Blog

  • কুমিল্লার ময়নামতিতে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নিহত সমাধিতে কুটনৈতিক দের পরিদর্শন

    কুমিল্লার ময়নামতিতে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নিহত সমাধিতে কুটনৈতিক দের পরিদর্শন

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে বিদেশি সৈনিক নিহত দের স্বরনে বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ওয়ারসেমিস্ট্রিতে শনিবার সকালে বিদেশি রাষ্ট্র দূতরা পরিদর্শনে আসেন এসময়

    বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর
    কমান্ডারের পক্ষে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে সাতটি দেশের হাইকমিশনার ও ডেপুটি হাইকমিশনারগণ হলিক্রসে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। প্রার্থনা অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার, প্রতিনিধি ও তাদের সঙ্গে আসা স্বজনরা ময়নামতি ওয়ারসিমেট্রিতে শায়িত যোদ্ধাদের সমাধি ঘুরে দেখেন।

    উল্লেখ্য, কুমিল্লা শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তরে সবুজের সমারোহ সুউচ্চ জায়গা জুড়ে অবস্থিত ময়নামতি ওয়ারসিমেট্রি বা কমনওয়েলথ রণসমাধি ক্ষেত্র। এখানে ১৩ দেশের ৭৩৭জন যোদ্ধার মধ্যে ব্রিটেনের ৩৫০জন, কানাডার ১২জন, নিউজিল্যান্ডের ৪জন, দক্ষিণ আফ্রিকার ১জন, পূর্ব আফ্রিকার ৫৬জন, পশ্চিম আফ্রিকার ৮৬জন, ভারতের ১৭২জন, বার্মার ১জন, দক্ষিণ রোডেশিয়ার ৩জন, বেলজিয়ামের ১জন, পোল্যান্ডের ১জন, জাপানের ২৪জন এবং বেসামরিক ১জনকে সমাহিত করা হয়।

    ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে চিরনিদ্রায় শায়িত সৈনিকদের মধ্যে মুসলিম ধর্মের ১৭২জন, বৌদ্ধ ধর্মের ২৪জন, হিন্দু ধর্মের ২জন এবং বাকিরা খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বী। লন্ডন ভিত্তিক কমনওয়েলথ গ্রেভস কমিশন নামে একটি সংস্থা ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রির সার্বিক তদারকির দায়িত্বে রয়েছে।

  • আইকনিক কক্সবাজার রেল ষ্টেশন উদ্ভোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    আইকনিক কক্সবাজার রেল ষ্টেশন উদ্ভোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    দুপুর ১২.৫৮ মিনিটে পর্যটন নগরীতে দোহাজারী-চট্টগ্রাম রেললাইনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা চান্দেরপাড়া এলাকায় নির্মিত আইকনিক রেল স্টেশনের উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে রেল পরিবহনে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হলো।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করলেন রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। স্বাগত বক্তব্য রাখলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

    দোহাজারী-চট্টগ্রামে রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সারাদেশের সঙ্গে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় এলো পর্যটন নগরী। রেললাইন নিয়ে ভীষণ উচ্ছ্বসিত কক্সবাজারের মানুষ। ১লা ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে রেল চলাচল।

    এই প্রকল্পে সিঙ্গেল লাইন মিটারগেজ রেলপথ নির্মাণের কথা ছিলো। কিন্তু ট্রান্স এশীয় রেলপথের সঙ্গে সংযুক্ত হতে ব্রডগেজ রেলপথ লাগবে। তাই প্রকল্প সংশোধন করা হয় ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল।

    কক্সবাজারে আইকনিক স্টেশন নির্মাণের পাশাপাশি নির্মাণ ও সংস্কার করা দোহাজারী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, হারবাং, চকরিয়া, ডুলাহাজরা, ইসলামাবাদ এবং রামু রেলস্টেশন।

    এই রেললাইনের আওতায় ৩৯টি বড় আকারের সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রায় ২২৩টি ছোট সেতু ও কালভার্ট, বিভিন্ন শ্রেণির ৯৬টি লেভেলক্রসিং নির্মাণ করা হয়েছে। হাতি চলাচলের জন্য আলাদা করে আন্ডারপাস করা হয়েছে।

    সম্পুর্ণ ধংশ স্তুপ করা দেশকে গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। কিন্তু ঘাতক পাকিস্তানীর দোসররা তা শেষ করতে দেয়নি।

    গত ১৫ বছরে আমরা জাতির জনকের স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

    সাধারণ মানুষরা চান আগামীতে আবারও নৌকা মার্কায় দেশ চালাক।

  • উজিরপুরে নানা আয়োজনে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    উজিরপুরে নানা আয়োজনে যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম,উজিরপুর প্রতিনিধিঃ

    বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলায় যুবলীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন , আলোচনা সভা , র‍্যালী , মটর সাইকেল শোভাযাত্রা এবং কেক কেটে দিবসটি পালন করা হয়। ১১ নভেম্বর শনিবার সকাল ১০ টায় ইচলাদী বাস স্ট্যান্ডে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং পৌর মেয়র মোঃ গিয়াস উদ্দিন বেপারীর সভাপতিত্বে এবং অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও প্যানেল মেয়র মোঃ হেমায়েত উদ্দিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ আনিসুর রহমান, আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এস এম জামাল হোসেন, আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান ইকবাল, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান অপূর্ব কুমার রন্টু বাইন,আওয়ামী লীগের অন্যতম সদস্য এ্যাডভোকেট সালাউদ্দিন আহমেদ শিপু , মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বিউটি খানম , আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব হাকিম সেনিয়রাবাদ, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি তাপস কুমার রায় , যুবলীগ নেতা এনামুল হক শাহিন , শ্রমিকলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম শিপন মোল্লা , উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অসীম কুমার ঘরামী প্রমুখ । এ সময় উপস্থিত ছিলেন,শিকারপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুর রহিম মাস্টার, শিকারপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মাঝি, সাবেক চেয়ারম্যান সরোয়ার হোসেন , সাতলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম হাওলাদার সহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীবৃন্দ। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতা কর্মীরা ব্যাপক শোডাউন নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। আলোচনা সভার পূর্বে ৫ শতাধিক মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে ইচলাদী থেকে বামরাইল পর্যন্ত প্রদক্ষিন করেন। আলোচনা শেষে কেক কেটে দিবসটি পালন করা হয়।

  • চারঘাট উপজেলায় যত্রতত্র চলছে লাইসেন্স বিহীন এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা

    চারঘাট উপজেলায় যত্রতত্র চলছে লাইসেন্স বিহীন এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে চলছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা। এ সব দোকান গুলোতে সরকারি বিধি মোতাবেক লাইসেন্স বা অগ্নি নির্বাপক অনুমোদন ছাড়াই চলছে অবাধে ব্যবসা।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ সব ব্যবসায়ীরা আইনের তোয়াক্কা না করেই শুধু মাত্র ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

    উপজেলার চারঘাট বাজার, সরদহ বাজার, নন্দনগাছী বাজার, কাঁকড়ামারী বাজার সহ প্রত্যন্ত এলাকা বাজার গুলোতেও চলছে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা। এ সব ব্যবসায়ীরা জানে না যে এই গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা করতে অনুমোদন লাগে। অথচ উপজেলার বিভিন্ন এলাকাতে অনুমোদন ছাড়াই চলছে এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা।

    উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এই এলপি গ্যাস সিলিন্ডার দোকানের সামনে খোলা আকাশের নিচেই রেখে বিক্রি করছে দোকানদাররা। আমরা জানি গ্যাস সিলিন্ডার শুধু রান্নার কাজেই ব্যবহার করা হয় কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে একটি মহল বিস্ফোরক দ্রব্য হিসেবে ব্যবহার করছে। গত শনিবার দিনগত রাতে (০৪ নভেম্বর ২০২৩) সরদহ রেল স্টেশনের অদূরে পূর্ব দিকে রেললাইনের নিচে চেইন দিয়ে বেঁধে দুবৃত্ত্বরা ট্রেন ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে এই গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করেছিলো কিন্তু সরদহ রেল স্টেশনের কর্মকর্তা ও এলাকাবাসীরা এসে বড় ধনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করেছিলো এই রেললাইন।
    এ সব অনুমোদন বিহীন গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় অবিলম্বে বন্ধ করা হোক বলে দাবি জানান এলাকাবাসী।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চারঘাট ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ইনর্চাজ মোজাম্মেল হক বলেন, গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করতে হলে ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন ও বিস্ফোরক আইনের অনুমোদন লাগবে।

    এ ছাড়াও চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস এবং বিস্ফোরক আইন অনুমোদন ছাড়া গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রয় করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আ’লীগ নেতা ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরীদলের দু:স*ময়ে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর অবদান রয়েছে

    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আ’লীগ নেতা ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরীদলের দু:স*ময়ে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর অবদান রয়েছে

    মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার:
    চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য ও মানবতার ফেরিওয়ালা পটিয়া নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী জীবন বলেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু স্বাধীনতা সংগ্রাম ও দলের দু:সময়ে অবদান রেখেছেন। বাবু ভাই ছিলেন গণমানুষের নেতা। তিনি সর্বস্তরের ও সর্বশ্রেণি-পেশার মানুষকে সমান চোখে দেখতেন। চট্টগ্রামের উন্নয়নে অনেক বড় বড় স্বপ্নের কথা তিনি বলতেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন হতে চলেছে। ১০ নবেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের পর মরহুম আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর কবরস্থানে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁর বিদ্রেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মুনাজাত করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা কাজী মো.মোরশেদ, মো. জাহাঙ্গীর মেম্বার, পটিয়া নজির আহমেদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম, শাহজাহান কিবরিয়া, যুবলীগ নেতা ইউসুফ খাঁন, মহিউদ্দিন সুমন, আলহাজ¦ খোরশেদ আলম মেম্বার,নজরুল ইসলাম, আসিফ ইকবাল, মো. রুবেল, মো. এয়াকুব, নাফিস ইকবাল, আতিকুর রহমান, মো. মারুফ প্রমুখ।

  • সংবাদ সম্মেলন করেন সিগারেট কোম্পানির অপ*তৎপরতা রোধে

    সংবাদ সম্মেলন করেন সিগারেট কোম্পানির অপ*তৎপরতা রোধে

    মো.হাসমত উল্লাহ, লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাটে যৌথ ভাবে ”দেশব্যাপি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন: তামাক কোম্পানির বেপরোয়া” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রফিট ফাউন্ডেশন

    জাতীয় তামাক মুক্ত দিবস -২০২৩ লালমনিরহাটে পিএফ আইটি ট্রেনিং সেন্টার এন্ড পাঠাগারে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রফিট ফাউন্ডেশন, যৌথ ভাবে ”দেশব্যাপি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন: তামাক কোম্পানির বেপরোয়া” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে মূলত বিদেশী দুটি তামাক কোম্পানির মাধ্যমে সারাদেশে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন লঙ্ঘন এবং আইন সংশোধন প্রক্রিয়া তাদের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির বিষয়টি তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলন থেকে সুপারিশঃ দ্রুততম সময়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনী চুড়ান্ত করা তামাক কোম্পানির প্রভাব থেকে নীতি সুরক্ষায় এফসিটিসি এর অনুচ্ছেদ ৫.৩ অনুসারে কোড অব কন্ডাক্ট গ্রহন টাস্কফোর্স কমিটিসমূহ সক্রিয় করা,কমিটির ত্রৈমাসিক সভা নিয়মিতকরন,সভার সিদ্বান্তসমূহ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা আইন লঙ্ঘনের দায়ে তামাক কোম্পানি/ প্রতিনিধিকে আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি জেল প্রদান আইন লঙ্ঘনকারী তামাক কোম্পানিগুলোর বিরুদ্বে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন মনিটরিং কার্যক্রমের সাথে বেসরকারী সংস্থাগুলোকে সম্পৃক্ত করন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুসারে একটি শক্তিশালী তামাক কর নীতি প্রণয়ন বাস্তবায়ন করা।

    সিগারেট কোম্পানির অপতৎপরতা রোধে শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন। ২০৪০ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী দেশকে তামাকমুক্ত করতে নানা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে । তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যমাত্রা নিকোটিন নির্ভর বিকল্প পণ্য সমূহের ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া এবং নিয়মতান্ত্রিকভাবে বাজারজাতকরণে সুপারিশ করেছেন দেশী ও আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও নীতিপ্রণেতারা । পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ধূমপানের ক্ষতি হ্রাসের জন্য প্রচলিত সিগারেটের উপর কঠোর বিধি নিষেধ আরোপের পরামর্শ দেন। প্রফিট ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মোছা: মোতাহারা বেগমের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন প্রফিট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও সাংবাদিক মোঃ নুরুজ্জামান আহমেদ, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ও সাংবাদিক মোঃ মোখলেছুর রহমান টুকু, বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সদস্য ও দৈনিক ভোরের কাগজ সাংবাদিক মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু, বিএমএসএস কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও সাংবাদিক নুর আলমগীর অনু, এশিয়ান টিভি সাংবাদিক মোঃ রাকিবুল ইসলাম রানা, আরো উপস্থিত ছিলেন রিপোর্টার্স ক্লাব যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মো.হাসমত উল্লাহ,রেজাউল করিম রাজ্জাক,রাশিদুল ইসলাম রিপন,পরিমন চন্দ্র বসুনিয়া, হামিদুল হক হিমন,আল আমিন বাবু,সহ আরো অনেক।
    সংবাদ সম্মেলনে সঞ্চালন করেন পিএফ এর প্রোগ্রাম অফিসার ইস্মোতারা বেগম।

    হাসমত উল্লাহ।

  • পটিয়ার ছনহরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ৪,৫,৬ ও ৯নং ওয়ার্ডের কর্মীসমাবেশ সম্পন্ন

    পটিয়ার ছনহরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ৪,৫,৬ ও ৯নং ওয়ার্ডের কর্মীসমাবেশ সম্পন্ন

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টার:
    পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের আওতাধীন ছনহরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আওতাধীন ৪,৫,৬ ও ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কর্মীসমাবেশ ছনহরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিজাম আলমদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইরফান সিকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
    উক্ত কর্মীসমাবেশে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের মাননীয় হুইপ আলহাজ্ব সামশুল হক চৌধুরী এমপি।
    উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছনহরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জহির উদ্দীন।
    প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছনহরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ওসমান আলমদার।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছনহরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির,ইউপি সদস্য আলমগীর তালুকদার,ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা শহিদ তালুকদার,সুচরিত ঘোষ,বিশিষ্ট সমাজসেবক ফোরকান মিয়া, ছনহরা ইউনিয়ন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের,যুবলীগ নেতা মোঃহোসাইন,পটিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মোরশেদ তালুকদার।
    বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা বোরহান উদ্দীন আলমদার,সালাহউদ্দীন কাদের,আরমান আলমদার,মিসকাদুল ইসলাম,নাজিম উদ্দীন ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা তকিব ইসলাম, জালাল উদ্দীন আনান,মিজান রশীদ,অজয় দাশ,সাইফুল ইসলাম,ফরমান তালুকদার,অনিক দাশ প্রমুখ।

  • হবিগঞ্জে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আমরা কখনো পুলিশ হ*ত্যা করিনি

    হবিগঞ্জে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আমরা কখনো পুলিশ হ*ত্যা করিনি

    মশিউর রহমান,
    হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।। হবিগঞ্জে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ আন্দোলন করেছে কিন্তু কখনও পুলিশ হত্যা করিনি। বিএনপি-জামায়াত কিভাবে পুলিশকে পিটিয়ে হত্যা করেছে সেটি দেখেছে দেশবাসী । অচিরেই তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শনিবার (১১ নভেম্বর) বেলা ১১টায় হবিগঞ্জের নবনির্মিত পানি শোধনাগার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন এছাড়াও উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এবং
    হবিগঞ্জ পৌর মেয়র আতাউর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথিগণদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ খান, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. আলি আখতার হোসেন ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আলমগীর চৌধুরী। এর পূর্বে মন্ত্রী জেলা পরিষদের নবনির্মিত গেস্ট হাউজ ও বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ ভবন উদ্বোধন করেন।

  • বিএনপি-জামায়াত  আন্দোলনের নামে দেশে  সহিং*সতায় মেতে উঠেছে – তাজবিদ তাহমিদ হিমেল

    বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে দেশে সহিং*সতায় মেতে উঠেছে – তাজবিদ তাহমিদ হিমেল

    মহিউদ্দীন চৌধুরী:
    বি এন পি জামাতের ডাকা অবৈধ হরতালের প্রতিবাদে পটিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের উদ্দ্যেগে শান্তি সমাবেশে কাশিয়াইশ আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি তাজবিদ তাহমিদ এবং সাধারণ সম্পাদক মো নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দেন কাশিয়াইশ ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা নিউটন তালুকদার, সঙ্করশেন, দ্বীপন বড়ুয়া,সাইফুল ইসলাম, সাজ্জাদ, মনা, রক্তিম মজুমদার,পটিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ এনাম কাশিয়াইশ ইউনিয়ন ছাত্রীলগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাইমুল ইসলাম কফিল সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
    এ সময় তাজবিদ তাহমিদ হিমেল
    বলেন,বিএনপি-জামায়াত আন্দোলনের নামে দেশে নৈরাজ্য, জ্বালাও- পোড়াও, ভাঙচুর ও সহিংসতায় মেতে উঠেছে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তারা যেন কোন ভাবে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে না পারে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে কোনভাবে বাঁধাগ্রস্ত করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

  • পূবাইল বাজার মৎস্য আড়ৎ গুলোতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

    পূবাইল বাজার মৎস্য আড়ৎ গুলোতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

    রবিউল আলম,

    পূবাইল গাজীপুর প্রতিনিধি:

    গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল বাজারে দেশীয় প্রজাতির মাছ ক্রয়ে নির্ধারিত মূল্যের প্রতি ১০০ টাকায় অতিরিক্ত ২০ টাকা খাজনা নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে আড়ৎ মালিকদের বিরুদ্ধে। এতে গরিব অসহায় ক্রেতাগণ মাছ ক্রয় করতে অক্ষম এবং তাদের হাতের নাগালের বাইরে চলে যায় অভিমত ভুক্তভোগীদের।প্রতিদিন ভোর পাঁচটা হতে সকাল আটটা পর্যন্ত চলে এ মাছ বাজার বিক্রির মহা উৎসব ।প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ লক্ষ নগদ টাকার লেনদেন হয় এই মৎস্য আড়ৎগুলোতে। জানা যায় ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী পূবাইল বাজারে মৎস্য আড়ৎদারদের নিয়ে মাছের এই ব্যবসা চলে। যেখানে আড়ৎ মালিকদের বৈধ কোন কাগজপত্র নাই নামে মাত্র কয়েকজন ট্রেড লাইসেন্স করলেও এতে নিয়মের কোন বালাই নাই, নিজস্ব ইচ্ছে মত চালিয়ে যাচ্ছে তাদের মাছের ব্যবসা। পূবাইল বাজার মৎস্য আড়ৎ গুলোতে গিয়ে দেখা যায় ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে আসা জেলেরা বল বাটি ভর্তি মাছ নিয়ে আড়ৎ মালিকদের সামনে সেখানে আড়ৎ মালিকরা মাছের সর্বোচ্চ দাম হাকে এতে উপস্থিত ক্রেতাগণ যে ১০ টাকা বেশি মূল্যে মাছ ডাকে সাড়া তাকে মাছ ভিট করা হয় কিন্তু তার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত শতকরা আরো ২০ টাকা করে দিতে হয় আড়ৎ মালিকদের কে। সততা মৎস্য আড়ৎ এর মালিক আবুল খায়ের ও বাড়িয়া ইউনিয়ন ৮ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার বাচ্চু ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন জানান আমরা নিজস্ব অর্থায়নে জেলেদেরকে বাৎসরিক ধাদন দিয়ে থাকি তাই আগত ক্রেতাদের নিকট হতে শতকরা ২০ টাকা করে অতিরিক্ত নেওয়া হয় এটা খুব বেশি না। এছাড়াও চাচা ভাতিজা মৎস্য আড়ৎ, সিকে মৎস্য আড়ৎ,রিহাব মৎস্য আড়ৎ, শাহজালাল,ভাই ভাই মৎস্য আড়ৎ হেলাল উদ্দিন, সাইফুল,নিপু সহ একাধিক আড়ৎ মালিকরা এ ধরনের অতিরিক্ত খাজনা আদায়ে লিপ্ত। হারবাইদের মান্নান বলেন আমি ডাকে ২০০ টাকা মূল্যে মাছ পেয়েছি আমার নিকট থেকে আড়ৎদারগণ আরো অতিরিক্ত ৪০ টাকা বেশি নিয়েছেন। পূবাইল বাজার ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন আমি ১৫২০ টাকার মাছ ক্রয় করে আড়ৎ মালিক কে ১৯০০ টাকা দিতে হয়েছে ।স্থানীয় রুহুল আমিন ও আফজাল হোসেন জানান দীর্ঘদিন ধরে অন্যায় ভাবে আড়ৎদারগণ তাদের নিজেদের সুবিধার জন্য ক্রেতা ঠকিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। আমরা প্রশাসনিক ভাবে এর হস্তক্ষেপ কামনা করি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে আড়ৎ মালিকেরা নিজেদের ইচ্ছামতো ক্রেতা ঠকিয়ে মাছের এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।পূবাইল বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক জানান, সাধারণ ক্রেতাদের নিকট হতে শতকরা ২০ টাকা খাজনা নেওয়া যুক্তি সঙ্গত নয় তবে আমি সকলের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নিব।স্থানীয় ৪১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন মোল্লা বলেন ,আমি এ বিষয়ে অবগত আছি ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আমি জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছি তিনি আশ্বস্ত করেছেন এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন তারপরও স্থানীয় কাউন্সিলর হিসেবে যাতে করে অতিরিক্ত শতকরা ২০ টাকা সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকে না নেওয়া হয় সে ব্যাপারে আমি সাধ্যমত ব্যবস্থা নিব।