Blog

  • রাজশাহী ১ আসনে ( গোদাগাড়ী – তানোর) দলীয়  মনোনয়ন তুললেন ৬ জন

    রাজশাহী ১ আসনে ( গোদাগাড়ী – তানোর) দলীয় মনোনয়ন তুললেন ৬ জন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন বিক্রি শুরু হয়েছে। শনিবার (১৮ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। দলের প্রথম মনোনয়ন ফরমটি শেখ হাসিনা সংগ্রহ করেছেন।

    এর পর থেকেই সারা দেশের দলীয় মনোনয়ন প্রতাশীরা ফরম উত্তোলন শুরু করে। আওয়ামী লীগের ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ কার্যালয়ে মনোনয়ন প্রতাশীদের ফরম উত্তোলন করতে নেতাকর্মী ঢল দেখা যায়।

    ২০ নভেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, এ কে এম আসাদুজ্জামান আসাদ রাজশাহী -১ ( গোদাগাড়ী – তানোর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশি। তিনি তৃতীয় দিন সোমবার মনোনয়ন ফরম তুলেছেন এবং সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    মনোনয়ন উত্তোলনের দ্বিতীয়দিন রোববার (১৯ নভেম্বর) সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ে সারাদেশ থেকে আগত মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ফরম উত্তোলন করতে দেখা যায়।

    এদিকে, রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেছেন। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষে মনোনয়ন উত্তোলন করেন গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যন ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, তানোর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগ সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দীন সোহেলসহ গোদাগাড়ী-তানোর উপজেলার আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    এছাড়াও একই দিনে তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মুন্ডুমালা পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানী বিকেল তিনটার দিকে ও রাজশাহী জেলা কৃষক লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ তাজবুল ইসলাম বিকেলে মনোনয়ন উত্তোলন করেছেন।

    মনোনয়ন ফরম বিক্রির প্রথম দিন (১৮নভে:) একই আসনে থেকে মনোনয়ন উত্তোলন করেছেন, আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটি সদস্য ও রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সাংসদ ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের সহধর্মীনি আয়েশা আখতার জাহান ডালিয়া।
    এছাড়াও একইদিন এ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক আখতারুজ্জামান আক্তার।

    মো: হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ সুযোগ পেলে যশোরে চমক দেখাবেন নতুন মুখ দিপু

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ সুযোগ পেলে যশোরে চমক দেখাবেন নতুন মুখ দিপু

    উজ্জ্বল রায়, নিজস্ব প্রতিবেদক:

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য যশোর-৩ (সদর) আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন কিনেছেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য দেলোয়ার রহমান দিপু।
    শনিবার (১৮ নভেম্বর) সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউর আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে এ ফরম কেনেন তিনি। এসময়ে তার সাথে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ।

    দেলোয়ার রহমান দিপু প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিকশিত তরুন ছাত্রনেতা। তিনি একাধারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    সাবেক এ ছাত্র নেতা জানান, তিনি এমপি নির্বাচিত হলে একটি পরিছন্ন আধুনিক এবং নাগরিক সমস্যামুক্ত যশোর গড়ে তুলবেন। ইতিমধ্যে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে কথা বলে মানুষের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করছেন।

    দিপু আরও জানান, ‘আমি ওয়ান এলিভেনে নেত্রীর মুক্তির আন্দোলনে কারা নির্যাতিত একজন কর্মী। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্য দেশ রতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার পলিটিক্যাল প্রফাইল দেখে যদি মনে করেন আমি যোগ্য প্রার্থী তাহলে আমি মনোনয়নে শতভাগ আশাবাদি ইনশাআল্লাহ’

    মিষ্টভাষী সদালাপী তরুন নেতা দেলোয়ার রহমান দিপু বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় দপ্তর উপ কমিটির সাবেক সদস্য, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাবেক পাঠাগার সম্পাদক , ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক অর্থ সম্পাদক, যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য (২০০১-২০০৪) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। যশোর ও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তার অনেক অবদান রয়েছে।

    এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ওয়ান ইলেভেনে সেনাবাহিনীর গাড়ি পোড়ানো মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামী, বিএনপি জামাত ক্ষমতাসীন সময়ে চারটি রাজনৈতিক মামলার আসামী।নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে কোমলমতি শীক্ষার্থীদের ঘরে ফেরানো ও আন্দোলন কে উস্কানিমুক্ত রাখতে গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন।

    দেলোয়ার রহমান দিপু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি এ অনার্স, এমএ(বাংলা) সম্পন্ন করে বর্তমানে বাংলা প্রভাষক হিসেবে ঢাকা সিটি কলেজে কর্মরত রয়েছেন।

    দেলোয়ার রহমান দিপু যশোর সদর উপজেলার ১২ নং ফতেপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর (বাবুপাড়া) গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুর-ই-আলম তোতার সন্তান।

    দিপু ছাড়াও যশোর-৩ সদর আসন থেকে মনোনয়ন কিনেছেন বর্তমান সাংসদ কাজী নাবিল আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু।

  • প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

    গত ১৫ নভেম্বর দৈনিক কালবেলা সহ কয়েকটি পত্রিকায় ‘পুরানো কংক্রিটে রাস্তা তৈরির অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান। সংবাদে তাকে জড়িয়ে রাস্তা নিয়ে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবী করেছেন চেয়ারম্যান। তাই উক্ত সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানায়িছেন ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান।
    চেয়ারম্যান সাইদুর রহমানের দাবী “গ্রামের কিছু লোক সর্বদা ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে কুৎসা রটনা করে বেড়ায়। দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে এ ইউনিয়নের রাস্তা ঘাটের কোন উন্নয়ন হয়নি। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকার রাস্তাঘাটের ব্যাপক কাজ হচ্ছে। যা প্রতিনিয়ত সমালোচকদের ভাবিয়ে তুলছে।” তিনি বলেন, “বলদিয়া ইউনিয়নে ইন্দুরহাট-জিলবাড়ি ভায়া বিন্নাবাজার EFT-ETCL-এর মাধ্যমে IRIDP-3 প্রজেক্টের আওতায় ২০৯৮ মিটার রাস্তার ৪ কোটি ৩৮ লাখ ৪৭ হাজার ২৪০ টাকা প্রকল্প ব্যয়ে নির্মাণের কাজ চলছে। আমি চেয়ারম্যান হওয়ার পরে বর্তমানে আরো প্রায় ১০০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ চলমান। তিনি বলেন ওই দুই কিলোমিটার রাস্তার কাজে পুরোনো সলবেস্ট মালামাল বাবদ ১৯ লাখ ১৫ হাজার ২৬৮ টাকা ধরা হয়েছে। তাছাড়া রাস্তাটির অধিকাংশ জায়গা জুড়ে খালে বিলীন হয়ে গেছে। তাই প্রয়োজনে জাহাজ বোঝাই বালু দিয়ে খালের পাশ ডোবা ভরাট করে রাস্তা বের করেছি। যা রাস্তার ইস্টিমেটে ধরা ছিলনা। বরংচ এতে আরো কয়েক লাখ টাকা অতিরিক্ত ব্যায় করা হয়েছে। যা ওই রিপোর্টার কিছুই জানেনা। তাছাড়া উক্ত রিপোর্ট প্রকাশ করার পূর্বে রিপোর্টার ভালভাবে রাস্তা সম্পর্কে অবগত না হয়ে কারো দ্ধারা প্ররোচিত হয়ে সংবাদটি প্রকাশ করেছে। তাই আমি উক্ত সংবাদের প্রতি চরম নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

    চেয়ারম্যান,
    মো: সাইদুর রহমান,
    ১নং বলদিয়া ইউনিয়ন। পরিষদ।

  • আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কিনলেন ত্রিশালের মেয়র আনিছ

    আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কিনলেন ত্রিশালের মেয়র আনিছ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ত্রিশাল পৌরসভা থেকে ৩বারের নির্বাচিত জনপ্রিয় মেয়র আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ । এ উপলক্ষে তিনি ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

    রবিবার (১৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ঢাকার কেন্দ্রীয় অফিসের নির্বাচনী সেল থেকে বিশাল শোডাউন ও কর্মী সমর্থকদের সাথে নিয়ে এই আসনের মনোনয়নপত্র ক্রয় করেন।

    ত্রিশালের জনবান্ধব ও প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম আবুল হোসেন এর পরিবারের সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ ত্রিশাল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন এর সুযোগ্য সন্তান। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।

    আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ ত্রিশাল আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন- এমন খবরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা মোখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়ছে। তবে এপর্যন্ত এই আসনে প্রায় ২০ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছেন। ভোটারদের মাঝে আলোচনা চলছে তাহলে এ আসনে কে পাচ্ছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন? এসব বিষয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে।

    তবে মেয়র আনিছ ত্রিশালের একজন জনবান্ধন ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা। তিনি গত ২০১১ সালে ত্রিশাল পৌরসভায় মেয়র নির্বাচিত হন। এরপর থেকে টানা তিনবার নির্বাচিত হয়ে অদ্যাবধি দায়িত্বে আছেন। অত্যন্ত সৌভাগ্যবান এই জনপ্রতিনিধি ৬ মাসের মাথায় অক্লান্ত প্রচেষ্টায় পৌরসভাকে ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত করেন। তার কর্মগুণে আজ তিনি জায়গা করে নিয়েছেন পৌরবাসীর অন্তরে। রাজনৈতিক জীবনে মেয়র আলহাজ্ব এ বি এম আনিছুজ্জামান (আনিছ) ১৯৮৬ সালে ত্রিশাল উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়কের (১) দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রাবস্থায় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন। ১৯৮৩ সালে ছাত্রদের সংগঠিত করে ইউএনও অফিস ভাঙচুর করেন এবং কাঁধে পড়ে মামলার বোঝা। ১৯৮৫, ৮৬, ৮৭ , ৯০ সালে ধারাবাহিকভাবে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অগ্রনায়কের ভূমিকায় ছিলেন রাজপথে।

    উদ্দীপ্ত যুবক আনিছ ১৯৯৪ সালে ত্রিশাল উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৪-২০১৫ সাল পর্যন্ত দুইবার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার দক্ষ নেতৃত্বে ত্রিশাল উপজেলায় যুবলীগ একটি শক্তিশালী সংগঠনে রূপ নেয়। ২০০১, ২০০৩, ২০০৫ সালে জোট সরকারবিরোধী আন্দোলনে ত্রিশাল উপজেলা যুবলীগ ছিল অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকায়। ফলশ্রুতিতে একের পর এক মামলার শিকার হন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য এ বি এম আনিছুজ্জামান (আনিছ) গৌরীপুর সরকারি কলেজ থেকে বিএসসি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন।

  • তারাকান্দায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থী রোধে মা ও অভিভাবক সমাবেশ

    তারাকান্দায় ঝরে পড়া শিক্ষার্থী রোধে মা ও অভিভাবক সমাবেশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে জ্বালো এই স্লোগানকে সামনে রেখে,পানিহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়া শিক্ষার্থী রোধে ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত রাখার জন্য এবং শিক্ষার মান ধরে রাখতে, মা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    উপজেলার পানিহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে (২০নভেম্বর) সোমবার দুপুরে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    উক্ত সমাবেশে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান খান এর সভাপতিত্বে, এবং সহকারী শিক্ষক হানিফ রুবেল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গুরুত্বপুর্ণ বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব জিবন আরা বেগম, ইউপি সদস্য, এসএমসি কমিটির সদস্যগণ, অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষিকাসহ অভিভাবক বৃন্দ।

    এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত বলেন, করোনা কালীন সময়ের পর বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের উপস্থিতি বাড়ানোর জন্য মা দের ভূমিকা অপরিহার্য। তিনি আরো বলেন- ছাত্র ছাত্রীদের সরকার কতৃক যে উপবৃত্তি দেওয়া হয় তা যেনো সঠিক কাজে তথা ছাত্র ছাত্রীদের লেখা পড়ার কাজেই ব্যয় করা হয় সে ব্যাপারে সকলে সচেতন থাকতে হবে।ছাত্র ছাত্রী, শিক্ষক এবং অভিভাবকের সাথে যাতে সব সময় যোগাযোগ থাকে এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহবান জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।

    এর আগে তিনি পানিহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যকম, সবুজ পাঠশালা কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেতনা জাগ্রতকরণে
    জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তাফিজার রহমানের উদ্ভাবনী উদ্যোগ “বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ি, নিজেকে গড়ি” বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন ইউএনও মিজাবে রহমত।

  • বেনাপোলে অ*পহৃত সুমন হ-ত্যার আলামত জব্দ, প্রধান আসামী কামালসহ গ্রে*ফতার-৩

    বেনাপোলে অ*পহৃত সুমন হ-ত্যার আলামত জব্দ, প্রধান আসামী কামালসহ গ্রে*ফতার-৩

    আজিজুল ইসলামঃ অপহৃত সুমন হত্যার ঘটনায় ঢাকা থেকে প্রধান আসামী কামালসহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে যশোর জেলা ডিবি পুলিশ। এসময়
    লাশ পরিবহনের প্রাইভেটারসহ হত্যাকাজে ব্যবহৃত আলামতও জব্দ করা হয়।

    আটককৃত আসা্মী- বেনাপোল পোর্ট থানার বড় আঁচড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে কামাল হোসেন (৪০), সাদীপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে ইজাজ ও একই
    গ্রামের রফিজুল ইসলামের ছেলে ইসরাফিল (২৯)।

    গত (১১ নভেম্বর)স্বর্ণ চোরাকারবারী চক্রের কামাল গং কর্তৃক বেনাপোল থেকে
    ওমর ফারুক ওরফে সুমন (২৬), পিতা-ওসমান গনি, সাং-টেংরালী, থানা-শার্শা,
    জেলা-যশোরকে অপহরণ পূর্বক হত্যার ঘটনাটি ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হওয়ায়
    জেলা পুলিশ সুপারের নির্দশে মাঠে নামে ডিবি।

    ডিবি’র এসআই মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে এসআই শামীম হোসেন, শফি আহম্মেদ
    রিয়েলদের সমন্বয়ে একটি চৌকশ টিম ঘটনাস্থলের আশে পাশের সিসিটিভি ফুটেজ
    পর্যালোচনা ও আসামীদের মোবাইল তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল ইং ২০ নভেম্বর বেলা
    সাড়ে ১২টার সময় ঢাকার আশুলিয়া কাঠগড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ঘটনায়
    জড়িত প্রধান আসামী কামালসহ অন্যতম সহযোগী আসামী এজাজ ও ইসরাফিলদেরকে
    গ্রেফতার করে তাদের স্বীকারোক্তি মোতাবেক বেনাপোল স্থল বন্দর বাস
    টার্মিনাল এর সামনে থেকে অপহৃত সুমনের মৃতদেহ গুমের কাজে ব্যবহৃত
    প্রাইভেটকার এবং ঘটনাস্থলে ঘরের ছাদ থেকে হত্যাকাজে ব্যবহৃত লোহার পাইপ,
    প্লাস উদ্ধার পুর্বক জব্দ করেন।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, স্বর্ণ চোরাকারবারীদের ৩৫টি বার অনুমান
    ৩ কেজি স্বর্ণ খোয়া যাওয়ায় স্বর্ণ চোরাকারবারী চক্রের কামালগং ভিকটিম
    সুমনকে সন্দেহে আটক করে মারধর করে স্বর্ণ না পেয়ে তাকে হত্যা করে লাশ
    মাগুরা সদর থানাধীন রামনগর এলাকায় ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের পাশে ঝোপের
    মধ্যে ফেলে দেয়।

    এর আগে গতকাল ১৬ নভেম্বর বেলা ১২টার সময় মাগুরা রামনগর থেকে ভিকটিম
    সুমনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

  • মোংলায় সাত মাস পরে কবর থেকে মাহে আলম’র ম*রদেহ উত্তোলন, জানাজা শেষে দা*ফন সম্পূর্ণ

    মোংলায় সাত মাস পরে কবর থেকে মাহে আলম’র ম*রদেহ উত্তোলন, জানাজা শেষে দা*ফন সম্পূর্ণ

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা।
    অবশেষে বহুল আলোচিত মোংলার বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী মাহে আলমের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ২০ এপ্রিল সোমবার সকাল ১১টায় মোংলার পশ্চিম চিলা গ্রাম থেকে ৭ মাস ১০ দিন পরে মাহে আলম’র মরদেহ উত্তোলন করা হয়। গত ১৪ এপ্রিল হিলটন নাথ হিসেবে মরদেহটি সমাহিত হয়েছিলো। ডিএনএ টেস্ট’র রিপোর্টে প্রমাণিত হয়েছে লাশটি মাহে আলম’র। বাগেরহাটের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের আদেশে বহুল আলোচিত লাশটি উত্তোলন করা হয়।
    নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোংলা মোঃ হাবিবুর রহমান কর্তৃক লাশটি উত্তোনপূর্বক মাহে আলম’র ছেলে সুমনা রানার কাছে হস্তান্তর করেন। লাশ উত্তোলনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন মোংলা-রামপাল সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার, মোংলা থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সামসুদ্দীন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মোঃ ইমরান হোসেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নূর আলম শেখ, মাহে আলম’র বড় ছেলে জাতিসংঘের শিশু তহবিল কর্মসুচির মনিটরিং অফিসার সোহেল রানা, চিলা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন প্রমূখ। লাশ উত্তোলনকালে নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন ডিএনএ টেস্টের রিপোর্টে ভিত্তিতে আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক মাহে আলম’র লাশটি উত্তোলন পূর্বক তার ছেলে সুমন রানার কাছে হস্তান্তর করছি। চিলা ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন বলেন অতি উৎসাহী কিছু মানুষ কেন ৬৫ বছরের মাহে আলমকে ২২ বছরের হিলটন নাথ হিসেবে সমাহিত করলো সেটি জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সহকারি পুলিশ সুপার মুশফিকুর রহমান তুষার বলেন ডিএনএ টেস্ট’র রিপোর্টে হিলটন নাথ হিসেবে সমাহিত লাশটি মাহে আলম হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। কাজেই মাহে আলম অপহরণ মামলাটি এখন হত্যা মামলা হিসেবে পরিগনিত হবে। মাহে আলম’র ছেলে সুমন রানা বলেন বিজ্ঞ আদালত এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় ৭ মাস ১০ দিন পরে বাবার মরদেহটি বুঝে পেয়েছি। এখন আমার বাবার খুন এবং লাশ গুমের সাথে যারা জড়িত পুলিশ তদন্তপূর্বক সেই সকল প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আশা করছি পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বের করবে। অন্যদিকে সোমবার সন্ধ্যার ৬ টায় মোংলার বিএলএস জামে মসজিদ চত্বরে ব্যবসায়ী মাহে আলম’র জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানাজা নামাজে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। জানাজা নামাজে ইমামতি করেন আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ রুহুল আমীন।

  • তারাকান্দায় ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ে  নিজেকে গড়বে’ পানিহরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

    তারাকান্দায় ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ে নিজেকে গড়বে’ পানিহরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    তারাকান্দায় শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ি, নিজেকে গড়ি’ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২০নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার
    পানিহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এই কার্যক্রমে ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ে নিজেকে গড়বে পানিহরি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চেতনাকে জাগ্রতকরণে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তাফিজার রহমানের উদ্যোগে জেলার সকল উপজেলায় প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদরাসা পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ি, নিজেকে গড়ি’ এর বাস্তবায়ন কার্যক্রম উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে
    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।

    এ সময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার জীবন আরা বেগম, বিদ্যালয়ের ম্যাসেজিং কমিটির সভাপতি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি পড়ে বঙ্গবন্ধুর চেতনায় সুনাগরিক হওয়ার জন্য মোটিভেশনাল বক্তব্য দেওয়া হয়। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করে, শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ‘বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটি বিতরণ করলে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন আরও ফলপ্রসূ হতো।

    একই দিনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত
    পানিহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম,১ইঞ্চি জমি অনাবাদী না রাখতে বিদ্যালয়ের পাশে গড়ে তোলা সবুজ পাঠশালা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিত নিশ্চিতে করণে ঝরে পড়া রোধ এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতে করণে পানিহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে মা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত।

  • নাগরপুরে সাংবাদিক নেতা আছিফুর রহমানের আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

    নাগরপুরে সাংবাদিক নেতা আছিফুর রহমানের আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল

    মোঃ আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমানের দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার(২০নভেম্বর)বাদ মাগরিব নাগরপুর সদর বাজার মুকতাদির হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র ও দুয়াজানী কলেজ পাড়া জামে মসজিদে পৃথক এ দুটি জায়গায় বিএমএসএস এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সম্পাদক মো. আমজাদ হোসেন রতন এর সভাপত্বিতে ও কেন্দ্রীয় সদস্য ডা.এম.এ.মান্নান এর পরিচালনায় এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় উপস্থিত, দুয়াজানী কলেজ পাড়া জামে মসজিদ এর খতিব ও পেশ ইমাম মুফতী আব্দুল হাদী, সাবেক পেশ ইমাম মাও. মাসুম বিল্লাহ, সিনিয়র শিক্ষক মাও. ছামিনুর ইসলাম, সরকারি যদুনাথ মডেল স্কুল ও কলেজ এর সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. আহসান উদ্দীন মিয়া, নাগরপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. আনিসুর রহমান, প্রভাষক মো. আলি আকতার, প্রভাষক মাও. আবু সাঈদ, স্কুল শিক্ষক ফেরদৌশ হোসেন, ব্যবসায়ী জরিপ বেপাড়া, সাবান বেপাড়ী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজিবী আহাম্মদ হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সার্জেন্ট মো. নজরুল ইসলাম খানসহ নাগরপুরের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্হিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান খন্দকার আছিফুর রহমান কিছুদিন আগে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় পতিত হয়ে গুরুতর জখম হন। তিনি বর্তমানে খুলনার ফুলতলায় এ. গফুর মেমোরিয়াল ক্লিনিকে ভর্তি আছেন।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল।

  • নাগরপুরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সাড়ে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ

    নাগরপুরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে সাড়ে তিন কোটি টাকা বরাদ্দ

    মো. আমজাদ হোসেন রতন নাগরপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধিঃ-
    টাঙ্গাইলের নাগরপুর “উপজেলা শহরে (নন-মিউনিসিপ্যাল) মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন ও মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প” (১ম সংশোধিত) এর আওতায় নিম্ন লিখিত প্রকল্পে নাগরপুর হাসপাতাল ইউপিসি অফিস পানান বাজার ভায়া মিয়া বাড়ি রোড, নাগরপুর যদুনাথ হাই স্কুল হতে মীরনগর রোড, নাগরপুর মির্জাপুর রোড ও বাবনাপাড়া নঙ্গীনাবাড়ি রোড, নাগরপুর কাঁচা বাজার, শাহজানি বাজারে কসাই খানা, নাগরপুর বাজারে কসাই খানা, পাবলিক টয়লেট তেবারিয়া, পাবলিক টয়লেট পাকুটিয়া বাজার, পাবলিক টয়লেট নাগরপুর বাজার এর জন্য প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
    এ ব্যাপারে স্থানীয় সাংসদ আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, আশা করি এ মাসের শেষ দিকে রাস্তার কাজগুলো, নাগরপুর কাঁচা বাজার, কসাই খানা ও পাবলিক টয়লেটের কাজ শুরু হবে। ইতিমধ্যে সাড়ে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে আমি জনগণের কাছে এ ধরনের প্রকল্পের নির্বাচনী ওয়াদা দিয়েছিলাম। প্রায় সকল কাজই দৃশ্যমান বাকী কাজ গুলো ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর সম্পন্ন হবে।

    নাগরপুর,টাঙ্গাইল ।