Blog

  • স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাসেযুসের আহবানে অসহায় রোগীদের পাশে হৃদয়বান ব্যক্তিরা

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মাসেযুসের আহবানে অসহায় রোগীদের পাশে হৃদয়বান ব্যক্তিরা

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধি: মোঃ নাঈম মল্লিক

    মানবতার সেবায় যুবসমাজ(মাসেযুস) একটি অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যেগে ৩ জন অসহায়কে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেন সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য এবং সকল সদস্য দাতাগন।

    যার মধ্যে একজন দীর্ঘ ৪ বছর ক্যান্সারে আক্রান্ত যিনি নলছিটি নূরানি মাদ্রাসার শিক্ষক ও হাসপাতাল মসজিদ এর মুয়াজ্জিন ছিলেন।ভৈরব পাশা ইউনিয়নের মাসেযুস পরিবারের এডমিন মোঃ মারজান খানের নেতৃত্বে তাকে নগদ ১০,০০০/- চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়।

    এছাড়া বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল এ একজন অসহায় মা দীর্ঘদিন হসপিটালের ছিলেন এখন বর্তমানে তার বাবার বাড়ি সুবিখালি, মির্জাগঞ্জ আছেন।
    তার একটি পা পচে গেছে অপারেশন করে কেটে ফেলা হয়েছে। তার কোন সন্তান বা নিজের কোন ছেলে / মেয়ে নাই। তার ভাইয়ে মেয়ে আপাতত তাকে দেখা শোনা করে।
    বরিশাল মাসেযুস পরিবারের এডমিন আজমির সাকিবের নেতৃত্বে অসহায়ের মায়ের জন্য নগদ ৫০০০/- টাকা সহায়তা পৌছে দেওয়া হয়।

    ক্যান্সার আক্রান্ত নির্মল হাওলাদার ( খুদিরাম বাবু) রানাপাশা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক (অব.) নির্মল হাওলাদার (দুখিরাম বাবু)ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি এবং ডায়াবেটিক ফুট আলসার রোগে আক্রান্ত হয়ে উন্নত চিকিৎসায় জন্য বারডেম জেনারেল হাসপাতালে ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছেন। তার একটি পায়ের তলা ও আঙ্গুল ড্যামেজ হয়ে গিয়েছে। যা অপারেশনের মাধ্যমে কেটে ফেলা হচ্ছে। তার এই ব্যায়বহুল চিকিৎসা খরচ চালানো ঐ পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই এই অসহায় নির্মল বাবুর পাশে রানাপাশা ইউনিয়ন মাসেযুস পরিবারের এডমিন সিয়াম সাগর এর নেতৃত্বে নগদ ৫০০০/- পৌছে দেওয়া হয়েছে।

    মানবতার সেবায় যুবসমাজ ( মাসেযুস) পরিবার দীর্ঘদিন পর্যন্ত অসহায় মানুষের পাশে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে দাড়াতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সংগঠনের কার্যনির্বাহী সদস্য এবং সদস্য দাতাদের সহযোগিতা নিয়ে ৩ অসহায় পরিবারের পাশে দাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয় সরাসরি (ঢাকাস্থ + প্রবাসী মাসেযুস বরিশাল) গ্রুপের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত করা হয়েছে। মানবতার সেবায় যুবসমাজ ( মাসেযুস) সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আসাদুজ্জামান স্বাধীন এই বিষয়ে জানান, মাসেযুস পরিবার একটি অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন।
    যেখানে যুবক শক্তি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং সমাজের কল্যানে কাজ করবে।

  • বরগুনার তালতলীতে সুফল প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগ

    বরগুনার তালতলীতে সুফল প্রকল্পের অনিয়মের অভিযোগ

    মংচিন থান তালতলী প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের বিভিন্ন কাজের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে রেঞ্চ মনিরুল ইসলাম ও বিট কর্মকর্তার ফজলুল হকের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ১১টি ভিসিএফ সমিতির হাতে দায়িত্ব ও ক্ষমতা দেওয়া থাকলেও তা বাস্তবে নেই। এই রেঞ্চ ও বিট কর্মকর্তার সেচ্ছাচারিতায় মুখ থুবরে পড়েছে সরকারে এই প্রকল্প।

    জানা যায়, গত ২০২১-২২ অর্থ বছরে উপজেলার সংরক্ষিত বন এলাকা বড়বগী,সোনাকাটা ও নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্প দেয় বন বিভাগ। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ঘর ভাড়া নিয়ে ঐ তিনটি ইউনিয়নে ১১ টি ভিসিএফ সমিতি করা হয়। সেখানে ঘর ভাড়া মাসে ২৫’শ টাকা চুক্তি হয়। তবে চুক্তি অনুযায়ী ঘর ভাড়ার টাকা দেওয়া হয়নি। এই সমিতিতে সঞ্চয় ও ঋণ পরিচালনা করার জন্য প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে এক জন ক্যাশিয়ার (বুক কিপার) নিয়োগ দেওয়া হলেও সেই সম্মানী ভাতার টাকা দেওয়া হয়নি। ঐ এলাকার বন নির্ভরশীল মানুষকে সচেতন করার জন্য প্রশিক্ষন দেওয়ার কথা থাকলেও নামে মাত্র প্রশিক্ষন দেওয়া হয়েছে। বনকে সুরক্ষা করার জন্য স্থানীয়দের সম্মানী ভাতার মাধ্যমে প্রহরী নিয়োগ করে থাকলেও তাদের কোনো ধরনের সম্মানী ভাতা দেওয়া হয়নি। এছাড়া টেকসই বন ও জীবিকা(সুফল) প্রকল্পের ১১টির ভিসিএফ সমিতির অন্যান্য প্রকল্পগুলো সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করছে না তারা। এই সব অভিযোগের উপজেলা রেঞ্চ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম ও নিশানবাড়িয়া বিট কর্মকর্তা একে এম ফজলুল হক।

    ভিসিএফ কমিটির সওদাগার পাড়ার সভাপতি মনোয়ার হোসেন মীর,কবিরাজপাড়ার সভাপতি মি.মংথিন জো ও নামেশেপাড়ার সভাপতি মি.মংচিন থান বলেন, রেঞ্চ ও বিট কর্মকর্তার অনিয়ম ও দূর্নীতি কারণে সরকারের এই প্রকল্পটি মুখ থুবরে পড়েছে। প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী আমাদের হাতে ক্ষমতা দেওয়া থাকলেও তারা কোনো ক্ষমতাই দেয়নি। সমিতির টাকা ব্যাংক থেকে উঠানোর জন্য চেকে স্বাক্ষর নিয়ে যায়। সেই টাকা কি করে কোথায় খরচ করে তাও আমাদের জানায় না। এর প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের সবাইকে হুমকি দেয়।

    কবিরাজপাড়া সমিতির ক্যাশিয়ার(বুক কিপার) রিপা বলেন, আমি বুক কিপার হিসেবে আমি দুই বছর যাবৎ কাজ করে আসছি। গত তিন মাস আগে আমারদের জন্য মাসে ৫ হাজার টাকা করে সম্মানী দেওয়ার বরাদ্দ হয়। তবে আমাদের তিন মাসের ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৫ হাজার টাকা দিয়ে তিন মাসেইর স্বাক্ষর নিয়ে যায়। তখন বলেন বাকি দুই মাসের টাকা বিভিন্ন অফিস খরচ বলে আমাদের পাঠিয়ে দেয়। ১১টি সমিটির ১১ জন বুক কিপারের টাকাই রেখে দিয়েছেন রেঞ্চ ও বিট কর্মকর্তা। এমন অভিযোগ এই ১১টি সমিটির সকল বুক কিপারের।

    এবিষয়ে তালতলী রেঞ্চ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন আমি কিছু জানি না। এটা ঐ সমিতির লোকজনের নামে ব্যাংকে টাকা আসে তারাই ভালো জানে। আমরা শুধু এই প্রকল্পের তদারকি করি।

    পটুয়াখালী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন,এবিষয়ে যদি কেউ অভিযোগ করেন তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি

  • দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী তফসিলকে স্বাগত জানিয়েছেন: বিরোধী দলীয় নেতা

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী তফসিলকে স্বাগত জানিয়েছেন: বিরোধী দলীয় নেতা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অদ্য ঘোষিত তফসিলকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি।

    বুধবার, (১৫ নভেম্বর) জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব ও মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতার রাজনৈতিক সচিব গোলাম মসীহ্ প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি বলেন, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সুসম্পন্ন করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।

    বিবৃতিতে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচন কমিশন সহ সংশ্লিষ্ট সকল কতৃপক্ষ তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করবেন।

  • ডিসি ফখরুজ্জামানের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে আনন্দিত চট্টগ্রামের মানুষ

    ডিসি ফখরুজ্জামানের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে আনন্দিত চট্টগ্রামের মানুষ

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আর্ন্ডট কর্ডেন ডিপার্টমেন্ট অফ ইকোনমিকস থেকে অর্থনীতিতে তিনি পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করলেন।
    বৃহস্পতিবার গত (৯ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্টক পিয়ারসালের পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ২৪ তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ফখরুজ্জামানের থিসিসের বিষয় ছিল—‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল আপগ্রেডিং ইন দ্য অ্যাপারেল ভ্যালু চেইন: এভিডেন্স ফ্রম বাংলাদেশ’।

    ডিসি ফখরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, প্রায় ৫ বছর সাধনার পর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পেয়েছি। এ গবেষণায় বহু বিনিদ্র রজনী পার করেছি। আজকের অর্জনের ভালো লাগা বলে বোঝানো যাবে না।
    চাকরির পাশাপাশি গবেষণা চালিয়ে যাওয়া তো একটা চ্যালেঞ্জ আছেই। আর কী কী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন জানতে চাইলে ডিসি বলেন—প্রথমত সেশনটা ছিল বৈশ্বিক মহামারী কোভিডে। কোভিডের কারণে অনেকগুলো প্রোগ্রামিং আমাকে শিখতে হয়েছে। কোভিড না হলে হয়তো কারো সহযোগিতা পেতাম। কিন্তু কারো সহযোগিতা নেওয়ার মতো অবস্থা ছিল না। নিজের সব কিছুই নিজেকে করতে হয়েছে।
    দ্বিতীয়ত—শিক্ষা ও গবেষণা কাজে অস্ট্রেলিয়ার একটা নীতি আছে। সেটি হলো জ্ঞানের রাজ্যে নতুন জ্ঞান যুক্ত করতে হবে নয়তো চলমান যে কোনো জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করতে হবে। এদুটোর কোনোটা না হলে অস্ট্রেলিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সাধারণত ডিগ্রির অনুমোদন দেয় না।

    গবেষণা চলাকালে আপনি কোনো অনিশ্চয়তায় পড়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কনফার্মেশন লেটার পাওয়ার আগ পর্যন্তই অনিশ্চয়তায় ছিলাম। তিনজন সুপারভাইজর, এক্সটার্নালগণ যদি থিসিসে সন্তুষ্ট না হন আমার পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন হবে না। গত পাঁচ বছর কত পরিশ্রম করেছি সেটাতো আমিই কেবল জানি। এমনও হয়েছে—পেপার জমা দিয়েছি, প্রফেসরগণ বললেন—এভাবে নয় এভাবে করো। নির্দেশনা অনুযায়ী করলাম। আবার নতুন করে নির্দেশনা দিলেন। এভাবে সময়, শ্রম যা দিয়েছি, যত অনিশ্চয়তা ছিল বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রারের এক অভিনন্দন বার্তায় সব আনন্দে পরিণত হলো।

    জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিন বছর অস্ট্রেলিয়াতে সরাসরি গবেষণার কাজে নিয়োজিত ছিলেন। ছুটি শেষ হয়ে যাওয়ায় দেশে ফিরে চাকুরিতে যোগদান করে গবেষণার বাকি অংশ শেষ করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি একজন পরিশ্রমী ও অধ্যবসায়ী মানুষ হিসেবে তিনি মাঠপ্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সৃজনশীলতার সাথে চৌকসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    এ বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন মহলের অভিনন্দন ও প্রশংসায় ভাসছেন জেলা প্রশাসক। একজন যোগ্য ও দক্ষ জেলা প্রশাসক হিসেবে ইতিমধ্যেই সর্বসাধারণের মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

    মানবিক জেলা প্রশাসক ফখরুজ্জামান চট্টগ্রামে হাজার একর খাসজমি উদ্ধার,পর্যটনখাতের উন্নয়ন,চট্টগ্রামকে স্মার্ট জেলার রুপান্তরকরণে পুরস্কারপ্রাপ্তিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ,শিক্ষা ব্যাবস্থার অগ্রগতি, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাসহ চট্টগ্রামের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন। একজন সৃজনশীল জেলা প্রশাসক হিসেবে তিনি চট্টগ্রাম জেলায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করছেন।

    জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের পারিবারিক জীবনে রয়েছে সহধর্মীণি তানজিয়া রহমান ও দুই সন্তান

    চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ জেলা প্রশাসক সম্পর্কে বলেন, বর্তমান জেলা প্রশাসক অত্যন্ত মেধাবী, চৌকস,সাহসী ও মানবিক জেলা প্রশাসক। তিনি চট্টগ্রামের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। তার পিএইচডি অর্জনে গবেষণালব্ধ জ্ঞান মাঠপ্রশাসনসহ কেন্দ্রীয় প্রশাসনে নীতিনির্ধারণী ভূমিকা পালন করবে। আমরা তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি।

  • গ্রাম -শহরের উন্নয়ন শেখ হাসিনার দুই নয়ন

    গ্রাম -শহরের উন্নয়ন শেখ হাসিনার দুই নয়ন

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    গ্রাম -শহরের উন্নয়ন শেখ হাসিনার দুই নয়ন।
    আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন এ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সমর্থনে চলমান অবরোধ, হরতাল এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মিছিল করেন ২৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ এর ত্যাগী নেতা হাজী জহিরুল আলম। মিছিলটি ফইল্লাতলী বাজার, ওয়াপদা সড়ক হয়ে এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বড় পোল এলাকায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের সম্মুখে এসে শেষ হয়। এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হাজী জহিরুল আলম বলেন বাংলাদেশের উন্নয়নে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। জাতি হিসেবে আমরা সৌভাগ্যবান। এই দেশে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা শাসন ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি বাঙ্গালী জাতিকে উপহার দিয়েছেন পদ্মা সেতু, মেট্রো রেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কক্সবাজার রেল পথ সম্প্রসারণ, ৪ লাইন সড়ক উন্নয়ন সহ একাধিক মেগা প্রজেক্ট। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা কে সাজাবেন তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। এটি অন্য কারো পক্ষে সম্ভব নয়, কারণ এখানে স্বদেশ প্রেমের একটি বিষয় খুবই নিবিড় ভাবে জড়িয়ে আছে। তাই আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আবারো জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায় বাংলাদেশের জনগণ।সেই লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে আবারো নির্বাচিত করে বিশ্ব মানচিত্রে আমরা আমাদের দেশকে উন্নয়নশীল হতে উন্নত দেশে রুপান্তরিত করার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করবো। সন্ত্রাস, অবরোধ, হরতাল দিয়ে কখনোই একটি দেশের উন্নয়ন হয় না। দেশের জনগণকে সাথে নিয়ে আমরা যার যার অবস্থান হতে এই সব দেশ বিরোধী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করে বাংলাদেশের উন্নয়নকে বেগবান করতে হবে। বিএনপি-জামায়াত জোটের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র, অগ্নি-সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যেসহ অপপ্রচারের প্রতিবাদে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি পালন করে কখনো এই বাংলার খেটে খাওয়া মানুষের মন জয় করতে পারবেনা।

  • পাইকগাছায় জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ সমস্যা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ সমস্যা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছায় জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ সমস্যা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণ ও পানি কমিটি এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। উপজেলা পানি কমিটির সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মলঙ্গীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান কওছার আলী জোয়াদ্দার, শেখ জিয়াদুল ইসলাম। দিলীপ সানার স ালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা রণজিৎ সরকার, কাজী তোকাররম হোসেন টুকু, কামরুজ্জামান, আওয়ামী লীগনেতা সুকৃতি মোহন সরকার, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন ও মোঃ আব্দুল আজিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম আলাউদ্দীন সোহাগ, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, মিজানুর রহমান, কৃষ্ণ রায়, প্রভাষক রবীন্দ্রনাথ কর্মকার, ইউপি সদস্য রামচন্দ্র টিকাদার, নাজমা কামাল, গৌরঙ্গ মন্ডল, উত্তরণের নাজমুল বাশার ও মাহফুজা সুলতানা। সভায় বক্তারা এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে শিবসা, কপোতাক্ষ ও হাড়িয়া নদী দ্রুত খনন এবং টিআরএম পদ্ধতি বাস্তবায়ন, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সরকারি স্লুইচ গেট সংস্কার, সরকারি পানি সরবরাহের খাল দখল মুক্ত ও খনন এবং সামাজিক বনায়নের দাবী জানান।

    জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ; হয়রানীর শিকার হাজারো গ্রাহক; ইউএনও’র হস্তক্ষেপ কামনা
    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছার বহুল আলোচিত জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে তাদের জমাকৃত স য় ও স্থায়ী আমানতের টাকা ফেরত পাওয়ার দাবী করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে কয়েক’শ গ্রাহক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন এর কার্যালয়ে গিয়ে সমিতি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেন এ সময় তারা তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। ইউএনও মুহাম্মদ আল-আমিন বিষয়টি নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু ও থানার ওসি রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলে সমিতির ক্ষতিগ্রস্থ গ্রাহকদের টাকা ফেরত পাওয়ার ক্ষেত্রে সবধরণের সহযোগিতার আশ^াস দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জিয়াদুল ইসলাম, মৎস্য আড়ৎদারী সমবায় সমিতির সভাপতি জাকির হোসেন, মটর সাইকেল চালক সমিতির সভাপতি মনিরুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান, শহিদুল মোড়ল, শাহীন ইকবাল, সাইফুল ইসলাম, নাজমা খাতুন, ফাতেমা ও রিজিয়া বেগম। উল্লেখ্য, পৌরসভার সরল বাজারস্থ জোনাকি গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতিতে এলাকার শ্রমিক, দিনমজুর সহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ তাদের কষ্টের অর্জিত অর্থ অত্র সমিতিতে জমা রাখে। বর্তমানে এক হাজার গ্রাহকের জমাকৃত স য় ও স্থায়ী আমানতের ৫ কোটি টাকা সমিতির নিকট পাওনা রয়েছে বলে গ্রাহকরা দাবী করে আসছে। টাকা দিতে হিমশিম খাওয়ায় গ্রাহকরা চলতি বছরের ৮ মে সমিতি কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে সমিতি কর্তৃপক্ষকে অনেকটাই অবরুদ্ধ করে ফেলে। এ সময় স্থানীয় পুলিশ ও সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে সমিতির নির্বাহী প্রধান কাউন্সিলর আলাউদ্দীন গাজী এবং সভাপতি মোহাম্মদ আলী গাজী গ্রাহকদের কাছ থেকে ৬ মাসের সময় নেন টাকা পরিশোধের জন্য। নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কোন গ্রাহকের টাকা ফেরত দেয়নি এবং সমিতির কার্যালয় তালাবদ্ধ রেখে সমিতি কর্তৃপক্ষ গাঁ ঢাকা দিয়েছে বলে গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন।
    পাইকগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত
    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
    পাইকগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। হরতাল অবরোধ, সন্ত্রাস ও সহিংসতার মাধ্যমে তারুণ্যের অগ্রযাত্রারোধ, শিক্ষা জীবন বিঘ্নিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে বিক্ষোভ মিছিলটি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে কলেজ চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রমজান সরদারের সভাপতিত্বে ও ছাত্রলীগনেতা অহিদুজ্জামানের স ালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ছাত্রলীগনেতা দীপংকর মন্ডল, রায়হান পারভেজ রনি, সাব্বির হোসেন, মাসুদুর রহমান মানিক, রাশেদুজ্জামান রাসেল, সৌরভ গাইন, মাহবুবুর রহমান নয়ন, রসুল গাজী, হুসাইন আহম্মেদ রানা, আব্দুর রহিম, তানভীর হোসেন ডাবলু, টুটুল গাজী, মৌদুদ আহমেদ, মাসুদ গাজী, নাজমুল হোসেন, সুমন মন্ডল, সারাফাত হোসেন নাবেদ, দিপায়ন মন্ডল, ইমরান হোসেন, এনাম আহম্মেদ, শেখ রাজন, মহাসিনুল, আজিজুল ইসলাম, শেখ নয়ন, সাকিব হাসান, সরাজ, তাজবীর ও তুর্জ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • প্রধানমন্ত্রী’র পাইকগাছার কড়ুলিয়া নদীর উপর সেতু উদ্বোধনের খবরে আনন্দে ভাসছে মানুষ

    প্রধানমন্ত্রী’র পাইকগাছার কড়ুলিয়া নদীর উপর সেতু উদ্বোধনের খবরে আনন্দে ভাসছে মানুষ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা )
    খুলনার জনসভায় প্রধানমন্ত্রী’র পাইকগাছা কড়ুলিয়া নদীর উপর পৌনে ১কিঃ মিঃ দৈর্ঘ্য সেতু’র ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের ঘোষনায় এলাকার মানুষ আনন্দে ভাসছে।১৩ নভেম্বর বিকালে খুলনা জেলা সার্কিট হাউজ ময়দানের বিশাল জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালে পাইকগাছার লস্কর-বাইনতলা খেয়াঘাটস্থ কড়ুলিয়া নদীর উপর সেতু’সহ জেলার বিভিন্ন স্থানের ২৯ টি উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেণ।উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর সুত্রে জানাগেছে, পাইকগাছা-কয়রা উপজেলার সাথে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে লস্কর-বাইনতলায় কড়ুলিয়া নদীর উপর ৭৪৮.৯ মিঃ দৈর্ঘ্য ( পৌনে ১কিঃ মিঃ) ও ৯.৮ মিঃ (৩২) ফুট প্রশস্ত সেতু’ নির্মিত হবে। যার চুক্তিমূল্য ১শত ২০ কোটি টাকা। ন্যাশনাল ডিভালপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং লিঃ (এনডিই) নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ২১-৯-২৩ থেকে ২০-৯-২৬ সালের মধ্যে এ সেতু’র কাজ সম্পন্ন করবেন। জমি অধিগ্রহনের কাজ চলমানের কথা উল্লেখ করে স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও স্বজল বিশ্বাস জানান, এ সেতু’র নদীর মাঝখানে ২৪৬ ফুটের দৈর্ঘ্য শুধুমাত্র ১টি স্টীলের স্প্যান বসানো হবে। এর সাথে সেতু’র দু’পারে আরোও ২৪টি আরসিসি স্প্যান বসানো হবে। উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব জানান, এলজিইডি কর্তৃক নির্মিত এ সেতুটি হবে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সৌন্দর্য্য প্রিয় সেতু। তিনি আরোও বলেন, এটি নির্মানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের যথেষ্ট অবদান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সেতু উদ্বোধনের খবর শুনে লস্কর এলাকার বাসিন্দা নলিনী কান্ত সানা (৭২ ) জানান, এ সরকার শুধু শহর মুখি উন্নয়ন বিশ্বাসী নয়, গ্রাম-গঞ্জের মানুষের উন্নয়ন যথেষ্ট কাজ করে যাচ্ছে। কড়ুলিয়া নতূর উপর সেতু’র উদ্বোধন তারই প্রমান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’ ও বাগেরহাট- ১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এর প্রতি কৃজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবু। তিনি এপ্রতিনিধি কে জানান, এ সেতুটির নির্মান কাজ শেষ হলে নির্বাচনী এলাকা পাইকগাছা-কয়ার’র সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটবে এবং একই সাথে জমির মূল্যবৃদ্ধিসহ এলাকার অর্থনীতি’র বিকাশ ঘটবে।

  • চাকরী জীবনের রেশারেশি থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দে জড়ালেন তিন নির্বাচন কর্মকর্তা

    চাকরী জীবনের রেশারেশি থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দে জড়ালেন তিন নির্বাচন কর্মকর্তা

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    চাকরী জীবনের রেশারেশি থেকে ব্যক্তিগত দ্বন্দে জড়িয়ে পড়েছেন ঝিনাইদহের সাবেক ও বর্তমান তিন নির্বাচন কর্মকর্তা। জীবনহানীর আশংকা থেকে এ নিয়ে হয়েছে থানায় জিডি। নির্বাচন কর্মকর্তাদের এই দ্বন্দে অফিস পাড়া ও নির্বাচন কমিশনে রীতিমত হৈচৈ পড়ে গেছে। ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান এ ঘটনায় জেলার সাবেক নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আঃ ছালেক ও কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে ঝিনাইদহ সদর থানায় জিডি করেছেন। জিডি সুত্রে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান গত ২১ সেপ্টম্ব ঝিনাইদহে যেগদান করে শহরের কাঞ্চননগর পাড়ায় নতুন বাড়ি নির্মান কাজে হাত দেন। তিনি এর আগেও ঝিনাইদহ জেলার দায়িত্বে ছিলেন এবং তখন এই জমি ক্রয় করেন। বাড়ির কাজ শুরুর পর থেকে প্রতিবেশি ও কুমারখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন এবং আরেক প্রতিবেশি আব্দুল কুদ্দুস জোয়রদার পেশি শক্তি খাটিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। এ সময় ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন অফিসার রোকনুজ্জামান মুঠোফোনে খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ নিজামুদ্দীন মোল্ল্যা ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ ইকবাল হোসেনের সাহায্য প্রার্থনা করলে ঝিনাইদহ সদর থানা পুলিশ নির্মান কাজ চালু রাখতে সহায়তা করেন। জিডিতে উল্লেখ করা হয় পুলিশী হস্তক্ষেপের বিষয়টি আলমগীর ও কুদ্দুস জোয়ার্দ্দার ভালভাবে না নিয়ে তারা হেনস্থা করার জন্য একের পর এক ঝিনাইদহ পৌরসভায় অভিযোগ করতে থাকেন। ফলে একই জমি সার্ভেয়ার দিয়ে পাঁচবার মাপজোখ করা হয়। গত ৭ নভেম্বর নির্মান শ্রমিকরা লাইট জ¦ালিয়ে ছাদে কাজ করার সময় বৈদুৎতিক লাইনের তারে স্পর্শ করে দুইজন শ্রমিক আহত হন। দুই শ্রমিক আহত নিয়ে আলমগীর হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস জোয়াদ্দার ও তার মেয়ে সুলতানা উপস্থিত জনতাকে উস্কে দেন এবং প্রচার করেন দুইজন শ্রমিক মারা গেছেন। এ সময় ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রোকনুজ্জামানকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। জিডিতে দাবী করা হয় দুই নির্মান শ্রমিক আহত ও পরিবর্তিত পরিস্থিতি উস্কে দিতে এ ঘটনার সঙ্গে যোগ দেন ঝিনাইদহ থেকে মদ্য বদলী হওয়া জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আঃ ছালেক। ঝিনাইদহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান বলেন, গত দেড় মাস আগে কর্তৃপক্ষ আমাকে উপযুক্ত বিবেচনা করে এই জেলায় পদায়ন করেছেন। কিন্তু আঃ ছালেক কোনভাবেই মানতে পারছে না। তাই তিনি ক্রমাগত ভাবে নির্বাচন কমিশনসহ একাধিক স্থানে আমাকে নিয়ে কুৎসা রুটনাসহ ঝিনাইদহ থেকে তাড়ানোর অন্যায় চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অফিসে প্রতিদিনই রাত ৮/৯ টা পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। এ কারণে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। কুমারখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, ঝালকাঠি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আঃ ছালেক, প্রতিবেশি কুদ্দুস জোয়ার্দ্দার ও তার মেয়ের মিলে তাকে প্রাণনাশসহ যে কোন ধরনের ক্ষতি সাধন করতে পারে। এঘটনায় তিনি ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন, যার নং ৫১১। বিষয়টি নিয়ে বুধবার বিকালে ঝালকাঠি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আঃ ছালেকের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে কুমারখালী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন বুধবার বিকালে মুঠোফোনে জানান, জিডির বিষয়ে আমি তো কিছুই জানি না। তাছাড়া ঘটনার সঙ্গে আমি নুন্যতম জড়িত নয়। তাই আমার বিরুদ্ধে জিডি করা চরম অন্যায় হয়েছে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি শাহিন উদ্দীন জানান, বিষয়টি নিয়ে একটি জিডি হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
    ঝিনাইদহে নেশার টাকা না পেয়ে স্কুল শিক্ষককে পিটিয়েছে দুই মাদকসেবী
    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহ শহরে পুরাতন ধোপাঘাটা এলাকায় নেশার টাকা না পেয়ে এক স্কুল শিক্ষককে মারধর করেছে দুই মাদকসেবী। এ নিয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন। অভিযোগ থেকে জানা যায়, ধোপাঘাটা পুরাতন ব্রীজ এলাকায় অবস্থিত ইউকে ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সহকারী শিক্ষক সাদ্দাম হোসেনের কাছে প্রায় সময় মাদকসেবী কাঞ্চননগর এলাকার মৃত মোহাম্মদ মোল্লার ছেলে আব্দুল মজিদ ও নাদের মালিথার ছেলে রাজু হোসেন নেশা টাকার দাবী করে আসছিলো। সম্মানের ভয়ে মাঝেমধ্যে তিনি কিছু টাকা দিয়ে রেহায় পেতেন। এবার তার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবী করে বসে মাদকসেবী মজিদ ও রাজু। টাকা দিতে অস্বীকার করলে মঙ্গলবার বিকেলে বিদ্যালয়ের সামনে তাকে বেধড়ক মারপিট করা হয়। আহত অবস্থায় শিক্ষক সাদ্দামকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হযৈছৈ। এ ঘটনায় মঙ্গলবার রাতে সদর থানায় একটি মামলা করা হয়ছে। থানায় মামলার করার পরও মজিদ ও রাজু তাকে হুমকি দিচ্ছেন বলে শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন জানান। ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহীন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
    ঝিনাইদহে প্রবাসী স্বামীর নির্দেশে দ্বিতীয় স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ
    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে প্রবাসী স্বামীর নির্দেশে সতীনের মেয়ে জামাই দিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ করেছে রুপালী খাতুন (৩৮) নামে এক নারী। রুপালী খাতুন শৈলকুপা উপজেলার ধর্মপাড়া গ্রামের রুস্তম আলী মোল্লার মেয়ে। তার স্বামী শহিদুল ইসলাম কুয়েত প্রবাসি। অভিযোগে সতীনের মেয়ে শারমিন আক্তার ও তার জামাই ইষ্টিফিননগর গ্রামের আজগার আলী ছেলে আমিরুল ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানায় দায়ের করা লিখিত অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে, রুপালী খাতুনের সতীনের মেয়ে ও জামাইয়ের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয় ২০২১ সালের ২২ অক্টোবর। রুপালী খাতুন সৌদি আরবে থাকা অবস্থায় শহিদুলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে কারণে মোবাইলে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সময় যৌতুকের কোন কথা না থাকলেও বিয়ের পর স্বামী শহিদুল যৌতুকের দাবীতে নির্যাতন শুরু করে। নিরপায় হলে রুপালী খাতুন দেড় লাখ টাকার আসবাবপত্র ও নগদ ৮ লক্ষ টাকা প্রদান করেন। যৌতুক প্রদান করার পরও এক সময়ের সৌদি প্রবাসী রুপালী খাতুনের উপর তার কুয়েত প্রবাসী স্বামী, সতিনের মেয়ে ও জামাই আরো টাকা দাবী করে মানসিক নির্যাতন চালাতে থাকে। গত ২৬ অক্টোবর টাকার দাবীতে সতিনের বড় মেয়ে শারমিন, ছোট মেয়ে শাপলা, বড় জামাই আমিরুল ও ছোট জামাই রূদয় আহমেদ অভি একত্রিত হয়ে শারীরিক নির্যাতন করে এবং বাড়ি থেকে বের করে দেয়। রুপালী খাতুন জানান, আমার স্বামীর নির্দেশে সতীনের মেয়ে জামাইরা আমাকে বাড়ী থেকে বের করে দিয়েছে। তারা আমার একটি গরু জোর করে নিয়ে গেছে। এখন প্রতিনিয়ত আমাকে গালিগালাজ করছে ও জীবননাশের হুমকী দিচ্ছে। এ বিষয়ে রুপালীর সতীনের মেয়ে শারমিন আক্তারের সাথে মোবাইলফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন রিসিভ করেননি। ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ শাহীন উদ্দীন জানান, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা ও তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • বাগেরহাটে আওয়ামী লীগের আনন্দ মিছিল

    বাগেরহাটে আওয়ামী লীগের আনন্দ মিছিল

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনায় আনন্দ মিছিল হয়েছে বাগেরহাটে।বুধবার (১৫ নভেম্বরে) রাতে তফসিল ঘোষনার পরপরই শহরের রেলরোড থেকে জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। শহরের স্বাধনার মোড়, বাজারসহ বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন শেষে মিছিলটি রেলরোড চত্বরে এসে শেষ হয়।

    মিছিলে বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড, ফরিদ উদ্দিন, সাদারণ সম্পাদক এ্যাড. ভুইয়া হেমায়েত উদ্দিন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক খান হাবিবুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ তালুকদার আব্দুল বাকি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, জেলা যুব লীগের সভাপতি সরদার নাসির উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগ, পৌর আওয়ামী লীগ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, মহিলা যুবলীগ, ছাত্র লীগ, তাতী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন অংগসংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহন করেন।

    মিছিল থেকে তফসিল ঘোষনা করায় ইসিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। ৭ জানুয়ারি-নৌকা মার্কা, ৭ জানুয়ারি-আওয়ামী লীগ, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-আওয়ামী লীগ, নৌকা মার্কা, নৌকা মার্কায় ভোটদিন বলে স্লোগান দেন মিছিলকারীরা।

  • সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রাসমেলা হচ্ছে না দুবলার চরে

    সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষার স্বার্থে রাসমেলা হচ্ছে না দুবলার চরে

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির,বাগেরহাট: বঙ্গোপসাগর পাড় সুন্দরবন সংলগ্ন দুবলার চরের আলোরকোলে প্রতি বছর ২৫ নভেম্বর ৩ দিনব্যাপি রাস উৎসব হয়ে থাকে। শত বছরের ঐতিহ্যবাহী রাস উৎসবটি জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা আর বন বিভাগের সহায়তায় জেলে মহাজনরা এ মেলাটির আয়োজন করে থাকে। কিন্ত এ বছর সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে পুণ্যার্থী ছাড়া রাসমেলা উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ওই সময় সুন্দরবনে ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। আর এ উৎসবকে ঘিরে এবার হচ্ছে না রাসমেলা নামে কোন উৎসব।

    বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এ বিষয় নিয়ে তার সম্মেলন কক্ষে সুন্দরবনেন রাস পূর্ণিমা, হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা ও নারী-পুরুষদের পুণ্যস্নান উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা ডাকেন জেলা প্রশাসক মোহম্মাদ খালিদ হোসেন। তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হাফিজ আল আসাদ, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ নুরুল করিম, দুবলার চরে রাস উৎসব উদযাপন কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কামাল উদ্দিন সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এসময় উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় তিন দিনব্যাপী শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এ রাস পূর্ণিমায় পূজা ও পুণ্যস্নান অনুষ্ঠিত হবে শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য। সুন্দরবনের পরিবেশ, বনের বন্যপ্রানী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে এবার পুণ্যার্থী ছাড়া অন্যদের ওই সময় সুন্দরবনে ভ্রমণ বন্ধ থাকবে। উৎসবকে ঘিরে হবে না রাসমেলা বলে সির্ধান্ত নেওয়া হয় এ বৈঠকে।

    রাস উৎসব শ্রীকৃষ্ণের ব্রজলীলার অনুকরণে বৈষ্ণবীয়ভাব ধারায় অনুষ্ঠিত ধর্মীয় উৎসব। শ্রীকৃষ্ণের রসপূর্ণ অর্থাৎ তাত্ত্বিক রসসমৃদ্ধ কথা বস্তুকে রাসযাত্রার মাধ্যমে জীবাত্মার থেকে পরমাত্মায় রূপান্তরিত করতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন এ উৎসব পালন করে থাকে। হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বঙ্গোপসাগরের চর আলোরকোল এলাকায় বসে পূর্ণিমার জোয়ারে স্নান করে, যাতে তাদের সব পাপ মোচন হয়।

    জেলা প্রশাসক মোহম্মদ খালিদ হোসেন বলেন, করোনাকালীন সময় প্রায় দুই বছর আলোর কোলের রাসমেলা ও পুণ্যস্নান বন্ধ ছিল। পরে কিছুটা সিথিল হলেও এবছর সুন্দরবনের সম্পদ রক্ষার্থে বঙ্গোপসাগর পাড় আলোর কোলে রাস পুর্ণিমায় পূজা আস্রনায় হিন্দু সম্প্রদয়ের ব্যাতিত মুসলিম কোন দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেনা বলে নির্দেশনা রয়েছে। শুধু মাত্র হিন্দু সম্প্রদয়ের নারী-পুরুষ সেখানে গিয়ে ভরা পূর্ণিমার দিন ভোরে সূর্যোদয়ের সময় পূজা আর্চনা করে চলে আসবে। তাই আলোর কোলে প্রবেশের জন্য সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রুট নির্ধারণ করা রয়েছে, সেখান থেকে তারা প্রবেশ করবে। তবে রাস উৎসবকে ঘিড়ে এখানে চোরা হরিণ শিকারী, দুর্বৃত্ত ও অন্যান্যদের ঠেকাতে সর্বক্ষনিক বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রস্তুক করে রাখা হবে।

    তবে বন বিভাগ বা সরকারের আইন অমান্য করে কেউ প্রবেশ করতে চাইলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও জানায় তিনি।