Blog

  • বাগেরহাটে মোংলায় ভ্যানচালক হত্যা মামলার প্রধান আসামী হেলাল আটক

    বাগেরহাটে মোংলায় ভ্যানচালক হত্যা মামলার প্রধান আসামী হেলাল আটক

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: বাগেরহাটের মোংলার যুবক আল-আমিনকে দিন দুপুরে প্রকাশ্যে হত্যা ঘটনার প্রধান আসামী ঘাতক হেলাল ভুইয়াকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (২৫ অক্টোবর) নিহত আল-আমিনেন স্ত্রী থানায় মামলা দায়ের করা মামলায় রাত দেড়টার দিকে বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে খালাবাড়ী থেকে তাকে আটক করে মোংলা থানা পুলিশ।

    মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার জানান, বুধবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে মোংলা নদী পাড়াপারের মামার ঘাট এলাকা দিয়ে আল-আমিন নামের এক যুবক ভ্যান চালিয়ে যাওয়ার সময় চালকের অসাবধানতা বসত হেলাল ভুইয়ার পায়ে ধাক্কা লাগে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পথচারী হেলাল ভুইয়া ভ্যানচালক আলা-আমিনকে বেধড়ক মারপিট করে। এক পর্যায়ে ভ্যান চালক অজ্ঞান হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক হেলাল দ্রুত পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করে।

    ওই ঘটনার পরপরই হত্যাকারী হেলাল ভুইয়াকে আটকে অভিযান শুরু করে মোংলা থানা পুলিশের পৃথক দল। তাদের ইলেট্রিক্স ডিভাইজ কাজে লাগিয়ে ২৫ অক্টোবর রাতে থানা পুলিশের পৃথক ৬টি টিম অভিযান চালিয়ে ঘটনার ১২ ঘন্টার মধ্যে বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট উপজেলার ভান্ডারখোলা গ্রামের তার খালার বাড়ি থেকে ঘাতক হেলাল ভুইয়াকে আটক করতে সক্ষম হয়।

    এঘটনায় বিবরণে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মোংলা থানা পুলিশ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে ঘাতক হেলালকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশের হাতে আটক যুবক আল-আমিনের হত্যাকারী হেলাল ভুইয়া মোংলার মামার ঘাট এলাকার ব্যবসায়ী শহিদুল ভুইয়ার ছেলে। আর নিহত আল-আমিন শেখ পেশায় ভ্যান চালক এবং মোংলা উপজেলার মালগাজী গ্রামের সবুর শেখের ছেলে। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও ২ মেয়ে সন্তান রয়েছে।

    মোংলা সহকারী পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার বলেন, হত্যাকান্ডর পরপরই ঘাতক হেলাল ভুইয়া পালিয়ে যায় ফলে গ্রেফতার করতে একটু সময় লেগেছে। তারপরেও ঘটনার পরপরই ঘাতক হেলালকে গ্রেফতার করতে জেলা পুলিশ সুপারের সহায়তায় আমাদের পুলিশের পৃথক পৃথক টিম অভিযান শুরু হয়। পরে তার স্বজনদের মোবাইল ফোন ট্রাকিং করে এবং আমাদের গোপন সোর্সদের মাধ্যমে রাত দেড়টার দিকে বাগেরহাট জেলার মোল্লারহাট উপজেলার ভান্ডারখোল এলাকার তার খালাবাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে বলেও জানায় তিনি। বিকালে জেল হাজতে পাঠানো হলেও এর সাথে অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা বা কারা পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে, সে ব্যাপারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে বলেও জানায় পুলিশের এ কর্মকর্তা।

  • বাগেরহাটের চিতলমারিতে বেড়েছে মরিচ-পেঁয়াজের ঝাঁঝ, মাছের বাজারও চড়া

    বাগেরহাটের চিতলমারিতে বেড়েছে মরিচ-পেঁয়াজের ঝাঁঝ, মাছের বাজারও চড়া

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট: বাগেরহাটের চিতলমারীতে সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। শীতকালিন সবজি বাজারে আসায় নি¤œমুখি এ দর। তবে বেড়েছে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, আলু ও কচুরমুখির দাম। মাছের বাজার বেশ চড়া। তাই কম আয়ের মানুষ মাছ কিনতে না পেরে খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা সদর বাজার ঘুরে জানা গেছে, গত দুইদিন আগে এখানে প্রতি কেজি শিম ছিল ২০০ টাকা, যা বর্তমানে ১৬০ টাকা, বেগুন ছিল ১২০ টাকা, বর্তমানে ৮০-৭০ টাকা, ফুলকপি ছিল ১০০ টাকা, বর্তমানে ৭০ টাকা, মুলা ছিল ৮০ টাকা, বর্তমানে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ছিল ৫০ টাকা, বর্তমানে ৩০ টাকা, পুঁই শাক ও লাল শাক আটি ছিল ৩০ টাকা বর্তমানে ২০ টাকা, বরবটি ছিল ৬০ টাকা, বর্তমানে ৪০ টাকা, পেঁপে ছিল ৪০ টাকা, বর্তমানে ২৫ টাকা এবং লাউ প্রতি কমেছে ২০ টাকা।

    তবে এ গুলোর দাম কমলেও বেড়েছে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, আলু ও কচুরমুখির দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ১০-২০ টাকা। এখানে (বৃহস্পতিবার) প্রতি কেজি আলু ৬০ টাকা, কচুরমুখি ৮০ টাকা, পেঁয়াজ ১০০ টাকা ও কাঁচা মরিচ ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

    এ উপজেলার হাট-বাজার গুলোতে মাছের দাম বেশ চড়া। ছোট-বড়, খালের-বিলের, চাষের ও নদীর যে ধরণের মাছই হোক সবই নি¤œআয়ের মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। তাই তাঁরা মাছ কিনতে না পেরে অনেকেই খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন।

    চিতলমারীর কুরমনি গ্রামের ভ্যান চালক অসিত বিশ্বাস, সুরশাই গ্রামের আলী আকবর, ঘড়ির মেকার রুহুল আমিন মিঠু বিশ্বাস ও বাজারের বুট পালিশওয়ালা রতন দাস বলেন, ‘মাছ-তরকারি কিনতে গেলে কান্না আসে। যা আয় করি চাল ও তেল কেনার পার আর হাতে তেমন টাকা থাকে না। মাছ কিনব কি ভাবে।’

    চিতলমারী উপজেলা সদর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মোঃ তায়ফুর রহমান, মোঃ ফারুক, মিজানুর রহমান, মোঃ আজিজুল শেখ, মোঃ সমিরুল ইসলাম, অহিদ মোল্লা, শওকাত হোসেন ও আকবর আলী জানান, শীতকালিন সবজি বাজারে আসায় অনেক তরকারির দাম কমেছে। আবার পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ ও আলুসহ কিছু সবজির দাম বেড়েছে।

  • রাজশাহী-১ আসনে ফারুক চৌধুরীর মনোনয়ন নিশ্চিত

    রাজশাহী-১ আসনে ফারুক চৌধুরীর মনোনয়ন নিশ্চিত

    আলিফ হোসেন, তানোরঃ
    রাজশাহী অঞ্চলে আওয়ামী লীগের আদর্শিক নেতৃত্ব ও রাজনীতিতে আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপির কোনো বিকল্প নাই। আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারো তাকে নৌকার মাঝি করার সবুজ সংকেত দিয়ে মাঠ গোছানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ফলে আবার তিনি নৌকার টিকিট পাচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একটি সুত্র জানায়, প্রথম ধাপে দেশব্যাপী ১৭৫ জন প্রার্থীর তালিকা প্রায় চুড়ান্ত করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। যেখানে প্রথম ধাপের তালিকায় রাজশাহী-১ আসনে সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী ও রাজশাহী-৬ আসনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব শাহরিয়ার আলমের নাম রয়েছে। আওয়ামী লীগে ফারুক চৌধুরীর দীর্ঘ প্রায় দু’দশকের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক
    জীবন ও আদর্শিক নেতৃত্ব গুন পর্যালোচনা করে তার টিকিট নিশ্চিত করা হয়েছে।
    জানা গেছে, রাজশাহী অঞ্চলের
    রাজনৈতিক অঙ্গনে এমপি ফারুক চৌধুরীকে লৌহমানব হিসেবে সবাই চেনেন। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে ফারুক চৌধুরীর রাজনীতির শুরু। প্রধানমন্ত্রীর বিশস্ত আস্থাভাজন ও আদর্শিক নেতৃত্ব হিসেবে রাজনীতি করে আসছেন। ফলে তিনি মনোনয়ন নিয়ে ভাবেন না, তাঁর সুপারিশে অনেকের মনোনয়ন হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনের যেসব অর্বাচীনরা এটা বোঝে না, তারাই ফারুক চৌধুরী সম্পর্কে নেতিবাচক আলোচনা করেন। রাজনৈতিক প্রতিযোগীতায় বিজয়ী হতে তার গেম প্ল্যানের তৈরীর যে দক্ষতা রয়েছে, সেটা অনেকের নাই। তিনি যেকোনো সময় যেকোনো গেম প্ল্যান তৈরীর ক্ষমতা রাখেন। যেটা একজন সফল রাজনৈতিক নেতার বড় গুণ।
    জানা গেছে, রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হবার অনেক আগেই তিনি অর্জন করেন সিআইপি মর্যাদা, হয়েছেন রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়কর দাতা। এমপি ফারুকের রয়েছে নিজস্ব স্বকীয়তা, সামাজিক মর্যাদা, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং পরিচিতি আর্থিক স্বচ্ছলতা রয়েছে বিশাল কর্মী বাহিনী। তিনি অনেক আগেই আদর্শিক, কর্মী-জনবান্ধব, সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি ও গণমানুষের নেতার উপাধি অর্জন করেছেন।
    অনুসন্ধানে জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী তানোর-গোদাগাড়ী থেকে প্রতিদিন যদি ৫ জন মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের উপকার করেছেন। উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে রয়েছে
    এমপির জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করতে প্রস্তুত। তাহলে তাকে যারা জনবিচ্ছিন্ন বলছে তারা কারা, আর এদের পরিচয় দেবার মতো কিছু আছে কি ? তবে এদেরও কারো কারো সঙ্গে অনেক মানুষ রয়েছে যারা কমবেশী সবাই পাওনাদার কেউ সালিশের জরিমানার টাকা, কেউ চাকরির আশায় দেয়া টাকা, কেউ গভীর নলকুপের অপারেটর নিয়োগের টাকা, কেউ মোটরসাইকেল শোডাউনের তেলের টাকা, ডেকোরেটর ভাড়ার টাকা ইত্যাদি। অন্যদিকে যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী তারা সবাই মিলে কি একজন ফারুক চৌধুরী সৃষ্টি করতে পারবেন ? কিন্ত্ত এমপি ফারুক চৌধুরী রাতারাতি এসব দু”দশটা মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মতো নেতা সৃস্টির ক্ষমতা রাখেন। তাহলে বুঝতে হবে কার সঙ্গে তারা প্রতিদন্দিতা করতে নেমেছেন, যেখানে তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার ও পরাজয় নিশ্চিত বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
    জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সব প্রটৌকল ভেঙ্গে একক ক্ষমতা বলে আওয়ামী লীগে যোগদান করিয়ে ফারুক চৌধুরীকে রাজনীতিতে নিয়ে এসে এমপি নির্বাচনে ৪ বার দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন, একবার প্রতিমন্ত্রী এবং জেলার সভাপতি ও সম্পাদক করেছেন। একজন নেতা বা কর্মীর প্রতি কতটা আস্থা, বিশ্বাস এবং ভরসা থাকলেই কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সভাপতি ও বিশ্বমানের নেতা কাউকে এভাবে সম্মানিত করেন সেটার গভীরতা অনুধাবন করতে হবে। তবে এমপিবিরোধী একশ্রেণীর রাজনৈতিক অর্বাচীনদের সেই সম্পর্কে কোনো ধারনা বা জ্ঞান নাই। আবার জনপ্রতিনিধি হিসেবে কৃষিক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বৃক্ষরোপণে রাস্ট্রপতি ও প্রধান কর্তৃক স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন।
    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত, এমপি ফারুকের মতো নেতৃত্বরা মনোনয়ন নেয় না, তাদের সুপারিশে দু’ চারজন মনোনয়ন পায়। ফলে রাজনীতিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতায় ফারুক চৌধুরীদের মতো নেতৃত্বকে হারানো যায় না, তারা যেকোনো রাজনৈতিক দলের কাছেই বড় সম্পদ, তবে দল, নেতা, নেতৃত্ব সর্বপোরী নিজের অবস্থান ধরে রেখে দলের আগাছা-পরগাছা ছুড়ে ফেলে দলের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে কখানে কখানো তারা হেরে গিয়ে বিজয়ের স্বাদ গ্রহণ করে। তাদের এই হারে পরাজয়ের গ্লানি নয় থাকে বিজয়ীর উল্লাস রাজনীতি সব সময় বিজয়ী নয় হেরে গিয়ে বিজয়ের স্বাদ নিতে হয়। তাই ফারুক চৌধুরীদের মতো নেতৃত্বের সঙ্গে প্রতিযোগীতার নামে বিরোধ নয় তাদের সঙ্গে সমঝোতা করে চলতে এবং তাদের কাছে থেকে শিখতে হয় ঠান্ডা-শিতল ঘরের রাজনৈতিক কলাকৌশল। আর যাদের এসব বোঝার ক্ষমতা নাই তারাই রাজনীতি থেকে ছিটকে পড়ে অতল গহবরে হারিয়ে যায়। ডিজিটাল বাংলাদেশে এখন মাঠে-ঘাটে বগী আওয়াজ দিয়ে বা ভাড়া করা লোক দিয়ে সমাবেশ করে রাজনীতি হয় না।এখন ঠান্ড ঘরে বসে গরম কফির কাপে চুমুক দিয়ে টেলিভিশনের পর্দায় ফর্মুলাওয়ান ওযান দেখতে দেখতে রাজনীতি হয়।
    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনে এমপি ফারুক চৌধুরীর পুনঃরায় সভাপতি হবার সুযোগ থাকলেও তিনি সভাপতি না হয়ে তার অনুগতদের সভাপতি-সম্পাদক করে তার প্রতিপক্ষদের আস্তাকুঁড়ে ছুড়ে ফেলে তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতার পরিচয় দিয়েছেন, এবং তিনিই একমাত্র নেতা যিনি নিজেই দলের সভাপতির কাছে জেলা সভাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। যেখানে দলের একটি পদের জন্য অন্যরা এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করে ক্লান্ত হয়ে পড়ে,
    সেখানে এমপি ফারুক এমনই নেতা যিনি জেলার সভাপতির পদ স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিতে পারেন। অথচ তার বিরোধী একশ্রেনীর রাজনৈতিক বেকুব
    এমপি ফারুক চৌধুরীকে হারানোর কথা ভেবে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলতে গিয়ে পরক্ষনেই ভুল ভাঙ্গে সেই ঢেঁকুর আর গিলতে পারছে না।
    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, রাজশাহী-১ আসন ছিল বিএনপি-জামায়াতের দুর্গ বা আঁতুড় ঘর। বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ও ডাকমন্ত্রী
    প্রয়াত ব্যারিষ্টার আমিনুল হক ছিলেন জাতীয় পর্যায়ের হেভিওয়েট ও অপ্রতিদন্দী নেতা। ফলে এখানে প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগের সভা-সমাবেশ তো দুরের কথা পোস্টার সাঁটানো ছিল দুরুহ।
    তাকে পরাজিত করে এমপি তো পরের কথা তার বিপক্ষে বাধাহীনভাবে দলীয় কর্মসূচি পালন করতে পারাটাই ছিল আওয়ামী লীগের কাছে পরম পাওয়া। তাকে পরাজিত করে আওয়ামী লীগের কেউ এমপি হবে এমন আশা দলের নীতিনির্ধারণী মহল কখানো কল্পনা করেনি।
    কিন্ত্ত ফারুক চৌধুরীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নবযৌবন ফিরে পায়। ব্যারিস্টার আমিনুলের মতো হেভিওয়েট নেতাকে টেক্কা দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে উঠেন। দলের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের ওপর বিরোধীদের হামলা মামলা মোকাবেলার দায় নেন ফারুক চৌধুরী। তিনি তার রাজনৈতিক দুরদর্শীতায় ব্যারিষ্টার আমিনুলের মতো হেভিওয়েট নেতৃত্বকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন, করেছেন আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত, বিএনপি-জমায়াতের আঁতুড় ঘর দুমড়ে-মুচড়ে
    তছনছ করে আওয়ামী লীগের বসত ঘরে পরিনত করেছেন। এমপি ফারুক চৌধুরীর দীর্ঘ দুদশকের রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য কাজের মধ্যে দুএকটি কাজ নিয়ে বিতর্ক বা সমালোচনা হতেই পারে। কিন্ত্ত ব্যারিস্টার আমিনুলের মতো নেতৃত্বকে পরাজিত করে জামায়াত-বিএনপির দুর্গে আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠা করতে ফারুক চৌধুরীর যে অবদান সেটাকে অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নাই, যেটা দলের নীতিনির্ধারণী মহলও জানেন। শুধুমাত্র এই অবদানের জন্যই তো ফারুক চৌধুরীর বিকল্প নেতৃত্বের কথা চিন্তা করা যায় না। ফারুক চৌধুরীর আওয়ামী লীগে আশার আগে ও পরের অবস্থান বিশ্লেষণ করলেই স্পষ্ট হবে তিনি আওয়ামী লীগের কাছে কত বড় সম্পদ, এটা জানার জন্য রাজনৈতিক বিশ্লষক হবার প্রয়োজন নাই। এসব বিচার-বিশ্লেষণ করেই তাকে আবারো নৌকার টিকিট দেবার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের নীতিনির্ধারণী মহল বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।#

  • আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির সোলাদানা কমিটি গঠন

    আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির সোলাদানা কমিটি গঠন

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পল্লী চিকিৎসকদের সংগঠন আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির পাইকগাছার সোলাদানা ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি গঠনের লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার সকালে সোলাদানা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মানস কুমার মন্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপজেলা কমিটির সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ও সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। সভায় পল্লী চিকিৎসক নিত্যানন্দ মন্ডল কে সভাপতি ও ইয়াছিন আলী কে সাধারণ সম্পাদক করে আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির সোলাদানা ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহ সভাপতি নিপুণ কুমার রায়, খাদিজা বেগম ও কবিন্দ্র নাথ সানা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রকাশ চন্দ্র মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ অজিত কুমার মন্ডল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বিধান চন্দ্র সরকার, শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক প্রেমা রায় ও দপ্তর সম্পাদক দেবতোষ কুমার ঢালী।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা (খুলনা) ।

  • পাইকগাছার সাংবাদিকদের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা মামুনের মতবিনিময়

    পাইকগাছার সাংবাদিকদের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা মামুনের মতবিনিময়

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।
    পাইকগাছার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অর্থ ও পরিকল্পনা উপ-কমিটির সদস্য সাইফুল্লাহ আল মামুন। তিনি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকালে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এ মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে সাইফুল্লাহ আল মামুন বলেন দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য শেখ হাসিনা সরকারের কোন বিকল্প নাই। দেশের উন্নয়ন কে বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপি জামায়াত সহ বিদেশী শত্রুরা যে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে তার বিরুদ্ধে সবাই কে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন আমার পিতা সুন্দরবন সংলগ্ন কয়রা উপজেলা আওয়ামী লীগ কে সু সংগঠিত এবং শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। আমি ও উপকূলীয় এ জনপদের মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছি। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা -৬ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করে সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে এলাকাবাসীর প্রতি আহবান জানান। এসময় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরুণ মন্ডল, এইচ এম নজরুল, কনক সরকার, তরিকুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, মহাসিন রেজা ও আকিব। এসময় প্রেসক্লাবের সভাপতি সম্পাদক সহ অন্যান্য সাংবাদিকরা ও উপস্থিত ছিলেন।

  • পাইকগাছার ৫ হাজার কৃষককে বিনামূল্যে বীজ সার প্রদান

    পাইকগাছার ৫ হাজার কৃষককে বিনামূল্যে বীজ সার প্রদান

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।
    পাইকগাছার ৪ হাজার ৮৫০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক কে বিনামূল্যে বীজ সার প্রদান করা হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রবি/২০২৩-২৪ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী ও শীতকালীন পেঁয়াজ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের চাষাবাদের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর মাধ্যমে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কৃষকদের মাঝে বীজ সার বিতরণ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আক্তারুজ্জামান বাবু। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এস এম মনিরুল হুদা, সহকারী সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহজাহান আলী, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ ও সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ । উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ তোফায়েল আহমেদ তুহিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ দাশ, কৃষক মেহের আলী, বেলাল হোসেন, মোক্তার গাজী, সৌদামিনী রায় ও বেবী বেগম। অনুষ্ঠানে সকল উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও এলাকার কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন। এ কর্মসূচীর আওতায় ২৫০ জন গম চাষি, ৫০০ জন ভুট্টা চাষি, ১ হাজার ৮০০ জন সরিষা চাষি, ২ হাজার ২০০ জন সূর্যমুখী চাষি ও ১০০ জন শীতকালীন পেঁয়াজ চাষিকে বীজ ও রাসায়নিক সার প্রদান করা হয়।

  • ডিবির অভিযানে গাঁজা,মোটরসাইকেলসহ দুই মাদক কারবারি আটক

    ডিবির অভিযানে গাঁজা,মোটরসাইকেলসহ দুই মাদক কারবারি আটক

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
    বুধবার (২৫শে অক্টোবর)২০২৩ইং বানীয়ারদীঘি হইতে বড়বাড়ি গামী গ্রামের পাকা রাস্তার উপর হইতে দুই কেজি গাঁজা ও মোটরসাইকেল সহ দুইজন মাদক কারবারি কে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
    গ্রেফতারকৃত ব্যাক্তি রফিকুল ইসলাম (২২), রিপন মিয়া (২৪), একটি ডিসকভার মোটরসাইকেলে ২ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা বহন করার সময় ডিবির অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম, এর নেতৃত্বে এসআই /নিজাম উদ দৌলা এএসআই আব্দুল বারী, রাশেদ মিয়া, বেলাল হোসেন, সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমনিরহাট জেলার সদর থানাধীন পৌরসভার অন্তর্গত পূর্ব সাপটানা বানিয়ারদিঘী গ্রামের মৃত কালীকান্ত বর্মনের প্রতিত জমি সংলগ্ন বানীয়ারদীঘি হইতে বড়বাড়ি গামী গ্রামের পাকা রাস্তার উপর হইতে তাদের কে আটক করেন। সদর থানায় আটক আসামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।

    লালমনিরহাট ডিবির অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিরুল ইসলাম,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বানীয়ারদীঘি হইতে বড়বাড়ি গামী গ্রামের পাকা রাস্তার উপর হইতে ২কেজি গাঁজা ও মোটরসাইকেলসহ তাদের কে আটক করেন।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • মধুপুরে  হেরোইন সহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    মধুপুরে হেরোইন সহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ
    টাঙ্গাইলের মধুপুর থানা পুলিশ হেরোইনসহ সহ ৪ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সুত্রে জানা যায় বুধবার (২৫ অক্টোবর,) রাত ১১ টার দিকে মধুপুর পৌরসভাধীন চাড়ালজানী খান পেট্রোল পাম্পের পূর্ব পাশে জনৈক ইছহাক এর কাঠের দোকানের সামনে মাদক অভিযান পরিচালনা করে রাজশাহী জেলাধীন গোদাগাড়ী থানার দিয়ার মানিকচক গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে . শাহীন আলী (২২), টাঙ্গাইল জেলাধীন মধুপুর উপজেলার বৃত্তিবাড়ী গ্রামের সাখাওয়াত হোসেন এর ছেলে . মিনারুল ইসলাম (৩২), জলছত্র গ্রামের মৃত মজিদের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২০), কাকরাইদ গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া (৩০)কে গ্রেফতার করে এসময় তাদের নিকট হতে ৮০ (আশি) গ্রাম হেরোইন, যার মূল্য ৮,০০,০০০/- টাকা উদ্ধার করা হয়। এই সংক্রান্তে উক্ত মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে মধুপুর থানায় নিয়মিত মাদক মামলা রুজু করে আসামীদেরকে বৃহস্পতিবার বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • বাগেহাটের ফকিরহাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষক ও গলায় রশি দিয়ে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু

    বাগেহাটের ফকিরহাটে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষক ও গলায় রশি দিয়ে কাঠমিস্ত্রির মৃত্যু

    শেখ সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি :

    বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার লখপুরের জাড়িয়া-মাইটকুমড়া এলাকার একটি ফার্নিচারের ঘর থেকে আ. রব মোল্লা (৬০) নামে এক কাঠমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রব মোল্লার ভাড়া নেওয়া নিজ ফার্নিচারের ঘরের আড়ার সাথে গলায় কাপড় দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আ. রব মোল্লা লখপুরের জাড়িয়া-মাইটকুমড়া এলাকায় দুই বছর আগে বিয়ে করে তার স্ত্রীকে নিয়ে যুগিখারী নদীর পাড়ে ঘর বেধে বসবাস করে আসছেন। সেখানে তিনি সেলিম ফরাজীর নিকট থেকে ঘর ভাড়া নিয়ে ফার্নিচারের কাজ করতেন।
    ঘটনার দিন সকালে রব মোল্লার স্ত্রী তাকে ফোনে না পেয়ে ফার্নিচারের ঘরে আসেন। সেখানে তার স্বামীকে ঝুলন্ত মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

    খবর পেয়ে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন। এরপর প্রাথমিক সুরোতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করেন।

    স্থানীয়রা জানান, রব মোল্লার কাছে এলাকার অনেক মানুষ টাকা পাবেন। দেনার দায়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে তারা ধারনা করছেন। আ. রব মোল্লা ভাঙ্গুরা এলাকার মৃত দানু মোল্লার ছেলে।

    ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল আলম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

    অপরদিকে, ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়ার তেকাঠিয়া এলাকায় মৎস্য ঘেরে স্যালো মেশিন দিয়ে পানি দেওয়া শেষে তার গোছানোর সময় লুৎফর শেখ (৫৫) নামে এক কৃষক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।

    বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।নিহত লুৎফর শেখ তেকাঠিয়া গ্রামের ফরহাদ শেখের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বিদ্যুতের সংযোগ দেয়া অবস্থায় বিদ্যুতের তার গুটিয়ে স্যালো মেশিনের উপর রাখার সময় অসর্তকাবশত: বিদ্যুতায়িত হয়ে লুৎফর শেখ মারা যান।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক সুরোতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে।

    ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. আশরাফুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে। #
    ২৬/১০/২৩

  • শার্শার রুদ্রপুর গ্রামের ৩ শতাধিক মৎস্যজীবি দেড়মাস ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন

    শার্শার রুদ্রপুর গ্রামের ৩ শতাধিক মৎস্যজীবি দেড়মাস ধরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন

    আজিজুল ইসলাম : যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর ৩ শতাধিক মৎস্যজীবি মানবেতর জীবনযাপন করছেন। খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছেন তারা। এলাকার ফসলী জমি ৬ মাস ধরে পানিতে নিমজ্জিত থাকায় এলাকার অধিকাংশ মানুষ মাছ ধরেই জীবিকা
    নির্বাহ করেন। কিন্তু বিনা নোটিশে উপজেলা মৎস্য অফিসার মাছধরা জাল পুড়িয়ে দেয়ায় কয়েকশ পরিবার এখন বেকার হয়ে পড়েছেন।

    প্রতি বছরের ন্যায় চলতি আমন মৌসুমেও ভারতীয় ইছামতী নদীর জোয়ারের পানিতে কায়বা ইউনিয়নের রুদ্রপুর, দাউদখালী, ভবানীপুর, কায়বা, পাড়ের কায়বা, বাইকোলা গ্রাম সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের বিলাঞ্চল জলাবদ্ধ রয়েছে। নষ্ট হয়েছে কয়েকশ বিঘা জমির রোয়া ধান। ধান রোপন করা সম্ভব হয়নি ঠেঙামারী, গোমর ও আওয়ালী বিলের তলদেশ। বর্ষা মৌসুমে সেখানকার প্রায় ৫শ একর জমিতে ৫০ বছর ধরে কোন ফসলের চাষ হয়না। কেবলমাত্র ইরি চাষের ওপরে নির্ভর থাকতে হয় সেখানকার চাষীদের। ফলে ধীরে ধীরে তারা মৎস্যজীবির পথ বেছে নেয়। কায়বা ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বলেন জলাবদ্ধতার কারনে ইউনিয়নে এবছর ৩ শ” একর জমি চাষ করা সম্ভব হয়নি। রুদ্রপুর গ্রামের শহিদ, ইসমাইল ও মুকুল হাজী জানান, মাছ ধরে সংসার চালান। কিন্তু মৎস্য অফিসার এসে এবছর তাদের প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছধরা জাল পুড়িয়ে দিয়েছেন। এখন তারা সম্পুর্ন বেকার।

    কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন বলেন, বিষয়টা আমি শুনেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর সাথে কথা বলে তাদের সরকারি বিধি মোতাবেক মাছ ধরার একটা ব্যাবস্থা করা হবে।