Blog

  • অবৈধ ইজবাইকের দৌরাত্ম বন্ধ করতে নগরীতে রং দিয়ে চিহ্নিত করা হচ্ছে নিবন্ধিত ইজিবাইক

    অবৈধ ইজবাইকের দৌরাত্ম বন্ধ করতে নগরীতে রং দিয়ে চিহ্নিত করা হচ্ছে নিবন্ধিত ইজিবাইক

    খলিলুর রহমান খলিল, রংপুর প্রতিনিধি
    যানজট নিরসনে অক্টোবরে সিটিবাস সার্ভিসের উদ্যোগ নেয় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ। এতে বাঁধসাধে ইজিবাইক, অটো শ্রমিক, মালিক সংগঠনগুলো। বিক্ষোভ ও অনশন কর্মসূচির মুখে সিটিবাস সার্ভিসের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আরপিএমপি। তবে যানজট নিরসনে এবার অভিনব পদ্ধতি গ্রহণ করেছে পুলিশ। অবৈধ ইজবাইকের দৌরাত্ম বন্ধ করতে নগরীতে নিবন্ধন ইজিবাইকগুলোকে বিশেষ কৌশলে নীল রং করা হচ্ছে। পুলিশের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছে নিবন্ধিত ইজিবাইক চালকসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, রংপুর নগরীর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে সারি সারি দাঁড়ানো নিবন্ধিত ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক। এসব ইজিবাইক নীল রং করার কাজে ব্যস্ত একদল শ্রমিক। কেউ রং প্রক্রিয়া করছে, কেউ ইজিবাইকগুলো সারিবদ্ধ করছে, কেউ রং স্প্রে করছে, কেউ রং করতে সহযোগিতা করছেন। নিবন্ধিত ইজিবাইকগুলোকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ কালেক্টরেট মাঠে এসে রং করছে।

    রংয়ের কাজে নিয়োজিত রানা মিয়া নামের এক শ্রমিক জানান, রং করার জন্য প্রথমে ইজিবাইকের সামনের কাঁচ পিভিসি ব্যানার দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। তারপর সাদা রং করে মাঠে শুকতে দেওয়া হয়। ৩০ মিনিট পর আবার সাদা রংগের ওপর নীল রং করা হয়। প্রতিটি ইজিবাইক রং করার জন্য মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সদস্যদের উপস্থিতিতে ইজিবাইক মালিক-শ্রমিক নেতারা ইজিবাইক চালকদের বৈধ কাগজপত্রসহ রং করা খরচ বাবদ ৪০০ টাকা করে নেয়। রং করার শেষে তাদের কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এভাবে ১৮ অক্টোবর থেকে প্রতিদিন শতাধিক ইজিবাইক রং করা হচ্ছে।

    কালেক্টরেট মাঠে ইজিবাইকে রং করাতে আসা রংপুর নগরীর হাজীরহাট এলাকার বাসিন্দা এরশাদ আলী বলেন, এ্যালা কামাই কমি গেইছে। যাত্রী চেয়ে ইজিবাইক বেশি। শহরোত যে গাড়িগুলো চলে তাঁর তিন ভাগের দুই ভাগের লাইসেন্স নাই। আমার গাড়ি লাইসেন্স করা। পুলিশের মাইকিং শুনি নীল রং করার আসছি। এইটা যদি বাস্তবায়ন হয় তাহইলে লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি কমবে, যানজট কমবে, হামার কামাই বাড়বে।

    কামাল কাছনা এলাকার বাসিন্দা ইজিবাইক চালক নওশের আলম বলেন, যেগলা গাড়ির লাইসেন্স নাই, সেই গাড়িগুলো শহরোত বেশি। সকাল বেলা বাইরের উপজেলাগুলা থাকিও অনেক গাড়ি ঢুকে। বেলা বাড়ার সাথে এটে যানজট নাগি যায়। এতো পরিমানে গাড়ি হইছে যে ১০ মিনিটের রাস্তা এখন ৩০ মিনিট নাগে। পুলিশ হামার গাড়ি নীল রং করাওছে। যার গাড়িত এই রং নাই তাক ধরবে। এতে রাস্তাত যানজট কমবে, দ্রুত যাত্রীক নিয়া যাবার পামো।

    নীল রং করাতে আসা আরেক ইজিবাইক চালক মোনা মিয়া বলেন, ইজিবাইকের পাশাপাশি নিবন্ধিত ব্যাটারি চালিত রিকশাগুলোও রং করাতে হবে।নগরীর ৮টি প্রবেশ মুখে চেকপোস্ট বসিয়ে নিবন্ধনহীন ইজিবাইক ও ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচল বন্ধ করলে তবেই যানজট কমে যাবে। যানজট কমলে দ্রুত যাবার পাব, যাত্রী স্বস্তি পাইবে। গাড়ির চার্জও বাঁচবে, কর্মঘণ্টাও বাড়বে।

    রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের দেয়া তথ্য মতে, রংপুর সিটি কর্পোরেশন ৫ হাজার ২৪০টি ইজিবাইক ও ৫ হাজার ১০৭টি ব্যাটারি চালিত রিকশার লাইসেন্স দিলেও মূল নগরীতে চলছে ৪০ হাজারেরও বেশি ইজিবাইক ও ব্যাটারি চালিত রিকশা। প্রতিদিন সকালে মিঠাপুকুর, পীরগাছা, কাউনিয়া, গঙ্গাচড়া, বদরগঞ্জ, তারাগঞ্জসহ রংপুর সদরের বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নিবন্ধনহীন ইজিবাইক-রিকশা নগরীর ভেতরে প্রবেশ করছে। ফলে নগরীতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

    জেলা সুজনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আকবর হোসেন বলেন, নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত ইজিবাইক ও ব্যাটারি চালিত রিকশা কারণে নগরীতে চলাচল করা দুরহৃ হয়ে পড়েছে। যানজটে মানুষের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের এ উদ্যোগ ব্যতিক্রম। এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে অন্তত নগরবাসী স্বস্তিতে চলাচল করতে পারবে।

    রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, যানজট রংপুর নগরীর অন্যতম একটি সমস্যা। এ সমস্যা নিরসনে আমরা ডিজিটাল ট্রাফিক সিগন্যাল সিস্টেম চালু, যান চলাচলে বিকল্প সড়কের ব্যবহার, নিবন্ধিত ইজিবাইক রং করে চিহ্নিত করা, সড়কের কার্যকর ব্যবহার, পার্কিংয়ের স্থান নির্ধারণসহ নানামূখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছি। যানজট নিরসনে জনপ্রতিনিধি, শ্রমিক-মালিক সংগঠন, ব্যবসায়ীসহ নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • প্রশাসনের কঠোর নজরদারীর মধ্যে দিয়ে পাইকগাছায় প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত

    প্রশাসনের কঠোর নজরদারীর মধ্যে দিয়ে পাইকগাছায় প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা )।।
    প্রশাসনের কঠোর নজরদারী ও কড়াকড়ির মধ্যে দিয়ে পাইকগাছায় প্রতিমা বিসর্জন পর্ব শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার ছিল বিজয়া দশমী। সকাল ১০ টার মধ্যে এলাকার পুজামন্ডপ গুলোতে দশমী বিহিত পুজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিকাল ৩টা থেকে পুজামন্ডপ গুলো থেকে দেবী দূর্গাসহ অন্যান্য দেবদেবীকে বের করে নৌকায় ও কালীবাড়ী বিসর্জন ঘাটে সারিবদ্ধ ভাবে সাজিয়ে রাখা হয়। শুরুহয় দূর্গামাসহ অন্য দেবদেবীকে সিঁদুর পরানো ও আগত নর-নারীদের মাঝে সিঁদুর খেলা। সাথে সাথে গানের বাজনা ও আলোর ঝলকানিতে গোটা এলাকা মুখরিত হয়ে উঠে। ঘনিয়ে আশা সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় বিসর্জন পর্ব। এসময় দেবীদূর্গা ও অন্যান্য দেবদেবীকে মা তুমি আবার এসো বলে অশ্রু নয়ন ভেজা চোখে কপোতাক্ষ নদের জলে বিসর্জন দেওয়া হয়। সেখানে দূর্গামায়ের ভক্তবৃন্দরা তাদের দূর্গাদেবীকে বিসর্জনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিদায় জানান। এভাবেই দেবীদূর্গা মর্ত্য লোক থেকে আবার স্বর্গলোকে তার স্বামীগৃহ কৈলাসে ফিরে গেলেন। সঙ্গে নিয়ে গেলেন ভক্তের আরাধনা, আর দিয়ে গেলেন আর্শীবাদ। দূর্গা এবার এসেছিলেন ঘোড়াই চড়ে। গেলেনও ঘোড়াই চড়ে। যাওয়ার সময় চোখের জলে ভাসলেন ভক্তরা। মায়ের প্রতিমা তারা বিসর্জন দেবেন ঠিকই। কিন্তু থেকে যাবে তার রেশ। আগামী এক বছরের জন্য তারা মায়ের বাণী অনুসরণ করে চলবেন। শুক্রবার মহাষষ্ঠী পুজার আরধনা দিয়ে শুরু হওয়া দূর্গাপুজা মঙ্গলবার বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে। পাইকগাছা উপজেলা জুড়ে সনাতন সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজায় মন্ডপগুলো পরিদর্শন করেন, পাইকগাছা-কয়রা আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান বাবু, খুলনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) খন্দকার ইয়াসির আরেফীন, খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান (পিপিএম), এএসপি পাইকগাছা সার্কেল সাইফুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ আল-আমীন, থানা অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম, কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) জাহাঙ্গীর আলম, এসআই শাহাজুল ইসলাম ও পাইকগাছা পুজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ। বলাযায়, এবারের শারর্দীয় দূর্গোৎসব সকলের সহযোগীতায় কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা ছাড়াই শেষ হয়েছে। সূচনা পর্ব থেকে কপিলমুনিসহ উপজেলার সকল পুজামন্ডপ গুলোতে প্রশাসনের নজরদারী ছিল কঠোর। কপিলমুনি কালীঘাটে বিসর্জন পর্বে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক শেখ শহীদুল্ল্যাহ, সদস্য আলহাজ্ব শেখ মনিরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রশীদুজ্জামান মোড়ল, ২নং কপিলমুনি ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়ার্দ্দার, সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জি এম হেদায়েত আলী টুকু, কপিলমুনি ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন খোকন, প্রভাষক রেজাউল করিম খোকন, ত্রিদিব কান্তি মন্ডল, কপিলমুনি ইউনিয়ন পুলিশিং কমিটির সভাপতি সাধন কুমার ভদ্র, কপিলমুনি প্রেসক্লাবের আহবায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজু, সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম বজলু, কপিলমুনি ইউনিয়ন আ’লীগের কোষাধক্ষ্য বিধান চন্দ্র ভদ্র, রামপ্রসাদ পাল, অলোক মজুমদার ও নিমাই দাশসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত অগণিত ভক্তবৃন্দ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • বাগেরহাটের মোংলায় কিল ঘুসি মেরে ভ্যান চালককে হত্যা

    বাগেরহাটের মোংলায় কিল ঘুসি মেরে ভ্যান চালককে হত্যা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: বাগেরহাটের মোংলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আল আমিন (৩৫) নামে এক ভ্যান চালককে কিল ঘুসি মেরে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

    বুধবার (২৫ অক্টোবর ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পৌর মামার ঘাট এলাকায় মারপিটের ঘটনায় ওই ভ্যান চালক নিহত হয়। নিহত আল আমিন মালগাজীএলকার সবুর শেখের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে নিহত ভ্যান চালক আল আমিনের ভ্যানের সাথে স্পর্শ লাগা নিয়ে খুবই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি করলে ভ্যান চালক অচেতন হয়ে পড়লে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃতঘোষনা করেন।

    মোংলা ভ্যান রিক্সা ইউনিয়নের সভাপতি ইদ্রীস আলী বলেন, হেলাল একাধিক মামলার আসামী। সে একজন মাদকাসক্ত। আল আমিনের ভ্যান ঢালুথেকে উঠতে গেলে আল আমিনের ভ্যান হেলালের গায়ে স্পর্শ করলে হেলাল আল আমিনকে মারধর করলে আল আমিন মারা যায়।

    সহকারী পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার জানান, প্রত্যাক্ষদর্শীরদের তথ্য অনুযায়ী আসামিকে চিহ্নিত করতে পেরেছি। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এহত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং জড়িতকে আটকের চেষ্টা চলছে #ছবি সংযুক্ত আছে।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির
    বাগেরহাট সংবাদদাতা:

  • সুস্বাদু ও মিষ্টি সাম্মাম চাষ  প্রথমবার পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ করছেন কৃষকরা

    সুস্বাদু ও মিষ্টি সাম্মাম চাষ প্রথমবার পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ করছেন কৃষকরা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট:মরু অঞ্চলের সুস্বাদু ও মিষ্টি জাতের ফল সাম্মাম। বর্তমানে বাগেরহাটের ফকিরহাটে এই ফলের চাষ শুরু করেছে কৃষকরা।

    উপজেলার বেতাগা ইউনিয়নের মাসকাটা-ধনপোতা মৎস্য ঘেরের উপর মাচায় ধরেছে সাম্মাম। সবুজ থেকে হলুদ বর্ণ ধারণ করছে ফলগুলো। প্রায় প্রতিটি গাছে দুই থেকে তিনটি করে ফল ধরেছে। পলিথিন দিয়ে ঢাকা, ফাঁকে ফাঁকে পুরো খেত ফলে ভরে রয়েছে।

    বেতাগার কৃষক রবিউল ইসলাম জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শে এই চাষ শুরু করেন তিনি। নিজ ঘেরে জাল দিয়ে মাচা করে প্রথম পর্যায়ে সাম্মাম চাষ শুরু করেন। গত দুই মাস আগে এই ফলের চাষ করে তিনি ইতিমধ্যে প্রায় ২৫হাজার টাকার ফল বিক্রি করেছেন। কম খরচে সাম্মাম চাষ করে লাভের আশা দেখছেন তিনি।

    কৃষক শেখ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পরীক্ষামূলকভাবে তিনি ঘেরের পাড়ে সাম্মাম চাষ শুরু করেন। মৎস্য চাষ ও সবজি চাষের পাশাপাশি তিনি সাম্মাম ফলের চাষ করছেন। এসএসিপি এর প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিসের সার্বিক সহযোগিতায় এই ফলের চাষ করে লাভবান হবেন বলে জানান। ওই ফলের বাজার মূল্যে অনেক বেশি এবং চাষ লাভজনক হওয়ায় তিনি ঘেরের উপর মাচা করে সাম্মাম চাষ করেছেন।

    উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার মন্ডল ও সোলাইমান আলী মন্ডল জানান, মধ্যপ্রাচ্যের মরুভূমি অঞ্চলের হলেও বাগেরহাটের ফকিরহাটে মাটি সাম্মাম ফল চাষের উপযোগী। সাম্মাম ফলের চারা রোপণের দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে ফল পাকা শুরু হয়। সাম্মাম মূলত বেলে-দোয়াশ মাটিতে চাষ ভাল হয়। ফকিরহাটের অনেক অঞ্চলের মাটি সাম্মাম চাষের জন্য উপযোগী। অনেকে ঘেরের উপর মাচা করে সাম্মাম চাষ শুরু করেছেন। গাছের গোড়ার অংশের মাটি এক ধরনের পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে এসব কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতার পাশাপাশি নানাভাবে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া যে সকল ফলের চাহিদা বেশি সেই সব ফল চাষের জন্য কৃষকদেরকে নানাভাবে উৎসাহিত করা হচ্ছে। প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি তাদেরকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

    ফকিরহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ শাখাওয়াত হোসেন বলেন, এসএসিপি এর আওতায় ফকিরহাটে পরীক্ষামুলকভাবে এই ফলের চাষ শুরু করেছে কৃষকরা। তিনি আরো জানান সাম্মামের চারা রোপণ করার পর এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে গাছে ফুল ও ফল আসে। আর সব মিলিয়ে আড়াই মাসের মধ্যে ফল তোলা যায়। এই ফলের চাষ করে লোকসানের আশঙ্কা নেই। সাম্মাম চাষে কেউ আগ্রহী হলে কৃষি অধিদপ্তর থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। #ছবি সংযুক্ত আছে।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির
    বাগেরহাট সংবাদদাতা:

  • বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা কৃষকের রঙ্গিন স্বপ্ন

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা কৃষকের রঙ্গিন স্বপ্ন

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৬ ইউনিয়নের আমন ধানের ক্ষেতগুলো সবুজে সবুজে ভরে উঠেছে। উপজেলার বিস্তৃণ এলাকা গুলোতে আমন ধানের চারা গাছ গুলো আশ্বিনের বাতাসে দোল খাচ্ছে। চারিদিকে শুধু আমন ধানের সমারহ। আমন ধানের ক্ষেতগুলোকে নিয়ে কৃষকের রঙ্গিন স্বপ্ন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় আমন ধানের ফলন ভাল হবে বলে স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে।

    উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে উপজেলার ১৬ ইউনিয়নে ২৬ হাজার৩৯৫ হেক্টর , অর্জিত হয়েছে ২৬ হাজার৩৯৫ হেক্টর। বর্তমানে আমন ধানের ক্ষেতগুলোতে ধানের শীষ বের হওয়া শুরু হয়েছে। আবাব কতগুলো ধানের ক্ষেত অল্প কিছুদিনের মধ্যে বের হবে।

    এ বিষয়ে কথা হয় চাষী হাবিবুর রহমান, মোস্তফা, সিরাজ, ইসলাম, রিপন, শফিকুলের সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, এ বছর বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই আশানুরূপ বৃষ্টিপাত হয়েছে তাই এই অঞ্চলের প্রায় কৃষকেরা উৎসাহ উদ্দিপনার মধ্য দিয়ে রোপা আমন ধান রোপন করছেন। তারা আরো জানায় পানি সেচ না লাগায় এ অঞ্চলের কৃষক অনেকটা কম খরচেই রোপা আমন ধান চাষ করতে পারছে। মোরেলগঞ্জউপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাকির হোসেন বলেন, উপজেলা কৃষি বিভাগের নির্দেশনায় আমরা মাঠ পর্যায়ে আমন চারা রোপণে কৃষককে বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিচ্ছি। মোরেলগঞ্জসদর ইউনিয়নে এবারে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ১২৫০হেক্টর ধরা হয়েছে।

    শেষ সময়ে বৃষ্টি হওয়ায় গাছ ও ফসলের জন্য ভালো হয়েছে। শেষ সময়ে বৃষ্টিপাত হওয়ায় আগের তুলনায় ধানের ক্ষেতে পোকা মাকরের আক্রমণ একটু কমে গেছে।

    এ ব্যাপারে মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার আকাশ বৈরাগী জানান, এবছর উপজেলার ১৬ ইউনিয়নে ২৬ হাজার৩৯৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানে চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উফশী জাতের ৫হাজার৮৫০হেক্টর, হাইব্রিড ১০ হেক্টর ও স্থানীয়২০হাজার ৫৩৫হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ। এই উপজেলার বেশীর ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। এই এলাকার মাটি আমন চাষের জন্য উপযুক্ত মাটি।

    তিনি আরো বলেন, উপজেলা কৃষি বিভিাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কৃষকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। কৃষকদের ধানের ক্ষেতের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। #ছবি সংযুক্ত আছে।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির
    বাগেরহাট সংবাদদাতা:

  • কীটনাশক ছিটাতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলো কৃষক

    কীটনাশক ছিটাতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলো কৃষক

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আব্দুর রহিম (৩৬) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আব্দুর রহিম একই গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে। নিহতের প্রতিবেশি আবুল বাশার জানান, আব্দুর রহিম খুবই দরিদ্র। তিনি ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন। পাশাপাশি পরের দেওয়া সামান্য কিছু জমিতে কৃষি চাষ করতেন। সম্প্রতি তার বাড়ি থেকে আয়ের একমাত্র পথ ভ্যানটি চুরি হয়ে যায়। বুধবার তিনি মাঠে ধানের জমিতে কিটনাশক স্প্রে করতে যান। এসময় তিনি মাঠের একটি মটর থেকে পানি নিতে গিয়ে তড়িতাহত হয়ে মারা যান। খবর পেয়ে ওই মাঠে কাজ করা ব্যক্তিরা আব্দুর রহিমের মৃতদহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহবুবুর রহমান খবরের সত্যতা স্বীকারে করেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশে হত্যাযজ্ঞ চালাবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

    বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশে হত্যাযজ্ঞ চালাবে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন বিএনপি জামায়াতের কাছে দেশ নিরাপদ নয়। আগামীতে তারা ক্ষমতায় এলে দেশে হত্যাযজ্ঞ চালাবে। তাদের হাত থেকে কেউ রেহায় পাবেন না। বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণে নব-নির্মিত ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রী আরও বলেন, বিরোধী দল দেশের উন্নয়ন চায়নি। যারা দেশে অগ্নিসন্ত্রাসী, গ্রেনেড হামলা, লুটপাট করেছে তারা আবারো একই চিন্তা চেতনা নিয়ে মাঠে নেমেছে। তাই আমাদের সাবধানে হতে হবে। আগামী নির্বাচনে আবারো নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে হবে। মন্ত্রী বলেন, ২৮ অক্টোবর বিএনপি সমাবেশ ঘিরে কোন সহিংসতা করা হলে সরকার ও দলীয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএনপিকে নির্বাচনে আসার জন্য বার বার আহŸান করা হচ্ছে। তাদের কোন কর্মসূচীতে বাঁধা দেওয়া হচ্ছে না। তারা জনগণের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে আমরা দলীয় ভাবেও প্রস্তুত আছি। আমরা রাজনৈতিকভাবে সবকিছুই মোকাবেলা করবো। ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা: শুভ্রা রানী দেবনাথের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রনালয়ের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত সচিব সাইফুল্লাহিল আজম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডাঃ রাশেদা সুলতানাসহ ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। নব-নির্মিত ভবন উদ্ভোধনের আগে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। বিকেলে মহেশপুরের ভৈরবা বাজারের ২০ শয্যা হাসপাতালের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

  • বাগেরহাটের ফকিরহাটে টমেটো চাষে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে টমেটো চাষে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: বাগেরহাটের ফকিরহাটে অধিক লাভের আশায় টমেটো চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন কৃষকরা। টমেটোর ফলন ও বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় টমেটোর দামও ভাল পাওয়া যাচ্ছে। আশাতীত দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা। অন্য কৃষকরাও টমেটো চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ বলছে, উপজেলায় টমেটোর চাষে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

    উপজেলা কৃষি বিভাগ জানান, এসএসিপি’র প্রকল্পের আওতায় ফকিরহাটে ৮টি ইউনিয়নে ৪১০ শতক জমিতে মোট ৪১০জন কৃষক বর্তমানে টমেটো চাষ করছেন। কৃষকরা এই টমেটো স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রিয় করছেন। এর চাহিদা বেশি থাকায় কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন। আর্থিকভাবে তারা লাভবান হওয়ায় চাষেও আগ্রহ বাড়ছে ।

    বেতাগার কৃষক রাজ্জাক শেখ বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শে, প্রশিক্ষণ নিয়ে ও তাদের সহযোগিতায় তিনি ১০শতক জমিতে টমেটো চাষ শুরু করেন। ইতিমধ্যে তিনি অর্ধলক্ষাধিক টাকার টমেটো বিক্রি করেছেন। কিন্তু এই চাষ করতে ব্যয় হয়েছে মাত্র ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। পদ্মা সেতু হওয়ায় বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় এই টমেটো বিক্রি হচ্ছে। কৃষক সঞ্জয় চক্রবর্তী, আজমল মোড়ল, মাহমুদ শেখ, আনন্দ পাল সহ অনেক কৃষক জানান, উপজেলা কৃষি বিভাগের পরামর্শে টমেটো চাষ করছেন। এর চাষ করে আশানুরূপ ফলন হওয়ায় আগামীতে আরো বেশী জমিতে টমেটো চাষাবাদের পরিকল্পনা করছেন। তারা আরো জানান, টমেটোর চারা লাগানোর দুই মাসের মধ্যে ফুল আসে। দুইমাস পর থেকে ফল ধরে। অন্য সবজি চাষের পাশাপাশি এসব কৃষকরা টমেটো চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন।

    উপজেলার বিভিন্ন ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদীপ মন্ডল, বিপুল পাল, সোলাইমান আলী মন্ডল, বিপ্লব দাশ জানান, কৃষকদের টমেটো চাষে উদ্বুদ্ধ করার পর তারা এ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। এসএসসিপির প্রকল্পের আওতায় তাদের প্রশিক্ষন দেওয়ার পর টমেটো চাষ শুরু করেন। কৃষি বিভাগ থেকে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। এসব কৃষকদের বীজ, পলিথিন, সার, সেড করার জন্য বাঁশ দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। অন্য সবজি চাষের পাশাপাশি তারা টমেটো চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বৃষ্টি ও তাপমাত্রার নানা জটিলতা থাকলেও টমেটোর ভালো ফলন হয়েছে। বেশ লাভজনক হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের এই টমেটো চাষের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। তিনি আরো বলেন, গ্রামের কৃষকরা এই চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। কৃষি বিভাগ এসব কৃষকদের সকল প্রকার সহযোগিতা করে থাকেন।

  • বাবুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে আর্থিক সহযোগিতা করেন সরদার মোঃ খালেদ হোসেন স্বপন

    বাবুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরে আর্থিক সহযোগিতা করেন সরদার মোঃ খালেদ হোসেন স্বপন

    বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।
    সনাতন ধমাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সবাইকে শারদীয় দূর্গা পূজার প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং আর্থিক সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাবুগঞ্জ উপজেলার সভাপতি ও সাবেক উপজেলার সম্মানিত উপজেলা চেয়ারম্যান এবং আসছে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বাবুগঞ্জ- মুলাদী ৩ আসনের নৌকার মাঝি হতে চান মোঃ সরদার খালেদ হোসেন স্বপন। এ সময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন,
    শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক বিরল দৃষ্টান্ত। এখানে সকল ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় উৎসব পালন করে। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে। তিনি সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন, এবারের শারদীয় দুর্গা পূ্ঁজা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক উপজেলা মহিলার ভাইস চেয়ারম্যান রিফাত জাহান তাপসী, বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের রহমতপুর ইউনিয়নের নবাগত সভাপতি মোঃ রাজিব হোসেন,চাঁদপয়সা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার ঢালী, কেদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ নুরেআলম বেপারী, রহমতপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রিয়াদ হোসেন, মোঃ ছাব্বির হোসেন, মোঃ সোহেল আরমান, প্রমক এবং আরো অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইলে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

    নড়াইলে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো শারদীয় দুর্গোৎসব। (২৪ অক্টোবর) শুভ বিজয়া দশমী। আনন্দ ও উৎসব মুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন এবং প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হলো হিন্দু ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
    গত (২০ অক্টোবর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল শারদীয় দুর্গোৎসব। পাঁচ দিনব্যাপী সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে (বিজয়া দশমী) প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় এ দুর্গোৎসব।
    নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন নির্দেশনায় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর ছিল।
    এছাড়া শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন সময়ে পুলিশ সুপার সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। পূজা মন্ডপ পরিদর্শন ও প্রতিমা বিসর্জনের কিছু খন্ড চিত্র।