Blog

  • ডিবির অভিযানে ১২গাঁজা সহ মাদক কারবারি জুয়েল আটক

    ডিবির অভিযানে ১২গাঁজা সহ মাদক কারবারি জুয়েল আটক

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
    শনিবার (২১শে সেপ্টেম্বর)২০২৩ইং সন্ধায়
    লালমনিরহাট টু মোস্তফি গামী পাকা রাস্তা উপর থেকে ১২ কেজি গাঁজা সহ একজন মাদক কারবারি কে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি হলো, লালমনিরহাট জেলার সদর থানার পৌরসভা ওয়ারড নং-০১,গ্রাম বানাভাসা মোড়রের জোবাইদুল ইসলাম,ছেলে জুয়েল রানা (২৭), গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ডিবির অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এসআই নিজাম-উদ-দৌলা,এএসআই আঃ বারী,মোঃ রাশেদ মিয়া,মোঃ রেজাউল করিম, নাজমুল হোসেন, সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমনিরহাট জেলার সদর থানাধীন গোকুন্ডা ইউপির অন্তর্গত তালুক মৃত্তিকা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পার্শ্বে থেকে লালমনিরহাট টু মোস্তফি গামী পাকা রাস্তার উপরে প্রাইভেট কারের ব্যাকডালার ভিতর থেকে ০৪ পোটলায় মোট ১২কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার সহ এক জন কে আটক করেন। লালমনিরহাট সদর থানায় আটক আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

    লালমনিরহাট ডিবির অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে লালমনিরহাট টু মোস্তফি গামী পাকা রাস্তার উপরে হতে ১২কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করেন।

    হাসমত উল্লাহ।

  • সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষার্থী শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত

    সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষার্থী শীর্ষক সভা অনুষ্ঠিত

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
    সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ, মাদক ও বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে “সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষার্থী শীর্ষক” ঢাকা ইউনিভাসিটি অ্যালামনাই অ্যাসাসিয়েশের উদ্যোগে চট্টগ্রামের পটিয়া ও কর্ণফুলী এলাকায় তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও একটি গ্রামে সভা করেছেন।
    গতকাল বৃহষ্পতিবার (১৯ অক্টোবর) বৃহষ্পতিবার দুপুর দুটায় ঢাকা ইউনিভাসিটি অ্যালামনাই অ্যাসাসিয়েশের ব্যানারে পটিয়া আবদুর রহমান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক। কল্লোল কুমার বৈদ্য। এতে বক্তব্য দেন ঢাবি অ্যালামনাই অ্যাসাসিয়েশের চট্টগ্রাম জেলার সমন্বয়ক ও ঢাবি‘র ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তার, লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ কায়সার, বিশ^বিদ্যালয় শিক্ষার্থী মেহেরুন্নেসা, অনামিকা শীল,মোস্তাক আহমদ, বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইসমত আরা প্রমূখ।
    এছাড়া দুপুর ১২টায় কর্ণফুলী উপজেলার দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে, বিকেল সাড়ে তিনটায় পটিয়া এ এস রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে এবং বিকেল পাঁচটায় কুসুমপুরা থানা মহিরা এলাকায় নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা বলেন, এই সংগঠনের উদ্যোগে দেশব্যাপী সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদ, মাদক ও বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে “সমাজ পরিবর্তনে শিক্ষার্থী শীর্ষক” দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গ্রামে প্রচারাভিযান পরিচালানা শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন তারা। বক্তরা বলেন, এধরনের উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়। এতে শিক্ষার্থীসহ এলাকার মানুষ সচেতন হবে

  • তারাগঞ্জে ভাবি অন্যের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করা নিয়ে তর্কে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

    তারাগঞ্জে ভাবি অন্যের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করা নিয়ে তর্কে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন

    খলিলুর রহমান খলিল নিজস্ব প্রতিনিধি।

    রংপুরের তারাগঞ্জে ভাবির অন্যের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করা নিয়ে তর্কে ভাইয়ের হাতে ভাই খুন । গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের তারাগঞ্জ বাজারের মেথরপট্টিতে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত বিজয় বাসফোর ইকরচালী উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ছিলেন। জ্যাঠাতো ভাই মানিক বাসফোর তাঁর গলায় বার্মিজ চাকু দিয়ে আঘাত করে খুন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মালুয়া (ডংগা) বাসফোরের ছেলে বিজয় বাসফোর ও জগদীশ বাসফারের ছেলে মানিক বাসফোর সম্পর্করে চাচাতো-জ্যাঠাতো ভাই। বিজয় ও মানিকের সম্পর্ক খুব গাঢ়। তাঁরা একসঙ্গে ঘোরাফেরা করতেন। বিজয় বাসফোর উপজেলার ইকরচালী উচ্চবিদ্যালয়ের পরিচ্ছন্নতাকর্মী ছিলেন।

    বিজয়ের বাবা মালুয়া বাসফোর অভিযোগ করেন, চাকরির প্রথম বেতন পাওয়ার পর বিজয় পূজার কেনাকাটার জন্য গতকাল শনিবার দুপুরে পার্শ্ববতী নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর পৌরসভার একটি মার্কেটে যান। সেখানে দেখতে পান মানিকের স্ত্রী পারুল রানি অন্য পুরুষের সঙ্গে ঘোরাফেরা করছেন। বাড়িতে ফিরে এ কথা মানিককে জানান বিজয়। বিষয়টি নিয়ে মানিক ও তাঁর স্ত্রী পারুল রানির মধ্যে তর্কের সৃষ্টি হয়। রাত ১১টার দিকে বিজয়কে বাড়ির উঠানে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য ডাকেন মানিক। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সেখানেই বার্মিজ চাকু বিজয়ের গলায় ঢুকিয়ে দেন মানিক। বিজয়কে মাইক্রোবাসযোগে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১১টায় মারা যান তিনি।

    বিজয় বাসফোরের মা রেখা রানি আহাজারি করে বলেন, ‘ছেলেটা কী অপরাধ করছে? সে তো মার্কেটে যা দেখছে তা-ই বলেছে। ওদের মধ্যে তো ভালো সম্পর্ক ছিল। কেমন করে ছেলেটারে আমার মাইরা ফেললো।’

    এ বিষয়ে কথা বলার জন্য মানিক বাসফোরের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পাওয়া যায়নি। মানিকের স্ত্রী পারুল রানি বলেন, ‘আমি সৈয়দপুরে একটি বিউটি পারলারে গিয়েছিলাম। অন্য ছেলের হাত ধরে ঘোরার অভিযোগ সঠিক না। রাত সাড়ে ১০টার দিকে আমাদের বাড়িতে চারজন আত্মীয় এসেছিল। ওই সময় মানিকও বাড়িতে ছিল। মানিকের উপস্থিতিতে তাঁর চার বন্ধুকে বিজয় অপদস্থ করে বের করে দেয়। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়।’

    তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরে ‘এমভি সাগরজিট’

    বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরে ‘এমভি সাগরজিট’

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির. বাগেরহাট:বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরে নঙ্গর করেছে ‘এমভি সাগরজিট’ নামের বিদেশী বাণিজ্যিক জাহাজ। ইন্দোনেশিয়া থেকে আসা এবারের চালানে ৩৩ হাজার ১১০ মেট্রিক টন জালানী কয়লা বোঝাই করে বন্দরের হারবাড়িয়ার ১২ নম্বর এ্যাঙ্কারেজ বয়ায় নঙ্গর করেছে এ জাহাজটি।

    আমদানিকরক বলছে, কয়লা খালাস করতে সময় লাগবে মাত্র ৭/৮ দিন। জাহাজটির স্থানীয় মেসার্স টগি শিপিং এজেন্ট কর্তৃপ জানায়, শনিবার সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়ার ১২ নম্বর এ্যাংকারেজ বয়ায় ভিড়েছে সিঙ্গাপুর পতাকাবাহী “এমভি সাগরজিট” নামের বানাজ্যিক এ জাহাজটি। গত শুক্রবার রাতের জোয়ারে এসে বঙ্গোপসাগর মোহনার হিরোনপয়েন্টে ফেয়ারওয়ে বয়ায় অবস্থান নিয়ে শনিবার ভোরে সরাসরি হারবাড়িয়ার ১২ নম্বর এ্যাঙ্কারেজ বয়ায় এসে নোঙর করে। জাহাজটি গত ৩০ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার “মুয়ারা বিরু’’ নামক বন্দর থেকে ৫৬ হাজার ৫১০শ’ মেট্রিক টন কয়লা বোঝাই করে। সেখান থেকে কয়েকটি সাগর পথ পাড়ি দিয়ে ১৭ অক্টোবর রাতে চট্রগ্রাম বন্দরে এসে ২৩ হাজার ৪শ’ মেঃ টন কয়লা খালাস করে। বাকি কয়লা নিয়ে ২২ অক্টোবর রাতে মোংলা বন্দরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে “এমভি সাগরজিট”। জাহাজটি ইন্দোনেশিয়া থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত পৌছাতে ২১ দিন সময় লেগেছে। শনিবার সকালে হারবাড়িয়া ১২ নম্বর বয়ায় নোঙ্গরের পর এদিন দুপুরের পালা থেকে কয়লা খালাস কাজ শুরু করে কয়লা খালাসকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এম এ হাসেম এন্ড সন্স কোম্পানীর প্রতিনিধিরা।

    খালাস করা কয়লা কার্গো ও লাইটার জাহাজ যোগে নেয়া হবে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জেটিতে। রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লার সংকটে বন্ধের পরে কয়লা নিয়ে আসা এটি ১২তম চালানের জাহাজ। জাহাজ থেকে কয়লা খালাস করতে সময় লাগবে ৭/৮ দিন বলেও জানায় শিপিং কর্তৃপক্ষ।

    জাহাজটির স্থানীয় মেসার্স টগি শিপিং অ্যান্ড লজিস্টিক লিঃ এর সহকারী অপারেশন কর্মকর্তা মোঃ হোসেন ইমান, রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা কয়লার বেশীর ভাগই আমাদের টগি শিপিং কর্তৃপক্ষ আমদানি করে থাকে। এজাহাজের পর আগামীতে আরো বেশ কয়েকটি কয়লাবাহী জাহাজ আসান সিডিউল রয়েছে। তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যেন কয়লা সংকটেন কারণে বন্ধ না হতে পারে সে জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে একের পর এক কয়লার জাহাজ আনার জন্য। এছাড়াও আগামী আরো বেশী কয়লা মজুদ রাখারও চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানায় এ শিপিং কর্মকর্তা।

    এর আগে গত ৩ অক্টোবর ১১তম চালানে ৩৪ হাজার ২শ’ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে “এমভি লুনা রোজা ” নামের বিদেশী জাহাজটি কয়লা খালাস করে মোংলা বন্দর ত্যাগ করছিল। #

  • গোদাগাড়ির  মানুষ আতঙ্ক ছাড়াই দূর্গা পালন করছেন-রতন দাস

    গোদাগাড়ির মানুষ আতঙ্ক ছাড়াই দূর্গা পালন করছেন-রতন দাস

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ধর্ম যার যার উৎসব সবার, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহসী গতিশীল নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধর সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রাণপন চেষ্টা করে যাচ্ছেন। দৃশ্যেমান হয়েছে পদ্মা সেতু, বঙ্গবন্ধু ট্যানেল, বঙ্গবন্ধ স্যাটেলাইটসহ বিভিন্ন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দিয়ে ওমর ফারুক চৌধুরীকে আবার এমপি বানাতে হবে। দেশের মানুষ শান্তিতে বসবাসের জন্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয়সরকার, যোগাযোগ, বিদ্যুৎসহ সর্বক্ষেত্রে বাপক উন্নয়ন হয়েছে, এসব উন্নয়ন দেখে কিছু কুচক্রী মহল দেশে বিদেশে গুজব ছড়াচ্ছে। সব গুজাবে কান দিবেন না। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে রাজশাহী ১ আসনের সংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে বিশাল ভোটের ব্যবধানে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান। রাজশাহী সহকারী পরিচালক (অবঃ) কাস্টমস গোয়েন্দা, রাজশাহীর সুনন্দন দাস (রতন দাস)

    রবিবার শারদীয়া শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য মোহনপুর ইউনিয়নের ঠাকুর যৌবন, দুধাই কাঠাল, পাকা মন্দির, বাবু ড্যাংসহ
    দেওপাড়া ইউনিয়ন, গোগ্ৰাম ইউনিয়ন ও মাটিকাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ২৩ টি মন্দিরে উদযাপিত দুর্গা দর্শন ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য ওই সব কথা বলেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন, জননেত্রী শেখ হাসিনার দেশ ও জনগনের জীবনমান উন্নয়নের সঠিক তথ্য প্রচার ও মাদকমুক্ত গোদাগাড়ী উপজেলা গড়ার লক্ষ্যে রাজশাহী ১ আসনের সংসদ সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর দিক নির্দেশনায় রতন দাস যুবসমাজকে সাথে নিয়ে গনজাগারণ সৃষ্টি করেছেন।

    তিনি আরও বলেন, এক সমস্যা হলেও এখন পুজা মন্ডপে পুজা পালনে কোন সমস্যা নেই, সন্ত্রসী নেই, চাঁদাবাজি নেই, কোন প্রকার আতঙ্ক ছাড়াই পুজার সকল কাজ সম্পন্ন হবে।

    কোন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মাদকের ব্যপারে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন। আর এ নীতিকে অনুসারণ করে উপজেলার গোদাগাড়ী ও কাঁকনহাট পৌরসভাসহ উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সচেতন মহল, যুবসমাজ, বয়স্ক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে ফুটবল, বিগ-মিনি নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হচ্ছে, হাজার হাজার মানুষ আনন্দ উপভোগ করছেন। মন্দির, মসজিদ, ইসলামী মাহফিলে অনুদান, ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান, মন্দিরে বিশেষ অনুদান প্রদান, খাদ্য সামগ্রী বিতরন, শীত বস্ত্র বিতরন, আদিবাসীদের নিয়ে তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছেন।

    মোহনপুর ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান,, সহঃসভাপতি জিতেন মুরারী বলেন, বিভিন্ন পূজা মন্ডপে আর্থিক অনুদান, পানীয় জলের সুব্যবস্থা করতে বিভিন্ন স্থানে শতাধিক পানির ট্র্যংক, পানির পাম্প, মন্দির সংস্কারের আর্থিক অনুদান, যুবসমাজকে মাদক থেকে বিরত রাখতে খেলাধুরার সামগ্রী বিতরণ, গোদাগাড়ী ও কাঁকনহাট পৌরসভাসহ উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের প্রত্যন্ত অঞ্চলের খেলাধুলার ব্যবস্থা করা।
    সুনন্দন দাস রতন দাদার নাম এখন গোটা উপজেলা সদর, উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের মুখে মুখে, রতন দাসের নাম। সুন্দর বক্তব্য, মানুষের সাথে ভদ্র ব্যবহার, অভিজ্ঞতা, গরীব, দুস্থ, অসহায়, অসুস্থ্য মানুষের আস্থার প্রতীক রতন দাস। তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী দিনে তিনি গোদাগাড়ী উপজেলার চেয়ারম্যান পদে মনোনায়ন প্রত্যাশী, তিনি আওয়ামী দলের মনোনায়ন চাইবেন। যদি রাজশাহী ১ আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী সুদৃষ্টি ও দলীয় বিবেচনায় দলীয় মনোনায়ন পান তবে বিশাল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন বলে তৃনমূলের নেতা কর্মীসহ সচেতন মহল জানান।

    নিজস্ব প্রতিবেদক
    রাজশাহী।

  • ধোপাজান নদীতে চলছে বালু- পাথর উত্তোলন ও চাঁদাবাজি,, অসহায় প্রশাসন….পর্ব-২

    ধোপাজান নদীতে চলছে বালু- পাথর উত্তোলন ও চাঁদাবাজি,, অসহায় প্রশাসন….পর্ব-২

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    সুনামগঞ্জের ইজারাবিহীন ধোপাজান নদীতে চলছে অবৈধভাবে প্রতিনিয়ত বালু- পাথর উত্তোলন এবং দফায় দফায় চাঁদাবাজী। যার ফলে ধোপাজান নদীর পাড়ে থাকা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, রাস্তাঘাট, কবরস্থানসহ নদী গর্ভে বিলীন হতে চলেছে অসহায় মানুষদের বাড়িঘরসহ ফসলি জমি এবং নদীর পরিবেশ ও ভারসাম্য। প্রায় চার বছর যাবৎ ধোপাজান চলতি নদীর ভারত বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ডলুরা বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন যে বালু মিশ্রিত পাথর মহালটি রয়েছে সেটি বন্ধ রয়েছে। যে কারনে বেকার হয়ে পড়েছে ঐ অঞ্চলের হাজার হাজার শ্রমিকেরা। আর এ কারনে নদীর পাড়কেটে জীবিকা নির্বাহ করে থাকে ঐ সমস্ত শ্রমিকেরা। আর ঐ সমস্ত শ্রমিকদের পুজিঁ করে হরিলুঠের রাজত্ব কায়েম করে চলেছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র। বর্তমানে ইজারা বিহীন অবস্থায় রয়েছে এই বালু মিশ্রিত পাথর মহালটি। হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় এখন পর্যন্ত কোন ইজারা হয়নি ধোপাজান বালু মহালটির। ধোপাজান নদীর পাড়কাটা ও পরিবেশ রক্ষা করতে হলে এবং সিন্ডিকেটের রাজত্ব কায়েম বন্ধ করতে হলে সরকারের তরফ থেকে বালু- মিশ্রিত ধোপাজান মহালটি ইজারা অতিব জরুরী হয়ে উঠেছে। এই মহালটি ইজারা দিলে এক দিকে যেমন শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যাবস্তা হবে তেমনি সরকারের রাজস্ব খ্যাতে জমা হবে কোটি কোটি টাকা। অপর দিকে বন্ধ হবে সিন্ডিকেটের রঙ্গলীলা। পাশাপাশি রক্ষা পাবে ধোপাজান নদীর তীর ও পরিবেশ।
    বর্তমানে প্রশাসনের নিষেধ অমান্য করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে এখন প্রতিদিন অবাধে শতশত ছোট বড় ষ্টীল বডি ও কাঠের নৌকা যুগে ড্রেজার মেশিন দিয়ে দিনে রাতে চলছে বালু ও পাথর উত্তোলন।
    শুধু তাই নয় সরেজমিনে ঘুরে এবং স্থানীয়দের অভিযোগ সূত্রে জানা যায় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট ইজারা বিহীন অবস্থায় ধোপাজান নদীতে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের সাথে হাত মিলিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ বালু-পাথর উত্তোলনের লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার রমরমা ব্যাবসা। পেপার পত্রিকার মাধ্যমে বার বার এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও সঠিক কোন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছেনা বলে মনে করেন সাধারণ মানুষেরা এবং গণমাধ্যমসহ স্থানীয় জন প্রতিনিধিগন ।
    তাই ধোপাজান নদীর পরবেশ ও ভারসাম্য রক্ষার জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে অনেক অভিযোগ ও দিচ্ছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধির অনেকে।
    জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, নৌপুলিশ,বিজিবি,ডিবি পুলিশ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, পরিবেশ অধিদপ্তর সকলের যৌথ প্রচেষ্টায় ও থামানো যাচ্ছে না ধোপাজান নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু- পাথর উত্তোলণ ও চাঁদাবাজি? ধোপাজান নদীতে এমন শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরী হয়েছে যা প্রশাসনের সকল বাঁধা উপেক্ষা করে সকল সেক্টরের কর্মকর্তাদের বৃদ্দাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতিদিন লক্ষ্য লক্ষ্য টাকার বালু পাথর উত্তোলন করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নৌকা যোগে নিয়ে বিক্রি করতে কোন অসুবিধা হয়না তাদের?
    শত চেষ্টা করেও কেউ থামাতে পারছেননা ধোপাজান নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু- পাথর উত্তোলন ও দফায় দফায় চাঁদাবাজিসহ সিন্ডিকেট চক্রটিকে?
    প্রশাসনের লোকেরা যেখানে অসহায় সেখানে সাধারণ মানুষেরাইবা কিভাবে নদীর পরিবেশ ও ভারসাম্য রক্ষা করবে? সেই ভাবনায় নদীর পাড়ে থাকা অসহায় মানুষেরা শুধু দুচোখ বড়ে ধোপাজান নদীতে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন ও বড় বড় ষ্টিল নৌকার শব্দ শুনছেন কান ভরে। এবং পঙ্গপাল নামক বালু ও পাথর ভর্তি নৌকা চলাচলের রঙ্গলীলা ও ইজারা বিহীন ধোপাজান নদীর সিন্ডিকেটের চাঁদা বাজির দৃশ্য দেখছেন দুচোখ ভরে।
    এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ধোপাজান নদী কালীদাস সাগরে পরিণত হবে। ধোপাজান নদীর পরিবেশ ও অসহায় মানুষের ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি রক্ষা করতে বালু ও পাথর উত্তোলকারী অবৈধ শক্তিশালী সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে উর্ধত্বন কর্তৃপক্ষ সঠিক কার্যকরী পদক্ষেপ নিবেন এমনটি আশাবাদ ব্যক্ত করেন নদী পাড়ে থাকা সাধারণ মানুষেরা।
    শুধুই তাইনয় অভিযোগের প্রেক্ষিতে বা ধোপাজান নদী সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রশাসনের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে একটিই উত্তর মিলে, কেউ বলেন তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আবার কেউ কেউ সরে জমিনে গিয়ে অভিযান পরিচালনা করে বালু-পাথর ভর্তি নৌকা ও ড্রেজার আটক করে মামলাও রুজু করেন। আবার কোন কোন কর্মকর্তা সিন্ডিকেটের সাথে হাত মিলিয়ে নিজেরাও জড়িয়ে গেছেন অবৈধ বালু- পাথর ব্যবসায় কর্ম দায়িত্বকে অবহেলা করে। এমনও অভিযোগ রয়েছে কিছু অসাধু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
    সরকারের উচ্চ উর্ধতন কর্তৃপক্ষ সরে জমিনে তদন্তের মাধ্যমে ধোপাজান নদী পরিবেশ রক্ষায় করে বালু মহালটিকে ইজারার আওতায় এনে হাজারো শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিবেন এমনটি দাবী নদীর পাড়ে থাকা হাজারো মানুষের। ###

  • গোপালগঞ্জে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দূর্গপূঁজা, মন্দিরে মন্দিরে দর্শনার্থীদের ভীড়

    গোপালগঞ্জে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দূর্গপূঁজা, মন্দিরে মন্দিরে দর্শনার্থীদের ভীড়

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দূর্গপূঁজা। জেলার মন্দিরগুলোতে দেবীর কল্পারম্ভ, বিহিত পূঁজা আর অঞ্জলী প্রদানের মধ্যে দিয়ে আসৃষ্টি-স্থিতি বিনাশীনি দেবী দুর্গার মহা অষ্ঠমী পূঁজা অনুষ্ঠিত হয়। মন্দিরগুলো দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখোর হয়ে উঠেছে। পরিবার-পরিজন আর বন্ধুদের নিয়ে জেলার বিভিন্ন মন্দির ঘুরে ঘুরে দেখছে প্রতিমা। এ পূঁজাকে কেন্দ্র করে নেয়া হয়েছে ব্যপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আগামী ২৪ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দূর্গা পূঁজা।

    আজ রোববার (২২ অক্টোবর) সকালে সাড়ে ৯টা থেকে জেলার ১ হাজার ৩০২ টি মন্দিরে দেবীর কল্পারম্ভ ও বিহিত পুঁজা মধ্য দিয়ে এক যোগে মহা অষ্টমীর পূঁজা শুরু হয়। মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে পুরোহিতের চন্ডি পাঠে ধর্মীয় আবহ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ফল আর মিষ্টি দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে দেবীকে অর্পন করা হয়। এসময় পুরোহিতের চন্ডীপাঠ, উলু ও শংখ ধ্বনি এবং ঢাকের আওয়াজে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে মন্দিরগুলো। পূণ্য লাভ আর পাপ মোচনের আশায় মন্ত্র উচ্চারণ করে দেবীর পায়ে অঞ্জলী দেন ভক্তরা। মহা অষ্টমী আর মহানবমীর মিলনক্ষণে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে মন্দিরে মন্দিরে অনুষ্ঠিত হবে সন্ধি পুঁজা। এসময় বিভিন্ন স্থানে কালীপূঁজাসহ নারী জাতিকে সম্মান জানানো হবে। তবে এবছর জেলার কোথায় কুমারী পূঁজা অনুষ্ঠিত হয়নি।

    এদিকে, গোপালগঞ্জে এ বছর ১ হাজার ৩০২ টি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দূর্গাপূঁজা। পুরোহিতের চন্ডিপাঠ, মন্ত্র উচ্চারণ, উলু ও শংখ ধ্বনি এবং ঢাকের বাজনায় মুখোরিত হয়েছে উঠেছে মন্দির প্রঙ্গান। দেবী দূর্গা সাথে লক্ষী, স্বরসতী, গনেশ ও কার্ত্তিতের প্রতিমা দেখতে ভীড় করছেন দর্শনার্থীরা। পরিবার পরিজন আর বন্ধুদের নিয়ে এসে মন্দিরে মন্দিরে ঘুরে ঘুরে প্রতিমা দেখছেন তারা। মা দূর্গার আশির্বাদে দেশ ও জাতির কল্যাণে শান্তি নেমে আসবে বলে মনে করেন, দর্শনারীরা। শুধু বড়রা নয় শিশুদের মাঝে বইছে ব্যপক উসাহ। নতুন পোশাক পড়ে মা-বাবার সাথে বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে দেখছে প্রতিমা।

    দূর্গাপূঁজা নির্বঘ্ন করতে বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শন করেছে জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম, পুলিশ সুপার আলবেলি আফিসাসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এ বছর দূর্গাপূঁজায় ভিন্নতা আনতে করা হয়েছে নানা আয়োজন। মন্দিরে ডেকোরেশনসহ সড়কগুলোতে করা হয়েছে আলোকসজ্জ্ব। রয়েছে দর্শনার্থীদের প্রসাদের ব্যবস্থা। পূঁজা শেষ করতে ব্যস্ত রয়েছেন আয়োজকেরা।

    দর্শনার্থী অনিমা বিশ্বাস বলেন, স্বামী, মেয়েসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রতিমা দেখেতে বের হয়েছি। শহরের বিভিন্ন মন্দিরগুলো ঘুরেছি। সব মন্দিরের ভাল ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বিঘ্নে আমরা প্রতিমা দেখেছি, খুব ভালাছে।

    দর্শনার্থী রিক্তা সরকার বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছ। বিভিন্ন মন্দিরে গিয়ে প্রতিমা দেখলাম। খুবই ভাল লাগছে। আগামীতেও এমন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পূঁজা অনুষ্ঠিত হবে আশা করি।

    দর্শনার্থী বন্যা মন্ডল বলেন, আজ অষ্টমীতে মা দূর্গার পায়ে অঞ্জলী দিয়েছি। রাতে বিভিন্ন মন্দির ঘুরে দেখিছি। মায়ের কাছে চাওয়া মা যেন সবার মঙ্গল করে।

    শিশু প্রত্যাশা মন্ডল বলে, নতুন জামা পরে মা-বাবার সাথে প্রতিমা দেখতে বের হয়েছি। প্রতিমা দেখলাম খুব ভাল লাগছে।

    দর্শনার্থী সুকুমার বিশ্বাস বলেন, পরিবারের সবাইকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছি। প্রতিবছর আমার এই কয়েকটি দিনের অপেক্ষায় থাকি। মা যে দেশ ও জাতির উপর মঙ্গল ও আশির্বাদ প্রদান করে।

    আয়োজক দিলীপ কুমার সাহা বলেন, এবার নতুন নতুন থিম নিয়ে পূঁজার আয়োজন করেছি যাতে দর্শনার্থীরা প্রতিমা দেখতে এসে আনন্দ করতে পরে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য মন্দিরে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

    আয়োজক টিটু বৈদ্য বলেন, মন্দিরসহ সড়কগুলোতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য করা হয়েছে প্রসাদের ব্যবস্থা। আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক রয়েছে।

    গোপালগঞ্জ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক দুলাল বিশ্বাস বলেন, গোপালগঞ্জে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টানসহ সকল শ্রেনী পেশার মানুষ সহঅবস্থানে বিরাজ করে। ধর্ম যার যার হলেও আমরা সকলে মিলে উৎসব পালন করে থাকি। মান্দিরগুলোতে ব্যাপক নিরাপত্তা রয়েছে। আশা করি নির্বিঘ্নে শারদীয় দূর্গাপঁজা অনুষ্ঠিত হবে।

    গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম বলেন, এ বছর গোপালগঞ্জ জেলায় ১ হাজার ৩০২ টি মন্দিরে শারদীয় দূর্গাপূঁজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমরা বিভিন্ন মন্দির পরিদর্শ করছি। দূর্গাপূঁজা নির্বিঘ্নে শেষ করতে মন্দিরগুলোতো নিছিন্দ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রসাদ বিতরনের জন্য মন্দিরগুলোতে চাউল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। আশা করি আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে এ পূঁজা শেষ হবে। #

  • গোপালগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    গোপালগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ যৌথভাবে এ দিবসটি পালন করে।

    “আইন মেনে সড়কে চলি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ রবিবার (২২ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র্যালী বের করা হয়। র্যালীটি জেলা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

    পরে জেলা প্রশাসকের কায্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলমের সভাপতিত্ত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম কবির, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল রহমান, বিআরটিএ এর অতিরিক্ত পরিচালক আবুল বাসার, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) খায়রুল আলম বক্তব্য রাখেন।

    এসময় বক্তরা সড়ক ও মহাসড়কে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহবান জানিয়ে বলেন, সড়ক আইন মেনে চললে দূর্ঘটনা কমে আসবে। এতে অনেক জীবন রক্ষা পাবে। #

  • বরগুনার তালতলীতে নারীর ভূমি ও কৃষির অধিকার সংশ্লিষ্ট আইন, নীতিমালা ও মাঠে বাস্তবতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    বরগুনার তালতলীতে নারীর ভূমি ও কৃষির অধিকার সংশ্লিষ্ট আইন, নীতিমালা ও মাঠে বাস্তবতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে নারীর ভূমি ও কৃষির অধিকার সংশ্লিষ্ট আইন, নীতিমালা ও মাঠে বাস্তবতা বিষয়ক ১দিনে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    সকাল ১০টায় কারিতাস তালতলী কার্ষালয়ের ইন্টারন্যাশনাল ল্যান্ড কোয়ালিশন আই এল সি অর্থায়নে,কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সিডিএ তত্ত্বাবধানে,অ্যাসোসিয়েশন ফর রিয়েলাইজেসন অব বেসিক নিড্স আরবান আয়োজনে,রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মিস্টার মংখেনলা তালুকদার এর সভাপতিত্বে মিসেস চান্দা ওয়ান এর সঞ্চালনায় প্রবন্ধ ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন আরবান এডমিনিস্টারটিপ কো-অর্ডিনেটর নাজিমউদ্দিন খান, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত আনোয়ার টুম্পা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রেজবি-উল -কবির জমাদ্দার, বক্তব্য রাখেন নিশানবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান ডক্টর কামরুজ্জামান বাচ্চু, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাসেল মিয়া ,তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক পরিমল চন্দ্র সরকার, তালতলী ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক আব্দুর রহমান,রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থা সাধারণ সম্পাদক মিস্টার মংচিন থান, কান্ট্রি ফ্যাসিলেটর বি এল আর এন আশীষ আহমেদ, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম লিটু, ইউ পি সদস্য জসীম উদ্দীন, সমাজ সেবক মিস্টার চনমংতালুকদার, মিসেস ইরানী বেগম ও প্রমূখ।উক্ত অনুষ্ঠানের নারী-পুরুষ ৪০ জন অংশগ্রহণ করেন।

    মংচিন থান
    বরগুনা প্রতিনিধি।

  • শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষের অধিকার সমান : ত্রিশালে মেয়র আনিছ

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষের অধিকার সমান : ত্রিশালে মেয়র আনিছ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহঃ
    ১৫২ ময়মনসিংহ -৭ ত্রিশাল আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য প্রয়াত বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম আবুল হোসেন চেয়ারম্যানের সুযোগ্য সন্তান ত্রিশাল পৌরসভা হতে তিন বারের নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ বলেছেন, বাংলাদেশে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের অধিকার সমান। জাতির পিতা আমাদের একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ উপহার দিয়েছিলেন, তাই সকল ধর্মের মানুষ সমান সুযোগ সুবিধা ভোগ করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সকলের জন্য সমান সুবিধা নিশ্চিত করছে, তাই সকলে সমানভাবে উন্নতি করছে।

    শনিবার বিকেলে ত্রিশাল উপজেলার ৪ নং কানিহারী ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শনকালে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। এর আগে বিকাল ৩টায় পৌরসভা কার্যালয় হতে বিশাল একটি মটর সাইকেল বহর নিয়ে ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশায় বইলর কাঁঠাল ইউনিয়নে জনসংযোগ করেন ও পুজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন ত্রিশাল পৌরসভার সফল ও জনপ্রিয় মেয়র আলহাজ্জ্ব এবি এম আনিছুজ্জামান (আনিছ)

    এসময় উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে মেয়র বলেন, সরকার আপনাদের সন্তানদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। তাদের নিয়মিতভাবে প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হচ্ছে। যেকোনো প্রয়োজনে সরকার আপনাদের অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।

    বিভিন্ন পূজা মন্ডপে মেয়র আনিছুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড জনসমক্ষে তুলে ধরে বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশে যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করেছে তা দেশের ইতিহাসে আর নেই। তাই আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে সকল ধর্মের মানুষের জান মাল নিরাপত্তায় এই নির্বাচনে আওয়ামীলীগকে আবার ক্ষমতায় বসিয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান। তিনি বলেন- আমাকে যদি দল মনোনয়ন দেয় তাহলে এমপি নির্বাচিত হতে পারলে হিন্দু সম্পদায়ের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলো উন্নয়ন করা হবে।আপনারা যাতে আরো উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন সে জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করে দিবো। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষকলীগ, উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগ, সাবেক ছাত্রলীগ, উপজেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদ, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের নেতৃবৃন্দ।