Blog

  • বরিশাল ০২ আসনে মনোনয়ন পত্র কিনলেন  ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন

    বরিশাল ০২ আসনে মনোনয়ন পত্র কিনলেন ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন

    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।।

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল ০২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসন থেকে প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের উপদেষ্টা ও বরিশাল বিভাগ উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন।

    আজ রবি বার বিকাল ৪টার সময় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-র আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কেনেন তিনি।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ব্যারিষ্টার এহসান মোয়াজ্জেম,মেহেদি হাসান,সাইফুল ইসলাম ব্যক্তিগত সহকারী,ওটরা ইউনিয়ন ছাত্রলীশ নেতা তরিকুল ইসলাম,বামরাইল ইউনিয়নের যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো.ইউসুফ,ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেন,সাদ্দাম হোসেন, সৈকত হোসেন, মো.হাকিম সহ বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবূন্দ।

    উল্লেখ্য তিনি করোনাকলীন সময়ে বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলা সহ বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ১ লক্ষ পরিবারকে সহায়তা করেছেন। শীতকালীন সময়ে শীত বস্র ও বন্য দূর্গতদের ঘর বাড়ি সহ অর্থিকভাবে সহযোগীতা করেছেন। বিশেষ করে বানারীপাড়া ও উজিরপর ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে প্রায় কোটি টাকার শিক্ষা উপকরন প্রদান করেছেন যা দুই উপজেলায় ব্যপক চাঞ্চল্যতার সৃষ্টি হয়।
    এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন হিসেবে সুনামের সহিত দ্বায়িত্ব পালন করেছেন ও জার্মানিতে প্রশিক্ষনে চ্যান্সেলর পদক পেয়ে জাতীকে গৌরবন্বীত করছেন।
    তিনি তার ব্যাক্তিগত উদ্যোগে গত ৩০ বছর ধরে বানারীপাড়া ও উজিরপুরে বিভিন্ন মজসিদ,মন্দির,স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা,কারীগরি প্রতিষ্ঠানে ও এতিম খানায় অর্থিক সহযোগীতা সহ অন্যান্য সাহায্য করে আসছেন।

    এদিকে বরিশাল ২ আসন তথা বানারীপাড়া ও উজিরপুরের সর্বস্তরের মুক্তিকামী জনগন এম মোয়াজ্জেম হোসেনকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

  • কালের বিবর্তনে হারিকেন হারিয়ে যাচ্ছে

    কালের বিবর্তনে হারিকেন হারিয়ে যাচ্ছে

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
    লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ‘হারিকেন’। হারিকেনকে এক সময় রাত্রিকালীন বন্ধু হিসেবে অনেকেই অখ্যায়িত করত। এক সময় হারিকেন হাতে নিয়ে ডাকপিয়ন ছুটে চলতেন গ্রামের পর গ্রামে। বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সবাই রাতের বেলাই হারিকেন হাতে নিয়ে বের হতেন।হারিকেনের আলো গৃহস্থালির পাশাপাশি ব্যবহার হতো বিভিন্ন যানবাহনে। কিন্তু আধুনিকায়নে বিভিন্ন বৈদ্যুতিক বাতিতে বাজার ভরপুর।যার কারণে হারিয়ে যাচ্ছে রাত্রিকালীন আলোর একমাত্র উৎস ঐতিহ্যবাহী হারিকেন।

    সরেজমিনে কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়,তখনকার সময়ে হারিকেন মেরামতের জন্য উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে মিস্ত্রী বসতো।এছাড়া উপজেলার প্রতিটি বাজারে ছিল হারিকেন মেরামতের অস্থায়ী দোকান।এরা বিভিন্ন হাট বাজারে ঘুরে ঘুরে হারিকেন মেরামতের কাজ করত।এছাড়া অনেকে গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে হারিকেন মেরামত করত। কিন্তু এখন আর হারিকেন ব্যবহার না করার ফলে হারিকেন মিস্ত্রীদের এখন আর দেখা যায় না।কালীগঞ্জ উপজেলার বুড়িরহাট এলাকার ভ্যান চালক দুলাল বলেন, এক সময় হারিকেন ছাড়া রাতে ভ্যান নিয়ে চলাচল করা যেত না।কিন্তু এখন বাজারে কোম্পানির বিভিন্ন ধরনের এলইডি লাইট বের হওয়ায় এখন আর হারিকেনের প্রয়োজন হয় না।

    শিক্ষক শাহ্ আলম বলেন, আগে রাতে পড়তে বসার আগেই হারিকেন নিয়ে টানা টানি করতে হতো।কিন্তু এখন ঘরে ঘরে পৌঁছে গেছে বিদ্যুৎ। তাছাড়া বাজারে বিভিন্ন ধরনের এলইডি বাল্ব অনেক কম দামে পাওয়া যায়। যার কারণে এখন আর হারিকেনের প্রয়োজন হয় না। চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাটের এক হেরিকেন মেকার জানায়,এক সময় নিজের হাতে অনেক হেরিকেন মেরামত করেছি। কিন্তু এখন কার সময়ে ঘরে হেরিকেন থাকলেও তা কেউ ব্যবহার করে না।এতে মেরামতের কাজ ও তেমন হয় না।যার কারণে এই পেশা ছাড়তে হয়েছে।
    তিনি আরও বলেন, সময়ের আবর্তে এক সময় হারিকেন দেখতে যেতে হবে জাদুঘরে। নতুন প্রজন্ম হয়তো জানবেও না হারিকেনের ইতিহাস।

    হাসমত উল্লাহ ।

  • বরিশাল ০২ আসনে মনোনয়ন পত্র কিনলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার মো. ইউনুস

    বরিশাল ০২ আসনে মনোনয়ন পত্র কিনলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার মো. ইউনুস

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বরিশাল ০১ ও ০২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য রনাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট তালুকদার মো.ইউনুস বরিশাল ০২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসন থেকে প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ।

    আজ রবি বার সকাল ১২ ঘটিকার সময় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-র আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কেনেন তিনি।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জামাল হোসেন সাধারন সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন বেপারী ,বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মাওলাদ হোসেন সানা,উজিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মজিদ সিকদার বাচ্চু,সহসভাপতি ইদ্রিস সরদার,সাবেক ভারপ্রাপ্ত বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান শরীফ উদ্দিন আহমদ কিসলু,ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মৃধা,বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজ কল্যান সম্পাদক আতিকুল রহমান জুয়েল,সাবেক কোষাধ্যক্ষ ফারুক সরদার,মামুন মল্লিক,হারতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিন্টু মজুমদার,হারতা ইউপি চেয়াম্যান অমল মল্লিক,বড়কোঠা ইউপি চেয়ারম্যান শহীদ মৃধা,বানারীপাড়া সেচ্ছাসেবক লীগের হাফিজুর রহমান মামুন,উদয়কাঠী আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন সহ বানারীপাড়া ও উজিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবূন্দ।

    উল্লেখ্য তালুকদার মো. ইউনুস মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের রনাঙ্গনে সাহসীকতার সহীত যুদ্ধ করেছেন। বিজয়ের পরে তিনি আগৈলঝাড়ায় সুনামের সহিত আওয়ামী লীগের দ্বায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করে, দ্বায়িত্ব পান বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকদের ।দলের প্রতিটি দুঃসময়ে দলের দ্বায়িত্ব পালন করে তিনি পরিচিত হয়েছেন আস্থাভাজন নেতা হিসেবে,তিনি পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানের সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনে অংশ গ্রহন করেন। পরবর্তীতে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ সহ অংশ গ্রহন করেছেন সৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে,এছাড়াও তিনি সরকারের প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে বরিশালে হয়েছেন সর্বোচ্চ জনপ্রিয় নেতা। এ যাবৎ পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের হয়ে বরিশাল ১ ও ২ আসনে নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ও দশম সংসদে প্যানেল স্পীকারের দ্বায়িত্ব পালন করেছেন ।

    এদিকে বরিশাল ২ আসন তথা বানারীপাড়া ও উজিরপুরের সর্বস্তরের মুক্তিকামী জনগন তালুকদার মো.ইউনুসকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন।

  • ঢাকা-০৪ আসনে মনোনয়ন কিনলেন   হাজী মো:মিরাজ হোসেন

    ঢাকা-০৪ আসনে মনোনয়ন কিনলেন হাজী মো:মিরাজ হোসেন

    লিটন মহমুদ, মুন্সিগঞ্জঃ

    আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-০৪
    (শ্যামপুর-কদমতলী) আসন থেকে প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাজী মো: মিরাজ হোসেন ।

    আজ রবি বার সকাল (১১:৩০) ঘটিকার সময় ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ-র আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মনোনয়ন ফরম কেনেন তিনি। এ সময় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • সেনবাগে পৌরসভা মেধাবৃত্তির সনদ,পুরস্কার বিতরণ ও মতবিনিময়

    সেনবাগে পৌরসভা মেধাবৃত্তির সনদ,পুরস্কার বিতরণ ও মতবিনিময়

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)
    নোয়াখালীর সেনবাগে ১ম বারের অনুষ্ঠিতব্য সেনবাগ পৌরসভা মেধাবৃত্তি পরীক্ষা ২০২৩ ইং এর সনদ,পুরস্কার বিতরণ ও শিক্ষা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ নভেম্বর শনিবার দুপুরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন,পৌরসভা মেধাবৃত্তি পরীক্ষার আয়োজক সেনবাগের
    পৌরমেয়র আবু নাছের দুলাল( ভিপি)। মাষ্টার আবুল বাসার ও মাষ্টার নুর হোসেন সুমনের পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,নোয়াখালী জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) অজিত দেব।এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী ,এস এ টিভির সমন্বয়ক হাসান মঞ্জুর,
    উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিসান বিন মাজেদ, জেলা শিক্ষা অফিসার নুর উদ্দিন মো:জাহাঙ্গীর, উপজেলা সহকারী কমিশনার ( ভূমি) জাহিদুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তফা হোসেনসহ অনেকেই। অনুষ্ঠানে মেধা তালিকা অনুযায়ী ৩য় শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত প্রতি শ্রেণীতে ২০ জন করে সর্বমোট ১২০ জন শিক্ষার্থীকে নগদ অর্থ ও সনদ প্রদান করা হয়।উল্লেখ্য গত ১২নভেম্বর ৪টি ভ্যেনুতে ২০১৬ শিক্ষার্থীর অংশ গ্রহনে প্রথম বারের মত সেনবাগ পৌরসভা মেধাবৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

  • অ*গ্নিস*ন্ত্রাস প্রতি*রোধে শপথ নিলো হাজারো মানুষ

    অ*গ্নিস*ন্ত্রাস প্রতি*রোধে শপথ নিলো হাজারো মানুষ

    নিজস্ব প্রতিবেদক।

    অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শান্তির জন্য রাজধানীর গুলশানে জড়ো হলো হাজারো মানুষ। এসময় অগ্নিসন্ত্রাস প্রতিরোধ করতে শপথ নেন তারা।

    শনিবার গুলশান-২ গোলচত্বরে ( ল্যান্ডমার্ক কর্নার ) অগ্নিসন্ত্রাসে ক্ষতিগ্রস্তদের সংগঠন অগ্নিসন্ত্রাসের আর্তনাদ ‘RISE FOR PEACE বা জেগে ওঠো শান্তির পথে’ শীর্ষক এ কর্মসূচির আয়োজন করে। সার্বিক সহযোগিতা করে গতিপথ তথ্য ও গবেষণা সংস্থা।

    অনুষ্ঠানের মাঝে মাঝে শান্তির জন্য সঙ্গীত পরিবেশন করেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা রাজীব এবং আবিদ অমি।

    কর্মসূচিতে অংশ নেন অগ্নিসন্ত্রাসে নিহতদের পরিবার ও আহতরা। এসময় তারা তাদের বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

    অগ্নিসন্ত্রাসের শিকার এসব মানুষের সঙ্গে একাত্মতা জানাতে এসেছিলেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, চিত্রনায়িকা নিপুন, সাবেক সংসদ সদস্য তারানা হালিম, শেরে বাংলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবদুস সাত্তার, অভিনেতা সিদ্দিক, তেজগাঁও কলেজের অধ্যক্ষ হারুন অর রশিদ, সাংবাদিক নিয়াজ জামান সজীব প্রমুখ একাত্মতা ঘোষণা করেন।

    তারানা হালিম বলেন, ২০১৪ সালে শুধু এই অপশক্তি ২১ জন পুলিশই হত্যা করেছে। ১৫০টি বাস পুড়িয়েছে। এদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বয়কট করুন আপনারা।

    গুলশান এলাকার সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ এ আরাফাতও এসেছিলেন একাত্মতা জানাতে। এমসয় তিনি বলেন, মানুষ পুড়িয়ে মারা কৌশল নয়, অপকৌশল। কারা এগুলো করছে আমরা জানি। তাদের প্রতিহত করতে হবে।

    সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন। তিনিও অগ্নিসন্ত্রাসের শিকার। ঘটনার দিন তিনি যে বাসে ছিলেন সেই বাসে দেওয়া আগুনের বর্ণনা দেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, আজ কেন এই কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে আমাদের? সৃষ্টিকর্তার দয়ায় আমি বেঁচে আছি। ২০১৩ সালে ২৮ নভেম্বর আমার জন্য বিভীষিকা। হুকুমদাতাদেরও বিচারে আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

    বিএনপির ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশের দিন নিহত পুলিশ সদস্য এনামুল পারভেজের ছোট্ট সন্তান তানহা ইসলাম ও স্ত্রী রুমা আক্তার এসেছিলেন। কথা বলেন রুমা আক্তার। মেয়ে দেখিয়ে তিনি বলেন, সবার বাবা আছে। ওর বাবা নাই। পৃথিবীতে কারও সঙ্গে যেন এমন না হয়।

    রুমা আক্তারের কথা বলার সময় এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এসময় ছোট্ট তানহা হতবিহ্বল চোখে তাকিয়ে থাকেন।

    বিএনপির মহাসমাবেশের পরদিন নিহত পুলিশ সদস্য আবু নাইমের মা পারভীন বেগন ও বাবা আলম চৌকিদার এসেছিলেন। ছেলের হত্যাকারীদের বিচার চান এই বাবা-মা।

    সাংবাদিকদের পক্ষে নিয়াজ জামান সজীব বলেন, আমরা তো দায়িত্ব পালন করতে যাই আমরা কেন সন্ত্রাসের শিকার হই? আমরা তো কোনো একটা ঘটনারও বিচার পাইনি।

    আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন বাবুল, অগ্নি সন্ত্রাসে নিহত নাহিদার মা রুনি বেগম, অগ্নিসন্ত্রাসের শিকার সালাউদ্দিন ভুঁইয়া, রফিকুল ইসলাম, গীতা সেন ও এনামুল কবির।

  • পাইকগাছায় কারেন্ট পোকার আক্রমণে ধানের ব্যাপক ক্ষতি;হতাশ চাষিরা

    পাইকগাছায় কারেন্ট পোকার আক্রমণে ধানের ব্যাপক ক্ষতি;হতাশ চাষিরা

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,(খুলনা)॥
    খুলনার পাইকগাছায় আমন ধান ক্ষেতে কারেন্ট পোকা আক্রমণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বারবার কিটনাশক ব্যবহার করেও কোন কাজ না হওয়ায় কৃষকরা হতাশ। একদিকে কারেন্ট পোকা আক্রমণ তারউপর সম্প্রতি ঘূর্ণীঝড় মিধিলীর ঝড়ো বাতাসে ধান মাটিতে নুয়ে পড়ায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক কৃষকের আবাদ করার খরচ উঠবে না। হঠাৎ কারেন্ট পোকা আক্রমণে ভালো ফসল ঝলসে ছারখার হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে কৃষকরা।
    উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সবুজ ধানগাছের মধ্যে লাল বা পোড়া বাদামি রঙের গাছ রয়েছে। পোকা দমনে কৃষকরা কীটনাশক স্প্রে করছে। তবে তেমন কোন কাজ হচ্ছে না। পোকাটির নাম বাদামি গাছ ফড়িং। তবে কৃষকরা ধানের কারেন্ট পোকা বলায় নামটির ব্যাপক পরিচিতি ঘটেছে। বিদ্যুতে স্পর্শ করলেই সর্বনাশ, এমন ধারণা থেকে পোকাটির নাম হয়েছে কারেন্ট পোকা। দেখতে প্রায় উকুনের মতো। ধানগাছের নিচের অংশে অবস্থান করে প্রথমে রস চুষে খায়। পরে ধানগাছ লাল বা পোড়া বাদামি রঙের হয়ে যায়। দেখলে মনে হবে আগুনে ঝলসে গেছে। অবশেষে আক্রান্ত ধানগাছ মারা যায়।
    উপজেলা কৃৃষি অফিস সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৭ হাজার ৪শ ২০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। যার মধ্যে পাঁচ হেক্টর জমির ধান গাছে কারেন্ট পোকা আক্রমণের শিকার হয়েছে। উপজেলার সোলাদানা গ্রামের কৃষক আবুল হোসেন বলেন, চার বিঘা জমিতে আমন ধান লাগিয়েছিলাম। বর্তমানে কারেন্ট পোকার আক্রমণে ধানের সর্বনাশ হয়েছে। ফলন ভালো হলেও পোকার আক্রমণের কারণে ২০ মণের জায়গায় ৫ থেকে ১০ মণ মত ধান হতে পারে।
    পোকা আক্রমণের শিকার বিভিন্ন এলাকার কৃষক জানান, কারেন্ট পোকার আক্রমণ থেকে ধান বাঁচাতে কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। তবে যে গাছে পোকা আক্রমণ করেছে, সেগুলো বাঁচানো যাচ্ছে না। যে কারণে এবার ধানের উৎপাদন কম হবে। কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক লিফলেট ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও কেনো কাজ হচ্ছে না। আবাদ করার খরচ উঠছে না। ক্ষতিগ্রস্তদর সরকারি প্রণোদনার আওতায় আনার দাবি জানান তারা।
    এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার অসিম কুমার দাশ বলেন, কৃষকরা না শুনে না বুঝে গাছের উপরের অংশে স্প্রে করছেন। অথচ এই পোকা গাছের নিচের অংশে অবস্থান করে। আক্রান্ত ধানগাছের নিচের অংশে বিলি করে কীটনাশক স্প্রে করার পরামর্শ দেয়া হলেও তারা তা করছেন না। পাশাপাশি ক্ষেতে একজন কৃষক কীটনাশক স্প্রে করছে কিন্তু অন্য জন একই সময় স্প্রে না করায় পোকা ঠিকমত দমন হয়নি।
    কারেন্ট পোকা থেকে ধানগাছ বাঁচাতে ইতোমধ্যে কৃষকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠাক, ক্ষেতে আক্রান্ত পোকার ভিডিও প্রদর্শন করাসহ বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। যাদের ৮০ শতাংশ ধান পেকে গেছে তাদের ধান দ্রুত কেটে ফেলতে বলা হয়েছে। আমন আবাদে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে বোরোতে প্রণোদনার আওতায় অস্তর্ভুক্ত করণের প্রক্রিয়া চলছে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,(খুলনা)॥

  • রাহাত সভাপতি শাওন সম্পাদক,  নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন চিকনিকান্দি ইউনিয়ন কমিটি গঠন

    রাহাত সভাপতি শাওন সম্পাদক, নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন চিকনিকান্দি ইউনিয়ন কমিটি গঠন

    গলাচিপা প্রতিনিধি : নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন চিকনিকান্দি ইউনিয়ন ইউনিয়ন শাখা ( গলাচিপা, পটুয়াখালী) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে গতকাল শনিবার রাত ৮ টায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।নবজাগরণ ইয়ুথ ফাউন্ডেশন গলাচিপা উপজেলা শাখার সভাপতি মোহাম্মদ মুনতাসীর মামুন ও সাধারণ সম্পাদক সুমাইয়া খাঁন নিসা সাক্ষরিত পত্রে চিকনিকান্দি ইউনিয়ন শাখা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
    এতে মতামতের ভিত্তিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মো: রাহাত হোসেন হৃদয় ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জোমাদ্দার এম শাওন। কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ সভাপতি – আবির মাহমুদ, মোয়াজ্জেম হাওলাদার, মো: ইমরান খান,এস এম রায়হান সিকদার। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানিসা তানিয়া, মো: সিয়াম আহমেদ,মো: নুর ইসলাম, শাকিল হাওলাদার, মো: তাওহীদ। সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল খাঁন। সহ সাংগঠনিক সম্পাদক – মো: হাসিব,
    দুর্জয় দাস,মো: বাইজীদ ইসলাম, নাইম জোমাদ্দার, মো: মাইনুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ। মো: আমিনুল মিয়া, আইন বিষায়ক সম্পাদক।এইচ এম হাসান মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক। মো: হাবিবুল ইসলাম, সহ প্রচার সম্পাদক। মো: নাজমুল হুদা, দপ্তর সম্পাদক। মো: মিরাজ, সহ দপ্তর সম্পাদক। মেহেদী হাসান মিরাজ, চিকিৎসা বিষয়ক সম্পাদক।মো: মাসুদুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক। মো: আবির হোসাইন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক। সুব্রত ঘোস ( পিপি), সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক।মো: ফয়সাল প্যাদা, ক্রিয়া সম্পাদক।মাহতিম আহমেদ ইমরান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক। মো: মাঈনুল সিকদার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক। মো: সাগর মল্লিক, পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক। মো: তুহিন ইসলাম, সহ পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক।মো: ইমন মীরা, সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক। মো: নোমান, সহ সমাজ সেবা বিষয়ক সম্পাদক। মো: জিসান প্যাদা, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক।মো: সোহাগ মোল্লা, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক।

  • নড়াইলে তথ‍্য অফিসের আয়োজনে বাল্যবিবাহ অবসান ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেনসিটাইজেশন মিটিং

    নড়াইলে তথ‍্য অফিসের আয়োজনে বাল্যবিবাহ অবসান ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেনসিটাইজেশন মিটিং

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে তথ‍্য অফিসের আয়োজনে বাল্যবিবাহ অবসান ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে অনুষ্ঠিত হয়েছে সেনসিটাইজেশন মিটিং
    রবিবার (১৯ নভেম্বর) জেলা তথ্য অফিস, নড়াইলের উদ্যোগে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায় বাল্যবিবাহ অবসান ও শিশুরা প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে নানামুখী প্রচারণা কার্যক্রম শুরু হয়েছে ৷ উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, ২০২৩ সালের (নভেম্বর) মাসব্যাপী এ প্রচারণার অংশ হিসেবে ১০ টি স্কুল ও মাদ্রাসায় শিক্ষকবৃন্দ এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের নিয়ে বাল্যবিবাহ অবসান এবং শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে এ সেনসিটাইজেশন মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷
    ইউনিসেফ বাংলাদেশ এর আর্থিক সহযোগিতায় এবং জেলা তথ্য অফিস, নড়াইলে আয়োজনে এ যৌথ উদ্যোগী প্রচারণা নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷
    বাল্যবিবাহের অবসান এবং শিশুর প্রতি সকল ধরণের সহিংসতা রোধের লক্ষ্য নিয়ে উক্ত বিষয়ের উপর স্কুলের সকল শিক্ষক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের সাথে পারষ্পরিক মতবিনিময় এবং আলোচনার মাধ্যমে মিটিংটি সম্পন্ন হয় ৷
    সেনসিটাইজেশন মিটিং-এ উপস্থিত সকলে বাল্যবিবাহ অবসান এবং শিশুর প্রতি যেকোন সহিংসতা বন্ধে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলে শপথ গ্রহণ করে ৷

  • ঝিনাইদহে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করেন ৬ নারী

    ঝিনাইদহে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহ করেন ৬ নারী

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    প্রাচীরের কোলঘেষে সারি সারি দোকান। ধরালো বটি নিয়ে বসে আছেন নারীরা। পাশে রাখা আছে ছাই আর স মিলের কাঠের গুড়া। ক্রেতারা বাজার থেকে মাছ কিনে এনে তাদের কাছে দাঁড়াচ্ছেন। হাতে থাকা ব্যাগ ভর্তি মাছ তুলে দিচ্ছেন ওই নারীদের হাতে। মাছগুলো সযতেœ কুটে আবার ব্যাগে ভরে দিচ্ছেন। মাছ কুটে দেওয়ার বিনিময়ে তাদের দেওয়া হচ্ছে পারিশ্রমিক। এমন দৃশ্য দেখা যায় ঝিনাইদহ শহরের উপ-শহরপাড়া সংলগ্ন কাঁচা বাজারে। এই বাজারে ৬জন নারী প্রতিদিন মাছ কুটে জীবিকা নির্বাহ করছেন। আয়ও তাদের ভালো। উপ-শহরপাড়ার মুনজুরা খাতুন আগে বাসা বাড়িতে কাজ করতেন। প্রতি মাসে তার যে আয় হতো তা দিয়ে দুই সন্তান নিয়ে শহরে বসবাস করা কঠিন হয়ে পড়ে। বুদ্ধি খাটিয়ে তিনি একটি ধারালো বটি কিনে উপ-শহরপাড়ার কাঁচা বাজারে বসে পড়েন। প্রায় তিন বছর তিনি এই পেশায় নিয়োজিত। এখন তার সংসার বেশ ভালই চলছে। মুনজুরা খাতুন খাতুনের মতো বাজারে মাছ কুটছেন আছিয়া খাতুন, বেদানা খাতুন, চলন্তিকা, ববিতা খাতুন ও রিজিয়া। চলন্তিকা খাতুন জানান, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মাছ কুটলে তার আয় হয় তিন’শ টাকা। কোন কোন দিন ৫০০ টাকাও আয় হয়। তবে শুক্রবার সরকারী ছুটি থাকার কারণে মাছের চাহিদা বেশি থাকে। সরকারী কর্মকর্তারা বাজার থেকে বেশি বেশি মাছ কুটে বাড়ি নিয়ে যান বলেও চলন্তিকা জানান। রিজিয়া খাতুন জানান, ছোট বড় সবার কাছে মাছ খুবই প্রিয়। অনেকেই ছোট বড় মাছ কিনতে চান কিন্তু বাড়িতে কুটতে ঝামেলা হয়। এ জন্য মাছ কিনে বেশির ভাগ মানুষ বাড়ি নিতে চান না। বেদানা খাতুন জানান, ছোট মাছ প্রতি কেজি তারা ৫০ টাকা করে কুটে থাকেন। এ ছাড়া বড় মাছ কুটে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি পারিশ্রমিক নেন। মেহেদী হাসান নামে এক সরকারী কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি মানুষের সংসারে দৈনন্দিন কিছু না কিছু কাজ থাকে। বাসায় স্ত্রী ও কাজের বুয়ারা এখন আর মাছ কুটতে চান না। বিশেষ করে বর্তমান জামানার মেয়েরা মাছ কুটার মতো কাজ করতেই চান না। ফলে গৃহকর্তারা বাধ্য হয়ে বাজার থেকে মাছ কুটে নিয়ে যান। এতে সংসারে শান্তিও বজায় থাকে। কৃষি কর্মকর্তা মিলন ঘোষ জানান, এমনিতেই সারা দিন তাদের কাজে ব্যাস্ত থাকতে হয়। বাসায় কাজের লোকের সমস্যা রয়েছে। মেয়েরা রান্নাবান্নার আর ঘর গৃহস্থলীর মতো জরুরি কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তাই সময় বাঁচাতে তিনি বাজার থেকে মাছ কিনে কুটে নিয়ে যান। এতে করে বাড়তি কোন ঝামেলা পোহাতে হয় না। গৃহবধু মিনারা আসিফ জানান, এখন তো টাকা দিয়েও কাজের মানুষ পাওয়া যায় না। তাই সময় বাঁচাতে বাজর থেকে কেনা মাছগুলো কুটে নিয়ে যান। স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম মধু জানান, নারীরা এখন অনেক ক্ষেত্রেই স্বাবলম্বি হচ্ছেন। মাছ কুটেও যে সংসার চালানো যায় এটা একটা নতুন আইডিয়া। তিনি বলেন, নানা পেশায় এখন আধুনিকতার ছোঁয়া লাগছে। আগে স্ত্রী ও মা চাচিরা বাড়িতে মাছ কুটতেন, এখন সেটা বানিজ্যিকীকরণ হয়েছে। আগামীতে হয়তো মেশিনের মাধ্যমে মাছ কুটার প্রযুক্তি আবিস্কার হবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান