,জুয়া- মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে কমিউনিটি লিডারদের আইনী প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আসতে হবে।

    এছাড়া কোন মারাত্মক অপরাধ প্রবণ ঘটনা ঘটলে ও অপরাধ সংঘঠিত হবার আশংকা দেখলে নিকটস্থ থানা পুলিশ অথবা জাতীয় নিরাপত্তা কলে তথ্য জানিয়ে সহায়তা করতে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন।

    তাছাড়া বিশেষ কোন কারণে আইনী সহায়তা নিতে থানার ওসি / অফিসার ইনর্চাজের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

  • ভুরুঙ্গামারীতে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজে অনিত্য পাঠদানেও এমপিওভুক্তি

    ভুরুঙ্গামারীতে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজে অনিত্য পাঠদানেও এমপিওভুক্তি

    এম এস সাগর,

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের এক কিলোমিটারের মধ্যে এফ এ টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট এবং এফ এ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট এবং ভুরুঙ্গামারী মডেল টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজসহ ভুরুঙ্গামারী টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে অনিত্য পাঠদান আর সীমিত শিক্ষার্থী তবুও হয়েছে এমপিওভুক্তি। প্রতিষ্ঠানে নেই অস্তিত্ব ফলে কাগজে-কলমে শিক্ষা কার্যক্রম চলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    সম্প্রতি, গত (২৩অক্টোবর ২০১৯খ্রিঃ) ২হাজার ৭৩০প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমপিওভুক্তির মধ্যে নিম্ন-মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি কৃষি, ভোকেশনাল, বিএম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

    জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। দিয়াডাঙ্গা আইডিয়াল টেকনিকেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফেরদৌসুল আরেফিন তার স্বার্থ হাসিলে তার ভাই আল মামুনকে অধ্যক্ষ করে এফ এ টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট এবং এফ এ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট দুটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হলেও দুটি প্রতিষ্ঠানের নেই কোন অস্তিত্বই। অভিযোগ রয়েছে দিয়াডাঙ্গা আইডিয়াল টেকনিকেল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফেরদৌসুল আরেফিন প্রতিষ্ঠানে সর্বদা অনুপস্থিত থেকে তার ছোট ভাই আল মামুনকে দিয়ে তার প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। অপরদিকে এফ এ টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট এবং এফ এ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট দুটি প্রতিষ্ঠান যার দুটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘর এবং প্রতিষ্ঠান দুটির কিছু ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের নেই পাঠদান আর কাগজে কলমে চলছে প্রতিষ্ঠান। অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দেখিয়ে এমপিওভুক্তের অভিযোগ রয়েছে। অপরদিকে ভুরুঙ্গামারী মডেল টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড বিএম কলেজ এবং ভুরুঙ্গামারী টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজে অনিত্য পাঠদান আর সীমিত শিক্ষার্থী দিয়ে চলছে অনিয়মিত পাঠদান।

    এফ এ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট জরাজীর্ণ আর পরিত্যক্ত ভবনটি দীর্ঘ ৪বছর ধরে গরু হাটে মাদকাসক্তদের আস্তানা ছিলো। সে স্থান পরিবর্তন করে অতি-গোপনে গত ১বছর থেকে ভুরুঙ্গামারী জামতলা মোড়ের পশ্চিমে লাকি হল সংলগ্ন একটি জমির উপরে একটি টিনের ঘরে সাইনবোর্ড টাঙ্গানো তবে নেই চেয়ার-ব্রেঞ্চ ও শ্রেণিকক্ষ। অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান চলছে কাগজ-কলমে। এদিকে দেওয়ানের খামার (সহকারী পুলিশ সুপার) কার্যালয়ের পেছনে অবস্থিত এফ এ টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট টিনশেড প্রতিষ্ঠানে নেই কোনো শিক্ষার্থী, চেয়ার-ব্রেঞ্চ ও শ্রেণিকক্ষ আর বন্ধ পাঠদান কার্যক্রম এবং ল্যাব কিংবা কম্পিউটার নেই। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা এখন পর্যন্ত কোনো কারিগরি প্রশিক্ষণের ক্লাসই করতে পারেনি। কাগজ-কলমে স্থান ও শিক্ষার্থীদের নাম ঠিকঠাক থাকলেও বাস্তবে চিত্র যেন ভিন্ন। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পাঠদান নেই। তাদের পরীক্ষা নেয়া হয় দিয়াডাঙ্গা আইডিয়াল টেকনিকেল স্কুল এন্ড কলেজে। প্রতিষ্ঠান দুটি এমপিওভুক্তের তালিকায় কীভাবে গেল এ নিয়ে রয়েছে জনমনে প্রশ্ন।

    এফ এ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মোদ্দাছেরুল ইসলাম স্বীকার করেন, আমরা লাকি হল সংলগ্ন নতুন করে প্রতিষ্ঠানের নামে জমি ক্রয় করেছি। একটি টিনের ঘর তুলেছি। আগামী বছর থেকে পাঠদান শুরু করবো এখানে। আপাতত দুটি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা দিয়াডাঙ্গা আইডিয়াল টেকনিকেল স্কুল এন্ড কলেজে নিচ্ছি।

    এফ এ টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ আল-মামুন বলেন, এমপিওভুক্ত হয়েছে কিন্তু বেতন-ভাতা না পাওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানে পাঠদান হচ্ছে না। তবে প্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষার্থী ভর্তি আছে। দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অর্থ দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালিয়ে আসা হচ্ছে। সরকারি বা বেসরকারি কোনো অনুদান পাইনি। এমপিও হয়েছে তবে বেতন পেলে সব ঠিকঠাক হয়ে যাবে। ঘনবসতি এলাকায় ২৮শতক জমিতে স্থাপিত এ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ৩০০শিক্ষার্থী। শিক্ষক আছেন ১৪জন।

    স্থানীয় বাসিন্দা একরামুল হক, পাপ্পু, মফিজুল হক, মাইদুল ইসলাম, মিজান হোসেন ও মন্টু ব্যাপারি বলেন, এফ এ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট নামে কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। তবে লাকি হল সংলগ্ন একটি ছোট্ট টিনের ঘরে সাইনবোর্ড ঝুলছে। দেওয়ানের খামারের এফ এ টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউটে শিক্ষার্থী ভর্তি থাকলেও নেই পাঠদান তবে দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত আছে। দুই প্রতিষ্ঠানের মালিক ফেরদৌসুল আরেফিন নিজেও এমপিওভুক্ত দিয়াডাঙ্গা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ। তার বেশকিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে রংপুর ও ভুরুঙ্গামারীতে। এমপিও স্বীকৃতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোতে তার আপন ছোট ভাই ও চাচা অধ্যক্ষ হিসেবে আছেন।

    এফ এ টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউট এবং এফ এ মহিলা টেকনিক্যাল অ্যান্ড আইটি ইনস্টিটিউটের মালিক ফেরদৌসুল আরেফিন বলেন, গত ২৩অক্টোবর ২০১৯সালে প্রতিষ্ঠান দুটি এমপিওভুক্ত হলেও শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠান দুটি ঠিকমতো চলছে না। কাগজপত্র সব ঠিক আছে। তবে, ছাত্র-ছাত্রী কম থাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানো কঠিন হয়েছে। এর মধ্যে তার কর্মরত প্রতিষ্ঠানটি আগেই এমপিও ছিল। এবার তার নিজের দুটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে।
    কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার শামছুল আলম বলেন, ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করে নাই।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, অভিযোগ শুনলাম। তদন্ত পুর্বক অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (ভোকেশনাল) [যুগ্মসচিব] মোঃ সালাহউদ্দিন আহাম্মদ এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করেন। তদন্ত সাপেক্ষ অনিয়ম পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগৈলঝাড়ায় মহিলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগৈলঝাড়ায় মহিলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের বিশেষ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে উপজেলা সদরের দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মলিনা রানী রায়ের সভাপতিত্বে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশেষ বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সুলীর কুমার বাড়ৈ, সাধারন সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত, জেলা পরিষদ সদস্য পেয়ারা ফারুক বখতিয়ার,উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মমতাজ বেগম, উপজেলা আওয়ামীলীগ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ ফরহাদ হোসেন তালুকদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ফিরোজ শিকদার, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুজ্জামান সেরনিয়াবাত আজাদ, সাধারন সম্পাদক মোঃ শহিদ তালুকদার, সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ লিটন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সেরনিয়াবাত ফয়জুল,
    উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মিন্টু সেরনিয়াবাত, দৈনিক বাংলাদেশের আলো ও দৈনিক হিরন্ময় পত্রিকার প্রতিনিধি বি এম মনির হোসেনসহ ৫ ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী গন। আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত বলেন আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সকলে মিলে মিসে এক সাথে কাজ করে আওয়ামীলীগকে বিজয়ী করতে হবে।

  • বিএনপি-জামাত জোট অরাজকতা, নৈরাজ্য ও আগুন সন্ত্রাস ছাড়া কিছুই উপহার দিতে পারেনি- ফারুক খান এমপি

    বিএনপি-জামাত জোট অরাজকতা, নৈরাজ্য ও আগুন সন্ত্রাস ছাড়া কিছুই উপহার দিতে পারেনি- ফারুক খান এমপি

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি বলেছেন, বিএনপি জামায়েত জোট দেশে অরাজকতা নৈরাজ্য ও আগুন সন্ত্রাস ছাড়া কিছুই উপহার দিতে পারেনি। তারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে অব্যাহত চেষ্টা চালাচ্ছে। এভাবে জনসাধারনের ভোট পাওয়া যায় না। ভোট পেতে হলে জনগনের কাছে যেতে হয়। দেশের উন্নয়ন করতে হয় এবং জনগনের কথা ভাবতে হয়।

    আজ শনিবার (১৪ অক্টোবার) দুপুরে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলা চত্তরে “মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা” স্মাট বাংলাদেশ গড়ার দীক্ষা”-এই শ্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কাশিয়ানী শাখা আয়োজিত নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

    ফারুক খান এমপি আরো বলেন, বিএনপি নির্বাচন নিয়ে কুৎসা রটাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই চান গণতান্ত্রিক ভাবে দেশে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও অবাধ ও নিরেপেক্ষ একটি নির্বাচন। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সরকার গঠন হবে। তিনি দলীয় নেতাকর্মীকে এক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে অনুরোধ করেন।

    সংগঠনের সভাপতি জিয়াউর রহমান জিহাদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আওয়ামী লীগের আর্ন্তজাতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য কানতারা খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মেহেদী হাসান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিখিল চন্দ্র হালদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মোক্তার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম বক্তব্য রাখেন। #

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন মেয়রের শ্রদ্ধা

    বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন মেয়রের শ্রদ্ধা

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশনের মেয়র একরামুল হক টিটু।

    আজ শনিবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ কমপ্লেক্স ভবনে ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন।

    এসময় ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোহিত উর রহমান শান্ত, সহ-সভাপতি অধ্যাপক গোলাম ফেরদৌস জিল্লু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: নিয়াজ মোরশেদ, উপ দপ্তর সম্পাদক শাহানুর আলম শান্ত, সদস্য জয়ন্ত দাসসহ নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। #

  • গফরগাঁওয়ে ডিবি পরিচয়ে ১৬ লাখ টাকা ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার ৩

    গফরগাঁওয়ে ডিবি পরিচয়ে ১৬ লাখ টাকা ডাকাতির মামলায় গ্রেপ্তার ৩

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
    ময়মনসিংহের ভালুকায় ইসলামী ব্যাংকের শাখা থেকে ১৬ লাখ টাকা তুলে ফেরার পথে গফরগাঁও উপজেলা থেকে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাঁদের কাছ থেকে পৃথকভাবে মোট ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া ডাকাতিতে ব্যবহার করা ব্যক্তিগত গাড়ি ও হাতকড়া উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করেন। ওই তিনজন হলেন, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কোনাবাড়ি গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন, রাজবাড়ির বালিয়াকান্দি উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের লিটন গাজী ও ঢাকার আশুলিয়া থানার চারাবাগ এলাকার রুবেল মিয়া।

    শনিবার (১৪অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মাছুম আহমদ ভুঞা নিজের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া ডাকাতেরা ৮ অক্টোবর পরিকল্পিতভাবে এ টাকা ডাকাতি করেন। ওই দিন গফরগাঁওয়ের মছলন্দ গ্রামের সাদ্দাম হোসেন ইসলামী ব্যাংকের ভালুকা উপজেলা শাখা থেকে ১৬ লাখ টাকা তুলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে এলাকায় ফিরছিলেন। পথে ডাকাতেরা তাঁর পিছু নেয়।

    পরে গফরগাঁও-ভালুকা এশিয়ান হাইওয়ের শান্তিগঞ্জ নামের নির্জন স্থানে সাদ্দাম হোসেনের অটোরিকশা আটকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাঁকে ডাকাতদের গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। পরে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় টাকা ও সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে থাকা দুটি মুঠোফোন রেখে গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে ডাকাতেরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে ৮ অক্টোবর গফরগাঁও থানায় মামলা করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আরও বলেন, চক্রটি পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন সময় ব্যাংক থেকে টাকা তুলে যাওয়া ব্যক্তিদের এভাবে আটকে টাকা নিয়ে যায়। এ ছাড়া মহাসড়কে বিভিন্ন যানবাহনেও তাঁরা সংগঠিতভাবে ডাকাতি করে বলে কিছু তথ্য পেয়েছেন।