Blog

  • কুড়িগ্রামে গৃহহীন  ভিডিপি সদস্যদের নির্মিত গৃহের উদ্বোধন ও চাবি হস্তান্তর

    কুড়িগ্রামে গৃহহীন ভিডিপি সদস্যদের নির্মিত গৃহের উদ্বোধন ও চাবি হস্তান্তর

    কুড়িগ্রামে গৃহহীন ভিডিপি সদস্যদের নির্মিত গৃহের চাবি হস্তান্তর ও শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    ১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার দুস্থ ও অসহায় ভিডিপি সদস্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ইউনিয়ন দলনেত্রী মোছাঃ জহুরা বেগম, ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ওয়ার্ড দলনেত্রী বৃষ্টি আক্তার-এর জন্য নির্মিত গৃহ-এর শুভ উদ্বোধন ও গৃহের চাবি হস্তান্তর করা হয়। কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার উমর পান্থাবাড়ি গ্রামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালকের পক্ষে নির্মিত গৃহের শুভ উদ্বোধন ও চাবি হস্তান্তর করেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী রংপুর রেঞ্জ পরিচালক মোঃ আব্দুস সামাদ, বিভিএম, পিভিএমএস।

    এসময় রংপুর রেঞ্জ পরিচালক উপস্থিত সদস্য-সদস্যাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদানকালে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থান, কেউ গৃহহীন থাকবে না, সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ধারাবাহিকভাবে দুস্থ ও অসহায়, গৃহহীন ভিডিপি সদস্যদেরকে গৃহ নির্মাণ করে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক। তারই ধারাবাহিকতায় আজ এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রংপুর বিভাগের তিন জেলায় তিনজন ভিডিপি সদস্যের নবনির্মিত গৃহের চাবি হস্তান্তর করা হলো”।

    এছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, কুড়িগ্রামের জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ নাহিদ হাসান জনি, সহকারী জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ ইবনুল হক, কুড়িগ্রাম সদরের উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোঃ মোশাররফ হোসেন, রাজারহাটের উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা মোছাঃ জেসমিন নাহার, উপজেলা প্রশিক্ষক মোঃ জিয়াউর রহমান ও রাজারহাট উপজেলার ভিডিপি দলনেতা-দলনেত্রীগণ সহ প্রমুখ।

  • তানোরের পাঁচন্দর  ইউপি আওয়ামী লীগে মতবিরোধ

    তানোরের পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগে মতবিরোধ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা এবং কর্মী-সমর্থকদের মাঝ দলীয় কোন্দল ও মতবিরোধ প্রকট আকার ধারণ করেছে। ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের স্বজনপ্রীতি নিয়ে নেতা ও কর্মী-সমর্থকেরা দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। তার একলা চলো নীতি তৃণমূল নেতাকর্মীদের ক্ষুব্ধ করে তুলেছে। অথচ তিনি ময়নাকে মাইনাস করে উপজেলা চেয়ারম্যান হবার স্বপ্ন দেখছেন।
    জানা গেছে, গত ১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচন্দর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) উদ্যোগে পাঁচন্দর ইউপি (দক্ষিন) আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে এবং (উত্তর) শাখার সম্পাদক একরামুল হকের সঞ্চালনায় কৃষ্ণপুর স্কুল মাঠে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। এদিকে মতবিনিময় সভার ব্যানারে একরামুল হকের মতো বির্তকিত ও জুনিয়র নেতার নাম থাকলেও, নাম দেয়া হয়নি (উত্তর)
    সভাপতি প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব ইসরাইল হোসেনের। বিষয়টি নেতাকর্মীরা সহজভাবে মেনে নিতে পারেনি, কিন্ত্ত এমপির সম্মানের কথা বিবেচনা করে কেউ প্রতিবাদ করেনি।
    মুলত এসব নিয়ে ইউপি আওয়ামী লীগের নেতা এবং কর্মী-সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভ-অসন্তোষ ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন এমপি চলে যাবার পর বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান মতিনের সঙ্গে নেতাকর্মীরা প্রচন্ড বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে ও উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যানকে নিয়ে স্লোগান দেয়।
    পাঁচন্দর উত্তর আওয়ামী লীগের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আওয়ামী লীগের একাধিক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, তাদের সভাপতিকে অবজ্ঞা করেছে চেয়ারম্যান মতিন। তারাও তাদের এলাকায় মতিনকে মেনে নিবেন না। কারণ মতিনের কথা মতো চললে গভীর নলকুপ অপারেটর, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি ইত্যাদি সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। তার স্বজনপ্রীতি কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। আগামিতে তারা তার বিকল্প নেতৃত্ব হিসেবে উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কারকে নিয়ে আসবেন। এবিষয়ে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের কোনো বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে জানতে চাইলে একরামুল হক বলেন এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি, এসব সাংবাদিকদের বানানো কথা।তিনি বলেন, একটা পক্ষ দীর্ঘদিন ধরেই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। #

  • ঘূর্ণিঝড় মিধিলি’র প্রভাবে ব্যহত জনজীবন ; প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ

    ঘূর্ণিঝড় মিধিলি’র প্রভাবে ব্যহত জনজীবন ; প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।
    ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার সকালে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভায় দুর্যোগ মোকাবেলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা সহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন সহ জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রেডক্রিসেন্ট, সিপিপি ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। সভায় ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবিলায় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা সহ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস জানান। প্রত্যন্ত এলাকায় দুর্যোগ ঝুঁকি এড়াতে কাজ শুরু করা হয়েছে বলে রেডক্রিসেন্ট কর্মকর্তা ইলিয়াস শাহ জানান। পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে ৬০ হাজার মানুষের ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ১০৮টি সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা সহ, পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন জানান। দুর্যোগ মোকাবেলায় দুই হাজার সিপিপি এবং অন্যান্য সেচ্ছাসেবকরা কাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ কে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার জন্য বিভিন্ন যানবাহন ও ট্রলার প্রস্তুুত রয়েছে বলে উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু জানান। এদিকে ঘূর্ণিঝড় মিধিলি’র প্রভাবে শুক্রবার দিনভর এলাকায় থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি, হালকা এবং মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হয়। এতে সড়কের নীচু জায়গায় পানি জমে চলাচলে মানুষের কিছুটা ভোগান্তি হয়। বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে কোথাও কোথাও আমন ফসলের ক্ষতি হয়। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় মিধিলি’র প্রভাবে উপকূলীয় জনপদের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যহত হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা, খুলনা।

  • বৈরি আবহাওয়া ও কারেন্ট পোকা আক্রমণে বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    বৈরি আবহাওয়া ও কারেন্ট পোকা আক্রমণে বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা, খুলনা।।

    বৃস্টি ও ঝড়ো বাতাসের পর পাইকগাছার বোয়ালিয়া বীজ উৎপাদন খামারে কারেন্ট পোকা আক্রমণে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পোকায় আক্রান্ত ক্ষেতের ব্যাপক পরিচর্যা করা হচ্ছে। ক্ষেতের পাকা ধান, কুশি ও কাচ থোড় ধান গাছে কারেন্ট পোকা আক্রমণ ও ঘূর্ণীঝড় মিধিলির ঝড়ো বাতাসে ধান মিাটিতে নুয়ে পড়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ত্রিমুখি দূর্যোগের কারনে বীজ উৎপাদনে লক্ষ্য মাত্রা পুরণ না হওয়ার আশংখা করছে খামার কতৃপক্ষ। খামার সুত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২০২৪ মৌসুমে খামারে ৬০ একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করা হয়েছে। ব্রিধান ৩০ জাতের ৩৪ একর,ব্রি ধান ৭৩ জাতের ৪ একর,ব্রিধান ৭৮ জাতের ৪ একর ও বি আর ২৩ জাতের ১৮একর জমিতে আবাদ করা হয়েছে। গত মাসে একটানা বৃস্টি, বৈরি আবহাওযায় ও ঝড়ের তাণ্ডবে ধানের কুশি পর্যায় ও ধানের কুশি ভরা ফুল ঝরে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তারপরও খামারে আমন ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছিল। এখন ক্ষেতের পাকা ধান, কুশি ও কাচ থোড় ধান গাছে কারেন্ট পোকা আক্রমণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।এর মধ্যে পাকা ব্রিধান ৩০ জাতের ৩৪ একর,ব্রি ধান ৭৩ জাতের ৪ একর ও বি আর-২৩ জাতের ১৮ একর ধান কুশি ও কাচ থোড় অবস্থায় কারেন্ট পোকা আক্রমণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। খামারে মোট ৫৬ একর জমির ধানে কারেন্ট পোকায় আক্রান্ত হয়েছে।ব্রিধান ৭৩ ও ব্রিধান ৩০ জাত পরিপক্ক অবস্থায় আছে। কর্তন শুরু হয়েছে।এ বিষয়ে খামারের সিনিয়র সহকারী পরিচালক কৃষিবিদ নাহিদুল ইসলাম জানান, গত সেপ্টেম্বর মাসের ২৮ তারিখ থেকে গুড়িগুড়ি বৃস্টি শুরু হয়, তা অক্টোবরের শুরুতে থেমে থেমে বা একটানা হালকা ও ভারি বৃস্টি ৮ তারিখ পর্যন্ত গিযে থামে।তখন সারাদেশে প্রায় ১১ দিনযাবত বৃস্টি ছিলো। একটানা ভারি বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে চলতি মৌসুমে ৭ একর আমন ক্ষেতের ধানের ব্যপক ক্ষতি হওয়ার পরও কীটনাশক স্প্রে করা ফসল ভালো হয়েছিলো।তবে নিয়মিত স্প্রে করলেও বৃস্টিতে ধুয়ে যাওয়ায় কারেণ্ট পোকা নিধন করা সম্ভাব হয়নি।তবে সার্বক্ষনিক পর্যবেক্ষন করে ক্ষতিগ্রস্থ ফসলের পরিচর্যা করা হচ্ছে।আমন মৌসুমে ত্রিমুখি দূর্যোগের কারনে বীজ উৎপাদনে লক্ষ্য মাত্রা পুরণ না হওয়ার আশংখা করছেন তিনি।

  • রওশন এরশাদকে আবারও এমপি হিসাবে দেখতে চায় ময়মনসিংহবাসী

    রওশন এরশাদকে আবারও এমপি হিসাবে দেখতে চায় ময়মনসিংহবাসী

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ -৪ আসনের বর্তমান সাংসদ ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা সাবেক রাষ্ট্রনায়ক ও জাতীয় পার্টির প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সহধর্মিণী জাতীয় পার্টির প্রধানপৃষ্টপোষক বেগম রওশন এরশাদ এমপি ময়মনসিংহের জাপার রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নামে পরিচিত, তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদ। বেগম রওশন এরশাদ এমপির মেধায় বদলে গেছে ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের উন্নয়ন চিত্র।

    বর্তমান সরকার ময়মনসিংহকে বিভাগ ঘোষণা,ময়মনসিংহ পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করণ, ময়মনসিংহে শিশু হাসপাতাল নির্মান প্রকল্প, কেওয়াটখালীতে ব্রহ্মপুত্র নদের উপর আর্চ ষ্টীল সেতু প্রকল্পসহ সদর উপজেলায় উন্নয়নের জন্য যতগুলো বৃহৎ প্রকল্প দিয়েছেন সবই সংসদে তার দাবী ছিলো। সবগুলো প্রকল্পই অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাস্তবায়ন করেছেন বেগম রওশন এরশাদ এমপি। তার নামে আর তার নেতাকর্মীদের নামে নেই কোন দুর্নীতি এবং অনিয়মের অভিযোগ,নেই কোন দখল বাণিজ্য টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ। রওশন এরশাদ এমপি ও তার নেতাকর্মীদের ব্যবহারে মুগ্ধ সদর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ। সদর উপজেলায় সকল শ্রেনী পেশার মানুষের আস্থা রয়েছে তার উপর। তিনি ময়মনসিংহ সদরে একাধিকবার এমপি হওয়ার পরও কখনোই বিতর্কীত কর্মকান্ডে নিজেকে জড়ান নাই।

    ২০১৯ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় অনেকে নির্বাচিত হয়, এই সময় রওশন এরশাদ এমপি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। তখন তিনি বিএনপির হেভিওয়েট প্রার্থী ওয়াহাব আকন্দকে পরাজিত করেন। তিনি বিএনপির প্রার্থীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে জয়ী হওয়া এই সংসদ সদস্য ময়মনসিংহ -৪এর সর্বস্তরের মানুষের নেতা রওশন এরশাদ কে পুনরায় সংসদে এমপি হিসেবে দেখতে চায় সাধারণ মানুষ।

    জাতীয় পার্টির তৃনমূল থেকে শীর্ষ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দাবী তুলেছেন-বেগম রওশন এরশাদ ময়মনসিংহ সদর আসনে এমপি নির্বাচিত হয়ে মহান জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হিসাবে দায়িত্বে থাকায় ময়মনসিংহে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। জাতীয় সংসদের বিরোদী দলীয় নেতার আসনে ময়মনসিংহের কন্যা এটা ময়মনসিংহবাসীর একটা গর্বের বিষয়। তাই স্থানীয় গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রওশন এরশাদ কে পুনরায় এমপি হিসেবে সংসদে দেখতে চেয়ে রীতিমত ঝড় তুলছেন তারা।

    জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ জাতীয় পার্টি, জাতীয় ছাত্র সমাজ, যুবসংহতি তাদের সহযোগী সংগঠনের নতুন প্রজন্মের নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, এলাকাবাসীর অত্যন্ত আস্থাভাজন ও তাদের সুখ-দুঃখের অংশীদার হিসেবে এমপি রওশন এরশাদকে পুনরায় আগামী সংসদ নির্বাচনে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। রওশন এরশাদ ময়মনসিংহ সদর আসনে নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার উন্নয়ন ও স্থানীয় রাজনীতিকে যেভাবে সুসংগঠিত করে সাজিয়েছেন এবং নেতা-কর্মীদের আস্থা অর্জন করেছেন সেখানে তার বিকল্প কোন প্রার্থী নাই।

    এব্যাপারে জাতীয় ছাত্র সমাজ ময়মনসিংহ জেলার সাবেক সভাপতি সাব্বির হোসেন বিল্লাল বলেন, রওশন এরশাদ এমপি একজন পরিপুর্ণ জাতীয় পার্টির রাজনীতিবিদ। তিনি একজন মানবিক নেতা,যিনি নিজে অসুস্থ থাকলেও দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে ১৮ ঘণ্টাই রাজনীতি ও সাধারণ মানুষের খোজ খবর নেন। স্থানীয় জনগণ তাকে সবসময়েই তার সহযোগীতা পায়। তাই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা-কর্মীগণ এমন একজন কর্মীবান্ধব নেতাকেই পুনরায় এমপি হিসেবে পেতে চায়। তিনি আরো বলেন একজন যোগ্যনেতা হিসেবে জনগণের সাথে রয়েছে তার যথেষ্ঠ সম্পৃক্ততা। তিনি একজন ন্যায় বিচারক। মাদকের বিরুদ্ধে তিনি সবসময়ই সোচ্ছার ভুমিকা রেখে আসছেন। যে কারণে উপজেলা জুড়ে এমপি রওশন এরশাদের রয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এলাকাবাসী তাদের যেকোন ধরনের চাহিদা পুরণে রওশন এরশাদ এমপিকে মোবাইলে কথা বললে তিনি ময়মনসিংহে যিনি তার প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বে আছেন তাকে বলে দেন সহযোগীতা করতে বা দাবী পুরণ করতে।

    মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম বলেন, বেগম রওশন এরশাদ হচ্ছেন মাটি ও মানুষের নেতা। একদম তৃণমূল থেকে কিভাবে দলকে সু-সংগঠিত রাখতে হয়। কিভাবে তৃণমূলের একজন নেতা-কর্মীর মন জয় করা যায় এসব গুণাবলী তার মধ্যে বিদ্যমান।

    এলাকাবাসী তাদের নেতা হিসেবে ঘুরেফিরে তাকেই সবসময় কাছে পায়। তাই তার প্রতি এলাকার সাধারণ জনগনের বড় রকমের একটা আস্থা তৈরী হয়েছে। এ আস্থা থেকেই এলাকাবাসী তাকে পুনরায় এমপি হিসেবে পেতে চায়।

    স্বাধীনতার পর ময়মনসিংহ সদর আসনে বেগম রওশন এরশাদ এমপি ৩বার নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে ১৯৭৩ আব্দুল মালেক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ[৩]
    ১৯৭৯ জয়নুল আবেদীন জায়েদী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল[৪],১৯৮৬ মতিউর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ[৫],১৯৮৮ বেগম মমতা ওয়াহাব [৬],১৯৯১ এ কে এম ফজলুল হক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল,ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ এ কে এম ফজলুল হক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
    জুন ১৯৯৬ রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টি (এরশাদ)
    ২০০১ দেলোয়ার হোসেন খান দুলু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল,২০০৮ মতিউর রহমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ,২০১৪ রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টি (এরশাদ),২০১৮ রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ময়মনসিংহ সদর আসনে জাতীয় পার্টির এমপি হিসাবে নির্বাচিত হন।

    রওশন এরশাদ একজন সফল বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সতিয়াখালী গ্রামের মরহুম উমেদ আলী উকিলের সুযোগ্য কন্যা। রওশন এরশাদ ১৯ জুলাই ১৯৪১ সালে ব্রিটিশ ভারত (বর্তমানে বাংলাদেশ) জন্ম গ্রহণ করেন।
    তিনি দশম ও বর্তমানে একাদশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করে ময়মনসিংহের উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক সেনাপ্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্ত্রী, যার সঙ্গে ১৯৫৬ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বর্তমানে । বর্তমানে তিনি তার স্বামীর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক সংগঠন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা।

    হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের রাষ্ট্রপতিত্ব কালীন সময়ে রওশন এরশাদ সমাজ কল্যাণ ও নারী-শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সচেষ্ট থেকে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা সংস্থা’ এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ১৯৭৫ সালে তিনি ‘সেনা পরিবার কল্যাণ সমিতি’ (Armed Forces Family Welfare Association) এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন। ১৯৮৫ সালের মে মাসে তিনি বন্যাকবলিত নোয়াখালী জেলার উড়ির চর ও হাতিয়া উপজেলা এলাকা পরিদর্শন করেন। একই বছর তিনি মাদকের অপব্যবহার সংক্রান্ত জাতিসংঘের বিশেষ কনভেনশনে অংশগ্রহণ করেন।

  • নাফনদীর পার্শ্বের কেওড়া বাগানে ফেলে যাওয়া বস্তা থেকে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবা জব্দ

    নাফনদীর পার্শ্বের কেওড়া বাগানে ফেলে যাওয়া বস্তা থেকে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার ইয়াবা জব্দ

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফের নাজিরপাড়া সীমান্তে অভিযানে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক
    লেঃ কর্নেল মোঃ মহিউদ্দীন আহমেদ (বিজিবিএমএস) গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
    তিনি জানান,শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ৮ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, টেকনাফ ২বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ নাজিরপাড়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ আলুগোলা স্লুইচ গেইট নামক এলাকা দিয়ে মাদকের একটি চালান মায়ানমার হতে বাংলাদেশে আসতে পারে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে নাজিরপাড়া বিওপি’র একটি চোরাচালান প্রতিরোধ টহলদল বর্ণিত এলাকায় গমন করে কয়েকটি উপদলে বিভক্ত হয়ে বেড়িবাঁধের আঁড় নিয়ে কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।কিছুক্ষণ পর টহলদল ৪জন ব্যক্তিকে কয়েকটি প্লাষ্টিকের বস্তা মাথায় নিয়ে নাফনদী পার হয়ে সীমান্তের শূণ্যলাইন অতিক্রম করে আলুগোলা স্লুইচ গেইটের দিকে আসতে দেখে। উক্ত ব্যক্তিদের গতিবিধি সন্দেহজনক পরিলক্ষিত হওয়ায় পূর্ব থেকেই কৌশলগত অবস্থানে থাকা টহলদল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করলে উক্ত ব্যক্তিরা দূর থেকে বিজিবি টহলদলের উপস্থিতি লক্ষ করা মাত্রই দ্রুত দৌড়ে পালানোর সময় তাদের মাথায় থাকা প্লাষ্টিকের বস্তাগুলো মাটিতে পড়ে যায় এবং চোরাকারবারীরা নাফনদীর পার্শ্বে ঘন কেওড়া বাগানের ভিতরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টহলদল উল্লেখিত স্থানে পৌঁছে তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে চোরাকারবারীদের ফেলে যাওয়া ২টি প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত বস্তার ভিতর থেকে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে টহলদল কর্তৃক উক্ত এলাকায় দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হলেও কোন চোরাকারবারী কিংবা তাদের সহযোগীকে আটক করা সম্ভব হয়নি। চোরাকারবারীদের সনাক্ত করার জন্য অত্র ব্যাটালিয়নের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • বিষখালী তীরের মানুষ আতংক ও বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    বিষখালী তীরের মানুষ আতংক ও বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

    উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগীতে ঘূর্নিঝড় ‘ মিধিলি’ এর প্রভাবে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। গভীর রাত থেকে ভারি বৃষ্টি, সেই সাথে বাতাসের গতিবেগ বেড়েছে। আজ শুক্রবার সকাল থেকে কখনও কখনও মাঝারী ও ভারি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সকাল দশটার পর থেকে বাতাসের গতিবেগ বৃদ্ধি পেয়েছে, শো শো শব্দ হচ্ছে। এ অঞ্চলে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জারি করেছে বরিশাল আবহাওয়া অধিদফতর।

    রাত সাড়ে বারোটার পরে বাতাসে গতিবেগ পেয়েছে এবং সেই সাথে ভারি বৃষ্টিপাত । এতে বিষখালী নদীর তীরবর্তী মানুষের মাঝে আতংক বিরাজ করছে এবং নির্ঘুম রাত কাটে।

    পায়রা বন্দরসহ সব সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সতর্ক সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার সমূহকে নিরাপদে থেকে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    টেকসই বেড়িবাঁধ না থাকায় বিষখালী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের আতংক বিরাজ করছে। বিষখালী নদীর তীরবর্তী কেওয়ারবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা, সোহাগ খান মুঠোফোনে বলেন,’ বিষখালী নদীর তীরবর্তী মানুষ ঘূর্ণিঝড়ের বার্তা পেয়ে গভীর রাত থেকে আতংক বিরাজ করে এবং নির্ঘুম রাত কাটে। ‘ এছাড়া বেতাগী উপজেলার অবস্থান পূর্বদিকে পায়রা ও পশ্চিম দিকে বিষখালী নদী । এতে ঘূর্নিঝড়ের বার্তা হলেই বেতাগীর মানুষ আতংকে নির্ঘুম রাত কাটে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ বলেন,’ ঘূর্নিঝড় ‘মিধিলি’ মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবক দল প্রস্তুত রয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলো সকালে খুলে দেওয়া হয়েছে।’

    অতীতের তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে, ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর সেই ভয়াল ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশে আঘাত হেনেছিল। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিডর নামে আরও একটি ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ২০০৯ সালের ২৫ মে আইলা, ২০১৬ সালের ২১ মে রোয়াণু, ২০১৭ সালের ৩০ মে মোরা, এরপর মহাসেন, ২০১৯ সালের ২ মে ফণী, ২০২০ সালের ২০ মে আম্ফান, মোখা, হামুন সহ অতীতের ঘূর্নিঝড়ে উপকূলীয় অঞ্চলে মানুষের প্রাণহানি সহ গবাদি পশুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

  • বগুড়ার শাজাহানপুরে  খড় বোঝাই ট্রাকে  আ*গুন

    বগুড়ার শাজাহানপুরে খড় বোঝাই ট্রাকে আ*গুন

    মিজানুর রহমান মিলন,
    শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি :

    বগুড়ার শাজাহানপুরে খড় বোঝাই ট্রাকে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) রাত ৮টায় উপজেলার বনানী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খড় আগুনে পুড়লেও ট্রাকের কোন ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছেন বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম।

    ট্রাক চালক শাহীন ইসলাম বলেন, ‘ট্রাকে করে ১২০ মণ খড় বোঝাই করে দুপচাঁচিয়ার চৌমুহনী এলাকা থেকে পাবনার বেড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হই। বনানী মোড়ে পৌঁছালে হঠাৎ দেখি ট্রাকের পিছনে খড়ে আগুন জ্বলছে। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে তারা এসে আগুন নেভায়।

    বগুড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ত্রিশ মিনিটের প্রচেষ্টায় খড়ের আগুন নিয়ন্ত্রণ আসে। তবে ট্রাকের কোন ক্ষতি হয়নি।

  • সেলিমা বেগম সালমার নেতৃত্বে ফুলবাড়িয়ায় শোভাযাত্রা ও আনন্দ র‍্যালি

    সেলিমা বেগম সালমার নেতৃত্বে ফুলবাড়িয়ায় শোভাযাত্রা ও আনন্দ র‍্যালি

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলকে স্বাগত জানিয়ে ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়ায় আসনে আনন্দ শোভাযাত্রা ও র‍্যালির করেছে আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) বিকালে ফুলবাড়িয়া আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জনপ্রিয় নারী নেত্রী সেলিমা বেগম সালমার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীরা এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন।

    তফসিলকে স্বাগত জানিয়ে এদিন বিকাল ৪টায় ফুলবাড়িয়া উপজেলা বঙ্গবন্ধু চত্ত্বর থেকে ময়মনসিংহ-৬ আসনের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রত্যেক ইউনিয়ন কমিটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী সেকিমা বেগম সালমা এই মোটর শোভাযাত্রা ও র‍্যালি বের করেন। শোভাযাত্রাটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

    এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আওয়ামী লীগ নেত্রী ও মনোনয়ন প্রত্যাশী সেলিমা বেগম সালমা বলেন, ফুলবাড়িয়ার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে আমি কাজ করার সুযোগ চাই। জনগণকে পাশে নিয়ে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি মুক্ত সমাজ করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

    তিনি বলেন, জনগণ উন্নয়নের পক্ষে,নৌকা উন্নয়নের প্রতীক, চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে অব্যাহত রাখতে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আগামী নির্বাচনে জনগণ নৌকা প্রতীককে আবারও বিজয়ী করবে।

    সেলিমা বেগম সালমা আরও বলেন, নির্বাচন সামনে রেখে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের অরাজকতা নিন্দনীয়। নির্বাচন বানচাল করতে বিএনপি-
    জামায়াতের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হবে। যতদিন না নৌকার বিজয় হচ্ছে ততদিন আমরা রাজপথে থাকবো। এ সময় তফসিল ঘোষণা করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান সেলিমা বেগম সালমা।

    শোভাযাত্রায় জাতীয় শ্রমিক লীগ ফুলবাড়িয়া উপজেলা শাখার আহবায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল,উপজেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সদস্য সচিব মোঃ হাবিবুর রহমান হাবিব, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাসান মাহমুদ সেলিম, জাতীয় শ্রমিক লীগ ফুলবাড়িয়া পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান সরকার বাবু
    যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত ইমন, ছাত্রলীগ নেতা আবু সাইদ মিলন, মেহেদী হাসান, আশিকুর রহমান সুজন, জহিরুল ইসলাম,মানিকুর হরমান মানিক,জাকিরুর রহমান জাকির, মাহমুদুল হাসান সুমন,আবুল হাসনাত জনি,প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • ধামইরহাটে আদর্শ কিন্ডারগার্টৈন স্কুলে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় ও বৃত্তি প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান

    ধামইরহাটে আদর্শ কিন্ডারগার্টৈন স্কুলে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় ও বৃত্তি প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান

    ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি-
    নওগাঁর ধামইরহাটে আদর্শ কিন্ডার গার্টেন স্কুলে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় ও বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৬ নভেম্বর বেলা ১১ টায় পৌর সদরস্থ্য আমাইতাড়া মোড়ে আদর্শ কিন্ডার গার্টেন স্কুলের বিদায়ী অনুষ্ঠানে প্রধান শিক্ষক জাকিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চকময়রাম মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম খেলাল ই রব্বানী। ধামইরহাট সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান, ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাবিহা ইয়াছমিন, ধামইরহাট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম সবুজ, আদর্শ কিন্ডার গার্টেন স্কুলের একাডেমিক প্রধান ফাতেমা সুলতানা, সহকারি শিক্ষক মো. হাসিবুল ইসলাম, পারুল বেগম ও সাথি আকতার প্রমুখসহ বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী-অভিভাবক এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে গত বছর এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি প্রাপ্ত মোছা, সেঁজুতি আকতার, মোছাব্বির হোসেন, আনিকা আকতার ও সিয়াম হোসেনকে সংবর্ধিত করা হয়।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।