Blog

  • ভ*য়াল ১২ নভেম্বর নিহ*তের স্মরনে দোয়া  পাথরঘাটায় ‘উপকূল দিবস’ পালিত

    ভ*য়াল ১২ নভেম্বর নিহ*তের স্মরনে দোয়া পাথরঘাটায় ‘উপকূল দিবস’ পালিত

    পাথরঘাটা (বরগুনা)প্রতিনিধি : বরগুনার পাথরঘাটায় উপকূল দিবস পালিত হয়েছে। পাথরঘাটা উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের আয়োজনে আজ রোববার (১২ নভেম্বর) বেলা ১১টায় একটি শোভা যাত্রা পৌর শহরের শেখ রাসেল স্কয়ার চত্বর থেকে শুরু করে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পাথরঘাটা প্রেসক্লাব চত্বরে শেষ হয়। পরে পাথরঘাটা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ৭০এর প্রাণহানিদের রুহের মাগফিরাতে দোয়া মোনাজাত করা হয।

    সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম মন্টুর সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনায় বরগুনার পাথরঘাটায় এ দিবসটি আয়োজন করেন পাথরঘাটা উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন।

    বক্তব্য রাখেন, পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমিন সোহেল, সহকারী অধ্যাপক আহসান হাবীব, জাকির হোসেন খান, মজিবুর রহমান কালু, নজমুল হক সেলিম, মেহেদী শিকদার প্রমুখ। স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন। দোয়া পরিচালনা করেন উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সদস্য মাওলানা আরিফুর ইসলাম। বক্তারা ৭০ সনের বন্যার স্মৃতিচারণ করেন এবং এ দিনটি উপকূল দিবস হিসেবে স্মৃতির দাবি করেন।

    ১৯৭০ সালরে ১২নভম্বের তৎকালীন র্পূব পাকস্তিানরে (র্বতমান বাংলাদশে-এর) দণিাঞ্চলে আঘাত হানে। এ পর্যন্ত রেকের্ডকৃত র্ঘূনঝিড় সমূহরে মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়াবহ র্ঘূনঝিড় এবং এটি র্সবকালরে সবচেয়ে ভঙ্করতম প্রাকৃতকি র্দুযোগের একটি। এ ঝড়ের কারণে প্রায় ৫ লাখ মানুষ প্রাণ হারায়। এটি ১৯৭০-এর উত্তর ভারতীয় র্ঘূণিঝড় মৌসুমরে ৬ষ্ঠ র্ঘূণঝিড় এবং মৌসুমরে সবচেয়ে শক্তশিালী র্ঘূণঝিড় ছিল। এটি সিম্পসন স্কেলে ‘ক্যাটাগরি ৩’ মাত্রার র্ঘূণঝিড় ছিল।

    ১২ নভেম্বর উপকূলবাসীর জীবনমান উন্নয়নসহ উপকূল সুরক্ষার লক্ষে উপকূল দিবস বাস্তবায়ন কমিটি সপ্তম বারের মত উপকূলের উপকূলের সবকটি উপজেলায় একযোগে ‘উপকূল দিবস’ পালিত হচ্ছে।

    অমল তালুকদার
    পাথরঘাটা বরগুনা

  • জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে অনশনে গোপালগঞ্জ বশেমুরবিপ্রবি’র শিক্ষার্থী, মানববন্ধন কর্মসূচী পালন

    জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে অনশনে গোপালগঞ্জ বশেমুরবিপ্রবি’র শিক্ষার্থী, মানববন্ধন কর্মসূচী পালন

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে প্রবেশ করে মারধরের প্রতিবাদে ও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আমরণ অনশনে বসেছিল ফিসারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো: সাজ্জাদ হোসেন। শনিবার রাত সাড়ে ৭টা থেকে এ অনশন শুর করে সে। পরে গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ন্যায় বিচারের আশ্বাসে অনশন ভঙ্গ করলেন শিক্ষার্থী।

    ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীর রনি মৃধা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তদন্ত শেষে দোষী প্রমানিত হলে দোষীদের রিবুদ্ধে ববস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।

    এদিকে, ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো: সাজ্জাদ হোসেনের উপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে ও সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে শিক্ষার্থীরা।

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানাগেছে, গত ৫ নভেম্বর ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসাইন্স বিভাগ ও ফার্মেসি বিভাগের মধ্যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দুই বিভাগের খেলোয়াড়দের মধ্যে তর্ক বিতর্ক এবং এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই রাতে ফার্মেসি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রনি মৃধা তার ১০-১২ জন সহযোগীদের নিয়ে শেখ রাসেল হলের ৬০৪ নং কক্ষে গিয়ে ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী মো. জাহিদ হোসেনকে কক্ষ থেকে বের করে ৫০৮ নং কক্ষে নিয়ে আটকে রেখে মারপিট করে।

    পর দিন ৬ নভেম্বর রনি মৃধা আবারো হলে যায়। পরে ৩০৩ নং কক্ষে প্রবেশ করে প্রথমে ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী সাজ্জাদ হোসেনের কাছে তার বিভাগের অন্য দুই-তিন শিক্ষার্থীর নাম ধরে জানতে চায় তারা কোথায় আছে। এক পর্যায়ে সাজ্জাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে তাকে লোহার পাইপ দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। ছুরি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে সাজ্জাদ হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে ছুরির আঘাত তার বাম চোখের কোনে আঘাত লাগে। পরে সাজ্জাদকে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে এবং সেখানে তার চিকিৎসা দেয়।

    এ ঘটনার বিচার ও নিজের নিরাপত্তা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করে সাজ্জাদ। এতে আবারো ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে সাজ্জাদকে হুমকি দেয়া হয়।

    তবে এ ঘটনায় কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় শনিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনের ফটকে অনশনে বসে। পরে রাত সারে ১১ টার দিকে প্রকটোরিয়াল বডি ও শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট সেখানে যায়। তারা সাজ্জাদকে ন্যায়বিচার ও নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি দিলে রাত সাড়ে বারোটার দিকে সে অনশন ভঙ্গ করে এবং হলে ফেরে।

    এসময় সাজ্জাদ ”আমি কি পরবর্তী আবরার ফাহাদ? আর কত বিচারহীনতা? আমি মরলে কি টনক নড়তো প্রশাসন? সন্ত্রাসীদের কারখানা কি বশেমুরবিপ্রবি? আমাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাকে হত্যার চেষ্টার বিচার চাই। হামলার বিচার চাই। আমি বাঁচতে চাই বাঁচতে দিন লেখা বিভিন্ন প্লাকার্ড প্রদর্শণ করে।

    এ ঘটনায় ৬ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ডীন মো: হাসিবুর রহমানকে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি তদন্তের জন্য উভয় পক্ষকে নোটিশ প্রদান করে। তদন্ত কমিটিকে আজ রোববার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।

    এদিকে, ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মো: সাজ্জাদ হোসেনের উপর ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে ও সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে শিক্ষার্থীরা।

    আজ রোববার (১২ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সামনে হাতে হাত ধরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীরা। এতে ওই বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

    এ বিষয়ে হামলার শিকার সাজ্জাদ হোসেন বলেন, রনি মৃধা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তবে সে হলে থাকে না। আগের দিন রাত সাড়ে বারোটার দিকে হলে এসে জাহিদ হোসেনকে মারপিট করলো। পরের দিন দুপুরে আমাকে মারপিট করলো। আমরা অভিযোগ করলাম কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিক কিছুই করলো না। তদন্ত কমিটি করেছে তদন্ত করতে কিন্তু তদন্ত করতে করতে এর মধ্যে যদি আমাকে প্রাণে মেরে ফেলে। এ দায়ভার কে নিবে? আমার নিরাপত্তা কে দিবে? বাহির থেকে লোকজন নিয়ে এসে মারপিট করে যায় আজ এসে আমাকে হুমকি দিয়ে গেল আমাকে হত্যা করা হবে। আমরা বারবার বলতেছি যে ওই দিনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখা হোক কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছেন গত ৬ তারিখ থেকে সিসিটিভি ফুটেজ উধাও এটা একটা রহস্যজনক ব্যাপার। আজ আমাকে হুমকি দিয়ে গেল সেটা তো সিসি ক্যামেরায় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আমি দ্বিতীয় আবরার হতে চলেছি। আমি মারা যাওয়ার পরে কি প্রশাসনের টনক নড়বে। মারা গেলেই কি এই অরাজকতা শেষ হবে। আমি আমার জীবনের একবিন্দুও নিরাপত্তা পাচ্ছি না। আমি বাঁচতে চাই আমাকে আপনারা বাঁচতে দিন প্লিজ আমাকে বাঁচতে দিন।

    এ বিষয়ে শেখ রাসেল হল প্রভোস্ট এমদাদুল হক বলেন, আমরা ঘটনা জানার পরপরই সাজ্জাদকে নিয়ে হসপিটালে যাই এবং তাকে সার্বিক নিরাপত্তার কথা বলি। একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। আমরা ওইদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের সতর্ক করে বলেছিলাম, রনি মৃধা যেনো আর শেখ রাসেল হলে প্রবেশ করতে না পারে। গতকাল কিভাবে সে হলে প্রবেশ করল এটা আমার জানা নেই। এটা নিরাপত্তা কর্মীদের কিছুটা দুর্বলতা রয়েছে।

    এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর মো. কামরুজ্জামান বলেন, পূর্বের ঘটনায় তদন্ত কমিটি করেছি, জানতে পেরেছি রনি মৃধা গতকাল শেখ রাসেল হলে প্রবেশ করে ভুক্তভোগী দুই শিক্ষার্থীকে হুমকি প্রদান করা হয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, আজ দিনের মধ্যেই তদন্ত কমিটি নিয়ে বসছি এবং তদন্ত কমিটির সুপারিশ শৃঙ্খলা কমিটিকে জানানো হবে। অতি দ্রুতই এর একটা সমাধান হবে। অপরাধী যেই হোক তাকে শাস্তি পেতেই হবে। #

  • পাইকগাছায় উপকূল দিবস পালিত

    পাইকগাছায় উপকূল দিবস পালিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
    উপকূলের জলবায়ু বিপন্ন মানুষের সুরক্ষার জন্য জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে পাইকগাছায় উপকূল দিবস পালিত হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি এর আযোজনে রবিবার সকাল ১১ টায় নতুন বাজার চত্ত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বনবিবি এর সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেনে, উপজেলা বন কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায়।
    বিশেষ অতিথি ছিলেন, সহকারি যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জি এম বাবলুর রহমান, নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি অশোক ঘোষ, শিক্ষক শংকর চক্রবর্তী, সাবেক ব্যাংকার প্রজিৎ রায়, সাবেক ইউপি সদস্য জগন্নাথ দেবনাথ, সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের দপ্তর সম্পাদক রোজী সিদ্দিকী, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক এম জালাল উদ্দিন, এস ডব্রিউ নিউজ ২৪ ডটকম এর নির্বাহী সম্পাদক গাজী মো: আব্দুল আলীম। আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন, সাবেক ইউপি সদস্য হায়দার আলী, রাবেয়া আক্তার মলি, অর্থী সরকার, দিপান্বীতা অধিকারী, লতিফা আক্তার তামান্না, লাবিবা আক্তার লোচমি, লিনজা আক্তার মিথিলা, পুষ্পিতা শীল জ্যতি, গৌতম ভদ্র, শাহিনুর রহমান প্রমুখ।আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর উপকূলের উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছিল সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। এই ঘূর্ণিঝড়ে উপকূল লন্ডভন্ড করে দেয়। এই ঘূর্ণিঝড় গোটা বিশ্বকে কাপিয়ে দিয়েছিল। উপকূল দিবস সরকারি ভাবে পালন করলে উপকূলের সুরক্ষা, উপকূলের সংকট, সম্ভাবনা, বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।অনুষ্ঠানের বক্তারা আরো বলেন, ৭০ এর ১২ নভেম্বর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও নিহতদের স্মরণে বছরে অন্তত একটি বার সবাই মিলে আলোচনা করার জন্য উপকূলবাসীর পক্ষ থেকে ১২ নভেম্বরকে সরকারী ভাবে উপকূল দিবস ঘোষণার দাবী জানান।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • গভীর রাতে ডাসার থানা পুলিশ নববধুকে জোরপূর্বক পরিবারের কাছে তুলে দেয়ার অভিযোগ

    গভীর রাতে ডাসার থানা পুলিশ নববধুকে জোরপূর্বক পরিবারের কাছে তুলে দেয়ার অভিযোগ

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ
    মাদারীপুরের ডাসার থানা পুলিশ নবদম্পতিকে থানায় এনে গভীর রাতে নববধুকে মারধর জোরপূর্বক পিছনের গেইট দিয়ে টেনে হেজড়ে হাত-পা ধরে শুন্নে জাগিয়ে ফ্লীম স্টাইলে পরিবারের লোকজনের কাছে তুলে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    গতকাল শনিবার রাত আনুঃ ১২ঃ৫৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে।
    গত সোমবার হিন্দু ধর্মীয় নিয়মনীতি মেনে বিয়ে হয় এবং বিয়েকে আরও কার্যকর করতে ৯ নবেম্বর মাদারীপুর কোর্টের মাধ্যমে বিবাহ সম্পন্ন করেন।
    ভুক্তভোগী ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, রাজৈর ও মুকসুদপুর থেকে নবদম্পতি
    কিশোর মন্ডল(২০)
    এবং দোলা বারুরী(১৭) বিয়ে সম্পন্ন করে পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের চলবল গ্রামে কিশোর মন্ডলের বোনের বাড়িতে বেড়াতে আসে। ডাসার থানা পুলিশের এসআই রতন মন্ডল গতকাল রাত ১০ঃ৩০ মিনিটে নববধুর পরিবারের লোকজন নিয়ে চলবল গ্রাম থেকে মারধর করে ডাসার থানায় নিয়ে আসেন এবং রাত ১টা ৫৫ মিনিটে পুনরায় নববধূকে মারধর করে টেনে হেজড়ে এক পর্যায় জোরপূর্বক হাত-পা ধরে শুন্নে জাগিয়ে থানার সিসি ক্যামরা আড়াল করে থানার ডাইনিং রুমের গেইট দিয়ে ফ্লীম স্টাইলে পরিবারের লোকজনের নিয়ে আসা মাইক্রো বাসে তুলে দিলেন ডাসার থানার এসআই রতন মন্ডল।
    ভুক্তভোগী কিশোর মন্ডলের পিতা কমল মন্ডল বলেন, আমার ছেলে ধর্মীয় নিয়ম নীতি মেনে সুদূর পড়িয়ে দোলা বারুরীকে বিয়ে করেন এবং ওদের বিয়েকে কার্যকর করতে মাদারীপুর কোর্টের মাধ্যমেও বিয়ে করেন। আমার মেয়ের বাড়ি বেড়াতে গিলে সেখান থেকে ডাসার এসআই রতন ধরে থানার ভিতরে এনে মারধর আমার পুত্র বধুকে টেনে হেজড়ে তার পরিবারের কাছে দেয় গভীর রাতে। আমি রাত দুই টার দিকে থানায় এসে পুত্রবধু দোলাকে পাইনি। এসআই রতন মন্ডল পুত্র বধুকে কার কাছে দিল গভীর রাতে, আসলেই কি তার পরিবারের কাছে দিয়েছে, তাও জানি না।
    আমার ছেলে কিশোর মন্ডলকে সকালে আমাদেরকে ফেরত দেন ডাসার থানা পুলিশ।
    ডাসার থানার এসআই রতন মন্ডলের কাছে গভীর রাতে এভাবে জোরপূর্বক পিছনে গেইট দিয়ে ফ্লীম স্টাইলে দেয়ার বিষয় জানতে চাইলে বলেন, আপনার মেয়ে হলে কি করতেন, মেয়ের বাবা কোটি কোটি টাকার মালিক। মেয়ের বাবার অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে বলেন, রাজৈর থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তবে অভিযোগের কপি দেখাতে পারেন নি।
    এ ব্যাপারে ডাসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কামাল হোসেন বলেন, মুকসুদপুর থানায় একটি অপহরণের অভিযোগ হয়।তারা কললিস্টে তদন্ত করে দেখেন ডাসার থানার আওতায় আছে। মৌখিক কথার ভিক্তিতে তাৎক্ষনিক উদ্ধার করে করে থানায় আনা হয়।
    গভীর রাতে টেনে হেজড়ে জোরপূর্বক পিছনে গেইট দিয়ে ফ্লীম স্টাইলে তুলে দেয়ার বিষয় জানতে চাইলে বলেন, এসআই রতন এটা করতে পারে না। বিষয়টি আমার জানতে হবে।

  • ডাসারে জোরপূর্বক ফলজ গাছ কর্তন করে রাস্তা তৈরির অভিযোগ

    ডাসারে জোরপূর্বক ফলজ গাছ কর্তন করে রাস্তা তৈরির অভিযোগ

    রতন দে,মাদারীপুর প্রতিনিধিঃ মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার দক্ষিণ খিলগ্রামে বিষ্ণু বৈষ্ণব,বাবু বৈষ্ণব,পরিমল বাড়ৈ,ঋত্বিক বৈষ্ণব এর বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ফলজ গাছ কেটে রাস্তা তৈরি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
    গতকাল শনিবার দুপুরে এঘটনা ঘটে। বাড়িতে ছিলেন না ভুক্তভোগী পরিবার।
    সরজমিনে গিয়ে ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানাজায়,মাদারীপুরের ডাসারের দক্ষিণ খিলগ্রামের নির্মল বৈষ্ণব এর বসত ঘরের পশ্চিম পাস দিয়ে তার জায়গার উপর দিয়ে রাস্তা করার জন্য জোরপূর্বক বালি দিয়ে কিছু অংশ ভরাট করেন এবং গত কাল শনিবার নির্মল বৈষ্ণব এর জায়গায় পিলার গেরে এবং সেখানে থাকা একটি ফলজ নারিকেল গাছ কেটে ফেলেছে জোরপূর্বক।
    ভুক্তভোগী নির্মল বৈষ্ণব বলেন,বিষ্ণু বৈষ্ণব, বাবু বৈষ্ণব, পরিমল বাড়ৈ, ঋত্বিক বৈষ্ণব সহ সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক ভাড়া করে নিয়ে টাকার বিনিময় আমার নারিকেল গাছ কেটে ফেলেছে এবং এরাই কিছু দিন আগে আমার কাঠাল গাছ কেটে ফেলছে আমি থানায় অভিযোগ করেও কোন ফয়সালা পাইনি।আমার ঘরের পূর্ব পাস দিয়ে জোর করে রাস্তা নিছে তাতে আমার ঘরের পাসে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে এখন আবার জোর করে ঘরের পূর্ব পাস দিয়ে জোর করে রাস্তা তৈরি করতে চায়। আমরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে, আমার বসতঘরে বেড়ার সাথে পিলার দিয়ে সিমানা নির্ধারণ করে,আমার লাগানো ফলজ নারিকেল গাছ কেটে ফেলে রাখে। আমি গরিব মানুষ ভ্যান চালিয়ে খাই,গরীব হলে কি ন্যায় বিচার পাওয়া যায়না, আমি এর বিচার চাই।
    অভিযুক্ত বিষ্ণু বৈষ্ণব বলেন, এটা আমাদের জায়গা। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এর মাধ্যমে নোটিশ করে জায়গা আমিন দিয়ে মাপার দিনধার্য করা হয়। কিন্তু জায়গা মাপতে গেলে তারা ঘর তালা দিয়ে সরে যায়। মাপার সময় উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান,ইউপি সদস্য সহ আরও গন্যমান্য ব্যক্তিরা।
    আমাদেরকে আরও এক হাত জায়গা কম দিয়েছে।

  • নড়াইলের খাল বিলগুলোয় নারীদের জীবিকার বাহন ডুঙ্গা

    নড়াইলের খাল বিলগুলোয় নারীদের জীবিকার বাহন ডুঙ্গা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলের খাল বিলগুলোয় নারীদের জীবিকার বাহন ডুঙ্গা। বিলের কম পানিতে দাঁড়িয়ে কেউ মাছ ধরছেন, আবার কেউ গবাদি পশুর খাবার, হাঁসের জন্য শামুক অথবা নিজেদের খাবারের জন্য শাপলা সংগ্রহ করছেন। এরকম ছোট-কাজের গুত্বপূর্ণ বাহন হলো কোষা নৌকা। যাকে আঞ্চলিক ভাষায় ‘ডুঙ্গা’ নামে ডাকা হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নড়াইলের বিলগুলোয় কম পানিতে তাল গাছের তৈরি এই এসব ডুঙ্গা পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করেন।
    হাতিয়াড়া গ্রামের মালতি রানী সকালে বিলে গিয়েছেন মাছ ধরতে। নির্জন এলাকায় দাঁড়িয়ে বড়শি দিয়ে ধরেছেন দেশি কয়েকটি পুঁটি আর টাকি মাছ। ফেরার পথে তুলে আনছেন কলমি শাক, শাপলা আর গরুর জন্য ঘাস। ডুঙ্গা ভর্তি করে বিকেলে বাড়ি ফিরেছেন স্বাচ্ছন্দ্যে। এভাবে একে একে ফিরলেন সিগ্ধা রানী, আরতি বিশ্বাসসহ নবীন আর প্রবীণ গৃহিণীরা। সন্ধ্যা নেমে আসছে তখনও বিলের এক কোনায় মাছ ধরছেন কমলা রানী। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নড়াইলের বিল এলাকার চিত্র এ রকমই।
    বিল আর খালে পরিপূর্ণ জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন তাল গাছের তৈরি ডুঙ্গার ব্যবহার চলছে। বিল পাড়ের হাজারো মানুষের বাহন এই ডুঙ্গা। খালে প্রবেশ করতে, খাল পাড়ি দিয়ে বাজার, বিল থেকে মাছ ধরা-শাপলা তোলার কাজে ব্যবহার হয় গ্রামীণ জনপদের এই বাহন। এ বছর পানি কম হওয়ায় নৌকার থেকে খালে-বিলে ডুঙ্গার চলাচল বেশি হলেও হাটগুলোয় দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে।
    নড়াইল-যশোর সড়কে তুলারামপুরের হাটটি ডুঙ্গার জন্য বড় একটি হাট। এখানে সপ্তাহের শুক্রবার ও সোমবার হাট বসে। একটি ছোট ডুঙ্গা দুই হাজার আর মাঝারি থেকে বড়টি ৫/৭ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।
    আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তুলারামপুর হাটে ডুঙ্গা কিনতে আসেন কৃষকসহ গৃহস্থ বাড়ির কর্তারা। যশোরের অভয়নগর থেকে ডুঙ্গা কিনতে এসেছেন রকিব মোল্যা। তিনি বড় সাইজের একটি ডুঙ্গা কিনেছেন সাড়ে তিন হাজার টাকায়। জানালেন, ঘেরে মাছের খাবার দিতে এই ডুঙ্গা কাজে লাগে। গতবছরের তুলনায় কম দামে ডুঙ্গা কিনেছেন তিনি।
    ডুঙ্গা বিক্রেতা চর শালিখা গ্রামের সেলিম মোল্যা এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, এ বছর বিলে পানি কম হওয়ায় ডুঙ্গার চাহিদা কম। গতবছর যে ডুঙ্গা বিক্রি করেছি চার হাজার, সেটি এবার দুই থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। তালগাছ আর শ্রমিকের দামও উঠছে না।
    একটি তালগাছ থেকে দুটি ডুঙ্গা তৈরি হয়। তালগাছের গোঁড়া মাটির ভেতর থেকে বের করে শিকড়সহ গাছটি কাটা হয়। এরপর গোঁড়ার অংশটি সুচালো করে নয় হাত রেখে আলাদা করা হয়। গাছটির মাঝামাঝি অংশ দাগ দিয়ে হাত করাত দিয়ে ধীরে ধীরে এপাশ ওপাশ কেটে দুভাগ করে ফেলা হয়। ভেতরের নরম অংশ কোদাল আর শাবল দিয়ে কুপিয়ে পরিষ্কার করে তৈরি হয় ডুঙ্গা। এরপর হাত বাশলে দিয়ে ধীরে ধীরে কেটে-ছেঁচে সুন্দর আকারের ডুঙ্গা তৈরি করে তা বিক্রেতার কাছে বিক্রি করা হয়।
    লোক সংস্কৃতি গবেষক অধ্যক্ষ রওশন আলী এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে বলেন, দেশিয় প্রযুক্তির এই বাহন লোক সংস্কৃতির অংশ। এলাকায় অধিক সংখ্যায় মাছের ঘের হওয়ায় বিলে পানি কমে গিয়ে ধীরে ধীরে ডুঙ্গার ব্যবহার কমছে। খালে ও বিলে পানি প্রবাহ সঠিক রাখতে না পারলে জীব-বৈচিত্র্য ব্যহত হবে।

  • টাঙ্গাইলের মধুপুরে অটোরিক্সা ছিন*তাইকারী আটক

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে অটোরিক্সা ছিন*তাইকারী আটক

    আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে অটোরিক্সা ছিনতাইকালে এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছেন মধুপুর থানা পুলিশ।জানা যায় রবিবার রাত দুইটার দিকে মধুপুর পৌরসভাধীন টেকীপাড়া নাগবাড়ী এলাকা থেকে অটোরিক্সা ছিনতাই কালে লিমন (২০) নামে ১ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে মধুপুর থানা পুলিশ।ছিনতাইকারী লিমন চাড়ালজানী গ্রামের জুলহাস উদ্দিন (ভুট্রোর) ছেলে। মধুপুর থানার এস আই ফরহাদ জানান অটোরিক্সা ছিনতাই কালে অটোরিক্সা চালক শফিকুলের ডাকচিৎকার শুনে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসলে ছিনতাইকারী লিমনকে আটক করলেও এসময় অন্য ছিনতাইকারীগন দৌড়ে পালিয়ে যায় পরে পুলিশকে খবর দিলে তাৎখনিক মধুপুর থানার এসআই ফরহাদ সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্হলে যান ছিনতাইকারী লিমনকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে নেন এবং পালিয়ে যাওয়া ছিনতাইকারীদেরকে গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • ইদুরের আক্রমণে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    ইদুরের আক্রমণে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার আমন ধানের খেতে পানি না থাকায় ব্যাপকভাবে আক্রমণ করেছে ইঁদুর এবং অন্য পোকামাকড়। ইঁদুরে কাটার ফলে মুচি ধরা ধানের গাছ চরমভাবে ক্ষতির মুখে পরেছে। উপজেলার অনুরাগ চর,গৌরিপাশা,শংকরপাশা সহ কয়েকটি গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে এই খবর পাওয়া গেছে।
    গৌরিপাশা এলাকার কৃষক মিলন হাওলাদার বলেন,এবছর এমনিতেই দীর্ঘদিন পানির উচ্চতা বেশি থাকায় কিছু ধানের চারা এমনিতেই পচে নস্ট হয়ে গিয়েছিল। এখন আবার খেতে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় ইঁদুর আক্রমণ করেছে, যারফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধানের মুচি আশা চারাও।
    শংকরপাশা এলাকার কৃষক ওমর আলী বলেন,আমাদের এই এলাকাতে ইদুরের প্রকপ অত্যাধিক বেশি।ইদুর নিধনে ঔষধ প্রয়োগ করেও কাজ হচ্ছে না।উপজেলা কৃষি দপ্তর থেকেও ইদুর নিধনের সরকারি কোনো সহায়তায় আমাদের কাছে পৌঁছেনি।আমরা দিশেহারা হয়ে পরেছি।
    উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও নলছিটি পৌরসভার কাউন্সিলর ফিরোজ আলম খান বলেন,আমরা কৃষকদের এই বিপদে তাদের সাথেই আছি।সর্বোচ্চ সহযোগিতার চেষ্টা করব। কিন্তু ইদুর নিধনে সরকারি কোনো বরাদ্দের খবর আমার জানা নেই।
    উপজেলার আরেকজন কৃষক নেতা বালী তূর্য বলেন, এমনিতেই আমাদের কৃষকরা বিভিন্ন সময়ে লোকসানের মুখে পরে যাচ্ছেন,তারউপর ইঁদুরের আক্রমণ আরও বেশি ক্ষতি করছে।কৃষির প্রতি এমনিতেই নতুন প্রজন্মের অনিহা বেরেছে,পুরনো কৃষকদের এই লোকসান সামাল দেয়া না গেলে প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষি কিছুটা হুমকিতে পড়বে বলে শংকা রয়েছে।এই সময়ে ইদুর নিধনের জন্য সরকারি কোনো বরাদ্দ কিংবা সহায়তা পেলে কৃষকরা খুবই উপকৃত হতো।তাই আমি কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যাতে কৃষকদের এই বিপদে তারা পাসে থাকেন।
    নলছিটি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সানজি আরা শাওন বলেন,আমরা কৃষকদের সকল সমস্যায় পাশে আছি।ইদুর নিধনে সেরকম সরকারি কোনো বরাদ্দ না থাকলেও আমরা তাদেরকে যে পরিমান শশ্য নস্ট হয়ে গেছে তা আগামী মৌসুমে তার ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার জন্য সহযোগিতা করব।আমরা তাদেরকে বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষন দিয়ে ইদুর নিধনের নানাবিধ কৌশল শিখিয়ে দিচ্ছি।
    ফসলের এমন ক্ষতির ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতির হুমকির মুখে পরেছেন কৃষকরা।ইদুর নিধনে সরকারি সহায়তা কামনা করছেন তারা।

  • সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের ভাস্কর্য উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

    সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের ভাস্কর্য উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

    জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ এর উদ্বোধন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

    বাঙালি জাতির গৌরব, আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার প্রতীক সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় স্থাপিত এ ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয়।

    রোববার (১২ নভেম্বর) দুপুরে আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    আইএসপিআর জানিয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে আপামর জনতার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর বাঙালি সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এ আমরা অর্জন করি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। আর এই স্বাধীনতা অর্জনের পিছনে রয়েছে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী ত্রিশ লাখ শহিদ এবং সাতজন অকুতোভয় বীরশ্রেষ্ঠের চিরস্মরণীয় অবদান।

    ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’- সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে। ভাস্কর্যের সম্মুখে ‘ফোয়ারা’- নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’- যা দ্বারা নির্দেশ করা হয়েছে যে, বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্য সন্তান এবং তারা সূর্যরশ্মির ন্যায় দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারী ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

    অনুষ্ঠানে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, অন্যান্য অফিসার, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার, অন্যান্য পদবির সেনাসদস্য এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • সরকারী রাঙ্গাবালী কলেজে  ১৫ শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল চেয়ে আদালতে মামলা

    সরকারী রাঙ্গাবালী কলেজে ১৫ শিক্ষকের নিয়োগ বাতিল চেয়ে আদালতে মামলা

    রফিকুল ইসলাম ঃ
    পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে অধ্যক্ষ’র স্বাক্ষর জাল করে অস্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন ১৫ জন শিক্ষক কর্মচারী। এ ব্যপারে অধ্যক্ষ স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ৯৭৬/২০২৩
    অভিযোগের সূত্রে জানা যায় , গত ১৯/০৫/২০২২ এবং ২০/০৭/২০২২ তারিখের যে কোন সময়ে অভিযুক্ত কামরুজ্জামান এর খালগোড়া ভাড়া বাসায় আসামীগণ একত্রিত হয়ে অধ্যক্ষের জাল সই স্বাক্ষরের মাধ্যমে আবেদন পত্র তৈরী করে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে দাখিল করেন। চাকরি বিধিমালা ২০১৫ অনুযায়ী প্রতিটি পদ সৃজনের বিপরীতে ২০২১-২০২২ অর্থ বছ রে আর্থিক সংশ্লেষ: (গ) অর্গোনোগ্রাম, (ঘ) ১৫টি নন ক্যাডার পদে ১১টি স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে আবেদন করেন। এমনকি অধ্যক্ষর অনুমতি বিহীন সীল মোহর তৈরী করে মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করেন। শিক্ষা মন্ত্রনালয় সরকারী রাঙ্গাবালী কলেজের ১৫ জনকে অস্থায়ীভাবে রাজস্বখাতে নিয়োগের জন্য প্রজ্ঞাপণ জারি করেন। যা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর অস্থায়ীভাবে রাজস্বখাতে নিয়োগের অফিস আদেশ জারি করেন এবং অধ্যক্ষকে এড়িয়ে অত্র কলেজে যোগদান করেন। যা ২০১৮ চাকরি বিধিমালা বর্হিভূত। তাদের এহেন বেআইনি যোগদানের ভিত্তিতে ১৫/১০/২০২৩ তারিখে আভিযুক্ত মোঃ শফিকুল ইসলাম অত্র কলেজে আয়ন ব্যয়ন কর্মকর্তা এবং কলেজ সংশ্লিষ্ট্য যাবতীয় কর্মকান্ডের আর্থিক লেনদেন পরিচালনার অফিস আদেশ প্রাপ্ত হন। যা সম্পূর্ণ বেআইনি। অত্র কলেজে উপাধ্যক্ষর পদ না থাকা সত্ত্বেও অভিযুক্ত মোঃ শফিকুল ইসলাম নিজেকে উপাধ্যক্ষ হিসেবে বিভিন্ন সময়ে পরিচয় দেন এবং এ সংক্রান্ত ভুয়া কাগজ পত্র তৈরী করে কলেজের বহু ক্ষতি সাধন করছেন বলে অভিযোগকারী অধ্যক্ষ মু. তারিকুল হাসান জানান। ২৭/০৩/২০১৮ তারিখে জনৈক বনি আমিন নামে একজনকে প্রত্যয়ন পত্র প্রদান করেন তিনি।অধ্যক্ষ মু. তারিকুল হাসান আরো জানান গত ২৯/১০/২০২৩ তারিখে তাঁর নিজ অফিস কক্ষে এসে কলেজের পরিচালনা কাজে বাঁধা প্রদান করেন এবং শাররীক লাঞ্চনার ভয়ভীতি দেখান। যার ফলে তিনি বিজ্ঞ আদালতে বিচার প্রার্থণা জন্য মামলা করতে বাধ্য হন।
    এব্যপারে মোঃ শফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি অধ্যক্ষর স্বাক্ষর জাল করার বিষয়টি সত্য নয় বলে জানান। অধ্যক্ষকে এড়িয়ে যোগদানপত্র দাখিলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মোবাইল বন্ধ করে দেন।