Blog

  • দোয়ারার চকবাজারে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ শামীম আহমদ চৌধুরী

    দোয়ারার চকবাজারে আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ শামীম আহমদ চৌধুরী

    দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

    বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার লক্ষিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আয়োজনে শান্তি সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বিকালে স্থানীয় চকবাজারে লক্ষিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম রতনের সভাপতিত্বে

    ও মকসুদুল আলম মানিকের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশী শামিম আহমদ চৌধুরী। এসময় তিনি বক্তব্যে বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে চলছে ঢাকায় গেলে মনে হয় উন্নত বিশ্বের সাথে তালমিলে চলছে বাংলাদেশ। ওভারব্রীজ, ফ্লাই ওভার, কর্ণফুলি টানেল সহ নতুন নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে। ছাতক দোয়ারাবাজারের উন্নয়ন বাধার একটিই কারণ সঠিক নেতৃত্ব। আগামীতে আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোটদিন। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের আহবায়ক ও লক্ষিপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক জহিরুল ইসলাম (জহির) দোয়ারাবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও দোহালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামীমুল ইসলাম শামীম, ছাতক উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আজমল হোসেন সজল, নোয়ারাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেওয়ান পীর আব্দুল খালেক রাজা, ছাতক সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান

    সাইফুল ইসলাম, সুরমা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

  • তেলিয়ানীর পাড় দাখিল মাদ্রাসায় গোপন নিয়োগের অভিযোগ

    তেলিয়ানীর পাড় দাখিল মাদ্রাসায় গোপন নিয়োগের অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    নাগেশ্বরীতে তেলিয়ানীর পাড় জান্নাতুন ফাতেহা দাখিল মাদ্রাসার নেই মঞ্জুরী এবং বড়বাড়ি দাখিল মাদরাসার ইনড্রেক ও মোবাইল নম্বর কৌশলে ব্যবহার করে অতি-গোপনে সুপার, আয়া ও নিরাপত্তা কর্মী (তিন পদে) নিয়োগ দেয়ার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ বাহের আলীর বিরুদ্ধে। এদিকে ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে কুড়িগ্রাম কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে। কাজী আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সুপার ও সভাপতি আব্দুল হাই এর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

    লিখিত অভিযোগ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের তেলিয়ানীর পাড় জান্নাতুন ফাতেহা দাখিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ বাহের আলী মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের নীতিমালা অমান্য করে নাগেশ্বরী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুল ইসলামের সাথে যোগসাজশ করে সুপার, আয়া ও নিরাপত্তা কর্মী (তিন পদে) অতি-গোপনে নিয়োগ পরীক্ষার পায়তারার অভিযোগ উঠেছে। অথচ তেলিয়ানীর পাড় দাখিল মাদ্রাসার নেই মঞ্জুরী তারপরেও বড়বাড়ি দাখিল মাদরাসার ইনড্রেক ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে কৌশলে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (দাখিল ও এবতেদায়ী মাদ্রাসা) মোঃ সাখাওয়াত হোসেন কে অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে শূন্য তিন পদে নিয়োগ পরীক্ষার অনুমতি নেয়। এদিকে আগামী (৩নভেম্বর ২০২৩খ্রিঃ) শুক্রবার তিন পদে নিয়োগ পরীক্ষার অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিজির প্রতিনিধি যুগ্ন সচিব ও প্রকল্প পরিচালক মোঃ হানিফ উদ্দিন। অভিযোগ রয়েছে ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ বাহের আলী মাদ্রাসায় অনিয়ম করার কারণে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর তার বেতন বন্ধ করেন। নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রার্থী সুপার পদে মোল্লাপাড়া দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার আমিনুল ইসলাম ও আয়া পদে তেলিয়ানীর পাড় এলাকার হাবিবুর রহমানের স্ত্রী মোছাঃ জোহরা বেগম ও নিরাপত্তা কর্মী পদে ভারপ্রাপ্ত সুপার বাহের আলীর শ্যালক ও আনোয়ার হোসেনের ছেলে মামুন মিয়া কে নিয়োগ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এদিকে ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে কুড়িগ্রাম কোর্টে মামলা চলমান রয়েছে। উক্ত তিন পদে নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ না হলে মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ ধ্বংস হবে এবং আরো মামলা হতে পারে।

    তেলিয়ানীর পাড় এলাকার লুৎফর রহমান, কাজী আমজাদ হোসেন, মেছের আলী, সিরাজুল ইসলামসহ অনেক বলেন, মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার বাহের আলীর অনিয়মে মাদ্রাসার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ভারপ্রাপ্ত সুপার বাহের আলী অতি গোপনে পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করে অবৈধভাবে সুপার, আয়া ও নিরাপত্তা কর্মী (তিন পদে) নিয়োগ পরীক্ষার পায়তারা করছে। নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রার্থী সুপার পদে আমিনুল ইসলাম ও আয়া পদে হাবিবুর রহমানের স্ত্রী মোছাঃ জোহরা বেগম ও নিরাপত্তা কর্মী পদে ভারপ্রাপ্ত সুপার বাহের আলীর শ্যালক মামুন মিয়া কে নিয়োগ দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট উধ্বতর্ন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

    তেলিয়ানীর পাড় জান্নাতুন ফাতেহা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি আব্দুল হাই বলেন, এসব বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত সুপার বাহের আলীর সাথে যোগাযোগ করেন।

    তেলিয়ানীর পাড় জান্নাতুন ফাতেহা দাখিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মোঃ বাহের আলী গোপনে নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি বাড়ীর জমি বন্ধক রেখে দেড় লাখ টাকার বিনিময়ে মঞ্জুরী নবায়নের জন্য আবেদন করেছি তবে এখনো মঞ্জুরীর কাগজ পাইনি। নিয়োগ পার করতে অনেক টাকা খরচ হয়েছে। নিউজ না করার জন্য অনুরোধ করেন। আমি আপনাদের সাথে কথা বলবো।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    নাগেশ্বরী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুল ইসলাম বলেন, নিয়োগের বিষয়ে আমি জানি না। ডিজির প্রতিনিধির কাগজ দেখালে তিনি বলেন, সংবাদ প্রচার করার প্রয়োজন নেই। আমি সুপার কে বলবো তিনি দেখা করবেন।

    মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, গোপন নিয়োগ কার্যক্রম কোনভাবেই হবে না। অভিযোগ পেলে তদন্ত পুর্বক যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংবাদ প্রচার করেন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • মোরেলগঞ্জে জামায়াত বিএনপির ৪ জন গ্রে*ফতার

    মোরেলগঞ্জে জামায়াত বিএনপির ৪ জন গ্রে*ফতার

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির. বাগেরহাট:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে বিএনপির জামায়াতের ৪ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার পুলিশ। এরা হচ্ছেন পৌর বিএনপির সদস্য মো. মাসুম ফকির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান রুবেল, বিএনপি নেতা বাবুল জজ ও জামায়াত কর্মী মো. আবুল বাশার। সোমবার দিবাগত রাত ২ টার দিকে পুলিশ এদেরকে নীজ নীজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।

    মঙ্গলবার বেলা ২ টার দিকে থানার ওসি মো. সাইদুর রহমান এ তথ্য জানান। তবে, তাদেরকে কোন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে তা আরও পরে জানানো যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ##

  • সাংবাদিকদের উপর অ*ত্যাচার নি*র্যাতন থেকে বিরত থাকুন-মোঃ দেলোয়ার হোসেন

    সাংবাদিকদের উপর অ*ত্যাচার নি*র্যাতন থেকে বিরত থাকুন-মোঃ দেলোয়ার হোসেন

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    সাংবাদিক হলো সকল রাজনৈতিক দলের জন্য আয়না, তাদের কাজ হলো যখন যেখানে যে অবস্থানে ভালো মন্দ ঘটনা ঘটবে তাই তুলে ধরবে।
    ১)) রাজনৈতিক দলের নেতারা নিজেকে বড় নেতা বানানোর জন্য সাংবাদিক এর প্রয়োজন।
    ২)) সরকারের ভালো মন্দ দুর্নীতি অপকর্মের চিত্র জাতির সামনে তুলে ধরতে প্রয়োজন।
    ৩)) সমাজের যেই কোন সমস্যা সমাধান এর লক্ষে অনেকেই কোথাও কোন সুবিচার না পেলে সাংবাদিকদের দারস্থ হয়।
    ৪)) পুলিশের ভালো কাজের প্রচার করার মাধ্যমই হলো সাংবাদিক।
    ৫)) প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাদের সকল ধরনের সুনাম জনগণের কাছে পৌছানোর জন্য সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
    ৬)) বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা কোথাও সমস্যা পড়লে প্রথমে সাংবাদিক দের সহযোগিতা নেন।
    ৭)) রাস্ট্রের গ্রুরুত্বপূর্ন প্রোগ্রাম গুলো দেশী বিদেশি সকল স্তরের কাছে পৌছানোর জন্য সাংবাদিক প্রয়োজন।
    ৮)) সমাজে জোর জুলুম, চাঁদাবাজি, মাস্তানি, মাদকদ্রব্য ব্যবসায়ী,দখলবাজ, ভূমিদূশ্য, নারী ব্যবসায়ী অবৈধ ব্যবসায়ী এমন দুর্নীতি অপকর্মে যারা লিপ্ত তাদের কাছে সাংবাদিক মানে হলুদ সাংবাদিক, ভূয়া সাংবাদিক, অপ-সাংবাদিকতা, সবচেয়ে খারাপ লোক হয় সাংবাদিক।
    ৯)) একজন ভালো লোক সাংবাদিক ধারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন সংখ্যা কত খানিক পাওয়া যাবে?
    ১০)) সাংবাদিক দেশের উন্নয়ন কাজের দাহক ও বাহক, প্রতিটা ভালো কাজ জাতির কাছে পৌছানোর জন্য সাংবাদিক এর ভূমিকা অতুলনীয়। পাশাপাশি খারাপ কাজ গুলো প্রশাসনের সামনে তুলে ধরার একমাত্র মাধ্যম সাংবাদিক।
    ১১)) সর্বশেষ সাংবাদিক জাতির বিবেক,রাস্ট্রের উন্নয়নের ক্ষেত্রে জোরালো নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখে, সাংবাদিক একটি জাতির জন্য আয়না স্বরুপ কাজ করে। সরকারী দল,বিরোধী দল তাদের কাছে দুটোই সমান। তাই সকল রাজনৈতিক দলের নেতাদেরকে বলছি। সাংবাদিক দের কে সহযোগিতা করুন,তাদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করুন, আপনাদের থেকে সুদৃষ্টি আসা করছি।
    এতগুনে গুনায়ীত হওয়ার পর আজ আমাদের সাংবাদিকরা সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত অত্যাচারিত নিপিড়ীত হচ্ছে। ২৮ শে অক্টোবর ২০২৩ আমাদের সাংবাদিকরা
    পেশাগত দায়িত্বপালন করতে গিয়ে দৈনিক ইত্তেফাক, সময় টিভি, একুশে টেলিভিশন যমুনা টিভি ও কালবেলাসহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমের সহকর্মীরা দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত হয়েছেন, আহমেদ ফয়েজ, বাংলা ট্রিবিউনের প্রধান প্রতিবেদক সালমান তারেক শাকিল, ফটো সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন ও নিজস্ব প্রতিবেদক জোবায়ের আহমেদ, দৈনিক কালবেলার প্রতিবেদক রাফসান জানি, আবু সালেহ মুসা, রবিউল ইসলাম রুবেল এবং তৌহিদুল ইসলাম তারেক, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদক সালেকিন তারিন, ব্রেকিং নিউজের ক্রাইম রিপোর্টার কাজী ইহসান বিন দিদার, দৈনিক ইনকিলাবের ফটোসাংবাদিক এফ এ মাসুম, দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়ার রিপোর্টার তানভীর আহাম্মেদ, একুশে টিভির রিপোর্টার তৌহিদুর রহমান ও ক্যামেরা পারসন আরিফুর রহমান, দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার সাংবাদিক আরিফুর রহমান রাব্বি, ইত্তেফাকের সাংবাদিক শেখ নাছের ও ফ্রিল্যান্সার মারুফ। DPC বাংলা TV এর বিশেষ প্রতিনিধি ইদি আমিন এ্যাপেলো, আঃ সালাম মিন্টু, মিজানুর রহমান, দৈনিক মুক্ত খবর পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার সুজন মাহমুদ, জেটিভির ফটো সাংবাদিক রুবিনা শেখ, খোকা, সিনিয়র রিপোর্টার রবি তাজ, দেশ রূপান্তর পত্রিকার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আরিফুর রহমান রাব্বি, সংবাদ সংস্থা এএফপির প্রতিবেদক মুহাম্মদ আলী মাজেদ, শেয়ার বিজের প্রতিবেদক হামিদুর রহমান, ঢাকা টাইমসের প্রতিবেদক সিরাজুম সালেকীন, ব্রেকিং নিউজের অপরাধবিষয়ক প্রতিবেদক কাজী ইহসান বিন দিদার ও আহসান হাবিব সবুজ, একুশে টিভির প্রতিবেদক তৌহিদুর রহমান ও ক্যামেরা পারসন আরিফুর রহমান, দৈনিক ইত্তেফাকের মাল্টিমিডিয়ার রিপোর্টার তানভীর আহাম্মেদ ও শেখ নাসির, দৈনিক ইনকিলাবের ফটোসাংবাদিক এফ এ মাসুম, গ্রীন টিভির বিশেষ প্রতিনিধি রুদ্র সাইফুল্লাহ ও ক্যামেরাম্যান আরজু, ভোরের কাগজের ফটো সাংবাদিক মাসুদ পারভেজ আনিস, নুরুজ্জামান শাহাদাৎ ও ক্যামেরাপার্সন আরিফুল ইসলাম পনি, কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ ফটো সাংবাদিক শেখ হাসান ও ফটো সাংবাদিক লুৎফর রহমান, দ্য রিপোর্ট ডট লাইভের ভিডিও জার্নালিস্ট তাহির জামান প্রিয়, বাংলানিউজের জাফর আহমেদ এবং ফ্রিল্যান্সার মারুফ।
    এদিকে, পেশাগত কাজে দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে), ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে), বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)
    ঢাকা প্রেসক্লাব, মিরপুর প্রেসক্লাব, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অরগানাইজেশান, আর জি এফ, খিলগাঁও প্রেসক্লাব, এনপিএস, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল ক্লাব, বাংলাদেশ প্রেসক্লাবসহ সাংবাদিক সংগঠনগুলো। পাশাপাশি এ ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন সংগঠনগুলো।
    ঢাকা প্রেসক্লাব এর সাধারণ সম্পাদক মো দেলোয়ার হোসেনসকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন সাংবাদিক দের কে সহযোগিতা করুন, তাদের কাজে সহযোগিতা করুন, তাদের বিপদে এগিয়ে আসুন, সাংবাদিক আপনাদের সকলের জন্য প্রয়োজনীয় ঔষুধ।
    সাংবাদিকদের উপর অতাচার নির্যাতন, কুদৃষ্টি
    অবমূল্যায়ন, থেকে বিরত থাকুন। সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীকে অনুরোধ করছি যেকোনো আন্দোলন, যেকোনো কাজে সাংবাদিক দের কে সহযোগিতা করুন। দেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করুন।

  • বিরামপুরে আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    বিরামপুরে আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    বিএনপি-জামায়াত, শিবির সমাবেশের নামে নৈরাজ্য, নৃশংসতা, পুলিশ, সাংবাদিক হত্যা, পুলিশ হাসপাতাল ও প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা এবং জ্বালাও পোড়াও এর প্রতিবাদে ও অযৌক্তিক হরতাল এবং অবরোধ প্রতিরোধে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে ‘শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বিরামপুর উপজেলার ঢাকামোড় থেকে একটি মিছিল শহরের প্রধান সড়ক ঘুরে এসে একইস্থানে সমাবেশ করে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজুর সভাপতিত্বে, সমাবেশে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলতাফুজ্জামান মিতা।

    জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রুহুল আমীন সরদারের সঞ্চালনায়
    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রায়হান কবির সোহাগ, দপ্তর সম্পাদক মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক সৈয়দ সালাউদ্দিন দিলিপ ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ সহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

  • উজিরপুরে জনসম্মুখে লা*ঞ্ছিত এক শিক্ষক

    উজিরপুরে জনসম্মুখে লা*ঞ্ছিত এক শিক্ষক

    জুনায়েদ খান সিয়াম,
    উজিরপুর (বরিশাল) প্রতিবেদকঃ
    উজিরপুরে জনসম্মুখে এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেছেন উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক মো: রবিউল তালুকদার। গত ৩০ অক্টোবার সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে স্কুল ছুটি শেষে রামেরকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: ইউসুফ আলী হাওলাদার অন্য শিক্ষদের সাথে বাড়িতে ফেরার পথে বিদ্যালয়ের গেট সংলগ্ন মন্টু মিয়ার চায়ের দোকানের পাশে সড়কের মধ্যে প্রকাশ্যে তাকে লাঞ্ছিত করেন রামেরকাঠী গ্রামের ছত্তার তালুকদারের পুত্র উজিরপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারন সম্পাদক রবিউল তালুকদার (৪০)। এ ঘটনায় শিক্ষক ইউসুফ হাওলাদার বাদী হয়ে নিজের জীবনের নিরাপত্তায় চেয়ে অভিযুক্ত রবিউল তালুকদারের বিরুদ্ধে উজিরপুর মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী (জিডি) করেছেন। শিক্ষক ইউসুফ আলী হাওলাদার অভিযোগ করেন, রবিউলের বাবা ছত্তার ভালুকদার ইতিপূর্বে ওই (রামেরকাঠী) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তার বাবার স্থলে সুখেন্দু শেখর বৈদ্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করছেন সে কারনে রবিউল নানা সময় বিদ্যলয় নিয়ে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছেন গত ১৯ অক্টোবর বিদ্যালয়ের সামগ্রীক বিষয় নিয়ে স্থানীয় জনসাধারন ও অভিবাভকদের সাথে মত বিনেময় সভা ডাকা হলে ওই সভায় তাকে (রবিউল) কে যথাযথ সম্মান না করার অভিযোগ তুলে শিক্ষক ইউসুফ হাওলাদারকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সুখেন্দু শেখর বলেন রবিউল তালুকদার ও তার বাহিনী বিদ্যালয় নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে নানা ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করে আসছেন এবার সে শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করেছেন।

    অভিযুক্ত সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রবিউল তালুকদারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ওই শিক্ষককে আমি চাকুরি দিয়েছি সে এখন জামাতের প্রচার করে সে কারনে আমি কালকে তাকে আমি জিজ্ঞাসা করেছি, আমি রামেরকাঠী ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিচ্ছি তাকে আমি জিজ্ঞাসা করলে সমস্যা কোথায় ? উজিরপুর মডেল থানার ওসি মো: জাফর আহম্মেদ বলেন রামেরকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক একটি জিডি করেছেন বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

  • ঢাকার গাজীপুরে গু*লিবিদ্ধ গার্মেন্টস শ্রমিক রাসেলের ঝালকাঠি  বাড়িতে শোকের মাতম

    ঢাকার গাজীপুরে গু*লিবিদ্ধ গার্মেন্টস শ্রমিক রাসেলের ঝালকাঠি বাড়িতে শোকের মাতম

    রিপোর্ট : ইমাম বিমান

    ঢাকার গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত
    ডিজাইন এক্সপোর্ট গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীর বিদ্যুৎ মিস্ত্রী রাসেল হাওলাদার (২২) এর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। ঝালকাঠি জেলার সদর উপজেলাধীন উত্তরমানপাশা গ্রামে রাসেলের মৃত্যুতে শোকাহত গ্রামের মানুষ। আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠেছে স্বজনদের কান্না আর আহাজারিতে।

    গত ৩০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১২ টার দিকে রাসেলের গুলিবিদ্ধ হবার খবর জানতে পারে পরিবারের সবাই। রাসেলের বেতনের টাকায় যে সংসার ও ছোট ভাইয়ের পড়াশুনার খরচ চলত সেই সন্তান ও ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদে পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পরেছে। রাসেলের একমাত্র আশা ছিল সামান্য বেতনের টাকা জমিয়ে বাড়িতে নিজেদের একটি ঘর করার। নিহত রাসেলের গুলিবিদ্ধ হবার আগে তার সাথে থাকা কোম্পানীর অপর বিদ্যুৎ মিস্ত্রী মো. সুফিয়ান বলেন, আমরা বাসার যাবার সময় খোলা মাঠের মাঝে আসার সাথে সাথে পুলিশের গুলিতে রাসেল গুলিবিদ্ধ হয়। প্রথম গুলিটি ওর বুকের ডান পাশে দ্বিতীয় গুলি হাতে লাগে। তখন ও বাবা মা বলে চিৎকার করে অজ্ঞান হয়। আমি তখন ওকে নিয়ে টঙ্গি হাসপাতালে নিয়ে যাই। যাবার পথেই ও মারা যায়।

    কথা হয় রাসেলের বাবা মো. হান্নান হাওলাদারের সাথে। তিনি তার সন্তানের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি কাঠ বিক্রির ছোট ব্যবসা করি। আমার ২ ছেলে, ১ মেয়ে। মেয়ের বিয়ে হয়েছে। রাসেল বড়। ছোট ছেলে নাইম হাওলাদার এবার এইচএসসিতে বিনয়কাঠি কলেজে পড়া শুনা করে। ওর পড়াশুনা
    এবং সংসারের খরচ বহন করত রাসেল। কত টাকা বেতন পায় কোন দিন জানতে চাইনি। রাসেলের সাথে আমার শেষ কথা হয় ২৯ অক্টোবর রাতে। টাকার অভাবে এইচএসসি পাশ করার পর আর পড়াতে পারি নাই। তাই এই কোম্পানীতে কাজ পেয়ে ঢাকায় চলে যায় ৮ বছর আগে। ওর জীবনের একটা স্বপ্নই ছিল। সেটা হলো আমাদের ভাড়া বাড়ি থেকে নিয়ে নিজস্ব জমিতে টিনশেড ঘরে নিয়ে যাবে। আমার স্বচ্ছলতা থাকলে ওকে আমি এই চাকরী করতে দিতামনা। কিন্তু আজকের সে নিরপরাধ হয়েও পুলিশের গুলিতে মারা যাওয়ায় আমি এর ন্যায় বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করছি সরকারের কাছে।

    নিহত রাসেলের মা রাশিদা বেগম বলেন, আমাকে বাবায় বলছে মা আমি ডিসেম্বরে আসব। তোমার জন্য কি আনব জানাবা। আমি বলছি তুমি সহিসালামতে ফিরে আসো। এইডাই আমি চাই আল্লাহর কাছে। একমাত্র বোন মিম আক্তার সব সময় ভাইয়ের খোজ খবর নেয়ার কথা জানিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন। বলেন ভাই আমাকে আর কোনদিন ফোন করবেনা।

  • বিরামপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ

    বিরামপুরে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার-বীজ বিতরণ

    জাকিরুল ইসলাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:

    দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রবি মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় গম, সরিষা, ভুট্টা, শীতকালীন পেঁয়াজ, মুগ এবং চিনাবাদাম উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৩ হাজার ৭শ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুজহাত তাসনীম আওনের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিতরন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ।

    এসময় উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান উম্মে কুলছুম বানু, উপজেলা মৎস‍্য কর্মকর্তা কাউসার হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস, প্রেসক্লাব সভাপতি মোরশেদ মানিকসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও উপকারভোগী কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

    মো. জাকিরুল ইসলাম জাকির
    বিরামপুর, দিনাজপুর।

  • নাট-বোল্ট ছাড়া  ব্রিটিশ আমলে তৈরী ভারতের হাওড়া ব্রীজ

    নাট-বোল্ট ছাড়া ব্রিটিশ আমলে তৈরী ভারতের হাওড়া ব্রীজ

    হাওড়া ব্রীজ এলাকা থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ পুরনো হওড়া ব্রিজের নকশা বানিয়েছিলেন ব্র্যাডফোর্ড লেসলি। ব্রিটিশ শাসনে রেল কোম্পানির খ্যাতনামা কারিগর। ভারতের বহু বড় রেলসেতুর নকশা তিনিই বানিয়েছিলেন। যেমন, ব্যান্ডেল ও নৈহাটির মধ্যে জুবিলি ব্রিজ। কলকাতার একটি আইকনিক ল্যান্ডমার্ক, হাওড়া ব্রিজ হুগলি নদীর উপর একটি বিশাল ইস্পাত সেতু। এটিকে বিশ্বের দীর্ঘতম ক্যান্টিলিভার সেতু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রবীন্দ্র সেতু নামেও পরিচিত, এটি হাওড়া এবং কলকাতাকে সংযুক্ত করে। এটি প্রতিদিন ১ লাখ যানবাহন এবং অগণিত পথচারী বহন করে। নাট-বোল্ট ছাড়াই ব্রিটিশ আমলে তৈরি এই সেতু আজও কলকাতার গর্ব

    কলকাতা প্রবেশ দ্বার বললে আজও সবাই হাওড়া ব্রিজকেই ধরে। কলকাতার গর্ব হাওড়া ব্রিজ। হুগলি নদীর উপর অবস্থিত কলকাতা এবং হাওড়া শহরের মধ্যে সংযোগরক্ষাকারী সেতুগুলির মধ্যে অন্যতম। কলকাতার অতীত ইতিহাসের নানা গল্পের সাক্ষী হয়ে ইংরেজদের তৈরি হাওড়া ব্রিজ আজ আদ্যোপান্ত বাঙালি।

    হুগলি নদীর উপর অবস্থিত কলকাতা এবং হাওড়া শহরের মধ্যে সংযোগরক্ষাকারী সেতুগুলির মধ্যে অন্যতম। ১৮৭৪ সালে প্রথম হাওড়া সেতু নির্মিত হয়। পরে ১৯৪৫ সালে পুরনো সেতুটির বদলে বর্তমান বহির্বাহু সেতুটির উদ্বোধন হয়। ১৯৬৫ সালের ১৪ জুন সেতুটির নাম পরিবর্তন করে হয় রবীন্দ্র সেতু। রবীন্দ্র সেতু বঙ্গোপসাগরীয় প্রবল ঝড়ঝঞ্ঝা সহ্য করতে সক্ষম। এই সেতু দিয়ে দৈনিক ১ লাখ যানবাহন এবং প্রায় ১০ লক্ষ পথচারী চলাচল করেন। এই জাতীয় সেতুগুলির মধ্যে রবীন্দ্র সেতু বিশ্বে ষষ্ঠ বৃহত্তম।
    নিজেদের বাণিজ্যিক সুবিধার স্বার্থেই হাওড়া ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল ইংরেজরা। প্রথমে তা ব্যবহার করা হত বাণিজ্যিক কারণেই। মালবাহী গাড়ি যাতায়াত করত সেতু দিয়ে। সেই সময় গঙ্গা নদীতে জাহাজ স্টিমারের যানজট ইংরেজ ব্যবসায়ীদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সেই সমস্যা মেটাতেই গঙ্গার উপরে সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা। কলকাতার অতীত ইতিহাসের নানা গল্পের সাক্ষী হয়ে ইংরেজদের তৈরি হাওড়া ব্রিজ আজ আদ্যোপান্ত বাঙালি।

    হাওড়া ব্রিজ হুগলি নদীর উপর অবস্থিত বড় খিলানযুক্ত একটি ঝুলন্ত সেতু। প্রথমে সেতুটির নাম ছিল নিউ হাওড়া ব্রিজ। কারণ আগে একই স্থানে অবস্থিত কলকাতা এবং হাওড়া জেলার মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী একটি ভাসমান সেতু ছিল। সেই সেতুর পরিবর্তেই এই নতুন সেতু নির্মাণ করা হয়৷ নাম রাখা হয় নিউ হাওড়া ব্রিজ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামানুসারে ১৯৬৫ সালে সেতুটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রবীন্দ্র সেতু। ( photo credit : unsplash.com)

    ​ব্রিটিশ আমলে নির্মাণ -সেতু নির্মাণের ভাবনা শুরু হয়েছিল সেই ইংরেজ আমলে। তখন সালটা ১৮৫৫-৫৬। সেতু নির্মাণের জন্য একটি কমিটিও তৈরি হয়। কারণ, তত দিনে গঙ্গার দুই পাড়েই জাঁকিয়ে বসে ইংরেজদের কারবার। তৈরি হয়েছিল নতুন নতুন কারখানা। তাই হাওড়া-কলকাতার জন্য একটি সেতুর দরকার পড়ে। সেতু কমিটিতে এই নিয়ে আলোচনা শুরু হলেও কোনও এক অজ্ঞাত কারণে বছর চারেক পর ১৮৫৯-৬০ সালে সেতু নির্মাণের প্রস্তাব ঠান্ডা ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

    ​১৯ বছর পর বাস্তবায়ন- এর পর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। অবশেষে সেতুর প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব বুঝে ১৮৭১ সালে তৈরি হয় একটি ট্রাস্ট। সেই ট্রাস্টের অধীনেই হাওড়ার প্রথম ভাসমান সেতু নির্মাণের ভার দেওয়া হয়। নদীর ওপর ছিল পন্টুন ব্রিজ বা ভাসমান সেতু। নীচে নৌকা। উপরে পাটাতন। মাঝ বরাবর খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা। জাহাজ-স্টিমার চলাচলের জন্য সেতুর মাঝখানে ২০০ ফিট খুলে দেওয়া যেত। স্টিমার এলেই সেতু বন্ধ। ১৮৭৪ সালে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় সেই সেতু। অর্থাৎ ১৮৫৫ সালে ব্রিটিশ প্রশাসন যা পরিকল্পনা করেছিল, তা রূপায়িত হয় ১৯ বছর পর।
    ​সাড়ে ২৩ হাজার টন ইস্পাতের ব্যবহার –
    শুনতে অদ্ভুত লাগলেও সুবিশাল হাওড়া ব্রিজটি তৈরি করতে একটি নাট-বল্টু ব্যবহৃত হয়নি। ইস্পাতের পাত উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে জুড়ে এই সেতু তৈরি হয়েছে। সেতু নির্মাণে সাড়ে ২৩ হাজার টন ইস্পাত দিয়েছিল টাটা আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি। এই সেতুই সম্ভবত ভারতের প্রথম মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্প।।কলকাতার অন্যতম দর্শনীয় স্থান হল হাওড়া ব্রিজ চত্বর। আদি কলকাতার স্বাদ পেতে গেলে একবার না একবার এই এলাকায় আপনাকে আসতেই হবে। ব্রিজের উপরে উঠে গঙ্গার দৃশ্য ভোলার নয়। হাওড়ার দিক থেকে হোক অথবা কলকাতার দিক থেকে, হাওড়া ব্রিজকেও দেখতে অসাধারণ লাগে। ইংরেজ আমলে তৈরি হলেও এই ব্রিজটি ভারতীয়ত্বের প্রতীক। ৭৫ বছর পেরিয়েও এটি দেশের অন্যতম পরিচিত একটি সৃষ্টি। হাওড়া ব্রিজ নিয়ে অজানা এই তথ্যগুলি সমস্ত পশ্চিমবঙ্গবাসীর জানা প্রয়োজন।

    নাট-বোল্ট ছাড়া ব্রিজঃ
    হাওড়া ব্রিজের মতো সুবিশাল ব্রিজ তৈরিতে একটিও নাট-বোল্ট লাগাতে হয়নি। মেটাল প্লেটগুলিকে এমনভাবে বসিয়ে চেপে দেওয়া হয়েছে যাতে কোনও নাট-বোল্ট ও স্ক্রু ছাড়াই এত বড় ব্রিজ সফলভাবে জুড়ে দেওয়া গিয়েছে।
    ব্রিজের অভিনবত্ব
    হাওড়া ব্রিজের ছবি ভালো করে দেখলে দেখবেন, কোনও পিলার বা স্তম্ভ ছাড়াই ব্রিজটি দাঁড়িয়ে রয়েছে। এটিকে বলা হয় সাসপেন্ডেড-টাইপ ব্যালান্সড কান্টিলিভার ব্রিজ।
    পুরানো ব্রিজঃনতুন ব্রিজটির বয়স সাত দশকের বেশি হয়ে গেলেও এটিকে নতুন হাওড়া ব্রিজ বলে ডাকা হয়। তার কারণ, এই জায়গায় আগে আর একটি ব্রিজ ছিল। তার নাম, পুন্টুন ব্রিজ। সেটি তৈরি হয়েছিল ১৮৭৪ সালে। সেই ব্রিজের সীমিত ধারণ ক্ষমতা ছিল।

    নতুন হাওড়া ব্রিজঃকলকাতা, সুতানূটি ও গোবিন্দপুর নিয়ে তৈরি কলকাতা তখন ঝড়ের গতিতে কলেবরে বাড়ছে। অন্যদিকে হাওড়া হল কমার্শিয়াল হাব। দুটি গঙ্গাপাড়ের এলাকাকে জুড়ে দেওয়ার আশু প্রয়োজন ছিল। ১৯০৬ সালে হাওড়া স্টেশন তৈরি হওয়ার পরে সেই চাহিদা আরও বেড়ে যায়। তাই নতুন ব্রিজ তৈরির জন্য পরিকল্পনা শুরু হয়ে যায়।
    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ধাক্কাঃ উনিশ শতকের শেষদিকে পুরনো পুন্টুন ব্রিজ সরিয়ে নতুন ব্রিজ তৈরির প্রস্তাব সামনে আসে। তবে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলে তা থেমে যায়। ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে পুরনো পুন্টুন ব্রিজ সারাই হয়। শেষপর্যন্ত ১৯৪৩ সালে নতুন হাওড়া ব্রিজের পথ চলা শুরু হয়। বিশ্বযুদ্ধের কারণে বারবার থমকে গিয়েছিল ব্রিজ তৈরির কাজ।
    কোনও উদ্বোধন হয়নিঃ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাঝেই ১৯৪২ সালে হাওড়া ব্রিজ তৈরির কাজ শেষ হয়েছিল। এবং ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিজটি জনগণের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হয়। তবে এই বিষয়টিকে সারা বিশ্বের সামনে গোপন রাখা হয়েছিল। কারণ ইতিমধ্যে জাপান পার্ল হারবারে বোমা ফেলেছিল। এই ব্রিজের কথা জানলে যদি এটিকেও টার্গেট করা হয়, সেই ভেবেই ঘটা করে উদ্বোধন না করে ব্রিজটি খুলে দেওয়া হয়।

    ভারতের অবদান-ব্রিটিশ ভারতে কোনও কিছু তৈরি করতে হলে শুধু কাঁচামাল নয়, পুরো তৈরি প্রোডাক্টই জাহাজে চাপিয়ে ভারতে আনা হতো। তারপর এখানে এনে জুড়ে দেওয়া হতো। ব্রিজের সরঞ্জাম ইংল্যান্ড থেকে কলকাতা আসার কথা ছিল। সেজন্য প্রয়োজন ছিল ২৬ হাজার টন স্টিল। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলায় সেই জাহাজ ঘুরিয়ে নেওয়া হয়। মাত্র তিন হাজার টন কাঁচামাল ইংল্যান্ড থেকে সাপ্লাই হয়েছিল। বাকী ২৩ হাজার টন কাঁচামাল বা স্টিল সরবরাহ করেছিল ভারতের টাটা স্টিল কোম্পানি। এমনকী নতুন ব্রিজ তৈরির সময়ে স্থানীয় ইঞ্জিনিয়ারদের সাহায্যেই কাজ হয়েছিল।
    ট্রাম চলাচলঃ হাওড়া ব্রিজে প্রতিদিন লাখো লোক হেঁটে অথবা গাড়ি-বাসে যাতায়াত করেন। তবে ব্রিজ তৈরি হওয়ার পর প্রথম যুগে কলকাতা ও হাওড়ার দুদিক থেকেই লোককে পার করার জন্য ট্রাম ব্রিজের উপরে চলাচল করত। বস্তুত, প্রথম যে গাড়িটি ব্রিজে চলেছিল সেটি ট্রামই ছিল। তবে বাড়তে থাকা ট্রাফিকের চাপে ১৯৯৩ সালে ট্রাম চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

    হাওড়া ব্রিজের রেকর্ডঃ যখন তৈরি হয় তখন এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম ছিল। বর্তমানে এটি বিশ্বের ষষ্ঠ দীর্ঘতম কান্টিলিভার ব্রিজ। দৈর্ঘ্যে ব্রিজটি ৭০৫ মিটার লম্বা ও চওড়ায় ৭১ ফুট। সঙ্গে পথচারীদের জন্য ১৪ ফুট চওড়া ফুটপাথ দুদিকে।

    রবীন্দ্র সেতঃ ভারতের সমস্ত এলাকা ও সৌধের নাম কোনও না কোনও বিখ্যাত মানুষের নামে দেওয়া। ১৯৬৫ সালে এই সেতুর নামকরণ করা হয় রবীন্দ্র সেতু নামে। তবে সেই নামকে ছাপিয়ে হাওড়া ব্রিজই লোকের মুখে মুখে ঘোরে।
    সবচেয়ে ব্যস্ততম ব্রিজঃ হাওড়া ব্রিজ সম্ভবত বিশ্বের ব্যস্ততম কান্টিলিভার ব্রিজ। দিনে ১ লক্ষ গাড়ি-ঘোড়া ও দেড় লক্ষ মানুষ হেঁটে এই ব্রিজের উপর দিয়ে যাতায়াত করে। ১৯৪৬ সালে দিনে ২৭ হাজার গাড়ি, ১ লক্ষ ২১ হাজার পথচারী ও ৩ হাজার গরুর গাড়ি নবনির্মিত হাওড়া ব্রিজের উপর দিয়ে যাতায়াত করত।
    জানেন পশ্চিমবঙ্গেই রয়েছে ভারতের সবথেকে বেশি প্লাটফর্ম যুক্ত স্টেশন?
    বহু ঘটনার সাক্ষী হাওড়া ব্রিজ কেমন আছে? খোঁজ নেবে আইআইটি চেন্নাই
    দিলীপের মিছিল আটকাতে ধুন্ধুমার কাণ্ড! পুলিশের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ

    মোঃ হায়দার আলী
    হাওড়া ব্রিজ। ভারত থেকে।

  • নড়াইলে গ*লিত লা*শ উদ্ধার মামলার রহস্য পুলিশের উদঘাটন গ্রেফতার ৩

    নড়াইলে গ*লিত লা*শ উদ্ধার মামলার রহস্য পুলিশের উদঘাটন গ্রেফতার ৩

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইলে গলিত লাশ উদ্ধার মামলার রহস্য উদঘাটন গ্রেফতার তিনজন। আলমগীর হোসেন নামে এক ব্যক্তি খুলনা জেলায় এলজিইডি অফিসের একটি প্রজেক্টে অফিস সহকারী পদে চাকরি করতেন। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন মেঝ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, গত (৯ সেপ্টেম্বর) আলমগীর হোসেন লোহাগাড়া থানাধীন কুন্দসী গ্রামে মামা ও খালার বাড়িতে দুপুরে খাওয়া দাওয়া করেন। পরবর্তীতে ঐ রাত্রিতে পাচুড়িয়ায় তার চাচাতো বোন সালেহার বাড়িতে রাত্রি যাপন করেন । পরের দিন সকালে আলমগীর হোসেন তার নিজ বাড়ি কোটাকোল গ্রামে যায়। (১০ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯.৩০ মিনিটের সময় ভিকটিম আলমগীর হোসেনের বড় ভাই খায়রুজ্জামান ফকির ও তার মেয়ে দিয়া রুমে বসে টিভি দেখতেছিল, তার ছেলে ফয়সাল রুমের সামনের বারান্দায় পড়াশুনা করতেছিল এবং তার স্ত্রী কানিজ ফাতিমা(৩৫) পাশের রুমে শুয়ে ছিল। কিছুক্ষণ পর হঠাৎ খায়রুজ্জামান ফকির শব্দ শুনতে পায়। তখন পাশের রুমে যেয়ে তিনি এবং তার ছেলে ফয়সাল দেখতে পান যে, তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ভিকটিম মোঃ আলমগীর হোসেন (৫৪) এর গলা টিপে আছে। মূলত ভিকটিম আলমগীর হোসেন তার ভাই আসামি মোঃ খায়রুজ্জামান ফকির (৪৯) এর বাড়িতে যেয়ে খারাপ উদ্যেশে তার ভাই এর স্ত্রী কানিজ ফাতেমার শরীর স্পর্শ করে। যার ফলে মোঃ খায়রুজ্জামান ফকির, তার স্ত্রী কানিজ ফাতেমা ও তার ছেলে ফয়সাল একত্রিত হয়ে ভিকটিম আলমগীর হোসেনকে গলা টিপে হত্যা করে। পরে আসামিরা লাশ গোপন করার জন্য রাতের অন্ধকারে নৌকায় করে নিয়ে পাশে বিলের মাঝে ফেলে দেয়। পরে (১২ সেপ্টেম্বর) অজ্ঞাতনামা অর্ধগলিত লাশ উলঙ্গ অবস্থায় বিলের মাঝ হতে লোহাগাড়া থানা পুলিশ উদ্ধার করে । এরপর লোহাগড়া থানা পুলিশ জিডিমূলে অজ্ঞাতনামা লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। পরবর্তীতে লাশের পরিচয় পাওয়া গেলে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের ভাই মোঃ কামরুজ্জামান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের নামে একটি হত্যা মামলা রুজু করেন। নড়াইল সদর হাসপাতাল ভিকটিমের ভিসেরা রিপোর্টের জন্য আলামত মহাখালী, ঢাকায় প্রেরণ করেন। সুদীর্ঘ সাত মাস পর ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়া যায়। মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই কে এম তৌফিক আহমেদ টিপু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখেন যে, ভিকটিমকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়েছে।

    নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন নির্দেশনায় তদন্তকারী অফিসার ভিকটিম আলমগীর হোসেনের চলাফেরা এবং তার মারা যাওয়ার আগের অবস্থান বিশ্লেষণ করেন। এছাড়া ভিকটিম আলমগীর হোসেনের নিকট আত্মীয় স্বজনদের উপর নজরদারি করা হয়। লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ)কে এম তৌফিক আহমেদ টিপু সঙ্গীয় ফোর্সসহ বিশেষ অভিযান চালিয়ে লোহাগড়া থানাধীন কোটাকোল ইউনিয়নের কোটাকোল লঞ্চঘাট এলাকা থেকে (২৮ অক্টোবর) রাতে মোঃ আলমগীর হোসেন (৫৪) হত্যা মামলায় জড়িত আসামি তার ভাই মোঃ খায়রুজ্জামান ফকির (৪৯) ও তার স্ত্রী কানিজ ফাতিমা (৩৫) দ্বয়কে গ্রেফতার করে। অদ্য ২৯ অক্টোবর ২০২৩ খ্রি: হত্যাকান্ড এবং লাশ গুমের সাথে জড়িত আসামি ইয়ার আলী সরকারকে গ্রেফতার করে লোহাগড়া থানা পুলিশ। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হলে খায়রুজ্জামান ফকির ও ইয়ার আলী ফকির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বিজ্ঞ আদলতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি প্রদান করে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।