Blog

  • গোপালগঞ্জে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জে শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে গোপালগঞ্জে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্বে এ প্রস্তুতি সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: গোলাম কবির, শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো: জাকির হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তর প্রধানগন উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, আগামী ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেলের জন্মদিন যথাযথভাবে পালনে নানা কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন, শোভাযাত্রা, কেক কাটা, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, চিত্রাংকণ প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়া এদিন শেখ রাসেল শিশু পার্কে বিনামূল্যে শিশুদের প্রবেশাধিকার ও বিভিন্ন রাইডে চড়ার সুযোগ থাকবে। #

  • টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের শ্রদ্ধা

    টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের শ্রদ্ধা

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।

    আজ সোমবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গবন্ধুর সমাধি স্যেধ বেদিতে পুস্পমান্য অপর্ণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেতার কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন। এরপর বাংলাদেশ বেতার ও জেলা তথ্য অফিসের নতুন ভবন পরিদর্শন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ হুমায়ুন কবীর খোন্দকার। এ সময় গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: নিজামুল কবির, উপ পরিচালক (প্রশাসন) মো: মনিরুজ্জামান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ জোবায়ের আহমেদ, টু্ঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আল মামুনসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। #

  • কুড়িগ্রাম-১ আসনের আভিভাবক হিসেবে শোভনকে চায় জনগণ

    কুড়িগ্রাম-১ আসনের আভিভাবক হিসেবে শোভনকে চায় জনগণ

    এম এস সাগর, কুড়িগ্রাম:

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২৫ কুড়িগ্রাম-১ আসন (নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী) এলাকার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে আপমর জনগণ এবং আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা নৌকার অভিভাবক হিসেবে দেখতে চায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন কে।

    মোঃ রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ভুরুঙ্গামারী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী পরিবারে জন্ম। স্বাধীনতা পরবর্তীতে শোভনের দাদা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মরহুম শামসুল হক চৌধুরী ১৯৭০, ১৯৭৩ ও ১৯৭৯সালে কুড়িগ্রাম-১ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য এবং ১৯৭৭সালে দেশের ক্রান্তিলগ্নে কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। শোভনের বাবা নুরুন্নবী চৌধুরী খোকন ১৯৮১সালে ছাত্রলীগ, ১৯৯১সালে যুবলীগের সভাপতি ছিলেন ও ২০১৪সাল থেকে দুইবারের উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামীলীগে ২৩বছর থেকে সাধারণ সম্পাদক আছেন। পরবর্তীতে দেশরত্ন শেখ হাসিনা ২০১৮সালে শোভনকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি মনোনীত করায় জাতীয়পার্টির ঘাটি হিসেবে পরিচিত কুড়িগ্রাম-১ আসন শোভনের নেতৃত্বে পুর্নরুদ্ধার হয়। এলাকার তরুণ প্রজন্মের কাছে শোভন এ আসনে অনেক জনপ্রিয় এবং সর্বস্তরের জনগণের নিকটে উন্নয়ন ও আস্থার প্রতীক। কুড়িগ্রাম-১ আসনে তাকে নৌকার মনোনয়ন দিলে এ আসনটি অজীবন নৌকার আসন হিসেবে বিবেচিত হবে। দলমত নির্বিশেষে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে শোভনকে এই আসনের অভিভাবক হিসেবে জনগণের চাওয়া।

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিয়মিত জনসংযোগ ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠকও করছেন। তাদের সাথে বেশ সখ্যতাও রয়েছে তার। এছাড়া এলাকার তরুণ ভোটারসহ সাধারণ জনগণের মধ্যেও তার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে নির্বাচনী মাঠ পর্যায়ে সবচেয়ে এগিয়ে শোভন। একাধিক নেতাকর্মীরা দাবি করছেন, শোভন কে কুড়িগ্রাম-১ আসনে নৌকার মনোনয়ন দিলে এ আসনটি অজীবন নৌকার ঘাটি হিসেবে তৈরী হবে। দলমত নির্বিশেষে এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে শোভনকে এই আসনের অভিভাবক হিসেবে সবার চাওয়া।

    বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, আওয়ামী পরিবারে আমার জন্ম। দাদা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও তিনবারের সংসদ সদস্য মরহুম শামসুল হক চৌধুরী এবং বাবা নুরুন্নবী চৌধুরী খোকন দুইবারের উপজেলা চেয়ারম্যান ও ২৩বছর থেকে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তার দায়বদ্ধতা থেকে আমিও মানুষের সেবা করছি। যতটুকু সম্বল আছে, ততটুকু দিয়েই মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছি। দেশরত্ন শেখ হাসিনারও কুড়িগ্রামের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। নাগেশ্বরী ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলার দরিদ্র-পিড়িত অধিকার বঞ্চিত নদী ভাঙন কবলিত মানুষ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোসহ রাস্তাঘাট যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন করার চেষ্টা করবো। বিভিন্ন দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ এবং দাতা সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষণসহ এলাকার উন্নয়নের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। নদী ভাঙন রোধ হচ্ছে আর এই নদীকে শাসন করে নদীপাড়ে শিল্পনগরী গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পনা রয়েছে। যার মধ্যে দিয়ে দুই উপজেলার বেকারদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। ভুরুঙ্গামারী ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণ সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে ভুটান, নেপাল ও আসামের অঞ্চলে বাণিজ্য করাসহ সোনাহাট স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চালু প্রকৃয়াধীন এবং এ বন্দর বাস্তবায়ন হওয়ায় ভুরুঙ্গামারীসহ কুড়িগ্রামের দারিদ্র-পিড়িত মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে চাবিকাঠি রুপান্তরিত হয়েছে। সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রামের ধরলার পাড়ে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়তে প্রকল্প প্রকৃয়াধীন এবং বাংলাদেশ একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এই মুহূর্তে রাষ্ট্র পরিচালনা করার জন্য শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। আমাকে কুড়িগ্রাম ১ আসনে মনোনয়ন দিলে আমি দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ আসনটি আজীনের জন্য উপহার দেব।

  • নলছিটিতে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন

    নলছিটিতে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে শামসুন্নাহার ফাউন্ডেশন এর সৌজন্যে আজ ষোলো অক্টোবর সোমবার সকাল দশ ঘটিকার সময় উপজেলার সিদ্ধকাঠী ইউনিয়নের চন্দ্রকান্দ্রা প্রাথমিক বিদ্যালয় এর হলরুমে ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

    এ সময় রক্তদানের ও ব্লাড গ্রুপিং নির্ণয়ের উপকারিতা নিয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শামসুন্নাহার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক শাহাদাত ফকির।

    ফ্রি ব্লাড গ্রুপিং ক্যাম্পেইন এর উদ্বোধন করেন তরুণ সমাজসেবক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মোঃ সাইদুল কবির রানা।
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমিরুল ইসলাম রাজীব।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রকান্দ্রা প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সহকারী শিক্ষক মোতালেব হোসেন মিনা। অহিদুল ইসলাম মিথুন। চন্দ্রকান্দ্রা প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ইংরেজি শিক্ষক এইচ এম রিপন হোসেন।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন তারুণ্য ব্লাড ফাউন্ডেশন টিম সিদ্ধকাঠীএর স্বেচ্ছাসেবক রাজিব আহসান। সাইদুল ইসলাম হৃদয়। হাসান সিকদার সহ টিমের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
    আজ সারাদিন ব্যাপী চন্দ্রকান্দ্রা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ব্লাড গ্রুপিং নির্ণয়ের কাজ করছেন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মাহিয়া ইসলাম আসাদুল ইসলাম ও রায়হান।

  • দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পুর্ন করেছে আওয়ামী লীগ- আমু এমপি

    দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পুর্ন করেছে আওয়ামী লীগ- আমু এমপি

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    খাদ্য ঘাটতির দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পুর্ন করেছে আওয়ামী লীগ। বিএনপি ক্ষমতায় এসে উন্নয়ন করবে এই কথা বলে আর আওয়ামী লীগ উন্নয়ন করে তারপর ক্ষমতায় আসার কথা বলে। সোমবার(১৬অক্টোবর)এগারোটায় উপজেলা পরিষদ মিলনাতয়নে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্থানীয় সরকার দিবসের আলোচনা সভায় এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর অন্যতম সদস্য ১৪দলের মুখপাত্র ও সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু(এমপি)।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো.নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেণ,জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মোহাম্মদ শাহ আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) মো.মুহিতুল ইসলাম,জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও নলছিটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.সিদ্দিকুর রহমান,নলছিটি পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল ওয়াহেদ খান,জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক তরুন কর্মকার,নলছিটি উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম শাহীন প্রমুখ।
    প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরও বলেণ,নলছিটি পৌরসভাকে ৩য় শ্রেনীর পৌরসভা থেকে ২য় শ্রেনীর পৌরসভায় উন্নিত এই সরকারের আমলেই করা হয়েছে। আজকে গ্রাম পর্যায়ে মহিলাদের বিনামূলে ল্যাপটপ বিতরণ করা হচ্ছে। বর্তমান শেখ হাসিনার সরকার যে উন্নয়ন করেছে তা আমাদের সকলের কাছে তুলে ধরতে হবে। এরপর তিনি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন করেন।

  • আগৈলঝাড়ায় শারদীয় দূর্গা পুজার প্রস্তুতি সভায় আইন শৃংখলা সমুন্নত রাখতে নির্দেশ

    আগৈলঝাড়ায় শারদীয় দূর্গা পুজার প্রস্তুতি সভায় আইন শৃংখলা সমুন্নত রাখতে নির্দেশ

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য আইন শৃংখলা সমুন্নত রাখতে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর নির্দেশ। জাতির পিতার ভাগ্নে, মন্ত্রী মর্যাদায় পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটির আহবায়ক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি বলেছেন-আসন্ন পুজার পরেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তাই পুজাকে সামনে রেখে একটি গোষ্ঠি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চেষ্টা করবে। এজন্য আমাদের সজাগ দৃষ্টি রেখে আইন শৃংখলা সমুন্নত রেখে শারদীয় দূর্গোৎসব সম্পন্ন করতে হবে। যাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন নিরবিঘ্নে পুজার্চনা সম্পন্ন করার পাশাপাশি সরকারের অসাম্প্রদায়িক ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।এজন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শৃংখলা কমিটি গঠন করে সর্বত্র মনিটরিং করতে হবে। পুজার সময় মন্ডপগুলো লোড শেডিং মুক্ত রাখা, পুজার আগে ৩দিন, পুজার ৫দিন ও পুজার পরে ৩দিনসহ মোট ১১দিন মন্ডপগুলোতে আনসার সদস্যরা দ্বায়িত্ব পালন করবে। মন্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও নিজস্ব জেনারেটর সরবরাহ করে মন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ৮৭০জন আনসার সদস্যর পাশাপাশি পুলিশের ১৫টি মোটরসাইকেল টিম, ৪টি ভ্রাম্যমান টিমসহ ৪টি তল্লাশী চেক পোস্ট বসাবে পুলিশ। এছাড়াও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে সাদা পোশাকে পুলিশ দ্বায়িত্ব পালন করার কথা জানানো হয়।
    পুজায় ৮৩ মেট্টিক টন সরকারী চাল বরাদ্দের সাথে মন্ত্রীর নিজস্ব তহবিল থেকে অনুদান প্রদানেরও ঘোষণা দেন তিনি।“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার” আবহমান কাল থেকে এই চেতনার অ-সাম্প্রদায়িক উর্বর ভূমি বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গা পুজা উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রস্তুতি মুলক সভায় প্রধান অতিথিব বক্তব্যে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।
    সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি মুলক সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য সেরনিয়াবাত আশিক আবদুল্লাহ, উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, গৌরনদী পৌর মেয়র হারিছুর রহমান হারিছ, আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত, আগৈলঝাড়া পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস, রাজিহার ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইলিয়াস তালুকদার, বাগধা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি, গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল হোসেন টিটু, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মুরাদ হোসেন সিকদার, গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন, আগৈলঝাড়া থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলম চাঁদ,সভায় মন্ত্রীর একান্ত সচিব মোঃ খায়রুল বশার, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগন, ভাইস চেয়ারম্যানগন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকগন উপস্থিত ছিলেন।প্রস্তুতি সভায় জানানো হয়-১৬৬টি মন্ডপে পুজার আয়োজনের মধ্য দিয়ে অন্যান্য বছরের মতো এ বছরও বরিশাল বিভাগের সবচেয়ে বেশী পুজা অনুষ্ঠিত হবে আগৈলঝাড়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে। পুজায় সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে ৮৩ মেট্টিক টন জিআর চাল বরাদ্দ হিসেবে প্রতি মন্ডপে ৫শ কেজি করে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।এর সাথে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র নিজস্ব তহবিল থেকে মঙ্গলবার বিকেলে প্রতি মন্ডপে অনুদান প্রদান করা হবে।থানার অফিসার ইন চার্জ মোঃ আলম চাঁদ জানান, এ বছর ১৫৮টি স্থায়ী মন্ডপের মধ্য সাধারণ পুজা মন্ডপের সংখ্যা ৫২টি, ঝুঁকিপূর্ণ মন্ডপের সংখ্যা ৫৪টি এবং অধিক ঝুঁকিপূণ মন্ডপের সংখ্যা ৩৫টি নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫৮টি পুজা মন্ডপ ছাড়া বাকি ৮টি মন্ডপে আগামী চৈত্র মাসে বাসন্তি পুজা অনুষ্ঠিত হবে। ১৫৮টি পুজা মন্ডপে প্র্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন স্তরে নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে ষষ্ঠী পুজা থেকে প্রতীমা বিসর্জন পযন্ত নিরাপত্তা গ্রহন করা হয়েছে। এ ছাড়াও মন্ডপগুলোতে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর সাথে প্রায় ৮শ ৭০জন প্রশিক্ষিত আসনার সদস্যদের মাধ্যমে মন্ডপ ও যাতায়াতের পথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
    মন্ডপে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নামে অপসংস্কৃতি ও অশ্লীলতা বন্ধের জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেছে প্রশাসন ও উপজেলা পুজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দরা।

  • প্রতিটি আসনে নৌকার বিজয় হলে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর চিয়ারে আবারও বসতে পারবেন- ফারুক চৌধুরী এমপি।

    প্রতিটি আসনে নৌকার বিজয় হলে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর চিয়ারে আবারও বসতে পারবেন- ফারুক চৌধুরী এমপি।

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।। রাজশাহী-১ ( গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, হিন্দুদের পুজা এবার হামলা হতে পারে।
    এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন,
    হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিসাটান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ, আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতা, জনপ্রতিনিধিদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে।
    বিএনপি জামায়াত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে দেশে বিদেশে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, বিদেশে ধর্না দিচ্ছেন কিন্তু কোন লাভ হবে না। শেখ হসিনার অধীনে সংসদ নির্বাচন অনু্ষ্ঠিত হবে।

    সোমবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ৩টায় সময় গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ অডিটারিমামে
    আমার মনে হয় পুজা মন্ডপে বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাসীর হামলা করতে পারে, এজন্য প্রশাসন, জনপ্রতিনিধ, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিসাটান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং পুজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগণের সাথে মতবিনিময় সভায় ওমর ফারুক চৌধুরী এ সব কথা বলেন।

    সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ জাহিদ হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী ১ আসনের সংসদ সদস্য ওমর ফারুক চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র অয়েজ উদ্দীন বিশ্বাস, গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি কামরুল ইসলাম, দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দীন সোহেল প্রমূখ।

    তিনি গোদাগাড়ী ৩৯ টি পুজা মন্ডের জন্য ৫০০ কেজি করে চাউল, নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতিটি পুজা মন্ডপে ১০ হাজার করে, ৭ টি করে শাড়ি বিতরন, বেসরকারী স্কুল, কলেজ মাদ্রাসার কর্মচারীদের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।

    তিনি আরও বলেন, এখন শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে বিএনপি জামায়াতের শাসন মূলে বিদ্যুৎ পেয়েছে ৩৬ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পেয়েছেন। তিনি আরও বলেন, প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমেরিকায় বসে ভিসানীতির প্রতিবাদ করেছেন। আর ফকরুল সাহেব আমাদের ভিসানীতির ভয় দেখাচ্ছেন। তারা বিদেশীদের হাত ধরে ক্ষমতায় আসতে চাই। দেশকে তালেবান, জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিনত করতে চাই। তাদের সে ইচ্ছা কোন দিনই পূরণ হবার নয়। খালেদা জিয়া মামলায় দন্ডিত, তারেক জিয়া পালাতক, ফেরারী আসামী তাদের দল ক্ষমতায় আসলে কে হবে প্রধানমন্ত্রী এনিয়ে তাদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়ে গেছে।

    আগামী দিনে আবারও তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলে স্মার্ট বাংলাদেশ পরিণত হবে এবং সুখি রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তাই আগামী দিনে আপনাদের কাজ হবে সরকারকে সহযোগী করা। সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরা ও নৌকায় ভোট দিয়ে প্রধান মন্ত্রীকে পুনরায় ক্ষমতায় নিয়ে আসতে হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • ধোপাজান নদীতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন  নিয়ে যাচ্ছে বালু ও পাথর…পর্ব —১

    ধোপাজান নদীতে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন নিয়ে যাচ্ছে বালু ও পাথর…পর্ব —১

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :

    সুনামগঞ্জের ধোপাজান চলতি নদীতে প্রশাসনের চোখের সামনে দিয়ে দিনে রাতে চলছে প্রভাবশালী চক্রের দ্বারা বালু ও পাথর উত্তোলনের মহোৎসব। সীমান্তবর্তী ডলুরাসহ কাইয়েরগাও এলাকায় প্রভাবশালী একটি চক্র প্রতিদিন সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে (ধামাইল) চলতি নদীসহ কয়েকটি স্পট থেকে প্রকাশ্যে ও রাতের আধারে পাড়কেটে উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ ঘনফুট বালু ও পাথর। ফলে নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে মসজিদ, কবরস্থান, রাস্তা ঘাট ও বসতবাড়ি। বালু ও পাথর উত্তোলণের ফলে ধোপাজান নদী এখন রহস্যময় সমুদ্র রুপে আকার ধারণ করছে।

    সরকার ও প্রশাসনের তরফ থেকে ধোপাজান(চলতি) নদীতে বালু ও পাথর উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও একটি প্রভাবশালী পাথর খেকো চক্র রয়েছে যারা প্রকাশ্যে দিবালোকে প্রতি নিয়ত অবৈধ ভাবে পাড়কেটে নিয়ে যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ ঘনফুট বালু ও পাথর।

    সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ডলুরা শহীদের গণকবরের পাশে (ধোপাজান) চলতি নদীতে চলে দিনে রাতে অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলন। এই চলতি নদীকে ঘিরে ডলুরা ও নারায়নতলা দুটি বিজিবির ক্যাম্প ও রয়েছে। এই অবৈধ কর্মকান্ডগুলো চলে তাদের সামনে। যার ফলে নদীর পাড়ে থাকা মসজিদ, ফসলী জমি, অসহায় মানুষের চলাচলের রাস্তা ,বসতবাড়ি , কবরস্থানসহ নদীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। হুমকির মুখে পড়েছে কয়েকটি গ্রাম। একদিকে যেমন লাভবান হচ্ছে কিছু অসাধু কর্মকর্তা পাশাপাশি অবৈধভাবে বালু ও পাথর উত্তোলন করে সরকারের রাজস্ব ফাকিঁ দিয়ে একটি প্রভাবশালী চক্র হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। যার কারনে সুন্দর্য হারাচ্ছে ধোপাজান নদীর ভারসাম্য ও পরিবেশ। ধোপাজান চলতি নদী এখন হয়ে উঠেছে রহস্যময় সমুদ্রের নীল নকশা। এছাড়াও বিশ্বম্ভরপুর এবং সুনামগঞ্জ সদর দুটি থানার মধ্যে অবস্থিত এই ধোপাজান নদী।

    নদী তীরবর্তী প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট চক্র প্রতিদিন প্রকাশ্যে দিবালোকে চলতি নদী হতে সরকারের রাজস্ব ফাকিঁ দিয়ে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদী হতে রাতের আধারে স্টিলের নৌকা লোড করে বালু ও পাথর নিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। আর দিনের বেলা শত শত কাঠের ইঞ্জিন চালিত নৌকা দিয়ে লক্ষ লক্ষ বালি ও পাথর নিয়ে যাচ্ছে। ঐ সমস্ত অবৈধভাবে বালু পাথর উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে সঠিক কোন কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বরং প্রশাসনের দায়িত্বে থাকা এবং স্প্রিড বুটের ড্রাইভার ও একজন মোল্লা প্রত্যেক নৌকা থেকে ৫০০ টাকা করে নিয়ে থাকে বলে জানা যায় ।

    সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সীমান্তবর্তী ডলুরা থেকে শুরু করে আদাং, কাইয়েরগাওঁ,রামপুর, সৈয়দপুর, বালাকান্দা বাজারসহ আরও একটি সিন্ডিকেট চক্র প্রতিদিন ধুপাজান চলতি নদীসহ কয়েকটি স্পট থেকে প্রকাশ্যে বালু উত্তোলণ করে শত শত পঙ্গপাল নামে নৌকা যুগে বড় বড় বলগেট/কার্গো জাহাজ/সুরমা নদীতে রেখে বুজাই দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন তাদের রমরমা ব্যবসা এবং গভীর রাতে বড় বড় বালু ভর্তি বলগেট নৌকা চলে ধোপাজান নদীতে।সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বে কিভাবে দুটি বিজিবি ক্যাম্প, দুটি থানা , ১টি নৌ-পুলিশ ফাড়িসহ ডিবি পুলিশ, নৌপুলিশ,বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ,সদর থানা পুলিশের নিয়মিত টহল থাকা অবস্থায় কিভাবে চলে বালুও পাথর উত্তোলন সেঠিই এখন রহস্যময় ভাবনার বিষয়? নদীর পাড়ে থাকা অসহায় মানুষের দাবী প্রশাসন লোকেরা সুযোগ না দিলে নদী ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব হবে। উর্ধ্বতন র্কতৃপক্ষ ঐ সমস্ত অবৈধ বালু ও পাথর উত্তোলণ কারীদের বিরুদ্ধে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহন করে ধোপাজান নদী ও পরিবেশ রক্ষা করবেন এমটি দাবী নদীর পাড়ে থাকা অসহায় মানুষের।###

  • বাগেরহাটের মোংলায় নানা আয়োজনে রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্মবার্ষিকী পালিত

    বাগেরহাটের মোংলায় নানা আয়োজনে রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর জন্মবার্ষিকী পালিত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির: “ভালো আছি ভালো থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো” জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা, তারুণ্য ও সংগ্রামের দীপ্ত প্রতীক কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর ৬৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। নানা আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি। ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর এই দিনে বরিশালের রেডক্রস হাসপাতালে জন্মগ্রহন করেন তিনি। বাংলাদেশের কবিতায় অবিসস্মরণীয় এই কবির শিল্পমগ্ন উচ্চারণ তাকে দিয়েছে সত্তরের অন্যতম কবি-স্বীকৃতি। ১৯৯১ সালের ২১ জুন মাত্র ৩৫ বছর বয়সে তিনি মারা যান।

    দিনটির স্মরণে সোমবার (১৬ অক্টোবর) কবির পৈতৃক বাড়ি মোংলার মিঠেখালীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ‘রুদ্র স্মৃতি সংসদ’। সকাল ৯টায় মিঠাখালী বাজার থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি মিঠাখালী বাজার প্রদক্ষিণ করে কবির মাজারে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় কবির কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। পরে সেখানে মিলাদ ও দোয়া এবং রুদ্র স্মরনানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    স্মরনানুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ।

    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও রুদ্রের অনুজ সাংবাদিক সুমেল সারাফাত, রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সহপাঠি ও উন্নয়ন সংস্থা ‘আমাদের গ্রাম’ এর পরিচালক রেজা সেলিম, মিঠাখালী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান উৎপল কুমার মণ্ডল, সাবেক চেয়ারম্যান ও রুদ্র স্মৃতি সংসদের উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি মাহমুদ হাসান ছোট মনি, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নুর আলম শেখ, স্থানীয় ইউপি সদস্য উকিল উদ্দীন ইজারদারসহ রুদ্র স্মৃতি সংসদ এবং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সদস্যরা।

    এছাড়া দিনটি স্মরণে উন্নয়ন সংস্থা ‘আমাদের গ্রাম’ এর আয়োজনে কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যাপীঠে দিনব্যাপী বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবার আয়োজন করেছে। স্মরণসভা শেষে রুদ্রের কবিতা আবৃত্তি ও রুদ্রের গান পরিবেশিত হবে।

    উল্লেখ্য, অকালপ্রয়াত এই কবি নিজেকে মিলিয়ে নিয়েছিলেন আপামর নির্যাতিত মানুষের আত্মার সঙ্গে। সাম্যবাদ, মুক্তিযুদ্ধ, ঐতিহ্যচেতনা ও অসাম্প্রদায়িকবোধে উজ্জ্বল তার কবিতা। ‘জাতির পতাকা আজ খামচে ধরেছে সেই পুরোনো শকুন’ এই নির্মম সত্য অবলোকনের পাশাপাশি উচ্চারণ করেছেন অবিনাশী স্বপ্ন ‘দিন আসবেই’ দিন সমতার’। যাবতীয় অসাম্য, শোষণ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে অনমনীয় অবস্থান তাকে পরিণত করেছে ‘তারুণ্যের দীপ্র প্রতীক’-এ। একই সঙ্গে তাঁর কাব্যের আরেক প্রান্তর জুড়ে রয়েছে স্বপ্ন, প্রেম ও সুন্দরের মগ্নতা। মাত্র ৩৫ বছরের (১৯৫৬-১৯৯১) স্বল্পায়ু জীবনে তিনি সাতটি কাব্যগ্রন্থ ছাড়াও গল্প, কাব্যনাট্য এবং ‘ভালো আছি ভালো থেকো’ সহ অর্ধ শতাধিক গান রচনা ও সুরারোপ করেছেন। পরবর্তীকালে এ গানটির জন্য তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি প্রদত্ত ১৯৯৭ সালের শ্রেষ্ঠ গীতিকারের (মরণোত্তর) সম্মাননা লাভ করেন। ‘উপদ্রুত উপকূল’ ও ‘ফিরে চাই স্বর্নগ্রাম’ কাব্যগ্রন্থ দুটির জন্য ‘সংস্কৃতি সংসদ’ থেকে পরপর দু’বছর ‘মুনীর চৌধুরী সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট ও জাতীয় কবিতা পরিষদ গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা পালন করেন।

    অনুষ্ঠানের শেষে রুদ্র স্মৃতি সংসদের সভাপতি ও রুদ্রের অনুজ সাংবাদিক সুমেল সারাফাত এর হাতে উপহারের বই তুলে দেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) এর মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ।

  • গোদাগাড়ীতে  ভোক্তা অধিকার আইনে অভিযান, জরিমানা, দোকানে তালা দিয়ে পালিয়ে গেলেন অনেকে

    গোদাগাড়ীতে ভোক্তা অধিকার আইনে অভিযান, জরিমানা, দোকানে তালা দিয়ে পালিয়ে গেলেন অনেকে

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিশালবাড়ী বাজরে বিভিন্ন ২ দফা অভিযান চালিয়ে ভেজাল, পঁচা মালামাল, পুন্যের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় কয়েকজন দোকান মালিককে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

    সোমবার দুপুরে মহিশালবাড়ী বাজারে মুদির দোকানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, রাজশাহী জেলার সহকারী পরিচালক মাসুদ গ্রালীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মুদি দোকানদার কালুকে মেয়াদ উত্তীর্ণ মুড়ি রাখার জন্য ৬ হাজার টাকা, ভেজাল, একই অভিযোগে মুদি দোকানদার বাবুকে সাড়ে ৩ টাকা, পাঁচা পুন্য বিক্রির অভিযোগে আব্দুল্লাহকে সাড়ে ৩ হাজার টাকা, তার ভাই মুদিখানার দোকানদার সোয়েবকে ২ হাজার টাকা জরিমান করেন।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিকুল ইসলাম তার ফেসবুক ভেরিভাই পেজে ৪ টি ছবি দিয়ে লিখেছেন, আজ ১৬/১০/২০২৩ ইং তারিখ সাড়ে বিকেল ৫ টার সময় রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলাধীন মহিশালবাড়ী এলাকায় জনাব মোঃ জাহিদ হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, গোদাগাড়ী, রাজশাহী মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন ।

    অভিযান পরিচালনা কালে একটি দোকানে ১২ (বার) প্যাকেট মেয়াদোত্তীর্ণ টেস্টি স্যালাইন এবং নষ্ট ও ময়লাযুক্ত গুড় জব্দ করা হয়। মেয়াদোত্তীর্ণ টেস্টি স্যালাইন এবং নষ্ট ও ময়লাযুক্ত গুড় রাখার অপরাধে অভিযুক্ত জনাব মোঃ মফিজুল ইসলাম, পিতাঃ মৃত. ইয়াসিন, মহিশালবাড়ী, গোদাগাড়ী, রাজশাহীকে ভোক্তাধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫১ ধারায় ২০০০/- (দুই হাজার) টাকা অর্থ দন্ড করা হয়
    তিনি আরও লিখেছেন, জনস্বার্থে উপজেলা প্রশাসনের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।
    ২ অভিযান পরিচালনার সময় ফার্মেসী, মুদিদোকানদার, কাপড়ের দোকানদার তেল মেল মালিকগণ দ্রুত দোকানে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। অভিযানের সংবাদ পৌঁছা মাত্রই রেলওয়ে বাজার, হাটপাড়া, গোদাগাড়ী, সুলতানগঞ্জ, রেলগেট, বাইপাস, সিএন্ডবি এলাকার চিত্র একই। দোকান মালিকগণ জরিমানার ভয়ে ৩/৪ ঘন্টা দোকানে তালা লাগিয়ে পালিয়ে থাকেন।
    এতে করে আজকে তাদের আধাবেলা দোকান বন্ধ থাকার ব্যবসার অনেক ক্ষতি হয়েছে। এক দোকানদারকে বলতে দেখা যায় আওয়ামীলীগ, পুলিশলীগের পর নতুন যুক্ত হয়েছে ভোক্তা অধিকার লীগ। এদের কারনে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। লাখ লাখ টাকা বাকী খেয়ে টাকা চাইতে গেলে হুমর্কীদেন কিভাবে ব্যবসা করবো।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।