Blog

  • নড়াইলে নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে মেহেদী হাসান’র যোগদান

    নড়াইলে নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে মেহেদী হাসান’র যোগদান

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে পুলিশ সুপার হিসেবে মেহেদী হাসান’র যোগদান পুলিশের পক্ষ ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। শনিবার (১৮ নভেম্বর) মোহাঃ মেহেদী হাসান, পুলিশ সুপার নড়াইল জেলা পুলিশের কর্ণধার হিসেবে নড়াইল জেলায় উপস্থিত হলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। অতঃপর তিনি সদ্য বিদায়ী পুলিশ সুপার মোসাঃ সাদিরা খাতুন স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং জেলা পুলিশের সকল ইউনিট ইনচার্জদের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময়কালে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
    নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা থানার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। তিনি (২৫) তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।
    তিনি চাকুরী জীবনে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে হাইওয়ে পুলিশ (কুমিল্লা অঞ্চল), স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), শাহজাদপুর সার্কেল এএসপি,
    সিরাজগঞ্জ জেলা, ডিএমপি’র মতিঝিল বিভাগ ও ট্রাফিক-সাউথ বিভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, র‍্যাব ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স, ডিএমপির ওয়ারী বিভাগ ও ট্রাফিক-সাউথ বিভাগে কর্মরত ছিলেন।
    মোহাঃ মেহেদী হাসান পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ডিএমপি’র উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে ট্রাফিক-সাউথ বিভাগ, লালবাগ ট্রাফিক বিভাগ, এস্টেট বিভাগ, প্রটেকশন বিভাগে দক্ষতা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশন কঙ্গোতে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেন।
    তিনি শিক্ষাজীবনে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা পাইলট উচ্চবিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন বিভাগে কৃতিত্বের সাথে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। এছাড়াও তিনি ডিপ্লোমা অব হিউম্যান রাইটস এন্ড লিগ্যাল এইড ডিগ্রী অর্জন করেন।
    এ সময় মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) তারেক আল মেহেদী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম এন্ড অপস্) মোঃ দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল); নড়াইলসহ জেলা পুলিশের সকল ইউনিট ইনচার্জগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • নড়াইলে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন প্রেমিক তাহের উ*ধাও

    নড়াইলে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন প্রেমিক তাহের উ*ধাও

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
    নড়াইল সদর উপজেলায় বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে তিনদিন যাবৎ অনশন করছেন এক নারী। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল থেকে তিনি নড়াইলে সদর উপজেলার দলজিৎপুর প্রেমিক তাহেরের বাড়িতে অনশনে বসেন। এ ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছে প্রেমিক তাহের।
    এলাকাবাসী, ভুক্তভোগী ও তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের দলজিৎপুর গ্রামের বাবু মোল্যার ছেলে তাহের মোল্যার সাথে একই গ্রামের ভুক্তভোগী ওই তরুণীর দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। তরুণীর পরিবার ঘটনাটি জানার পর তার অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেয়। কিন্তু বিয়ের পরও তাদের সম্পর্ক চলতে থাকে। একপর্যায়ে প্রেমিক তাহের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে স্বামীর ঘর ছাড়তে বাধ্য করে। স্বামীকে তালাক দিয়ে সংসার ছড়ে চলে আসেন তিনি।
    বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কয়েক দফায় সালিশ-বৈঠক হয়। এতে তিন মাস পর বিয়ে করে ঘরে তুলে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় প্রেমিক তাহের। কিন্তু তিন মাস পর বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। বাধ্য হয়ে ভুক্তভোগী ওই তরুণী বিয়ের দাবিতে তাহেরের বাড়িতে অনশন করছেন।
    ভুক্তভোগী ওই তরুণী বলেন, তাহেরে তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তার কথায় সে তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে চলে আসছি। কিন্তু তাহের এখন আর তাকে বিয়ে করতে চাচ্ছে না। সে তাহেরকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা পেতে এখন অনশন করছেন। ওই তরুণীকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা না দিলে আত্মহত্যারও হুমকি দেন।
    এদিকে অভিযুক্ত তাহেরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি, ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে অভিযুক্ত তাহের মোল্যা। এ ব্যপারে তাহেরের পরিবারের সদস্যরাও কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
    নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, এ বিষয়ে তিনি শুনেছি, দু’পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জানানো যাবে।
    নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমান, এ প্রতিবেদক উজ্জ্বল রায়কে
    বলেন, আমরা বিষয়টি শুনেছি। চেয়ারম্যান মেম্বরদের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • র‌্যাব-১২’র অ*ভিযানে ১ জন মা*দক ব্যবসায়ী গ্রে*ফতার

    র‌্যাব-১২’র অ*ভিযানে ১ জন মা*দক ব্যবসায়ী গ্রে*ফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানা এলাকা হতে ৬৫. ৫ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার, ০১টি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

    ১। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ২। র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ এর কোম্পানি কমান্ডার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, চট্টগ্রাম হতে নওগাঁগামী ০১টি ট্রাকযোগে ০১ জন ব্যক্তি নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য গাঁজা বহন করে সিরাজগঞ্জের দিকে আসছে। উক্ত সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে ১৭ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. সময় ১৮.৩০ ঘটিকায় “সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন ঘুড়কা বেলতলা মেসার্স সমবায় ড্রাইভার ফিলিং ষ্টেশন এর সামনে” একটি অস্থায়ী চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়। চেকপোষ্ট চলাকালিন উপরোক্ত স্থানে ০১টি লবণ ভর্তি ট্রাক যার রেজিষ্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্রো-ট-২২-৯৪৭১ আসতে দেখে ট্রাকটি সংকেত দিয়ে থামানো হয় এবং ঘটনাস্থলে মোঃ আবু হোসেন (৪২), পিতা- মোঃ আফিজ উদ্দিন, সাং- পূর্ব পাটিচড়া, থানা- পতœীতলা, জেলা- নওগাঁকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে যে ট্রাকের পেছনে ০২টি প্লাস্টিকের বস্তায় গাঁজা লুকানো আছে।

    ৩। এছাড়াও মাদক ব্যবসায়ীর সাথে থাকা মাদকদ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ০২টি মোবাইল ফোন, ০৪টি সিম কার্ড, এবং নগদ ২৩,৬০০ টাকাসহ ০১টি ট্রাক জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে বড় বড় মাদকের চালান সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাকযোগে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে মাদকদ্রব্য গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করে। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    মোহাম্মদ ইলিয়াস খান

    স্কোয়াড্রন লীডার

    কোম্পানি কমান্ডার

    র‌্যাব-১২, সদর কোম্পানি, সিরাজগঞ্জ।

    ফোন-০১৭৭৭৭১১২৫৮

  • নেছারাবাদে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে স্বর্ণালংকার সহ দুই লক্ষ টাকার চু*রির অভিযোগ

    নেছারাবাদে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে স্বর্ণালংকার সহ দুই লক্ষ টাকার চু*রির অভিযোগ

    আনোয়ার হোসেন,
    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //

    পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নে বেপারী বাড়িতে খাবারের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতের এ ঘটনায় প্রায় নগত ২ লক্ষটাকা, ৫ ভরি স্বর্ন এবং মালামাল চুরি হয়েছে বলে জানা যায়। ওই পরিবারের ৪ সদস্যকে অচেতন অবস্থায় নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে স্থানীয়রা।

    ১৬ ই নবেম্বর বৃহস্পতিবার রাত্রে এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থরা হলেন, বলদিয়া ইউনিয়নের উরিবুনিয়া গ্রামে মৃত শিল্পি খালেকের স্ত্রী লাইলি বেগম, মেয়ে লিপি খানম ও তার দুই ছেলে মোঃ জুবায়ের এবং মোঃ জুনায়েদ।

    এদের মধ্যে লাইলি বেগম এর অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিলো, তিনদিন পর্যন্ত তারা উভয়ই নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।

    হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় লিপি বেগম জানান,রাত সাড়ে নয়টার দিকে আমার মা ভাত খাওয়া পরে বলে আমাকে ঘুরায় কেন? আমি মনে করছি মা আগে থেকে অসুস্থ ছিলো হয়তো সে কারনে ঘুরাচ্ছে। মা ঘুমিয়ে পড়ার পরে ছোট ছেলেকে ভাত দেই। সেও ভাত খেয়েই ঘুমিয়ে পড়ে।এর পড়ে আমি এবং বড় ছেলে খাওয়া দাওয়া করি।খাওয়ার সাথে সাথে আমি ঘুমিয়ে পড়ে যাচ্ছিলাম বড় ছেলেকে বললাম দরজাটা দিয়ে আয় বাবা ও দরজা দিতে পারছিলো কিনা তাও জানিনা।এর পরে আর কিছু বলতে পারছিনা। সকালে এগারোটা বড় ভাই এসে আমাদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়।

    লিপি বেগম আরো জানায় আমার সব কিছু নিয়ে গেছে ঘরে থাকা ৫ ভরি স্বর্ন এবং আমার এবং মায়ের দুই লক্ষ ছিলো তাও নিয়ে গেছে।সব কিছু ভেঙে তছনছ করে রেখে গেছে।

    লিপির বিদেশে ফেরত স্বামী এখন ঢাকায় একটি জাহাজে কাজ করে বাড়ি সুটিয়াকাঠি।সে বাড়িতে না থাকার কারনে লিপি বেগম বাবার বাড়ি উরিবুনিয়া থাকতো।

    লিপির বড় ভাই ফোরকান মওলানা ,সকাল ১১টার সময় অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায়। সে জানায় আমি ঘরে গিয়ে দেখি সকলে অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে আছে মায়ের অবস্থা বেশি খারাপ হয়ে গেছিলো দ্রুত দেরি না করে সবাইকে নেছারাবাদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আব্দুর রহিম জানান, আমি ঘটনা স্থলে গিয়েছিলাম সব কিছু দেখে আসেছি বিষয়টি তদন্তাধীন অবস্থায় আছে।

    নেছারাবাদ থানার ওসি গোলাম সরোয়ার জানান, খবর পেয়েই আমাদের অফিসার কে সেখানে পাঠিয়েছি।এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

  • ঘূর্নিঝড় মিধিলির প্রভাবে বিভিন্ন স্থানে উপড়ে পরেছে গাছ,আমন ধানেরও ক্ষ*তির শংকা

    ঘূর্নিঝড় মিধিলির প্রভাবে বিভিন্ন স্থানে উপড়ে পরেছে গাছ,আমন ধানেরও ক্ষ*তির শংকা

    ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    বরিশাল ও খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় বিদায় নিয়েছে ঘূর্নিঝড় মিধিলি।এর প্রভাবে ঝালকাঠির নলছিটিতেও গত দুই দিন বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে গেছে।
    বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু বড় বড় গাছ উপড়ে পরেছে বৈদ্যুতিক তার ও ঘরবাড়ির উপর,তবে এখনো পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায় নি ।এরমধ্যে নলছিটি শহরের উপজেলা পরিষদ চত্তরের পুরাতন মসজিদের বারান্দার উপর গাছ উপড়ে পরে বারান্দাটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পৌরসভার সারদল এলাকা গাছ উপড়ে পরে বিদ্যুতের তারের ওপর পরে বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে,এবং কান্ডপাশা এলাকায় একটি বসতঘরের উপরেও গাছ আছড়ে পরার সংবাদ পাওয়া গেছে। এছাড়াও উপজেলার ষাটপাকিয়া-কালিজিরা এলাকা,দপদপিয়া লঞ্চঘাট এলাকায়ও বেশ কিছু বড় আকৃতির গাছ বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইনের উপর উপড়ে পরায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে জেলার বিভিন্ন এলাকা।আশাকরা যাচ্ছে বিকাল বা সন্ধ্যা নাগাদ বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন মেরামতের কাজ সম্পন্ন হতে পারে।
    এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন আবাদি জমিতে গিয়ে দেখা গেছে আমন ধানের অধিকাংশই দমকা হাওয়ায় শুয়ে পরেছে।যারফলে কৃষকরা আশংকা করছেন কেবল মুকুল ধরা শুয়ে পরা ধানের গাছে আর ধান বেড় হবে না,কিংবা হলেও পচে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।তাই কৃষকরা ব্যাপক ক্ষতির শংকায় রয়েছেন।
    ঘূর্নিঝড় প্রস্তুতি সভায় ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক ফারাহ্ গুল নিঝুম বলেন, ‘ ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ মোকাবিলায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতিমধ্যে জরুরি সভা করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কন্ট্রোলরুম খোলা, আশ্রয় কেন্দ্র, মেডিকেল টিম, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া নগদ টাকা, ত্রানের চাল বিতরণের জন্য মওজুদ আছে। পাশাপাশি শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও স্বেচ্ছাসেবক টিমও পস্তুত রয়েছে।
    ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আফরুজুল হক টুটুল জানান, ‘জেলা পুলিশ ঘূর্ণিঝড় মিধিলি মোকাবেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। যেকোন দূর্যোগে পুলিশ জনগণের পাশে থেকে জানমালের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করবে।

  • বরগুনার তালতলীতে পানির নিচে আমন ধান, বিপাকে কৃষক

    বরগুনার তালতলীতে পানির নিচে আমন ধান, বিপাকে কৃষক

    মংচিন থান তালতলী প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলির’ প্রভাবে গত তিন দিন টানা বৃষ্টির প্রভাবে ‘আধা পাকা ধানে’ মই দেয়ার উপক্রম সৃষ্টি হয়েছে। অনেক স্থানে পানির নিচে রয়েছে আমন ধান। তবে ভালো ফলনে উচ্ছ্বসিত কৃষকের কপালে চিন্তার ভাঁজ ও বিপাকে পড়েছে।
    কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের প্রায় অনেক জমির রোপণকৃত আমন ও ইরি ফসল বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে। আমন ধান হেলে পড়েছে। বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় শীতের আগাম সবজিও ক্ষতির মুখে পড়তে শুরু করেছে। এই ক্ষতি পুসিয়ে ওঠার সুযোগ কম দেখছেন তারা।
    চাষিরা বলছেন, মাত্র ১০ শতাংশ আমন ধানের ফলন বের হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ে ফলন বের হওয়া ও আধাপাকা ধান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সোনার ফসল মাঠে রেখে স্বস্তিতে নেই তারা।
    সরেজমিনে দেখা যায়, ছোটভাইজোড়া,নয়াপড়া,বড় আংকুজানপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ জমিতে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে ধান চাষিরা আশায় বুক বেধেছিলেন। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় ‘মিধিলি’ কৃষকদের শঙ্কায় ফেলে দিয়েছে কৃষকদের। এখন আর চাষিদের মুখে হাসি নেই। পানির নিচে যেসব আমন ধান রয়েছে তা সবই চিটা হয়ে যাবে বলে জানান কৃষকরা।
    কৃষক নুরুজ্জামান বলেন,এবারের মৌসুমে অনাবৃষ্টির কারণে শুরু হতে এমনিতেই চাষে দেরি হয়েছে। এখন বেশির ভাগ জমির ধান বের হচ্ছে ও আধাপাকা হয়ে গেছে। চলতি মৌসুমের আবাদে অনেক টাকা ব্যয় করেছেন। ধান ফলনের এই আসল সময়ে ঝড় বৃষ্টিতে স্বপ্ন ভঙ্গ হয়ে যায়।
    তালতলী কৃষি অফিসার সুমন হাওলাদার বলেন, আমরা কৃষকদের উপদেশ দিচ্ছি, জমিতে ড্রেন কেটে পানি বের করে দিতে। তবে কিছু ফসল পচে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া কৃষকদের ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে কাজ করছি।

    মংচিন থান
    তালতলী প্রতিনিধি

  • কুড়িগ্রামে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে নিউ প্রতিশ্রুতি কিন্ডার গার্টেন এন্ড স্কুল

    কুড়িগ্রামে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে নিউ প্রতিশ্রুতি কিন্ডার গার্টেন এন্ড স্কুল

    এম এস সাশর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রাম জেলার অত্যাধুনিক ও ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছেন নিউ প্রতিশ্রুতি কিন্ডার গার্টেন এন্ড স্কুল। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে নিরলসভাবে নিয়োজিত অভিজ্ঞ শিক্ষকরা। মনোরম পরিবেশে লেখাপড়ার সুযোগ পেয়ে উপকৃত শিক্ষার্থীরা। ফলশ্রুতিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে পেয়েছেন পাঠাদানের অনুমতি।

    জানা গেছে, কচাকাচা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শিক্ষানুরাগী শহিদুল ইসলাম নিজ উদ্যোগে ২০০৬সালে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে প্রতিষ্ঠা করেন নিউ প্রতিশ্রুতি কিন্ডার গার্টেন এন্ড স্কুল। অত্র প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি লগ্ন থেকে স্কুলের পরিচালক, প্রধান শিক্ষক ও অভিজ্ঞ শিক্ষকরা সন্মনয়ে শিক্ষার্থীদের মানসম্মত সু-শিক্ষা দিয়ে আসছেন। এতে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন করায় জেলায় ব্যাপক সু-নাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী ১১৭জন এবং কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থী শিশু থেকে এসএসসি পর্যন্ত ১হাজার ৪শত জনের স্কুলের নিজস্ব তিন তালা ভবনের ৪২কক্ষে সিসি ক্যামেরার আওতায় চলছে পাঠদান। শিক্ষার্থীদের স্কুল যাতায়াতের সুবিধার্থে বাস ২টি ও মিনিবাস ৬টি। দরিদ্র ৬২জন শিক্ষার্থীকে বিনা বেতনে পাঠদান ও বাসে বিনা ভারায় করাচ্ছেন যাতায়াত পাশাপাশি তিন শতাধিক শিক্ষার্থীদের অর্ধেক বেতনে পাঠদান করে ব্যাপক সু-নাম অর্জন করেছেন। অত্র প্রতিষ্ঠানের অসংখ্য শিক্ষার্থী এখানে লেখাপড়া শেষে বিভিন্ন নামিদামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নসহ অনেকে উচু স্থানে চাকরী করে জীবন অতিবাহিত করছেন।

    বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আসিফুর রহমান, মিনা খাতুন, সাথী, জোবায়দুল হকসহ অনেকে বলেন, আমাদের এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অত্যাধুনিক ও ব্যতিক্রমী। কঠোর নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলা। নিয়মিত পড়াশোনা ও শিক্ষকদের আন্তরিকতার কারণে প্রতিবছরই ভালো রেজাল্ট করতে সক্ষম হয়ে আসছে। স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম সময় উপযোগী। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, বার্ষিক শিক্ষা সফর, উপজেলা ভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়াসহ বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেয়ার মাধ্যমে শিক্ষক শিক্ষিকারা আন্তরিকভাবে পাঠদান করেন।

    অভিভাবকরা বলেন, শিক্ষকরা আমাদের ছেলে মেয়েদের সু শিক্ষার আলো বিকাশে নিয়মিতভাবে লেখাপড়া করাচ্ছেন। কুড়িগ্রাম জেলার অত্যাধুনিক ও ব্যতিক্রমী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এটি। স্কুলের ধারাবাহিক সাফল্যের জন্য শিক্ষকমণ্ডলীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন মেধা-নির্ভর শিক্ষক শিক্ষিকা দিয়ে স্কুলটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।

    শিক্ষকরা জানান, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশনা অনুসারে ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের মতবিনিময়ে মনোরম পরিবেশে স্কুলের শিক্ষার্থীদের আদর স্নেহ ভালোবাসা দিয়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে আসছি।

    প্রধান শিক্ষক মোছাঃ মোকছেদা বেগম (স্মৃতি) বলেন, শিক্ষক-কর্মচারী সকলে সমন্বয়ে আমরা সঠিকভাবে পাঠদান করে আসছি। অসহায় ও ঝরেপড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। কাউকে যেন আর্থিক সংকটের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়াতে না হয় সেদিকে নজর রাখছি। শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে আসছি। আমাদের অনেক স্বপ্ন রয়েছে এ স্কুলকে ঘিরে। এলাকার মানুষদের এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে প্রতিষ্ঠানটিকে সেরা স্কুলে পরিণত করব।

    কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শামছুল আলম জানান, বিদ্যালয়টির পাঠাদানের অনুমতি পেয়েছে। অনেক সুন্দর পরিবেশ ও সিসি ক্যামেরার আওতায় পাঠদান চলছে। নিজস্ব ভবনে পাঠদান ও যাতায়াতের সুবিধার্থে গাড়ি। আমি আশা করছি প্রতিষ্ঠানটি ভবিষ্যতের কুড়িগ্রাম জেলায় শিক্ষা ক্ষেত্রে ব্যাপক সু-নাম অর্জন করবে।

  • শার্শার বালুন্ডা গ্রামের পুকুর পাড় থেকে ১৬ টি তাজা বো*মা উদ্ধার

    শার্শার বালুন্ডা গ্রামের পুকুর পাড় থেকে ১৬ টি তাজা বো*মা উদ্ধার

    আজিজুল ইসলাম : শার্শা উপজেলার বালুন্ডা বাজার এলাকায় একটি পুকুর পাড় থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১৬ টি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশ।শনিবার ভোরে বোমা গুলো উদ্ধার করা হয়।

    বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন ভূইয়া জানান, গোপন খবর আসে বালুন্ডা বাজারে পশ্চিম পার্শ্বে একটি পুকুরের পাড়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ককটেল বোমা রাখা রয়েছে।

    এমন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই শংকর কুমার বিশ্বাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে ১৬টি৷ তাজা ককটেল বোমা কসটেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার করেন। কে বা কারা ককটেল গুলো কি জন্য সেখানে রেখেছিলো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

  • ধামইরহাটে সফিয়া কেজি স্কুলে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায়

    ধামইরহাটে সফিয়া কেজি স্কুলে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায়

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ-

    নওগাঁর ধামইরহাটে সফিয়া কেজি স্কুলে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিদায় ও শিক্ষার্থীদের ফুলেল সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (১৮ নভেম্বর) বেলা ১১ টায় পৌর সদরস্থ আমাইতাড়া মোড়ে সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সংযুক্ত কেজি স্কুলের বিদায় অনুষ্ঠানে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. ছানাউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থী মাসফিয়া ইসলাম ও মানছুরা মনির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ধামইরহাট সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রহমান।

    এ সময় ধামইরহাট সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, সিনিয়র শিক্ষক ইয়াসিন আলী, আমিনুল ইসলাম (সাবু), মাওলানা আনিছুর রহমান, শাহাদত হোসেন, সফিয়া কেজি স্কুলের সহকারী শিক্ষক মোসা. শাকিলা, রোকছানা, নুর আলম প্রমুখসহ বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থী-অভিভাবক এবং স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    সবশেষে এই বিদ্যালয়ের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উপহার সামগ্রী বিতরণ ও ফুল দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।
    ১৮/১১/২৩

  • টেকনাফে র‌্যাবের অ*ভিযানে মদ-বিয়ারসহ আ*টক-১

    টেকনাফে র‌্যাবের অ*ভিযানে মদ-বিয়ারসহ আ*টক-১

    কে এম নুর মোহাম্মদ
    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি

    কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ বোতল বিদেশী মদ এবং ১৪০ ক্যান বিয়ারসহ এক মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১৫ এর সদস্যরা।

    আটককৃত মাদক কারবারী হলেন, টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নোয়াপাড়া এলাকার মোঃ শমসুল আলমের পুত্র
    মোঃ ইদ্রিস মিয়া (২১)।

    কক্সবাজার র‌্যাব-১৫ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া) মোঃ আবু সালাম চৌধুরী গণমাধ্যমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান,শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) রাতে
    র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ থানাধীন সাবরাং ইউনিয়নের নোয়াপাড়া এলাকায় জনৈক নবী হোসেনের বসত বাড়িতে কতিপয় মাদক কারবারী অবৈধ মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ ও ক্যান বিয়ার ক্রয়-বিক্রয় উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১৫, কক্সবাজার এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল বর্ণিত স্থানে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একজন মাদক কারবারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত মাদক কারবারীর বিধি মোতাবেক বসত বাড়ির আশপাশ এলাকা তল্লাশী করে ধৃত ব্যক্তির দেখানো মতে তার বসত বাড়ির মাটির নিচে পুঁতে রাখা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে সর্বমোট ১৪০ ক্যান বিয়ার (প্রতিটির গায়ে ইংরেজীতে ANDAMAN GOLD ALC 5% ABV LAGER BEER, PRODUCT OF MYANMAR লেখা আছে) এবং ৩টি বিদেশী কাঁচের মদের বোতল প্রতিটির গায়ে ইংরেজীতে GLAN MASTER FINEST BLENDED WHISKY 43% VOL 70 CL লেখা আছে) উদ্ধার করা হয়।
    ধৃত মাদক কারবারী জানায়, সে বেশ কিছুদিন যাবৎ মাদকদ্রব্য বিয়ার ও বিদেশী মদ টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকা হতে সংগ্রহ করে টেকনাফসহ কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে আসছিল। পরবর্তীতে অদ্য উপরোল্লিখিত মাদকসহ র‌্যাবের আভিযানিক দলের কাছে ধৃত হয়।

    তিনি আরো জানান, উদ্ধারকৃত বিদেশী মদ ও বিয়ারের ক্যানসহ ধৃত মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।