উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইল ট্রাফিক বিভাগের নতুন ভবন উদ্বোধন ও সদর ফাড়ি পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার (১০ নভেম্বর)
বিকালে পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন ট্রাফিক বিভাগের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন। এসময় তিনি ট্রাফিক বিভাগ এবং সদর ফাঁড়ি পরিদর্শন করেন। ট্রাফিক বিভাগ ও সদর ফাঁড়ির পরিবেশ সুন্দর, দৃষ্টিনন্দন এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। পুলিশ সুপার পুলিশের সকল থানা, ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র এবং ক্যাম্পগুলোতে ট্রাফিক বিভাগ ও সদর ফাঁড়ির মতো সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সকল ইউনিট ইনচার্জদের নির্দেশ প্রদান করেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, “পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা হলো ঈমানের অঙ্গ”। অফিসের পরিবেশ সুন্দর ও আকৃষ্ট হলে কাজে-কর্মে স্পৃহা বাড়বে। এছাড়া মশা বাহিত রোগ ডেঙ্গু প্রতিরোধে চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখার বিকল্প নেই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ); তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্); মীর শরীফুল হক, ডিইআইও ১; মোঃ নাজমুল হক, পুলিশ পরিদর্শক (ক্রাইম); মোঃ ছাব্বিরুল আলম, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা; মোঃ ওবাইদুর রহমান, অফিসার ইনচার্জ, সদর থানা; মোঃ হাসানুজ্জামান, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক; মোঃ শহিদুল ইসলাম খান, পুলিশ পরিদর্শক, সদর ফাঁড়িসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ।
Blog
-

নড়াইল ট্রাফিক বিভাগের নতুন ভবন উদ্বোধন এবং সদর ফাঁড়ি পরিদর্শন করলেন এসপি সাদিরা খাতুন
-

মান্দা মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ ফেলে ঠিকাদার লাপা*ত্তা
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের সীমান্তবর্তী নওগাঁর মান্দা উপজেলা মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না করেই ঠিকাদার লাপাত্তা বলে অভিযোগ উঠেছে। চুক্তি ছিল কাজ শুরুর ১৮ মাসের মধ্যে সম্পন্ন হবে মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতি কেন্দ্রের নির্মাণকাজ। এরই মধ্যে ১৬ মাস পেরিয়ে গেছে। কিন্তু নির্মাণকাজ কেবল মাটি ভেদ করে অস্তিত্ব জানান দিতে পেরেছে। এই অবস্থায় নির্মাণকাজ ফেলে রেখেই ঠিকাদার লাপাত্তা। কবে নাগাদ এর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে বা আদৌ হবে কি না তা নিয়েও শংসয় দেখা দিয়েছে।
গণপূর্ত বিভাগ নওগাঁর নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের কাছে নির্মাণকাজের অচলাবস্তা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘১১ কোটি ৮৮ লাখ ৩৯’ হাজার টাকা ব্যয় ধরে মান্দা মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের কার্যাদেশ পায় ঝালকাঠির মেসার্স
খান বিল্ডার্স-পলি ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কার্যাদেশ পেয়ে গত বছরের জুন মাসে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। কিছু দিন আগে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্মাণসাগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রাক্কলিত ব্যয়ে তারা কাজটি করতে পারছে না। একপর্যায়ে তারা নির্মাণকাজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ায়। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ করে কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।’
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কামারকুড়ি এলাকায় ফেরিঘাট-প্রসাদপুর সড়ক সংলগ্ন একটি স্থানে ৪৩ শতক জমির ওপর গত বছরের জুন মাসে মান্দা মডেল মসজিদ ও ইসলামি সংস্কৃতি কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
শুরু থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খান বিল্ডার্স-পলি ইঞ্জিয়ারিং কর্পোরেশন মাঠপর্যায়ে থাকেনি।
উপঠিকাদার হিসেবে নওগাঁ পৌর শহরের উকিলপাড়ার মামুন নামের এক ব্যক্তি কাজটি বাস্তবায়ন করছিলেন। কিছুদিন পর তিনিও অনেকটা অদৃশ্য হয়ে পড়েন। কাজ শুরুর কিছু দিন পরই নির্মাণ সামগ্রির দাম বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রায় এক বছর ধরে মসজিদ নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। এক মাস আগে গণপূর্ত বিভাগকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণকাজ থেকে সরে দাঁড়ায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি।
সরজমিন দেখা যায়, মাটির নিচের ফাউন্ডেশনের কাজ শেষে কিছু পিলার ঢালাই হয়েছে। কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রডে মরিচা পড়েছে। মাটিতে চাষ করা হয়েছে মাসকলাইয়ের। কামারকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সবুর বলেন, মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পর মসজিদটি ঘিরে এলাকাবাসীর মধ্যে এক ধরনের আগ্রহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষের মধ্যে চরম হতাশা দেখা দিয়েছে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, ‘আমি এই উপজেলায় ইউএনও হিসেবে যোগদানের পর থেকেই দেখছি মান্দা মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি একাধিকবার জেলা সমন্বয় সভায় কথা বলেছি। নির্মাণকাজ এগিয়ে নিতে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছি।’
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পক্ষে উপঠিকাদার মামুন বলেন, ‘আমি ওই প্রকল্পের ঠিকাদার নই। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি আমাকে কাজটি দেখভাল করার দ্বায়িত্ব দিয়েছিলেন। কাজ শুরুর কিছু দিন পরেই প্রতিষ্ঠানটির লোকজন আমার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এখন কাজটি কি অবস্থায় আছে আমি তার কিছু জানি না।# -

জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা নব কমিটির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,কুমিল্লা থেকে,
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা
কুমিল্লা জেলা কমিটির পরিচিতি ও মতবিনিময়
সভা ১০ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে কুমিল্লা নগরীর রামঘাটস্থ দেশপ্রিয় রেস্তোরাঁর কনভেনশন হলে
অনুষ্ঠিত হয়েছে।জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা কমিটির নব নির্বাচিত সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরুনের
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ব্যবস্থপনা সম্পাদক শাহজাদা এমরান,
কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম,
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা কমিটির প্রধান উপদেষ্টা ও সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ কুমিল্লার সভাপতি ওমর ফারুকী তাপস,ন্যাপ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী ফারুক,
দোকান মালিক সমিতির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক রোটারিয়ান আবদুর রহমান,কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলম চপল,
কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আজকের কুমিল্লার সম্পাদক ও প্রকাশক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু,
এখন টেলিভিশনের কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান খালেদ সাইফুল্লাহ, ব্যবসায়ী ও আফসু ডেভেলপার্স এর পরিচালক রোটারিয়ান আহমেদ ইমন ও দৈনিক কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি আবদুর রহমান।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহীন মিয়া। অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, সাংবাদিকতা পেশা একটি দ্বায়িত্বপূর্ণ ও আদর্শ পেশা এই পেশায় প্রধান শর্তই হচ্ছে সত্য প্রকাশ করা এবং অন্যায় অনিয়মের বিরদ্ধে কলম ধরা। সমাজ বিনির্মানে এবং দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিতে দিক নির্দেশনা তুলে ধরা। এই ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের অবশ্যই নিরপেক্ষ ও রাজনৈতিক নেতাদের লেজুরবৃত্তি বন্ধ ও সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সদস্যদের সততা ও আদর্শের পথ ধরে সুন্দর সমাজ বিনির্মানে অন্যায় অবিচারের চিত্র গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহবান জানান সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা কুমিল্লা জেলা কমিটির সদস্যরা অতিথিদের ফুল ও উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চান্দিনা উপজেলার সভাপতি কাজী রাশেদ,উপদেষ্টা কাজী তাহমিনা আক্তার, এসএ টিভির জেলা প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম, বিপাড়া উপজেলা সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক সৌরভ মোহাম্মদ হারুন,বুড়িচং উপজেলা সাধারণত সম্পাদক সাংবাদিক আক্কাস মাহমুদ হৃদয়, সহ সভাপতি জুয়েল রানা,প্রচার সম্পাদক শরীফ সুমন,পিংকি আক্তার,সহ সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন,নারায়ণ কুন্ডু,সাংবাদিক
সাহেদ উদ্দিন, মানব জমিনের সাংবাদিক সোহানুর রহমান সোহাগ, মাহফুজুর রহমান,
সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান, সহসভাপতি ফেরদৌস মাহমুদ মিঠু, সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। -

বরগুন তালতলীতে থানা হাজ*তের ছবি ফেসবুকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা
মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
বরগুনার তালতলী থানা হাজতের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, নাশকতার পরিকল্পনায় গ্রেপ্তার হওয়া যুবদল নেতা বেল্লাল রাজা শিকের ভেতরে তার ভাইয়ের সাথে হাত মিলেয়ে ছবি তুলছেন। আবার শিকের ভিতরে দাড়িয়ে ছবি তুলছেন।থানা হাজতের ছবি বাইরে প্রকাশ পাওয়ায় থানার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। শুক্রবার সকালে আটককৃত বেল্লাল রাজার ছোট ভাই, আরিফ রাজা ও বাইজিদ রাজার ফেসবুক পোস্ট থেকে ছবিগুলো শেয়ার করা হয়। যা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।এ বিষয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম খান মুঠোফোনে বলেন,দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য পরীক্ষার প্রশ্ন দেওয়ার সময় তার চোখ ফাঁকি দিয়ে কোন এক সময় তারা গোপনে তুলেছে।হাজত খানার পাশেই পুলিশের অস্ত্র ভান্ডার তো তার পাশেই ছবিতোলা বিষয়টা কোন চোখে দেখছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি আরো বলেন, আসলে ছবিটা তোলা ঠিক হয়নি আমরা বিষয়টি দেখছি কিভাবে কি করছে।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট এম মজিবুল হক কিসলু বলেন, থানা কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা স্বার্থে সংরক্ষিত এলাকার কোন ছবি অনুমতি ছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ অপরাধীদের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ব্যবস্থা নিতে পারেন কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রবীণ সাংবাদিক হাসানুর রহমান ঝন্টু বলেন, যেহেতু তালতলী থানার পাশেই মালখানা রয়েছে তো সেখানে এরকম ছবি তোলা আসলে নিরাপত্তার ঘাটতি বুঝায়। এরকম ঢিলে ঢলে নিরাপত্তা আসলেই বর্তমান প্রেক্ষাপটে বেমানান।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার (৯নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন বটতলা থেকে হরতালে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনার অভিযোগে ছাতনপাড়া এলাকার গণি রাজার পুত্র বেল্লাল রাজাকে আটক করে পুলিশ।
মংচিন থান
বরগুনা প্রতিনিধি -

শীত মৌসুমে কুমড়ার বড়ি তৈরি করতে ঘরের চালে চালে শোভা পাচ্ছে চালকুমড়া
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা ॥
পাইকগাছায় ঘরের চালে চালে চাল কুমড়া। ঘরের চালে এ সবজি ফলানো হয় বলে এটি চাল কুমড়া নামে পরিচিত। তবে চাল কুমড়া শুধু চালে নয় এই সবজি এখন মাচায় এবং জমিতেও চাষ করলে ফলন ভালো হয়। চাল কুমড়া সবজি হিসাবে আমাদের দেশে ব্যাপক জনপ্রিয়। সবুজ কচি চাল কুমড়া তরকারি হিসেবে খাওয়া হয়। শুধু চাল কুমড়াই নয় এর কচি পাতা ও ডগা খাওয়া যায়।বড়ো হলে চুনের মত সাদা চাল কুমড়া দিয়ে বড়ি, মোরব্বা ও হালুয়া তৈরি করা যায়।
পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাড়ির ঘরের চালে চালে চুন সাদা চালকুমড়া শোভা পাচ্ছে। চাল কুমড়া চাষ করতে ঘরের কোনায় মাদায় গাছ তৈরী করা হয়। ঘরের চালে চাল কুমড়া লাগাতে জমিতে কোন চাষ করা লাগেনা। ঘরের কোনায় পতিত জায়গায় চালকুমড়া গাছ লাগিয়ে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। উপজেলার হিতামপুর গ্রামের হায়দার আলী জানান, তার ঘরের কোনায় মাদা করে চারটি চালকুমড়ার বিজ বপন করেছিল। গাছ বড় হয়ে ঘরের চাল ঢেকে যায়। চারটি গাছে একশ’র বেশি চালকুমড়া হয়েছিল। সবুজ চালকুমড়া ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছে। আরও প্রায় ৪০টি চালকুমড়া ঘরের চালে সংরক্ষন করে রেখেছে।কুমড়া বড়ি তৈরিতে চাল কুমড়ার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। শীতকালে কুমড়া বড়ি তৈরী করার সময় বিক্রি করবে। চারটি গাছের কুমড়া থেকে ১০ হাজার টাকার বেশি বিক্রি হবে বলে তিনি জানান।
দেশে উন্নত ফলনশীল চালকুমড়ার জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।যা বরো মাস চাষ করা যায়।এর মধ্যে বারি চালকুমড়া-১ অন্যতম। হাইব্রিড জাতের বীজও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এসব জাতের মধ্যে জুপিটার ,ভেনাস,নিরালা,বাসন্তি,পানডা,মাধবী অন্যতম। এসব জাতের বীজের গাছ থেকে বারো মাস চালকুমড়া পাওয়া যায়। চাল কুমড়া বসতবাড়িতে লাগাতে ঘরের কোণে মাদা তৈরি করে তাতে ৩-৪টি বীজ বপন করতে হবে।চারা গজালে ও একটু বড় হলে বাঁশের কি বা পাট কাঠি চারার গোড়ায় পুঁতে দিয়ে চারাগুলো চালায় তুলে দিতে হবে। আর জমিতে চাষ করলে জমি ভাল করে ৩-৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। তারপর জমিতে মাদা তৈরি করে ৪-৫টি বীজ বপণ করতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে জমিতে যেন বৃষ্টির বা বন্যার পানি জমে না থাকে।এরপর ২.৫ ফুট চওড়া ২ ফুট গভীর গর্ত তৈরি করতে হবে। ২ থেকে ২.৫০ মিটার দূরে দূরে মাদা তৈরি করে বীজ বুনতে হবে। তাছাড়া নার্সারি থেকে চালকুমড়ার চারা সংগ্রহ করা যায়। চারা লাগানোর দুই মাস পর থেকে গাছে ফলন ধরে।
কুমড়া বা কুমড়ো দুই রকমের হয়; যেমন মিষ্টিকুমড়ো এবং চালকুমড়ো।মিষ্টিকুমড়া ফলজাতীয় সবজি। মিষ্টিকুমড়ার আকার পেটমোটা গোল এবং পাকা অবস্থায় এর ভিতরের অংশ উজ্জ্বল কমলা বর্ণের হয়ে থাকে। জালিকুমড়া এটি সবুজ রঙের হয়। চালকুমড়া পুষ্টিকর একটি সবজি। এতে বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার রয়েছে তাই চাল কুমড়ার উপকারিতা অনেক। যক্ষা , কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস্ট্রিকসহ বহু রোগের উপশম করে চাল কুমড়া। চাল কুমড়া তরকারি হিসেবে খাওয়া ছাড়াও মোরব্বা, হালুয়া, পায়েস এবং কুমড়া বড়ি তৈরী করেও খাওয়া হয়। শুধু চাল কুমড়াই নয় এর কচি পাতা ও ডগাও শাক হিসেবে খাওয়া যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ অসিম কুসার দাশ বলেন, বিনা চাষে কম খরচে ঘরের চালে চাল কুমড়া ফলানো যায়। তাই গ্রামের বাড়ির চালে চালে কৃষকরা চালকুমড়ার আবাদ করছে। চালকুমড়া সবজি হিসাবে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই কৃষকদের বাড়ি কোনার পতিত জমি ফেলে না রেখে চালকুমড়া বা মিষ্টি কুমড়া লাগাতে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

পৃথিবীর অন্যতম ব্যস্ত ও বৃহত্তম ট্রেন স্টেশন ভারতের হাওড়া স্টেশন
লেখকঃ মোঃ হায়দার আলীঃ কি বিষয়ে লিখব, তা চন্তা করছিলাম, শেষ পর্যন্ত ঠিক করলাম এবার দেশের হরতাল, অবরোধ, আগামি সংসদ নির্বাচন, তফসিল ঘোষনা এ নিয়ে লিখার চেষ্টা করলাম কিন্তু ভারত থেকে ঘুরে আসার পর বিদ্যালয়ের ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা একাডেমিক ভবন উদ্বোধন করেন রাজশাহী ১ আসনের এমপি সংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী।। ব্যস্ত থাকার কারণে থিম পরিবর্তন করে ভারতের হাওড়া স্টেশন নিয়ে লিখার জন্য তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করলাম।
১৮৫৪ সালের ১৫ অগস্ট। সকাল ৮টা নাগাদ হাওড়া থেকে হুগলির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে একটি ট্রেন। ঐতিহাসিক এই যাত্রা দিয়েই হাওড়া স্টেশনের পথ চলা শুরু। শুরুর মুহূর্তটির জন্য অপেক্ষা ছিল লাখ লাখ মানুষ।হাওড়া রেল ষ্টোশন (হাওড়া জংশন বা অনানুষ্ঠানিকভাবে হাওড়া স্টেশন নামেও পরিচিত) হল একটি রেলওয়ে স্টেশন। এটি ভারতের প্রাচীনতম, বৃহত্তম এবং ব্যস্ততম রেলওয়ে কমপ্লেক্সের পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম এবং বৃহত্তম ট্রেন স্টেশন।
হাওড়া হল কলকাতা মেট্রোপলিটন এলাকা এবং এর যমজ শহর কলকাতা পরিষেবা প্রদানকারী ছয়টি আন্তঃনগর ট্রেন স্টেশনগুলির মধ্যে একটি, অন্যগুলি হল শিয়ালদহ, ডানকুনি জংশন, সাঁতরাগাছি, শালিমার এবং কলকাতা রেলওয়ে স্টেশন। স্টেশন থেকে প্রথম পাবলিক ট্রেনটি ১৫ই আগস্ট ১৮৫৪-এ ছিল, যা এখন হাওড়া – হুগলি মেন লাইন। বর্তমানে প্রায় ৬০০টি যাত্রীবাহী ট্রেন স্টেশনের মধ্য দিয়ে যায় যা দৈনিক ভিত্তিতে এক মিলিয়নেরও বেশি যাত্রীকে সেবা দেয়। উপরন্তু, এর ২৩টি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে, এটি মোট ২৫২টি । মেল এক্সপ্রেস ট্রেন, প্রতিদিন ৫০০টি শহরতলির। ২৩টি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে ১০টি ২৪টির বেশি কোচের ট্রেনের জন্য যথেষ্ট দীর্ঘ। ভারতীয় রেলওয়ে বছরের জন্য পণ্য এবং পার্সেল ট্রেনগুলিও এখানে উৎপন্ন হয় এবং শেষ হয়। হাওড়া-বর্ধমান মেইন লাইন হল সবচেয়ে ব্যস্ত লাইন যা এই স্টেশনকে সংযুক্ত করে।
এটি ভারতের বৃহত্তম রেলওয়ে স্টেশন, এর ২৩ টি প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রতিদিন প্রায় ৬০০ ট্রেন চলাচল করে। দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে স্টেশনটি যে আমাদের রাজ্যেই রয়েছে তা জানেন। আজ্ঞে হ্যাঁ, অনেকেই হয়তো জানেন না যে আমাদের হাওড়া স্টেশনটি ভারতের বৃহত্তম রেলওয়ে স্টেশন। শুধু বৃহত্তমই নয়, এটি দেশের প্রাচীনতম রেলওয়ে স্টেশনও। প্রতিদিন প্রায় ৬০০ ট্রেন এই রেল স্টেশন দিয়ে যাতায়াত করে। তাই এর আরেক নাম রেল নগরী। দেশের সবচেয়ে সুন্দর রেলস্টেশনের তালিকাতেও জায়গা করে নিয়েছে এই স্টেশনটির।
কম সময়ে ও কম খরচে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে গেলে ভারতবাসীর প্রধান ভরসা রেলপথ। প্রতিদিন ট্রেনে যাতায়াত করেন লক্ষ লক্ষ ভারতবাসী। দূরপাল্লার ট্রেনযাত্রা অনেকের কাছেই বেশ রোমাঞ্চকর। সেই ভ্রমণ কিছু লোকজন যতটা উপভোগ করে, তার চেয়েও বেশি আগ্রহ দেখায় ভারতের স্টেশনগুলি সম্পর্কে। আমরা অনেকেই জানি যে ভারতের দীর্ঘতম রেলওয়ে স্টেশন হল গোরখপুর। কিন্তু দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে স্টেশন কোনটি জানেন? হাওড়া জংশন। এটিই ভারতের বৃহত্তম রেলওয়ে স্টেশন। শুধু বৃহত্তমই নয়, এটি দেশের প্রাচীনতম রেলওয়ে স্টেশনও এটা।
বৃহত্তম স্টেশন ছাড়াও, এটি ভারতের ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশনের মর্যাদা পেয়েছে। হুগলি নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত হাওড়া স্টেশনে প্রতিদিন প্রায় ৬০০টি ট্রেন এখান দিয়ে যাতায়াত করে। এখানে প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ লোক চলাচল করে। প্রথমবার এই রেল স্টেশনে পা রেখে অনেকেরই নাকি ধারণা হয় যে এটা একটা গোটা শহর। আমাদের সকলের প্রিয় এই স্টেশনটি সম্পর্কে অনেকেই হয়তো এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি জানেন না।
বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ
বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি রেল যোগাযোগ
হাওড়া জংশন ভারতের বৃহত্তম এবং প্রাচীনতম রেল স্টেশনগুলির মধ্যে একটি। ১৮৫৪ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দ্বারা এই স্টেশন নির্মিত হয়। ব্রিটিশ আমলের এই রেলস্টেশনটি আজও দাঁড়িয়ে আছে স্বমহিমায়। হাওড়া শহরের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছিল। এটি ভারতের একমাত্র রেলওয়ে স্টেশন, যার সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি রেল যোগাযোগ রয়েছে। মৈত্রী এক্সপ্রেস, কলকাতা এবং ঢাকার মধ্যে চলাচল করে উভয় শহরকে সংযুক্ত করে রেখেছে।রেলস্টেশনটি ব্রিটিশ আমলের তৈরি। একসময় এই মোড় ছিল বিপ্লবীদের কেন্দ্রস্থল। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় তাঁদের সভা-সমাবেশ ও যাবতীয় পরিকল্পনা এখানেই প্রস্তুত করা হত। কাকোরি ঘটনার আগে হাওড়া স্টেশনে থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন বিখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী যোগেশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
হাওড়া জংশন দেশের সবচেয়ে সুন্দর স্টেশনের মর্যাদাও পেয়েছে। শুধু বাইরে থেকে নয়, ভিতর থেকেও এই স্টেশনটিও আন্তর্জাতিক মানের। শহরের এই রেলওয়ে স্টেশনে রয়েছে টার্মিনাল ১ এবং টার্মিনাল ২। লোকে বলে পুরোনো স্টেশন ও নতুন স্টেশন। এই জংশনে একই সময়ে অনেকগুলি ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। ভারতের অন্য কোনও রেলস্টেশনে এই ব্যবস্থা নেই।
স্টেশনের পথ
বিমান : হাওড়ার নিকটতম বিমানবন্দর হল কলকাতা বিমানবন্দর। এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ধরা যায়।
রেলপথ : হাওড়া রেলওয়ে স্টেশনের সঙ্গে ভারতের সমস্ত বড় শহরের ভালো সংযোগ রয়েছে।
সড়কপথে : রাজ্য পরিবহন বাসের পাশাপাশি প্রাইভেট বাসগুলি শহরটিকে দেশের অন্যান্য শহরের সঙ্গে সংযুক্ত করে।হাওড়া স্টেশনের চাপ কমাতে একাধিক দূরপাল্লার এ বার ছাড়বে শালিমার স্টেশন থেকে। হাওড়া স্টেশনের পরিবর্তে শালিমার স্টেশন থেকে ট্রেনগুলি ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী মাস অর্থাৎ অগস্ট মাস থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে।
প্রাথমিক পর্বে চার থেকে পাঁচটি ট্রেনকে হাওড়া স্টেশনের পরিবর্তে শালিমার স্টেশন থেকে ছাড়া হচ্ছে। যে সব ট্রেন শালিমার থেকে ছাযা হবে, সেই তালিকায় রয়েছে হাওড়া- লোকমান্য তিলক এক্সপ্রেস, হাওড়া – সম্বলপুর এক্সপ্রেস। বছর কয়েক আগেই শালিমার স্টেশনকে ঢেলে সাজানো হয়েছে। এ বার দূরপাল্লার ট্রেন চালানোরও বন্দোবস্ত করছে রেল কর্তৃপক্ষ। আপাতত চার-পাঁচটি ট্রেন চালানো হলেও আগামিদিনে আরও বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন হাওড়া স্টেশনের পরিবর্তে শালিমার থেকে ছাড়া হবে। শালিমার রেল ইয়ার্ডটি ১৮৮৩ সালে তৈরি। পণ্য পরিবহণ করা হয় মূলত এই স্টেশন থেকে। ২০০০ সালে যাত্রী পরিবহন পরিষেবা শুরু হয় এই স্টেশন থেকে।
রেল ভ্রমনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত ভারত, বহুদূর দুরান্তে আরাম দায়ক ভ্রমন করা যায় এখানে। তাই ট্রেন ভ্রমন এখানে পচ্ছন্দের তালিকা থাকে ভ্রমন পিপাসুদের তালিকায় ।মোঃ হায়দার আলী
গোদাগাড়ী, রাজশাহী। -

উজিরপুরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার টেউটিন ও চেক বিতরন করলেন- এমপি শাহে আলম
মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধিঃ
বরিশালের উজিরপুরে উপজেলা প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের বরাদ্ধকৃত মানবিক সহায়তা টেডটিন ও চেক বিতরন করা হয়েছে।
১০ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪ টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারিহা তানজিন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বরিশাল ২ উজিরপুর বানারীপাড়া আসনের সংসদ সদস্য মোঃ শাহে আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল, গুঠিয়া ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মোঃ আওরঙ্গজেব হাওলাদার, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস ছালাম হাওলাদার, এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতলা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহীন হাওলাদার, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সভাপতি শিকারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম সরদার, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অয়ন সাহা,
সভা শেষে ৯৩ পরিবার ও ৭ টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০০ বান্ডিল টেউটিন ও ৩ লক্ষ টাকার চেক প্রদান করা হয়। -

ঝিনাইদহের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুই কর্মচারীর মৃ*ত্যু
আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুই কর্মচারীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে বগুড়া ইউনিয়নের কামান্না গ্রামে এঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো রাজবাড়ী জেলার আসাদ আলী ও মানিকগঞ্জ জেলার এনামুল হোসেন। তারা দুইজনে শৈলকুপা উপজেলার হাটফাজিলপুর সাব জোনাল অফিসের মিটার রিডার হিসাবে কর্মরত ও কামান্না গ্রামে একটি বাড়ি ভাড়া করে বসবাস করে আসছিলেন। জানা যায়, সকালে ভাড়া বাসায় ভিজা কম্বল শুকাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দুই কর্মচারী। স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির হাটফাজিলপুর সাব জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার কামরুজ্জামান জানান, শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়রা দেখতে পান হাটফাজিলপুর পল্লী বিদ্যুতের মিটার রিডার আসাদ আলী ও এনামুল হোসেন বাসার উঠানে পড়ে আছে। পরে দেখা যায় কম্বল শুকাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন শৈলক’পা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঠাকুর দাস মন্ডল।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান -

চাকুরীজীবি কো- অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন এর ২য় বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছা উপজেলা চাকুরিজীবী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড এর ২য় বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দি কো- অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ লিমিটেড (কালব) এর সহযোগিতায় শুক্রবার সকালে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা চাকুরিজীবী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড এর সভাপতি সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও প্রভাষক স ম আব্দুল ওহাব বাবলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন দি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লীগ অব বাংলাদেশ লিমিটেড কালব এর জেলা ব্যবস্থাপক মামুনুর রহমান মিয়া, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম, উপজেলা চাকুরিজীবী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড এর সহ সভাপতি রকিবুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক শেখ বেলাল উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল করিম মোড়ল, পরিচালক নুরুজ্জামান, নাছরিন আরা ও ম্যানেজার ডলি ডি কস্তা।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা খুলনা। -

জয়পুুরহাটে সরকারের উন্নয়নের বার্তা তুলে ধরে এমপি প্রার্থী মোস্তাকের নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়ন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণসহ সরকারের উন্নয়নের বার্তা সবার মাঝে পৌঁছে দিতে জয়পুরহাটে নাগরিক সমাবেশ করেছে জয়পুরহাট-১ আসনে এমপি পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জয়পুরহাট পৌরসভার মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।
গতকাল বিকেলে জয়পুরহাট শহরের জিরো পয়েন্ট পাঁচুর মোড়ে একনেকে ৪৯৯ দশমিক ৯০ কোটি টাকার জয়পুরহাট জেলা গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন ও এ জেলায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনে নাগরিক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
নাগরিক সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আ,লীগের সহ-সভাপতি মহসিন আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল শহীদ মুন্না, পাঁচবিবি উপজেলা আ, লীগের সহ-সভাপতি ও পৌর মেয়র হাবিবুর রহমান হাবিব, জেলা আ,লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন,সদস্য খোরশেদ আলম সৈকত, রফিকুল ইসলাম রফিক,
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার আমজাদ হোসেন,জয়পুরহাট পৌর আ,লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন সাবু, সাধারণ সম্পাদক কালীচরণ আগারওয়ালা, জেলা যুবলীগ সভাপতি রাসেল দেওয়ান মিলন, জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি গোলাম মোর্শেদ, জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি জাকারিয়া হোসেন রাজা, সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকী রেজা।
জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জয়পুরহাট পৌরসভার মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক বলেন,আজ উন্নয়নের মহাসড়কে বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। গত ১৫ বছরের উন্নয়নের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে।দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আবারও সকলকে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে।