Blog

  • কুমিল্লা ইপিজেড রাস্তায় ফেলছে ময়লা-আবর্জনা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি

    কুমিল্লা ইপিজেড রাস্তায় ফেলছে ময়লা-আবর্জনা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি

    মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,

    কুমিল্লা নগরীর ইপিজেড এলাকায় রাস্তার পাশে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড় পড়ে থাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো এলাকায়, অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আর এমন ঘটনার তথ্য নগরীর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছামছুল আলম জানার পরও দেখছি-দেখব বলেও সমস্যার সমাধান দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ পাওয়া উঠেছে সাংবাদিক দের মাধ্যমে।

    আর এই দুর্গন্ধময় ময়লার কারনে এলাকাবাসী এখন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে। এখানে গরু, কাক আর কুকুর খাবারের সন্ধান করায় ময়লা আরও ছড়িয়ে পড়ছে। পথচারীরা ওই এলাকা পার হচ্ছেন নাকে হাত দিয়ে। দিনের পর দিন চলছে এ অবস্থা।

    জানা যায়, এই ময়লার স্তুপের জায়গাটি আগে পরিষ্কার করে আশেপাশে দড়ি দিয়ে গাছপালা লাগানো থাকলেও এখন আর সেই দৃশ্য নেই। এই জায়গা রক্ষণাবেক্ষণ বা সংস্কার না করায় এখন এই জায়গাটিতে সকলে ময়লা ফেলছেন। এই ময়লা ফেলার কারনে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীর। এ সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারীরা চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ময়লার কারণে সাধারণ জনগন।

    নানা রোগবালাই ছড়িয়ের আশঙ্কায় ওই এলাকার বাসিন্দারা রয়েছেন স্বাস্থ্যঝুঁকি।

    কলেজ শিক্ষক জাফর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নগরীতে এত কোটি টাকার উন্নয়ন হচ্ছে অথচ নগরীতে এভাবে ময়লা জমিয়ে থাকে, আর পরিষ্কার বা রক্ষণাবেক্ষণ না করায় আবর্জনার পাহাড় জমে আছে। জমে থাকা বিশাল ময়লার পাহাড়ের কারণে খুব বিশ্রী দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। দুর্গন্ধের কারণে সকলের কষ্ট হচ্ছে। মাঝে-মধ্যে মনে হয়- ভেতর থেকে নাড়ীভুঁড়ি বেড়িয়ে আসবে। এরকম অসহ্য পরিস্থিতি থেকে কীভাবে পরিত্রাণ পাবো আমার জানা নেই।’

    ইপিজেড এ কর্মরত সোবহান জানান, নতুন মেয়র আসার পর থেকে কাউকে পরিষ্কার করতে দেখি নাই। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের ভাবা উচিত। আমরা যারা ইপিজেড এ যাই সবাই খুবই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছি। এসব ময়লার ভাগাড় দ্রুত পরিষ্কার করা উচিত।’

    বাচ্চাকে স্কুলে নেওয়ার পথে নাজনীন বলেন, এ সড়ক দিয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে শিশু-কিশোররা স্কুল, মাদরাসা যায়। তাদেরসহ ওই এলাকার লোকজনের কথা চিন্তা করে এবং মানুষের স্বাস্থ্যসুরক্ষা দিতে দ্রুত এসব ময়লা পরিষ্কার করা উচিত।

    ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাজিউর রহমান রাজিব বলেন, এখানে ময়লা ইপিজেডের লোকেরাও ফেলে, এমন প্রমাণ আমার কাছে আছে। এর পাশাপাশি সেনাবাহিনী যাদের ইজারা দিয়েছে বাজার করতে তারাও এখানে ময়লা ফেলে। পরে বিষয়টি মেয়র মহোদয়কে বললে তিনি এখানে একটি ময়লা রাখার ঝুড়ি দিবেন বলেছে।

    ময়লার প্রসঙ্গ নিয়ে কুমিল্লা সিটিকর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী ছামছুল আলমের সাথে কথা বলতে গেলেই তিনি তারাহুরো করে কল কেটে দেন। পরে ক্ষুদে বার্তা দেখেও তিনি তার কোন উত্তর দেয়নি।

    এ বিষয়ে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরফানুল হক রিফাত বলেন, এই ময়লার সম্পর্কে নির্বাহী জানার পরও কেন পদক্ষেপ নেয়নি এটা আমার জানা নেই। তবে এসব দেখার বিষয় কাউন্সিলরদের। আমি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

  • বরগুনার তালতলীর শুঁটকিপল্লীতে উৎসবের আমেজ

    বরগুনার তালতলীর শুঁটকিপল্লীতে উৎসবের আমেজ

    মংচিন থান বরগুনা প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন চরে শতাধিক শুঁটকিপল্লী রয়েছে। মিষ্টি পানির দেশি মাছের শুঁটকিপল্লী বলে পরিচিত তালতলীর আশার চর। এ শুঁটকিপল্লীতে জেলেদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। এ পল্লীতে এখন সারি সারি ভাবে শুকানো হচ্ছে নানা জাতের মাছ। এই পল্লী থেকেই খাবার উপযোগী হয়ে শুঁটকি রপ্তানি হচ্ছে দেশ-বিদেশে। তবে জেলেরা দাবি করেন, সরকারিভাবে শুঁটকি রপ্তানি হলে ভালো লাভবান হবে তারা।

    জানা যায়, আশারচর, সোনাকাটা, ফকিরহাট,জয়ালভাঙ্গা চরে অগ্রহায়ণ থেকে চৈত্র- এই পাঁচ মাস সরব থাকে শুঁটকিপল্লীর ক্রেতা, বিক্রেতা ও শ্রমিকরা। এই এলাকায় প্রায় শতাধিক শুঁটকি পল্লীতে ১২ হাজার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। এখানের
    প্রতিটি শুঁটকিপল্লী হতে প্রতি সপ্তাহে ১০০ থেকে ১৫০ মণ মাছ রপ্তানি হচ্ছে। নদী থেকে কাঁচা মাছ শুঁটকিপল্লীতে নিয়ে আসার পর নারী শ্রমিকেরা তা পরিষ্কার করে।

    এরপর মাছগুলো পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে বানায় (মাচা) শুকানো হয়। তিন-চার দিনের রোদে মাছগুলো শুকিয়ে শক্ত হয়। নদী থেকে চিংড়ি, লইট্টাসহ বিভিন্ন জাতের মাছ একসঙ্গে কিনতে হয় এবং দাম হয় ৫ থেকে ৭শ টাকা। শুকানোর পর দুই-আড়াই কেজি শুঁটকি বিক্রি করে ২ থেকে ৪ শ টাকা লাভ থাকে। এখানের শুঁটকিতে কেনো ধরনের বিষ-কীটনাশক ছাড়াই স্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন ও সংরক্ষণ করা হয়। এই এলাকার শুঁটকির চাহিদা থাকায় এখান থেকে শুঁটকি চলে যাচ্ছে চট্টগ্রাম, সৈয়দপুর, খুলনা ও জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

    জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রায় ২৫ থেকে ৩০ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছের শুঁটকি তৈরি করা হয় এখানে। এর মধ্যে রূপচাঁদা, ছুরি, কোরাল, সুরমা, লইট্টা, পোপা অন্যতম। এছাড়াও চিংড়ি, ছুড়ি, ভোল, মেদসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রয়েছে চাহিদা।
    বর্তমানে প্রতি কেজি ছুরি মাছের শুঁটকি ৭’শ থেকে ৮’শ টাকা, রূপচান্দা এক হাজার, মাইট্যা ৬০০ থেকে এক হাজার, লইট্যা ৮’শ থেকে ৯’শ,চিংড়ি ৭’শ থেকে ৮’শ টাকা এবং অন্যান্য ছোট মাছের শুঁটকি ২০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া এখানকার শুঁটকিপল্লির মাছের গুঁড়ি সারা দেশে পোলট্রি ফার্ম ও ফিশ ফিডের জন্য সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

    তালতলীর আশার চর শুঁটকিপল্লীতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জেলে ও মালিক পক্ষ মিলে প্রায় ছয় শতাধিক মানুষ কাজ করছেন। সেখানে প্রায় ৩০টি ছোট ছোট ঘর তৈরি করা হয়েছে। পল্লীতে কেউ মাছ মাচায় রাখছেন, কেউ মাচায় ছড়িয়ে দিচ্ছেন, কেউবা শুকনো মাছ কুড়িয়ে জমা করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন চরের শুঁটকিপল্লীতে শুঁটকি উৎপাদন শুরু করেছে।

    আশার চর শুটকি পল্লীর হাসিনা বেগম বলেন, নদীতে প্রচুর মাছ ধরা পড়ায় এই বছর শুঁটকি উৎপাদনও ভালো হচ্ছে। তা ছাড়া এ বছর কাঁচা মাছের চাহিদা বেশি, দাম কম থাকায় শুঁটকিতে লাভ ভালো হবে বলে আশা করছি। তবে সরকারিভাবে দেশে-বিদেশে এই শুঁটকি রপ্তানি হলে খুব লাভবান হওয়া যাবে।

    তালতলী সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হালিমা সরদার বলেন, এ উপজেলা শুটকি মাছের জন্য বিখ্যাত। এই পেশাকে আরো আধুনিকায়ন করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মৎস্যজীবীদের বিভিন্ন রকমের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে।

    মংচিন থান
    বরগুনা প্রতিনিধি

  • বাগেরহাটে ১২ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩

    বাগেরহাটে ১২ কেজি গাঁজাসহ আটক ৩

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট:বাগেরহাটে ১২ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। রবিবার (১২ নভেম্বর) সকাল সাড়ে নয়টায় বাগেরহাট শহরের খ্বারদার ভিআইপি মোড়ে গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলাকালে গাজাসহ তিনজনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলো,
    কুড়িগ্রাম জেলার সরদার পাড়া এলাকার কাসেম আলীর ছেলে কবির হোসেন (২৩), বাগেরহাট জেলা সদরের ফুলবাড়ী এলাকার চানমিয়া হাওলাদার এর ছেলে মিজান হাওলাদার (২৮) ও পালপাড়া এলাকার বাবুল হোসেনের ছেলে খালিদ হোসেন লিপু (২৫)। এ সময় তাদের বহনকারী কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়েছে। বাগেরহাট গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ইন্সপেক্টর সুরেশ চন্দ্র হালদার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সকাল সাড়ে নয়টায় শহরের ভিআইপি রোড মোড়ে খুলনা থেকে বাগেরহাট গামী একটি কাভার্ড ভ্যান দ্রুত গতিতে আসতে দেখে সিগন্যাল দেওয়া হয়। পরে কাভার্ড ভ্যানে থাকা যাত্রী কবির মিজান এবং খালিদ হোসেন লিপুকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা কাভার্ড ভ্যানের কেবিন হইতে ১২ কেজি গাঁজা বের করে দেয়। বাগেরহাট জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়ক সৈয়দ বাবুল আক্তার জানান, জেলা পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খানের নির্দেশনা মোতাবেক জেলার সকল জায়গায় মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান এ কর্মকর্তা ।
    ** ছবি সংযুক্ত আছে।

  • গোপালগঞ্জে ৩৫ টি জাতের ধান নিয়ে ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া

    গোপালগঞ্জে ৩৫ টি জাতের ধান নিয়ে ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে আমান মৌসুমের চাষ উপযোগী রোপা আমন ধানের জাত মুল্যায়নে ৩৫ টি জাতের ধান নিয়ে ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে কৃষক তাঁর জমির জন্য উপযোগী এবং পছন্দের ধানের জাত বেছে নিতে পারবেন।

    এ উপলক্ষে আজ রোববার বিকালে (১২ নভেম্বর) সদর উপজেলার কাজির বাজারে স্থানীয় কৃষক ও কৃষানীদের নিয়ে ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের সরদার।

    বশেমুরবিপ্রবির কৃষি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিলহাস আহমেদ জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট গোপালগঞ্জের আঞ্চলিক কার্যালয়ের ইনচার্য ড. মো: জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজা আক্তার বক্তব্য রাখেন। এসময় উপস্থিত কৃষক ও কৃষানীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

    কৃষি বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিচার্স ইনস্টিটিউটের অর্থায়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার কাজির বাজার সংলগ্ন সড়কের পাশে ক্রপ ক্যাফেটোরিয়া স্থাপন করা হয়েছে। এখানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট উদ্ভাবিত ব্রি ধান ৫১, ৫২, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৭৯, ৮০, ৮৭, ৯৩, ৯৪, ৯৫, সুগন্ধি ধানের জাত ব্রি ধান-৯০, বিআর-১১, বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত বিনা ধান-১৭, ২২, ২৩ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। এছাড়া বাজারে প্রচলিত স্বর্ণা, সারথী-১৫, সুপ্রীম স্বর্ণালী ধান-২, সারথী-১৪ অ্যারোমেটিক, সারথী-১৪ নর্থ অ্যারোমেটিক, সুবর্ণ-৭, এলটিডিএইচডি-২৩-১, এলটিডিএইচডি-২৩-২, ইস্পাহানি-৬, ইস্পাহানি-৯, বিইউ ধান-১, এএস (১০০-০০১) নিয়ে সর্বমোট ৩৫টি ধানের জাত এই ক্রপ ক্যাফেটেরিয়ার উৎপাদিত হয়েছে।

    কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের সরদার বলেন, এ ক্রপ ক্যাফেটোরিয়া স্থাপন অত্যন্ত সময় উপযোগি পদক্ষেপ। এখান থেকে চাষীরা সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কোন ফসলটি তার জমির জন্য উপযোগি। এছাড়া এসব ধানের গুনাগুন এবং এর ফলন সম্পর্কেও এখান থেকে পূর্ণাঙ্গ ধারনা পাচ্ছেন তারা।

    বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিটিউট, গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ইনচার্য ড. মো জাহিদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা উনষ্টিটিউট যে সকল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে তার সব জাত সব ধরনের জমির জন্যে উপযোগি নয়। এই ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া কৃষকদের তার জমির জন্য উপযোগি জাত নির্বাচনে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে।

    বশেমুরবিপ্রবির কৃষি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিলহাস আহমেদ জুয়েল বলেন, এই ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া স্থাপন করে আমরা কৃষকদের মাধ্যমেই জাতগুলোর মূল্যায়ণ করাতে পেরেছি। এসব জাতের মধ্যে থেকে তারা সনতনী বিভিন্ন ধানের জাতের গুনাগুন সম্পন্ন অনেক হাইব্রিড ও উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত খুজে পেয়েছে। আগামীতে এই ক্রপ ক্যাফেটোরিয়ার সঙ্গে আরো বেশি কৃষককে সম্পৃক্ত করতে পারলে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কৃষক লাভবান হবেন। #

  • শেখ হাসিনার উন্নয়ন তুলে ধরে ত্রিশালে সিআইপি শামীমের পক্ষে স্বপ্না খন্দকারের উঠান বৈঠক

    শেখ হাসিনার উন্নয়ন তুলে ধরে ত্রিশালে সিআইপি শামীমের পক্ষে স্বপ্না খন্দকারের উঠান বৈঠক

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা সরকারের তিন মেয়াদের উন্নয়ন তুলে ধরে ময়মনসিংহের ত্রিশালে নিয়মিত উঠান বৈঠক করছেন আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের সাহসী রাজপথ যোদ্ধা, জনবান্ধব নারী নেত্রী জেলা যুব মহিলা লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও মানবাধিকার কর্মী স্বপ্না খন্দকার। প্রতিদিনের ন্যায় (১২নভেম্বর) তিনি ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আমিনুল হক শামীম সিআইপি এর পক্ষে উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নে মহিলা আওয়ামী লীগ ও যুব মহিলা লীগের হাজার হাজার নারী নেত্রীদের সাথে নিয়ে উঠান বৈঠক শেষে বিএনপি জামাতের চলমান নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করেন। এর আগে তিনি
    বিএনপি -জামাতের অবৈধ হরতাল,অবরোধ নামক দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র,নৈরাজ্যের প্রতিবাদে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান এবং একইসঙ্গে তিনি আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ত্রিশালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী আমিনুল হক শামীম সিআইপির জন্য দোয়া প্রার্থনা করে নৌকার পক্ষে ভোট চেয়েছেন। উঠান বৈঠকে স্বপ্না খন্দকার শেখ হাসিনার উন্নয়ন মেট্রোরেল,উড়ালসড়ক,
    পদ্মাসেতুসহ সরকারের দৃশ্যমান উন্নয়ন তুলে ধরে তিনি নৌখায় ভোট চেয়েছেন। এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করে স্থানীয় যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীরা।

    স্বপ্না খন্দকার বলেন, শেখ হাসিনার সরকার জনবান্ধব সরকার। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে সবাই নিরাপদ, শান্তি ও স্বস্তিতে থাকে, দেশও এগিয়ে যায়। জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে তাকে চতুর্থবারের মতো নৌকায় ভোট দেয়ার আহ্বান তিনি। স্বপ্না বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার এ দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করছেন। তাই দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়ে আবারও শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

    এসময় সাখুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ,যুব মহিলা লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    যুব মহিলা লীগের পরিশ্রমী নেত্রী স্বপ্না খন্দকার জানান- তিনি আমিনুল হক শামীম সিআইপির এর পক্ষে ত্রিশালে এ পর্যন্ত উপজেলার আমিরাবাড়ী, সাখুয়া, ৭নং ওয়ার্ড পৌরসভা, মোক্ষপুর, হরিরামপুর, বালিপারা, চিকনা ইউনিয়নে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে উঠান বৈঠক করেছেন এবং বাকি সমস্ত ইউনিয়ন গুলোতে উঠান বৈঠক অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

  • বেতাগীতে প্রেসক্লাবের আয়োজনে  উপকূল দিবস পালিত

    বেতাগীতে প্রেসক্লাবের আয়োজনে উপকূল দিবস পালিত

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
    উপক‚লের জলবায়ু বিপন্ন মানুষের অগ্রগতি, সুরক্ষা ও উপক‚ল দিবসকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে বেতাগীতে উপক‚ল দিবস পালিত হয়েছে।
    রোববার সকাল ১১টায় বেতাগী প্রেসক্লাবের এর আয়োজনে শোক র্যালি, নীরবতা পালন ও পৌর শহরের বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজেম স্মৃতি ফাউন্ডেশন কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    বেতাগী প্রেসক্লাব সভাপতি সাইদুল ইসলাম মন্টুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বেতাগী সরকারি কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মাসুদ সিকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বেতাগী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম সিদ্দিকী, এনজিও সন্বয় পরিষদের উপজেলা সভাপতি মো: রফিকুল ইসলাম, সিআইপিআরবির আঞ্চলিক সন্বয়কারী রজত সেন, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠির উপজেলা সভাপতি দিপক কুমার গুহ। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, বেতাগী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মহসিন খান, আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন, বরগুনা জেলা যুব কাউন্সিলের সদস্য অলি আহমদ, সংবাদ কর্মি আরিফ সুজন, মো: শাকিল আহমেদ, ফোরকান হোসেন ইমরাত, গ্রিন পিস সোসাইটি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, দপ্তর সম্পাদক তন্ময়, এক ঘন্টার প্রতি ইউওন তাকওকওয়া হোসেন নুপুর, জেরিন প্রমুখ।
    আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১৯৭০‘র ১২ নভেম্বর প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় গোটা বিশ্বকে কাপিয়ে দিয়েছিল। তাই ঘূর্ণিঝড় ও নিহতদের স্মরণে বছরে অন্তত একটি বার সবাই মিলে আলোচনা করার জন্য এবং উপক‚লবাসীর পক্ষ থেকে উপক‚লের সুরক্ষা, উপক‚লের সংকট, সম্ভাবনা, বিকাশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ ১২ নভেম্বরকে রাস্ট্রীয় ভাবে উপক‚ল দিবস ঘোষণার দাবী জানান।
    সেই সময়কার কৈশর বেতাগী উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোপখালী গ্রামের বাসিন্দা সিনিয়র সংবাদকর্মি হাসানুর রহমান ঝন্টু এর স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে বলেন, ৭০এর জলোচ্ছাসে আমাদের গ্রামের বেড়ীবাঁধ ভেঙ্গে যায়। বাড়ীর ৭টি ঘর তচনছ হয়ে উঠানে কোমড় সমান পানি হয়। কৈশরের ভয়াবহ প্লাবনের দৃশ্য আজও চোখে ভাসছে। আমাদের ছোট দাদী সাহসী ছিলেন, জোয়ারের পানির মধ্য দিয়ে কোলে নিয়ে আরেক ঘরে নিয়ে আমাকে নিরাপদে আশ্রয় দেয়। এই ঘূর্ণিঝড়ে পুরা উপক‚লের ন্যায় এ উপজেলায়ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। যা পুষিয়ে ওঠার নয়।

  • গোপালগঞ্জে ৩৫ টি জাতের ধান নিয়ে ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া

    গোপালগঞ্জে ৩৫ টি জাতের ধান নিয়ে ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া

    স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে আমান মৌসুমের চাষ উপযোগী রোপা আমন ধানের জাত মুল্যায়নে ৩৫ টি জাতের ধান নিয়ে ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া স্থাপন করা হয়েছে। এই ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে কৃষক তাঁর জমির জন্য উপযোগী এবং পছন্দের ধানের জাত বেছে নিতে পারবেন।

    এ উপলক্ষে আজ রোববার বিকালে (১২ নভেম্বর) সদর উপজেলার কাজির বাজারে স্থানীয় কৃষক ও কৃষানীদের নিয়ে ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের সরদার।

    বশেমুরবিপ্রবির কৃষি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিলহাস আহমেদ জুয়েলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট গোপালগঞ্জের আঞ্চলিক কার্যালয়ের ইনচার্য ড. মো: জাহিদুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাফরোজা আক্তার বক্তব্য রাখেন। এসময় উপস্থিত কৃষক ও কৃষানীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন।

    কৃষি বিভাগ সূত্রে জানাগেছে, ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিচার্স ইনস্টিটিউটের অর্থায়নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার কাজির বাজার সংলগ্ন সড়কের পাশে ক্রপ ক্যাফেটোরিয়া স্থাপন করা হয়েছে। এখানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিউট উদ্ভাবিত ব্রি ধান ৫১, ৫২, ৭০, ৭১, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৬, ৭৭, ৭৮, ৭৯, ৮০, ৮৭, ৯৩, ৯৪, ৯৫, সুগন্ধি ধানের জাত ব্রি ধান-৯০, বিআর-১১, বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত বিনা ধান-১৭, ২২, ২৩ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। এছাড়া বাজারে প্রচলিত স্বর্ণা, সারথী-১৫, সুপ্রীম স্বর্ণালী ধান-২, সারথী-১৪ অ্যারোমেটিক, সারথী-১৪ নর্থ অ্যারোমেটিক, সুবর্ণ-৭, এলটিডিএইচডি-২৩-১, এলটিডিএইচডি-২৩-২, ইস্পাহানি-৬, ইস্পাহানি-৯, বিইউ ধান-১, এএস (১০০-০০১) নিয়ে সর্বমোট ৩৫টি ধানের জাত এই ক্রপ ক্যাফেটেরিয়ার উৎপাদিত হয়েছে।

    কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল কাদের সরদার বলেন, এ ক্রপ ক্যাফেটোরিয়া স্থাপন অত্যন্ত সময় উপযোগি পদক্ষেপ। এখান থেকে চাষীরা সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কোন ফসলটি তার জমির জন্য উপযোগি। এছাড়া এসব ধানের গুনাগুন এবং এর ফলন সম্পর্কেও এখান থেকে পূর্ণাঙ্গ ধারনা পাচ্ছেন তারা।

    বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনষ্টিটিটিউট, গোপালগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ইনচার্য ড. মো জাহিদুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ধান গবেষণা উনষ্টিটিউট যে সকল ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে তার সব জাত সব ধরনের জমির জন্যে উপযোগি নয়। এই ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া কৃষকদের তার জমির জন্য উপযোগি জাত নির্বাচনে অনেক বড় ভূমিকা রাখবে।

    বশেমুরবিপ্রবির কৃষি বিভাগের অধ্যাপক ড. জিলহাস আহমেদ জুয়েল বলেন, এই ক্রপ ক্যাফেটেরিয়া স্থাপন করে আমরা কৃষকদের মাধ্যমেই জাতগুলোর মূল্যায়ণ করাতে পেরেছি। এসব জাতের মধ্যে থেকে তারা সনতনী বিভিন্ন ধানের জাতের গুনাগুন সম্পন্ন অনেক হাইব্রিড ও উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত খুজে পেয়েছে। আগামীতে এই ক্রপ ক্যাফেটোরিয়ার সঙ্গে আরো বেশি কৃষককে সম্পৃক্ত করতে পারলে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কৃষক লাভবান হবেন। #

  • গরীব মানুষদের সুবিধা দেওয়ার জন্য আল্লাহ শেখ হাসিনাকে বাঁিচয়ে রেখেছেন-বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড.  মিলনএমপি

    গরীব মানুষদের সুবিধা দেওয়ার জন্য আল্লাহ শেখ হাসিনাকে বাঁিচয়ে রেখেছেন-বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. মিলনএমপি

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির: খুনিরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে মেরে ফেলেছে কিন্তু তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য-গরীব মানুষদের সুবিধা দেওয়ার জন্য আল্লাহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। সারাদেশে ৮কোটি মানুষকে প্রধানমন্ত্রী সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় এনেছেন, মোরেলগঞ্জ উপজেলায়ও ৯০ হাজার পরিবার কোন না কোন ভাতার অন্তর্ভুক্ত’-তাই তার কাছে আমাদেও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করা উচিত- বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সেলিমাবাদ কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আমিরুল আলম মিলন এ কথা বলেন।
    শনিবার (১১নভেম্বর) বিকাল ৩টায় সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সুবিধাপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে দেশরতœ শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে মোরেলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সেলিমাবাদ কলেজ মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করে। এসময় সমাবেশে উপস্থিত ৫হাজারের অধিক সুবিধাভোগীদের সংসদ সদস্য আমিরুল আলম মিলন প্রশ্ন করেন আপনারা প্রধাানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ কিনা(?) জবাবে হাত উঁচু করে সমস্বরে সবাই ‘হ্যাঁ’ সূচক জবাব প্রদান করেন।
    সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. মোশারফ হোসেন, মোরেলগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও পৌর মেয়র এসএম মনিরুল হক তালুকদার, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ, জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এমদাদুল হক ও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ। সভায় সভাপতিত্ব ও সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজামে¥ল হক মোজাম।
    বক্তারা বলেন, অতীতে এদেশে অনেক সরকার ছিলো, কিন্তু এরকম করে ১০ কেজি চাল, ২০ কেজি চাল এবং ৪০ দিনের কর্মসূচি, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, মৎস্য ভাতা, আরো অনেক ভাতা, এতো ভাতা অতীতে কোনো সরকার দেয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরীব মানুষ নিয়ে পরিকল্পনা করেন তাদের কল্যাণে কাজ করেন। মানুষ যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন যাপন করতে পারে তার জন্য তাদের পাশে সাহায্যের হাতটি বাড়িয়ে দেন। এটি অন্য কোনো সরকার করেননি। যে সরকার এই কাজটি করে, অবশ্যই তাঁর প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা থাকতে হবে। শেখ হাসিনা সরকারকে আগামীতে সরকার পরিচালনার জন্য আবারো দায়িত্ব দিতে হবে তাহলে তিনি সারাদেশের মানুষের জন্য যত উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ করছেন, সেই কর্মযজ্ঞ অব্যাহত থাকবে।
    এসময় উপকারভোগীদের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম তারেক সুলতান। সমাবেশে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও প্রায় ৫ হাজার উপকারভোগী উপস্থিত ছিলেন। #

  • মহেশপুর উপজেলায় সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম এর শুভ উদ্বোধন

    মহেশপুর উপজেলায় সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের কার্যক্রম এর শুভ উদ্বোধন

    শহিদুল ইসলাম (ঝিনাইদহ) মহেশপুর থেকেঃ-

    ১২ই নভেম্বর সকালে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা প্রাঙ্গনে সিনিয়র সহকারী জজ আদালত ও সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতের কার্যক্রম এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
    ঝিনাইদহ বিজ্ঞ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালত জনাব নাজিমুদ্দৌলা এর সভাপতিত্বে উক্ত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ ৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য জননেতা এ্যাড,শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চল। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ বিজ্ঞ বিচারক বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জনাব,মোহাম্মদ আল আমিন মাতুব্বর, বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট গোলাম রাব্বি। বিজ্ঞ বিচারক ( যুগ্ন জেলা ও দায়রা জজ) ল্যান্ড সার্ভেট্রাইব্যুনাল জনাব,মোঃ- ফারুক আযম,বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট জনাব, ইসমাইল হোসেন পিপি ঝিনাইদহ। জনাব, বিকাশ কুমার ঘোষ জিপি ঝিনাইদহ। মহেশপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী সহসভাপতি জনাব,ময়জদ্দীন হামীদ, মহেশপুর পৌর মেয়র জনাব,মোঃ আব্দুর রশীদ খাঁন, মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব,নয়ন কৃমার রাজবংশী, মহেশপুর সহকারী কমিশনার (ভুমি) জনাব,শরীফ শজওন, জনাব,মোঃ-রবিউল হোসেন সভাপতি আইনজীবী সমিতি ঝিনাইদহ। জনাব,মোঃ আকিদুর রহমান সাধারণ সম্পাদক জেলা আইনজীবি সমিতি। এসময় মহেশপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ, সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি, জেলা উপজেলার প্রিন্ট ও ইলেক্টনিক মিডিয়া গনমাধ্যমকর্মী,পুলিশ প্রশাসন,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার শত শত লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মহেশপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আসাদুজ্জামান আসাদ।

  • কালীগঞ্জে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন

    কালীগঞ্জে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালামনিরহাট।।।
    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের অপারেশনাল কার্যক্রম এর শুভ উদ্বোধন ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। গত ১১ই নভেম্বর ২০২৩ইং শনিবার বিকালে গোড়ল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ জেলা পুলিশের আয়োজনে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার, লালমনিরহাট জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম,এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মাননীয় মন্ত্রী জনাব নুরুজ্জামান আহমেদ এম.পি,

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব মোহাম্মদ উল্যাহ, জেলা প্রশাসক, লালমনিরহাট মিজানুর রহমান মিজু, সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ কালীগঞ্জ উপজেলা শাখা ও চলবলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন, গোড়ল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, স্বাগতিক বক্তব্য দেন কালীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি ইমতিয়াজ কবির, উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহির ইমাম,পি আই ও ফেরদৌস আহমেদ,গোড়ল তদন্ত কেন্দ্র ইনচার্জ এস আই মাসুদ রানা, ও বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগ অঙ্গ সংগঠনের নেত্রীবৃন্দ, প্রিন্ট ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক, ও স্থানীয় জনসাধারণ সহ অনেকে।

    হাসমত উল্লাহ।