Blog

  • বাগেরহাটে মোংলায় ভ্যানচালক হত্যা মামলার প্রধান আসামী হেলাল আটক

    বাগেরহাটে মোংলায় ভ্যানচালক হত্যা মামলার প্রধান আসামী হেলাল আটক

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: বাগেরহাটের মোংলার যুবক আল-আমিনকে দিন দুপুরে প্রকাশ্যে হত্যা ঘটনার প্রধান আসামী ঘাতক হেলাল ভুইয়াকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ অক্টোবর) নিহত আল-আমিনেন স্ত্রী থানায় মামলা দায়ের করা মামলায় রাত দেড়টার দিকে বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে খালাবাড়ী থেকে তাকে আটক করে মোংলা থানা পুলিশ।

    মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার জানান, বুধবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে মোংলা নদী পাড়াপারের মামার ঘাট এলাকা দিয়ে আল-আমিন নামের এক যুবক ভ্যান চালিয়ে যাওয়ার সময় চালকের অসাবধানতা বসত হেলাল ভুইয়ার পায়ে ধাক্কা লাগে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পথচারী হেলাল ভুইয়া ভ্যানচালক আলা-আমিনকে বেধড়ক মারপিট করে। এক পর্যায়ে ভ্যান চালক অজ্ঞান হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক হেলাল দ্রুত পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করে।

    ওই ঘটনার পরপরই হত্যাকারী হেলাল ভুইয়াকে আটকে অভিযান শুরু করে মোংলা থানা পুলিশের পৃথক দল। তাদের ইলেট্রিক্স ডিভাইজ কাজে লাগিয়ে ২৫ অক্টোবর রাতে থানা পুলিশের পৃথক ৬টি টিম অভিযান চালিয়ে ঘটনার ১২ ঘন্টার মধ্যে বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট উপজেলার ভান্ডারখোলা গ্রামের তার খালার বাড়ি থেকে ঘাতক হেলাল ভুইয়াকে আটক করতে সক্ষম হয়।

    এঘটনায় বিবরণে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মোংলা থানা পুলিশ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে ঘাতক হেলালকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশের হাতে আটক যুবক আল-আমিনের হত্যাকারী হেলাল ভুইয়া মোংলার মামার ঘাট এলাকার ব্যবসায়ী শহিদুল ভুইয়ার ছেলে। আর নিহত আল-আমিন শেখ পেশায় ভ্যান চালক এবং মোংলা উপজেলার মালগাজী গ্রামের সবুর শেখের ছেলে। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তান রয়েছে।

    মোংলা সহকারী পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার বলেন, হত্যাকান্ডর পরপরই ঘাতক হেলাল ভুইয়া পালিয়ে যায় ফলে গ্রেফতার করতে একটু সময় লেগেছে। তারপরেও ঘটনার পরপরই ঘাতক হেলালকে গ্রেফতার করতে জেলা পুলিশ সুপারের সহায়তায় আমাদের পুলিশের পৃথক পৃথক টিম অভিযান শুরু হয়। পরে তার স্বজনদের মোবাইল ফোন ট্রাকিং করে এবং আমাদের গোপন সোর্সদের মাধ্যমে রাত দেড়টার দিকে বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট উপজেলার ভান্ডারখোল এলাকার তার খালাবাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলেও জানায় তিনি। বিকালে জেল হাজতে পাঠানো হলেও এর সাথে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা বা কারা পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে, সে ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে বলেও জানায় পুলিশের এ কর্মকর্তা।#ছবি সংযুক্ত আছে।

  • বাগেরহাটে বসতঘরসহ পাঁচ দোকান জবরদখলঃ দুই নারী আহত

    বাগেরহাটে বসতঘরসহ পাঁচ দোকান জবরদখলঃ দুই নারী আহত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: বাগেরহাটের শরণখোলার পল্লীতে প্রতিপক্ষের লোকেরা জোর পূর্বক বসতঘরসহ পাঁচটি দোকানঘর জবরদখল করে নিয়েছে। বাধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের মারপিটে দুই নারী আহত হয়েছে। এসময় বারো লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই হয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগে জানিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মালিয়া রাজাপুর এলাকায় মঙ্গলবার বিকেলে।
    ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার মালিয়া রাজাপুর গ্রামের নান্না মিয়া হাওলাদারের সাথে জমিজমা নিয়ে একই গ্রামের সুলতান হাওলাদার, ও মনির হাওলাদারের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। গত মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে তিনটার দিকে নান্না মিয়া বাড়িতে না থাকার সুযোগে প্রতিক্ষের সুলতান হাওলাদারের নেতৃত্বে মনির,সোহেল হাওলাদারসহ তাদের আরো সঙ্গীয় ৩/৪ জন লোক নান্না মিয়ার বসতঘরে হামলা চালিয়ে বসতঘরসহ পাঁচটি দোকানঘর জবরদখল করে নিয়েছে। এসময় হামলাকারীদের বাধা দেওয়ায় তারা নান্নার স্ত্রী হাওয়া বেগম ও ভাগ্নি নাজমা বেগমকে মারধর করে আহত করে। হামলাকারীরা বসতঘর থেকে নাজমা বেগমের স্বর্ণালংকার, এনআইডি কার্ড, ব্যাংকের চেকবই ও নগদ সাত লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে বলে হাওয়া বেগম অভিযোগে জানিয়েছেন। হামলাকারীদের মারপিটে আহত দুই নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। প্রতিপক্ষরা জমিসহ বসতঘর দখল করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা কোন মামলা না করার জন্য হাওয়া বেগমকে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
    এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় কোন মামলা হয়নি।

  • ফুলবাড়ীয়ায়  এমপ্যাথি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    ফুলবাড়ীয়ায় এমপ্যাথি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    মো. সেলিম মিয়া ময়মনসিংহ ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি :
    মানুষ মানুষের জন্য (এমপ্যাথি স্বেচ্ছাসেবী ) ময়মনসিংহ ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় অন্যতম একটি স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। সামাজিক কর্মকান্ড ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার লক্ষ্যে ২০২০ সালের করোনা কালীন ২১ জন সদস্য নিয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় । করোনা কালীন থেকে শুরু হয় সংগঠনের একের পর এক ব্যতিক্রমী কার্যক্রম করে যাচ্ছে। সংগঠনটি বিগত দিনে বিনামূল্য চিকিৎসা, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শীতবস্ত্র, রমজানে ইফতার উপহার, সুবিধাবঞ্চিত ছাত্রছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ, প্রতিবন্ধী মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ, করোনা কালে গরিব অসহায় মানুষে মাঝে বিভিন্ন ত্রানসহ নানা কর্মসূচী নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এমপ্যাথি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি ।
    গতকাল বৃহস্পতিবার ২৬ অক্টোবর ২০২৩ সকাল ১১ টায় সময় এমপ্যাথি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কাযার্লয়ে কেক কাটা , কোরআন তেলাওয়াত ও প্রতিবন্ধী মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ মধ্য দিয়ে এমপ্যাথি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এমপ্যাথি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাইফুল ইসলাম (সাইফ), সিনিয়র সহ—সভাপতি মো. সেলিম মিয়া, সাধারণ সম্পাদক দেলেয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক । অন্যান্যদের মধ্যে পলাশ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুস ছাত্তার, সহ: শিক্ষক উমর ফারুক (বুলু), পলাশতলী দাখিল মাদ্রাসা সুপার জিয়াউল হক (শাহিন), জাপা বাক্তা ইউনিয়ন সভাপতি নায়েব আলী, সেলিম হোসাইন, বিভিন্ন প্রিন্ট মিড়িয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

  • ময়মনসিংহ সদরের ঘাগড়া ইউনিয়নে স্মার্ট হোলডিং নাম্বার প্লেট বিতরন কার্যক্রম উদ্বোধন

    ময়মনসিংহ সদরের ঘাগড়া ইউনিয়নে স্মার্ট হোলডিং নাম্বার প্লেট বিতরন কার্যক্রম উদ্বোধন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার দেশের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার অংঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের নাগরিকদের ডিজিটালাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসার অংশ হিসেবে ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ১১নং ঘাগড়া ইউনিয়নে স্মার্ট হোলডিং নাম্বার প্লেট বিতরন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ২৬শে অক্টোবর দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা। সভার সভাপতি ঘাগড়া ইউনিয়নের বাসিন্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশরাফ হোসাইন এর হাতে স্মার্ট হোলডিং নাম্বার প্লেট তুলে দেওয়ার মাধ্যমে বিতরন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ও ইউনিয়নপরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান যৌথ ভাবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের হাতে উক্ত স্মার্ট হোলডিং নাম্বার প্লেট তুলে দেন।

    এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা, উপজেলা প্রকৌশলী
    আব্দুল্লাহ আল মামুন,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা হক কলি,ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসোসিয়েশন সদর উপজেলার সভাপতি ও সিরতার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু সাঈদ, চরনিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ফারুকুল ইসলাম , চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানমো মোস্তফা সেলিম,পরানগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার,ভাবখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার,কুষ্টিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল হক কালু, অষ্টধার ইউপি চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান, খাগ ডহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ বাদল, বোররচর ইউপি চেয়ারম্যান মো: আশরাফুল আলম সহ সদর সকল ইউপি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ।

    এসময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আশরাফ হোসাইন তার বক্তব্যে- বর্তমান সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী বঙ্গকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে স্বাধীনতার স্বপক্ষের এই সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রীকে আবারো বিজয়ী করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের এ সরকার ডিজিটাল দেশ গঠনের পর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছে। ২০৪১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের এই সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন-দেশের সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন সমূহে তথ্য প্রযুক্তির সুবিধাকে জনগনের দৌড় গোড়ায় পৌঁছে দেওয়া লক্ষ্যে ন্যাশনাল আইসিটিতে চ্যাম্পিয়ন ও দেশের বাইরে প্রতিনিধিত্বকারী সফটওয়্যার কোম্পানী এমআইইসি ল্যাব লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনায় এই স্মার্ট হোলডিং নাম্বার প্লেট বিতরন কার্যক্রম চালু করেছে বর্তমান সরকার। এ প্রকল্পের মাধ্যমে “ডিজিটাল হোল্ডিং নাম্বার প্লেট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম” সফটওয়্যার ও ডিজিটাল নাম্বার প্লেট স্থাপন করা হয়। তিনি বলেন-মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অংঙ্গীকার ছিল দেশের নাগরিকদের ডিজিটালাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসা। তারই আলোকে আমাদের এই
    ডিজিটাল স্মার্ট হোল্ডিং নাম্বার প্লেট বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সকল ইউনিয়নে এই প্লেট বিতরণ করা হবে।

    ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সাইদুর রহমান ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানের অংশ হিসেবে ঘাগড়া ইউনিয়নের নাগরিকদের জন্য স্মার্ট হোল্ডিং নাম্বার প্লেট বিতরণ করায় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

  • রায়েন্দা-মাছুয়া ফেরিঘাট: অতিরিক্ত টোল আদায় ও নির্ধারিত সময়ে ফেরি না ছাড়ার অভিযোগ

    রায়েন্দা-মাছুয়া ফেরিঘাট: অতিরিক্ত টোল আদায় ও নির্ধারিত সময়ে ফেরি না ছাড়ার অভিযোগ

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: বাগেরহাটের শরনখোলায় রায়েন্দা ও মাছুয়া ফেরিতে যানবাহন পারাপারে অতিরিক্ত টোল আদায় ও নির্ধারিত সময়ে ফেরি না চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইজারাদের বিরুদ্ধে। যার ফলে ভোগান্তি পড়েছেন যানবাহন চালক ও যাত্রীরা। ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে নির্ধারিত সময়ে ফেরি চলাচল ও সড়ক বিভাগের নির্ধারিত টোল আদায়ের দাবি জানিয়েছেন ফেরির যাত্রীসহ যানবাহন চালকরা। তবে সড়ক বিভাগ বলছে নির্ধারিত টোলের অতিরিক্ত আদায়ের কোন সুযোগ নেই। অতিরিক্ত টাকা নিলে ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। পিরোজপুর সড়ক বিভাগ সূত্রে জানাযায়, খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার শরণখোলা ও বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার মানুষের যাতায়েতের সুবিধার জন্য ২০২১ সালের ১০ নভেম্বর বলেশ্বর নদীতের ফেরি চলাচল শুরু হয়। তখন দুই এলাকার সংসদ সদস্যগণ এই ফেরি উদ্বোধন করেন। পিরোজপুর সড়ক বিভাগের কাছ থেকে দরপত্রে অংশগ্রহনের মাধ্যমে ২০২৩ সালের ৭ আগস্ট থেকে পরবর্তী তিন বছরের জন্য ১১ লক্ষ টাকায় মেসার্স তালুকদার স্টোর নামের একটি প্রতিষ্ঠান ফেরিঘাটটি ইজারা নেয়।
    মাছুয়া ফেরিঘাট থেকে সকাল ৮টা, বেলা ১১টা এবং দুপুর ২ টায় এবং রায়েন্দা ঘাট থেকে সকাল ৯টা, দুপুর ১২ টা এবং বিকেল ৪টায় ফেরি চলাচল করবে। কিন্তু সরেজমিনে ঘুরে জানাযায় বেশিরভাগ দিনে নির্ধারিত সময়ে ফেরি চলাচল করে না। ফেরিতে যানবাহনের নির্ধারিত টোলের চেয়ে ৪ থেকে ৫ গুণ টোল আদায় করছে ইজারাদার। কোন কোন ক্ষেত্রে ১০ গুনেরও বেশি টোল আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। যানবাহন চালকরা জানান, সিএনজিচালিত অটোরিকশার নির্ধারিত টোল ১৫ টাকার স্থলে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। মোটরসাইকেলের নির্ধারিত টোল ৫ টাকার স্থলে ২০ থেকে ২৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে। অন্যান্য যানবাহন থেকেও বাড়তি টোল আদায় করা হচ্ছে। ফেরির যাত্রী সোহরাফ হাওলাদার বলেন, একদিন আসে তিন ট্রিপ দেয়, আবার দুইদিন পরে কয় ফেরি নষ্ট হয়েছে। এতদিন ছাড়ত ৬টায়, এখন আবার কয় ৮টায় ছাড়বে। কিন্তু যাত্রী ও চালকরা তো আসবে ৬টায়। মঠিবাড়িয়া এলাকার অটো ভ্যান চালক হারুণ অর রমীদ বলেন, প্রতিমাসে কয়েকবার মঠবাড়িয়া থেকে অটোতে আসতে হয় রায়েন্দায়। ফেরি চালুর প্রথম দিকে নিত ৫০ টাকা। কিছুদিন পরে ৭০ টাকা, এখন নিচ্ছে ১২০ টাকা। শরণখোলা সরকারি ডিগ্রি কলেজের স্নাতক (সম্মান) ২য় বর্ষের তনিমা আক্তার শিক্ষার্থী বলেন, ফেরির সব থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে সময় ঠিক থাকে না। এখানে এসে রোদের মধ্যে দাড়িয়ে থাকতে হয়। অনেক সময় আমরা সামান্য টাকা নিয়ে আসি, ৫০ টাকা দিয়ে ট্রলারে পাড় হওয়ার মত সুযোগ আমাদের থাকে না। যার ফলে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে থাকতে হয়। মোটরসাইকেল চালক রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ফেরি অনেক সময় আগে ছেড়ে দেয়, আবার অনেক সময় আছে যে, ১২ টায় ছাড়ার কথা থাকলে ছাড়ে দেড়টায়। এছাড়া মোটরসাইকেল পাড়াপাড়ে ৫ টাকা টোল থাকলেও, ফেরিতে আমাদেরকে ২০ টাকা অনেক সময় ৩০ টাকাও দিতে হয়। আমরা চাই নির্ধারিত সময় ফেরি চলাচলের পাশাপাশি সরকারি নির্ধারিত টোল আদায় করা হোক। তাইলেই আমরা এই ফেরির সুবিধা ভোগ করতে পারব। শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন মুক্তা বলেন, দুই উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য ফেরি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। কিন্তু ইজারাদার ইচ্ছেমত ফেরি চালাচ্ছে। তাছাড়া টোল বেশি আদায় করছে। ফেরির সুবিধা মানুষকে দিতে হলে, ইজারাদারের জুলুম বন্ধ করার দাবি জানান তিনি। ফেরির ইজাজাদার মেসার্স তালুকদার স্টোরের স্টোরের পক্ষে সাদ্দাম হোসেন বলেন, আসলে ফেরিতে কোন যানবাহনের কাছ থেকে অতিরিক্ত টোল আদায় করা হয় না। নষ্ট বা যান্ত্রিক ত্রুটি থাকলে, ফেরি চলাচলের সময় হেরফের হয়। পিরোজপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ বলেন, ফেরিতে অতিরিক্ত টোল আদায়ের কোন অভিযোগ আমার কাছে নেই। যদি অভিযোগ পাই তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। যাত্রীদের সতর্ক হওয়ার জন্য দুইপাশের ঘাটে এবং ফেরিতে সরকার নির্ধারিত টোলের তালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

  • তারাকান্দায় “বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত  আত্মজীবনী পড়ি, নিজেকে গড়ি” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    তারাকান্দায় “বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ি, নিজেকে গড়ি” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী ও কর্ম সম্পর্কে শিশুদের জানাতে বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইটি ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দার প্রতিটি মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে তারাকান্দা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চেতনা জাগ্রত করণে জেলা প্রশাসকের উদ্ভাবনী উদ্যোগ “বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ি, নিজেকে গড়ি” বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    কর্মশালায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তাফিজার রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এডভোকেট ফজলুল হক, সহকারী কমিশনার ভূমি ফাহমিদা সুলতানা, উপজেলা শিক্ষা ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।

    এসময় জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তাফিজার রহমান বলেন,
    জাতির পিতার জন্মই হয়েছিল নিপীড়িত বাঙালির মুক্তির জন্য, বাঙালির মুখে হাসি ফোটানোর জন্য।
    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন একটি জাতির রুপকার,তিনি সর্বদাই জাতির কল্যাণ ও উন্নয়নে নিজেকে বিলীন করে দিয়েছেন,একজন মানবিক নেতা ও দেশ সেবক ছিলেন বঙ্গবন্ধু,ছিলেন উদার মনের মানুষ।তাই বর্তমান প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর মত মানবিক ও দেশ প্রেমিক হিসাবে গড়ে তুলতেই তাদেরকে বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী বইটি পড়তে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

    তিনি বলেন, ‘বাঙালিদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর যে অদম্য সংগ্রাম, জাতির জন্য যে ত্যাগ, এই বইয়ের মাধ্যমে সেগুলো উপস্থাপন করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কীভাবে একটি জাতির রূপকার হলেন, এই বইটির মাধ্যমে তা নতুন প্রজন্ম জানবে।

    জেলা প্রশাসক বলেন,বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী বইটি যদি শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে যুবক-বৃদ্ধ পাঠ করে, তাহলে তারা বঙ্গবন্ধুর কর্মময় জীবনের কিছুটা হলেও উপলব্ধি করতে পারবে। আর এতেই আগামী দিনে জাতির পিতার স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণ করা সহজতর হবে।

  • তারাকান্দায় বিদ্যালয়ে অভিভাবক ছাউনি উদ্বোধন ও সবুজ পাঠশালার পরিদর্শন  করলেন জেলা প্রশাসক

    তারাকান্দায় বিদ্যালয়ে অভিভাবক ছাউনি উদ্বোধন ও সবুজ পাঠশালার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ

    তারাকান্দা উপজেলার গোয়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তালদিঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর উদ্ভাবনী উদ্যোগ সবুজ পাঠশালা পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান। এসময় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুদের নিয়ে আসা শিক্ষার্থী অভিভাবকদের অপেক্ষার স্থান হিসাবে গোয়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি অত্যাধুনিক অভিভাবক ছাউনির উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক।

    বৃহস্পতিবার (২৬শে অক্টোবর) তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত উদ্যোগে অভিভাবকদের জন্য করা অভিভাবক ছাউনি ও উপজেলার গোয়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তালদিঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সবুজ পাঠশালা পরিদর্শন ও উপজেলার গোয়াতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই অভিভাবক ছাউনি উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান।

    উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য এ ধরনের সুবিধা তাদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে এ ধরণের অত্যাধুনিক অভিভাবক ছাউনি বিদ্যালয়ে বাচ্চাদের পাঠানোর জন্য অভিভাবকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদেরকে সন্তান সমেত বিদ্যালয়মুখী করবে।বাড়বে অভিভাবক-সন্তান সম্প্রীতি। তৈরি হবে মায়াময় আবহ, সৃষ্টি হবে সন্তানের সাথে ভালোবাসার পরিবেশ। বিশেষ করে প্রাক-প্রাথমিকের শিশুরা উপলব্ধি করবে মা তথা অভিভাবক তাদের সঙ্গে আছে সবসময়। এসময় তিনি এসময় তিনি এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি না রাখা এবং বিদ্যালয়ে সবুজের সমারোহ নিশ্চিত করার জন্য তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমতক ও অন্যান্যদের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে সমগ্র জেলায় এটি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন।

    এছাড়াও তিনি একই দিনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়াতে ও ঝরে পড়া রোধ করতে তালদিঘি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজাবে রহমত বলেন, জেলা প্রশাসক স্যার আজ অভিভাবক ছাউনিটি উদ্বোধন করার পর সবজ পাঠশালার পরিদর্শন করেন । তিনিও একজন অভিভাবক এবং আমি নিজেও। বাস্তবিক প্রয়োজন থেকেই এটি আজ উন্মুক্ত করা হলো। অনুষ্ঠানে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্তাব্যক্তিসহ প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • খাগড়াছড়িতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    খাগড়াছড়িতে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

    রিপন ওঝা, খাগড়াছড়ি

    খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় জেলা পরিষদ কর্তৃক সকল উপজেলা হতে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ৩৩৭জন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকদের বরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি খাগড়াছড়ি কর্তৃক ২৬ অক্টোবর ২০২৩ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ঘটিকায় অফিসার্স ক্লাবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    উক্ত বরণ ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি খাগড়াছড়ি শাখার সভাপতি মোঃ মাসুদ পারভেজ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা,এমপি।

    এ সময়ে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, জেলা পরিষদের সদস্য ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের আহ্বায়ক নিলোৎপল খীসা,সদস্য কল্যাণ মিত্র বড়ুয়া, এডভোকেট আশুতোষ চাকমা, ক্যাজরী মারমা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাহাব উদ্দিন, শিক্ষক স্বপন চৌধুরী।

    এই সময় নব নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ, সাংবাদিকবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • গোপালগঞ্জে নসিমন ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে ব্রাক কর্মকর্তা নিহত

    গোপালগঞ্জে নসিমন ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে ব্রাক কর্মকর্তা নিহত

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় গাছ বোঝাই নসিমন ও মোটর সাইকেলের সংঘর্ষে মানষ গাইন (৪৮) নামের এক ব্রাক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া সড়কের কোটালীপাড়া উপজেলার ছত্রকান্দা এলাকায় এ দূর্ঘটনা ঘটে।

    কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহত মানষ গাইন বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়ার চর গ্রামের মনি মোহন গাইনের ছেলে। সে মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার ব্রাকের রাজৈর শাখার ক্রেডিট কর্মকর্তা ছিলেন।

    ওসি মো: জিল্লুর রহমান জানান, এনজিওর কাজ শেষে সন্ধ্যায় মোটর সাইকেলে করে কোটালীপাড়া থেকে চিতলমারী যাচ্ছিলেন ব্রাকের রাজৈর শাখার ক্রেডিট কর্মকর্তা মানষ গাইন।

    এসময় মোটর সাইকেলটি কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া সড়কের ছত্রকান্দা এলাকায় পৌঁছালে গাছ বোঝাই একটি নাসিমনের সাথে সংঘর্ষ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে মানষ গাইন।

    পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। #

  • বাগেরহাট থেকে বিএনপি-জামায়াতের ১৫ হাজার নেতাকর্মী যাবে ঢাকায়

    বাগেরহাট থেকে বিএনপি-জামায়াতের ১৫ হাজার নেতাকর্মী যাবে ঢাকায়

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির: ঢাকার সমাবেশে বাগেরহাট থেকে বিএনপি-জামায়াতের অন্তত ১৫ হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহন করবেন। ইতোমধ্যে প্রায় দুই সহস্রাধিক নেতাকর্মী ঢাকায় পৌছে গেছে বলে জানিয়েছেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম।
    তিনি বলেন, ২৮ অক্টোবরের সমাবেশকে ঘিরে আমরা সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। প্রতিটি উপজেলা, পৌরসভাসহ সকল সাংগঠনিক ইউনিট থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় যাবে। বাগেরহাট থেকে অন্তত ১০ থেকে ১২ হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহন করবে।
    বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহবায়ক এটি এম আকরাম হোসেন তালিম ও সাবেক সভাপতি এম এ সালাম আরো বলেন, নেতাকর্মীরা যাতে ঢাকার সমাবেশে না যেতে পারে এজন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হুমকি-ধামকী দিচ্ছে। কাড়াপাড়া যুবদল নেতা ওমর ফারুক, বারুইপাড়া ছাত্র দল নেতা সুমনকে মারধর করেছে। বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমাবেশে না যাওয়ার জন্য হুমকী-ধামকি দিচ্ছে। তবে কোন বাঁধা এই সমাবেশকে বাঞ্চাল করতে পারবে না। বাগেরহাট থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ঢাকার সমাবেশে অংশগ্রহন করবে।
    অন্যদিকে, বাগেরহাট জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী শেখ মোঃ ইউনুচ বলেন, ঢাকার সমাবেশে আমাদের অন্তত ৫ হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহন করবে। ইতোমধ্যে অনেকে ঢাকায় অবস্থান করছে। আশাকরি এই সমাবেশের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটবে।
    অন্যদিকে বিএনপির সকল অভিযোগ অস্বীকার করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্বা এ্যাড. ভুইয়া হেমায়েত উদ্দিন বলেন, জামায়াত-বিএনপির কর্মীরা মূলত ঢাকায় যেতে চাচ্ছে না। তাই এসব মিথ্যা অভিযোগ করছেন নেতারা। আমরা কাউকে বাঁধা দেইনি।