হেলাল শেখঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক ও ত্যাগী নেতা হওয়া এতো সহজ নয়। বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস জানতে হলে বেশি বেশি বই পড়তে হবে। ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শুভ জন্মদিন এবং ১৫ আগস্ট মৃত্যু বার্ষিকী তা অনেকেই জানেন না। বর্তমানে কিছু অনুপ্রবেশকারী, তাদের মুখে নৌকা, অন্তরে ধানের শীষ। নৌকা মার্কার বিজয় নিশ্চিত করতে প্রকৃত আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে।
শক্রমুক্ত হোক দেশ ও স্বাধীনতা সে আমার-স্বজন হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন, স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রিয় মানুষগুলোর রক্তে কেনা অমূল্য ফসল লাল সবুজের বাংলার পতাকা। একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতা। বাংলাদেশের স্থপ্রতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উচ্চারণ ও দেশের জন্য মরতে পারি প্রয়োজনে মহারণ, তবুও শক্রমুক্ত হোক বাংলাদেশ, এই কথাগুলো আমরা ভুলতে পারি না কারণ,যা শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, তা এখন বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশের মানুষ জানেন, তা এখন ইতিহাস।
বিশেষ করে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পতাকা বুকে নিয়ে মানুষ ঐক্যে সেদিন গোটা দেশ, একটি কথা একটি আশা শক্রমুক্ত হবে বাংলাদেশ। লাখো মায়ের আহাজারি, স্বাধীনতা তোমার লাগি ঝড়ছে পাহাড় পরিমাণ রক্ত, কত অশ্রুবারি হয়েছে বাংলার বুকে। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে গড়লো যারা নতুন দেশ, তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, তাদের রক্তে আজ এই বাংলাদেশ স্বাধীন। আমরা পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা। দেশ ও জাতির স্বার্থে যারা কাজ করেছেন, যারা স্বাধীনতার জন্য হাসি মুখে জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি, যারা রাজনৈতিক ফায়দা নিতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ভাংচুর করে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে যারা অপমান করে আমরা তাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, বর্তমানে বাংলাদেশে নেতার অভাব নেই কিন্তু প্রকৃত ত্যাগী নেতা ও ভালো কর্মীর খুবই অভাব।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই নেতা ও সাংবাদিক বনে গেছেন, তারা বেশিরভাগ ব্যক্তি যা পায় তাই খায়, তারা দলের কিছু শীর্ষ নেতা ও কিছু পুলিশ অফিসারের সাথে ছবি তুলে সেই ছবি দেখিয়ে ফায়দা নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে বিভিন্ন ফায়দা নিতে যারা চেষ্টা করছে, সঠিকভাবে তাদেরকে শনাক্ত করাসহ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন অনেকেই। সিন্ডিকেট করে যারা কোটি কোটি টাকার অবৈধ কারবার করছে কিছু নেতা ও জনপ্রতিনিধি-এতে জটিলতা সৃষ্টি করেছে তারা। কিছু প্রভাবশালীরা অবৈধ কর্মকান্ড পরিচালনা করতে কিছু শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে ফায়দা লুটছে। তাদের মুখে বঙ্গবন্ধুর নাম মানায় না, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক বা প্রকৃত কর্মী হওয়া সহজ বিষয় না। শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের যারা হত্যা করেছে তাদের বাংলার মাটিতে কঠিন শাস্তি দাবি করেছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের অঙ্গীকারের মধ্যদিয়ে জাতীয় দিবসগুলো পালন করে আসছেন জাতি। সবাইকে বাংলাদেশের ইতিহাস জানা দরকার। বাংলাদেশের নাম লেখা হতো না, লাল সবুজের পতাকা উঁড়তো না, যদি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে এই দেশ স্বাধীন না হইতো। ইতিহাস পড়ুন, দেশ ও জাতির সম্পর্কে সবকিছু জানুন, শেখ মুজিবুর রহমানের কেমন নীতি ছিলো, কেমন মানুষ ছিলেন তিনি। কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে? ইতিহাস বলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, ২মার্চ ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহান নায়ক হিসেবে বলা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
বিশেষ করে ২৪তম বিসিএস ২০০৩ সালের ১২২ পাতায় কম্পিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইডের সুত্র: বাংলাদেশের মোট জমির পরিমাণ ৩কোটি ৬৬ লক্ষ ৭০ হাজার একর। বাংলাদেশে মাথাপিছু আবাদী জমির পরিমাণ প্রায় ২৫ একর (২৫শতাংশ)। বাংলাদেশের মোট শ্রমশক্তির কতভাগ লোক কৃষি কাজে নিয়োজিত, তা আমরা অনেকেই জানিনা। তথ্যমতে প্রায় ৬৬ভাগ মানুষ কৃষি কাজ করেন, কিন্তু আবাদী জমিতে বাড়ি ঘর ইটভাটা ও কল কারখানা হওয়ায় এখন ফসলি জমি কমে যাচ্ছে। প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে। এরপর ২০০২ সালে ৪র্থ কৃষি শুমারি হয় এরপর ২০২২ সালে। কৃষি জমি ও কৃষকের উন্নয়নের জন্য ২০০০ সাল পর্যন্ত মহাপরিকল্পনা নেয়া হয় কিন্তু দেশের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ বা সেতু নির্মাণ করছে সরকার-এতে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না, এতে যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হচ্ছে, শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে। তথ্যমতে কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশে জনসংখ্যা ছিলো মাত্র ৭ কোটি, যা বর্তমান ২০২২-২৩ইং সালে প্রায় ১৮ কোটির মতো। মানুষের খাদ্য বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা সঠিকভাবে চলেছে। বর্তমানে উন্নয়নমুখী সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের নেতাকর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন, এরইজন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সরকার। ধন্যবাদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। লিখতে গিয়ে থামতে মন চায় না, শেখ মুজিবুর রহমান তোমাকে আমরা ভুলিনি আর কোনদিন ভুলবো না।
Blog
-

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক হওয়া এতো সহজ নয়
-

মহালছড়িতে যুবলীগের ৫১তম পূর্তিতে আলোচনা সভা ও কেককাটা অনুষ্ঠিত
রিপন ওঝা,মহালছড়ি
মহালছড়িতে আজ ১১নভেম্বর শনিবার ৪.০০ঘটিকায় দলীয় কার্যালয়ে যুবলীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ৫১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মহালছড়িতে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।।
মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সকল সহযোগী অঙ্গ সংগঠন কর্তৃক আয়োজেন অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও কেককাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রতন কুমার শীল ও মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।
এ সময়ে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মহালছড়ি উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সভাপতি বাবলু চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রনজিত দাশ, মহালছড়ি সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অনন শীল, ১নং মহালছড়ি সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোঃ জাহিদ, মাইসছড়ি ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মোঃ ফজর আলী, ৩নং ক্যায়াঘাট ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহমুদুর রহমান মামুন সহ প্রমুখ।
এ সময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ ও মহিলা লীগ, যুবলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ, বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ইউনিয়ন পর্যায় হতে আগত সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ।
উক্ত প্রতিবাদ সভায় উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজল কান্তি দাশের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক মাসুদ সঞ্চালনা করেন।
-

শেখ হাসিনার বিজয় মানে আপনাদের বিজয়
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার বিজয় মানে আপনাদের বিজয়। তিনি বলেন, এদেশের মানুষকে বিভিন্ন রকমের ভাতা ও সহায়তা প্রদান করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এসব টাকা দিয়ে আপনাদের অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করেছেন। আপনাদের সুখে রেখেছেন। বাংলাদেশের সুখ পাখি হিসেবে শেখ হাসিনা দেখা দিয়েছি। শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ এদেশের মানুষকে সুখি রাখতে পারেনি আগামিতেও পারবে না। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন জানুয়ারী মাসে। এই ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করার দায়িত্ব প্রতিটি মা-বোন ভায়ের। শেখ হাসিনা জিতলে আপনি জিতবেন। আপনি জিতলে বাংলাদেশ জিতবে , তাতেই আপনি সুখি হবেন। যে যাই বলুক শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ আপনাদের সুখে রাখতে পারবে না। গত ১১ নভেম্বর শনিবার রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার গোগ্রাম ইউনিয়নের সরকারের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় সুবিধাভোগীদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এসব কথা বলেন।
তিনি নৌকায় সকলকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেমন শেখ হাসিনা জানখুলে, দুই হাত ভরে আপনাদের দিয়েছে, ঠিক সেই ভাবে আপনারাও জানুয়ারী মাসে জাতীয় ভোটে প্রত্যেকে নৌকায় ভোট দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভর্তি করে দিবেন। যেমন আজকে আপনারা উপস্থিত হয়ে আমার মনপ্রাণ ভরে দিয়েছেন। ঠিক সেই ভাবে আপনারাও জানুয়ারী মাসের নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার মনপ্রাণ ভরে দিবেন। ফারুক চৌধুরী আরো বলেন, বিএনপি-জামায়াত ইসলামের নামে ভক্ষক। আমেরিকার হয়ে ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে আছেন। শেখ হাসিনা ফিলিস্তিনের জন্য ঔষধ পাঠিয়েছে। তারা ভয় পাচ্ছে মুসলমানদের পক্ষে কথা বলতে যদি প্রভু আমেরিকা অখুশি হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আরো বাড়ী দিবে। তিনি বলেছেন যতদিন পর্যন্ত গৃহহীন থাকবে ততদিন বাড়ী দিবো জমিসহ। বিনা টাকায়
জমিসহ বাড়ী প্রদান পৃথিবীর বুকে নজিরবিহীন কাজ। জনগণ হলেন দেশের মালিক। আমি আপনাদের প্রতিনিধি। আমাকে আপনাদের জবাবদিহিতা করতে হবে। সুতরাং আমাকে আপনাদের এসব বিষয় জানাতে হবে। আগামী ৫ বছর যদি হাসিনাকে বিজয়ী করা যায় কথা দিচ্ছি ১৫ বছরের কাজ আগামী ৫ বছরে গোগ্রাম ইউনিয়নে করে দেবার প্রতিশ্রুতি দেন এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী। বিএনপি এদেশের মানুষকে কিছু দিয়েছে গর্ব করার মত চোখে পড়ে না। তারা এদেশে বাংলা ভায়ের জন্ম দেওয়ার মত গর্ব করা যায়। এদেশে জঙ্গিবাদের স্থান দেবো না। নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়বো এটিই স্বপ্ন।
গোগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম , গোদাগাড়ী পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ, দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খাতুন মিলি, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণা রানী ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বিপ্লবপ্রমুখ।
উল্লেখ্য আওয়ামী লীগ সরকারের তিন মেয়াদ ১৫ বছর সময়ে গোগ্রাম ইউনিয়নের (ইউপি) ৮ হাজার ৩০২টি পরিবারের ২৭ হাজার ৭৮১ জনকে বিভিন্ন ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। যা টাকার অঙ্কে ৯৭ কোটি ৫২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। গ্রোগ্রাম ইউনিয়নের (ইউপি) সাধারণ মানুষ এসব টাকা পেয়েছেন।# -

আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পল্লী চিকিৎসকদের সংগঠন আরএমপি ওয়েল ফেয়ার সোসাইটি পাইকগাছা উপজেলা শাখার মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের উপজেলা সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন সহ সভাপতি এস রোহতাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ও সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। সভায় সোলাদানা ইউনিয়ন কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয় এবং মানস কুমার মন্ডল কে সভাপতি ও রেজাউল করিমকে সাধারণ সম্পাদক করে গড়ইখালী ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহ সভাপতি জি এম শাহদাত হোসেন, আব্দুর রাশেদ ও তাপস কান্তি সানা, সহ সম্পাদক ইয়াছিন আলী, বিশ্বজিৎ কুমার, কোষাধ্যক্ষ ইসমাইল হোসেন, সহ কোষাধ্যক্ষ অঞ্জন কুমার ও হরপ্রসাদ সানা, সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ কুমার, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক, সুজন সানা, সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদের, শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক দুর্গা দাশ, সহ শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশীদ, প্রচার সম্পাদক ফয়সাল হোসেন, ও সদস্য বিল্লাল হোসেন। -

প্রধান শিক্ষক ও পঞ্চম শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছার ১৪০ নং সরল দীঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আশুতোষ কুমার মন্ডল ও প ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান শনিবার সকালে বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের সভাপতি প্রভাষক আছাবুর রহমান শিমুল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা। শিক্ষক রামপ্রসাদ এর স ালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউআরসি ইন্সট্যাক্টটর ইমান উদ্দিন, কাউন্সিলর আব্দুল গফফার মোড়ল, প্রাক্তন অধ্যাপক জিএমএম আজহারুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ, প্রাক্তন শিক্ষক মুনসুর আলী গাজী, বিদায়ী প্রধান শিক্ষক আশুতোষ কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষক ফাতেমা খাতুন, ডিএম শফি, কোহিনূর ইসলাম, শিক্ষক মাখন লাল সরকার, ছায়রা খাতুন, আব্দুস সালাম ও শারমিন আক্তার রিতু। অনুষ্ঠানে বিদায়ী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট, উপহার ও পরীক্ষা উপকরণ প্রদান করা হয়। -

টেকনাফে র্যাবের অভিযানে ইয়াবাসহ আট*ক-২
কে এম নুর মোহাম্মদ
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিকক্সবাজার টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের কুরাবুইজ্জাপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারীকে আটক করেছে র্যাব-১৫।
আটককৃত মাদক কারবারীরা হলেন,টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের কুরাবুইজ্জাপাড়ার মোঃ মমতাজ মিয়ার ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান (২০) ও একই ইউনিয়নের বাহারছড়ার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ জিয়াবুল করিম প্রঃ কাশেম (২০)।
কক্সবাজার র্যাব-১৫, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) মোঃ আবু সালাম চৌধুরী
গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি জানান, শুক্রবার (১০ নভেম্বর) রাতে র্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, টেকনাফ থানাধীন সাবরাং ইউনিয়ন, কুড়াবুইজ্জাপাড়া এলাকায় কতিপয় মাদক কারবারী বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় অথবা অন্যত্র প্রেরণের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৫, কক্সবাজার সিপিএসসি-১ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনাকালে র্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে মোঃ মিজানুর রহমান এবং মোঃ জিয়াবুল করিম প্রকাশ কাশেম নামে দুইজন কারবারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত মাদক কারবারীদের দেহ ও সাথে থাকা শপিং ব্যাগ তল্লাশী করে তাদের হেফাজত থেকে সর্বমোট ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এছাড়াও তারা র্যাবের উপস্থিতি বুঝতে পেরে কৌশলে পালিয়ে যায় মর্মে স্বীকার করে। আটককৃত মাদক কারবারীরা জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন যাবত যোগসাজসে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত। উক্ত গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদ্বয় পরস্পর যোগসাজশে মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা হতে সংগ্রহ করে কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রয় করে আসছিল বলে জানায়।তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবাসহ ধৃত মাদক কারবারীরদ্বয়ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
-

পাইকগাছায় ফ্রী স্বাস্থ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় আর আর এফ’র সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় নাক,কান ও গলা বিষয়ক ফ্রী চিকিৎসা স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলার গদাইপুর সংস্থার কার্যালয়ে শনিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন আরআরএফ এর খুলনা জোনের আ লিক পরিচালক মোঃ মাহফুজুর রহমান। বিশেষজ্ঞ ডাঃ ফয়সাল আবেদিন,ডা: আনিছুর রহমান। এ ক্যাম্পের মাধ্যমে ১৫৩ জনকে ফ্রি চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।সার্বিক ব্যাবস্থাপনায় ছিলেন ,প্রকল্প সমন্বয়ক তাপস সাধু,স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নাজিরুন আক্তার, শেখ আরিফুর রহমান,তারক মজুমদার ও প্রিতম সাহা।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

সুজানগরে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র্যালি
এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনার সুজানগরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শনিবার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে বের হওয়া র্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি সরদার রাজু আহমেদের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সুজানগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমানের স ালনায় যুবলীগের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সুজানগর পৌর শাখার সভাপতি জুয়েল রানা ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম প্রমুখ। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক,গণতান্ত্রিক,শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে দেশের যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই যুবলীগ সেই লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। উল্লেখ্য ১৯৭২ সালে ১১ নভেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে যুব নেতা শেখ ফজলুল হক মনি এ যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। ফজলুল হক মনি ছিলেন যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। এর আগে সকালে সুজানগর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার রাজু আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমানের নেতৃত্বে সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি -

সুজানগরে সড়ক দু*র্ঘটনায় কলেজ ছাত্রী নিহ*ত: স্বপ্নের অপমৃ*ত্যু দরিদ্র পিতার
এম এ আলিম রিপন,সুজানগর(পাবনা)ঃ জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির স্বপ্ন ছিল বিশ^বিদ্যালয়ে পড়াশুনার। সেই স্বপ্ন পূরণকে এগিয়ে নিতে ভর্তি হন সাতবাড়িয়া কলেজে। কিন্তু শনিবার দুপুর ২টার দিকে বই কিনে সুজানগর বাজার থেকে নিজ বাড়ি সাতবাড়িয়া যাওয়ার পথে স্থানীয় মানিকদীর মাদ্রাসার সামনে যাত্রীবাহী ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের চাকায় পিষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হয়। সেই সাথে সড়ক দুর্ঘটনায় বিশ^বিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্নযাত্রার ইতি ঘটে তাঁর । জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের তারাবাড়িয়া গ্রামের মোঃ আবু হোসেন (বাবু) এর মেয়ে। সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল বাছেত বাচ্চু জানান,নিহত জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি তার প্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণীর মানবিক বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং তাঁর শ্রেণী রোল ছিল (০১)। হ্যাপির পিতা আবু হোসেন (বাবু) কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, নিজের স্বপ্ন ও মা-বাবার স্বপ্ন পূরণ করার প্রত্যয় নিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি মানবিক শাখা হতে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। মেয়েটা অনেক মেধাবী ছিল। সামনের এইচ এস সি পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করে বিশ^বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার স্বপ্ন দেখছিল। সে আমাদের আশা ভরসার জায়গা ছিল। তার মৃত্যুতে আমাদের সব আশা শেষ হয়ে গেছে। তাঁকে নিয়ে আমাদের স্বপ্ন ছিল আকাশ ছোঁয়া। সে আমার ও তাঁর মাকে স্বপ্ন দেখিয়ে কেন চলে গেল? আমাদের একা রেখে তো এভাবে যেতে পারেনা আমার কলিজা! বিশ^বিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষ করে মানুষের মত মানুষ হয়ে বাড়ি আসার কথা থাকলেও আমার সন্তান এসেছে কফিনবন্দী হয়ে অ্যাম্বুলেন্স করে। এদিকে মেধাবী ছাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপির এমন মৃত্যুতে এলাকাবাসী ও কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মেধাবী এ শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির, উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলাইমান হোসেন, সাতবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজের সভাপতি এস কে,হাবিবুল্লাহ ও অধ্যক্ষ আব্দুল বাছেত বাচ্চু গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। সুজানগর থানার ওসি জালাল উদ্দিন জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর (পাবনা) প্রতিনিধি। -

কালকিনিতে আ.লীগের উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেশ
মোঃ মোঃ মিজানুর রহমান,কালকিনি ডাসার প্রতিনিধিঃ
মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসার উপজেলা আ.লীগের উদ্যোগে উন্নয়ন ও শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শনিবার বিকেলে কালকিনি উপজেলা অডিটোরিয়াম মাঠে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কালকিনি উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ও মহিলা আসনের সংরক্ষিত এম.পি অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান শাহীনের সার্বিক পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক পৌর প্রশাসক আবুল কালাম আজাদ, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য মীর মামুন অর রশীদ, কালকিনি পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আশ্রাব আলী বেপারী, সাধারন সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র এনায়েত হোসেন হাওলাদার,ডাসার উপজেলা আ.লীগের সদস্য সচিব কাজী মাহমুদুল হাসান দোদুল সহ কালকিনি ও ডাসার উপজেলা আওয়ামীলীগ এবং আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ সংগঠন ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
উক্ত সমাবেশে পৌরসভা সহ কালকিনি ও ডাসার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন আ.লীগ,বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান এবং সাবেক চেয়ারম্যানদের নেতৃত্বে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-৩ আসনের পরিবর্তন দাবি করে মিছিল নিয়ে স্লোগানে স্লোগানে পুরো অডিটোরিয়াম মাঠ পরিপূর্ণ হয়।
সমাবেশে বক্তারা বাংলাদেশ আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এর কথায় সুর-মিলিয়ে বলেন, খেলা হবে,খেলা হবে, এবার খেলা হবে। কালকিনি ও ডাসারের জনগণ পরিবর্তন চায়। এ বার খেলা হবে।