Blog

  • কোটালীপাড়ায় খালে ভে-সে উঠলো যুব-কের লা-শ

    কোটালীপাড়ায় খালে ভে-সে উঠলো যুব-কের লা-শ

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার তেতুলবাড়ি খাল থেকে মানিক বিশ্বাস (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    এসময় লাশের পাশে খালের ভিতর থেকে একটি মটর সাইকেলও উদ্ধার করা হয়।
    আজ বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার কলাবাড়ি ইউনিয়নের তেতুলবাড়ি খালে লাশটি ভেসে থাকতে দেখে ভাঙ্গারহাট নৌ-পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি জানায় স্থানীরা। লাশটি তাৎক্ষনিক উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। লাশের পাশে থাকা এফ জেট (ঢাকা মেট্রো -ল ৬৪-২১৭৪) মটর সাইকেলটি জব্দ করে ভাঙ্গারহাট ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে।

    নিহত মানিক মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কদমবাড়ী ইউনিয়নের দীঘিরপাড় গ্রামের নলীনী বিশ্বাসের ছেলে।

    নিহতের দুলাভাই কদমবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বিধান বিশ্বাস বলেন, মানিক ঢাকায় উবার চালক। দূর্গাপূজায় বাড়িতে এসে নিজের মটর সাইকেল নিয়ে বুধবার (১ অক্টোবর) বিকালে কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী গ্রামে খালা বাড়িতে ঘুরতে যায়। রাতেই খালাবাড়ি থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে আসে। এদিকে বাড়িতে না আসায় ও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় আমরা খোঁজাখুঁজি করি। বৃহস্পতিবার বিকালে খবর পেয়ে আমরা লাশ শনাক্ত করি। ধারণা করছি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইসহ খালে পড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

    ভাঙ্গারহাট পুলিশ ফাঁড়ির এস আই সিরাজুল ইসলাম বলেন, সকালে স্থানীয়রা খালে একটি মটর সাইকেল পড়ে থাকতে দেখে। বিকাল ৩ টার দিকে মটর সাইকেলের পাশে একটি লাশ ভেসে থাকতে দেখে আমাদের জানায়। আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে কোটালীপাড়া থানায় পাঠাই ও লাশের পাশে থাকা মটর সাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।

    কোটালীপাড়া থানার ওসি খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে গভীর রাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মানিক বিশ্বাস মটরসাইকেলসহ খালে পড়ে যেতে পারে।

    এ ব্যপারে কোটালীপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কোটালীপাড়ায় ব্যবসায়ীকে মা-রধর ও মোটরসাইকেল পোড়া-নোর অভি-যোগ  ক্লিনটন বিশ্বাস নামের এক ছাত্রদল নেতার বিরু-দ্ধে

    কোটালীপাড়ায় ব্যবসায়ীকে মা-রধর ও মোটরসাইকেল পোড়া-নোর অভি-যোগ ক্লিনটন বিশ্বাস নামের এক ছাত্রদল নেতার বিরু-দ্ধে

    কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    :
    গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় রামশীল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে এক ব্যবসায়ীসহ ৪জনকে মারধর ও মোটরসাইকেল পোড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

    গত মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার রামশীল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
    গুরুতর আহত ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ইসলাম শাওন (২৫) কে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

    জানাগেছে, কোটালীপাড়া উপজেলার বাগানউত্তরপাড়া গ্রামের খাইরুল বশার নান্নুর ছেলে ও সিকিরবাজারের গ্যাস ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ইসলাম শাওন তার কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রামশীল ইউনিয়নের রাজাপুর গ্রামে পূজা দেখতে যায়। এ সময় রামশীল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ক্লিনটন বিশ্বাস ও তার লোকজনের সাথে মোটরসাইকেল সাইড দেওয়া নিয়ে কথা কাঁটাকাঁটি হয়। কথা কাঁটাকাঁটির এক পর্যায়ে ক্লিনটন বিশ্বাস লোকজন নিয়ে ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ইসলাম শাওন (২৫), সোয়াদী শেখ (২০), রসুল ফকির (১৮), ফেরদাউস ঘরামী (১৯) কে মারধর করে। মারধরের পরে ইমতিয়াজ ইসলাম শাওনের কাছ থেকে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে ছাত্রদল নেতা ক্লিনটন বিশ্বাস রাশমীল বিজ্রের উপর নিয়ে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলে।

    গুরুতর আহত ইমতিয়াজ ইসলাম শাওন বলেন, মঙ্গরবার রাতে আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে দুটি মোটরসাইকেল নিয়ে রামশীলের রাজাপুরে পূজা দেখতে যাই। রাস্তায় মোটরসাইকেল সাইড দেওয়া নিয়ে ক্লিনটন বিশ্বাস আমাদেরকে গালিগালাজ করে মারধর করে। এ সময় আমার কাছ থেকে সুজুকি এফআই মডেলের (গোপালগঞ্জ-ল-১১-৭৬৫৪) নম্বরের মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে রামশীল বিজ্রের উপর বসে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে ফেলে।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত রামশীল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ক্লিনটন বিশ্বাস বলেন, গ্যাস ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ ইসলাম শাওন কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে আমাদের গাড়ির গতিরোধ করে আমাদেরকে মারধর করে। একপর্যায়ে এলাকাবাসী এসে ইমতিয়াজ ইসলাম শাওনের মোটরসাইকেল পুড়িয়ে ফেলে। আমরা কেউ ইমতিয়াজ ইসলাম শাওনকে মারধর করিনি। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।

    কোটালীপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক লালন শেখ বলেন, রামশীল ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ক্লিনটনের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীকে মারধর ও মোটরসাইকেল পোড়ানোর অভিযোগ পেয়েছি। যদি অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • কুমিল্লার কংস-নগরে মা-লবাহী ট্রাক বিকলে হা-জারো মানুষের ভো-গান্তি 

    কুমিল্লার কংস-নগরে মা-লবাহী ট্রাক বিকলে হা-জারো মানুষের ভো-গান্তি 

    তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে, 

    মালবাহী ট্রাক বিকল হয়ে কুমিল্লা – সিলেট সড়কের  কংসনগর বাজারে দীর্ঘ জ্যামের সৃষ্টি, এতে সকাল থেকে হাজারো মানুষের যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে এবং ভোগান্তির শিকার 

     হয় লাখো মানুষ। সরজমিনে গিয়ে দেখাযায় 

    কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের দেবিদ্বার জাফরগঞ্জ থেকে বুড়িচং দেবপুর পর্যন্ত দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। 

    মহাসড়কে বুড়িচং উপজেলা কংশনগর পশ্চিম বাজার  এলাকায় ট্রাক বিকল ও 

    কাভার্ডভ্যানের চাকা খুলে যাওয়ায় দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ী এমরান, আক্তার, ফরিদ উদ্দিন সরকার। এবিষয়ে 

    মিরপুর হাইওয়ে ফাঁড়ি  ইনচার্জ পারভেজ আলী একই কথা বলেন,তবে জ্যাম নিরসনের চেষ্টা চলছে। কংশনগর বাজারের যানজট প্রতিদিনই দেবিদ্বার জাফরগঞ্জ পর্যন্ত চলে আসে।

    ভোগান্তির শিকার যাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের কংশনগর এলাকার রাস্তার খুবই বেহাল দশা‌। আজ সকাল ৯টার দিকে কংশনগর বাজারের পশ্চিম পাশে একটি মালবাহী ট্রাক বিকল হয় এছাড়া  কাভার্ডভ্যানের চাকা খুলে যায়। গাড়িটি রাস্তার মাঝখানে পড়ে থাকার কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ‌

    কুমিল্লা থেকে সিলেট যাচ্ছেন তোফায়েল আহমেদ, এছাড়া সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম তরুন, দেবিদ্বারের ব্যবসায়ী ফারুক আহম্মেদ  জ্যামে আটকা পড়ে ভোগান্তির শিকার হন।  দুটি গাড়িও ভালোভাবে ক্রসিং করতে পারে না। রাস্তার মাঝখানে ট্রাক বিকল হয়ে পড়ে আছে। এ জন্য তিন ঘণ্টা ধরে জ্যামে আটকে আছে। এই রাস্তার ভোগান্তি কবে শেষ হবে বলা যাচ্ছে না। বুড়িচং উপজেলার নির্বাহীকে মুঠো ফোনে কল দিয়ে পাওয়া যায় নি,

    অটোচালক জালাল উদ্দিন জানান, সকাল ৯টায় কাভার্ডভ্যানের চাকা খুলে যায়। এখন পর্যন্ত গাড়িটি সরাতে পারেনি হাইওয়ে পুলিশ। পুলিশের কাউকে এখনো চোখে পড়েনি। তীব্র ভোগান্তিতে আছেন সাধারণ মানুষ।

    কুমিল্লা ময়নামতি হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান, কংশনগর এলাকায় আমাদের একটি টিম কাজ করছে। রাস্তাটি দুই লাইনের হওয়ায় গাড়ি বিকল হলেই এ ধরনের যানজট সৃষ্টি হয়। গাড়িটি সরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

  • সা-ম্প্রদায়িক বি-দ্বেষ ও স-হিংসতা সৃষ্টিকারী উ-গ্র মৌ-লবাদী গোষ্ঠীর ষ-ড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার আহ্বান –  এম মাইমুনুল ইসলাম মামুন

    সা-ম্প্রদায়িক বি-দ্বেষ ও স-হিংসতা সৃষ্টিকারী উ-গ্র মৌ-লবাদী গোষ্ঠীর ষ-ড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার আহ্বান – এম মাইমুনুল ইসলাম মামুন

    পটিয়া প্রতিনিধি।।
    পটিয়ায় হাইদগাঁও ইউনিয়নের পূজামণ্ডপে বিএনপি নেতা ও এজে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এম মাইমুনুল ইসলাম মামুনের পক্ষে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

    বুধবার (১ অক্টোবর) রাতে স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ তিনি হাইদগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি মুক্তালতা পাঠাগার, অগ্রনী ক্লাব,ধরপাড়া,পন্ডিত বাড়ী,শান্তি নিকেতন,মহেশ ক্লাব,নাথ পাড়া, হাইদগাঁও বাহুলী গোড়াঙ্গ পাড়া পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের খোঁজখবর নেন এবং দর্শনার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ-সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন, বজল আহমদ,যুবনেতা মিজান উদ্দীন,নাজিম উদ্দীন, ছাএনেতা আবদুল্লাহ ওমর আদনান সাকিব,রাকিব,মুরাদ,কাইয়ুম, মুন্না, সাজ্জাদ, তারেক প্রমূখ। , সুখেন্দু বিকাশ ধরের বাড়ি,

    এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। যুগ যুগ ধরে এখানে মানুষ পারস্পরিক সহাবস্থানের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান উদযাপন করে আসছে। তিনি সকলকে ধর্মীয় বিদ্বেষ পরিহার করে প্রতিটি ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে আহ্বান জানান।

    তিনি আরও বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসবকে আনন্দময় ও প্রাণবন্ত করার জন্য আমার দল বিএনপি সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে এবং সকল ধর্মাবলম্বীর অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোচ্চার রয়েছে। এছাড়াও তিনি সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও সহিংসতা সৃষ্টিকারী উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • মাদারীপুর-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্র-ত্যাশী মেজর রেজাউল করিম (অব.) এর শো-ভাযাত্রা ও পথসভা

    মাদারীপুর-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্র-ত্যাশী মেজর রেজাউল করিম (অব.) এর শো-ভাযাত্রা ও পথসভা

    মোঃমিজানুর রহমান কালকিনি -ডাসার,(মাদারীপুর) প্রতিনিধি:

    মাদারীপুর-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী জনাব মেজর রেজাউল করিম (অব.) নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শোভাযাত্রা ও পথসভা করেছেন। শনিবার সকালে মুষলধারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো নেতা-কর্মী সমবেত হন তার কর্মসূচিতে।

    বক্তব্যে মেজর রেজাউল করিম (অব.) বলেন, “আমি মাদারীপুর-৩ আসনের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য রাজনীতিতে এসেছি। আমার লক্ষ্য হলো এ আসনকে সহিংসতামুক্ত করা। কোনো মানুষ যেন মিথ্যা মামলার শিকার না হয়— তা নিশ্চিত করা হবে। এলাকায় চাঁদাবাজি কিংবা মামলা বাণিজ্য চলতে দেওয়া হবে না।”

    তিনি আরও বলেন, “আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে গড়া বিএনপির রাজনীতি করি। আমার নেতা জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও নির্দেশনাকে সামনে রেখে কাজ করছি। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে আমি এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। তবে দল যদি আমাকে মনোনয়ন না-ও দেয়, তারপরও আমি মাদারীপুর-৩ আসনের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাবো।”

    সভায় তিনি রাজনৈতিক সহনশীলতার দিকও তুলে ধরেন। তার ভাষায়, “আমি প্রতিপক্ষ কাউকে শত্রু মনে করি না। এখানে আগের মতো হানাহানি রাজনীতি চাই না। যারাই মনোনয়ন পাবেন, আমি তাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।”

    পথসভায় বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা-কর্মীরা উপস্থিত থেকে তাকে অভিনন্দন জানান। বৃষ্টির মধ্যেও কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করে মেজর রেজাউল করিম (অব.) মাদারীপুর-৩ আসনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন বলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা দাবি করেন।

  • বিএনপি  নেতা ভিপি জসীমের অকা-ল মৃ-ত্যুতে জেলা ও মহানগর বিএনপির শো-কপ্রকাশ

    বিএনপি নেতা ভিপি জসীমের অকা-ল মৃ-ত্যুতে জেলা ও মহানগর বিএনপির শো-কপ্রকাশ

    কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও শহর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ভিপি জসীম উদ্দীন (৫৬) মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাজেউন,
    তার অকাল মৃত্যুতে জেলা বিএনপি ও মহানগর বিএনপির শোক করেছেন।

    বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
    তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট সাবেরা আলাউদ্দিন। তিনি জানান, ভিপি জসীম উদ্দীন তার দেবর।
    গত রোববার রাত ১১টার দিকে কুমিল্লা সদর উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে ব্রেনস্ট্রোক করলে দ্রুত তাকে নগরীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যান তিনি।
    মৃত্যুকালে ভিপি জসীম উদ্দীন এক ছেলে, এক মেয়ে, স্ত্রীসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
    তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন,বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, সাবেক মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুল আলম চপল, বিএনপির কুমিল্লা দঃজেলার নব কমিটির সদস্য মোজাহিদ চৌধুরী ,কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম তরুন সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ,

  • নাটোরের নলডাঙ্গা থেকে একটি গন্ধগোকুল উ-দ্ধার

    নাটোরের নলডাঙ্গা থেকে একটি গন্ধগোকুল উ-দ্ধার

    এ,কে,এম,খোরশেদ আলম
    নাটোর জেলা প্রতিনিধি:

    বৃহস্পতিবার(০২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পিপরুল সেন্টার এলাকায় একটি ধান ক্ষেত থেকে প্রাণিটিকে উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয় কৃষক গাহারুল প্রামানিক জানান,তার জমিতে দেওয়া জালে আটকা পরে এই প্রাণীটি। তারপর স্থানীয়দের সাথে নিয়ে জালসহ বাজারে আনা হয় ও পরিবেশকর্মীদের খবর দেওয়া হয়।

    গন্ধগোকুল উদ্ধার ও অবমুক্তের সময় উপস্থিত ছিলেন,
    সভাপতি রেজাউল করিম থানা প্রেসক্লাব, সাধারণ সম্পাদক এ,কে,এম,খোরশেদ আলম,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের আহব্বায়ক উজ্জল রহমান,পিপরুল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক মিঠুন দেবনাথ,পরিবেশকর্মী নাইম হোসেন,সাহিনুর রহমান নয়ন,ফিরোজ মাহমুদ রবিনসহ প্রমূখ।

    বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশন(বিবিসিএফ) এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ বাংলার সাধারন সম্পাদক ফজলে রাব্বী জানান,স্থানীয় এলাকাবাসী,আমাদের কৃষকের জালে আটকে পরা গন্ধগোকুল উদ্ধারের জন্য খবর দেয়। আমরা আমাদের টিমসহ স্থানীয়দের সাথে নিয়ে গন্ধগোকুলটিকে উদ্ধার করি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়। এসময় উপস্থিত জনসাধারনের উদ্দেশ্যে বন্যপ্রাণীর ইতিবাচক দিক ও বিবিধ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

  • সিদুর দানের মধ্য দিয়ে দেবীকে বিদা-য় জানানো হলো ময়মনসিংহে, কড়া নিরাপত্তায় শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব

    সিদুর দানের মধ্য দিয়ে দেবীকে বিদা-য় জানানো হলো ময়মনসিংহে, কড়া নিরাপত্তায় শেষ হল শারদীয় দুর্গোৎসব

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হল হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব।

    বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) ভোর থেকেই মণ্ডপগুলোতে ভক্তদের ভিড় দেখা যায়। ভক্তরা দেবীর চরণে অঞ্জলি দিয়ে বিজয়ার প্রার্থনা করেন। পরে বিকাল থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন।

    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের আসুরিক প্রবৃত্তি কাম, ক্রোধ, হিংসা, লালসা বিসর্জন দেওয়াই মূলত বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এ প্রবৃত্তিগুলোকে বিসর্জন দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।

    এর আগে বিহিত পূজা আর সিঁদুর খেলার আনন্দঘন মুহূর্তের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দুর্গাপূজার দশমীর প্রস্তুতি। সকাল থেকে ময়মনসিংহ নগরীসহ জেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নারী ভক্তরা দেবীর চরণে সিঁদুর নিবেদন করেন এবং পরস্পরের সঙ্গে সিঁদুর খেলায় মাতেন। পূজার শেষ দিনে ভক্তদের মাঝে ছিল আবেগঘন পরিবেশ। দেবীর চরণে প্রণাম করে তাঁকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি চলে সারা দিন ধরে। সিঁদুর খেলার পর ভক্তরা দেবীর কাছে পরিবার ও সমাজের কল্যাণ কামনা করেন।

    সিদুর নিবেদন অনুষ্ঠানে সাধারণত বিবাহিত নারীরা দেবীর চরণে সিঁদুর দান করেন এবং তা কৌটায় রেখে সারা বছর ব্যবহার করেন। এ সময় তারা একে অপরের কপাল ও চিবুকে দেবীর চরণ স্পর্শ করা সিঁদুর লাগিয়ে দেন।

    বিকেল থেকে ঢাকের বাদ্য আর গান-বাজনা ছাড়া বিদায়ের করুণ ছায়ায় সারিবদ্ধভাবে একে একে নগরীর কাচারী এলাকায় ব্রহ্মপুত্রের তীরে বিসর্জন ঘাটে নিয়ে বিসর্জন দেয়া হয় প্রতিমা। একই সময়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় চলে বিসর্জন। সড়কে পুলিশের টহল ও নদীতে ছিল নৌপুলিশের টহল। ফায়ার সার্ভিসের টিমও দায়িত্ব পালন করে।

    এর আগে দুপুরে পূজা উদযাপন পরিষদ এবং মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির যৌথ উদ্যোগে বের হয় বর্ণাঢ্য এক বিজয়া শোভাযাত্রা। বিজয়া শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জনে অংশ নিতে দুপুরের পর থেকেই ভক্তরা ময়মনসিংহ নগরীর বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে ট্রাকে করে প্রতিমা নিয়ে সমবেত হতে শুরু করেন দুর্গাবাড়ী মোড়ে।

    পরে শত শত ট্রাক প্রতিমা নিয়ে কাচারীঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। দুর্গাবাড়ী মন্দির থেকে শুরু করে প্রতিমা যাত্রাটি কাচারী ঘাটে পৌঁছে। রাস্তায়, বিভিন্ন ভবনে পুলিশ ছিল সতর্কাবস্থায়। রাস্তার পাশে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

    বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ বলছে, গত বছরের চেয়ে এ বছর আনন্দ, শান্তিতে পূজা উদযাপন হয়েছে। ময়মনসিংহের কাচারী ঘাটে কড়া নিরাপত্তায় বিসর্জন হয়েছে দুর্গাপূজার প্রতিমা। বিসর্জন নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ প্রস্তুতি নেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকেন সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবির সদস্য। আর বিসর্জনের সময় নৌ দুর্ঘটনা রোধে টহল দিচ্ছে নৌ পুলিশ ও কোস্ট গার্ড।

    বিসর্জন ঘাট পরিদর্শন করেন বিভাগীয় কমিশনার মোখতার আহমেদ, ডিআইজি আতাউল কিবরিয়া, জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম,পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা সুমনা আল মজিদ,
    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মোঃ মোহাইমেনুর রশিদ,সিটি কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম, প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান, প্রকৌশলী আজারুল ইসলাম
    সদর সার্কেল মোঃ সোহরাওয়ার্দী হোসেন, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) আবু নাছের মোহাম্মদ জহির, বিএনপি নেতা অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, বিএনপির নেতা মোঃ মাহবুব আলম, সিটি কর্পোরেশনের খাদ্য ও স্যানিটেশন কর্মকর্তা দীপক মজুমদার এবং বর্জ্য কর্মকর্তা মোহাব্বত আলীসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা,সেনাবাহিনী, পুলিশ ও মহানগর সনাতন ধর্মের নেতৃবৃন্দরা।

    শাস্ত্রীয় মতে, ২০২৫ সালে মা দুর্গা হাতির পিঠে চড়ে মর্ত্যে আগমন করে এবং দোলায় চড়ে কৈলাসে ফিরেন।

  • ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালীতে পুজার নি-রাপত্তায় ক-ঠোর নজ-রদারিতে এএসআই আয়েছ মাহমুদ

    ময়মনসিংহ সদরের ভাবখালীতে পুজার নি-রাপত্তায় ক-ঠোর নজ-রদারিতে এএসআই আয়েছ মাহমুদ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকার ৪৪নং বিট ১২নং ভাবখালী ইউনিয়নে প্রতিটি মণ্ডপে রয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা। নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে বিট পুলিশিং পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ, এছাড়াও বিট পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও স্থানীয় প্রশাসন যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করায় নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পড়েছে ভাবখালী ইউনিয়নের সবকটি পূজা মন্ডপ।

    এ ছাড়া স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরাও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এগিয়ে এসেছে পূজা নির্বিঘ্ন করতে। ভাবখালী ইউনিয়নে এ বছর ৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    বাংলাদেশ পুলিশের মেধাবী,সাহসী ও চৌকস অফিসার ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার এএসআই আয়েছ মাহমুদ ভাবখালী ইউনিয়নের প্রতিটি পুজা মন্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করে পুজা উদযাপনকারীদের সাথে যোগাযোগ রেখে তাদের সমস্যার কথা জেনে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন। ফলে ইউনিয়নের পুজা উদযাপনকারীরা নির্বিঘ্নে পুজা উৎসব উদযাপন করছেন।

    এ ব্যাপারে এএসআই আয়েছ মাহমুদ বলেছেন, শারদীয় দুর্গাপুঁজা একটা উৎসব,ধর্ম যার-যার উৎসব সবার। কিছু কুচক্রী মহল আছে যারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হাঙ্গামা লাগানোর সুযোগ খুঝে, তিনি বলেন-সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারী যে কেউ হউক না কেন তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।’

    কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শিবিরুল ইসলামের দিকনির্দেশনা মোতাবেক ভাবখালী ইউনিয়নের শারদীয় দুর্গোৎসব কে শান্তিপুর্ণ ও উৎসবমোখর করতে নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষে নিয়মিত ভাবখালী ইউনিয়নে অবস্থিত পুজা মন্ডপ গুলোতে টহল দিচ্ছেন এবং মন্ডপের জন্য নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর খোজ খবর নিচ্ছেন।

    এ এস আই আয়েছ মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল নজির আছে। এখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ পরস্পর মিলেমিশে একসঙ্গে বসবাস করেন।’ তিনি বলেন-‘কতিপয় দুষ্কৃতিকারী অঘটন ঘটিয়ে আমাদের সহাবস্থানকে বিনষ্ট করতে চায়, দেশের ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে চায়। আমরা তাদের কঠোর হস্তে দমন করতে বদ্ধপরিকর।

    দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে এএসআই বলেন, ‘কোনো দুষ্কৃতিকারী সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করলে জেলা পুলিশ সুপার স্যার ও কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্যারের নির্দেশনা মোতাবেক তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যেন ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অঘটন ঘটানোর দুঃসাহস না দেখাতে পারে।’

    তিনি পুজার নিরাপত্তায় নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীদের উদ্যেশ্যে বলেন, ‘মানুষ যখন বিশ্রামে যায় দুষ্কৃতিকারীরা সে নির্জনতার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে।’এজন্য তিনি নিয়জিত আনসার ও গ্রাম পুলিশদের সবাইকে সার্বক্ষণিক সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন-সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব সম্পন্ন করতে চাই।

    মহানবমীতে শুভেচ্ছা জানাতে পরিদর্শনকালে তিনি পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং চলমান নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এছাড়া তিনি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব পালনের জন্য আহ্বান জানান।

  • শেখ আব্দুর  রউফের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে  এক কিলোমিটার দীর্ঘ মা-নববন্ধন

    শেখ আব্দুর রউফের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে এক কিলোমিটার দীর্ঘ মা-নববন্ধন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর: পাবনার সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফের বহিষ্কারাদেশ দ্রুত প্রত্যাহারের দাবিতে এক কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে দলটির নেতা কর্মীরা। ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুলাই ও আহম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে
    ‎‎উপজেলার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের দুলাই ও আহমেদপুর ইউনিয়নের চরগোবিন্দপুর বাজারে হাজারো নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে এক কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা জুড়ে এ মানববন্ধন পালন করে দলটির নেতাকর্মীরা।‎
    পরে ‎আহাম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মাসুম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন আহম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব কাজী মাসুম হায়দার, আহাম্মেদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মানিক মন্ডল, আহম্মদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবদেন সবুর, দুলাই ইউনিয়ন বিএনপি নেতা দুলাল শেখ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পশ্চিম মুস্তাফিজুর রহমান,ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা বাপ্পি, পাবনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন, সরকারী শহী বুলবুল কলেজের যুগ্ন আহ্বায়ক মোঃ রাকিবুল ইসলাম, দুলাই ইউনিয়নের ছাত্র নেতা সজিব ইসলাম ফারুক, সজীব, কিবরিয়া রানা মাসুদ প্রমূখ।
    সমাবেশে নেতাকর্মীরা দাবি করেন, কেন্দ্রীয় কমিটিকে ভুল বুঝিয়ে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত এবং জনপ্রিয় নেতা সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখআব্দুর রউফকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
    তারা বলেন, শেখ আব্দুর রউফ আন্দোলন-সংগ্রামে বহুবার হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন এবং কারাবরণ করেছেন। তিনি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করে দলের দুঃসময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নেতাকর্মীরা তার বহিষ্কারাদেশ দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং এ দাবি না মানা হলে লাগাতার কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন।
    এ সময় বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাদের বক্তব্যে আরো বলেন, ষড়যন্ত্র করে কখনো নেতৃত্বকে মুছে ফেলা যায় না। বিএনপি নেতা শেখ আব্দুর রউফ রাজপথের লড়াকু সৈনিক, দুঃসময়ের পরীক্ষিত জাতীয়তাবাদী নেতা, শহীদ জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত নিবেদিতপ্রাণ একজন জননেতা। শেখ আব্দুর রউফ তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮৮ সালে তঁাতীবন্দ ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য,১৯৯০ সালে সুজানগর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও এরপর উপজেলা ছাত্রদলের সমাজকল্যাণ সম্পাদক, ১৯৯৪ সালে উপজেলা ছাত্রদলের ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যতম সদস্য, ১৯৯৬ সালে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে একই বছরের মে মাসে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে ৫৭ মাস কারাগারে বন্দি থাকেন।
    এরপর ২০০৫ সালে উপজেলার তঁাতিবন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, ২০০৯ সালে উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক এবং পরে সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১১ সালে পূণরায় বিপুল ভোটে তঁাতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, ২০১২ সালে জেলা বিএনপির অন্যতম সদস্য, ২০১৬ সালে সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে শেখ আব্দুর রউফ সফলতার সাথে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছিলেন। শেখ আব্দুর রউফ এর বহিষ্কারাদেশ বলবৎ রাখলে দলটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়বে। তাই তারা বিএনপি’র মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দৃষ্টি আকর্ষণ করে মাঠ পর্যায়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে পুনর্বিবেচনা করে শেখ আব্দুর রউফ এর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করার বিনীত অনুরোধ জানান।

    এম এ আলম রিপন
    সুজানগর পাবনা।।