Blog

  • যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসছেন  ড. জুলকারনাইন;  সম্বর্ধনার ব্যাপক প্রস্তুতি

    যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসছেন ড. জুলকারনাইন; সম্বর্ধনার ব্যাপক প্রস্তুতি

    মহিউদ্দীন চৌধুরী:চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও
    পটিয়া নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ,যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী টেক্সাস বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, অনুজীব বিজ্ঞানী ড. জুলকারনাইন চৌধুরী জীবন আগামী ৪ঠা নভেম্বর এমিরেটস এয়ার লাইন্সের বিমানে যুক্তরাষ্ট্র নিজ দেশে আসছেন। তিনি দুপুর ১২:৩০ টায় চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমান বন্দরে এসে পৌঁছবেন বলে নজীর আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এই আওয়ামী লীগ নেতা বিমান বন্দরে এসে পৌঁছলে এই প্রবাসী নেতাকে সর্ব সাধারণের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হবে। এই লক্ষ্যে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভায় ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া তার প্রতিষ্ঠিত মানবিক সংগঠন নজির আহমদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ও বিপুল সম্বর্ধনা দেয়া হবে।
    সংবর্ধনায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, ও মহিলা লীগে এবং জনপ্রতিনিধিরা যোগদান করবেন।

    সূত্র জানিয়েছে, আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে দলের হাইকমান্ডের গ্রীন সিগন্যাল পেযে তফসিল ঘোষনার আগেই তিনি দেশে আসছেন।বিগত দিনে দল ও এলাকার মানুষের প্রতি তার মানবিক সাহায্য দলের নীতি নির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এই কারনে তাকে দক্ষিণ জেলা
    আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির
    সদস্য করা হয়। তার ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকারিয়া ডালিম জানিয়েছেন, ড. জুলকারনাইন চৌধুরী জীবন
    টেক্সাস বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি ছাড়াও অল ইউরোপ শাখার একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন।
    উল্লেখ্য, ড. জুলকারনাইন চৌধুরী জীবন আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ছাড়াও এলাকাবাসীর অনুরোধে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নিজ সাধ্যমত জনগনের সেবায় নিয়োজিত আছি। জনপ্রতিনিধি হতে পারলে জনগনকে আরো ব্যাপক আকারে সহযোগিতা ছাড়াও এলাকার উন্নয়ন করতে পারবো।

    তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হলে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারো বিজয়ী করতে হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দলের সভানেত্রী তাকে মনোনয়ন দিলে তিনি পটিয়া আসনটি তাকে বিপুল ভোটে উপহার দিতে পারবেন। তিনি বলেন, দলের নেতা-কর্মীরা চায় তরুন নেতৃত্ব। তারা চায় পরিবর্তন। দলের মনোনয়ন না পেলেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক হিসেবে, প্রধানমন্ত্রীর একজন ক্ষুদ্র দলীয় কর্মী হিসেবে, সরকারের একজন উন্নয়নের সারথী হিসেবে তিনি দলের প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করবেন।
    উল্লেখ্য ড. জুলকারনাইন পারিবারিক ভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বড় হয়েছেন। ছাত্র জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছেন। বিগত ৫ বছর প্রবাসে থেকেও পটিয়ার মানুষের কাছে নিজকে যেভাবে মেলে ধরেছেন তাতে তার প্রতি মানুষের ভালবাসা শতগুন বেড়েছে।৷৷
    কোভিড-১৯ কালে পটিয়ার মানুষের ঘরে ঘরে খাদ্য , ঔষধ ও অক্সিজেন পৌঁছে দিয়ে যে মানবিকতা তিনি প্রদর্শণ করেছেন পটিয়ার ইতিহাসে তা অমলিন হয়ে থাকবে।

  • স্মার্ট ত্রিশাল গড়তে চান নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাড. জিয়াউল হক সবুজ

    স্মার্ট ত্রিশাল গড়তে চান নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী অ্যাড. জিয়াউল হক সবুজ

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত, সুখী সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যে ঘোষণা, তারই আলোকে ময়মনসিংহ-৭ আসনে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক,ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, দলের দুঃসময়ে রাজপথ কাঁপানো সাবেক সাহসী ছাত্রনেতা বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান এডভোকেট জিয়াউল হক সবুজ।

    তিনি ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ত্রিশালের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দড়িরামপুর নজরুল একাডেমি হাই স্কুল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ত্রিশাল শহর শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ও দুই বার জেলা ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য
    পদে দায়িত্ব পালনকারী সাবেক ছাত্রনেতা পরবর্তীতে ২০০৩থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক , ২০১২ থেকে ২০২২ পর্যন্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক পদে দায়িত্বে পালন করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ কে শক্তিশালী করতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। ২০০৪ সাল থেকে দুই মেয়াদে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তৃতীয় মেয়াদে বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বসহ উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনে
    বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসা এডভোকেট জিয়াউল হক সবুজ আগামী জাতীয় নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী।

    তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট জিয়াউল হক সবুজ বলেন, ‘পারিবারিকভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন সংগ্রাম ও দেশ গঠনের অনন্য নেতৃত্বকে রাজনৈতিক জীবনের পাথেয় করে আমি রাজনীতি করে আসছি।’

    ‘বঙ্গবন্ধু না হলে যেমন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রর সৃষ্টি হতো না, তেমনি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা না থাকলে বদলে যাওয়া আজকের বাংলাদেশও আমরা পেতাম না। টানা ১৫ বছর রাষ্ট্র পরিচালনায় পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মতো বড় বড়্য উপহার দিয়েছেন।’

    প্রাধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষিত মেধাবী নেতৃত্ব গড়ে তুলা প্রয়োজন বলে মনে করেন আইন পেশায় নিয়োজিত মেধাবী আইনজীবী জিয়াউল হক সবুজ।

    তিনি বলেন, ‘মাথাপিছু আয়, নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র নিরসন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা সামাজিক নিরাপত্তাসহ অসংখ্য ধারাবাহিক কার্যক্রমে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ আজ বাস্তব। এখন লক্ষ্য ২০৪১ সালের উন্নত, সুখী সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে।’

    জিয়াউল হক সবুজ উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম হাবিবুর রহমান মাষ্টার ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ডাকে সাড়া দিয়ে দেশ প্রেমিক হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।

    এডভোকেট জিয়াউল হক সবুজ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতীয় উন্নয়নকে কাজে লাগিয়ে স্মার্ট ত্রিশাল গড়তে চাই। বিগত ৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা লোহাগড়ার প্রতিটি ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দিয়েছি।’

    ময়মনসিংহ-৭ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী এডভোকেট জিয়াউল হক সবুজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে জনসংযোগ ও উন্নয়ন প্রচারে লিফলেট বিতরন করেছেন।

    এডভোকেট জিয়াউল হক সবুজ বলেন, ‘কোনো পদ-পদবীর জন্য নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামীর বাংলাদেশ ্য ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল শেখ হাসিনা যাতে টানা চতুর্থবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পান সেজন্য কাজ করে যাচ্ছি।

  • পাথরঘাটায় এক ঘণ্টার উপজেলা চেয়ারম্যান তাসলিমা

    পাথরঘাটায় এক ঘণ্টার উপজেলা চেয়ারম্যান তাসলিমা

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বরগুনা প্রতিনিধি,

    বরগুনার পাথরঘাটায় আন্তর্জাতিক কন্যা শিশু দিবস উপলক্ষ্যে এক ঘণ্টার জন্য পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে পাথরঘাটা হাজী জালাল উদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থী তাসলিমা।

    বুধবার বিকেল চারটার দিকে পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির প্রতীকি দায়িত্ব তুলে দেন পাথরঘাটা উপজেলা এনসিটিএফ এর সংগঠনিক সম্পাদক তাসলিমার হাতে।

    আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার হস্তান্তর করার পর প্রতীকি উপজেলা চেয়ারম্যান ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবিরকে।

    প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় ও ন্যাশনাল চিলড্রেন টাক্স ফোর্স (এনসিটিএফ) বরগুনার সদস্যদের অংশগ্রহণে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিবিডিপি এ আয়োজন করে।

    পাথরঘাটা উপজেলা এনসিটিএফ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তাইয়েবা ইসলাম নিঝুম এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রোকনুজ্জামান খান, মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিকুর রহমান, জাকির হোসেন মিরাজ নির্বাহী পরিচালক সিবিডিপি, পাথরঘাটা কে.এম. মডেল সরকারি বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জাকির হোসেন খান। এছাড়াও পাথরঘাটা উপজেলা এনসিটিএফ ভলান্টিয়ার বশির আহমেদ সিনহা সহ সকল সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    নতুন দায়িত্ব নিয়ে সে পাথরঘটাকে নারীবান্ধব উপজজেলা হিসেবে গড়তে বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং, সাইবার বুলিং, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধ, নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে কাজ করতে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এর কাছে সুপারিশমালা তুলে ধরেন।

    প্রতীকী দায়িত্ব পাওয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তাসলিমা সুপারিশগুলো আমলে নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, ‘বিশ্বে নেতৃত্ব দিচ্ছে নারীরা। নারীর অবদান দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে। আজকের তরুণ প্রজন্ম ও নারীরাই একদিন দেশের উন্নয়নে কাজ করবে। প্রতীকী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান’র সুপারিশগুলো আমরা গুরুত্বসহকারে বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করব।’

  • জ্ঞানোদয় বনবিহারে ২১তম কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত

    জ্ঞানোদয় বনবিহারে ২১তম কঠিন চীবর দানোৎসব অনুষ্ঠিত

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি

    জেলার মহালছড়ির সদর ইউনিয়নে দূরপয্যনাল গ্রামে জ্ঞানোদয় বনবিহারে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশনার মধ্যে দিয়ে নানা আনুষ্ঠানিকতায় ২১তম দানোত্তম কঠিন চীবর দান-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এসময়ে পরমপূজনীয় শ্রদ্ধেয় বনভান্তের অনুসারী রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারের ভান্তে অধ্যক্ষ শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির, জ্ঞানোদয় বনবিহারের অধ্যক্ষ সুমঙ্গল মহাস্থবির এবং মুবাছড়ি বনবিহার সহ বিভিন্ন বিহার হতে আগত ভিক্ষুগণ উপস্থিত সকল পূর্ণ্যার্থীদের থেকে ধর্মদেশনা দিয়েছেন।

    সম্মানিত অতিথি হিসেবে কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্ণেল শাহরিয়ার সাফকাত ভূইয়া, পিএসসি স্ত্রী,পুত্রসন্তানসহ মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রতন কুমার শীল ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    আজ ১লা নভেম্বরর জ্ঞানোদয় বনবিহারে এলাকায় বসবাসরত ও দূর দূরান্ত হতে আগত দায়ক দায়িকাদের আয়োজনে শুরু হয়েছে ২দিন (৩১অক্টোবর ও ১লা নভেম্বর)দিনব্যাপী কঠিন চীবর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
    কঠিন চীবর দান উপলক্ষে বনবিহারে বুদ্ধ পূজা, পঞ্চশীল গ্রহণ, সংঘদান, অষ্ট পরিষ্কার দান, পানীয় দান, কল্পতরু দানসহ সকল দানীয় বস্তু দান করেন। এসময় ধর্মীয় গুরুরা পুন্যার্থীর উদ্দেশে ধর্ম দেশনা প্রদান করেন। দায়ক দায়িকারা এসময় যে যার সাধ্যমতো প্রদীপ প্রজ্বলন, ফুল-ফল, ছোয়াইং(খাবার) প্রদান করে বৌদ্ধসহ ভান্তিদের তা দান করে। সন্ধ্যায় ভগবান বৌদ্ধের উদ্দেশ্যে আকাশে আকাশ প্রদীপ(ফানুস বাতি) উড়িয়ে দেওয়া হবে।

    উক্ত এ দানোত্তম কঠিন উপলক্ষে দূর দূরান্ত থেকে পুণ্য সঞ্চয়ী করার জন্য হাজার হাজার পুণ্যার্থীরা বিহারের মাঠপ্রাঙ্গনে সমবেত হয়ে ধর্মদেশনা শ্রবণ করেন।

    মহালছড়িতে আজ ১লা নভেম্বর বুধবার সেনাজোন জোন কমান্ডার লেঃ কর্ণেল শাহরিয়ার সাফকাত ভূইয়া, পিএসসি দূরপুয্যানাল জ্ঞানোদয় বন বিহারে দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠান পরিদর্শন, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং আর্থিক অনুদান প্রদান করেন।
    উপস্থিত এলাকাবাসীর পূর্ণ্যার্থীদের উদ্দেশ্যে জোন কমান্ডার বলেন, প্রত্যেক জাতির ধর্মের অনুশাসনই পারে অসাম্প্রদায়িক দেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে।তাই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মহালছড়ি জোনের লক্ষ্য একটাই তা হলো শান্তি, সম্প্রীতি, সৌজন্যবোধ, সহমর্মিতা,একনিষ্ট আনুগত্য এবং উন্নয়নের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক মহালছড়ি গড়ে তোলা। জোন কমান্ডার সকলকে জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতির সৌহার্দ্যপূর্ণ মহালছড়ি গড়ে তোলার জন্য আহবান জানান।

    এ মহতী অনুষ্ঠানে ২১তম কঠিন চীবর দানীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদ-২০২৩ মহালছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিপুল বিকাশ খীসা সভাপতিত্ব করেন।

  • দুই বিশিষ্ট সাংবাদিকের বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

    দুই বিশিষ্ট সাংবাদিকের বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

    হেলাল শেখ,
    ঢাকায় সাভারের আশুলিয়ায় ঢাকা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আওরঙ্গজেব কামাল এর বাবা মরহুম মীর আনাব আলী এবং দক্ষিণ বঙ্গ কল্যাণ ফাউন্ডেশন মহা-সচিব কে.এম মোহাম্মদ হোসেন রিজভী এর বাবা মরহুম আব্দুল মোতালেব মাস্টার-এর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (১নভেম্বর) রাত ৮ টার দিকে আশুলিয়ার বেরন মানিকগঞ্জ পাড়া এলাকার তাহ্ফিজুল কুরআন ওয়াসসুল্লাহ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ দোয়া মাফিলের আয়োজন করেন আব্দুল মোতালের মেমোরিয়াল স্মৃতি সংসদের চেয়ারম্যান কে,এম মোহাম্মদ হোসেন রিজভী।

    এসময় প্রধান অতিথি আশুলিয়া প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক ও এশিয়ান টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার জহিরুল ইসলাম খান লিটনের উপস্থিতিতে এ দোয়া পরিচালনা করেন মসজিদে কুবা মসজিদের খতিব ও তাহ্ফিজুল কুরআন ওয়াসসুল্লাহ মাদ্রাসার
    হাফেজ ক্বারী মাওলানা মোহাম্মাদ সাদেক হোসাইন।

    উক্ত দোয়া ও মিলাত মাহফিল অনুষ্ঠানে শেখ মোঃ ফরিদ আহমেদ চিশতীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন, আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি সাইফুল ইসলাম হেলাল শেখ, মাদ্রাসা ভবন মালিক আব্দুস সালাম মোল্লা, সিএনএন বাংলা টিভির স্টাফ রিপোর্টার শামীম আহম্মেদ, এবিসি ওয়াইল্ড নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ও দৈনিক সংবাদ দিগন্তের রিপোর্টার মো. রিপন মিয়া,এশিয়ান টেলিভিশনের ভিডিও জার্নালিস্ট ও বিডি২৪ লাইভ ডটকমের সাভার প্রতিনিধি মো. শাকিল শেখ, বিএস ডব্লিউ এফ টিভির ভিডিও জার্নালিস্ট মো. মোশাররফ হোসেনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে খিচুড়ি ভোজের আয়োজন করা হয়।

  • আন্তর্জাতিক যোগাযোগে নতুন অধ্যায় মোংলা -খুলনা  রেলপথসহ ৩ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা-মোদি

    আন্তর্জাতিক যোগাযোগে নতুন অধ্যায় মোংলা -খুলনা রেলপথসহ ৩ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা-মোদি

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির:বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যৌথ উদ্যোগে নির্মিত তিনটি প্রকল্প উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের সরকার প্রধান নরেন্দ্র মোদি। প্রকল্পগুলো হচ্ছে-আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ, খুলনা-মোংলা রেলপথ এবং রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট। পণ্য পরিবহন সহজ ও সাশ্রয়ী করতে খুলনা থেকে বাগেরহাটের মোংলা বন্দর পর্যন্ত নির্মিত রেলপথ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।
    এর মধ্য দিয়ে মোংলার সঙ্গে আন্তর্জাতিক যোগাযোগে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ট্রানজিট সুবিধার আওতায় মোংলা বন্দর থেকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত এবং নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহন সহজ ও সাশ্রয়ী হবে। খুলনা-মোংলা রেলপথ উদ্বোধনের পর এ অঞ্চলের আর্থসামাজিক অগ্রগতি আরও বাড়বে। সৃষ্টি হবে নতুন নতুন কর্মসংস্থান এবং বিকাশ ঘটবে সুন্দরবনের পর্যটনশিল্পেরও। বাড়বে সরকারি রাজস্ব। রেলপথে পণ্য পরিবহনে কমবে খরচ।

    ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিতে যে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে সেটা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে খুলনা-মোংলা রেললাইন চালুর মধ্য দিয়ে। প্রাণ পাবে মোংলা ইপিজেড। নতুন নতুন শিল্পোদ্যোক্তরা আসবে এ অঞ্চলে।

    খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল বলেন, খুলনার সঙ্গে মোংলা বন্দরের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ায় এ বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যাবে। এতে প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল ও ভুটান রেলপথ দিয়ে সহজেই মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবে। আগে সড়ক ও নদীপথে এ বন্দরের পণ্য পরিবহন হতো। তখন খরচ বেশি হতো। এখন রেলপথে পণ্য পরিবহনে খরচ অনেক কমে যাবে। যার প্রভাব পড়বে পণ্য মূল্যের ওপর।

    এদিকে রেলওয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খুলনা-মোংলা রেললাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য পর্যটকদের আকৃষ্ট করা এবং মোংলা পোর্ট পর্যন্ত রেলপথে আরামদায়ক ভ্রমণের সুব্যবস্থা করা হয়েছে।

    খুলনা-মোংলা রেলপথের মাধ্যমে রেলওয়ের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলাদেশ রেলওয়েকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আশা দেখছেন তারা।

    বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় পরিষদের সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ জামান বলেন, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল খুলনা-মোংলা রেলপথ। সে দাবি পূরণ হয়েছে। এই রেলপথের মাধ্যমে খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

    মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মীর এরশাদ আলী বলেন, যে কোনো বন্দরের জন্য মাল্টিমডাল যোগাযোগ তো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এত দিন আমরা নদীপথে পণ্য পরিবহন করতে পেরেছি। পদ্মা সেতু হওয়ার পর সড়কপথে পরিবহন করা হচ্ছে। এবার রেলপথে পণ্য পরিবহন করা হবে। এই রেললাইনের ফলে সবচেয়ে বেশি সুবিধা হবে স্বল্প খরচে বিশেষ করে কনটেইনার পরিবহন করা যাবে। এতে করে বন্দরের ব্যবহারও বাড়বে। গার্মেন্টস পণ্য আমদানি ও রপ্তানি সহজতর হবে। এছাড়া বিদেশি প্রকোটল ব্যবহার করে খুলনা-মোংলা রেললাইন দিয়ে নেপাল-ভুটানে পণ্য পরিবহন করতে পারবো। উত্তরাঞ্চলের সঙ্গেও আমাদের যোগাযোগ স্থাপন হবে। এতে শিল্পায়ন গতিশীলতা পাবে। বাড়বে বন্দরের রাজস্ব।

    ট্রানজিট সুবিধার আওতায় ভারত, নেপাল ও ভুটানে পণ্য পরিবহন সহজ করতে ২০১০ সালে খুলনার ফুলতলা রেলস্টেশন থেকে মোংলা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ স্থাপন প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। প্রকল্পটি তিন বছরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরপর পেরিয়ে গেছে ১৩ বছর। মেয়াদ বাড়ার সঙ্গে বেড়েছে প্রকল্পের ব্যয়ও। শুরুতে প্রকল্পের ব্যয় এক হাজার ৭২১ কোটি টাকা থাকলেও কয়েক দফায় বেড়ে বর্তমানে ব্যয় দাঁড়িয়েছে চার হাজার ২৬০ কোটি টাকার বেশি। ভারত সরকারের ঋণসহায়তায় কনসেশনাল লাইন অব ক্রেডিটের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লার্সেন অ্যান্ড টার্বো ও ইরকন ইন্টারন্যাশনাল। যার মোট প্রকল্প ব্যয় ৩৮৮ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার।

    প্রকল্পের আওতায় রূপসা নদীর ওপর ৫ দশমিক ১৩ কিলোমিটারের রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে প্রায় ৯০ কিলোমিটার রেলপথ। রেলপথটিতে রয়েছে নয়টি প্লাটফর্ম। ১০৭টি ছোট সেতু ও নয়টি আন্ডারপাসও নির্মাণ করা হয়েছে ওই প্রকল্পের আওতায়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর খুলনা-মোংলা রেল চালু হওয়ার ফলে ভারত, নেপাল ও ভুটান বাণিজ্যিকভাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের সঙ্গে। এতে আরও গতিশীল হবে মোংলা বন্দর।

    এই প্রকল্পে মোংলা বন্দর ও খুলনায় বিদ্যমান রেল নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রায় ৬৫ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বন্দর মোংলা ব্রডগেজ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হলো। জানা যায়, ট্রেনে ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার, যা পাড়ি দিতে সময় লাগে ৩১ থেকে ৩৬ ঘণ্টা। বর্তমানে আগরতলা থেকে আখাউড়া হয়ে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে কলকাতা যাতায়াতে দূরত্ব ও সময় উভয়ই কমবে। কলকাতা যেতে মাত্র ১০ ঘণ্টা সময় লাগবে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ট্রেনে যে কোনো পণ্য আগরতলা হয়ে ভারতের যে কোনো রাজ্যে পৌঁছানো যাবে। একইভাবে ভারতের পণ্যবাহী ট্রেন আগরতলা হয়ে আখাউড়া দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানো সহজ হবে। আখাউড়ার গঙ্গাসাগর রেলস্টেশনে প্রথমবারের মতো কাস্টম-ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতাও শুরু হয়েছে।#ছবি সংযুক্ত আছে।

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির
    বাগেরহাট সংবাদদাতা:

  • ঝালকাঠিতে মৎস্য অভিযানে হাম*লায় আহত ৬, থানায় অর্ধশত জেলের নামে মামলা

    ঝালকাঠিতে মৎস্য অভিযানে হাম*লায় আহত ৬, থানায় অর্ধশত জেলের নামে মামলা

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির রাজাপুরে বিষখালী নদীতে ইলিশ রক্ষা অভিযানে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকতা, দু’জন আনসার সদস্যসহ ৬ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রায় অর্ধশত জেলের নামে রাজাপুর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

    স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘রাজাপুর উপজেলার উত্তর পালট গ্রামে বিষখালী নদীতে মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।’ হামলা ঘটনার পরদিন বুধবার সকালে রাজাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) দেবাশীষ বাছাড়। এ মামলায় এজাহার নামিয় আসামীরা হলো, মো. সালাম হাওলাদার (৩৫), মো. শাহজালাল খান (৩৮), মিজান হাওলাদার (৩৮), সালাম বেপারী (৩২), মো. জসিম হাওলাদার (৩২),।মো. সুমন হাওলাদার (১৮), ইয়ামিন মোল্লা (৩২), সোহাগ মোল্লা (২৬) এবং। মো. বাদল হাওলাদার (২৮)। বিষয়টি নিশ্চিত করছেন রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি পুলক চন্দ্র রায়।

    এ মামলায় প্রায় অর্ধশত জেলেকে আসামী করা হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোজাম্মেল বলেন, ‘আমি পালট এলাকায় বিষখালী নদীতে একটি অভিযান পরিচালনা করি। এসময় অবৈধ জাল ও মা ইলিশ ধরার কাজে ব্যবহৃত নৌকা আটকের চেষ্টা করি। তখন প্রায় অর্ধশত জেলেরা আমাদের উপর হামলা চালায়।

    তাদের এলোপাথারী হামলায় মৎস্য অফিসের ফিল্ড অফিসার কমলেশ বিশ্বাস, সমাজসেবা অফিসের গালুয়া ইউনিয়ন সমাজকর্মী জাকির হোসেন, আনসার সদস্য কবির সিকদার, স্বপন সিকদার, ট্রলার চালক নজরুল, সহকারি শামিম এবং আমি নিজে আহত হই। আমরা সকলে রাতে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছি।

    রাজাপুর থানার ওসি পুলক চন্দ্র রায় বলেন, এ ঘটনায় বাদির দায়ের করা এজাহার আমলে নিয়ে ০৯ জনের নামে এবং ৩৫ জন অজ্ঞাত পরিচয়ে আসামী করে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

  • হাতীবান্ধায় বিক্ষো*ভ সমাবেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের

    হাতীবান্ধায় বিক্ষো*ভ সমাবেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগের

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।
    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার এস.এস সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় গেট সংলগ্ন এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। হাতীবান্ধায় দেশের চলমান নৈরাজ্যে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তান আমিরুল ইসলাম পারভেজ, লালমনিরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, জাতীয় প্রেস ক্লাব সদস্য রফিক ভুইঁয়া, আনসার সদস্য হোসাইনসহ সকল হত্যা, নির্যাতন, অগ্নি সন্ত্রাস ও অপরাজনীতির প্রতিবাদে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আয়োজনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    গত (৩১ অক্টোবর)২০২৩ইং মঙ্গলবার বিকেলে ওই উপজেলার এস.এস সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় গেট সংলগ্ন এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের হাতীবান্ধা উপজেলা সভাপতি জরজিজ আলম দরদীর সভাপতিত্বে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন বাচ্চু ও প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সোহাগ।এ সময় প্রধান অতিথি লিয়াকত হোসেন বাচ্চু বলেন আগামী দিনে হাতীবান্ধা উপজেলায় বি এন পি কোন নৈরাজ্য ও অপরাজনীতি করতে চাইলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

    সুলতান আহমেদ রাজনের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু দিলিপ কুমার সিংহ, টংভাংগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সেলিম হোসেন, গড্ডিমারী পরিষদের চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল, পাটিকাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মজিবুল আলম সাদাতসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপজেলা সহ ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • বিএনপি-জামাতের নৈ*রাজ্য ঠেকাতে ফুলবাড়িয়ায় সালমার নেতৃত্বে বি*ক্ষোভ মিছিল

    বিএনপি-জামাতের নৈ*রাজ্য ঠেকাতে ফুলবাড়িয়ায় সালমার নেতৃত্বে বি*ক্ষোভ মিছিল

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় বিএনপি -জামাতের অবৈধ হরতাল,অবরোধ, দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র,নৈরাজ্য করে দেশকে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির প্রতিবাদে ও বিএনপি জামাতের নৈরাজ্য ঠেকাতে প্রতিদিন
    ফুলবাড়িয়ার নেতৃবৃন্দদের নিয়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল এবং শান্তি সমাবেশ করে উপজেলার রাজপথ দখলে রাখছে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের সাহসী রাজপথ যোদ্ধা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, উপজেলার জনপ্রিয় নারী নেত্রী ময়মনসিংহের-০৬, ফুলবাড়ীয়া আসনের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী
    সেলিমা বেগম সালমা আপা

    সেই ধারাবাহিকতা লয় মঙ্গলবার ৩১ অক্টোবর বিএনপি’র ডাকা সকাল সন্ধ্যা অবরোধ প্রতিহত করতে, ময়মনসিংহ-৬ সংসদীয় আসনের জনগণকে সাথে নিয়ে সেলিমা বেগম সালমার নেতৃত্বে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ওয়ার্ড ইউনিট আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতাকর্মীবৃন্দ রাজপথে ছিলেন। সকাল থেকে শান্তি সমাবেশ করে
    সন্ধ্যায় হাজার হাজার নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন সেলিমা বেগম সালমা।

    এসময় সেলিমা বেগম সালমা বলেন-বিএনপি-জামাত দেশের সম্মান নষ্ট করে দেশকে ধ্বংস করতে পিছু লেগেছে বলে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা এই দেশকে বিশ্বদরবারে সম্মান ও রোলমডেলের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে যখন দেশ ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাচ্ছে, তখন অপশক্তি বলছে টেক ব্যাক বাংলাদেশ।

    তিনি বলেন- একটা শক্তি দেশকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা করছে। গণতন্ত্রের ধারা নষ্ট করে বিদেশিদের কাছে মাথা নত করানোর চেষ্টা করছে। যারা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, তাদের প্রতি শুধুই ঘৃণা, যোগ করেন তিনি। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের যাত্রা ঠিক রাখতে আগামী দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই দরকার মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, ‘৭১ ও ‘৭৫- এর ঘাতকরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিশুপার্ক বানিয়ে সঠিক ইতিহাসকে দূরে রাখতে চেয়েছে। কিন্তু আমরা যেন পিছিয়ে না পড়ি তার জন্য শপথ নিতে হবে যার যার অবস্থান থেকে। যেন আগামী দিনে ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই থাকে।

  • অবরোধ ঠেকাতে ত্রিশালে মেয়র আনিছের নেতৃত্বে  শক্ত অবস্থানে শ্রমিকলীগ,কৃষকলীগ,ছাত্রলীগ

    অবরোধ ঠেকাতে ত্রিশালে মেয়র আনিছের নেতৃত্বে শক্ত অবস্থানে শ্রমিকলীগ,কৃষকলীগ,ছাত্রলীগ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    বিএনপি-জামায়াতের ডাকা অবৈধ অবরোধ কর্মসূচি ঠেকাতে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য, ত্রিশাল পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত জনপ্রিয় মেয়র ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী আলহাজ্ব এবিএম আনিছুজ্জামান আনিছ নির্দেশে ও নেতৃত্বে রাজপথে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের অন্যতম সংগঠন জাতীয় শ্রমিকলীগ,
    কৃষকলীগ,ছাত্রলীগ ও মৎস্যজীবী লীগ সহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা অবরোধ চলাকালে বিএনপি জামাত ঠেকাতে প্রতিদিনই
    পৌর এলাকাও আশপাশের বিভিন্ন স্থানে লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করতে দেখা যায়।

    মঙ্গলবার সকাল থেকেই জাতীয় শ্রমিকলীগ,কৃষকলীগ,ছাত্রলীগ ও মৎস্যজীবী লীগ সহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় মিছিল ও শোডাউন দিতে দেখা যায়। ত্রিশাল পৌর এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীরা যেন কোন ধরনের নৈরাজ্য ও সহিংসতা করতে না পারে সেজন্য নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই পৌর এলাকার দড়িরামপুর বাস টার্মিনালসহ গুরুত্বপুর্ণ স্থানে অবস্থান নেন।

    সরেজমিনে দেখা যায়,জাতীয় শ্রমিকলীগ,
    কৃষকলীগ,ছাত্রলীগ ও মৎস্যজীবী লীগ সহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পৌর এলাকায় বেশ কয়েকবার শোডাউন দিয়েছেন। দিনের বাকিটা সময় নেতাকর্মীরা পৌর এলাকার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাঞ্চ পেতে অবস্থান নেন।

    এদিকে জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি সুয়েল মাহমুদ সুমন ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সুমন নেতৃত্বে এদিন দুপুর ২টায় ক্যাম্পাস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়।

    মিছিলটি পৌরসভা চত্বর থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর চত্ত্বরে ফিরে আসে।

    এসময় জাতীয় শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশ্নে ত্রিশালের জনপ্রিয় মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ সাহেবের নেতৃত্বে জাতীয় শ্রমিকলীগ আপোষহীন। আমরা সকলেই দেখেছি বিএনপি সমাবেশের নামে কিভাবে নির্বিচারে পুলিশের উপর হামলা চালিয়েছে, পুলিশ সদস্যকে হত্যা করেছে। বিএনপির নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে, প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা চালিয়ে, বাসে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে জনজীবন বিধ্বস্ত করেছে। বিএনপি বরাবরই ধ্বংসাত্মক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রই বিএনপির মূল চালিকাশক্তি। পলাতক, দন্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক জিয়ার নেতৃত্বাধীন দল বিএনপির অবৈধ হরতাল,অবরোধ বাংলাদেশের মানুষ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাস, নৈরাজ্য প্রতিহত করতে জাতীয় শ্রমিকলীগ মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ সাহেবের নেতৃত্বে রাজপথে বরাবরই সোচ্ছার ছিল আগামীতেও থাকবে। বিএনপি, ছাত্রদল, জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত করতে দাঁতভাঙা জবাব দিতে আমরা সবসময় প্রস্তুত আছি এবং আগামীতেও থাকবো।

    জাতীয় শ্রমিকলীগের সভাপতি সুয়েল মাহমুদ সুমন
    বলেন- ‘সাধারণ মানুষ সন্ত্রাসী দল বিএনপির ডাকা হরতাল অবরোধ প্রত্যাখান করেছে। আমরা জাতীয় শ্রমিক লীগ আমাদের অভিভাবক মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ সাহেবের নেতৃত্বে বিএনপির এই হরতাল, অবরোধসহ যেকোন নৈরাজ্য রুখে দেয়ার জন্য সর্বদা প্রস্তুত। জাতীয় শ্রমিকলীগ মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ সাহেবের নেতৃত্বে ত্রিশালের মানুষের জানমাল রক্ষা করার জন্য সকাল ৬টা থেকে মাঠে আছি এবং থাকবো। কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা করার চেষ্টা করলে আমরা তাদেরকে কঠিনভাবে প্রতিহত করবো।’