Blog

  • শাজাহানপুরে শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ

    শাজাহানপুরে শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর(বগুড়া)প্রতিনিধি :

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তর ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলায় হিন্দুদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ এর সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) সোহরাব হোসেন ছান্নু। ব্যাক্তিগত অর্থায়নে শুক্রবার(২০অক্টোবর) বিকেল ৪টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই অনুষ্ঠানে উপজেলার প্রত্যেক হিন্দু পাড়ার শতাধিক নারী উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় বক্তব্যে সোহরাব হোসেন ছান্নু সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন তুলে ধরেন। হিন্দুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হিন্দুরা অনেক ভালো আছেন। শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা আপনাদের পাশে আছি। অতীতের বিভিন্ন সরকারের সময় আপনাদের উপরে নির্যাতন হয়েছে। আপনারা(হিন্দুরা) তাঁদের ফাঁদে পা দিবেন না।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন বাবলু, নজরুল ইসলাম, মাহফুজার রহমান বাবলু, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল হক মুক্তা, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মোল্লা, প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বাদশা আলমগীর, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রঞ্জু সহ অনেকে।

  • নেতাকর্মীদের নিয়ে অন্তর হলে ‘মুজিব’ একটি জাতির রূপকার’ দেখলেন আ’লীগ নেত্রী সালমা

    নেতাকর্মীদের নিয়ে অন্তর হলে ‘মুজিব’ একটি জাতির রূপকার’ দেখলেন আ’লীগ নেত্রী সালমা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনীনির্ভর ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ বায়োপিকটি দেখেছেন ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেলিমা বেগম সালমা। ফুলবাড়িয়া
    উপজেলার অন্তর সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে বুধবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে ২,৩০টা থেকে রাত সাড়ে ৫টা পর্যন্ত প্রদর্শন হয়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সুধীজনসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

    ছবিটি দেখা শেষ হল থেকে বেরিয়ে মিডিয়াকর্মীদের কাছে নিজের অনুভূতি তুলে ধরেন ৯০এর গণ আন্দোলনে রাজপথে থাকা সাবেক ছাত্রনেতা সালমা। তিনি বলেন ‘পাকিস্তানের শুরু থেকে বাংলাদেশের অভ্যুদয়-প্রত্যেকটি সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদান রয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম মুখর জীবন ও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ সবই তার নেতৃত্বে হয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আদায়ে নিজের আরাম আয়েশ ত্যাগ করেছেন- তা ফুটে উঠেছে এই সিনেমাতে। এই সিনেমায় তার সংগ্রামী জীবনের প্রতিচ্ছবি আমরা দেখতে পেয়েছি। তার জীবন,তার নাম-সবই বাংলাদেশের স্বাধীনতার সঙ্গে জড়িত।

    ফুলবাড়িয়া উপজেলার তরুণ জনপ্রিয় নেত্রী সালমা আরও বলেন, ‘এই ছবির মাধ্যমে আমরা দেখতে পেয়েছি- বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যরা কতটা সাহসী ভূমিকা রেখেছেন। তারা কীভাবে অনুপ্রেরণা দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, তা স্পষ্ট। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মাটি,বাংলাদেশের মানুষ ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা,
    তৎকালীন সাড়ে সাত কোটি মানুষের মুক্তি এসেছে।’

    পৃথিবীর বুকে ঠাঁই পেয়েছে বা্ংলাদেশের একটি পতাকা। এই প্রজন্ম এবং আগামী প্রজন্মকে ছবিটি দেখার অনুরোধ জানিয়ে সেলিনা বেগম সালমা বলেন ‘বঙ্গবন্ধুর সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানা ও ধারণ করতে হবে। সেই ইতিহাস থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের যে অগ্রযাত্রা- সেটি এগিয়ে নেওয়ার জন্য নতুন প্রজন্ম, যারা দেশকে নেতৃত্ব দেবে- তাদের কাজে লাগবে। ওই প্রজন্মই বাংলাদেশকে একটি স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়বে এবং এই সিনেমাটি তাদের জন্য অনুপ্রেরণার।’

    সিনেমা শেষে বেরিয়ে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, শ্রমিক লীগসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে ছবি তোলেন।

    তরুণ প্রেক্ষাগৃহে এই মুভি দেখার সময় তার সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

  • শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশবাসীকে জাপা নেতা আব্দুল আউয়াল সেলিমের শুভেচ্ছা

    শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে দেশবাসীকে জাপা নেতা আব্দুল আউয়াল সেলিমের শুভেচ্ছা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
    শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরকে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ময়মনসিংহ -৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির আস্থাভাজন মুখপাত্র আব্দুল আউয়াল সেলিম।

    শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি সকল সনাতন ধর্মালম্বীদের উদ্দেশ্য বলেন সকল অশুভ শক্তির বিনাশ নিশ্চত, সনাতনধর্ম মতে দেবী দূর্গা হলেন সকল অশুভ শক্তির বিনাশের প্রতিক সরূপ।
    অসাম্প্রদায়িক এই বাংলাদেশে সমাজে শান্তি শৃংখলা বজায় রেখে ধর্মীয় সম্প্রতি শান্তির এদেশে কোনো অপশক্তির ঠাই হবেনা।
    তিনি সাবেক সফল রাষ্ট্র নায়ক মুরহুম হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ এবং ময়মনসিংহের কৃত্বি সন্তান সাবেক ফাস্ট লেডি জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদের অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মানে কার্যকরী ভূমিকা আছে বলে মন্তব্য করেন।

    জনাব আব্দুল আউয়াল সেলিম আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জাতীয় পার্টি এবং এর সলক অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি কোনো অপশক্তি যাতে পূজায় বিঘ্ন না ঘটাতে পারে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখারও আহবান জানান।

  • ফুলবাড়িয়ায় শেখ রাসেলের জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের ফুটবল বিতরণসহ দিনব্যাপী  সালমার কর্মসূচি

    ফুলবাড়িয়ায় শেখ রাসেলের জন্মদিনে শিক্ষার্থীদের ফুটবল বিতরণসহ দিনব্যাপী সালমার কর্মসূচি

    আরিফ রববানী, ময়মনসিংহ।।
    শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দিনব্যাপী মতবিনিময়, আলোচনা,কেক কাটাসহ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরণসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ৯০এর গণ আন্দোলনে রাজপথে থাকা সাবেক সাহসী ছাত্রনেতা সেলিমা বেগম সালমা।

    কর্মসুচীর অংশ হিসাবে বুধবার (১৮অক্টোবর)সকাল ১০টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৬০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের পলাশতলী পূর্বপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা, কেক কাটা এবং আনন্দ মিছিল ও ফুটবল বিতরন ও একই দিনে উপজেলার ১নং নাওগাঁও ইউনিয়নের পলাশীহাটা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠপুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের স্মরনে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফুটবল বিতরন করেন তিনি। পরে তিনি নিজ হাতে শিক্ষার্থীদের খাবার খাওয়ান। সাবেক ছাত্রনেত্রীর এই ব্যতিক্রম এই আয়োজনকে ঘিরে প্রতিষ্ঠানগুলো মাঠে শিক্ষার্থীদের আনন্দের উল্লাস দেখা গেছে ।

    এসময় মতবিনিময়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশে তিনি বলেন , বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করার পর শিশু শেখ রাসেলকেও নৃশংসভাবে হত্যা করেছে ঘাতকরা। শেখ রাসেলের মধ্যে ছিলো এক মহৎ আদর্শ। আজ শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে শোষিত মানুষের নেতা হতেন।’শেখ রাসেলের মধ্যে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, চেতনা ও দায়িত্ববোধ ছিলো। নব প্রজন্মের মধ্যে রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, চেতনা ও দায়িত্ববোধ থাকলে তারা খুব সহজেই সাফল্যের শিখরে পৌঁছবে। শেখ রাসেলের কাজের মধ্যে ছিলো ইতিবাচকতা। দেশে ইতিবাচকতা ছড়িয়ে পড়লে দেশের উন্নয়ন হবে। এজন্য আমি শিক্ষার্থীদের ইতিবাচক কাজের দিকে ধাবিত হওয়ার জন্য আহ্বান জানাই।’ এসময় প্রতিষ্ঠান ম্যানেজিং কমিটির সদস্যবৃন্দসহ শিক্ষক-শিক্ষিকা উপস্থিত ছিলেন।

    এছাড়াও সারাদিন ব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে পলাশতলী গ্রামে উঠান বৈঠকে মহিলা ভোটার ও তাদের শিশুদের নিয়ে কেক কেটে শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন পালন করেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সেলিম বেগম সালামা। দুপুরে প্রায় শতাধিক নেতা-কর্মীকে নিয়ে ফুলবাড়ীয়ার অন্তর সিনেমা হলে “মুজিব”ছিনেমা দেখেন এবং বিকেলে বাদ আছর দলীয় কার্য্যালয়ে জাতির জনক ও তার পরিবারের আত্মার মাগফেরাত কামনায় কোরআন খতম, মিলাদ-মাহ্ ফিল ও দোয়া শেষে মিষ্টি বিতরন করেন তিনি। বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে কেক কাটা অনুষ্ঠান এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলে সেখানে আগামী নির্বাচনে নৌকার বিজয়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান সেলিমা বেগম সালমা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় শ্রমিক লীগ ফুলবাড়ীয়া উপজেলার আহবায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন ফুলবাড়ীয়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আবুল হাসনাত জনি, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ফুলবাড়ীয়া শাখার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাসান মাহমুদ সেলিম, পৌর ছাত্রলীগ নেতা আবু সাঈদ মিলন, মৎস্যজীবী লীগ ফুলবাড়ীয়া শাখার সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান, গায়েন শমর প্রমুখ।

  • নেতারা প্রতিশ্রুতি দিলেও কবরস্থান পায়নি দুই গ্রামের মানুষ “থামেনি মৃতদেহ নিয়ে দুশ্চিন্তা”

    নেতারা প্রতিশ্রুতি দিলেও কবরস্থান পায়নি দুই গ্রামের মানুষ “থামেনি মৃতদেহ নিয়ে দুশ্চিন্তা”

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি
    তারাগঞ্জ উপজেলার দুই গ্রাম জদ্দিপাড়া ও ডাঙ্গাপাড়া। সদর ঘেঁষা গ্রাম দুটিতে প্রায় ১ হাজার পরিবারের বাস। এখানকার অধিকাংশ মানুষ দিনমজুর। তাঁদের বেশির ভাগের শুধু বসতভিটাই সম্বল। শহরের পাশের এ গ্রামগুলোর মানুষের ভাতের অভাব না থাকলেও মৃতদেহ নিয়ে রয়েছে দুশ্চিন্তা। লাশ কবর দেওয়া নিয়ে খুবই সমস্যায় পড়তে হয় বাসিন্দাদের।

    গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁদের এখান থেকে দক্ষিণে আড়াই কিলোমিটার দূরে আদর্শপাড়া কবরস্থান ও পূর্বে দুই কিলোমিটার দূরে শিয়ালডাঙ্গা কবরস্থান অবস্থিত। এই দুই কবরস্থানে এলাকার লোকজন ছাড়া অন্য এলাকার বাসিন্দাদের মরদেহ দাফন করতে গেলে অনেকেই আপত্তি করে।

    ডাঙ্গাপাড়া ও জদ্দিপাড়া গ্রামে কেউ মারা গেলে বাড়ির উঠান, আঙিনায় কবর দেওয়া হয়। যাঁদের উঠানও নেই তাঁরা স্বজনের লাশ নিয়ে পড়ে যান বিপাকে। অনুরোধ করে ওই দুই কবরস্থানে দাফন করতে হয় তাঁদের।

    দুই গ্রামের আশপাশে কয়েকটি সরকারি খাস জমি আছে। সেগুলোর একটিকে কবরস্থান করার জন্য এলাকার লোকজন কয়েকবার আবেদন করেছেন, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।

    কুর্শা ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, খাসজমিতে কবরস্থান করার জন্য দুই গ্রামের বাসিন্দারা রংপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইউনিয়ন ভূমি অফিস জমি ঘুরে একটি প্রতিবেদন উপজেলা ভূমি অফিসে দাখিল করেছে।

    ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘চেয়ারম্যান প্রত্যেকবারে কয় ভোট দেও, এবার তোমার কবরস্থানের ব্যবস্থা করি দিমো। ভোট দেই, চেয়ারম্যান হয়, কিন্তু কবরস্থানের ব্যবস্থা করে না। আমরা রিলিফের চাল চাই না, মরার পর যেন সাড়ে তিন হাত মাটিতে শরীরটা ঢাকতে পারি এমন একটা জায়গা চাই।’

    সরজমিনে ওই গ্রাম ঘুরে দেখা গেছে, ঘনবসতি এলাকা। গলি ধরে যেতে হয় বিভিন্ন বাড়িতে। কেউ বাড়ির সামনে, কারও ঘরের পাশে, কেউ আঙিনায়, কেউ রাস্তার ধারে স্বজনদের কবর দিয়েছেন। প্রতিটি বাড়িই যেন একেকটি কবরস্থান।

    কাপড় ব্যবসায়ী লিমন হোসেন বলেন , মানুষ মরণশীল কার কখন মৃত্যু হবে কেউ জানে না কিন্তু বারবার যে মৃতদেহ নিয়ে টানা হাচড়ায় পড়তে হয় এটা খুব দুঃখজনক আমাদের খাওয়া দাওয়া ঘুমানোর কোন চিন্তা নেই চিন্তায় পড়ে যাই কেউ মরলে তার মরা দেহ নিয়ে চিন্তা করি আমি মরলে কোথায় আমার লাশ দাফন হবে?
    কবরস্থান নিয়ে প্রশ্ন এখন জনমনে বারবার কবরস্থান হওয়ার কথা থাকলেও কার ইঙ্গিতে কেনই বা আটকে থাকছে কবরস্থানের কাজ, তাহলে কি নেতারা কবরস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট ব্যবসা করছেন ? নাকি কবরস্থান করে দেয়ার কথা বলে প্রতারণা করছেন স্বজনের লাশ কাঁধে নিয়ে অসহায় হয়ে যাওয়া এই মানুষদের সাথে।

    এ বিষয়ে সদ্য যোগদান কৃত নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল রানার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি নতুন জয়েন করেছি বিষয়টা আমার জানা ছিল না খাস জমি থাকলে সরজমিনে দেখে ওখানে কবরস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

  • বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর গোপালগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের অফিসসহ দোকান ভাংচুর

    বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর গোপালগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ইউনিয়ন যুবলীগের অফিসসহ দোকান ভাংচুর

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : sগোপালগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলার কাঠি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের অফিস অফিসসহ বেশ দোকান ভাংচুর করেছে সন্ত্রাসীরা। এসময় বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর ও গোপালগঞ্জ-০২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ব্যানান ছিড়ে ফেলা হয়। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করেছে।

    আজ শুক্রবার (২০ অক্টোবর) রাতে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার কাঠি ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

    গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনিচুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি মোহাম্মদ আনিচুর রহমান জানান, তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ওই এলাকার দুই দল যুবকের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় কাঠি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের অফিস অফিসসহ বেশ কয়েকটি দোকান ভাংচুর করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

    তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় এখন পযর্ন্ত থানায় কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয় হবে। তবে এখন পযর্ন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

    নাম না প্রকাশ করার শর্তে এলাকাবাসী বলেন, যুবলীগের অফিস ভাংচুর চলাকালে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর ও গোপালগঞ্জ-০২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের ব্যানান ছিড়ে ফেলে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করেছে।

    কাঠি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো: মনোয়ার হোসেন জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে খানারপাড় ও মানিকহার গ্রামের দুই দল যুবকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে ভাংচুর করা হয়েছে। ঘটনার খবর শুনে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। পরে বিষয়টি মিমাংসার জন্য বলেছি। কাল আমাদের কর্মী সভা আছে। কর্মী সভা শেষ হলে বিষয়টি নিয়ে মিমাংসা করা হবে। #

  • হবিগঞ্জে  ডাক দিয়ে যাই সংগঠনের উদ্যোগে  ৩১ তম বাউবি  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    হবিগঞ্জে ডাক দিয়ে যাই সংগঠনের উদ্যোগে ৩১ তম বাউবি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।। ২০ অক্টোবর ২০২৩, রোজ শুক্রবার সকাল ১০ ঘটিকার সময় মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে বাউবি শিক্ষার্থী কল্যাণ সর্বপ্রথম ও সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক সংগঠন “ডাক দিয়ে যাই” হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে ৩১ তম বাউবি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা, রেলি, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কেক কাটা সহ নানা কর্মসূচি মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে ডাক দিয়ে যাই সংগঠন হবিগঞ্জ জেলা শাখার আহবায়ক, মোহাম্মদঃ জসিম উদ্দিন অসিম এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব শাখাওয়াত চৌধুরী আকিব
    এর পরিচালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাধবপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এর বাউবি স্টাডি সেন্টারেরঃ সমন্বয়কারী ও প্রধান শিক্ষক জনাব, এ কে এম সাইফুল ইসলাম স্যার।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাউবি টিউটোরিয়াল শিক্ষক, এমদাদুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম, মোঃ সাইফুল ইসলাম স্যার।

    আরো বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডাক দিয়ে যাই সংগঠনের যুগ্ম সচিব, মোঃ কামরুল আলম সোহেল।

    যুগ্ন সদস্য সচিব মোঃ ফারুকুল ইসলাম যুগ্ম আহ্বায়ক, দীপঙ্কর সূত্রধর, যুগ্ন সদস্য সচিব, মোঃ নুরুজ্জামান সদস্য আব্দুল খালেক।

    সদস্য ইসরাত জামান হেরা,যুগ্ন সদস্য সচিব আফিয়া আক্তার শিউলি.

    আর উপস্থিত ছিলেন, ডাক দিয়ে যাই হবিগঞ্জ জেলা শাখার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন প্রোগ্রামের বাউবি শিক্ষার্থীবৃন্দ।

  • মহালছড়িতেও মহাষষ্ঠী,দেবীর বোধনের দিনে শুভেচ্ছা

    মহালছড়িতেও মহাষষ্ঠী,দেবীর বোধনের দিনে শুভেচ্ছা

    (রিপন ওঝা,মহালছড়ি)

    সারাদেশের ন্যায় মহালছড়ি সদর শ্রী শ্রী দক্ষিনা কালী মন্দির ও ও মাইসছড়ি শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দিরে আজ ২০অক্টোবর শুক্রবার মহাষষ্ঠী, দেবীর বোধনের দিন। বোধনের পরই প্রতিমায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয় বলে বিশ্বাস।

    মহালয়ার ৫ম দিনের মধ্যে মহাপঞ্চমী পরের দিনেই আজ ২ কার্তিক ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ২০অক্টোব মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস, ৩ ঘটিকায় হতে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে, ৫.৩০ঘটিকায় বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে এবং সন্ধ্যা ৬.৩০ঘটিকায় মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্জলিত হয়েছে।

    প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী এ দিনই স্বর্গ থেকে মর্ত‍্যে পদার্পণ করেন দেবী দুর্গা। সঙ্গে থাকেন তাঁর চার সন্তান লক্ষ্মী, গণেশ, কার্তিক, সরস্বতী। এদিন দুর্গার মুখের আবরণ উন্মোচিত হয়।

    এ’বছর অবশ্য সারা বাংলাজুড়েই মহালয়ার পর থেকে বিপুল সংখ্যক মণ্ডপে জন জোয়ার। পুরাণ মতে দেবীপক্ষে ষষ্ঠীতে দুর্গাকে বোধন করে পুজো শুরু করেছিলেন রাম চন্দ্র। সেই থেকেই নাকি চলে আসছে ষষ্ঠীতে বোধনের রীতি।

    সপ্তমী,অষ্টমী, নবমী শেষে বিজয়া দশমী ৬কার্তিক ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, ২৪অক্টোবর মঙ্গলবার, সকাল ৯ঘটিকায় সনাতনী সমাজের সকল বয়সীদের সাড়ম্বরে একত্রিত হয়ে পুষ্পাঞ্জলিগ্রহণ সহ সকল মাঙ্গলিক কার্যক্রম সম্পন্ন করে সকল আয়োজনের প্রতিযোগীদের মাঝে সম্মানিত অতিথিদের উপস্থিতিতে পুরষ্কার বিতরণের কর্মসূচী রয়েছে। বিজয়া দশমীতে উপস্থিত সকলের মহামিলন ঘটিয়ে শ্রী শ্রী শারদীয়া দুর্গাদেবীর বিসর্জন যাত্রার প্রস্তুতি নেয়া হবে।

  • জীবন ও জীবিকা  পাঠ  স্কুলেই রান্না শিখছে শিক্ষার্থীরা

    জীবন ও জীবিকা পাঠ স্কুলেই রান্না শিখছে শিক্ষার্থীরা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে উপজেলার এসিলাহা পাইলট উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নিজের হাতে রান্না শিখছে। নিজেরা রান্না করে দুপুরের খাবারের আয়োজনও করেছে তারা।

    জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের কৃষিসহ নানা বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে নতুন শিক্ষা পদ্ধতিতে জীবন ও জীবিকা নামে পাঠ্য বই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ওই বইয়ের একটি অধ্যায়ে রান্নায় দক্ষতা অর্জনের বিষয়টি রয়েছে। যার অংশ হিসেবে রান্না শিখছে শিক্ষার্থীরা।

    বৃহস্পতিবার ( ১৯ অক্টোবর ২০২৩)দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, কেউ পেঁয়াজ কাটছে, কেউ কাটছে মরিচ, কেউ চাল ধুঁয়ে রান্না বসাচ্ছে, কেউ আবার আলু কাটছে। কাউকে দেখা গেল ডিম ভাজতে। কারো ব্যস্ততা চুলায় আগুন জ্বালানো নিয়ে। এভাবে নিজেরা সম্মিলিতভাবে রান্নায় ব্যস্ত শিক্ষার্থীরা।

    এসব কাজে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রয়েছেন শিক্ষকেরাও। সবাই একেক কাজে ব্যস্ত। পরে রান্না শেষে ১০ শিক্ষক, কর্মচারী ও ৫০ শিক্ষার্থী মিলে একসঙ্গে দুপুরের খাবার খেয়েছেন তারা।

    শ্রেণি শিক্ষক তানিয়া সুলতানা বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণির জীবন ও জীবিকা পাঠ্য বইয়ের স্কিল কুকিং অধ্যায়ের কাজের মধ্যে আনন্দ হাতেকলমে শিখতে গিয়ে শিক্ষার্থীরা দুপুরে নিজেদের রান্না নিজেরাই করে খাবার খায়। এতে শিক্ষার্থীরা আনন্দ খুঁজে পায়।

    বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি, জ্ঞান, যোগ্যতা, মূল্যবোধ ও সখ্য বাড়াতে জাতীয় শিক্ষাক্রমের মূল ভিত্তিতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। এরই ধারাবাহিকতায় ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা জীবন ও জীবিকা বিষয়ের বাস্তব অভিজ্ঞতার অর্জনের অংশ হিসেবে বুধবার শিক্ষার্থীরা নিজেরাই বাজার করা থেকে শুরু করে রান্নার সবকিছুই করেছে। শিক্ষকরা তাদের সহায়তা করেছে ক্লাসের মত।

    বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী বিহনা আরফিন বিন্দু, চাঁদনী, তায়েবা, নুফিকাসহ অন্যরা জানায়, বাড়িতে মা প্রতিদিনই রান্না করেন। বাবা হাট থেকে চাল, ডাল, সবজি, তেল, লবণ থেকে শুরু করে যাবতীয় জিনিস কিনে নিয়ে আসেন। এই কাজ সম্পর্কেই আজ তারা অভিজ্ঞ হলো।

    উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মো. বাকি বিল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার জন্য শিক্ষায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে হাতেকলমে বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যেমে কৃষি, রান্নাসহ নানা কাজ শিখছে শিক্ষার্থীরা। এতে তারা ভবিষ্যতে আত্মনির্ভরশীল হতে পারবে। #ছবি সংযুক্ত আছে।

    (এস এম সাইফুল ইসলাম কবির)
    বাগেরহাট সংবাদদাতা।

  • এমপি ফারুক চৌধুরীকে জড়িয়ে ফের অপপ্রচার

    এমপি ফারুক চৌধুরীকে জড়িয়ে ফের অপপ্রচার

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে শিক্ষক দিবস উপলক্ষে উপজেলা শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির সভা নিয়ে এমপি ফারুক চৌধুরীকে জড়িয়ে ফের প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও ফেসবুক আইডি থেকে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, এই বলে যে উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে আলোচনা সভা করেছেন এমপি ফারুক চৌধুরী। যা সম্পুর্ন মিথ্যা-বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মানহানিকর ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। অথচ এটা কোনো রাজনৈতিক সভা নয়, সভায় কেউ রাজনৈতিক বক্তব্যও রাখেনি, পুরো আয়োজন জুড়েই ছিল শিক্ষার মানোন্নয়নে করনীয় বিষয়ে বিস্তর আলোচনা। এদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঐচ্ছিক ছুটি ঘোষণা করা হয়।
    প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে প্রতিবছরের মতো এবারো শিক্ষক দিবস উপলক্ষে
    উপজেলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়-মাদরাসা ও কলেজ শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা আয়োজন করা হয়। সভায় সাংসদ ফারুক চৌধুরীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার মানোন্নয়নে দিকনির্দেশনা মুলক বক্তব্য রাখেন।
    অথচ এমন সাধারণ ও স্বাভাবিক ঘটনায় এমপিকে জড়িয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর হেতু কি ? এদিকে এমপিকে নিয়ে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর খবরে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে, জনমনে চরম অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে, বিরাজ করছে বিস্ফোরণ মুখ পরিস্থিতি বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
    এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সরনজাই দাখিল মাদরাসা সুপার মাওঃ সিরাজুল ইসলাম বলেন, এটা কোনো রাজনৈতিক সভা নয়, এটা ছিল শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-কর্মচারীদের মতবিনিময় সভা। তিনি বলেন, তারা এমপি মহোদয়কে আমন্ত্রণ করেছিলেন। তাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে তিনি তাদের অনুষ্ঠানে যোগদান করায় তার কাছে তারা কৃতজ্ঞ।#