Blog

  • ফুলবাড়িয়ায় আ”লীগ নেত্রী সালমার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা হ*ত্যা দিবস’ পালন

    ফুলবাড়িয়ায় আ”লীগ নেত্রী সালমার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা হ*ত্যা দিবস’ পালন

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী, আওয়ামী লীগ নেত্রী সেলিমা বেগম সালমার নেতৃত্বে ৭ নভেম্বরের ঘটনাবহুল দিন মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    দিবসটি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে মঙ্গলবার (৭নভেম্বর) বাদ আছর উপজেলার ফুলবাড়িয়া বাজার বটতলা এলাকায় অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে কোরআন খতম,দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক,আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী, আওয়ামী লীগ নেত্রী সেলিমা বেগম সালমা। এসময় তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে সকলের দোয়া ও সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন।

    এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শ্রমিকলীগ ফুলবাড়িয়া উপজেলার আহবায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল, স্বেচ্ছাসেবক লীগের
    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাসান মাহমুদ সেলিম,সদস্য ইব্রাহিম খলিল,পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি মিজান মুন্সী, ফুলবাড়ীয়া কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি আবুল হাসনাত জনি, উপজেলা মহিলা নেত্রী সাজেদা খাতুন প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন- চান্দের বাজার দাওদিয়া এতিমখানা ও মাদ্রাসার মোহতামিম হাফেজ মোহ উসমান গণী। উক্ত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর রাজনৈতিক উত্থান-পতনের ঘটনা ঘটে। বিএনপি ৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। তবে এ দিনটিকে জাসদ ‘সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করে।

  • বাগেরহাটের রামপালের ধ*র্ষণে অন্তঃসত্বা তরুণীর আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি; মামলা তুলে নিতে হু*মকি

    বাগেরহাটের রামপালের ধ*র্ষণে অন্তঃসত্বা তরুণীর আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি; মামলা তুলে নিতে হু*মকি

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির:বাগেরহাটের রামপালে ধর্ষিতা অন্তঃসত্ত্বা তরুণী (১৭) এর পিতা বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করে বিপাকে পড়েছেন। আসামীর প্রভাবশালী পিতামহ তার লোকজন মামলা তুলে নিতে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অসহায় ভিকটিমের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবী করেছেন।
    জানা গেছে, রামপাল উপজেলার বর্ণি ছায়রাবাদ গ্রামের জনৈক ব্যক্তির কলেজ পড়ুয়া মেয়ে (১৭) কে ধর্ষণ করে তারেক হাসান বাপ্পি নামের এক লম্পট। এ ঘটনায় বাদী হয়ে বাগেরহাটের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত -২ এর আদালতে একটি মামলা করেন ভিকটিমের পিতা। আদালতের বিচারক গত ইংরেজি ১২ অক্টোবর শুনানি শেষে রামপাল থানা পুলিশের ওসিকে এজাহার করে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন। রামপাল থানার ওসি আদেশের কপি পেয়ে গত ইংরেজি ০১-১১-২০২৪ তারিখ মামলাটি রুজু করে গৌরম্ভা ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নাসির উদ্দীনকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা রবিবার (০৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (রামপাল) এর আদালতে ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা তরুণীকে হাজির করে ২২ ধারায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করিছেন।
    বাদী তার এজাহারে উল্লেখ করেন, গত ইংরেজি ১০-০৪-২০২৩ তারিখ উপজেলার গৌরম্ভা গ্রামের ইকবাল গাজীর ছেলে তারেক হাসান বাপ্পি ভিকটিমের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা ধার নেয়। আসামী বাপ্পী টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে ওইদিন সন্ধ্যা ৭ টায় তাদের বাড়ির পাশে স্থাপিত গ্রামীণ ফোনের টাওয়ারের ফাঁকা পাহারাদারের রুমে নিয়ে যায়। টাকা দিতে একটু দেরি হবে বলে ভিকটিমকে অপেক্ষা করতে বলে। এদিকে সন্ধা গড়িয়ে রাত হয়ে যায়। আসামী বাপ্পী ভিকটিমকে জড়িয়ে ধরে বিভিন্ন প্রলোভন দেওয়ার এক পর্যায়ে তাকে ধর্ষণ করে। এতে ভিকটিম কান্না করতে থাকলে তাকে বিবাহ করবে বলে সান্ত্বনা দেয়। এরপরে সে বলে একথা কাউকে বললে তোমার মা বাবার ক্ষতি হবে বলে ভয় দেখায়। আর বেশী বাড়াবাড়ি করলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোমার ভিডিও ছেড়ে দিবো। এতে কলেজ পড়ুয়া ওই তরুণী ভীত হয়ে পড়ে। ওইদিন রাত ৯ টায় বাড়িতে গিয়ে ভিকটিম তার মাকে ঘটনা খুলে বলে। পরে ভিকটিমের পিতাকে ঘটনাটি জানালে সে হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। পরে আসামী বাপ্পির পিতার কাছে গিয়ে অভিযোগ করেন। আত্ম সম্মানের চিন্তা করে আসামী বাপ্পী ও তার পিতা ইকবাল গাজীকে বিষয়টি জানিয়ে গোপনে মিমাংসার চেষ্টা করেন। লম্পট আসামীর পিতা তাদের তাড়িয়ে দেন।
    গত ইংরেজি ২৮-০৮-২০২৩ তারিখ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভিকটিমকে পরীক্ষা করালে ২১+ সপ্তাহের গর্ভবতী বলে ডাক্তার রিপোর্ট দেন। বর্তমানে ভিকটিম ২৯ সপ্তাহের গর্ভবতী। গরীব ও অসহায় বাদী আসামীর বাড়িতে গিয়ে তার কন্যাকে বিবাহের প্রস্তাব দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামীর পিতা তাদের তাড়িয়ে দেন।
    এরপর সমাজপতিদের দ্বারেদ্বারে ধর্ণা দিয়ে কোন ফয়সালা না পেয়ে অবশেষে বাগেরহাটের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-২ এ মামলা দায়ের করেছেন।
    এ বিষয়ে অভিযুক্ত তারেক হাসান বাপ্পীর বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার পিতা ইকবাল গাজীকে পাওয়া গেলেও তিনি সাংবাদিকদের বসতে বলে গা ঢাকা দেন, যে কারণে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
    রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক গত ইংরেজি ২৬ অক্টোবর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-২ এর পাঠানো কপি হাতে পেয়েই মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ভিকটিম কে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে ইতিমধ্যে ২২ ধারার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে। আসামী আটকের জোর চেষ্টা করছি।

  • পদন্নোতি পেয়ে পুলিশ সুপার হলেন  আমিরুল ইসলাম

    পদন্নোতি পেয়ে পুলিশ সুপার হলেন আমিরুল ইসলাম

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারীঃনীলফামারী জেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা আমিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নীলফামারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জননিরাপত্তা বিভাগ, পুলিশ -১ শাখা ৬ নভেম্বর রোজ সোমবার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি হওয়ায় তাকে অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নীলফামারী জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার গোলাম সবুর, পিপিএম-সেবা।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) নীলফামারী।

  • বিশিষ্ট সাংবাদিক কলামিস্ট আহসানুল করিম  ভাইয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত

    বিশিষ্ট সাংবাদিক কলামিস্ট আহসানুল করিম ভাইয়ের জন্মদিনের শুভেচ্ছায় সিক্ত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির :বিশিষ্ট লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের বাগেরহাট জেলা সংবাদদাতা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আহসানুল করিম ভাই হাজারো সাংবাদিকদের আশ্রয় স্থল, সদা হাস্যজ্বল, অন্যায়ের সাথে আপোষহীন সাংবাদিক সৎ নির্ভীক সাংবাদিক আহসানুল করিম ভাইয়ের জন্মদিন আজ ৭ নভেম্বর ২০২৩। জন্মদিন উপলক্ষে তিনি আজ সারাদিন শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন। তার পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী, সাংবাদিক সহযোদ্ধা, ভক্ত, পরিচিত, আত্মীয়-স্বজন তাকে বিভিন্নভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছেন অনেকে। প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও তার দিনটি কেটেছে আনন্দে। জন্মদিন উপলক্ষে তিনি আজ সারাদিন শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন। তার পরিবার, শুভাকাঙ্ক্ষী, সাংবাদিক সহযোদ্ধা, ভক্ত, পরিচিত, আত্মীয়-স্বজন তাকে বিভিন্নভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছেন অনেকে। প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও তার দিনটি কেটেছে আনন্দে। সাংবাদিক মোহাম্মদ আহসানুল করিম অবসর সময়ে এই সাংবাদিক বই পড়তে, গান শুনতে ও খেলাধূলা করতেই পছন্দ করেন।

  • বগুড়া শাজাহানপুরে পত্তন ছাড়াই সরকারি পুকুর চাষ পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন ব্যাবসায়ী ও ভূমি অফিস

    বগুড়া শাজাহানপুরে পত্তন ছাড়াই সরকারি পুকুর চাষ পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন ব্যাবসায়ী ও ভূমি অফিস

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলার খড়না ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ৬বিঘার বেশি আয়তনের পুকুরটি পত্তন ছাড়াই চাষ করছেন স্থানীয় ৩ব্যক্তি। বিষয়টি অস্বীকার করে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) বলছেন পুকুরটি তাঁরা নিজেরাই চাষ করছেন। পুকুরটি পত্তন দিলে বছরে কমপক্ষে ২লক্ষ টাকা সরকার রাজস্ব পাবে বলছেন উপজেলার বিভিন্ন মৎস ব্যাবসায়ীরা। পুকুর চাষকরা ৩ব্যাক্তি একেক জন একেক কথা বলছেন। সূত্রঃ জাতীয় দৈনিক আজকের পত্রিকা।

    পুকুর চাষ করা ব্যক্তিরা হলেন খড়না ইউনিয়নের খড়না নয়াপাড়া গ্রামের শহিদুল ইসলাম(৪২), খড়না সরকারপাড়া গ্রামের মাসুদুজ্জামান মিটু(৪৫) এবং খড়না ধাওয়াপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম।(৫০)। এদের মধ্যে নজরুল ইসলাম উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি।

    সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় পুকুরপাড়ে বাসিন্দাদের সাথে। অন্তত ১০জন বাসিন্দা বলেন, গত ২বছর ধরে পুকুরটি চাষ করছেন স্থানীয় শহিদুল ইসলাম, মাসুদুজ্জামান মিটু এবং নজরুল ইসলাম। অনেক বড় পুকুর এবং প্রচুর মাছ হয়।

    খড়না ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা মোঃ সুরুমান মাসুদ বলেন, খড়না ভূমি অফিসের সাথের পুকুরটির মালিক ভূমি অফিস। পুকুরটি কারা কিভাবে চাষ করছেন তা আমার জানা নাই। এ বিষয়ে আরো কিছু জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) এর সাথে কথা বলেন।

    খড়না ইউনিয়ন ভূমি অফিসের একজন কর্মচারী মোঃ মামুন বলেন, পুকুরটির আয়তন ৬বিঘার উপরে। সঠিক মাপ নথি দেখে জানাতে পারবো। তবে এরপর এ বিষয়ে আর কথা বলেন নি তিনি।

    জানতে চাইলে পুকুর চাষ করা ব্যাক্তিদের একজন শহিদুল ইসলাম বলেন, আসলে আমি তো চাষ করিনা। পুকুর চাষ করে মাসুদুজ্জামান মিটু এবং নজরুল ইসলাম। আমি তাঁদের সাথে আছি। মূলত নজরুল ইসলাম পুকুরটি নিয়ে দিয়েছেন। ২বছর বা আরেকটু বেশি সময় ধরে আমরা চাষ করছি।

    মাসুদুজ্জামান মিটু মোবাইল ফোনে বলেন, ভূমি অফিসের পুকুরটি চাষ করতে আমারা বছরে ২০লক্ষাধিক টাকা খরচ করেছি। লাভ সেরকম হয়না। বিভিন্ন জন এসে টাকা, মাছ চায়। সরকারি ডাক না থাকলেও বিভিন্ন জনকে বছরে ৫লক্ষাধিক টাকা দিতে হয়।

    পুকুর চাষ করা আরেক ব্যাক্তি নজরুল ইসলাম বলেন, ভূমি অফিসের পুকুর আমরা তত্বাবধান করছি। কাউকে টাকা পয়সা দেয়া লাগেনা, শুধু মাছ দেই। অফিসের কেউ চাইলে তো না করা যায়না।

    জানতে চাইলে উপজেলার পুরাতন মৎস চাষীদের একজন নিত্যানন্দ দাস বলেন, ৬বিঘার উপরে ভূমি অফিসের ওই পুকুর বছরে কমপক্ষে ২লক্ষ টাকায় পত্তন নেয়া যাবে। সব বাদ দিয়েও বছরে কমপক্ষে ৪লাখ টাকা লাভ করা যাবে।

    জানতে চাইলে শাজাহানপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) সানজিদা মুস্তারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, পুকুরটা ভূামি অফিসের। আমরা নিজেরাই সেখানে মাছ ছেড়েছি।

  • উপর থেকে সিগনাল পেয়েই এখানে আসা – হাবিবুন নাহার

    উপর থেকে সিগনাল পেয়েই এখানে আসা – হাবিবুন নাহার

    মোংলা প্রতিনিধি।

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার বলেছেন, বিগত জোট সরকারের আমলে মোংলা-রামপালে দিনে-রাতে ঘের দখল ও হত্যাকান্ডের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়েছিলো। মাছের ঘের লুটসহ অসংখ্য সংখ্যালঘু পরিবারের উপর নির্মম নির্যাতন চলতো। সেই ভয়াল পরিস্থিতির দিকে আমরা আর ফিরে যেতে চাইনা। মনোনয়নের বিষয় উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন, উপর থেকে কোন একটা সূত্র থেকে সিগনাল পেয়েছি তাই এখানে আসা। সিগনাল না পেলে এখানে এ কথা বলা হতো না।
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (৭নভেম্বর) বিকেলে মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের বৈদ্যমারি তে কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার একথা বলেন। আয়োজিত কর্মী
    সমাবেশে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মিহির কুমার ভান্ডারি’র সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন যুবলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ওলিয়ার রহমান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কয়েক হাজার নেতা-কর্মীর উপস্থিতির বিশাল এ সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, মোংলা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বিশ্বাস, পৌর আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুজ্জামান জসিম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইস্রাফিল হাওলাদার, চিলা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন, চাঁদপাই ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মোঃ তারিকুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শেখ কবির উদ্দিন,
    সুন্দরবন ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি ও ইউপি সদস্য খাঁন আহদুজ্জামান,আ,লীগ নেতা বিল্লাল হোসেন, পৌর ৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার বাহদুর মিয়া সহ অন্যান্যরা। সমাবেশ শুরুর আগে থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল সহকারে নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা আসতে থাকে সভা স্থলে। জনতার ঢলে কর্মী সভা রুপ নেয় জনসমুদ্রে। মাঠ ছাড়িয়ে নেতা কর্মী ও সমর্থকেরা অবস্থান নেয় মূল সড়কে।

  • বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত রিয়েলমি ফটো কনটেস্টের বিজয়ী হলেন যারা

    বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত রিয়েলমি ফটো কনটেস্টের বিজয়ী হলেন যারা

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষ্যে রিয়েলমি বাংলাদেশ একটি ফটো কনটেস্টের আয়োজন করে। স্মার্টফোন ফটোগ্রাফি গ্রুপ ফোনগ্রাফি’র সহযোগিতায় ২১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সম্প্রতি এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়।

    অনবদ্য মোবাইল ফটোগ্রাফি দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়ার ভিত্তিতে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। এ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মুহাম্মদ সাইদুল ইসলাম। তিনি তার ছবির মাধ্যমে কঠোর পরিশ্রম ও সহিষ্ণু মনোভাবের গুরুত্ব ফুটিয়ে তুলেছেন। প্রথম স্থান অর্জনকারী পুরস্কার হিসেবে তিনি রিয়েলমি সি৫১ স্মার্টফোন পেয়েছেন।

    অন্যান্য বিজয়ীরা হলেন – মাহাত হাসান, মোহাম্মদ রুবেল, মিথাইল আফ্রিজ চৌধুরী, সৌরভ রায়, তানভীর আহমেদ, আরিফ হাসান, এবি রশিদ, আমিনুল ইসলাম এবং আশরাফুল ইসলাম শিমুল। সকল বিজয়ীর ছবিতে আমাদের চারপাশ ও জীবনের বিভিন্ন দিক ফুটে উঠেছে। বিজয়ীরা পুরস্কার হিসেবে পাবেন ব্যাকপ্যাক, টি-শার্ট, সার্টিফিকেট সহ আরও অনেক কিছু।

    এই প্রতিযোগিতার বিচারক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ফটোগ্রাফার এবং বাংলাদেশ ফটোগ্রাফার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএ) প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডমিন রাকিবুল আলম খান। অংশগ্রহণকারীদের মূলত নিজেদের ফটোগ্রাফি দক্ষতা কাজে লাগিয়ে রঙিন এই পৃথিবীকে ফ্রেমবন্দী করতে অনুপ্রাণিত করতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ফটোগ্রাফি দক্ষতা, সৃজনশীলতা এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে তাদের অর্জিত প্রতিক্রিয়ার (রিঅ্যাকশন) ভিত্তিতে বেছে নেওয়া হয় শীর্ষ ১০ বিজয়ী।

    রিয়েলমি বাংলাদেশের সিইও অ্যালেন চেন বলেন, “আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে রঙিন এক পৃথিবী। এই পর্যটন দিবসে আমরা তরুণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের লেন্সের মাধ্যমে এই সৌন্দর্য ক্যামেরাবন্দী করতে উৎসাহিত করেছি। অংশগ্রহণকারীরা ডিভাইস ব্যবহার করে সৃজনশীলতার স্বাক্ষর রেখেছে। বিজয়ীদের আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন। লেন্সের মাধ্যমে এই দেশের সৌন্দর্য নতুনভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য আমি অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানাই।”

  • সুজানগরে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মা*রপিট ও বাড়ীঘর ভা*ঙচুরের অভিযোগে মামলা

    সুজানগরে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মা*রপিট ও বাড়ীঘর ভা*ঙচুরের অভিযোগে মামলা

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে মো.ইউছুফ আলী নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিট,প্রাণনাশের হুমকি প্রদান ও বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.ইউছুফ আলী উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের দুলাই গ্রামের মো. ইমরান খান, চিনাখড়া গ্রামের ইসমাইল খান ও মিদুল খান নামে ৩ জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। যাহার মামলা নং-০৬। মামলা সূত্রে জানাযায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উপজেলার দুলাই ইউনিয়নের চর চিনাখড়া গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.ইউসুফ আলীকে তার নিজ বাড়ীতে প্রবেশ করে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করার পাশাপাশি তাকে মারপিট করে আহত করে স্থানীয় দুলাই গ্রামের মো. ইমরান খান, চিনাখড়া গ্রামের ইসমাইল খান ও মিদুল খান নামে ৩ ব্যক্তি। এ সময় বাধা দিতে গেলে ওই বীর মুক্তিযোদ্ধার মেয়েকেও প্রাণনাশের হুমকি প্রদানের পাশাপাশি তার হাতে থাকা মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলা হয়। পরে আবারো বাড়ীতে এসে মারপিট ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করায় বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ তার পরিবারের সদস্যরা নিরপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং কয়েকজন সদস্য ভয়ে বাড়িতে ফিরতে পারছেন না। এ বিষয়ে সুজানগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো.জালাল উদ্দিন জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিট, প্রাণনাশের হুমকি প্রদান ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এদিকে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মারপিট ও তার বাড়ীঘর ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ছাত্রীদের টিডি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

    সুজানগরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ছাত্রীদের টিডি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ২ দিন ব্যাপী ১৫ বছর এবং তদুর্ধ্ব ছাত্রীদের মাঝে টিডি ভ্যাকসিন প্রদানের জন্য বিশেষ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজে ছাত্রীদের ভ্যাকসিন প্রদানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পাবনা সিভিল সার্জন ডাঃ শহীদুল্লাহ্ দেওয়ান। সুজানগর পৌরসভার বাস্তবায়নে ও সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহযোগিতায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন। সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে ও পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম নবীর স ালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ সেলিম মোরশেদ ও সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী মন্ডল । অনুষ্ঠানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ নাসরিন আক্তার, পৌর কাউন্সিলর জাকির হোসেন,সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক এটিএম শামসুজ্জামান ডন, জাহিদুল হাসান রোজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ইউনুস আলী বাদশা, দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ,পৌরসভার স্যানেটারী ইনস্পেক্টর আমিরুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সাপেকাটা ৩ হাজার রোগি সেরেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা  সজিমউদ্দীনের চিকিৎসায়

    সাপেকাটা ৩ হাজার রোগি সেরেছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সজিমউদ্দীনের চিকিৎসায়

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি:
    মো. সজিম উদ্দীন, বয়স প্রায় ৮০। তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা হলেও এলাকায় পরিচিত সাপেকাটা রোগির চিকিৎসক হিসেবে। তাবিজ-কবজ আর ঝাড়ফুঁকে নয়, ভেষজ উপায়ে তৈরি ওষুধে চিকিৎসা দেন এই প্রবীণ। গত ৫৩ বছরে তিন হাজারের বেশি রোগি এ চিকিৎসায় সুস্থ হয়েছে দাবি তার। এই দাবির বাস্তবতা অনেকটাই মিলেছে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে।
    যে কোনো বিষধর সাপ কাটার পর অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ জরুরি হয়ে যায়। অন্যথায় রোগীর মৃত্যু ঝুঁকি বেশি। রোগীর শরীরে অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ জরুরি হলেও হাসপাতালগুলোতে এখনও এই ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে নেই। এ অবস্থায় সাপেকাটা রোগের চিকিৎসক হিসেবে সজিমউদ্দীনের ব্যাপক সুনাম এলাকা জুড়ে। পাড়া প্রতিবেশীদেরও সম্মানী ব্যক্তি তিনি। কেউ তার সঙ্গে বিরোধেও জড়াননা। কারণ, বিপদেতো ভরসা একমাত্র তিনিই।
    সজিমউদ্দীনের বাড়ি পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের বদলুপাড়া এলাকায়। তিনি সেখানকার মৃত সফিজ উদ্দীনের ছেলে। পূর্ব পুরুষের কাছ থেকে নয় সাপেকাটা রোগিদের চিকিৎসা পদ্ধতি শিখিছেন তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রশিক্ষণে গিয়ে।
    সজিম উদ্দীনের গ্রামেই মজির উদ্দীনের বাড়ি। গত দুই বছর আগে মজির উদ্দীনের স্ত্রী খতেজা বেগম শিকার হন বিষধর সাপের দংশনের। এ সময় সজিম উদ্দীনের চিকিৎসায় সেরে ওঠেন তিনি।
    মজির উদ্দীন বলেন, ‘সন্ধার দিকে আমি এবং আমার স্ত্রী গরুর জন্য খড়ের পোয়াল থেকে খড় খুলছিলাম। হঠাৎ আমার স্ত্রী চিৎকার দিয়ে ওঠে। খুঁজে দেখি তার পায়ে সাপে কাটার দাগ। মুহূর্তেই অজ্ঞান হয়ে যায় সে। শরীরও ঠান্ডা হয়ে যেতে শুরু করে। আমরা বেঁচে ফেরার আশা ছেড়েই দিয়েছিলাম। এ অবস্থায় দ্রুত সজিম উদ্দীনের বাড়িতে নিয়ে যাই। পরে তার ভেষজ ঔষধে কিছুক্ষণের মধ্যেই সুস্থ হয়ে ওঠে আমার স্ত্রী।’ ঘটনাটি শুনতে গল্পের মত মনে হলেও বাস্তব দাবি করেন তিনি।
    সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের পৌটিয়াপাড়া এলাকার শরিফত আলী জানান, তার স্ত্রী বিউটি বেগমকে এক অপরিচিত সাপে দংশন করলে তাৎক্ষণিক মুক্তিযোদ্ধা সজিমউদ্দীনের শরনাপন্ন হন। মুহূর্তেই সুস্থ হয়ে ওঠে তিনি।
    খতেজা আর বিউটি বেগমই নন। বিভিন্ন সময় সাপেকাটার পর সজিমউদ্দীনের চিকিৎসায় সুস্থ হয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন অন্তত ১০ জন।
    কথা হয় সজিমউদ্দীনের সঙ্গে। তিনি জানান, রোগিকে যে সাপই দংশন করুক, তার ওষুধ একটিই। লবণ, মরিচ এবং গরম পানি দিয়ে সাপে কাটার বিষয়টি নিশ্চিত হলেই বাড়ির আশপাশে থাকা বিশেষ সেই ভেষজ খাওয়ান রোগিকে। এ ওষুধের চিকিৎসায় ফলাফল শতভাগ দাবি করেন তিনি।
    তিনি বলেন, যুদ্ধকালীন প্রশিক্ষণের জন্য যখন ভারতে অবস্থান করছিলাম, তখন রেশন নিয়ে আসামে পাঠানো হয় আমাকে। আসামে যখন গাড়ি থেকে রেশনের মালামাল কুলিরা আনলোড করছিলো, তখন দেখলাম কয়েকজন মানুষ একজন সাপেকাটা রোগিকে নিয়ে পাশের একটি বাড়িতে ঢুকলেন। কিছুক্ষণ পরই চোখে পড়লো রোগিটি সুস্থ হয়ে বের হলেন। খোঁজ নিয়ে জানলাম, ওই বাড়িতে ফজলুল হক নামে একজন আলেম ব্যক্তি থাকেন, তিনিই ভেষজ ওষুধে সাপেকাটা রোগির চিকিৎসা দেন। আমি ওই বাড়িতে গিয়ে চিকিৎসা পদ্ধতিটা শিখানোর আবদার করি, অনেক অনুরোধের এক পর্যায়ে তিনি আমাকে এই চিকিৎসা পদ্ধতি শেখান।
    মুক্তিযোদ্ধা সজিম উদ্দীন বলেন, ৫৩ বছর ধরে এলাকায় এই গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি। জেলার বিভিন্ন এলাকার রোগি আমার কাছে সুস্থ হয়েছে। বিনিময়ে কোন টাকা দাবি করিনা, অনেকেই খুশি হয়ে কিছু দেন।
    সজিমউদ্দীন আরও বলেন, অনেকেই আমাকে ওঝা ভাবেন। আমি ওঝা নই। ঝাড়ফুঁক করিনা, তাবিজ দেইনা। প্রাকৃতিকভাবে তৈরি ভেষজ দিয়ে আমি চিকিৎসা দেই, এতে মানুষের উপকার হয়।
    স্থানীয় মাদ্রাসাশিক্ষক জালাল উদ্দীন বলেন, বর্ষাকাল এলেই গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে আতঙ্কের বিষয় হয়ে ওঠে সাপের দংশন। বিষধর সাপের দংশনে হরহামেশাই মানুষের মৃত্যু হয়। এ অবস্থায় বীর মুক্তিযোদ্ধা সজিমউদ্দীন খুবই উপকারী একজন ব্যক্তি। তার কার্যকরি ওষুধে অসংখ্য মানুষ উপকৃত হয়েছে। যেহেতু বর্তমান সময়ে সাপেকাটা রোগির চিকিৎসা ব্যাপকভাবে নেই, এ অবস্থায় সজিমউদ্দীনের পদ্ধতিটা সংরক্ষণ করা গেলে কাজে দিবে।
    স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহাতাব প্রধান বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা সজিমউদ্দীনের ওষুধ সাপেকাটা রোগির জন্য ফলপ্রসু জেনেছি। এলাকার কাউকে সাপে কাটলেই তার শরনাপন্ন হন।
    পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মোস্তফা জামান চৌধুরী জানান, সাপেকাটা রোগিদের দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। পঞ্চগড়ে বর্তমান সাপের প্রতিষেধক ‘এ্যান্টিভেনম’ যথেষ্ট মজুদ আছে।